কেউ ইসরায়েল গেলে বিচার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আগের মতোই অব্যাহত রাখছে সরকার। ফাইল ছবি

কেউ ইসরায়েল গেলে বিচার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ইসরায়েলকে দেশ হিসেবেই আমরা স্বীকার করি না। তাই সে দেশে কোনো বাংলাদেশি গেলে শাস্তি পেতে হবে।

সরকারি অনুমতি না নিয়ে বাংলাদেশি কেউ ইসরায়েলে গেলে আইনের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসরায়েলকে দেশ হিসেবেই আমরা স্বীকার করি না। তাই সে দেশে কোনো বাংলাদেশি গেলে শাস্তি পেতে হবে।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বুধবার ফিলিস্তিনকে জরুরি মানবিক ও চিকিৎসা সহায়তা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান, পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবাদুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট থেকে ‘একসেপ্ট ইসরায়েল’ (ইসরায়েল ছাড়া) শব্দ তুলে দেয়ার ঘটনায় অনেকেই মনে করছেন, এখন থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ইসরায়েল যেতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

স্বাধীনতা-পরবর্তী ৫০ বছরে বাংলাদেশের পাসপোর্টে লেখা থাকত, ‘দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড একসেপ্ট ইসরায়েল’। এখন নতুন ই-পাসপোর্টে সংশোধন করে লেখা হচ্ছে ‘দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’।

এর মূল কারণ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যাখ্যাও দিয়েছে। বলেছে, পাসপোর্টকে আন্তর্জাতিক মানের করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পরীক্ষিত বন্ধু। ১৯৭২ সাল থেকেই আমরা তাদের পাশে থেকেছি। আমরা ইসরায়েলকে দেশ হিসেবে স্বীকার করি না। যত দিন আমরা স্বীকৃতি না দিচ্ছি, তত দিন কোনো বাংলাদেশি সে দেশে যেতে পারবে না। কোনো বাংলাদেশি সেখানে গেলে শাস্তি পেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো কোনো গণমাধ্যম পাসপোর্ট সংশোধন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তবে ইসরায়েল নিয়ে আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট; ফিলিস্তিন নীতিতে আমাদের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি।’

অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনকে ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ওষুধসামগ্রী উপহার দেয়া হয়। সম্প্রতি ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনে অন্তত ২৩২ ব্যক্তি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে প্রায় দুই হাজার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার হাজার হাজার মানুষ।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘ভাই’ বলায় জবি ছাত্রকে হয়রানির অভিযোগ

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘ভাই’ বলায় জবি ছাত্রকে হয়রানির অভিযোগ

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্লাবন। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি বললাম, ভাই, আমি লেখাপড়া করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তখন সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে তুললেন। ওনার সঙ্গে একজন সহকারী ছিলেন। উনি বলতেছেন, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবরে ভাই বল?’ 

নড়াইলে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে গাড়িতে তুলে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম তওসীবুল আলম প্লাবন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

প্লাবন জানান, শনিবার সন্ধ্যার আগে তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির বাইরে বের হন। এ সময় নড়াইলের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান তাদের পরিচয় জানতে চান। প্লাবন ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করে নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিলে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে গাড়িতে তোলা হয়। পরবর্তীতে রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে মুচলেকা দিয়ে তিনি ছাড়া পান।

প্লাবন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক বন্ধুর সঙ্গে আমি বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। তখন তিনি (জাহিদ হাসান) এসে জানতে চান, আপনারা কী করেন?

‘আমি বললাম, ভাই, আমি লেখাপড়া করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তখন সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে তুললেন। ওনার সঙ্গে একজন সহকারী ছিলেন। উনি বলতেছেন, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবরে ভাই বল?’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ রকম কোনো ঘটনা ঘ‌টে‌নি। এটি সম্পূর্ণ অসত্য।

‘আমাদের নড়াইল শহরে লকডাউন দেয়া হয়েছে। এখানে যদি মাস্ক ছাড়া কাউ‌কে পাওয়া যায়, তাহলে আমরা তাকে ধরছি। এখানে শুধু একজনকে নয়, অনেককেই ধরে গাড়িতে তোলা হইছে।’

তবে প্লাবনের দাবি ঘটনার সময় তিনি মাস্ক পরেছিলেন।

একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে ভাই বলা যায় কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান বলেন, ‘এটা আপনি বলতে পারেন, এটাতে কোনো সমস্যা নেই।’

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন

জগন্নাথে শিক্ষক রাজনীতিতে উত্তেজনা

জগন্নাথে শিক্ষক রাজনীতিতে উত্তেজনা

নীলদলের একাংশ নতুন কমিটি ঘোষণার পর তার প্রত্যাখ্যান করে অন্যপক্ষ। এর মধ্যেই সদ্য সাবেক কমিটির সভাপতি দুই পক্ষের মুখোমুখী অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজনীতির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।  

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নীলদলের এক অংশের নতুন কমিটি দেয়ার পর নতুন করে নীলদলের দুটি অংশের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

একাংশ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতি দিয়েছে। অন্যদিকে অপরাংশের সদ্য সাবেক সভাপতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে ওই অংশের সমালোচনা করছেন।

গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন সভাপতি ও ইসলামের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার নীলদলের এই কমিটিকে প্রত্যাখান করে বক্তব্য দিয়েছে অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া ও ড. মোস্তফা কামালের নেতৃত্বাধীন নীলদল।

এই প্রত্যাখানের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে এর সমালোচনা করেন নীলদলের (অপরাংশ) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দিন।

অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, ‘বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের নীল দল নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যে মিথ্যাচার চলছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ৩০ লক্ষ শহীদের এবং বঙ্গবন্ধু রক্তের নাম করে এহেন মিথ্যাচার এবং ভণ্ডামি করার অধিকার কারো নাই। এই চিহ্নিত মহলটি ইতোপূর্বে সবসময় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।’

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দল করে, করতেই পারে আমিও দল করি। কিন্তু এটা নিয়ে তারা দলাদলি করে, গ্রুপিং করে। সারাদিন ভিসির রুমে দলে দলে শিক্ষকরা ঢুকে আর বের হয়। কারণটা কি? উপাচার্যের তো বলা উচিত আপনারা ক্লাসে যান, গবেষণা করেন, বই লিখেন, পিএইচডির জন্য বাইরে যান। এই দলাদলি করে তারা একটু সুবিধা নেয়, প্রক্টর হয়, মাসে কিছু পায়, দুটা প্যাকেট ফ্রি খায়। এটা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পড়েই না।’

নিউজবাংলাকে তিনি আরও বলেন, আমার কথা হলো উপাচার্যকে কেনো শিক্ষকরা ঘিরে থাকবেন। বিশেষ করে জুনিয়র শিক্ষকরা। এরা যে ভবিষ্যতে কী হবে আল্লাহই জানে।

‘এত তেলবাজ এরা, এরা ঢুকছেও ওইভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যা আছে এরা সিনিয়র হলে তাও থাকতে দিবে না। সিনিয়র শিক্ষকরা উপাচার্যের কাছে যেতে পারেন। মাঝেমধ্যে বুদ্ধিসু্দ্ধি লাগে। ভিসি এক-দুইজনকে ডাকতে পারেন। অনেকসময় একা পারা যায় না। কিন্তু এ কি অবস্থা? জগন্নাথ একটা রঙ্গমঞ্চ। আগের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়কে রঙ্গমঞ্চ বানাই গেছে এখন ওইভাবে তারা নাচতেছে।’

এ বিষয়ে নীলদলের (একাংশ) সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিপক্ষে কে কী করছে এটা নিয়ে বিতর্ক করে তো লাভ নেই। সবাই জানে, আর তারা বলুক মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কে কী করছে। আর একজন অধ্যাপকের তো উচিত শালীনতার সঙ্গে কথা বলা। আমরা উনি কিংবা অন্য কাউকে কটাক্ষ করে কিছু বলতে চাই না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ গত বছরের নভেম্বরে শেষ হয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে নভেম্বরে অনলাইনে একটি সাধারণ সভা করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্তেরও তীব্র নিন্দা জানায় নীলদের একাংশ। এরপর থেকেই উত্তপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক রাজনীতি।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন

দেড় কোটি টাকার ‘অবৈধ সম্পদ’ সাবরেজিস্ট্রার দম্পতির

দেড় কোটি টাকার ‘অবৈধ সম্পদ’ সাবরেজিস্ট্রার দম্পতির

১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে ইসরাত জাহানকে।

দেড় কোটি টাকার হিসাববহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পেয়ে এক সাবরেজিস্ট্রার দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহানের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার মামলাটি করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

দুদকের সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান সরকার মামলাটি করেন।

দুদক সূত্র জানায়, ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে ইসরাত জাহানকে।

এজাহারে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ভূঁইঘর মৌজায় ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে ১০ শতাংশ এবং পটুয়াখালীর বাউফলে ২৯ শতাংশ জমি পাওয়া গেছে ইসরাতের নামে।

এ ছাড়া রাজধানীর জুরাইনের কেয়ারিনগর অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টে ১০১৬ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট (বিল্ডিং নম্বর-৭, ফ্ল্যাট নম্বর-ই ৪), একই প্রজেক্টে ১০৬৯ বর্গফুটের আরও একটি ফ্ল্যাট (বিল্ডিং নম্বর-৭, ফ্ল্যাট নম্বর-এ ৪) এবং ৫৮৩ বর্গফুটের পৃথক একটি ফ্ল্যাটের মালিক ইসরাত।

রয়েছে ৪৫ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র। ব্যাংকে থাকা টাকার পরিমাণ ৩৫ লাখ।

এজাহারে আরও বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন

বিসিএস ক্যাডার ভেবে বিয়ে, মৃত্যুতে শেষ

বিসিএস ক্যাডার ভেবে বিয়ে, মৃত্যুতে শেষ

সুসময়ের ছবি। স্বামী মামুন মিল্লাতের সঙ্গে নুসরাত জাহান। ছবি: সংগৃহীত

‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মেয়ে নুসরাত ২০১৯ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে মামুন মিল্লাতকে বিয়ে করে। বিয়ের আগে তার নাম ছিল নিবেদিতা রোজারিও। মামুন নিজেকে বিসিএসে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নুসরাতকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু মামুন পুলিশ কর্মকর্তা নয়। সে একটা ফ্রড।’

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে নুসরাত জাহান নামের ২৭ বছর বয়সী এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করেও নুসরাতের কোনো সাড়া পাননি। পরে ওই ভবনের সভাপতি শেরেবাংলা নগর থানায় বিষয়টি জানান।

দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে আগারগাঁও থানার পুলিশ আসে। তারা বাসার দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় নুসরাতকে দেখতে পায়।

পুলিশ জানায়, নুসরাত তার স্বামী মামুন মিল্লাতের সঙ্গে আগারগাঁওয়ের সংসদ সচিবালয়ের কোয়ার্টারের একটি বাসায় সাবলেট থাকত। নুসরাত খাগড়াছড়ির সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী বলেও জানা যায়।

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সি ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে নুসরাতের স্বামী পলাতক।

‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মেয়ে নুসরাত ২০১৯ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে মামুন মিল্লাতকে বিয়ে করে। বিয়ের আগে তার নাম ছিল নিবেদিতা রোজারিও। মামুন নিজেকে বিসিএসে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নুসরাতকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু মামুন পুলিশ কর্মকর্তা নয়। সে একটা ফ্রড।’

ওসি আরও বলেন, মামুন ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা জানার পর থেকে তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়।

‘মামুনের প্ররোচনায় নুসরাত আত্মহত্যা করেছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা নুসরাতের আত্মীয়স্বজনদের খবর দিয়েছি।’ তার বাবা অভিযোগ করলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

ওসি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নুসরাতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন

ব‌স্তি‌তে আগুনে ক্ষ‌তিগ্রস্তদের পাশে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন

ব‌স্তি‌তে আগুনে ক্ষ‌তিগ্রস্তদের পাশে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন

মহাখালীর সাততল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে শ‌নিবার খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় প্রধান অতিথি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন ইসলামী শ্র‌মিক আ‌ন্দোল‌নের সে‌ক্রেটারি জেনা‌রেল হা‌ফেজ মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী শ্র‌মিক আ‌ন্দোল‌নের সে‌ক্রেটারি জেনা‌রেল হা‌ফেজ মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শে‌ষে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষ‌তিগ্রস্ত এলাকা প‌রিদর্শন ক‌রেন। চরমোনাই পীরের পক্ষ থেকে এ খাদ্যসামগ্রী দেয়া হয়।

মহাখালীর সাততলা ব‌স্তি‌তে অ‌গ্নিকা‌ণ্ডে ক্ষ‌তিগ্রস্ত প‌রিবা‌রের মধ্যে ইসলামী শ্র‌মিক আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্ত‌রের উ‌দ্যো‌গে চর‌মোনাইয়ের পীরের পক্ষ থে‌কে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শ‌নিবার খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় প্রধান অতিথি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন ইসলামী শ্র‌মিক আ‌ন্দোল‌নের সে‌ক্রেটারি জেনা‌রেল হা‌ফেজ মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শে‌ষে প্রধান অ‌তিথি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষ‌তিগ্রস্ত এলাকা প‌রিদর্শন ক‌রেন।

এ সময় তি‌নি ক্ষ‌তিগ্রস্থ প‌রিবা‌রের খোঁজখবর নেন এবং তা‌দেরকে সঙ্গে নি‌য়ে মহান আল্লাহর কা‌ছে দোয়া ক‌রেন।

এ সময় অন্যান্যের ম‌ধ্যে উপ‌স্থিত ছি‌লেন ইসলামী শ্র‌মিক আ‌ন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্ত‌রের সভাপ‌তি মুহাম্মাদ জা‌কির হো‌সেন হাওলাদার, সে‌ক্রেটারি আলাউ‌দ্দিন হাওলাদার, ইসলামী যুব আন্দোল‌নের বনানী থানা সাধারণ সম্পাদক তা‌রিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন

ঢাকা উত্তরে এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ঢাকা উত্তরে এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

এর মধ্যে ডিএনসিসির এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত ফেরদৌস পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় আট হাজার টাকা, দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম সফিউল আজম পরিচালিত আদালত পাঁচটি মামলায় ২০ হাজার টাকা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারসিয়া সুলতানা প্রিয়াংকা পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিস্তার রোধে শনিবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২১টি মামলায় মোট এক লাখ ৩৮ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এর মধ্যে ডিএনসিসির এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত ফেরদৌস পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় আট হাজার টাকা, দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম সফিউল আজম পরিচালিত আদালত পাঁচটি মামলায় ২০ হাজার টাকা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারসিয়া সুলতানা প্রিয়াংকা পরিচালিত আদালত দুটি মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

তিন নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকী পরিচালিত আদালত পাঁচটি মামলায় ৭০ হাজার টাকা ও চার নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজ পরিচালিত আদালত তিনটি মামলায় ২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করে।

এ ছাড়া ৯ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরিচালিত আদালত চারটি মামলায় আট হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। এভাবে মোট ২১টি মামলায় আদায়কৃত জরিমানার পরিমাণ এক লাখ ৩৮ হাজার ১০০ টাকা।

এ সময় মাইকিং করে জনসচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়। এ ছাড়া ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে সবাইকে ডিএনসিসি মেয়রের আহ্বান ‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’ মানার পাশাপাশি ও করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন

মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজধানীর ওয়ারিতে র‍্যাবের অভিযানে মানব পাচারকারী সন্দেহে গ্রেপ্তারকৃতদের ৩ জন। পৃথক অভিযানে আরও ২ জনকে আটক করা হয়। ছবি:সংগৃহীত

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা বেশ কিছুদিন ধরে পরস্পর যোগসাজসে সংঘবদ্ধভাবে ও প্রতারণা করে অবৈধ পথে বিভিন্ন বয়সের নারী ও শিশুদের প্রলোভন দেখিয়ে পতিতাবৃত্তি ও যৌন কাজে ব্যবহার করে আসছিল।

রাজধানীর ওয়ারিতে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য সন্দেহে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সময় ১৬ ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওয়ারির রায়সাহেব বাজার মোড়ের নবাবপুর রোড এলাকার ‘দি নিউ ঢাকা বোডিং’ আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে ১০ জন ভিকটিমসহ মানব পাচারকারী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১০।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জুবায়ের আহসান ও সজল বেপারী।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল ফোন ও ২ হাজার ৯৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া শুক্রবার আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে একই এলাকার হোটেল ইব্রাহীমে অপর একটি অভিযান চালিয়ে ৬ ভিকটিমসহ মানব পাচারকারী চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জয়নাল মিয়া, জান মিয়া ও আরমান।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭টি মোবাইল ফোন ও ৫ হাজার ১৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব ঘটনা ২টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা বেশ কিছুদিন ধরে পরস্পর যোগসাজসে সংঘবদ্ধভাবে ও প্রতারণা করে অবৈধ পথে বিভিন্ন বয়সের নারী ও শিশুদের প্রলোভন দেখিয়ে পতিতাবৃত্তি ও যৌন কাজে ব্যবহার করে আসছিল।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে আজ
গাজা পুনর্নির্মাণে ওয়াশিংটন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন
গাজায় ত্রাণ ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল
আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা
২৮ বার গ্রেপ্তারের পরও আল-আকসায় দাঁড়িয়ে যে নারী

শেয়ার করুন