পেন বাংলাদেশের নেতৃত্বে কাজী আনিস ও মহিউদ্দিন

পেন বাংলাদেশের নেতৃত্বে কাজী আনিস ও মহিউদ্দিন

পেন বাংলাদেশের নতুন সভাপতি কথাসাহিত্যিক কাজী আনিস আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক কথাসাহিত্যিক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন।

২০২১-২০২৩ মেয়াদের এই কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কথাসাহিত্যিক এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউন ও ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের প্রকাশক কাজী আনিস আহমেদ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কথাসাহিত্যিক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন।

লেখক ও সাহিত্যিক, ব্লগার ও সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন পেন ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ শাখা পেন বাংলাদেশের নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে।

শনিবার সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন ও নির্বাচনে ২০২১-২০২৩ মেয়াদের এই কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কথাসাহিত্যিক এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউন ও ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের প্রকাশক কাজী আনিস আহমেদ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কথাসাহিত্যিক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন।

এছাড়া সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্বজিৎ ঘোষ, ড. আহমেদ রেজা, মালেকা ফেরদৌস, সালমা বানী ও কবি শামীম রেজা।

নির্বাচনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ফেরদৌসি মাহমুদ ও লাভলি তালুকদার, কোষাধ্যক্ষ পদে শাকিরা পারভিন, প্রচার সম্পাদক পদে সাংবাদিক মহসীন হাবিব এবং অফিস সম্পাদক পদে জাহিদ সোহাগ নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন পারভেজ হোসেন, মোহাম্মদ মহসীন, হামীম কামরুল হক, আনিস মোহাম্মদ, মাসুদ হাসান ও জাহানারা পারভীন ।

নির্বাচনের আগে বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্য পরিচিতি এবং সংগঠনের আর্থিক বিবরণী তুলে ধরা হয়।

দেশভাগের পর ১৯৪৮ সালে যাত্রা শুরু করে পেন ইন্টারন্যাশনালের শাখা ‘পাকিস্তান পেন’। সেসময় এর সভাপতি ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সৈয়দ আলী আহসান।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নামকরণ করা হয় ‘পেন বাংলাদেশ’।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আবার হাসপাতালে বুদ্ধদেব, নেয়া হয়েছে আইসিইউতে

আবার হাসপাতালে বুদ্ধদেব, নেয়া হয়েছে আইসিইউতে

সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। ছবি: আনন্দবাজার

সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ গত এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর পর থেকে তিনি বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন।

শ্বাসকষ্ট ও বার্ধক্যজনিত একাধিক সমস্যা নিয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়েছে।

কয়েক দিন আগে করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠে বাড়ি ফিরেছিলেন বুদ্ধদেব। ফের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়ায় রোববার তাকে কলকাতার বেলভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। মঙ্গলবার রক্তচাপ কমে গেলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

গত এপ্রিলে বুদ্ধদেব গুহ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর পর থেকে তিনি বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি বুদ্ধদেবের মূত্রনালিতে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। কিডনি, লিভারের সমস্যাও রয়েছে তার।

সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহের আবার করোনা পরীক্ষা করা হলে প্রতিবেদন নেগেটিভ এসেছে। তার শরীরে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বেশি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দরকার হলে প্রতি মিনিটে তাকে দুই লিটার করে অক্সিজেন দিতে হবে।

করোনামুক্ত হয়ে ৩৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন বুদ্ধদেব। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এখনই ফুরোব না।’

জঙ্গলমহল, মাধুকরী, ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলের স্রষ্টা সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহের অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন তার ভক্তরা।

শেয়ার করুন

ধারণার চেয়েও পুরোনো মাচু পিচু

ধারণার চেয়েও পুরোনো মাচু পিচু

১৫ শতকে নির্মিত ইনকা সভ্যতার নিদর্শন পেরুর মাচু পিচু বিশ্বের অন্যতম সপ্তাশ্চর্য। ছবি: এএফপি

পূর্বধারণা অনুযায়ী, মাচু পিচুর নির্মাণকাল ১৪৪০ থেকে ১৪৫০ সালের আশপাশে। কিন্তু সেখানে পাওয়া মানুষের ২৬টি দেহাবশেষ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১৪২০ থেকে ১৫৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত টানা ১১০ বছর ব্যবহার হয়েছে মাচু পিচু।

বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম পেরুর মাচু পিচু। প্রাচীন ইনকা সভ্যতার স্থাপনাটির নির্মাণকাল ১৪৩৮ খ্রিস্টাব্দের পরে বলে ধারণা প্রতিষ্ঠিত ছিল এতদিন। কিন্তু নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর চেয়েও কমপক্ষে ২০ বছর আগে তৈরি হয়েছে প্রত্নতত্ত্বের অনন্য এ নিদর্শন।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি মাচু পিচু। ইনকা সাম্রাজ্যের সময়ে এটি প্রাসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হয়।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭৫ বছরের বেশি সময় ধরে মাচু পিচু নিয়ে কাজ করেছেন অনেক ইতিহাসবিদ, প্রত্নতত্ত্ববিদ ও বিজ্ঞানীরা। যে অঞ্চলে এটির অবস্থান, ১৬ শতকে সেখানে স্প্যানিশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয়। এর ভিত্তিতে মাচু পিচু ১৫ শতকে তৈরি বলে ধারণা করে আসছিলেন তারা।

কিন্তু রেডিওকার্বন ডেটিং পদ্ধতিতে মাচু পিচুর ধ্বংসাবশেষ থেকে সংগৃহীত নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে আরও আগে এটি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

পূর্বধারণা অনুযায়ী, মাচু পিচুর নির্মাণকাল ১৪৪০ থেকে ১৪৫০ সালের আশপাশে। কিন্তু সেখানে পাওয়া মানুষের ২৬টি দেহাবশেষ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১৪২০ থেকে ১৫৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত টানা ১১০ বছর ব্যবহার হয়েছে মাচু পিচু। দেহাবশেষ বিশ্লেষণে ‘অ্যাক্সিলারেটর ম্যাস স্পেকট্রোমেট্রি’ ডেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তারা।

মাচু পিচু নিয়ে সম্পূর্ণ বিজ্ঞাননির্ভর এ গবেষণার ফলে আধুনিক পশ্চিমা ইতিহাসবিদদের দেয়া ঔপনিবেশিক তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এখন প্রশ্নের মুখে।

গবেষণা প্রতিবেদনের প্রধান লেখক ইয়েল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রিচার্ড বার্গার বলেন, ‘সাম্প্রতিক গবেষণার ফল থেকে এটাই প্রমাণ হয় যে, ইনকা সাম্রাজ্য গড়ে ওঠা নিয়ে যা কিছু আমরা জানি, তা ঔপনিবেশিক শাসনামলে নথিভুক্ত তথ্যনির্ভর, প্রাথমিক এবং এসব রেকর্ড সংশোধন করতে হবে।

‘ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক আধুনিক রেডিওকার্বন পদ্ধতিতে প্রাপ্ত তথ্য। কিন্তু ইনকা সময়কাল বোঝার এটা আরও ভালো উপায়।’

বিশ্বে এখন পর্যন্ত যত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কেন্দ্র আবিষ্কার ও জনপ্রিয় হয়েছে, সেগুলোর অন্যতম মাচু পিচু।

এটির অতীত ইতিহাস ও পরিত্যক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত অঞ্চলটিতে বসবাস করা মানুষ আজও রহস্য, যা উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন পশ্চিমা ইতিহাসবিদরা।

শেয়ার করুন

লুট করা গিলগামেশের মহাকাব্য ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

লুট করা গিলগামেশের মহাকাব্য ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরাক থেকে ২০০৩ সালে লুট করা হয় গিলগামেশের মহাকাব্যের এই খণ্ড। ছবি: সংগৃহীত

ইরাকের সংস্কৃতিমন্ত্রী হাসান নাদিম বলেন, ‘কিছু শিল্পকর্ম যুক্তরাষ্ট্র সরকার জব্দ করে ইরাকের দূতাবাসে পাঠিয়েছে। এগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ গিলগামেশের মহাকাব্য সামনের মাসে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইরাকে ফেরত পাঠানো হবে।’

ইরাক থেকে লুট ও পাচার করা ১৭ হাজারের বেশি প্রাচীন শিল্পকর্ম ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এসব শিল্পকর্মের মধ্যে মাটির খণ্ডে লেখা সাড়ে তিন হাজার বছর পুরনো গিলগামেশের মহাকাব্যের একটি অংশও রয়েছে।

ইরাকের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার এসব তথ্য জানান বলে দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

২০০৩ সালে ইরাকে অভিযান চালিয়ে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বাহিনী।

ওই ঘটনার পর ইরাকের লাখ লাখ পুরাকীর্তির আর হদিশ পাওয়া যায়নি। ওইসব পুরাকীর্তির বেশির ভাগ হয় পাচার করা হয় নয়তো জঙ্গি সংগঠন আইএসের হাতে ধ্বংস হয়।

২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইরাকের এক-তৃতীয়াংশ অঞ্চল আইএসের দখলে ছিল। পরে ইরাকি বাহিনী ও বিদেশি সেনার হাতে পরাজয় হয় সশস্ত্র সংগঠনটি।

ইরাকের সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সম্প্রতি বাগদাদের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে।

এতে বলা হয়, ডিলারদের কাছ থেকে জব্দ করা ইরাকি শিল্পকর্ম বাগদাদকে ফেরত দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জাদুঘরে থাকা ইরাকের পুরাকীর্তিও বাগদাদে পাঠানো হবে।

ইরাকের সংস্কৃতিমন্ত্রী হাসান নাদিম বলেন, ‘কিছু শিল্পকর্ম যুক্তরাষ্ট্র সরকার জব্দ করে দেশটিতে ইরাকের দূতাবাসে পাঠিয়েছে।

‘এগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ গিলগামেশের মহাকাব্য সামনের মাসে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইরাকে ফেরত পাঠানো হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস বিভাগ জানায়, গিলগামেশের মহাকাব্য লেখা মাটির খণ্ডটি পাচার হওয়ার পর ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ এটি জব্দ করে।

গিলগামেশের মহাকাব্য এরপর নিলামে উঠলে যুক্তরাষ্ট্রের অকলাহোমার এক আর্ট ডিলারের কাছে তা বিক্রি করা হয়।

ওয়াশিংটন ডিসির এক জাদুঘরে ওই প্রাচীন পুরাকীর্তিটি প্রদর্শিতও হয়।

গত মাসে গিলগামেশের মহাকাব্য ফেরত পাঠাতে নির্দেশ দেয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়, ২০০৩ সালে লন্ডনের এক ডিলারের কাছ থেকে মাটির খণ্ডটি কেনে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডিলার।

গিলগামেশের মহাকাব্য সাড়ে তিন হাজার বছর আগের সুমেরীয় পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে আক্কাদিয় ভাষায় লেখা। ধারণা করা হয়, এটি বিশ্বসাহিত্যের প্রথম দিকের সৃষ্টিকর্ম।

২০০৩ সাল থেকে লুটপাটের কারণে ইরাকের হাজার হাজার শিল্পকর্মের এখনও কোনো খোঁজ নেই।

শেয়ার করুন

‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়নে আইজিপি

‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়নে আইজিপি

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে মঞ্চায়িত হয়েছে নাটক ‘অভিশপ্ত আগস্ট’।

‘‘এই নাটকটি যিনি লিখেছেন, যারা অভিনয় করেছেন সবকিছু মিলিয়ে ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ চমৎকার হয়েছে। এ নাটক একটি ঐতিহাসিক দলিল। এটি একটি ফ্যাক্ট বেইজড ডকুমেন্ট। প্রত্যেকেই খুব মর্মস্পর্শী অভিনয় করেছে। আমার মনে হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই নিজেদেরকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেছে। আমাদের পুলিশ নাট্য শিল্পীরা নাট্য সাহিত্যে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।’’

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত নাটক ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ মঞ্চায়িত হয়েছে।

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশের নাট্যদল নাটকটির মঞ্চায়ন করে। এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘‘এই নাটকটি যিনি লিখেছেন, যারা অভিনয় করেছেন সবকিছু মিলিয়ে ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ চমৎকার হয়েছে। এ নাটক একটি ঐতিহাসিক দলিল। এটি একটি ফ্যাক্ট বেইজড ডকুমেন্ট। প্রত্যেকেই খুব মর্মস্পর্শী অভিনয় করেছে। আমার মনে হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই নিজেদেরকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেছে। আমাদের পুলিশ নাট্য শিল্পীরা নাট্য সাহিত্যে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।’’

নাটক মঞ্চায়ন শেষে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ ১৫ আগস্টে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানান ও রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগস্ট মাস আমাদের কাছে খুব আবেগ ও কষ্টের মাস। আমরা এতোই দুর্ভাগা যে, বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে পারিনি। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে এদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

নাটকের মঞ্চায়ন সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অভিশপ্ত আগস্ট নাটকে সে সময়কার প্রকৃত ইতিহাসকে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মঞ্চে এ নাটক প্রদর্শনের চেষ্টা করব।

‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়নে আইজিপি


১৫ আগস্টে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বাধীনতার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধে রাজারবাগে যেসব পুলিশ সদস্য নিহত হন, তাদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ডিএমপি কমিশনার।

নাটকটির গবেষণা ও তথ্য সংকলক ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাজারবাগ থেকে প্রথম প্রতিরোধ করেছে পুলিশ। প্রথম রক্ত দিয়েছে পুলিশ, প্রথম শহীদ হয়েছে পুলিশ। ১৫ আগস্ট কালরাতে যে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে তা এখন ইতিহাসের পাতায়।

‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়নে আইজিপি


‘আমরা এই বিষয়টি তুলে ধরার জন্য জাতির পিতার জীবন ও কাজ নিয়ে আমাদের পুলিশ সাহিত্য সাংস্কৃতিক পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে। ১৫ আগস্টের ঘটনায় হত্যা মামলার নথিপত্র ও বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে এ নাটকটি রচনা করা হয়েছে।’

‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটকটির নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহিদুর রহমান। নাটকটির প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ নাট্যদল।

শেয়ার করুন

বিতর্কিত শিল্পকর্ম ভারতে ফেরত পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

বিতর্কিত শিল্পকর্ম ভারতে ফেরত পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

তামিলনাড়ুর শৈব কবি ও ঋষি সমবন্দরের দ্বাদশ শতাব্দীর এই ভাস্কর্যও ফেরত পাঠাবে অস্ট্রেলিয়া। ছবি: ন্যাশনাল গ্যালারি অফ অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল গ্যালারির পরিচালক নিক মিৎজেভিচ বলেন, ‘শিল্পকর্মগুলো ফেরতের মাধ্যমে আমাদের ইতিহাসের জটিল এক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটবে।’

চুরি, লুট বা বেআইনিভাবে রপ্তানি করার অভিযোগ ওঠায় ভারতের ১৪টি শিল্পকর্ম ফিরিয়ে দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল গ্যালারি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৯ কোটি টাকা মূল্যের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ওইসব শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে ভাস্কর্য, ছবি এবং একটি পত্রফলক।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল গ্যালারির পরিচালক নিক মিৎজেভিচ বলেন, ‘শিল্পকর্মগুলো ফেরতের মাধ্যমে আমাদের ইতিহাসের জটিল এক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটবে।’

শিল্পকর্মগুলোর একটি নিউ ইয়র্কের সাবেক আর্ট ডিলার ও অভিযুক্ত পাচারকারী ভারতীয় নাগরিক সুভাষ কাপুরের।

ভারতীয় শিল্পকর্ম বিদেশে পাচারসংক্রান্ত মামলার রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন সুভাষ।

অস্ট্রেলিয়ায় শিল্পকর্ম পাচারের অভিযোগ আগেই প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল গ্যালারিতে থাকা ভারতীয় শিল্পকর্মের মধ্যে কয়েকটি দ্বাদশ শতাব্দীর। তামিলনাড়ুতে সে সময় চোলা সাম্রাজ্য শিল্পের ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা করে।

সুভাষের কাছ থেকে পাওয়া বেশ কয়েকটি শিল্পকর্ম এরই মধ্যে ভারতে ফেরত পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

বিতর্কিত শিল্পকর্ম ভারতে ফেরত পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

২০০৯ সালে এই চিত্রকর্ম কেনে ন্যাশনাল গ্যালারি অফ অস্ট্রেলিয়া।

এগুলোর মধ্যে হিন্দু দেবতা শিবের একটি ব্রোঞ্জ মূর্তিও রয়েছে। ২০০৮ সালে ওই মূর্তিটি ৪২ কোটি টাকায় কেনে ন্যাশনাল গ্যালারি।

ন্যাশনাল গ্যালারির পরিচালক মিৎজেভিচ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘কয়েক মাসের মধ্যে ভারত সরকারের কাছে ১৪টি শিল্পকর্ম হস্তান্তর করা হবে।’

এদিকে এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের হাইকমিশনার মনপ্রীত ভোহরা।

এ উদ্যোগকে ‘বন্ধুত্বের অসাধারণ নিদর্শন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

শেয়ার করুন

উজান প্রকাশনের বই আলোচনা প্রতিযোগিতা

উজান প্রকাশনের বই আলোচনা প্রতিযোগিতা

কোরিয়ার বিশ ও একুশ শতকের উল্লেখযোগ্য কবিদের কবিতার সংকলন ‘কোরিয়ার কবিতা’ এবং একই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কথাসাহিত্যিকদের রচনার অনুবাদ সংকলন ‘কোরিয়ার গল্প’। এই দুটি বই নিয়ে আলোচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে উজান প্রকাশন।

বাঙালির পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে অনেক মিল আছে কোরীয় উপদ্বীপের সংস্কৃতির। অমিলও কম নেই। ঘনবসতির দিক থেকে রাজধানী ঢাকা যেমন, তেমনি আবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলও। দেশের অর্ধেক লোকই থাকে সিউলে।

যুদ্ধ ও সংগ্রামে কোরীয় উপদ্বীপ আমাদের এই বাংলার মতো বিভক্ত দুই ভাগে। তবে ভাগাভাগির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও কার্যকারণ ভিন্ন। দক্ষিণ কোরিয়া এখন উন্নয়ন ও গণতন্ত্রে আমাদের থেকে এগিয়ে।

সুবিচার, গণতন্ত্র, সুশাসন, মানব উন্নয়ন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলো দিয়ে এরই মধ্যে তারা নজর কেড়েছে বিশ্বের। ‘কেড্রামা’, ‘কেমুভি’ ও ‘কেপপ’ নামে কোরিয়ার নাটক, চলচ্চিত্র ও সংগীতের নানা উপাদান এখন ইন্টারনেট দুনিয়ার বহুল জনপ্রিয়। এই রকম একটি সময়ে নজর পড়ছে কোরিয়ার সাহিত্যের দিকেও।

কোরিয়ার সাহিত্য নিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদ সংকলন প্রকাশ করেছে উজান প্রকাশন। কোরিয়ার বিশ ও একুশ শতকের উল্লেখযোগ্য কবিদের কবিতার সংকলন ‘কোরিয়ার কবিতা’ এবং একই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কথাসাহিত্যিকদের রচনার অনুবাদ সংকলন ‘কোরিয়ার গল্প’।

এই দুটি বই নিয়ে আলোচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে উজান। তাদের এই আয়োজনে সহযোগিতা করছে লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউট অফ কোরিয়া।

এই প্রতিযোগিতায় এ বছর দুটি বইয়ের আলোচনা আহ্বান করা হয়েছে। ‘কোরিয়ার কবিতা’ ও ‘কোরিয়ার গল্প’ বই নিয়ে হবে এই আলোচনা। আলোচনায় সর্বোচ্চ পুরস্কার ২০ হাজার টাকা।

এছাড়া দ্বিতীয় পুরস্কার ১৫ হাজার এবং তৃতীয় পুরস্কার ১০ হাজার টাকা। এই প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত সর্বোচ্চ ১০ আলোচকের প্রত্যেককে দেয়া হবে ৫ হাজার টাকা মূল্যমানের বই।

আলোচনাগুলো বাছাই করবেন দেশের উল্লেখযোগ্য কবি, সাহিত্যিক ও অনুবাদকদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারক কমিটি। একজন একটি বই নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। আলোচনা বাংলাভাষায় লিখিত বা ভিডিও মাধ্যমে হতে হবে। অংশগ্রহণে ইচ্ছুকরা অনলাইনে ফরম পূরণ করতে করতে পারবেন এসব লিংকে www.ujaninfo.com, www.porospor.info

২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আলোচনা জমা দিতে হবে [email protected] এ। বিস্তারিত জানতে এবং বই সংগ্রহ করতে পারবেন www.ujaninfo.com, www.facebook.com/UjanPrakashan, https://www.facebook.com/UjanBooks থেকে।

শেয়ার করুন

‘একুশে পদক ২০২২’-এর মনোনয়ন আহ্বান

‘একুশে পদক ২০২২’-এর মনোনয়ন আহ্বান

আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে মনোনয়ন বা প্রস্তাব সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। রোববার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

একুশে পদক ২০২২-এর জন্য মনোনয়ন আহ্বান করেছে সরকার। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে মনোনয়ন বা প্রস্তাব সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রোববার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একুশে পদক প্রদানসংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য বছরের মতো ২০২২ সালেও সরকার কর্তৃক ভাষা আন্দোলন, শিল্পকলা (সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, চারুকলাসহ সকল ক্ষেত্র), মুক্তিযুদ্ধ, সাংবাদিকতা, গবেষণা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অর্থনীতি, সমাজসেবা, রাজনীতি, ভাষা ও সাহিত্য এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি (জীবিত/মৃত), গোষ্ঠী, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে একুশে পদক প্রদান করার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, এ লক্ষ্যে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থা, সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, সকল জেলা প্রশাসক এবং স্বাধীনতা পদক/একুশে পদকে ভূষিত সুধীবৃন্দকে আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২১-এর মধ্যে মনোনয়ন/প্রস্তাব সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

এ-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাবলি ও একুশে পদক নীতিমালা এবং মনোনয়ন প্রস্তাবের ফরম সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় (www.moca.gov.bd) এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের (www.moi.gov.bd) ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলেও সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন