এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা

ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসে জরুরি ওষুধ পৌঁছে দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি:নিউজবাংলা

এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা

ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাস ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের হাতে জরুরি ওষুধ তুলে দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

গাজায় ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতিতে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিন দূতাবাসে প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাস ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের হাতে জরুরি ওষুধ তুলে দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘ফিলিস্তিনের জন্য জবিয়ানদের উপহার’ শিরোনামে বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট দিয়ে ফান্ড তৈরি করে এবং সেই ফান্ডের অর্থ দিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে ফিলিস্তিন দূতাবাসে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের হাতে তুলে দিয়েছেন।

উপস্থিত এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘গত সপ্তাহে ফিলিস্তিনজুড়ে বিশেষ করে গাজাতে ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্ব দেখেছে। আগ্রাসনে এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত গাজা উপত্যকা। নিহতের সংখ্যা দুই শতাধিক। আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজন প্রচুর মেডিসিনের। যার জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাস। তাদের আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের কাছে সাধ্যমতো কিছু মেডিসিন পৌঁছে দিচ্ছি।’

এর আগে ১৭ মে ফিলিস্তিন দূতাবাস তাদের ওয়েবসাইটে অনুদান আহবান সংক্রান্ত একটি বার্তা দেয় এবং ১৮ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বিভাগ নগদ অর্থ সহায়তা দেয়।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘পানি পার ১০ ট্যাকা’

‘পানি পার ১০ ট্যাকা’

দিলশাদ আরা নামের এক পথচারী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টি আইলেই হাডুপানি হইয়া যায়। চলতে পারি না। কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়। পুরুষরা তাও প্যান্ট, জামা গোডায়-গাডায় চলতে পারে। আমরা তো পারি না। ভ্যানে করে ১০ টাকায় পার হইতে হইবো এখন।’

বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই রাজধানীতে জলাবদ্ধতা যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না নগরবাসীর।

সোমবার বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হয়। তবে বিকেল ৪টার দিকেও পশ্চিম ধানমন্ডির বিভিন্ন অলিগলির কোথাও কোথাও ছিল প্রায় হাঁটুসমান পানি। যে পানি ঢুকে পড়েছিল দোকানে-দোকানে। কোনো কোনো ভবনের নিচতলায়ও ছিল পানি। সেসব ভবনের গলিতে পানির মধ্যেই মোটরসাইকেল রাখতে দেখা যায়।

নানা ধরনের আবর্জনাভর্তি এই পানি এড়াতে বাড়তি ভাড়া দিয়ে অনেকেই রিকশায় চড়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। কেউ কেউ পানি পার হচ্ছিলেন ভ্যানে করে। আবার অনেক পথচারী এই নোংরা পানি ভেঙেই চলাচল করছিলেন।

বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পশ্চিম ধানমন্ডির ইউসুফ হাইস্কুলের সামনে কয়েকটি শিশুকে দেখা যায় ৮-১০টি ভ্যান নিয়ে হাঁকডাক করতে। তারা বলছিল, ‘এই পানি পার, পানি পার। মামা ওডেন ১০ ট্যাকা। যাইবেন? যাইবেন? না গেলে পস্তাইবেন। এই পানি পার, পানি পার। পানি পার ১০ ট্যাকা।’

সেখানে কথা হয় সুমন ও ইমরান নামে দুই শিশু ভ্যানচালকের সঙ্গে। নিউজবাংলাকে তারা জানায়, পশ্চিম ধানমন্ডির ইউসুফ হাইস্কুলের সামনে থেকে চেয়ারম্যান গলি পর্যন্ত মূল সড়ক ও অলিগলিতে হাঁটুপানি সমান পানি জমেছে। সব মিলে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় এই জলাবদ্ধতা রয়েছে, যে পথ পার করে দিচ্ছে তারা।‘পানি পার ১০ ট্যাকা’
সেখানে কথা হয় দিলশাদ আরা নামের এক পথচারীর সঙ্গে। জলাবদ্ধতা নিয়ে চরম বিরক্তি প্রকাশ করে নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সরকারি কাজের জন্য শুনি এত এত ট্যাকা দেয়। কী করে ওসব ট্যাকা দিয়ে। সামান্য বৃষ্টি আইলেই হাডুপানি হইয়া যায়।

‘চলতে পারি না। কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়। পুরুষরা তাও প্যান্ট, জামা গোডায়-গাডায় চলতে পারে। আমরা তো পারি না। ভ্যানে করে ১০ টাকায় পার হইতে হইবো এখন।’‘পানি পার ১০ ট্যাকা’
রাইসুল আলম নামের আরেক পথচারীও তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেন নিউজবাংলার কাছে।

বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে যদি চলাচলই না করা যায় তাইলে এইটাকে রাস্তা বলেন ক্যামনে? এটা ঢাকা শহরের আরেকটা নদী। এই নদীতে আবার নৌকা চলে না, চলে ভ্যান। ভাড়া দশ।’

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ১২ মিলিমিটার। এ সময়ে সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুমারখালীতে।
‘পানি পার ১০ ট্যাকা’
সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমতে পারে বলেও আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন

মধ্যরাতের ‘কার রেসার’ দলকে জরিমানা

মধ্যরাতের ‘কার রেসার’ দলকে জরিমানা

প্রতীকী ছবি

রোববার রাতে বনানী ও মহাখালী এলাকায় রেসিং করার সময় অভিযান চালিয়ে ৫টি গাড়িসহ চালকদের আটক করেছে গুলশান থানা পুলিশ। পরে ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় চালকদের ৬২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বনানী থেকে মহাখালী ফ্লাইওভার হয়ে জাহাঙ্গীর গেইট পর্যন্ত চলে কার রেইসিং, যা ড্রাগ রেস নামে পরিচিত। মধ্যরাত থেকে শুরু করে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এই রেসিং চলত ভোররাত পর্যন্ত।

রোববার রাতে বনানী ও মহাখালী এলাকায় রেসিং করার সময় অভিযান চালিয়ে ৫টি গাড়িসহ চালকদের আটক করেছে গুলশান থানা পুলিশ। পরে ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় চালকদের ৬২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলা‌দেশ পু‌লিশ এআই‌জি (মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স) মো. সোহেল রানা নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাতভর রেসের কারণে রাস্তার দুই পাশের বাসিন্দারা অতিষ্ট ছিলেন। বাসিন্দাদের একজন তাদের অসহাত্বের কথা জানায় বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংকে।

মিডিয়া উইং থেকে গুলশান বিভাগের সুদীপ কুমার চক্রবর্তীকে জানানো হয়। এরপর রোববার রাতে গুলশান বিভাগ ও গুলশান ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে উচ্চগতিতে এবং উচ্চশব্দে হর্ন বাজিয়ে গাড়ি চালানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকা ৫টি গাড়ি চালকসহ আটক করা হয়।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ট্রাফিক বিভাগের সহায়তায় ৪টি গাড়ির চালককে ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছি। অপর একটি গাড়িকে আড়াই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

গাড়ির চালকরা ভবিষ্যতে আর এ ধরনের কাজ করবে না অঙ্গিকার করেছে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন

হেফাজত নেতা আজহারুল কারাগারে

হেফাজত নেতা আজহারুল কারাগারে

ঢাকা মহানগর হেফাজতে ইসলামের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের জেমরা জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। আর তার জামিন আবেদন করেন আইনজীবী মো. পারভেজ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরবিরোধী আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় করা মামলায় হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম শহিদুল ইসলাম তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে এদিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের জেমরা জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। আর তার জামিন আবেদন করেন আইনজীবী মো. পারভেজ।

শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আজহারুল ইসলামকে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের মামলা ছাড়াও সাম্প্রতিক নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। নাশকতার মামলায় গত ১৫ জুন তাকে রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি পায় পুলিশ।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির সফর ঠেকাতে হেফাজত দেশজুড়ে তাণ্ডব চালায়।

মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ মার্চ রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের জেরে সহিংসতা হয় চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে। এতে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর থেকে সরকারের সঙ্গে হেফাজতের দূরত্ব বাড়তে থাকে। বিভিন্ন মামলায় গত কয়েক দিনে গ্রেপ্তার হয়েছেন ধর্মভিত্তিক সংগঠনটির অন্তত ৩৫ নেতা। নাশকতার বিভিন্ন ঘটনায় এসব নেতার ভূমিকা যাচাইয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন

ডিআইজি পার্থর জামিন বাতিলে আপিল করবে দুদক

ডিআইজি পার্থর জামিন বাতিলে আপিল করবে দুদক

ঘুষের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত সিলেট কারা কর্তৃপক্ষের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিক। ছবি: নিউজবাংলা

দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার পার্থর হিয়ারিং হয়েছে এবং তার প্রেক্ষিতে জামিন হয়েছে। আমি মনে করি যে তার জামিনের বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নেয়া উচিত এবং জামিনটা যাতে বাতিল করা যায় সেজন্য আমাদের কার্যক্রম চলছে।’

ঘুষের ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার সিলেট কারা কর্তৃপক্ষের ডিআইজি (সাময়িক বরখাস্ত) পার্থ গোপাল বণিকের জামিন বাতিলের জন্য উচ্চ আদালতে যাবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

তিনি বলেন, পার্থ ডিআইজি প্রিজন হিসেবে থাকা অবস্থায় ৮০ লাখ টাকা তার বাড়িতে পাওয়া গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে টাকাটা অবৈধ বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। সেই মামলার বিচারকাজ চলছে। দুইটা সাক্ষীও বোধ হয় হয়ে গেছে।

‘গত বৃহস্পতিবার পার্থর হিয়ারিং হয়েছে এবং তার প্রেক্ষিতে জামিন হয়েছে। আমি মনে করি যে তার জামিনের বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নেয়া উচিত এবং জামিনটা যাতে বাতিল করা যায় সেজন্য আমাদের কার্যক্রম চলছে।’

কার্যক্রমটা কীভাবে করবেন জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘পার্থর যে জামিন হয়েছে, সেইটা বাতিলের জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেনের ভার্চ্যুয়াল আদালত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার পার্থকে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়।

২০২০ সালের ২৪ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দেন। ৪ নভেম্বর এই মামলায় চার্জ গঠন করে আদালত। পরে ১৫ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

চার্জশিটে বলা হয়, পার্থ বণিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যে নিজ বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন বলে দুদকের অনুসন্ধান টিম তথ্য পায়। ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই পার্থ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এসে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য দেন।

জিজ্ঞাসাবাদে পার্থ জানান, তার বাসায় নিজ হেফাজতে ৩০ লাখ টাকা রয়েছে। তবে অর্থের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

পরে তাৎক্ষণিকভাবে পার্থকে নিয়ে দুদকের অনুসন্ধান টিম ঢাকার কলাবাগান গ্রিন রোডে আবাসিক এলাকায় তার বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

২০১৯ সালের ২৯ জুলাই পার্থ বণিকের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক।

প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ওইদিনই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) পার্থর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলা ও গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে একই দিন তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এই মামলার চার্জশিটে ১৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলার পরই পার্থকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন

সরকারি সহায়তা পাচ্ছে ১৩৭ মাদক নিরাময় কেন্দ্র

সরকারি সহায়তা পাচ্ছে ১৩৭ মাদক নিরাময় কেন্দ্র

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সরকারি অনুদান বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ছবি: নিউজবাংলা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘আমরা তিনটা বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করি। ডিমান্ড হ্রাস, সাপ্লাই হ্রাস এবং হার্ম হ্রাস। আজকে হার্ম হ্রাস করার জন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করে যাচ্ছে তাদেরকে উৎসাহ দিতে এই সহায়তা দেয়া হচ্ছে।’

বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর মান উন্নয়নে ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানকে সরকারি অর্থ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। সরকারি সহায়তার অর্থ চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের বেতনে ব্যয় করা হবে।

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থ সহায়তা দেয়া হয়। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাউন্টেও এই অর্থ পৌঁছে দেবে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘আমরা তিনটা বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করি। ডিমান্ড হ্রাস, সাপ্লাই হ্রাস এবং হার্ম হ্রাস। আজকে হার্ম হ্রাস করার জন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করে যাচ্ছে তাদেরকে উৎসাহ দিতে এই সহায়তা দেয়া হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, যারা মাদক সেবন করে মাদকাসক্ত হয়ে গিয়েছেন তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য তারা যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে সরকারি অনুদান দেয়া হচ্ছে।

‘এটাকে আমরা অনুদান বলব না, তাদের উৎসাহ দেয়ার জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।’

মাদকাসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বেসরকারি পর্যায়ে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে যারা এগিয়ে আসছেন তাদের ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। গত বছর ৯১টি প্রতিষ্ঠানকে দেড়কোটি টাকা দেয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (চিকিৎসা ও পুনর্বাসন) রাহুল সেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে তালিকা আসার পর সেগুলো যাচাই বাছাই করে কারা সহায়তা পেতে পারে সেই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। আজকে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেয়ার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বাকিদের চেক দেয়া হবে।’

সহায়তা পাওয়া টাকা ডাক্তার, নার্স ও স্টাফদের বেতনবাবদ খরচ করা যাবে। এই অর্থ যাতে অন্যকোনো খাতে না যায় সে ব্যাপারে তদারকি করা হবে বলে জানান রাহুল সেন।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন

মাঠ সংস্কার হলেই খেলতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

মাঠ সংস্কার হলেই খেলতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ হিসেবে পরিচিত ধূপখোলা মাঠে পিলার বসিয়েছে সিটি করপোরেশন। ছবি: নিউজবাংলা

মাঠটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার স্থান। যদিও এটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং মাঠটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র সমাবর্তনও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধূপখোলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র খেলার মাঠের সংস্কার শেষ হলেই শিক্ষার্থীরা খেলতে পারবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

খেলার মাঠের চলমান সমস্যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মেয়র তাপসের বৈঠক শেষে এ আশ্বাস মিলেছে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

সোমবার বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের মধ্যকার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা সূত্রে জানা যায়, পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত ধূপখোলা মাঠ নামে পরিচিত মাঠটিকে সংস্কার করে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। দ্রুতই শুরু হবে সংস্কার কাজ। মাঠে বসানো পিলারগুলোও দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সবাই মাঠে আগের মতোই খেলাধূলা করতে পারবে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডিএসসিসি মেয়রের সঙ্গে আজ আমাদের মিটিং হয়েছে। শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা করতে পারবে। সিটি কর্পোরেশন পিলারগুলো দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি না নিয়ে মাঠে খুঁটি বসানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মাঠটি আমাদের নামে রেজিস্ট্রেশন করা নেই। সিটি কর্পোরেশনের মাস্টারপ্ল্যানের একটি অংশ হিসেবে তারা মাঠ সংস্কার করে আরও উন্নত করবে। আমাদের আগের মতোই খেলাধুলার সুযোগ থাকবে।’

সভায় উপস্থিত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তাফা কামাল বলেন, ‘আালোচনা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশন মেয়র ছাড়াও, সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। আশ্বাস পেয়েছি, আমাদের ছেলেমেয়ে খেলাধুলা করবে।’

এছাড়াও সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, রেজিষ্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠের চারদিকে সাতটি স্থানে ছোট ছোট রড-সিমেন্ট দিয়ে পিলার বসানো হয়েছে। মাঠে কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫ জুন এসব পিলার বসানো হয়েছে। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শামসুজ্জোহাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিকদের দাবি, মাঠের সংস্কারের জন্যই মূলত এটা করা হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব পিলার বসিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। এখানে মার্কেট নির্মাণ করা হবে।

৭ একর জমির ওপর ধূপখোলা খেলার মাঠটিতে ১৯৮৪ সালে এরশাদের শাসনামলে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। তার এক ভাগ দেয়া হয় তৎকালীন জগন্নাথ কলেজকে। আর একটি অংশ ‘ইস্ট এন্ড খেলার মাঠ’ নামে একটি ক্লাবের কর্তৃত্বে রয়েছে। অপর অংশটি রাখা হয় জনসাধারণ খেলার জন্য।

মাঠটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার স্থান। যদিও এটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং মাঠটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র সমাবর্তনও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন

আরেক মামলায় মুফতি আমির হামজার জবানবন্দি

আরেক মামলায় মুফতি আমির হামজার জবানবন্দি

মুফতি আমির হামজা। ফাইল ছবি

গত ২৪ মে বিকেলে কুষ্টিয়া থেকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি। পরদিন সংসদ ভবনে খোলা তলোয়ার নিয়ে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলায় আদালত তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ড শেষে ৩১ মে মুফতি আমির হামজা ওই মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন। এরপর দারুস সালাম থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

আরেক মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজা।

সোমবার রাজধানীর দারুস সালাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় দুই দিনের রিমান্ডফেরত আমির হামজাকে আদালতে হাজির করা হয়।

তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার জন্য আবেদন করে মামলার তদন্ত সংস্থা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দারুস সালাম থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মকবুল হোসেন বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও জানান বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আমির হামজার জবানবন্দি গ্রহণ করেন বিচারক জসিম উদ্দিন।

গত ২৪ মে বিকেলে কুষ্টিয়া থেকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি।

পরদিন সংসদ ভবনে খোলা তলোয়ার নিয়ে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলায় আদালত তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

রিমান্ড শেষে ৩১ মে মুফতি আমির হামজা ওই মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।

এরপর দারুস সালাম থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের রিয়াজ সর্দারের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা

শেয়ার করুন