প্রতিবন্ধীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতের দাবি 

বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা (বিপিইউএস) মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিবন্ধীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতের দাবি 

বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে রাজনৈতিক দলের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ পদ নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু এখানে প্রতিবন্ধী নারীদের উপস্থিতি নেই।

প্রতিবন্ধীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা (বিপিইউএস)। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি জানায় সংস্থাটি। সংরক্ষিত আসনে প্রতিবন্ধী নারী–পুরুষের ৩ শতাংশ অংশগ্রহণও চায় তারা।

বিপিইউএসের নির্বাহী পরিচালক বদিউল আলম লিখিত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ প্রায় নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতেও প্রতিবন্ধী নারী ও পুরুষদের অন্তর্ভুক্তি নেই। বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে রাজনৈতিক দলের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ পদ নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু এখানেও প্রতিবন্ধী নারীদের উপস্থিতি নেই।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের কাছে ৪ দফা সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আলোকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক দলে প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্তিকরণ ও কমপক্ষে ৩ শতাংশ পদ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত করা দরকার। ভোটার তালিকায় বৈষম্যহীনভাবে প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিসহ ভোট প্রদানে প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

বদিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ মানুষ প্রতিবন্ধিতার শিকার। এ জনগোষ্ঠীর সব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাকা উত্তরে এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ঢাকা উত্তরে এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

এর মধ্যে ডিএনসিসির এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত ফেরদৌস পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় আট হাজার টাকা, দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম সফিউল আজম পরিচালিত আদালত পাঁচটি মামলায় ২০ হাজার টাকা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারসিয়া সুলতানা প্রিয়াংকা পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিস্তার রোধে শনিবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২১টি মামলায় মোট এক লাখ ৩৮ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এর মধ্যে ডিএনসিসির এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত ফেরদৌস পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় আট হাজার টাকা, দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম সফিউল আজম পরিচালিত আদালত পাঁচটি মামলায় ২০ হাজার টাকা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারসিয়া সুলতানা প্রিয়াংকা পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

তিন নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকী পরিচালিত আদালত পাঁচটি মামলায় ৭০ হাজার টাকা ও চার নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজ পরিচালিত আদালত তিনটি মামলায় ২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করে।

এ ছাড়া ৯ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরিচালিত আদালত চারটি মামলায় আট হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। এভাবে মোট ২১টি মামলায় আদায়কৃত জরিমানার পরিমাণ এক লাখ ৩৮ হাজার ১০০ টাকা।

এ সময় মাইকিং করে জনসচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়। এ ছাড়া ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে সবাইকে ডিএনসিসি মেয়রের আহ্বান ‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’ মানার পাশাপাশি ও করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন

মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজধানীর ওয়ারিতে র‍্যাবের অভিযানে মানব পাচারকারী সন্দেহে গ্রেপ্তারকৃতদের ৩ জন। পৃথক অভিযানে আরও ২ জনকে আটক করা হয়। ছবি:সংগৃহীত

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা বেশ কিছুদিন ধরে পরস্পর যোগসাজসে সংঘবদ্ধভাবে ও প্রতারণা করে অবৈধ পথে বিভিন্ন বয়সের নারী ও শিশুদের প্রলোভন দেখিয়ে পতিতাবৃত্তি ও যৌন কাজে ব্যবহার করে আসছিল।

রাজধানীর ওয়ারিতে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য সন্দেহে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সময় ১৬ ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওয়ারির রায়সাহেব বাজার মোড়ের নবাবপুর রোড এলাকার ‘দি নিউ ঢাকা বোডিং’ আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে ১০ জন ভিকটিমসহ মানব পাচারকারী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১০।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জুবায়ের আহসান ও সজল বেপারী।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল ফোন ও ২ হাজার ৯৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া শুক্রবার আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে একই এলাকার হোটেল ইব্রাহীমে অপর একটি অভিযান চালিয়ে ৬ ভিকটিমসহ মানব পাচারকারী চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জয়নাল মিয়া, জান মিয়া ও আরমান।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭টি মোবাইল ফোন ও ৫ হাজার ১৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব ঘটনা ২টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা বেশ কিছুদিন ধরে পরস্পর যোগসাজসে সংঘবদ্ধভাবে ও প্রতারণা করে অবৈধ পথে বিভিন্ন বয়সের নারী ও শিশুদের প্রলোভন দেখিয়ে পতিতাবৃত্তি ও যৌন কাজে ব্যবহার করে আসছিল।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন

গৃহকর্মীর গায়ে ফুটন্ত ভাত: জেলে বাড়িওয়ালার মেয়ে

গৃহকর্মীর গায়ে ফুটন্ত ভাত: জেলে বাড়িওয়ালার মেয়ে

প্রতীকী ছবি।

গত বুধবার গৃহকর্তার মেয়ে তানজিনা রহমান তার কাছে ভাত চেয়েছিলেন। ‘ভাত এখনো হয়নি, চুলায় রয়েছে’ জানালে তানজিনা ক্ষিপ্ত হয়ে চুলায় ফুটন্ত মাড়সহ ভাত নিয়াসার শরীরে ঢেলে দেন। মেয়েটির নির্যাতনের খবর প্রতিবেশীরা ৯৯৯-এ কল করে থানায় জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিয়াসাকে উদ্ধার করে প্রথমে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে।

রাজধানীর উত্তরায় নিয়াসা নামে এক গৃহকর্মীর গায়ে ফুটন্ত ভাতের মাড় ঢেলে দিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার বাড়িওয়ালার মেয়ে তানজিনা রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম আতিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাঞ্চন রায়হান আসামি তানজিনাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

এ সময় তানজিনার পক্ষে দুজন আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানি শেষে বিচারক জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন।

নির্যাতনের শিকার ১৮ বছর বয়সী গৃহকর্মী নিয়াসার বাড়ি সিলেটের রূপনগর এলাকায়। তার বাবার নাম আরিকুল ইসলাম।

সংসারের অভাব-অনটনের কারণে গত এক বছর ধরে উত্তরা পশ্চিম থানার ৯ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন নিয়াসা।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত বুধবার গৃহকর্তার মেয়ে তানজিনা রহমান তার কাছে ভাত চেয়েছিলেন।

‘ভাত এখনো হয়নি, চুলায় রয়েছে’ জানালে তানজিনা ক্ষিপ্ত হয়ে চুলায় ফুটন্ত মাড়সহ ভাত নিয়াসার শরীরে ঢেলে দেন। এতে দগ্ধ হন নিয়াসা।

মেয়েটির নির্যাতনের খবর প্রতিবেশীরা ৯৯৯-এ কল করে থানায় জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিয়াসাকে উদ্ধার করে প্রথমে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর বিকালে তাকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) রেফার করা হয়।

মেয়েটির শরীরের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন।

বিষয়টি প্রাথমিক সত্যতার ভিত্তিতে আমলে নিয়েছে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে উত্তরার পশ্চিম থানায় পুলিশের করা একটি জিডিমূলে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার পুলিশ মামলা করে।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন

এয়ারপোর্ট রেস্টুরেন্টে শতাধিক মরা মুরগি, আটক ৭

এয়ারপোর্ট রেস্টুরেন্টে শতাধিক মরা মুরগি, আটক ৭

ছবি: সংগৃহীত

এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অভিযানের সময় রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার, মৃত মুরগির সাপ্লায়ার, রেস্টুরেন্টের বাবুর্চিসহ ৭ জনকে আটক করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে মুরগিগুলো রান্না করে তা ভোক্তাদের পরিবেশন করা হত। আটক অভিযুক্তদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস হাউজের পাশে এয়ারপোর্ট রেস্টুরেন্ট থেকে ১১৯টি মরা মুরগি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সাত জনকে আটক করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রেস্টুরেন্টটিতে এ অভিযান চালানো হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন এপিবিএন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সাদা পোশাকের সদস্যরা মরা মুরগিগুলো হাতেনাতে আটক করে। দুপুর আড়াইটায় বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের একটি দল বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঢাকা কাস্টমস হাউজের পাশে অবস্থিত এয়ারপোর্ট রেস্টুরেন্টের ভেতর থেকে ১১৯টি মুরগি আটক করে।’

জিয়াউল হক জানান, এ সময় রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার, মৃত মুরগির সাপ্লায়ার, রেস্টুরেন্টের বাবুর্চিসহ ৭ জনকে আটক করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে মুরগিগুলো রান্না করে তা ভোক্তাদের পরিবেশন করা হত। আটক অভিযুক্তদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন

‘ক্ষমতায় যেতে দিগ্বিদিকশূন্য বিএনপি’

‘ক্ষমতায় যেতে দিগ্বিদিকশূন্য বিএনপি’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নিজেরাই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএনপি ক্ষমতাপাগল, তারা এখন দিগ্বিদিকশূন্য। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।’

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা বিএনপি ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকায় নিজ বাসভবনে শনিবার সকালে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ের গ্যারান্টি দিলে নির্বাচন কমিশন তাদের ভাষায় নিরপেক্ষ আর তাদের পক্ষে রায় দিলেই বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিএনপি নেতাদের অপরাধ ও দুর্নীতির বিচার না করলে দুদক ভালো।

‘বিএনপি নিজেরাই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএনপি ক্ষমতাপাগল, তারা এখন দিগ্বিদিকশূন্য। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।’

বিএনপির সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতায় ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়, তারাই দেশকে অকার্যকর এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য। বিএনপিই বরং একের পর এক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত এবং বিশ্বসভায় সম্ভাবনাময় দেশ বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ পালন উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে কারা তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিল দেশবাসী তা জানে। কারা হামলা ও এর পৃষ্ঠপোষক এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারা জড়িত তা ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট হয়েছে।

‘বিএনপি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক। তারা যতই অস্বীকার করুক সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তোষণ নীতি থেকে বের হতে পারবে না। ২০১৩-১৪ সালে আগুন-সন্ত্রাস চালিয়ে এর দায় আওয়ামী লীগের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছে বিএনপি। নিজেদের অপকর্ম ও ব্যর্থতা আড়াল করতে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো বিএনপির পুরোনো অভ্যাস।’

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন

ভার্চুয়াল আদালতে ৪০ দিনে হাজার শিশুর জামিন

ভার্চুয়াল আদালতে ৪০ দিনে হাজার শিশুর জামিন

ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে ৪০ দিনে জামিনে মুক্ত হয়েছে এক হাজার ১৭ শিশু। ফাইল ছবি

ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে ৪০ কার্যদিবসে সারাদেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৫টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ৬৩ হাজার ৭৫ জনকে জামিন দিয়েছেন। 

করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে দেশে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে ৪০ কার্যদিবসে ভার্চুয়াল আদালত থেকে ১ হাজার ১৭ শিশুকে জামিন দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্টের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান শনিবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিউজবাংলাকে সাইফুর রহমান বলেন, ‘কঠোর বিধিনিষেধের সময় বিগত ৪০ কার্যদিবসে দেশের বিভিন্ন আদালত থেকে ভার্চুয়ালি শুনানি করে ১ হাজার ১৭ শিশুকে জামিন দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে থেকে তাদের মুক্তিও দেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে ৪০ কার্যদিবসে সারাদেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৫টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ৬৩ হাজার ৭৫ জনকে জামিন দিয়েছেন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে দেশের সকল আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে জরুরি বিষয় নিষ্পত্তির জন্য সীমিত পরিসরে কিছু কোর্ট খোলা রাখা হয়। যেখানে ভার্চুয়ালি শুনানি হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে কোর্ট সংখ্যা বাড়ানো হয়।

করোনার কারণে গত বছরের ২৬ মার্চ প্রথমে আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তার এক মাস পর ২৬ এপ্রিল ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর উদ্যোগ নেন প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রী।

পরে ওই বছরের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

এর দুই দিন পর ৯ মে ভার্চুয়াল কোর্ট সম্পর্কিত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। সে বছরের ১০ মে ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা প্রসঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ফুল কোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান বিচরপতির সভাপতিত্বে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা অংশ নেন।

ফুলকোর্ট সভায় ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ এর আওতায় উচ্চ আদালত এবং নিম্ন আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্র্যাকটিস ডাইরেকশন অনুমোদিত হয়। পরে বিজ্ঞপ্তিত জারি করে ভার্চুয়াল কোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়।

২০২০ সালের শেষের দিকে করোনা সংক্রমণ কমে আসলে ফের নিয়মিত আদালত শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে আবারও আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে গত ১২ এপ্রিল থেকে ভার্চুয়াল আদালতে বিচার কাজ শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন

‘বকশিশ আর টিপস আমাদের মজুরি’

‘বকশিশ আর টিপস আমাদের মজুরি’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে করোনাকালে পর্যটন খাতের বিপর্যয় তুলে ধরে শনিবার আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন।

‘বকশিশ আর টিপস দিয়ে নির্ধারণ করা হয় আমাদের মজুরি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক। মনে হয়, এ যেন বকশিশনির্ভর শিল্প।’

আক্ষেপ নিয়ে কথাগুলো বলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক রাশেদুর রহমান।

করোনাকালে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত খাত হিসেবে উঠে এসেছে পর্যটন। দেশব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে বন্ধ করে দেয়া হয় পর্যটন স্পটগুলো।

এমন অবস্থায় নিজেদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে করোনাকালে পর্যটন খাতের বিপর্যয় তুলে ধরে শনিবার আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন।

প্রস্তাবিত বাজেটে পর্যটন খাতের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থকে অপ্রতুল মনে করে তা বাড়ানোর দাবিও জানানো হয়।

রাশেদুর রহমান বলেন, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, এয়ারলাইনস, পর্যটক পরিবহন, ক্রুজিং, ট্যুর গাইড, বিচ হর্স রাইডার, বিচ ফটোগ্রাফার সার্ফিং অ্যাসিস্টেন্ট, বিচ রাইডার, ঝিনুকের কারুপণ্য বিক্রেতাসহ পর্যটন খাতের সাথে যুক্ত ১২টি উপখাতের ১১৯ ধরনের কাজের কর্মী ও ছোট-বড় ব্যবসায়ীর জীবন-জীবিকা।

‘বকশিশ আর টিপস আমাদের মজুরি’
পর্যটনকে আলাদা মন্ত্রণালয় করার দাবি জানিয়েছে খাতসংশ্লিষ্টরা। ছবি: নিউজবাংলা

পর্যটনশিল্পের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে পর্যটনের একটি উপখাত পর্যটন পরিবহনের অংশ বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নামে বরাদ্দের ৮০ শতাংশের বেশি খরচ করা হয় বিমান রক্ষণাবেক্ষণে।

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে মোট ৩ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঘোষিত সাধারণ ছুটি আর বিধিনিষেধের ফলে ২০২০ সালে বাংলাদেশের পর্যটন খাত প্রায় ৫ মাস সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল, বাকি ৫ মাস চলেছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

সংগঠনটির নেতারা বলছেন, পর্যটন খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই সময়ে বরাদ্দকৃত বাজেটের ২ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু সে অর্থ বিমান আর পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ ছাড়া বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়নে কোথায় ব্যয় হয়েছে তা পর্যটনসংশ্লিষ্টদের কাছে দৃশ্যমান নয়।

পর্যটনশিল্প-সংশ্লিষ্ট কোনো খাতের বিনিয়োগকারী, কিংবা শ্রমিক-কর্মচারী কেউ এক টাকাও সহায়তা পাননি বলে জানান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন।

তিনি বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৪ হাজার ৩২ কোটি টাকা। অর্থাৎ বাজেট বরাদ্দে পর্যটন খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মরত প্রায় ৪০ লাখ দক্ষ শ্রমিক-কর্মচারী যারা প্রায় বছরব্যাপী কর্মহীন হয়ে, বেতন ছাড়া বাধ্যতামূলক ছুটিতে থেকে উপার্জনহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

লিপন বলেন, ‘১৯৯৯ সালে পর্যটনকে আবশ্যকীয় শিল্প বলে উল্লেখ করা হলেও করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত প্রায় সোয়া ১ লাখ কোটি টাকার প্যাকেজে পর্যটন খাতের স্থান হয়নি। বিমান মন্ত্রণালয় বিমানের ঘাটতি পূরণে বাজেট থেকে বরাদ্দ নিতে যে পরিমাণ ব্যস্ত থাকে, সে তুলনায় পর্যটনের বাকি খাতগুলো থাকে উপেক্ষিত।’

সংগঠনের পক্ষ থেকে দেয়া সাতটি দাবি হলো-

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে পর্যটনের জন্য স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠন করা।

পর্যটন খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের শ্রম অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান শ্রম আইনের শিল্প তালিকায় উপঘাতসহ পর্যটনশিল্পকে যুক্ত করা এবং পর্যটন খাতে শ্রম আইনের বাস্তবায়ন করা।

পর্যটনকেন্দ্রিক জেলাসমূহে শ্রম আদালত, শ্রম পরিচালক ও শ্রম পরিদর্শকের দপ্তর চালু করা। মজুরি কাঠামো এবং বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে মজুরি পুনর্নির্ধারণের পদ্ধতি সুনির্দিষ্ট করা।

পর্যটন খাতে নিয়োগের ক্ষেত্রে হোটেল-রেস্তোরাঁ আইন ২০১৪-এর বাস্তবায়ন এবং বিদেশি বা স্বজনপ্রীতি নয়, পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন বাংলাদেশিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রধিকার দেয়া।

করোনায় চরমভাবে বিপর্যস্ত পর্যটন খাতের পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা এবং পর্যটন শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তা দিতে বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ দেয়া।

করোনার টিকা প্রদানে সরাসরি পণ্য এবং সেবা উৎপাদনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেয়া।

যেকোনো দুর্যোগে পর্যটনশিল্প ও শ্রমিকদের সুরক্ষা এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের অবসরকালীন নিরাপত্তায় ভবিষ্য তহবিল গঠন করা। রাষ্ট্রের সকল অবকাঠামো নির্মাণ পরিকল্পনা ও নকশা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় পর্যটন বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ
আল্পনার শিকলবন্দি এক যুগ, মেলেনি প্রতিবন্ধী কার্ড

শেয়ার করুন