লাশ ছয় টুকরা করে মসজিদের সেপটিক ট্যাংকে, স্ত্রী আটক

লাশ ছয় টুকরা করে মসজিদের সেপটিক ট্যাংকে, স্ত্রী আটক

নিহত আজহার

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক বলেন, পরকীয়ার কারণে আসমার পরিকল্পনা ও প্ররোচনায় এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। লাশ গুমের জন্য ছয় টুকরা করে সেপটিক ট্যাংকে রাখা হয়।

রাজধানীর দক্ষিণখানে মসজিদের সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী হিসেবে তার স্ত্রী আসমা আক্তারকে আটক করা হয়েছে।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি ইমরান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিহত আজহারের স্ত্রী আসমাকে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে মঙ্গলবার রাতে আটক করা হয়েছে।

ট্যাংক থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আজহারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইমাম আব্দুর রহমানকে আটক করে র‌্যাব।

র‍্যাব কর্মকর্তা ইমরান বলেন, আজহারের স্ত্রী এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। মসজিদের ইমাম আব্দুর রহিমের সঙ্গে আসমার সম্পর্ক তৈরি হয়। আজহারকে সরিয়ে দেয়ার জন্য রহিমকে ভাড়াটে কাউকে দিয়ে হত্যা করার জন্য বলেন আসমা। কিন্তু রহিম ভাড়াটে কাউকে দিয়ে হত্যা না করিয়ে নিজেই হত্যা করেন।

তিনি বলেন, আগে থেকে পরিচয় থাকার সুবাদে গত ১৯ মে রাতে আজহারকে মসজিদে ডেকে নেন ইমাম রহিম। সেখানেই ছুরি দিয়ে হত্যা করা হয় আজহারকে। এরপর ইমাম আব্দুর রহিমের শয়নকক্ষে আজহারের মরদেহ কয়েক খণ্ডে বিভক্ত করে সেপটিক ট্যাংকের লুকিয়ে রাখা হয়।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আলী মঈন নিউজবাংলাকে জানান, আসমাকে মঙ্গলবার বিকেলেই আটক করা হয়।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক বলেন, পরকীয়ার কারণে আসমার পরিকল্পনা ও প্ররোচনায় এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। লাশ গুমের জন্য ছয় টুকরা করে সেপটিক ট্যাংকে রাখা হয়।

দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উত্তম রায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিউজবাংলাকে বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা হয়নি।

আরও পড়ুন:
লাশ ছয় টুকরা করে সেপটিক ট্যাংকে
ওষুধের নকল মোড়ক তৈরির কারখানাকে জরিমানা
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই তরুণ গ্রেপ্তার
নকল স্টিকারযুক্ত বিড়ি জব্দ, গ্রেপ্তার ১
রাজধানীতে অস্ত্র-মাদকসহ আটক চার

শেয়ার করুন

মন্তব্য