আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার

এন্টি টেররিজম ইউনিট থেকে বলা হয়েছে, তাজুল ইসলাম খিলাফত প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন সমর্থন, অপরাধ সংগঠনের প্রচেষ্টা, অফলাইন ও অনলাইনভিত্তিক উগ্রবাদী প্রচার প্রচারণা করে আসছিল।

রাজধানী থেকে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’ এর একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।

রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এটিইউ-এর পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) আসলাম খান জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতের নাম তাজুল ইসলাম, বাড়ি কুমিল্লায়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এটিইউ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাজুলকে গ্রেপ্তার করে। তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পুলিশ সুপার আসলাম খান বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি এন্টি টেররিজম ইউনিট অভিযান চালিয়ে কচুয়া মাসনিগাছা বাজার থেকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের একজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তার সহযোগীদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার হয়।

তিনি জানান, তাজুল ইসলাম খিলাফত প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন সমর্থন, অপরাধ সংগঠনের প্রচেষ্টা, অফলাইন ও অনলাইনভিত্তিক উগ্রবাদী প্রচার প্রচারণা করে আসছিল।

তাজুলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইসলামি বক্তা মুফতি যুবায়ের ‘নিখোঁজ’

ইসলামি বক্তা মুফতি যুবায়ের ‘নিখোঁজ’

সংবাদ সম্মেলনে যুবায়েরের পরিবারের সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে, যেখানে দ্বীন শিক্ষার অভাব রয়েছে সেইসব এলাকায় মক্তব-মাদ্রাসা পরিচালনা করেন যুবায়ের। শিশুদেরকে কালামে পাক শিক্ষা দেন।

গত শুক্রবার রংপুর থেকে বিমানযোগে ঢাকায় পৌঁছান ইসলমি বক্তা মুফতি যুবায়ের আহমাদ। এরপর থেকেই তার আর খোঁজ নেই বলে দাবি করেছে পরিবার।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মুফতি যুবায়ের আহমাদের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবারের সদস্যরা। এ সময় স্বামীকে খুঁজে দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান যুবায়েরের স্ত্রী বিলকিস আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে বিলকিস বলেন, ‘মুফতি যুবায়ের আহমাদ সাহেব বাংলাদেশের একজন পরিচিত মুখ আলেম। যিনি কোনো রাজনৈতিক দল-মত, বিশৃংখলা বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজের সঙ্গে জড়িত নন।

‘তার কোনো বক্তব্য কিংবা লেখায় কখনও কোনো প্রকার উস্কানিমূলক, দেশ ও সরকারবিরোধী এমন কোনো কিছুই খুঁজে পাওয়া যাবে না। তার প্রতিটা কাজই দৃশ্যমান। লুকিয়ে কোনো কাজ করতেন না। বিভিন্ন সময়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত অনেকেই উনার প্রশংসা করেছেন। সারা দেশের মানুষ, সকল উলামায়ে কেরামদের মধ্যে উনার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।’

যুবায়েরের স্ত্রী দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল যেখানে ধর্ম শিক্ষার অভাব রয়েছে সেইসব এলাকায় মক্তব-মাদ্রাসা পরিচালনা করেন যুবায়ের। শিশুদেরকে কালামে পাক শিক্ষা দেন। করোনার মধ্যে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রংপুরের বিভিন্ন মাদ্রাসা পরিদর্শন ও কীভাবে কার্যক্রম শুরু করা যায় সেসব বিষয়ে পরামর্শ দিতে কিছুদিন আগে তিনি সফরে বের হন। পরে গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিমানযোগে বিকেল ৫টার একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান।

বিমান থেকে নেমে পরিবারের কাছে কল করে যুবায়ের জানান, তার ফিরতে কিছুটা দেরি হতে পারে। এরপর থেকেই তার ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

যুবায়েরের নিখোঁজের ব্যাপারে ইতোমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চেয়েছে তার পরিবার। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো থানায়ই সাধারণ ডায়রি নিচ্ছে না বলে দাবি করেন বিলকিস।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি আকুল আবেদন জানাচ্ছি, তিনি যেন আমার নিরপরাধ স্বামীকে খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশ দেন। আমরা অনেক দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি। তিনিও যেন একজন পিতাহারা নারী হিসেবে আমার সন্তানদের দুঃখ কষ্টগুলো অনুধাবন করেন।

‘আশা করছি তিনি আমার স্বামী ও আমার সন্তানদের পিতাকে অবিলম্বে গুরুত্ব সহকারে খুঁজে বের করতে নির্দেশ দেবেন।’

বিলকিস জানান, মুফতি যুবায়ের ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন। তিনি কখনো কোনো অমুসলিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ম চাপিয়ে দেননি বা জোর করে দাওয়াতও দেননি। কারণ তিনি দৃঢভাবে এই কথায় বিশ্বাস করতেন যে, ধর্ম কোনো চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়। কিন্তু ধর্মের দাওয়াত দেয়া জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুফতি যুবায়ের আহমাদের ছোট ভাই মো. হাবিবুল্লাহ, মো. হিজবুল্লাহ প্রমুখ৷

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

দাবার বোর্ডে ঘুঁটির চাল দিয়ে ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করছেন অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ও সাউথ এশিয়ান দাবা কাউন্সিলের সভাপতি পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ। সম্মানীয় অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত ‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন হয়েছে।

রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় এ আয়োজন। তবে বিভিন্ন রাউন্ডের খেলা রোববারই শুরু হয়েছে বিজয়নগরের হোটেল ৭১-এ।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন আয়োজিত ৯ দিনের এই টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন ও সাউথ এশিয়ান দাবা কাউন্সিলের সভাপতি পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ। সম্মানীয় অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, ফেডারেশনের আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মল্লিক এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো একজন মহীয়সী নারীর নামে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পেরে আমরা অনেক গর্বিত ও আনন্দিত।’

তিনি বলেন, ‘১৯৮০-এর দশকে বাংলাদেশের জন্য মাত্র ৭০ মিলিয়ন ডলার উন্নয়ন সহায়তা জোগাড় করতে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে প্যারিসে জবাবদিহি করতে হতো। অথচ এখন সেই বাংলাদেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কাকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে, সুদানকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে।’

বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে। আমরা এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।’

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ

তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) যখন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসেন, তখন বাংলাদেশের ৪৫ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস কর‍ত। আর এখন সেটি ৯ ভাগের নিচে। করোনা মহামারি না এলে দারিদ্র্যসীমা এতদিনে হয়তো আরও নিচে নামত।’

চলতি বছর থেকে জেলা ও স্কুল পর্যায়ে দাবা টুর্নামেন্ট শুরুর ঘোষণা দেন দাবা ফেডারেশনের সভাপতি।

এ ছাড়া শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে অক্টোবরে আরও একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দেন তিনি।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আজ যে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন আমরা করতে যাচ্ছি সেটি একজন অনন্য নেতার নামে। শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয়, পৃথিবীর সর্বত্র তাকে মানবতার জননী ও একজন শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক চিন্তাবিদ হিসেবে মানুষ শ্রদ্ধা করে। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটি বাস্তবায়িত হয়েছে অনন্য এক নেতার কয়েক দশকের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আমাদের গণতন্ত্র, উন্নয়ন, জীবনমান, সমৃদ্ধ অর্থনীতি- সবকিছুই অর্জন সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের মাধ্যমে।’

তিনি বলেন, ‘সুন্দর মন মানুষের মর্যাদার পক্ষে কথা বলে। যে কারণে আমাদের গত বছরের দাবার আসর এতটা সাফল্য পেয়েছিল। অংশগ্রহণকারী, আয়োজক, সাংবাদিক ও স্টেকহোল্ডাররা জন্মদিন উদযাপনের এই টুর্নামেন্টের অংশ হতে পারাকে সত্যিকারের সম্মানের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

“কারণ এই উদযাপন বাধ্যবাধকতা নয় বরং এটি ‘মানবতার জননীর’ প্রতি শ্রদ্ধা থেকে করা হয়েছে।”

আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম টুর্নামেন্ট আয়োজনে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দেয়াসহ সব ধরনের সহায়তা দেয়ায় চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন ও কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ-এর প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ এ আরাফাত ক্রীড়া ও শিল্পের বিকাশে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। টুর্নামেন্ট আয়োজনে সহায়তা দেয়ায় চৌধুরী নাফিজ সরাফাতকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
‘জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা টুর্নামেন্ট’ উদ্বোধন করছেন অতিথিরা

বক্তব্য শেষে দাবার বোর্ডে ঘুঁটির চাল দিয়ে এবং ফিতা কেটে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গত বছরের সেপ্টেম্বরে হয়েছিল জয়তু শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অনলাইন দাবা টুর্নামেন্ট। ওই টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এবং সহসভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রতিবছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে গ্র্যান্ডমাস্টার টুর্নামেন্ট আয়োজন করার। সে ঘোষণা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্ট।

এর আগে গত শুক্রবার টুর্নামেন্টের বিস্তারিত জানাতে বনানীর হোটেল শেরাটনে সংবাদ সম্মেলন করেন আয়োজকেরা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহীদুল্লাহ্, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. শোয়েব রিয়াজ আলম।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ১২ জন গ্র্যান্ডমাস্টার, ১৬ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার ও তিনজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন। বিদেশি খেলোয়াড়রা হচ্ছেন: গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ দাস গুপ্ত (ভারত), এহসান ঘাইম মাগামি (ইরান), মাসোউদ মোসাদেগপোর (ইরান), ভাদিম মালাখাটকো (বেলজিয়াম), অড্রে সুমেটস (ইউক্রেন), জুভারেভ আলেক্সান্ডার (ইউক্রেন) ও আলেক্সেই কিসলিনসি (চেক রিপাবলিক)।

আন্তর্জাতিক, ফিদে ও ক্যান্ডিডেট মাস্টারেরা হলেন শেখ মোহাম্মদ নুবাইর শাহ (ভারত), আবদিহাপার আসিলবেক (কিরগিজস্তান), মাহমুদ লোদি (পাকিস্তান), অরোক ঘোষ (ভারত), কোস্তোভ চ্যাটার্জি (ভারত), চক্রবর্তী রেড্ডি মেরেড্ডি (ভারত), মিত্রভা গুহ (ভারত), মোকশকুমার অমিতকুমার দোশি (ভারত), নিলাশ সাহা (ভারত), সামেদ সেকুয়ার সেটি (ভারত), সায়ন্তন দাস (ভারত), সোমক পালিত (ভারত), শ্রীজিত পাল (ভারত), শুভায়ন কুণ্ডু (ভারত), সংকল্প গুপ্ত (ভারত), সংকেত চক্রবর্তী (ভারত), সৌরথ বিশ্বাস (ভারত), অরপিতা মুখার্জি (ডব্লিউআইএম, ভারত), লিয়ানাগে রানিদু দিলশান (সিএম, শ্রীলঙ্কা), সাসিথ নিপুন পিউমান্থা (এফএম, শ্রীলঙ্কা) এবং রুপেশ জসওয়াল (এফএম, নেপাল)।

দেশের পাঁচ গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব; তিন আন্তর্জাতিক মাস্টার আবু সফিয়ান শাকিল, মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান, দুই নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার রানী হামিদ ও শারমীন সুলতানা শিরিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

৯ রাউন্ড সুইস লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় এ প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ডমাস্টার, আন্তর্জাতিক মাস্টার, নারী গ্র্যান্ডমাস্টার ও নারী আন্তর্জাতিক মাস্টারের নর্ম অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় মোট নগদ ১৫ হাজার আমেরিকান ডলার অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

এর মধ্যে মূল পুরস্কার থাকবে ১৩ হাজার ডলার (চ্যাম্পিয়ন ৪০০০, রানার-আপ ২৫০০, তৃতীয় ১৫০০, চতুর্থ ১০০০, পঞ্চম ১০০০, ষষ্ঠ ১০০০, সপ্তম ১০০০, অষ্টম ১০০০ ডলার)।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য দুই হাজার আমেরিকান ডলার (প্রথম ৭০০, দ্বিতীয় ৫০০, তৃতীয় ৪০০, চতুর্থ ২০০ এবং পঞ্চমকে ২০০ ডলার) পুরস্কার দেয়া হবে।

বনানীর হোটেল শেরাটনে ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হবে প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন

ব্যাডমিন্টন ব্যাট দিয়ে স্বামীকে খুন

ব্যাডমিন্টন ব্যাট দিয়ে স্বামীকে খুন

আব্দুর রহমানের মৃতদেহ

দুই ছেলে এক মেয়ের জনক নিহত আব্দুর রহমান মুরগির ব্যবসা করতেন।

রাজধানীর খিলগাঁও গোড়ান এলাকায় ভাঙা স্টিলের ব্যাডমিন্টন ব্যাট বুকে ঢুকিয়ে স্বামীকে খুন করলেন এক নারী। ৪০ বছর বয়সী নিহত আব্দুর রহমান নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা থানার কটুয়া গ্রামের শমসের আলীর সন্তান।

সোমবার ভোরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।

খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে খিলগাঁও খিদমাহ হাসপাতালে গিয়ে আব্দুর রহমানের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

আত্মীয়স্বজনের বরাতে শফিকুল ইসলাম আরও জানান, নিহত আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী নাজমা বেগমের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত। সোমবার ভোরে এই বিবাদ চরমে পৌঁছে। এ সময় হাতের কাছে থাকা ব্যাডমিন্টনের স্টিলের ভাঙা ব্যাট দিয়ে আব্দুর রহমানের বুকে সজোরে আঘাত করেন নাজমা। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আব্দুর রহমানকে উদ্ধার করে খিদমাহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাজমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

নিহতের আত্মীয় আবদুস সালাম জানান, দুই ছেলে এক মেয়ের জনক আব্দুর রহমান খিলগাঁওয়ের পূর্ব গোড়ান মদিনা মসজিদ গলির একটি বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। তিনি মুরগির ব্যবসা করতেন।

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইন্টারনেট কর্মচারীর মৃত্যু

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইন্টারনেট কর্মচারীর মৃত্যু

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার শ্যালক নেট প্রতিষ্ঠানে কাজের সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ইমনের বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বাঘেরা গ্রামে। তিনি কদমতলীর শ্যামপুর আলিবহর এলাকাতেই থাকতেন।’

রাজধানীর কদমতলীর আলিবহর এলাকায় মিডিয়া অনলাইন নামের একটি ইন্টারনেট সরবরাহ প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইমন মোল্লা নামে এক কর্মচারী প্রাণ হারিয়েছেন।

সোমবার দুপুর ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনলে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইমনের বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বাঘেরা গ্রামে। তিনি কদমতলীর শ্যামপুর আলিবহর এলাকাতেই থাকতেন।

ইমনের দুলাভাই কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার শ্যালক নেট প্রতিষ্ঠানে কাজের সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন

৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে সেঁজুতি পরিবহনকে আইনি নোটিশ

৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে সেঁজুতি পরিবহনকে আইনি নোটিশ

সেঁজুতি পরিবহনকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে একটি সাংবাদিক সংগঠন।

নোটিশে ফোরামের পিকনিকে ভাড়া নেয়া সেঁজুতি ট্রাভেলসের এসি গাড়িতে বৃষ্টির পানি পড়ে সদস্যরা ভিজে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত এবং প্রয়োজনীয় মালামাল ক্ষতিগস্ত হওয়ায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে যাত্রী হয়রানির ঘটনায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সেজুঁতি পরবিহনের মালিককে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আইন, সংবিধান ও মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) সভাপতি মাশহুদুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াছিনের পক্ষে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু এ নোটিশ পাঠান।

সেঁজুতি ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীনেশ চন্দ্র দাস ও বাসটির ম্যানেজারকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে

নোটিশে ফোরামের পিকনিকে ভাড়া নেয়া সেঁজুতি ট্রাভেলসের এসি গাড়িতে বৃষ্টির পানি পড়ে সদস্যরা ভিজে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত এবং প্রয়োজনীয় মালামাল ক্ষতিগস্ত হওয়ায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির বার্ষিক পিকনিকের জন্য সেঁজুতি ট্রাভেলসের তিনটি এসি বাস ভাড়া করা হয়। রিজার্ভ হলেও যাত্রার দিন ও ফেরার দিন সঠিক সময়ে বাস সরবরাহ করা হয়নি।

এ ছাড়া চুক্তি অনুযায়ী ভালো বাস সরবরাহ না করে ফিটনেসহীন বাস সরবরাহ করায় বৃষ্টিতে বাসের ভেতরে পানি ঢুকে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমনকি বক্সের ভেতরে থাকা মালামাল ভিজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সংগঠনটির সদস্যরা বিশাল ক্ষতির মুখে পড়েন। বৃষ্টিতে ভেজার কারণে শিশুসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা জ্বরে আক্রান্ত হয় বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

এমনকি ৫ সেপ্টেম্বর ফেরার দিন একটি বাস নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পরে হোটেলে গিয়ে পৌঁছে। যে কারণে রাঙ্গামাটির অসহ্য গরমের মধ্যে ফোরামের সদস্যদের স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পুনরায় হোটেল রুম ভাড়া করে সেখানে অবস্থান করতে হয়েছে। যার ফলে সংগঠনের আর্থিক ও সদস্যরা শারীরিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

এ ছাড়া রাঙ্গামাটি থেকে ফেরার সময় বাস ভাড়া চুক্তির অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধের জন্য মাঝ রাস্তায় বাস থামানো হয়। ভাড়ার টাকা না দিলে বাসে তেল ভর্তি করা সম্ভব হবে না উল্লেখ করে জিম্মি করা হয়।

নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে সংগঠনটিকে ক্ষতিপূরণের ৫০ লাখ টাকা দিতে জন্য বলা হয়েছে। অন্যথায় সেঁজুতি ট্রাভেলসের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন

যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু

যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু

নিহতের মরদেহ

নিহত শ্রমিক ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার খাটাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইউসুব মৃধার সন্তান। থাকতেন খিলখেত এলাকায়।

রাজধানীর খিলক্ষেত তিনশ ফিট এলাকায় রাস্তায় মিকচার মেশিনের মাল (ঢালাই) নামানোর সময়ে আঘাত পেয়ে মো. লাভলু মৃধা নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় লাভলুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পৌনে ৩টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের সহকর্মী রমিজ জানান, মিকচার মেশিন ব্যবহার করে তিনশ ফিট এলাকায় তারা রাস্তায় ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন। এ সময় ঢালাই নামানোর সময় মেশিনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গুরুতর আঘাত পান লাভলু। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত লাভলু ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার খাটাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইউসুব মৃধার সন্তান। থাকতেন খিলখেত এলাকায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন

সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। এমপিদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, সরকারি কর্মকর্তাদেরও হিসাব তলব হয়, ব্যবসায়ী নেতাদেরও তলব হয়। সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব চাইতেই পারে, চাওয়াটা অবশ্যই দোষের নয়। কিন্তু এই চাওয়াটা কেন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের ব্যাংক হিসাব চেয়েছে সেটি কেন পত্রিকায় আসল সেটি হচ্ছে প্রশ্ন। এটি তো কাগজে আসার কথা না।’

সংগঠনের নামে কেন সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব চাওয়া হলো এবং সে খবর পত্রিকায় কীভাবে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সোমবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেটি কেন পত্রিকায় আসল সেটি হচ্ছে প্রশ্ন।’

তিনি বলেন, ‘সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। এমপিদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, সরকারি কর্মকর্তাদেরও হিসাব তলব হয়, ব্যবসায়ী নেতাদেরও তলব হয়। সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব চাইতেই পারে, চাওয়াটা অবশ্যই দোষের নয়।

‘কিন্তু এই চাওয়াটা কেন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের ব্যাংক হিসাব চেয়েছে সেটি কেন পত্রিকায় আসল সেটি হচ্ছে প্রশ্ন। এটি তো কাগজে আসার কথা না।’

তিনি বলেন, ‘আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে যেটি উপস্থাপন করা হয়েছে, সংগঠনের নাম দিয়ে কেন ব্যাংক হিসাব চাওয়া হলো সে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি স্বচ্ছ থাকলে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার সুযোগ নেই। যখন ব্যাংক হিসাব চাওয়ার পরে এটি প্রকাশ হবে, তাদের স্বচ্ছতা বেরিয়ে আসবে তখন তো বরং তারা যে স্বচ্ছ এটিও প্রকাশ হবে। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।’

‘তবে এটি কেন সংগঠনের নাম দিয়ে চাওয়া হলো, আবার কেন কাগজে আসল সেটি নিয়ে প্রশ্ন আছে।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খানসহ ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট- বিএফআইইউ।

অন্য যাদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে তারা হলেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি, ট্রানজেকশন প্রোফাইল, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত লেনদেনের বিবরণী উল্লেখ করে এই প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।

একে সাংবাদিকদের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর কৌশল হতে পারে মন্তব্য করে এই ১১ নেতা সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।

‘সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন’

বিএনপি নেতারা দাবি জানালেও বর্তমান সরকারের অধিনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জোর গলায় দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা প্রায় ১২ বছর ধরেই এই আহ্বান জানিয়ে আসছেন, কিন্তু জনগণতো তাদের এই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। সাড়া দেয়ার কোনো কারণও নেই। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ীই বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন কখনো সরকারের অধীনে হয় না, হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

‘যখন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় তখন সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাদের চাকরি নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত হয়। সরকার তখন একজন পুলিশ কনস্টেবলও বদলি করতে পারে না। কার্যত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে প্রচুর নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠান করেছে। আমি এ জন্য বিএনপিকে বলব, ফাঁকা বুলি আউড়িয়ে কোনো লাভ হবে না। সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

খালেদা জিয়ার সাজার মেয়াদ স্থগিতাদেশ যে কোন সময় বাতিল হতে পারে বলেও বিএনপি নেতাদের স্মরণ করিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সরকারকে বহু আগেই ধন্যবাদ দেয়া উচিত ছিল। কারণ বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কিন্তু জামিনে মুক্তি পাননি। তাকে প্রধানমন্ত্রী আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সাজা স্থগিত করেছেন, এ জন্যই তিনি কারাগারের বাহিরে আছেন। বিএনপির এ জন্য শুকরিয়া করা উচিত। ধন্যবাদ দেয়া উচিত।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার যেকোনো সময় চাইলে ৬ মাসের সাজা স্থগিতের যে আদেশ তা বাতিল করতে পারে। সে আদেশ যদি আগামীকাল বাতিল হয়, তাহলে আগামীকালই তাকে কারাগারে ফেরত যেতে হবে। এটিও বিএনপির মনে রাখা প্রয়োজন।’

‘ডোমেইন বরাদ্দে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না থাকার পরেও আইপি টিভি কীভাবে ডোমেইন বরাদ্দ পায় তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আইপি টিভির নিবন্ধন দেয়ার দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের। কিন্তু ডোমেইন বরাদ্দ দেয় বিটিআরসি। ডোমেইন বরাদ্দ কীভাবে পেল সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন। আমি মনে করি, কাউকে ডোমেইন বরাদ্দ দেয়ার আগে এখন থেকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করব আগামী ২২ সেপ্টেম্বর। তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি মন্ত্রণালয় এতে থাকবে। এখানেই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব যে ডোমেইন বরাদ্দের দেয়ার ক্ষেত্রে এখন অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। আমরা তদন্ত করছি এবং আদালতেরও নির্দেশনা আছে। আমরা অনলাইন ও আইপি টিভির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছি, এটি অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: আদালতে জবানবন্দি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ফেলে জঙ্গিবাদে
তলোয়ার নিয়ে সংসদে হামলার পরিকল্পনা: ২ জঙ্গি ফের রিমান্ডে
আনসার আল ইসলামের ‘সদস্য’ গ্রেপ্তার
আনসার আল ইসলামের চার ‘সদস্য’ ৭ দিনের রিমান্ডে

শেয়ার করুন