× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
শিল্পকলায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী
google_news print-icon

শিল্পকলায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী

শিল্পকলায়-বঙ্গবন্ধুকে-নিয়ে-চিত্র-প্রদর্শনী
ছবি: নিউজবাংলা
প্রদর্শনীটি শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ৪ নং গ্যালারিতে আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবার জন্য প্রদর্শনীর গ্যালারি খোলা থাকবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বঙ্গবন্ধু- এ যুগের রাষ্ট্রনায়ক’ শিরোনামে চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদনে শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় ‘ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ এবং ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে এই চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি অনলাইনে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা: দীপু মনি বলেন, ‘আজকের প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে জানবার যে সুযোগ পাচ্ছে তা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নতুন প্রজন্ম যদি আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা, সাহিত্য না জানে তাহলে বিশ্ব নাগরিক হবার যে স্বপ্ন আমরা দেখি তা সম্ভব নয়।’

ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন আসাদুজ্জামান নূর এমপি এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

প্রদর্শনীতে ১২ জন চিত্রশিল্পীর শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মান্নান, মো. মুনিরুজ্জামান, সৈয়দা মাহবুবা করিম মিনি, কাদের ভূঁইয়া, সঞ্জীব দাস অপু, কিরীটী রঞ্জন বিশ্বাস, প্রশান্ত কর্মকার বুদ্ধ, এস এম মিজানুর রহমান, মো. জাকির হোসেন পুলক, মনজুর রশিদ, সৌরভ চৌধুরী ও মানিক বণিক।

প্রদর্শনীটি শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ৪ নং গ্যালারিতে আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবার জন্য প্রদর্শনীর গ্যালারি খোলা থাকবে।

এছাড়াও প্রদর্শনীটি রাজশাহী, সিলেট, যশোর ও চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিসহ দেশের অন্যান্য জেলায়ও অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Those demanding to return empty handed from China are mentally ill PM

চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী

চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনা বলেন, ‘চীন সফরে ২১টি সমাঝোতা স্মারক ও কয়েকটি প্রকল্পসহ বেশ কিছু অর্জন হয়েছে। এরপরও এ ধরনের সমালোচনা মানসিকভাবে অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।’

চীন থেকে শূন্য হাতে ফিরেছেন বলে যারা দাবি করছেন তারা মানসিকভাবে অসুস্থ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘এটা মানসিক অসুস্থতা ছাড়া আর কিছু নয়। কেননা চায়না সফরে ২১টি সমাঝোতা স্মারক ও কয়েকটি প্রকল্পসহ বেশ কিছু অর্জন হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রোববার সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রশ্নের উত্তরে সরকার প্রধান এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ওপর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ ধরনের সমালোচনা নতুন নয়। আমি দেশে ফেরার পর থেকেই আমাকে এ ধরনের কথা শুনে আসতে হচ্ছে। একটি গোষ্ঠী অব্যাহতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এসবকে এখন আর কিছু মনে করি না।’

খেদ প্রকাশ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘চীন সফরে কী কী অর্জন হয়েছে তা সবাই জানে। এরপরও এ ধরনের সমালোচনা মানসিকভাবে অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।’

আরও পড়ুন:
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Unwillingness to tackle the quota movement politically Who

কোটা আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ইচ্ছা নেই: কাদের

কোটা আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ইচ্ছা নেই: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনকে কেন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে? কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই বলে রোববার জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এক বিবৃতিতে এ কথা জানান কাদের, যেটিতে স্বাক্ষর ছিল আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে বিএনপিসহ ‘একটি চিহ্নিত মহলের’ ষড়যন্ত্র ও অপকৌশলের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার জন্য সাধারণ শিক্ষার্থী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক আন্দোলন। অথচ বিএনপি ও তার দোসররা এই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপি নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে উসকানি দিচ্ছেন।

‘সরকার একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনকে কেন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে? কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।’

তিনি বলেন, ‘ইতোপূর্বে বিএনপি ও তার দোসরদের সব আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা শিক্ষার্থীদের এই কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করছে এবং এটাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

কাদের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। তাই কারও উসকানিতে পড়ে সরকারবিরোধী বক্তব্য না দিয়ে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

‘চূড়ান্ত শুনানিতে আদালত সব পক্ষের বক্তব্য এবং যুক্তি-তর্ক আমলে নিয়ে চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন। আমরা আশা করি অচিরেই এই বিষয়টির সমাধান হবে।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর
বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের
শিক্ষকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Memorandum of 12 students in Bangabhaban

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর বঙ্গভবন অভিমুখী পদযাত্রায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন সারজিস আলম, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ, হান্নান মাসুদ, সুমাইয়া আক্তার, আবদুল কাদের।

এর আগে তিন দফায় পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে তাদের পূর্বঘোষিত পদযাত্রা শুরু হয়।

এরপর শিক্ষার্থীরা টিএসসি, শাহবাগ, মৎস্য ভবন মোড় হয়ে শিক্ষা ভবন মোড়ে এলে প্রথম দফায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা, তবে সেখানে কোনো ব্যারিকেড দেয়া ছিল না।

পুলিশ মানব ব্যারিকেড তৈরি করলে সেটি ভেঙে জিপিও মোড়ের দিকে এগিয়ে যান শিক্ষার্থীরা।

পরে জিপিও মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ৷ সেখানে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষার্থীদের আটকে দেয়া হয় এবং আন্দোলনের সমন্বয়কদের অনুরোধ করা হয় আর সামনে না যাওয়ার জন্য। তাদের ১০ জন প্রতিনিধি প্রেরণের প্রস্তাব করে পুলিশ।

এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে বঙ্গভবনে শিক্ষার্থীদের ১২ জন প্রতিনিধি যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন এবং বাকি শিক্ষার্থীরা জিপিও মোড়ে বসে পড়েন।

এদিকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট জিপিও মোড়ে অবস্থানের পর সেই মোড়ের ব্যারিকেডও ভেঙে ফেলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের দিকে এগিয়ে যান, তবে পুলিশ ও যানজটের কারণে শিক্ষার্থীরা কয়েক ভাগ হয়ে যান।

কিছু শিক্ষার্থী গুলিস্তান মোড়ে চলে যান আর কিছু শিক্ষার্থী মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে যান। পরে এ শিক্ষার্থীরা পাশের রাস্তা দিয়ে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে এলে বাকি শিক্ষার্থীরা সেখানে থাকা পুলিশের মানব ব্যারিকেডও মাড়িয়ে ১০ থেকে ১২ ফুট এগোলে ফের ব্যারিকেডের মুখে পড়েন। পরে সেখানেই অবস্থান নেন তারা।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Admission of 169 students of Vikarunnisa remains cancelled
লিভ টু আপিল খারিজ

ভর্তি বাতিলই থাকছে ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর

ভর্তি বাতিলই থাকছে ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর রাজধানীর বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফটক। ফাইল ছবি
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ই বহাল রইল।’

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আনা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন বলে বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা দুটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ই বহাল রইল।

‘হাইকোর্টের রায় অনুসারে ১৬৯ শিক্ষার্থীর শূন্য আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এখন শিক্ষার্থী ভর্তিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনগত কোনো বাধা রইল না।’

বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তিকৃত প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল থাকবে বলে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের ২৯ পৃষ্ঠার দেয়া রায় গত ২৭ জুন সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

রায়ে বলা হয়, ‘নির্দিষ্ট বয়সসীমার পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থীদের (আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের) ফিল্টার করার জন্য সফটওয়্যারে কোনো প্রোগ্রাম স্থাপন করা হয়নি। এর মধ্যে গত বছরের ২ ডিসেম্বর অযোগ্য ১৬৯ শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও অন্যান্য অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় এবং নিষ্পাপ শিশুরা কর্তৃপক্ষের অবহেলা, অদক্ষতা ও অপকর্মের বিষয়বস্তু না হতে হয়।’

রায়ে উল্লেখ করা হয়, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভিকারুননিসার পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসন্ধান করবে। অনুসন্ধান কমিটি আরও ভালো ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করার এবং অপরাধীদের খুঁজে বের করার পরামর্শ দেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন অনুযায়ী চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

‘এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ বিভাগের সচিবকে ৩ সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি করতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার নিচে নয় এমন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কমিটি করতে হবে। বাকি দুই সদস্যের মধ্যে একজন শিক্ষা বোর্ড থেকে, অপরজন আইটি এক্সপার্ট বুয়েট থেকে যুক্ত করতে হবে।’

রায়ের অনুলিপি শিক্ষা সচিব, বুয়েটের উপাচার্য এবং শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

ভিকারুননিসায় ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থীর মা গত ১৪ জানুয়ারি রিট করেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেয়। তার ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই আদেশ অনুযায়ী, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারির আগে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন ও ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৬৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে শিগগিরই মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়।

এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের পর এখন অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নিতে গত ৬ মার্চ নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাতিলকৃত শিক্ষার্থীর অভিভাবক আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিল বিভাগ গত ২০ মার্চ হাইকোর্টে জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলে। এ সময় পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল ও অপেক্ষমাণদের ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা দেয়া হয়।

এরই মধ্যে ভর্তি বাতিল হওয়া ১২০ শিক্ষার্থীর পক্ষে আরেকটি রিট করা হয়। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেয়। এরপর পৃথক রুলের ওপর একসঙ্গে শুনানি শেষে গত ২১ মে রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট।

২৯ পৃষ্ঠায় দেয়া এ রায়ের অনুলিপি প্রকাশের পর লিভ টু আপিল করা হয়েছিল, যার শুনানি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত আজ খারিজ করে আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার
ঝুঁকিপূর্ণ গুলশান শপিং সেন্টার গুঁড়িয়ে দেয়ার আদেশ বহাল
৪ সপ্তাহ সুপ্রিম কোর্টে লড়তে পারবেন না দুই আইনজীবী
ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী আওলাদ হোসেনকে শপথ পড়ানোর নির্দেশ
শামীম-শাম্মীর প্রার্থিতা নিয়ে আপিলের শুনানি ২ জানুয়ারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalists boycott the Labor Ministers meeting in Thakurgaon

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সভা বয়কট সাংবাদিকদের

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সভা বয়কট সাংবাদিকদের সভাকক্ষ ছেড়ে এসে রোববার দুপুর ১২টার দিকে ডিসি কার্যালয়ের নিচে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে কিছু সময় কর্মবিরতি পালন করেন সাংবাদিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সহসম্পাদক তানভীর হাসান তানু বলেন, ‘আমাদের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও সভাপতির কোনো আসন বিন্যাস করা হয়নি। এটি পরিকল্পিত অপমান। তাই আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।’  

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর শিশুশ্রম নিরসনবিষয়ক মতবিনিময় সভায় আসন না দেয়া ও ঢুকতে না দেয়ার প্রতিবাদে কর্মসূচি বয়কট করেছেন স্থানীয় সংবাদিকরা।

সভাকক্ষ ছেড়ে এসে রোববার দুপুর ১২টার দিকে ডিসি কার্যালয়ের নিচে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে কিছু সময় কর্মবিরতি পালন করেন সাংবাদিকরা।

ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মরত সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জিয়াউর রহমান বকুল বলেন, ‘ভেতরে সাংবাদিকদের কোনো আসন রাখা হয়নি এবং প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এটি খুব অপমানজনক।

‘এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সভা বয়কট করে সভাকক্ষ ছেড়েছি জেলার সমস্ত ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিকরা।’

ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সহসম্পাদক তানভীর হাসান তানু বলেন, ‘আমাদের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও সভাপতির কোনো আসন বিন্যাস করা হয়নি। এটি পরিকল্পিত অপমান। তাই আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।’

ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আমিন সরকার বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত দেয়া হয়। দাওয়াত দেয়ার পরও তাদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি এবং তাদের বসার কোনো জায়গা দেয়া হয়নি। এরই প্রতিবাদে আজকে আমরা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতেছি।’

একই অভিযোগ স্থানীয় আওয়ামী লীগ সহসভাপতি মাহাবুবুর রহমান খোকনের।

তিনি বলেন, ‘আমাকে পদবি উল্লেখ করে আমন্ত্রণ জানানো হলেও কোনো আসন রাখা হয়নি। তাই আমি কথা না বাড়িয়ে সসম্মানে চলে যাচ্ছি।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ডিসি মাহবুবুর রহমান তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আরও পড়ুন:
তাজউদ্দীন হাসপাতালে সাংবাদিক প্রবেশ ছবি তোলায় ‘লাগবে অনুমতি’
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত
রাজধানীতে ১৩ বছর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ গৃহকর্মীর
পাবনায় সংবাদ সংগ্রহের পথে সাংবাদিকের ওপর হামলা
স্ত্রীর সামনে পান ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New exportable products and markets to be found PM

রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনকার কূটনীতি হবে বাণিজ্যিক। অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোন দেশে কোন পণ্য রপ্তানি করা যায়, সেগুলোর বাজার খুঁজে বের করতে হবে ব্যবসায়ীদেরই। বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয়েছে।’

রপ্তানি পণ্য বহুমুখী করার আহ্বান জানিয়ে রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজে বের করতে রোববার সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনকার কূটনীতি হবে বাণিজ্যিক। অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোন দেশে কোন পণ্য রপ্তানি করা যায়, সেগুলোর বাজার খুঁজে বের করতে হবে ব্যবসায়ীদেরই। বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেয়ায় দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করেছে বলেই দেশের অর্থনীতি এগিয়েছে।

‘দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কতটা বাড়ল, সেটা খেয়াল রাখতে হবে তাদের। শুধু বিদেশে রপ্তানি নয়, পণ্য দেশের বাজারেও বাজারজাত করতে হবে ব্যবসায়ীদের।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা কেন শুধু গার্মেন্ট সেক্টরের ওপর নির্ভর থাকব? আমরা পণ্য যখন উৎপাদন করব, যখন ডিজাইন, রং এবং একেকটা সময় একেকটা জিনিসের চল আসে। সেটার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের ফ্যাশন ডিজাইন পরিবর্তন করতে হবে।

‘আমরা কোন দেশের কোন বাজারে ঢুকতে পারব, সেটা সরকার থেকে করে দেব, তবে ব্যবসায়ীদেরও নিজেদের পার্টনার নিজেদের খুঁজে নিতে হবে। সেদিকে আপনাদের নিজেদের দৃষ্টি দিতে হবে। নিজেদের উৎপাদক যেমন বাড়াব, রপ্তানি বাড়াব। আবার নিজের দেশের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়ে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থান আমরা রেখে যাব। শুধু সীমিত কয়েকটা পণ্যের ওপর আমরা আর নির্ভরশীল থাকতে চাই না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৩৩তম অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে কাজ করার জন্যই শক্তিশালী অর্থনীতি গড়া সম্ভব হয়েছে।

এর আগে পণ্য রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রফতানি ট্রফি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পায় একটি প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী
দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী আজই দেশে ফিরছেন
শি-হাসিনা বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
২১ সহযোগিতা নথিতে সই ঢাকা-বেইজিংয়ের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the sacked municipal councilor was recovered in Naogaon

নওগাঁয় বরখাস্তকৃত পৌর কাউন্সিলরের মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁয় বরখাস্তকৃত পৌর কাউন্সিলরের মরদেহ উদ্ধার নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতু। ছবি: নিউজবাংলা
পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কিছু ধারণা করতে পারেনি পুলিশ।’ 

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতুর (৪৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার পাটিচরা ইউনিয়নের সালিগ্রাম এলাকার বুড়িদহ বিল থেকে রোববার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাণ হারানো মিজানুর রহমান মিতু উপজেলার ছোট চাঁদপুর গ্রামের আফসার কেরানির ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কিছু ধারণা করতে পারেনি পুলিশ।’

এ বিষয়ে নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে পৌরসভার অফিসের ভেতরে ঢুকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চেয়ার তুলে আমাকে মারতে গিয়েছিল (মিতু)। এ ছাড়াও মাঝেমধ্যে সে নেশা করে অফিসের স্টাফদের সাথে খারাপ আচরণ করত।

‘সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা করে বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়। পরে মন্ত্রণালয় থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকালে জানলাম পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা পুলিশ তদন্ত করে বের করবে সেই আশা করছি। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ তদন্ত করে বের করা হোক।’

মন্তব্য

p
উপরে