তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাবে রাজধানী

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাবে রাজধানী

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতে গত মঙ্গলবার রাজধানীর অনেক এলাকা পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ফাইল ছবি

গত বছরের শেষে ওয়াসা থেকে খালগুলো বুঝে নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তখন বলা হয়েছিল, খালগুলো পরিষ্কার করা হলে ঢাকায় জলাবদ্ধতা থাকবে না। গত পাঁচ মাসে এ নিয়ে কাজ করেছে দুই সিটি করপোরেশন। তবে বর্ষার আগেই মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরের রাস্তা।

তিন ঘণ্টা ধরে বৃষ্টি হলে রাজধানীতে বড় ধরনের জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন নগরবিদরা। মঙ্গলবার সকালে টানা তিন ঘণ্টার বৃষ্টির পর নগরের জলাবদ্ধতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠে এসেছে।

নগরবিদরা জানিয়েছেন, টানা দুই থেকে তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতে হাঁটুপানির নিচে থাকবে রাজধানী। ঢাকায় এখন যে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা রয়েছে, তাতে দুই ঘণ্টার বৃষ্টির পানি বের করে দেয়ার সক্ষমতা নেই।

তবে ঢাকায় মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে পানি জমে থাকাকে জলাবদ্ধতা বলতে রাজি নন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলাবদ্ধতার কোনো সংজ্ঞা নেই। ঢাকায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেবে।

গত বছরের শেষে ওয়াসা থেকে খালগুলো বুঝে নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তখন বলা হয়েছিল, খালগুলো পরিষ্কার করা হলে ঢাকায় জলাবদ্ধতা থাকবে না। গত পাঁচ মাসে এ নিয়ে কাজ করেছে দুই সিটি করপোরেশন। তবে বর্ষার আগেই বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরের রাস্তা।

জলাবদ্ধতার কারণ

নিউজবাংলা থেকে জানার চেষ্টা করা হয়েছে ঢাকায় কেন জলাবদ্ধতা হয় বা এর কারণ কী।

শনিবারের আকস্মিক বৃষ্টিপাত নিয়ে স্থপতি ইকবাল হাবিব নিউজবাংলাকে বলেন, সাধারণত ১০০ মিলিমিটারের নিচে যদি বৃষ্টি হয়, আর তার ফলে জল জমে থাকাকে জলজোয়ার বলা হয়ে থাকে। এ ছাড়া ১০০ মিলিমিটারের উপরের দুই থেকে তিন ঘণ্টা টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাবে রাজধানী
গত মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে পানিতে ডুবে যায় রাজধানীর বেশির ভাগ এলাকা। ফাইল ছবি

সিটি করপোরেশনগুলোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইকবাল হাবিব।

তিনি বলেন, এমন টানা বৃষ্টি হলে সেই পানি বের করে দেয়ার মতো সক্ষমতা বর্তমান দুই সিটির ড্রেনেজ পদ্ধতিতে নেই। এর থেকে বেশি বৃষ্টি হলে পুরো ড্রেনব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে নতুন করে ড্রেন প্রসারিত করতে হবে, যেটি এই মুহূর্তে সম্ভব না।

দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতার কারণ কী হতে পারে, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এর আগে কেউ এ ধরনের উদ্যোগ নেয়নি। নগরবাসী প্রতারিত হয়েছে। প্রকল্প নেয়া হলেও তা খণ্ডিতভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে জনসংযোগ না থাকায় কাজ শেষে জনগণের স্বার্থে কিছুই হয়নি।

একই রকম কথা জানালেন আরেক নগরবিদ আখতার মাহমুদ।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আসলে জলাবদ্ধতার কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে জল নিষ্কাশনের জন্য সময় ও বৃষ্টির পরিমাণটা বড় বিষয়।

‘মাত্র তিন ঘণ্টায় যদি ৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, তবে ঢাকা শহরের যে ড্রেনেজ ব্যবস্থা আছে, সেই পানি সঙ্গে সঙ্গে অপসারণের অবস্থা নেই। সে রকম ড্রেনেজ ক্যাপাসিটি এই মুহূর্তে নেই।’

দুইটি সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মূলত জলনিষ্কাশন ও কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন বেশি জরুরি। সেটি অবশ্য সিটি করপোরেশনের দায়। আজকে অনেকগুলো পকেট জায়গাতে পানি জমে ছিল। আর এর কারণ ড্রেনগুলো বন্ধ থাকে। ফলে পানি খালে গিয়ে পৌঁছাতে পারে না। যদি তারা এটি পরিষ্কার করতে পারে, তবে পানি সহজে নেমে যাবে। মূলত নালাগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে।’

খালগুলো নিয়ে তিনি বলেন, ঢাকাতে যে খাল ও ড্রেন আছে তা অপরিষ্কার থাকার কারণে বৃষ্টির পানি খালে যেতে দেরি হয়। অনেক বেশি পানি হলে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। সিটি করপোরেশনের এই খালগুলো পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব। তাদের কাজ হবে দুইটি। জলাবদ্ধতা নিরসন ও কঠিন বর্জ্য সরানো। এটি যদি সময়মতো করা হয়, তবে অনেক বেশি পানি না হলে জলাবদ্ধতা দেখা দেবে না।

ঢাকার খালগুলোর কী অবস্থা

গত বছর ঢাকার খালগুলো নিয়ে গবেষণা করেছে গবেষণা সংস্থা রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার। তাদের দুটি জরিপে পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতারকালেও ঢাকা জেলায় নদীর সংখ্যা ছিল ১৫। ঢাকা মহানগরী এলাকায় খাল ছিল ৭৫টি। এর মধ্যে আঁটি, কনাই, দোলাই, পান্ডো ও নড়াই নদীর কোনো হদিস বর্তমানে পাওয়া যায় না।

ঢাকাকে ঘিরে রাখা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও টঙ্গী নদীর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ১৭টি খালও হারিয়ে গেছে। গত ৫০ বছরে এসব নদী ও খালের বুকের ওপর গড়ে উঠেছে বড় বড় অট্টালিকা।

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাবে রাজধানী
বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি পেতে যাত্রীদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। ছবি: সাইফুল ইসলাম

রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঢাকার জলাবদ্ধতার প্রথম কারণ অপরিকল্পিতভাবে ঢাকার ওয়েট ল্যান্ডগুলো (জলাভূমি) ভরাট করা হয়। যতগুলো হাউজিং করা হয়েছে এর কোনোটাই ওয়াটার মডেলিং করা হয়নি। এটি না করার কারণে পানির জায়গাটা ভরাট হয়ে গিয়েছে।’

নতুন নতুন হাউজিং প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে এই গবেষক বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি হাউজিংগুলো ওয়েট ল্যান্ড ও খাল দখল করে করা হয়েছে। ঢাকার খালগুলো এখন অধিকাংশ ভরাট হয়ে গেছে। বাকি যেগুলো আছে তার ৭০ ভাগ দখল হয়ে আছে। বৃষ্টির পানি খালে যেতে না পারার কারণে জলাবদ্ধতা হচ্ছে।’

খাল উদ্ধারের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখনই দ্রুত খাল দখলমুক্ত করতে ডিমার্কেশন প্লান দিতে হবে। তা না হলে ঢাকাতে বসবাস করা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে। খালগুলো বক্স কালভার্ট করা হয়েছে, যার ফলে সেখানে বোতল ও পলিথিন জমে পানি আটকে থাকে।’

জলাবদ্ধতা নিরসনের অংশ হিসেবে গত বছর ঢাকা ওয়াসা শহরের ২৬টি খাল (প্রায় ৮০ কিলোমিটার) এবং প্রায় ৩৮৫ কিলোমিটার বড় আকারের নালা ও চারটি পাম্প স্টেশন দুই সিটিকে বুঝিয়ে দিয়েছে। আগে থেকেই দুই সিটি করপোরেশন প্রায় ২ হাজার ২১১ কিলোমিটার নালা দেখাশোনা করে আসছে।

কী বলছে কর্তৃপক্ষ

গত শনিবারের জলাবদ্ধতার পর ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ওয়াসার কাছ থেকে খালগুলোর দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর ২ জানুয়ারি থেকে জিরানি, মান্ডা, শ্যামপুর, কালুনগর খালসহ এগুলোর শাখা-প্রশাখা এবং পান্থপথ ও সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্ট থেকে আমরা বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছি।’

মেয়র বলেন, ‘ইতোমধ্যে এসব খাল ও বক্স কালভার্ট থেকে আমরা ১ লাখ ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টনের বেশি বর্জ্য ও ৬ লাখ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন পলি অপসারণ করেছি। এ ছাড়া ওয়াসার কাছ থেকে বুঝে পাওয়া অচল দুটি পাম্প স্টেশনের তিনটি পাম্প মেশিন সচল করতে সক্ষম হয়েছি এবং বাকি তিনটি সচল করতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়া ওয়াসার কাছ থেকে পাওয়া বদ্ধ নর্দমা ও আমাদের উন্মুক্ত নর্দমাগুলো পরিষ্কারের কাজ চলমান রয়েছে এবং এই জুনের মধ্যেই তা শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।’

মেয়র বলেন, ‘আমাদের কার্যক্রমের পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো দ্রুত আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হোক। তা এখনও হয়নি। এ ছাড়া ডিএনডি বাঁধ, হাতিরঝিল প্রকল্প, মেট্রোরেলের কার্যক্রমের ফলে জলাবদ্ধতার সম্পূর্ণ সমাধান এখন পর্যন্ত দেওয়া সম্ভব না হলেও অতীতের মতো ঢাকাবাসীকে কোথাও কোমরপানি বা গলাপানিতে নাজেহাল হতে হয়নি।’

এ সময় তাপস জলাবদ্ধতার সংজ্ঞা হিসেবে বলেন, ‘সাধারণত কোনো স্থানে তিন ঘণ্টার বেশি পানি জমে থাকাকে জলাবদ্ধতা হিসেবে চিত্রিত করা হয়। আজকের বৃষ্টিতে আমরা তিন ঘণ্টার মধ্যে প্রায় শতভাগ পানি নিষ্কাশন করতে সক্ষম হয়েছি।’

জলাবদ্ধতা নিয়ে নিউজবাংলার পক্ষ থেকে ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তাকে মোবাইলে খুদেবার্তা পাঠালেও কোনো জবাব আসেনি।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফোন করলেই এডিস নিধনে আসবে ডিএসসিসি

ফোন করলেই এডিস নিধনে আসবে ডিএসসিসি

ফাইল ছবি

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের জানান, সোমবার দুপুর ২টার আগে এডিস মশার উৎসস্থল নিয়ে প্রাপ্ত ২৪টি তথ্যের সবগুলো সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করা হয়েছে। বাকি ১০টি তথ্য দুপুর ২টার পর আসায় সেগুলোতে মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত এবং ধ্বংস করার লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ফোন করলেই মশা নিধনে হাজির হবে ডিএসসিসির প্রতিনিধি দল।

এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করা এবং উৎস নিধন করার লক্ষ্যে সোমবার এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ কক্ষে এডিস মশার মোট ৩৪টি উৎসের তথ্য এসেছে।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এই কক্ষে ফোন দিয়ে কোনো নাগরিক এডিস মশার লার্ভা আছে এমন তথ্য দিলেই আমরা আমাদের জনবল সেখানে পাঠাচ্ছি।’

আবু নাসের জানান, সোমবার দুপুর ২টার আগে প্রাপ্ত ২৪টি তথ্যের সবগুলো সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করা হয়েছে। বাকি ১০টি তথ্য দুপুর ২টার পর আসায় সেগুলোতে মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘যে ২৪টা স্পটে আমরা গিয়েছে সবখানেই কিন্তু এডিস মশার লার্ভা ছিল। এটি একটি ইতিবাচক দিক যে নাগরিকেরা আমাদের সঠিক তথ্য দিয়েছে।’

নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মোবাইল নম্বর: ০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২৯৫৫৬০১৪।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

শাটডাউন: গ্রেপ্তার ৩৪৫, জরিমানা ১০ লাখ টাকা

শাটডাউন: গ্রেপ্তার ৩৪৫, জরিমানা ১০ লাখ টাকা

চলমান শাটডাউনের সোমবার ছিল ১১তম দিন। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিধিনিষেধ না মানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৪৫ জনকে। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। এ সময় সড়কে ৩৬৬টি গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়েছে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা।

ঈদের পরে শাটডাউনের ১১তম দিন সোমবারে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিধিনিষেধ অমান্য করায় রাজধানীতে ৩৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সময় সড়কে ৩৬৬টি গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়েছে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা।

সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম।

তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিধিনিষেধ না মানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৪৫ জনকে। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। এ সময় সড়কে ৩৬৬টি গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়েছে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

এবার হেলেনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

এবার হেলেনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

র‌্যাবের হাতে আটকের পর কয়েকটি মামলা হয়েছে ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

হেলেনা জাহাঙ্গীর ও তার মালিকানাধীন জয়যাত্রার টিভির আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন ভোলার এক সাংবাদিক। অভিযোগে বলা হয়েছে, জয়যাত্রা টিভির ভোলার প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কথা বলে ওই সাংবাদিকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা।

আওয়ামী লীগের উপকমিটি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর গ্রেপ্তার হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এবার চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে।

রাজধানীর পল্লবী থানায় সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মামলাটি করেন আব্দুর রহমান তুহিন নামে ভোলার এক সাংবাদিক।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পারভেজ বলেন, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীর ও জয়যাত্রার টিভির আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়েছে। অভিযোগ আমরা তদন্ত করে দেখছি।’

গত বৃহস্পতিবার রাতে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে তার গুলশানের বাসা থেকে আটক করে র‌্যাব। শুক্রবার রাতে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় দুটি এবং পল্লবী থানায় একটি মামলা হয়। এর মধ্যে গুলশান থানায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাটিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে আছেন হেলেনা।

রিমান্ডের তৃতীয় হেলেনার বিরুদ্ধে হলো চাঁদাবাজির মামলা।

মামলাটির বিষয়ে পল্লবী থানা জানায়, হেলেনার মালিকানাধীন জয়যাত্রা টিভিতে ভোলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার নামে আব্দুর রহমান তুহিনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয় কর্তৃপক্ষ।

এই মামলায় হেলেনার পাশাপাশি আসামি করা হয়েছে জয়যাত্রা টিভির জেনারেল ম্যানেজার হাজেরা, প্রধান বার্তা সম্পাদক কামরুজ্জামান আরিফসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

ট্রাফিক পুলিশ নিহতের মামলায় চালক রিমান্ডে

ট্রাফিক পুলিশ নিহতের মামলায় চালক রিমান্ডে

জামিনের আবেদনে আসামির আইনজীবী বলেন, ‘গাড়ি চালাতে গেলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কেউ ইচ্ছা করে কেন কাউকে চাপা দিতে যাবেন?  চলন্ত গাড়ির সামনে দুর্ঘটনার শিকার কর্তব্যরত ট্রাফিক সদস্য হঠাৎ করে চলে আসেন, যা আসামি বুঝে উঠতে পারেন নাই।’

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে মাইক্রোবাসের চাপায় ট্রাফিক পুলিশ হেলালের নিহত হওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার চালক বিল্লাল মুন্সিকে তিন দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

সোমবার ঢাকার মুখ্যমহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম আশেক ইমাম এ আদেশ দেন।

এদিন আসামি বিল্লালকে আদালতে হাজির করে সাত দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজানুর রহমান।

আসামির পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।

আবেদনে আসামির আইনজীবী বলেন, ‘গাড়ি চালাতে গেলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কেউ ইচ্ছা করে কেন কাউকে চাপা দিতে যাবেন? চলন্ত গাড়ির সামনে দুর্ঘটনার শিকার কর্তব্যরত ট্রাফিক সদস্য হঠাৎ করে চলে আসেন, যা আসামি বুঝে উঠতে পারেন নাই।

‘এই দুর্ঘটনায় চালক আসামির কোনো প্রকার মানসিক ইচ্ছা বা হাত ছিল না। রিমান্ড হওয়ার মত কোনো আইনি উপাদান নেই। আসামির রিমান্ড আবেদন বাতিল করে যেকোনো শর্তে জামিন দেয়া হোক।’

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিল্লাল মুন্সিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

রোববার রাতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থেকে বিল্লাল মুন্সিকে গ্রেপ্তার করে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের একটি টিম।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কনস্টেবল হেলাল প্রতিদিনের মতো ডিউটি করছিলেন। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনের রাস্তায় হাসপাতাল থেকে গাড়ি বের করার জন্য সিগন্যাল দেন। এসময় একটি সিলভার কালারের মাইক্রোবাস তাকে ধাক্কা দেয়। হেলাল পড়ে গেলে গাড়িটি তার উপর উঠে গেলে গুরুতর আহত হন তিনি।

হেলালকে সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় হেলালের শ্যালক ইছাম উদ্দিন শেরেবাংলা নগর থানায় বাদি হয়ে অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগে মামলা করেন।

কনস্টেবল হেলালের বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

পুলিশ বক্সে হামলার চেষ্টা: ২ ‘জঙ্গি’ রিমান্ডে

পুলিশ বক্সে হামলার চেষ্টা: ২ ‘জঙ্গি’ রিমান্ডে

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাইনবোর্ডে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বোমা হামলার জেরে জেলার আড়াইহাজারের পাঁচবাড়িয়ায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশের সোয়াত টিম। ফাইল ছবি

রোববার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম বিস্ফোরকজাতীয় পদার্থ, তিনটি গ্যাসের ক্যান, একসেট রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস, চার প্যাকেট ছোট সাইজের বিয়ারিং বল, ১০টি ক্রিসমাস বাল্ব, দুটি কালো রঙের ইলেকট্রিক টেপ, একটি আইইডি তৈরির ম্যানুয়াল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বক্সে হামলার ঘটনার অভিযোগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পাঁচ দিনের হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।

শুনানি শেষে সোমবার বিকেলে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম আশেক ইমাম এই আদেশ দেন।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) উপপরিদর্শক (এসআই) বনি আমিন যাত্রাবাড়ী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

যাত্রাবাড়ী থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

আসামিরা হলেন, শফিকুর রহমান হৃদয় ওরফে বাইতুল্লাহ মেহসুদ ওরফে ক্যাপ্টেন খাত্তাব ও খালিদ হাসান ভূঁইয়া ওরফে আফনান। তাদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

গত রোববার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম বিস্ফোরকজাতীয় পদার্থ, তিনটি গ্যাসের ক্যান, একসেট রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস, চার প্যাকেট ছোট সাইজের বিয়ারিং বল, ১০টি ক্রিসমাস বাল্ব, দুটি কালো রঙের ইলেকট্রিক টেপ, একটি আইইডি তৈরির ম্যানুয়াল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা তাদের অন্য সহযোগীদের নিয়ে নাশকতা ও পুলিশকে হামলার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল। তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।

২০১৯ ও ২০২০ সালে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, খুলনা ও নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি পুলিশ বক্সে হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নব্য জেএমবির অনেককে এর আগেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

শোক দিবসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: আইজিপি

শোক দিবসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: আইজিপি

সোমবার বিকেলে পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অংশ নেন আইজিপি। ছবি; সংগৃহীত

‘আগস্ট আমাদের শো‌কের মাস। এ মাসে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে; রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী অনেক কার্যক্রম চালানো হয়েছে। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছে। ১৭ আগস্ট জেএমবি দেশের ৬৩টি জেলায় সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছে। এ জন্য আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। সন্ত্রাসী কার্যক্রম, সর্বহারাদের অপতৎপরতা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ইত্যাদি বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।’

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সব ইউনিট প্রধানকে নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ।

যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে অনুষ্ঠানসমূহ আয়োজন করা হচ্ছে কি না তার দিকে খেয়াল রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার বিকেলে পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে সব মহানগর, রেঞ্জ ও জেলার পুলিশ সুপারদের এ নির্দেশনা দেন।

বেনজীর বলেন, ‘আগস্ট আমাদের শো‌কের মাস। এ মাসে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে; রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী অনেক কার্যক্রম চালানো হয়েছে। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছে।

‘১৭ আগস্ট জেএমবি দেশের ৬৩টি জেলায় সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছে। এ জন্য আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। সন্ত্রাসী কার্যক্রম, সর্বহারাদের অপতৎপরতা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ইত্যাদি বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।’

আইজিপি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। বলেন, ‘মাদকের সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে চাকরিচ্যুতিসহ তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

‘বিট পুলিশিং’ এর কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, “জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেয়ার একটি কার্যকর এবং জনপ্রিয় পদ্ধতি ‘বিট পুলিশিং’।”

‘বিট পুলিশিং’ সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে উল্লেখ ক‌রে করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এটি চালু রাখার নির্দেশ দেন আইজিপি।

আইজিপি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পুলিশ সদস্যদের পাশাপা‌শি তাদের পরিবারের সদস্যদের টিকা গ্রহণ নি‌শ্চিত কর‌তে সং‌শ্লিষ্ট‌দের‌কে নির্দেশনা দেন।

পুলিশ সদস্যদের করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য নিয়মিত ফোর্সকে ব্রিফ করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও নির্দেশ দেন তিনি।

বলেন, ‘বর্তমান অতিমারিতে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক পুলিশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। মানুষের পাশে থেকে তাদের হৃদয় ও মন জয় করার এ সুযোগ কাজে লাগানোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।’

আইজিপি বলেন, ‘আমরা এমন একটি পুলিশ রেখে যেতে চাই, যাতে অবসরে গেলে পুলিশকে নিয়ে গর্ব করতে পারি। দেশের জনগণ গর্বভরে পুলিশের সেবা গ্রহণ করতে পারে।’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পুলিশের সকল স্থাপনা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখারও তাগিদ দেন আইজিপি।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি

ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি

পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে নতুন কমিটি দিয়েছে বিএনপি। সোমবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কমিটি ঘোষণা করেন।

দপ্তরের চলতি দায়িত্বে থাকা এমরান সালেহ প্রিন্সের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর

আমানউল্লাহ আমানকে আহ্বায়ক এবং আমিনুল হককে সদস্যসচিব করে বিএনপি-ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল আলী নকি (গুলশান), যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার (তেজগাঁও), যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন (মোহাম্মদপুর), যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন (বিমানবন্দর), যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টি, যুগ্ম আহ্বায়ক এ জি এম শামসুল হক (বাড্ডা), যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মতি (কাফরুল), যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান (ভাটারা), যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন (খিলক্ষেত), যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা (তুরাগ) এবং সদস্য হিসেবে ৩৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।

ঢাক মহানগর দক্ষিণ

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আবদুস সালামকে আহ্বায়ক এবং রফিকুল আলম মজনুকে সদস্যসচিব করে বিএনপি-ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার ৪৯ সদস্যবিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে নবী উল্ল্যাহ নবী (যাত্রাবাড়ী), যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা (খিলগাঁও), যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোহন (কোতোয়ালি), যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন খোকন (লালবাগ), যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার (সূত্রাপুর), যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (কলাবাগান), যুগ্ম আহ্বায়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম (শ্যামপুর), যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশিদ হারুন (মতিঝিল), যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ রবিন (কদমতলী), যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ স্বেচ্ছাসেবক দল, যুগ্ম আহ্বায়ক এস কে সেকেন্দার কাদির (পল্টন), যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন (কামরাঙ্গীরচর), সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু (শান্তিনগর) এবং সদস্য হিসেবে ৩৪ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে মানতে নারাজ তাপস
বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সড়ক, সাভারে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন