হেফাজত নেতা মনির কাসেমী ৪ দিনের রিমান্ডে

হেফাজত নেতা মনির কাসেমী ৪ দিনের রিমান্ডে

মুফতি মনির হোসেন কাসেমী

মনির কাসেমীকে শুক্রবার রাতে বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার ঢাকা মহানগর আদালতে তুলে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে রমনা জোনাল টিমের ডিবি পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব মামলায় গ্রেপ্তার ধর্মভিত্তিক সংগঠনটির নেতা মুফতি মনির হোসেন কাসেমীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

শনিবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে রমনা জোনাল টিমের ডিবি পুলিশ।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার চার দিনের রিমান্ড আদেশ দেন বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন পল্টন থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সদস্য মো. বাবুল হোসেন।

শুক্রবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে মনির কাসেমীকে রাজধানীর বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের মতিঝিল জোনাল টিমের সদস্যরা। সংগঠনটির বিলুপ্ত কমিটির অর্থ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ করে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা। সেদিন রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, আরামবাগসহ আশপাশের এলাকায় যানবাহন ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতের কর্মীরা।

এ ঘটনায় বিশেষ করে পল্টন, মতিঝিল ও রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একাধিক মামলা করে এই হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে।

গত শুক্রবার ডিবির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান সাংবাদিকদের জানান, মনির কাশেমীর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে নাশকতা, ২০২০ সালের মামলা, নারায়ণগঞ্জে মামলা ও সম্প্রতি নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

মুফতি মনির হোসেন কাসেমী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসার মুহতারিম। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০-দলীয় জোটের মনোনয়ন পেয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘প্রাইভেট কারওয়ালাদের লকডাউন নাই’

‘প্রাইভেট কারওয়ালাদের লকডাউন নাই’

শাটডাউনের ১২তম দিনে রাজধানীর সড়কগুলোতে প্রাইভেট কারের আধিক্য দেখা যায়। ছবি: সামদানী হক নাজুম/নিউজবাংলা

শাটডাউনে গণপরিবহন না থাকায় রিকশার ওপর ভরসা করতে হচ্ছে অনেককে। কিন্তু রিকশার ভাড়াও নাগালের বাইরে। তাই হেঁটে যেতে হচ্ছে গন্তব্যে। তবে প্রাইভেট কারের সুবিধাভোগীরা সহজেই যেতে পারছেন কর্মস্থল বা অন্য কোথাও।

ঈদ-পরবর্তী শাটডাউনের ১২তম দিন মঙ্গলবার রাজধানীর সড়কগুলোতে বেড়েছে মানুষের চলাচল। বিভিন্ন প্রয়োজনে গন্তব্যে যেতে এসব মানুষকে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘক্ষণ।

ব্যতিক্রম প্রাইভেট কারের সুবিধাভোগীরা। কোনো অপেক্ষা ছাড়াই তারা যেতে পারছেন কর্মস্থল বা অন্য কোনো জায়গায়।

সকাল থেকে সড়কে অফিসগামী ও প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হওয়া মানুষের চাপ অন্য দিনগুলোর তুলনায় বেশি দেখা গেছে। গণপরিবহন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

তাদেরই একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী লুৎফর রহমান। তার অফিস উত্তরায়। অপেক্ষা করছিলেন ফার্মগেটে।

লুৎফরের অফিস এতদিন বন্ধ ছিল। জরুরি ঘোষণায় মঙ্গলবার থেকে অফিস করতে হচ্ছে তাকে। তবে অফিস কোনো যানবাহনের ব্যবস্থা করেনি।

তিনি বলেন, ‘আজকে যদি আমার প্রাইভেট কার থাকত তাহলে আমার জন্য লকডাউন থাকত না। প্রাইভেট কারওয়ালাদের জন্য কোনো লকডাউন নাই। দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি; কোনো ট্রান্সপোর্ট নাই। রাস্তায় শুধু প্রাইভেট কার আর প্রাইভেট কার।’

সিগন্যালে অপেক্ষা

রাজধানীর সড়কগুলোতে প্রাইভেট কারসহ অন্য যানবাহনের চাপে বিভিন্ন সিগন্যালে অপেক্ষা করতে হচ্ছে গাড়িগুলোকে। প্রতিবেদনটি লেখার আগে কারওয়ান বাজার ও বিজয় সরণি সিগন্যাল পার হতে প্রতিবেদককে ৫ ও ৮ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়।

হাঁটাই ভরসা

গাড়ি না পেয়ে প্রতিদিনের মতো আজও অনেককে হেঁটে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। তাদের একজন মামুন রেজা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মামুন জানান, মিরপুরে একটা জরুরি কাজে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু রিকশা ভাড়া এত বেশি চায় যে, উপায় না পেয়ে হেঁটেই যাচ্ছেন।

‘প্রাইভেট কারওয়ালাদের লকডাউন নাই’
শাটডাউনের ১২তম দিনে সড়কে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেককে। ছবি: সামদানী হক নাজুম/নিউজবাংলা

চেকপোস্ট দৃশ্যত অকার্যকর

পুলিশের চেকপোস্টগুলোতে মঙ্গলবার চোখে পড়ার মতো তৎপরতা দেখা যায়নি। ব্যক্তিগত গাড়িগুলোকে খুব একটা থামাতে দেখা যায়নি। তবে সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলো সহজে পার হতে পারছে না চেকপোস্টগুলো।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন

হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার

হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তারের পর তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। ফাইল ছবি

বিতর্কিত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই সহযোগী হাজেরা খাতুন ও সানাউল্ল্যাহ নূরীকে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও ব্যক্তির সম্মানহানির চেষ্টার অভিযোগে বিতর্কিত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

হাজেরা খাতুন ও সানাউল্ল্যাহ নূরী নামের দুজনকে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‍্যাবের মিডিয়া বিভাগ।

র‍্যাব জানায়, দুপুরে কুর্মিটোলার র‍্যাব সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

আওয়ামী লীগের নামের সঙ্গে মিল রেখে নামসর্বস্ব সংগঠন ‘চাকরিজীবী লীগ’ নিয়ে আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর।

২৯ জুলাই তার গুলশানের বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব-১-এর একটি দল। অভিযানে জব্দ করা হয় ১৯ বোতল বিদেশি মদ, একটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া, একটি হরিণের চামড়া, দুটি মোবাইল ফোন, ১৯টি চেকবই ও বিদেশি মুদ্রা, দুটি ওয়াকিটকি সেট এবং জুয়া (ক্যাসিনো) খেলার ৪৫৬টি চিপস। পরে মধ্যরাতে তার জয়যাত্রা টেলিভিশনেও অভিযান পরিচালনা করা হয়।

৩০ জুলাই রাতেই তাকে বাসা থেকে আটক করে র‍্যাব। সেদিন বিকেলে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয় হেলেনা জাহাঙ্গীরকে।

৩১ জুলাই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গুলশান থানায় করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাকে তিন দিনের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন

ফোন করলেই এডিস নিধনে আসবে ডিএসসিসি

ফোন করলেই এডিস নিধনে আসবে ডিএসসিসি

ফাইল ছবি

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের জানান, সোমবার দুপুর ২টার আগে এডিস মশার উৎসস্থল নিয়ে প্রাপ্ত ২৪টি তথ্যের সবগুলো সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করা হয়েছে। বাকি ১০টি তথ্য দুপুর ২টার পর আসায় সেগুলোতে মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত এবং ধ্বংস করার লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ফোন করলেই মশা নিধনে হাজির হবে ডিএসসিসির প্রতিনিধি দল।

এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করা এবং উৎস নিধন করার লক্ষ্যে সোমবার এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ কক্ষে এডিস মশার মোট ৩৪টি উৎসের তথ্য এসেছে।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এই কক্ষে ফোন দিয়ে কোনো নাগরিক এডিস মশার লার্ভা আছে এমন তথ্য দিলেই আমরা আমাদের জনবল সেখানে পাঠাচ্ছি।’

আবু নাসের জানান, সোমবার দুপুর ২টার আগে প্রাপ্ত ২৪টি তথ্যের সবগুলো সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করা হয়েছে। বাকি ১০টি তথ্য দুপুর ২টার পর আসায় সেগুলোতে মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘যে ২৪টা স্পটে আমরা গিয়েছে সবখানেই কিন্তু এডিস মশার লার্ভা ছিল। এটি একটি ইতিবাচক দিক যে নাগরিকেরা আমাদের সঠিক তথ্য দিয়েছে।’

নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মোবাইল নম্বর: ০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২৯৫৫৬০১৪।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন

শাটডাউন: গ্রেপ্তার ৩৪৫, জরিমানা ১০ লাখ টাকা

শাটডাউন: গ্রেপ্তার ৩৪৫, জরিমানা ১০ লাখ টাকা

চলমান শাটডাউনের সোমবার ছিল ১১তম দিন। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিধিনিষেধ না মানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৪৫ জনকে। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। এ সময় সড়কে ৩৬৬টি গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়েছে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা।

ঈদের পরে শাটডাউনের ১১তম দিন সোমবারে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিধিনিষেধ অমান্য করায় রাজধানীতে ৩৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সময় সড়কে ৩৬৬টি গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়েছে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা।

সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম।

তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিধিনিষেধ না মানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৪৫ জনকে। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৩৫ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। এ সময় সড়কে ৩৬৬টি গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়েছে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন

এবার হেলেনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

এবার হেলেনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

র‌্যাবের হাতে আটকের পর কয়েকটি মামলা হয়েছে ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

হেলেনা জাহাঙ্গীর ও তার মালিকানাধীন জয়যাত্রার টিভির আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন ভোলার এক সাংবাদিক। অভিযোগে বলা হয়েছে, জয়যাত্রা টিভির ভোলার প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কথা বলে ওই সাংবাদিকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা।

আওয়ামী লীগের উপকমিটি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর গ্রেপ্তার হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এবার চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে।

রাজধানীর পল্লবী থানায় সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মামলাটি করেন আব্দুর রহমান তুহিন নামে ভোলার এক সাংবাদিক।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পারভেজ বলেন, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীর ও জয়যাত্রার টিভির আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়েছে। অভিযোগ আমরা তদন্ত করে দেখছি।’

গত বৃহস্পতিবার রাতে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে তার গুলশানের বাসা থেকে আটক করে র‌্যাব। শুক্রবার রাতে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় দুটি এবং পল্লবী থানায় একটি মামলা হয়। এর মধ্যে গুলশান থানায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাটিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে আছেন হেলেনা।

রিমান্ডের তৃতীয় হেলেনার বিরুদ্ধে হলো চাঁদাবাজির মামলা।

মামলাটির বিষয়ে পল্লবী থানা জানায়, হেলেনার মালিকানাধীন জয়যাত্রা টিভিতে ভোলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার নামে আব্দুর রহমান তুহিনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয় কর্তৃপক্ষ।

এই মামলায় হেলেনার পাশাপাশি আসামি করা হয়েছে জয়যাত্রা টিভির জেনারেল ম্যানেজার হাজেরা, প্রধান বার্তা সম্পাদক কামরুজ্জামান আরিফসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন

ট্রাফিক পুলিশ নিহতের মামলায় চালক রিমান্ডে

ট্রাফিক পুলিশ নিহতের মামলায় চালক রিমান্ডে

জামিনের আবেদনে আসামির আইনজীবী বলেন, ‘গাড়ি চালাতে গেলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কেউ ইচ্ছা করে কেন কাউকে চাপা দিতে যাবেন?  চলন্ত গাড়ির সামনে দুর্ঘটনার শিকার কর্তব্যরত ট্রাফিক সদস্য হঠাৎ করে চলে আসেন, যা আসামি বুঝে উঠতে পারেন নাই।’

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে মাইক্রোবাসের চাপায় ট্রাফিক পুলিশ হেলালের নিহত হওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার চালক বিল্লাল মুন্সিকে তিন দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

সোমবার ঢাকার মুখ্যমহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম আশেক ইমাম এ আদেশ দেন।

এদিন আসামি বিল্লালকে আদালতে হাজির করে সাত দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজানুর রহমান।

আসামির পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।

আবেদনে আসামির আইনজীবী বলেন, ‘গাড়ি চালাতে গেলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কেউ ইচ্ছা করে কেন কাউকে চাপা দিতে যাবেন? চলন্ত গাড়ির সামনে দুর্ঘটনার শিকার কর্তব্যরত ট্রাফিক সদস্য হঠাৎ করে চলে আসেন, যা আসামি বুঝে উঠতে পারেন নাই।

‘এই দুর্ঘটনায় চালক আসামির কোনো প্রকার মানসিক ইচ্ছা বা হাত ছিল না। রিমান্ড হওয়ার মত কোনো আইনি উপাদান নেই। আসামির রিমান্ড আবেদন বাতিল করে যেকোনো শর্তে জামিন দেয়া হোক।’

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিল্লাল মুন্সিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

রোববার রাতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থেকে বিল্লাল মুন্সিকে গ্রেপ্তার করে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের একটি টিম।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কনস্টেবল হেলাল প্রতিদিনের মতো ডিউটি করছিলেন। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনের রাস্তায় হাসপাতাল থেকে গাড়ি বের করার জন্য সিগন্যাল দেন। এসময় একটি সিলভার কালারের মাইক্রোবাস তাকে ধাক্কা দেয়। হেলাল পড়ে গেলে গাড়িটি তার উপর উঠে গেলে গুরুতর আহত হন তিনি।

হেলালকে সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় হেলালের শ্যালক ইছাম উদ্দিন শেরেবাংলা নগর থানায় বাদি হয়ে অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগে মামলা করেন।

কনস্টেবল হেলালের বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন

পুলিশ বক্সে হামলার চেষ্টা: ২ ‘জঙ্গি’ রিমান্ডে

পুলিশ বক্সে হামলার চেষ্টা: ২ ‘জঙ্গি’ রিমান্ডে

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাইনবোর্ডে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বোমা হামলার জেরে জেলার আড়াইহাজারের পাঁচবাড়িয়ায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশের সোয়াত টিম। ফাইল ছবি

রোববার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম বিস্ফোরকজাতীয় পদার্থ, তিনটি গ্যাসের ক্যান, একসেট রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস, চার প্যাকেট ছোট সাইজের বিয়ারিং বল, ১০টি ক্রিসমাস বাল্ব, দুটি কালো রঙের ইলেকট্রিক টেপ, একটি আইইডি তৈরির ম্যানুয়াল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বক্সে হামলার ঘটনার অভিযোগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পাঁচ দিনের হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।

শুনানি শেষে সোমবার বিকেলে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম আশেক ইমাম এই আদেশ দেন।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) উপপরিদর্শক (এসআই) বনি আমিন যাত্রাবাড়ী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

যাত্রাবাড়ী থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

আসামিরা হলেন, শফিকুর রহমান হৃদয় ওরফে বাইতুল্লাহ মেহসুদ ওরফে ক্যাপ্টেন খাত্তাব ও খালিদ হাসান ভূঁইয়া ওরফে আফনান। তাদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

গত রোববার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম বিস্ফোরকজাতীয় পদার্থ, তিনটি গ্যাসের ক্যান, একসেট রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস, চার প্যাকেট ছোট সাইজের বিয়ারিং বল, ১০টি ক্রিসমাস বাল্ব, দুটি কালো রঙের ইলেকট্রিক টেপ, একটি আইইডি তৈরির ম্যানুয়াল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা তাদের অন্য সহযোগীদের নিয়ে নাশকতা ও পুলিশকে হামলার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল। তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।

২০১৯ ও ২০২০ সালে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, খুলনা ও নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি পুলিশ বক্সে হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নব্য জেএমবির অনেককে এর আগেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
হেফাজত নেতা মুফতি মনির গ্রেপ্তার
হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার ৪৮৭
মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডে গ্রেপ্তার হেফাজত নেতার মৃত্যু
ফের রিমান্ডে নোমান ফয়েজী
হেফাজত নেতা ইসলামাবাদী আবার রিমান্ডে

শেয়ার করুন