গণপরিবহন চালু হওয়ায় বইমেলায় সমাগম বেড়েছে

গণপরিবহন চলাচল করায় বইমেলায় এসেছেন বইপ্রেমীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

গণপরিবহন চালু হওয়ায় বইমেলায় সমাগম বেড়েছে

লকডাউনের প্রথম দুদিন অনেকটা ফাঁকা ছিল বইমেলা। রোববারের ঝড়ে মেলার তেমন কোনো ক্ষতি না হলেও কিছু কিছু স্টলের বই ভিজে গেছে। সোমবার অনেককেই রোদে বই শুকাতে দেখা গেছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণার তৃতীয় দিনে এসে কিছুটা প্রাণ ফিরেছে অমর একুশের গ্রন্থমেলা।

গণপরিবহন চালু হতেই দু্ই দিনে খরা কাটিয়ে বুধবার পাঠক দর্শনার্থীদের অনেকে বইমেলামুখী হয়েছেন।

লকডাউন ঘোষণার পর বইমেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। তবে ৪ এপ্রিল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বইমেলা।

লকডাউনের প্রথম দুই দিন অনেকটা ফাঁকা ছিল বইমেলা। রোববারের ঝড়ে মেলার তেমন কোনো ক্ষতি না হলেও কিছু কিছু স্টলের বই ভিজে গেছে।

মেলায় লোক সমাগম কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে অনেক প্রকাশক হতাশা ব্যক্ত করেন। তারা লোকসানের আশঙ্কা করেন।

একে তো করোনা সংক্রমণের ভয়, তারওপর গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বইমেলায় লোক সমাগম কমে যায় বলে প্রকাশ ও দর্শনার্থীরা জানান।

boimela

তবে গণপরিবহন চালু করায় মেলায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। নারী ও শিশুদেরও মেলায় ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। অনেকেই বই কিনছেন। কেউবা নতুন বই উল্টেপাল্টে দেখেছেন।

Banglaacademi

খরা কাটিয়ে একটু প্রাণের ছোঁয়া পেয়েছে বইপ্রেমীদের এই মেলা। বিক্রি কিছুটা বাড়লেও তা প্রকাশকদের মুখে হাসি ফোটানোর মতো যথেষ্ট না।

Banglaboimela

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলতি বছরের বইমেলা সোমবার শেষ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

শনিবার তিনি এ কথা জানান।

মেলা ১৪ এ্রপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দুই দিন আগেই শেষ হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ ঠেকাতে সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ ও মেলা নিরুৎসাহিত করে সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনার পর ৩১ মার্চ থেকে বইমেলার সময় কমিয়ে সাড়ে তিন ঘণ্টা করা হয়।

৩ এপ্রিল সরকারের পক্ষ থেকে ৫-১১ এপ্রিল সাত দিনের লকডাউনের ঘোষণা আসে। লকডাউন বাস্তবায়ন হলেও খোলা থাকে বইমেলা। তা নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়। এমন অবস্থায় বইমেলা খোলা রাখা হবে কি না, তা চলতি সপ্তাহে জানানোর কথা ছিল।

নিয়মানুযায়ী প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরু হলেও করোনার কারণে এই ধারায় এবার ব্যত্যয় হয়েছে। দেড় মাসেরও বেশি পিছিয়ে ১৮ মার্চ শুরু হয় মেলা, শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৪ এপ্রিল।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গায় বসছে মেলা। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৭ প্রতিষ্ঠানকে ১৫৪টি স্টল এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪০৩ প্রতিষ্ঠানকে ৬৮০টি স্টলে মেলা বসেছে। মেলায় ৩৩টি প্যাভিলিয়ন রয়েছে।

এবারও লিটল ম্যাগাজিন চত্বর বসেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। সেখানে ১৩৫টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দের পাশাপাশি পাঁচটি উন্মুক্ত স্টলসহ ১৪০টি স্টল রয়েছে।

শেয়ার করুন

মিসরে তিন হাজার বছর আগের শহর আবিষ্কার

মিসরে তিন হাজার বছর আগের শহর আবিষ্কার

মিসরে তিন হাজার বছরের পুরোনো এক শহর আবিষ্কার। ছবি: এএফপি

খনন কাজ শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দলকে অবাক করে দিয়ে চারদিক দিয়ে মাটির ইটের দেয়াল দেখতে পাওয়া যায়। আরও খনন করে বিশাল এক শহরের হদিস মেলে, যেখানে রয়েছে দেয়ালসহ দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা জিনিসপত্রে ভরা কক্ষ। শহরটি দেখলে মনে হয় গতকালও বাসিন্দারা এখানে ছিলেন।

মিসরে বালুর নিচে ঢাকা পড়া তিন হাজার বছরের পুরোনো এক শহরের সন্ধান পাওয়া গেছে। অভাবনীয় এ আবিষ্কারে বিশ্বজুড়ে প্রত্নতত্ত্ববিদদের প্রশংসা কুড়োচ্ছেন অনুসন্ধানকারী দল।

প্রখ্যাত ইজিপ্টলজিস্ট ড. জাহি হাওয়াস ‘হারিয়ে যাওয়া সোনালী শহরের’ আবিষ্কারের কথা বিশ্ববাসীকে প্রথম জানান বলে শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, ফারাও তুতেনখামেনের সমাধির পর মিসরের বৃহত্তম প্রাচীন শহরটির আবিষ্কার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

মিসরের প্রত্নতত্ত্ব দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাহি হাওয়াসের নেতৃত্বে আতেন শহরের হদিস পাওয়া গেছে, যা বালুর নিচে তিন হাজার বছর ধরে হারিয়ে ছিল। প্রাচীন মিসরের ফারাও তৃতীয় আমেনহোতেপের শাসনামল থেকে তুতেনখামেন ও আই পর্যন্ত শহরটির অস্তিত্ব ছিল।

প্রত্নতত্ত্ব দলের তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির ইজিপশিয়ান আর্ট অ্যান্ড আর্কিওলজি বিভাগের অধ্যাপক বেটসি ব্রায়ান বলেন, ‘তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কারের পর এটি দ্বিতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার।’

অনুসন্ধানে আংটিসহ নানা ধরনের গয়না, রঙ-বেরঙের মাটির পাত্র, গুবড়ে পোকার শিল্পকর্ম, তৃতীয় আমেনহোতেপের সিল দেয়া মাটির ইট পাওয়া যায়।

Egypt3-image

অনুসন্ধানের বিষয়ে মিসরের সাবেক পুরাকীর্তিমন্ত্রী হাওয়াস বলেন, ‘বিদেশি অনেক দল বেশ কয়েকবার এ শহরটি অনুসন্ধানে আসে। কিন্তু কেউই এর খোঁজ পায়নি।’

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে মিসরের রাজধানী কায়রো থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে লুক্সর শহরের কাছে ফারাও তৃতীয় রামসেস ও তৃতীয় আমেনহোতেপের মন্দিরের মধ্যবর্তী জায়গায় প্রত্নতত্ত্ব দলটি খনন কাজ শুরু করে।

বিবৃতিতে দলটি জানায়, খনন কাজ শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দলকে অবাক করে দিয়ে চারদিক দিয়ে মাটির ইটের দেয়াল দেখতে পাওয়া যায়। আরও খনন করে বিশাল এক শহরের হদিস মেলে, যেখানে রয়েছে দেয়ালসহ দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা জিনিসপত্রে ভরা কক্ষ। শহরটি দেখলে মনে হয় গতকালও বাসিন্দারা এখানে ছিলেন।

Egypt2-image

খোঁড়াখুঁড়ির সাত মাসের মাথায় ওভেন, মাটির পাত্র থাকা একটি বেকারিসহ শহরটির বেশ কয়েকটি এলাকা উন্মোচন হয়। পাশাপাশি প্রশাসনিক ও আবাসিক জেলারও সন্ধান পাওয়া যায়।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা জানান, চার দশক ধরে ইউফ্রেটিস থেকে সুদান পর্যন্ত শাসন করেন ফারাও তৃতীয় আমেনহোতেপ। খ্রিস্টপূর্ব আগে ১৩৫৪ সালের দিকে তার মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ভাষায় হচ্ছে কোরআনের অনুবাদ

রোহিঙ্গা ভাষায় হচ্ছে কোরআনের অনুবাদ

নিজস্ব ভাষায় কোরআনের অডিও ও ভিডিও সংস্করণ পাচ্ছে রোহিঙ্গারা। ছবি: টিআরটি

সরাসরি আরবি ভাষা থেকে নয়, কুরআনের রোহিঙ্গা অনুবাদ করা হয়েছে সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইংরেজি সংস্করণ থেকে। কয়েক কিস্তিতে ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে ৩০ পারার ১১৪টি সূরার হাই-ডেফিনিশন (এইচডি) সংস্করণ।

রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিজ ভাষায় বুঝে পবিত্র কোরআন পড়ার সুযোগ নেই। কারণ কোরআন শরিফের কোনো রোহিঙ্গা সংস্করণ বা অনুবাদ নেই। তবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই অনুবাদের অডিও ও ভিডিও সংস্করণ পাচ্ছে এ জনগোষ্ঠীর লোকজন।

টার্কিশ রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন (টিআরটি) ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, সরাসরি আরবি ভাষা থেকে নয়, কুরআনের রোহিঙ্গা অনুবাদ করা হয়েছে সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইংরেজি সংস্করণ থেকে।

কয়েক কিস্তিতে ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে ৩০ পারার ১১৪টি সূরার হাই-ডেফিনিশন (এইচডি) সংস্করণ।

রমজান মাস সামনে রেখে অনলাইনে রোহিঙ্গা ভাষায় অনূদিত কোরআনের প্রথম কিস্তি প্রকাশ করা হবে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে।

রোহিঙ্গা ভাষায় বিশ্বের প্রথম সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল রোহিঙ্গা ভিশন ও মালয়েশিয়াভিত্তিক দাকওয়া কর্নার বুকস্টোরের (ডিসিবি) উদ্যোগ এই রোহিঙ্গা ভাষার কোরআন। ধর্মগ্রন্থটি অনুবাদে ৮১ হাজার ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

অনুবাদে সম্পৃক্ত কারা

রোহিঙ্গা ভাষায় কোরআন অনুবাদের কাজটি করা হবে ধর্মীয় নেতা শেখ মুহাম্মদ আইয়ুবের আরবি ভাষার তেলাওয়াত থেকে। সৌদি আরবের মক্কায় রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিবারে পঞ্চাশের দশকে জন্ম নেয়া প্রয়াত এই নেতা মদিনার ইমামও ছিলেন।

রোহিঙ্গা ভাষায় কুরআন অনুবাদের মূল কাজটি করছেন ধর্মীয় নেতা কুতুব শাহ। কারিগরি প্রকৌশলের সাবেক এই শিক্ষার্থী রোহিঙ্গা বলে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা সম্পূর্ণ করতে দেয়নি মিয়ানমার সরকার। বর্তমানে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছেন তিনি। তার গবেষণার বিষয় ‘কম্পারেটিভ রিলিজিয়ন’।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত সংখ্যালঘু হলো রোহিঙ্গারা। মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাদের বর্বরতার শিকার গোষ্ঠীটির ১১ লাখের বেশি মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

মানবাধিকার কর্মীদের সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ বলে, রাখাইনের এ জনগোষ্ঠীর ওপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়াসহ নানা কায়দায় নির্যাতন চালিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের জাতিগতভাবে নিধন ও কাঠামোগত নির্যাতনের অংশ হিসেবে কয়েক দশক ধরে নানাভাবে নিপীড়ন চালিয়ে আসছে মিয়ানমারের বৌদ্ধ সরকার ও সেনাবাহিনী। এ লক্ষ্যে তাদের নিজ ভাষায় রচিত বই, ধর্মগ্রন্থ, শিল্প-সাহিত্যের নিদর্শন পুড়িয়ে ছাই করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ করা হয়েছে পাঠ্যপুস্তক প্রকাশও।

কেন অডিও-ভিডিও সংস্করণ

রোহিঙ্গা ভাষায় কোরআন অনুবাদের অন্যতম উদ্যোক্তা, অধিকারকর্মী ও রোহিঙ্গা ভিশনের সত্বাধিকারী মুহাম্মদ নূর।

তিনি বলেন, ‘নিজ দেশে রোহিঙ্গা ভাষায় লেখাপড়া করার অধিকারটুকু পাইনি আমরা। নির্দেশ অমান্য করে এইটুকু করার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি পেতে হয় আমাদের। হয় মরতে হয়, না হলে কারাবন্দি থাকতে হয়।’

তিনি জানান, অতীতেও বেশ কয়েকবার রোহিঙ্গা ভাষায় কোরআন অনুবাদের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সময় উর্দু, আরবি ও লাতিন ভাষা থেকে রোহিঙ্গা ভাষায় বই আকারে কুরআন প্রকাশের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই অসম্পূর্ণ থেকে গেছে সেসব চেষ্টা।

প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার হার ভীষণ কম। দশকের পর দশক মিয়ানমারে তাদের শিক্ষা গ্রহণ ও কাজ করা নিষিদ্ধ করে রেখেছে দেশটির সরকার। এমনকি রোহিঙ্গা হিসেবে নিজ জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতিও দেয়া হয় না তাদের।

এমন পরিস্থিতিতে বিদেশে আশ্রয় নেয়া অনেক রোহিঙ্গা অভিবাসী নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তাদের একজন ষাটের দশকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আশ্রয় নেয়া নূরের পরিবার।

রোহিঙ্গা ভাষায় কথা বলতে পারেন ও ভাষাটি বোঝেন, এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ। কিন্তু গত ১০০ বছরের বেশি সময়ে ভাষাটির লিখিত রূপ (বর্ণমালা ও শব্দ) বেশ কিছু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে।

আশির দশকে বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গা শিক্ষাবিদ মাওলানা মুহাম্মদ হানিফ একটি ভাষা ব্যবস্থা দাঁড় করাতে সক্ষম হন, যা পরিচিতি পায় রোহিঙ্গা হানিফি নামে।

মুহাম্মদ নূর বলেন, ‘ভারত বা পাকিস্তানে গিয়ে যারা লেখাপড়া করেছেন, তাদের মধ্যে উর্দু ভাষায় কোরআন অনুবাদের প্রবণতা ছিল। আবার যারা মধ্যপ্রাচ্যে আছেন, তারা আরবি ভাষানির্ভর অনুবাদ করেছেন। কিন্তু এগুলোর কোনোটিই বেশিরভাগ রোহিঙ্গা পড়তে পারেন না।’

নূর আরও বলেন, ‘এ কারণেই অডিও ও ভিডিও আকারে কুরআনের রোহিঙ্গা অনুবাদের উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। যেন তৃণমূলের মানুষদের কাজে লাগে এটি।

‘পড়ে বুঝতে হবে না, শুনে বুঝতে পারবেন তারা। তাই এখনই বই আকারে রোহিঙ্গা কোরআন বের করার পরিকল্পনা আমাদের নেই। পরে কখনো হতে পারে।’

রোহিঙ্গা হানাফি ভাষায় ইউনিকোড তৈরি করেছেন নূর। এটি ব্যবহার করে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে সহজ যোগাযোগ করা শিখে গেছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা।

কতটি ভাষায় কোরআনের অনুবাদ

ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়ার আফ্রিকান স্টাডিজ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১১৪টি ভাষা কোরআনের নির্বাচিত আয়াত বা অংশ অনুবাদ হয়েছে। আর অখণ্ড কোরআন অনুবাদ হয়েছে কমপক্ষে ৪৭টি ভাষায়।

ধর্মীয় ভাবাদর্শ, বিভিন্ন ঘটনার তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা অক্ষুণ্ন রেখে এর অনুবাদ, বিশেষ করে দীর্ঘ পাদটীকার ব্যাখ্যা কখনোই সহজ ছিল না।

ত্রিশের দশকে প্রকাশ হয় আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলি অনূদিত ইংরেজি সংস্করণ। ইংরেজিভাষী দেশগুলোতে পরের ৫০ বছর এটিই ছিল সর্বাধিক পঠিত কোরআনের অনুবাদ। এখনও অনেক জায়গায় কোরআনের অনুবাদ বলতে এই সংস্করণটিই পরিচিত।

এ অবস্থায় রোহিঙ্গা সংস্করণে কোরআনের ব্যাখ্যা সহজ ও সঠিক রাখা মূল লক্ষ্য অনুবাদক দলের। এ জন্য আরবি ও উর্দু কোরআনের আক্ষরিক অনুবাদ থাকবে রোহিঙ্গা সংস্করণে। ফলে আপাতত কোনো ধরনের ব্যাখ্যা বা ভাবগত অনুবাদ ছাড়াই প্রকাশ করা হবে অডিও ও ভিডিও অনুবাদগুলো।

এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত গ্লোবাল সাদাকাহ ডটকমের জাহিদ মতিন বলেন, ‘একরকম শূন্য থেকে শুরু করছি আমরা। রোহিঙ্গা ভাষায় কোরআনের প্রথম যথাযথ অনুবাদ হবে এটি। রোহিঙ্গা ভাষার যথাযথ আধুনিকায়ন হয়নি।

‘উর্দু বা ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষাবিদ এ কাজে সহযোগিতা করতে পারেন। পুরোনো কাজ থেকেও সাহায্য পাওয়া যায়, রোহিঙ্গা ভাষার ক্ষেত্রে যা একেবারেই প্রযোজ্য নয়। তাই খুব কষ্টসাধ্য এ কাজটি।’

শেয়ার করুন

লকডাউনেও বন্ধ হচ্ছে না বইমেলা

লকডাউনেও বন্ধ হচ্ছে না বইমেলা

লকডাউনেও চলবে বইমেলা। ফাইল ছবি

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের লকডাউন নির্দেশনার প্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলা কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।’

সরকার লকডাউন ঘোষণা করলেও বন্ধ হচ্ছে না বইমেলা।

প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বইমেলা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

রোববার দুপুরে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের লকডাউন নির্দেশনার প্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলা কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ২৯ মার্চ দেয়া ১৮ দফা নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ এবং জনসমাবেশের ঝুঁকিপূর্ণ যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে আমাদের কাছে পাঁচ দফা নির্দেশনার সরকারি একটি কপি এসেছে। তার মূল কথা হলো, বইমেলা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলবে।’

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এক সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

লকডাউন বিষয়ে রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রজ্ঞাপনটি জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত অবশ্যই পালনীয় ১১ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

১১ দফায় যা আছে

১. সকল প্রকার গণপরিবহন সড়ক রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরি সেবা দানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া বিদেশগামী বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।

২. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা যেমন: ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বা জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

৩. সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অফিস ও আদালত এবং বেসরকারি অফিস কেবল জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় জনবল প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা-নেয়া করতে পারবে। শিল্প-কারখানা ও নির্মাণ কার্যাদি চালু থাকবে। শিল্পকারখানার শ্রমিকদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া করতে হবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ কর্তৃক শিল্পকারখানা এলাকায় নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে তাদের শ্রমিকদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন বা সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবে বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।

৫. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (Takeway/Online) করা যাবে। কোনো অবস্থাতে হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ করা যাবে না।

৬. শপিং মলসহ অন্যান্য দোকানসমূহ বন্ধ থাকবে। তবে দোকানসমূহ পাইকারি ও খুচরা পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয় বিক্রয় করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সর্বাবস্থায় কর্মচারীদের মধ্যে আবশ্যিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং কোনো ক্রেতা সশরীরে যেতে পারবে না।

৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৮. ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সীমিত পরিসরে চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

৯. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ঢাকায় সুবিধাজনক স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১০. সারা দেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

মিশরের রাজপথে আবারও ফারাওরা

মিশরের রাজপথে আবারও ফারাওরা

জমকালো এক শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শনিবার নতুন ঠিকানায় নিয়ে যাওয়া হয় মমিগুলোকে। ছবি: এএফপি

জাঁকজমকপূর্ণ ও ব্যয়বহুল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার ১৮ রাজা ও চার রানির অক্ষতপ্রায় মমি নিয়ে যাওয়া হয় ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ইজিপশিয়ান সিভিলাইজেশনে।

বিস্ময়কর রাজত্বের অবসানের প্রায় চার হাজার বছর পর আবার মিশরের রাজপথে এলেন ফারাও সম্রাট ও সম্রাজ্ঞীরা।

ফারাও শাসনামলে শোভাযাত্রাগুলো কেমন ছিল, সেটি কেবল অনুমানই করা সম্ভব। তবে এই যুগে জমকালো আয়োজন বলতে যা বোঝায়, তার সবই ছিল সেখানে।

পদযাত্রায় অংশ নেয়া রাজা-রানীর মধ্যে ছিলেন রাজা দ্বিতীয় রামজেজ, রাজা সেকনেন রা, রাজা তৃতীয় তুথমোজিজ, রাজা প্রথম সেতি, রানী হাতশেবুত, রানী মেরিত আমুন, রাজা প্রথম আমেনহোটেপের স্ত্রী, রানী আহমোজ-নেফেরতারি ও রাজা আহমোজের স্ত্রী।

কিংবদন্তির এই শাসকরা চার হাজার বছর পরেও তাদের পূর্ণ অবয়ব নিয়ে শুয়ে আছেন দেশটির জাদুঘরে।

এতদিন মমিগুলো রাখা ছিল রাজধানী কায়রোর এক প্রান্তে। সেগুলো স্থানান্তর করা হয়েছে মহানগরের ফুসতাত এলাকায় স্থাপিত নতুন জাদুঘরে।

সম্রাটের এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যাত্রা সাধারণ হতে পারে না। এই স্থানান্তরই যেন তার প্রমাণ।

পুরো আয়োজনে ব্যয় হয়েছে কয়েক মিলিয়ন ডলার।

কায়রোর রাস্তা দিয়ে সারি সারি করে চলবেন দেশটির কয়েকশো বছর আগের শাসকেরা, এই অভিজ্ঞতা নিতে আয়োজনে দর্শনার্থীদের উপস্থিতির কমতি ছিল না।

জাঁকজমকপূর্ণ ও ব্যয়বহুল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার ১৮ রাজা ও চার জন রানির অক্ষতপ্রায় এসব মমি নিয়ে যাওয়া হয় ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ইজিপশিয়ান সিভিলাইজেশনে।

এ সময় ২১ বার গান স্যালুট দিয়ে তাদের স্বাগত জানান মিসরের প্রেসিডেন্ট জেনারেল সিসি।

মমিবাহী প্রতিটি গাড়ি সুন্দর করে সাজানো হয়। রাস্তায় চলার পথে এগুলো যাতে ঝাঁকুনি না খায় সেজন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ইউনেস্কো ও বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রধানরাও নতুন জাদুঘর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ফারাও রাজা দ্বিতীয় রামজেজের মমি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, পদযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল মিসরের নিউ কিংডমের সবচেয়ে বিখ্যাত ফারাও রাজা দ্বিতীয় রামজেজ। ৬৭ বছরের শাসনামলে তিনিই প্রথম শান্তিচুক্তিতে সই করেছিলেন।

মিসরের প্রাচীন রাজধানী থিবসের ধ্বংসাবশেষ থেকে ১৮৮১ ও ১৮৯৮ সালে মমিগুলো আবিষ্কার করা হয়।

শেয়ার করুন

ভুল বোঝায় নষ্ট হলো ৫ লাখ ডলারের গ্রাফিতি

ভুল বোঝায় নষ্ট হলো ৫ লাখ ডলারের গ্রাফিতি

এক জুটির ভুলে গ্রাফিতি নষ্ট হওয়ার পর প্রদর্শনীস্থলে বেড়া দেয়া হয়। ছবি: রয়টার্স

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২০ বছরের এক তরুণ ও তরুণী রংতুলি দিয়ে গ্রাফিতিতে আঁকিবুঁকি করছেন। পরে পুলিশ ওই জুটিকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আয়োজকেরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনায় ছেড়ে দেয়া হয় দুজনকে।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাফিতিশিল্পী জন ওয়ানের ২০১৬ সালে আঁকা একটি দেয়ালচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে। সেই গ্রাফিতির সামনে রাখা ছিল রং ও তুলি।

এই দুই উপকরণ দেখে এক দর্শনার্থী জুটি ভেবেছিল, এগুলো দেয়া হয়েছে গ্রাফিতিতে আঁকিবুঁকি করার জন্য। সে ভাবনা অনুযায়ী কাজও করল তারা। আর তাদের এ ভুলে নষ্ট হলো পাঁচ লাখ ডলার সমমূল্যের গ্রাফিতিটি।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সে প্রতিবেদনে সিউলে কবে গ্রাফিতিটি প্রদর্শন করা হয়, সে তথ্য জানানো হয়নি।

এর আগেও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ওয়ানের আঁকা গ্রাফিতিটি প্রদর্শন করা হয়েছিল। প্রতিবারই গ্রাফিতির সামনে রং ও তুলি রাখা হয়।

সিউলের প্রদর্শনীস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২০ বছরের এক তরুণ ও তরুণী রংতুলি দিয়ে গ্রাফিতিতে আঁকিবুঁকি করছেন।

পরে পুলিশ ওই জুটিকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আয়োজকেরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনায় ছেড়ে দেয়া হয় দুজনকে।

প্রদর্শনীর প্রধান ক্যাং উক জানান, গ্রাফিতিটি আগের রূপে ফিরিয়ে নিতে এটির শিল্পীর সঙ্গে তারা আলোচনা চালাচ্ছেন।

এই ঘটনার পর নিরাপত্তার খাতিরে ছোট দেয়াল নির্মাণ তার সামনে ‘ডু নট টাচ’ লিখে রাখে আয়োজকরা।

শেয়ার করুন