× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজধানী
স্যানিটেশন ও হাইজিনে আরও বরাদ্দ দাবি
hear-news
player
print-icon

স্যানিটেশন ও হাইজিনে আরও বরাদ্দ দাবি

স্যানিটেশন-ও-হাইজিনে-আরও-বরাদ্দ-দাবি
‘নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং হাইজিনে অবশ্যই জোর দিতে হবে। কারণ, মহামারির কারণে ওয়াশ খাতে বাজেটের ক্ষেত্রে ব্যাপক ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে।’

করোনা মোকাবিলায় আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বরাদ্দ বাড়ানোসহ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিনে আরও বিনিয়োগের দাবি করেছে এ খাতের আটটি সংগঠন। সংগঠনগুলো সম্মিলতিভাবে সাতটি সুপারিশও প্রস্তাব করেছে।

রোববার ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ওয়াশ খাতের সামঞ্জস্যপূর্ণ ও ন্যায্য বরাদ্দ বিষয়ে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাব করা হয়।

ওয়াটারএইড, ইউনিসেফ, পিপিআরসি, ফানসা-বিডি, এফএসএম নেটওয়ার্ক, স্যানিটেশন অ্যান্ড ওয়াটার ফর অল, ওয়াশ অ্যালায়েন্স ও এমএইচএম নেটওয়ার্কের যৌথ উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার, পিপিআরসির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং হাইজিনে অবশ্যই জোর দিতে হবে। কারণ, মহামারির কারণে ওয়াশ খাতে বাজেটের ক্ষেত্রে ব্যাপক ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে।

‘করোনা মোকাবিলায় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ থেকে মাস্ক পরার ওপর যত জোর দেয়া হচ্ছে, হাত ধোয়ায় তা দেয়া হচ্ছে না। অথচ দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। হাইজিনের বিষয়টি এখনো স্বাস্থ্য খাতের একটি সাব-সেক্টর হয়ে রয়ে গেছে। যার কারণে বরাবরই এই খাতে বরাদ্দ কম দেয়া হয়। তবে এ বছর এই খাতে যথাযথভাবে মনোযোগ না দেয়া হলে মহামারি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘হাইজিন সার্ভে ২০১৮-তে দেখা গেছে, প্রতি ১১৫ শিক্ষার্থীর জন্য একটি টয়লেট রয়েছে। আবার মাত্র ৩৪ শতাংশ স্কুলে টয়লেট ও পানির সুব্যবস্থা রয়েছে। ২২ শতাংশ টয়লেটের কাছে সাবান ছিল। ২০ শতাংশ স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আলাদা টয়লেট ছিল না। তাই হাইজিনের বিষয়টি কাগজে-কলমের বাইরে গিয়ে বাস্তবে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

‘আবার বিভিন্ন স্থানে ওয়াশ বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রেও রয়েছে অসমতা। গ্রামাঞ্চল, চর, পার্বত্য অঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় ওয়াশ বাজেট বরাদ্দ বেশি প্রয়োজন হলেও শহর ও বড় মহানগরে বেশি দেয়া হয়েছে।’

ওয়াটারএইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান বলেন, ‘করোনা স্বাস্থ্য খাতের জন্য চলতি বাজেটে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু তা খরচের কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল না। তাই সে টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে তা জানা যায়নি। করোনা অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। তারা স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনার উপকরণ জোগানে সামর্থ্য হারিয়েছে। বিশেষ করে নারীরা স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের ক্রয়ক্ষমতাও হারিয়েছে। তাই আসন্ন বাজেটে স্যানিটারি ন্যাপকিনে অতিরিক্ত ভ্যাট এবং ট্যাক্স কর্তন এবং তা সামর্থ্যের মধ্যে রাখার জন্য মূল্য হ্রাস করাকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।’

ওয়াটারএইড ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় করা পিপিআরসির এক বিশ্লেষণ তুলে ধরে এ সময় বলা হয়, স্যানিটেশন ও হাইজিনসহ (ওয়াশ) স্বাস্থ্য খাতে ২০০৭-০৮ সাল থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে অর্থ বরাদ্দ ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। এ সময় ২ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১২ হাজার ২২৭ কোটি টাকা হয়েছে। বিগত বছরগুলোর বাজেটে এ খাতে আর্থিক বরাদ্দের ধারা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও ২০২০-২১ অর্থবছরে এডিপির অধীনে ওয়াশ খাতে ৫ শতাংশেরও কম বরাদ্দ করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন জরিপের ফল তুলে ধরে বলা হয়, দেশের ৮৪ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবারের উন্নত স্যানিটেশনের সুবিধা রয়েছে। মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধিসংক্রান্ত যথেষ্ট জ্ঞান থাকলেও হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি চর্চার হার খুব কম। মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষের হাত ধোয়ার স্থানে সাবান ও পানির সুবিধা রয়েছে। তাই হ্যান্ড হাইজিনের ক্ষেত্রে দেশব্যাপী প্রচারণাও চালানো দরকার।

সম্মিলিত সুপারিশ

করোনা মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধিকে শুধু মূলধারার এজেন্ডায় ফুটনোটে না রেখে এর সামগ্রিকতা বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিধিতে ব্যাপকভাবে আলোকপাত করতে হবে, এ খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

কিশোরী মেয়ে ও শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও স্বাস্থ্য এবং অপুষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোর ব্যাপারে পদক্ষেপগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

করোনার বাস্তবতা ও এসডিজি বাস্তবায়ন বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি বা হাইজিন প্রসারের জাতীয় কৌশলপত্র পরিমার্জন ও হালনাগাদ করতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়েই গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

বাজার-মার্কেট, সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতসহ জনসমাগমস্থলে হাত ধোয়ার সুবিধা রাখা এবং সেগুলো কার্যকর রাখতে যথাযথ কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে।

ওয়াশ খাতে বরাদ্দে আঞ্চলিক বৈষ্যম্য ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের পক্ষপাত দূর করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি চর্চার মাধ্যমে সামগ্রিক পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবিধি পরিস্থিতির উন্নয়নে বিভিন্ন খাত ও সংস্থাভিত্তিক উদ্যোগ এগিয়ে নিতে বাজেটের ফোকাস বাড়াতে হবে।

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য পরিবেশবান্ধব সৌরচালিত পানি লবণমুক্ত করার প্ল্যান্ট চালু এবং সেগুলো চলমান রাখতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজধানী
Two people in the clutches of the ignorant party

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে দুইজন

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে দুইজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি
ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মিরপুর থেকে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া দুইজন কে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাদেরকে স্টমাক ওয়াস দিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দেন। তাদের অভিযোগ তাদের কাছ থেকে প্রতারক চক্র এক লক্ষ টাকা নিয়ে যায়।’

রাজধানীর মিরপুরে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে রুবেল হোসেন ও মুক্ত নামে দুইজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। রুবেলের বয়স ২২ বছর এবং মুক্তের বয়স ২২ বছর। তারা দুজন চিকিৎসাধীন।

তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন সহকর্মী রাকিব হোসেন। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া।

তিনি বলেন, ‘রুবেল ও মুক্ত দক্ষিণ খান মোল্লারটেক (ইউ এল ফ্যাশন) পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেখান থেকে এক লক্ষ টাকা নিয়ে গার্মেন্টস এক্সোসরিজ কিনতে উত্তরা থেকে প্রজাপতি বাসে মিরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

‘ঐ বাসেই তারা অজ্ঞান পার্টি খপ্পরে পড়েন। পরে মিরপুর ২ বাস স্ট্যান্ড যাওয়ার পর অচেতন অবস্থায় বাসের ভিতরে পড়ে থাকতে দেখে বাসের কন্টাক্টর রুবেল কে সেখানে নামিয়ে দেন। মিরপুর ১০ নম্বর বাস স্ট্যান্ড যাওয়ার পর মুক্ত কে সেখানে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।’

পরে তাদের পকেটে থাকা ফোন দিয়ে খবর দিলে রাকিব তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে দুজনকে পাকস্থলী পরিস্কাষ্কার করে চিকিৎসক ভর্তি দেন বলে জানান রাকিব। তিনি ওই পোশাক কারখানার সুপারভাইজার।

তিনি আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগী দুজনই (ইউ এল ফ‍্যাসন) পোশাক কারখানার পারচেজ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা। তাদের সাথে এক লক্ষ টাকা ছিল। সেটি আমরা পাইনি। শুধু দুজনের পকেটে থেকে দুটি মোবাইল আর কিছু দরকারি কাগজপত্র পেয়েছি।’

ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মিরপুর থেকে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া দুইজন কে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাদেরকে স্টমাক ওয়াস দিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দেন। তাদের অভিযোগ তাদের কাছ থেকে প্রতারক চক্র এক লক্ষ টাকা নিয়ে যায়।’

আরও পড়ুন:
যুবককে অজ্ঞান করে ‘সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে চম্পট’
ইনজেকশন পাচারের সময় ফার্মাসিস্ট আটক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে মৃত নবজাতক উদ্ধার
ঢাকা মেডিক্যালে সিগারেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ঢাকা মেডিক্যালে র‍্যাবের অভিযানে ২৪ দালাল আটক

মন্তব্য

রাজধানী
Beating Dr Sajjad Ultimatum for interns strike

ডা. সাজ্জাদকে মারধর: ইন্টার্নদের কর্মবিরতির আল্টিমেটাম

ডা. সাজ্জাদকে মারধর: ইন্টার্নদের কর্মবিরতির আল্টিমেটাম বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধন করে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। ছবি: নিউজবাংলা
ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী বলেন, ‘আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা চাই আজকের মধ্যেই দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হোক। অন্যথায় বৃহস্পতিবার থেকে আমরা কর্মবিরতি পালন করব।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেনকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ।

বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বৃহস্পতিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাবেন বলে হুশিয়ারি দেয়া হয়।

মানববন্ধনে পরিষদের সদস্যরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘মানুষের গায়ে হাত তোলার কে দিল অধিকার’, ‘জিরো টলারেন্স ফর ভায়োলেন্স’ ইত্যাদি লেখা সংবলিত প্লাকার্ড প্রদর্শন করা হয়।

এর আগে সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে আলোচনা করেন পরিষদের নেতারা। এ সময় উপাচার্য হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী বলেন, ‘শুধু ডা. সাজ্জাদ নন, অনেকের সঙ্গেই এরকম ঘটনা ঘটে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি এই ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা চাই আজকের মধ্যেই দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হোক। অন্যথায় বৃহস্পতিবার থেকে আমরা কর্মবিরতি পালন করব।’

‘কিছু ছাত্রের জন্য পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বদনাম হচ্ছে। আমরা এসব বিপথগামী শিক্ষার্থীর বিচার দাবিতে মানববন্ধন করছি।’

চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. মারুফ উল আহসান বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। শহীদ মিনারে অনেকেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসেন, আড্ডা দেন। আজ সাজ্জাদ ডাক্তার হওয়ার কারণে হয়তো আমরা প্রতিবাদ করছি, কিন্তু অনেকেই তো সেটা করতে পারে না।’

পরিষদের সদস্য জাকিউল ইসলাম ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মিটিং করেছি। আমাদের ডিরেক্টর, প্রিন্সিপালসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা বলেছি, আপনারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখেন, দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনেন। তা না হলে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।’

থানায় জিডি

এদিকে মারধরের ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন মারধরের শিকার সাজ্জাদ হোসেন। শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক রাজু মুন্সীকে এই ঘটনার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জিডির বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার বলেন, ‘ভুক্তভোগী জিডি করেছেন। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় আমরা আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো চেক করছি। এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। আজকের মধ্যেই সব ক্যামেরার ফুটেজ চেক করা শেষ হবে।’

আরও পড়ুন:
শহীদ মিনারে মারধর: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আলটিমেটাম
শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ

মন্তব্য

রাজধানী
Culture of boycotting elections is a threat to democracy Information Minister

নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: তথ্যমন্ত্রী

নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: তথ্যমন্ত্রী
‘সাংঘর্ষিক রাজনীতি এবং সবকিছুতে না বলার সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিতে তিক্ততা বাড়িয়েছে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে। আমি আশা করব, আগামী নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে আগামী সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা কিংবা গণতন্ত্রকে সংহত করা কোনো একক রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব নয়।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার সকালে ইউএসএইড ও বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র চালাচ্ছে। সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত দায়িত্ব হচ্ছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা।

‘সাংঘর্ষিক রাজনীতি এবং সবকিছুতে না বলার সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিতে তিক্ততা বাড়িয়েছে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে। আমি আশা করব, আগামী নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে আগামী সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের গত ৫০-৫১ বছরের ইতিহাসে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তখনই হুমকির মুখে পড়েছে যখন অস্ত্র উঁচিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা হয়েছে। আর সেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে।

‘দেশের কল্যাণে রাজনীতিসহ সব অঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশ ও সমাজের উন্নয়নে দেশাত্মবোধ, মানবিকতা এবং মমত্ববোধ জাগ্রত করতে রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। রাজনৈতিক কর্মীরা অনেকেই জানেন না যে রাজনীতি একটা ব্রত।’

আরও পড়ুন:
জনবিচ্ছিন্নদের ৭ দলীয় জোট রাজনীতিতে গুরুত্বহীন: তথ্যমন্ত্রী
কোনো দেশের পক্ষে এভাবে ভর্তুকি দেয়া সম্ভব না: তথ্যমন্ত্রী
‘সেপ্টেম্বরে মাঠে নামছে আ.লীগ, পালানোর পথ পাবে না বিএনপি’
ভোলায় প্রাণহানির দায় বিএনপির: তথ্যমন্ত্রী
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের প্রধান কুশীলব জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

রাজধানী
Gold shop theft 2 accused in jail after remand

স্বর্ণের দোকানে চুরি: রিমান্ড শেষে ২ আসামি কারাগারে

স্বর্ণের দোকানে চুরি: রিমান্ড শেষে ২ আসামি কারাগারে
রাজধানীর কচুক্ষেতে রজনীগন্ধা মার্কেটে স্বর্ণের দোকানে চুরির মামলায় প্রথমে আলাউদ্দিন ও পরে শাহজালালকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় শাহজালালের কাছ থেকে ১৬ ভরি ৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর কচুক্ষেতে রজনীগন্ধা মার্কেটে স্বর্ণের দোকানে চুরির মামলায় আসামি আলাউদ্দিন ও শাহজালালকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার আসামিদের আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে রোববার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

স্বর্ণের দোকানে চুরির মামলায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার স্বর্ণারটেক গ্রাম থেকে ৫ আগস্ট রাতে আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শাহজালালকে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বাদীর শনাক্তমতে উদ্ধার করা হয় ১৬ ভরি ৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার।

মামলা থেকে জানা যায়, রজনীগন্ধা মার্কেটের নিউ বিসমিল্লাহ্ জুয়েলার্সের মালিক ২৯ জুলাই দুপুরে পার্শ্ববর্তী রূপনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে যান। নামাজ শেষে ফেরার পথে তিনি জানতে পারেন যে তার দোকানের শাটার খোলা। তিনি দ্রুত দোকানে গিয়ে দেখেন স্বর্ণের বিভিন্ন ধরনের ৪০ ভরি ও রুপার ৫০ ভরি গয়না চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনার পরদিন রূপনগর থানায় একটি মামলা করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
বিজিবির কাছ থেকে ইয়াবাসহ মাদককারবারি ছিনতাই
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
একরাম হত্যার ৭ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কারাগারে
অস্ত্রসহ ছাত্রদল নেতা ও হত্যা মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

মন্তব্য

রাজধানী
18000 liters of oil stolen from government vehicles in a month

সরকারি গাড়ির তেল চুরি মাসে ১৮ হাজার লিটার

সরকারি গাড়ির তেল চুরি মাসে ১৮ হাজার লিটার
চোর চক্রের কাছে প্রতি লিটার অকটেন ১০০ টাকায় কিনত দোকানিরা। এরপর খোলা বাজারে ১২৮ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি করত। প্রতি লিটার পেট্রল ১১০ টাকায় কিনে খোলা বাজারে ১৩০ টাকায় এবং প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকায় কিনে খোলা বাজারে ১০৮ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি করে আসছিল।

সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি তেল চুরি করে- এমন একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

বাহিনীটি সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, এই চক্রটি প্রতিদিন ৫০টি সরকারি গাড়ির প্রতিটি থেকে তেল সংগ্রহ করত।

তাদের কাছ থেকে একটি দোকান প্রায় ২০০ লিটার তেল কিনত। এই হিসাবে মাসে কিনত ছয় হাজার লিটার। এভাবে মোট তিনটি দোকানে মাসে প্রায় ১৮ হাজার লিটার চোরাই তেল কেনাবেচা হয়ে আসছিল।

বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক।

তিনি জানান, এই অভিযোগে যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তারা হলেন আবু কালাম, মো. সুমন, মো. বাবু ও মো. শাহিন। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৬০০ লিটার অকটেন ও পেট্রল উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিসি আজিমুল বলেন, ‘বেশ কিছুদিন আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল আগারগাঁওয়ে বিজ্ঞান প্রযুক্তি জাদুঘরের সামনের কয়েকটি দোকান সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অফিশিয়াল গাড়ির জ্বালানি তেল চুরি করে বিক্রি হচ্ছে।

‘এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তেজগাঁও জোনের এসি মাহমুদ খানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তিনটি দোকান থেকে প্রায় ৬০০ লিটার অকটেন ও পেট্রল উদ্ধার করে। এ সময় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার চক্রের সদস্যদের বরাত দিয়ে ডিসি এইচ এম আজিমুল হক বলেন, প্রতি লিটার অকটেন ১০০ টাকায় কিনত তারা। এরপর খোলাবাজারে ১২৮ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি করত। প্রতি লিটার পেট্রল ১১০ টাকায় কিনে খোলাবাজারে ১৩০ টাকায় এবং প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকায় কিনে খোলাবাজারে ১০৮ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি করে আসছিল।

আগারগাঁও এলাকায় সরকারি অফিসের আধিক্যের কারণে এই চক্রটি এই এলাকাকে টার্গেট করে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলে তদন্তে তথ্য পাওয়ার কথা জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

উপকমিশনার আজিমুল বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য পেয়েছি যা যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি যে সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়িচালক এই তেল চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত, তাদেরকেও বিষয়টি অবহিত করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলায় মূল আসামি গ্রেপ্তার
হত্যা মামলার ১৯ বছর পর আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশ ফাঁড়িতে হামলায় মামলা, গ্রেপ্তার ৭
অপহৃত মা-শিশু উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার
মোশাররফের ভাই বাবর কারাগারে, ফরিদপুরে মিষ্টি বিতরণ

মন্তব্য

রাজধানী
Modernization of Sayedabad Bus Terminal Tapas

আধুনিকায়ন হচ্ছে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল: তাপস

আধুনিকায়ন হচ্ছে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল: তাপস সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন মেয়র তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র তাপস বলেন, ‘সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালটি অনেকদিন আগে নির্মাণ হলেও কোনও সংস্কার হয়নি। এখানে জলাবদ্ধতাসহ অবকাঠামোগুলো ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। এই কার্যক্রমের আওতায় ঢাকার গণপরিবহনকে যাতে শৃঙ্খলার আওতায় আনা যায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজটি হাতে নিয়েছি।’

গণপরিবহনকে শৃঙ্খলায় আনতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

সাপ্তাহিক নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে বুধবার সায়েদাবাদে অবস্থিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কেন্দ্রীয় মোটর গ্যারেজ এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন তিনি।

পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

তাপস বলেন, আপনারা অবগত আছেন, আমরা বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম সফলতার সাথে শুরু করেছি। একটি যাত্রাপথ শুরু হয়েছে। আরও তিনটি যাত্রাপথ আগামী ১ সেপ্টেম্বর আমরা উদ্বোধন করব। সেসব কার্যক্রমকে বেগবান করতে নিজ অর্থায়নে আমরা আমাদের সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা ও সিটি বাস টার্মিনালের আধুনিকায়নের কাজ আরম্ভ করেছি। প্রায় ৩০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে আমরা এ কার্যক্রম নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালটি অনেকদিন আগে নির্মাণ হলেও কোনও সংস্কার হয়নি। এখানে জলাবদ্ধতাসহ অবকাঠামোগুলো ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। এই কার্যক্রমের আওতায় ঢাকার গণপরিবহনকে যাতে শৃঙ্খলার আওতায় আনা যায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজটি হাতে নিয়েছি।’

মেয়র আরও বলেন, ‘এখানে আলাদাভাবে বাস রাখার জায়গা, শ্রমিকদের বিশ্রামের জায়গা, শৌচাগার করা হচ্ছে। এছাড়া যাত্রীরা যাতে ভেতরে প্রবেশ করে সেবা নিতে পারেন, সেভাবেই সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।’

‘আমরা ২টি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একটি কাঁচপুরে, অন্যটি কেরানীগঞ্জের কাছাকাছি। এর মধ্যে একটি জমির অধিগ্রহণ হলে আমরা হস্তান্তর চেয়েছি। আরেকটি জমির অধিগ্রহণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এগুলো নির্মাণ হতে আরও ৩-৪ বছর লেগে যাবে। এর মধ্যে বাসগুলো যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হতে পারে, তাই বাস টার্মিনাল সংস্কারের কাজ হাতে নিয়েছি।

‘কিছু পথ টার্মিনালের কাছে এসে সংকীর্ণ হয়ে গেছে। তাই আমরা নিচের রাস্তা সংস্কার ও প্রশস্ত করার কাজ হাতে নিয়েছি। টার্মিনালের ভেতর দিয়ে উড়াল সেতুতে প্রবেশের পথ রয়েছে। তবে সেগুলো কার্যকর নয়। তাই আমরা নতুন করে কার্যকর করতে পরিকল্পনা করেছি।’

এ সময় মেয়র বলেন, ‘পোস্টার ও রঙ দিয়ে লিখে অবকাঠামোগুলোকে আচ্ছাদন করা হয়। এখানে জনগণের সচেতনতাই মুখ্য। আশা করব, তারা এগুলো থেকে বিরত থাকবেন। এক্ষেত্রে আমাদের আইন রয়েছে। তবে আমরা প্রয়োগ করি না। অবকাঠামো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব।’

পরে মেয়র জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষ্যে ধানমন্ডি লেকে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস প্রজাতির ৩০০ কেজি পোনা অবমুক্ত করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক, করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, পরিবহন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলীসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
দেশটা মগের মুল্লুক নয়
শনিবারের মধ্যে বাসে হাফ পাস চান ছাত্ররা
বাস চলে চালকের দৈনিক ইজারায়
ডাইরেক্ট গাড়ি বলে ৯৩ টাকার ভাড়া ১৫০
যাবেন মগবাজার, ভাড়া দেবেন মতিঝিলের

মন্তব্য

রাজধানী
Traffic jam in Dhaka Air passengers requested to leave with time

ঢাকায় যানজট: বিমান যাত্রীদের সময় নিয়ে বের হওয়ার অনুরোধ

ঢাকায় যানজট: বিমান যাত্রীদের সময় নিয়ে বের হওয়ার অনুরোধ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
খিলক্ষেত হয়ে উত্তরা ও গাজীপুরগামী যাত্রীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে ওই সড়কে চলাচল করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের বাসা থেকে অতিরিক্ত সময় নিয়ে যাত্রা শুরু করার অনুরোধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক উত্তরা বিভাগ।

বুধবার ডিএমপির মুখপাত্র ফারুক হোসেন জানান, বিমানবন্দর এলাকায় বিআরটি প্রকল্পের কাজের জন্য বর্তমানে তিনটি লেনে গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সড়কে প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

এক্ষেত্রে খিলক্ষেত হয়ে উত্তরা ও গাজীপুরগামী যাত্রীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে ওই সড়কে চলাচল করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের নির্দিষ্ট সময়েরও অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে যাত্রা শুরু করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের লা মেরিডিয়ান হোটেল ও কাওলা পার হওয়ার পর অবশ্যই বাম লেন ব্যবহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।’

ডিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তরা) মো. সাইফুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মূল সড়কে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে। এছাড়া থার্ড টার্মিনালের কাজও চলছে। এসব কারণে মূল সড়ক থেকে বিমানবন্দরে প্রবেশের রাস্তাগুলো কমে গেছে। আবার বিআরটি প্রকল্পের কাজের জন্য মূল সড়কও সংকুচিত হয়েছে। যে কারণে রাজধানী থেকে আউটগোয়িংয়ে গতি কমে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘কাজগুলো শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট থাকবে। সেজন্য বিদেশগামী যাত্রীসহ অন্যান্য যাত্রীদের সময় নিয়ে বের হওয়ার জন্য বলেছি আমরা।’

আরও পড়ুন:
আরএসটিপির চার প্রকল্প ২০৩৫ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের প্রস্তাব
যানজটে ভুগিয়ে আ.লীগ নেতার করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা
যে কারণে জট নেই দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে
দৌলতদিয়ায় ৩ কিলোমিটার জট
২ ঘাট পানির নিচে, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ জট

মন্তব্য

p
উপরে