প্রবাসীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়াল সৌদি

সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরে অপেক্ষারত যাত্রীরা। ফাইল ছবি

প্রবাসীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়াল সৌদি

করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে জনজীবন স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে মহামারির বিস্তার রোধ এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে এ সিদ্ধান্ত কার্যকরেও থাকছে বেশ কয়েকটি পূর্ব-সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।

সৌদি আরবের বাইরে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে দেশটির পাসপোর্টবিষয়ক মহা-অধিদপ্তর।

দেশটিতে ভ্রমণ, বহির্গমন ও ফের প্রবেশ ভিসা এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়বে।

দুবাইভিত্তিক খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসী, যারা বর্তমানে দেশটির বাইরে রয়েছেন, তাদের অস্থায়ী আবাসন অনুমতি বা ইকামার মেয়াদও বাড়ছে।

এর ফলে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়াই সৌদি আরবে প্রবেশাধিকার পাবেন তারা।

প্রবাসীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির এ সিদ্ধান্তের খবর নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের অর্থ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে জনজীবন স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে মহামারির বিস্তার রোধ এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে এ সিদ্ধান্ত কার্যকরেও থাকছে বেশ কয়েকটি পূর্ব-সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।

এ কারণে জাতীয় তথ্যকেন্দ্রের সহযোগিতায় ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়াটি হবে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিভিত্তিক।

করোনার কারণে যেসব দেশ থেকে সরাসরি সৌদিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ, সেসব দেশের সৌদি প্রবাসীদের জন্য ৩১ জুলাই পর্যন্ত সব ধরনের ভিসার বর্ধিত মেয়াদ কার্যকর থাকবে।

মহামারি নিয়ন্ত্রণে সৌদি আরবের সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত রয়েছে যেসব দেশের, সেসব দেশ থেকে বেড়াতে কিংবা অন্য কারণে সৌদি আরবে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের জন্যও ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে রিয়াদ।

মহামারির কারণে গত ২ ফেব্রুয়ারি যে ২০টি দেশ থেকে সৌদি আরবে প্রবেশ স্থগিত রয়েছে, কেবল সেসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে নতুন সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মহানবী মোহাম্মদের সমর্থনে মিছিলে ইসরায়েলের হামলা

মহানবী মোহাম্মদের সমর্থনে মিছিলে ইসরায়েলের হামলা

শুক্রবার আল-আকসা মসজিদে মহানবী মোহাম্মদের সমর্থনে ফিলিস্তিনিদের মিছিলে হামলা চালায় ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

কর্মসূচির অংশ হিসেবে নামাজ শেষে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিরা জড়ো হলে মসজিদের অন্যতম প্রবেশপথ বাব আল-সিলসিলা দিয়ে ইসরায়েল বাহিনী ঢোকে। ওই সময় আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে থাকা হাজার হাজার মুসল্লির ওপর স্টিল বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছোড়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী।

ইসরায়েল অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে মহানবী হজরত মোহাম্মদের সমর্থনে ফিলিস্তিনিদের মিছিলে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী। এতে সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন তিনজন।

মিডল ইস্ট আইআল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার পূর্ব জেরুজালেমে কট্টর ইহুদি জাতীয়তাবাদীরা তাদের শোভাযাত্রায় মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-কে উদ্দেশ করে অবমাননাকর মন্তব্য করে।

ওই সময় ‘মহানবী মোহাম্মদ মৃত’, ‘আরবরা মরুক’, ‘শিগগিরই ২য় নাকবা (ভূমি থেকে উৎখাত) আসছে’, ‘শরণার্থী শিবিরেই তোমাদের (ফিলিস্তিনি) জীবন শেষ হবে’, ‘তোমাদের গ্রাম পুড়ে যাক’ স্লোগান দেয়া হয়।

এর প্রতিবাদে শুক্রবার জুমার নামাজের পর মহানবীর সমর্থনে আল-আকসা থেকে আদি জেরুজালেমের দামেস্ক গেট পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি নেয় ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে নামাজ শেষে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিরা জড়ো হলে মসজিদের অন্যতম প্রবেশপথ বাব আল-সিলসিলা দিয়ে ইসরায়েল বাহিনী ঢোকে।

ওই সময় আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে থাকা হাজার হাজার মুসল্লির ওপর স্টিল বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছোড়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী।

হামলার সময় লাতিফেহ আবদেললাতিফ নামে মিডল ইস্ট আইয়ের এক নারী সাংবাদিকের হাঁটুতে রাবার বুলেট ছোড়ে ইসরায়েল। আহত সাংবাদিককে পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অন্যদিকে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, শুক্রবার অধিকৃত গাজা উপত্যকার বেইতা শহরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনায় কমপক্ষে ৪৭ ফিলিস্তিনি আহত হয়।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন

গাজায় ফের ইসরায়েলের হামলা

গাজায় ফের ইসরায়েলের হামলা

গাজা উপত্যকায় বৃহস্পতিবার রাতেও বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ছবি: এএফপি

বিমান হামলার পর গাজা নিয়ন্ত্রণ করা ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, প্রতিরোধের স্থান লক্ষ্য করে হামলার মধ্য দিয়ে দখলদার ইসরায়েলের নতুন সরকার তার শক্তি প্রদর্শন করছে।

যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে দ্বিতীয়বারের মতো গাজা উপত্যকার বেশ কয়েকটি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েল। তবে হামলায় এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফিলিস্তিনের সূত্রের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গাজা শহরের উত্তর-পশ্চিমে সশস্ত্র সংগঠনগুলোর স্থাপনা ও বেইত লাহিয়া শহরের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইসরায়েল।

গাজা ভূখণ্ডের উত্তরে জাবালিয়া শহরের একটি বেসামরিক প্রশাসনিক ভবনও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। একই সঙ্গে গাজার দক্ষিণাঞ্চলে খান ইউনিস শহরের কৃষিজমিতেও বিমান হামলা হয়।

বিমান হামলার পর গাজা নিয়ন্ত্রণ করা ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, প্রতিরোধের স্থান লক্ষ্য করে হামলার মধ্য দিয়ে দখলদার ইসরায়েলের নতুন সরকার তার শক্তি প্রদর্শন করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফিলিস্তিনের জনগণ ও পবিত্র স্থান রক্ষায় আমাদের প্রতিরোধ চলবে।’

রোববার ইসরায়েলের টানা ১২ বছরের শাসক বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে পার্লামেন্টে ভোটের মাধ্যমে সরায় দেশটির ডানপন্থি, বামপন্থি, মধ্যপন্থি ও ধর্মীয় দল নিয়ে গঠিত জোট। ওই দিনই দেশটির ইয়ামিনা পার্টির কট্টর ডানপন্থি নেতা নাফতালি বেনেট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

এদিকে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের দিকে ফিলিস্তিনের ক্রমাগত বেলুনবোমা নিক্ষেপের জবাবে হামাসকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে দেশের সেনাবাহিনী।

ইসরায়েলের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বেলুনবোমা ছোড়ে ফিলিস্তিনের যোদ্ধারা।

এর আগে মঙ্গলবার পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনের পবিত্র স্থানে ইহুদি জাতীয়তাবাদীদের শোভাযাত্রা নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। শোভাযাত্রার একপর্যায়ে বেলুনবোমা ছোড়ে ফিলিস্তিনিরা।

ফিলিস্তিন থেকে বেলুন ছোড়ার জবাবে পরদিন বুধবার যুদ্ধবিরতির পর প্রথম বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।

ইসরায়েলি সীমান্তের কাছে কৃষিজমি ও ঝোপঝাড়ে আগুন লাগানোর উদ্দেশ্যে মূলত বেলুনবোমাগুলো ছুড়ছে ফিলিস্তিনিরা।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, হামাসের সামরিক স্থাপনা ধ্বংস অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদের সঙ্গে নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় ও দেশটির চলমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন

কে হচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

কে হচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

তেহরানে এক ভোটকেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন ইরানিরা। ছবি: এএফপি

৬ কোটি ভোটারের উদ্দেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, ‘প্রতিটি ভোট গণনা করা হবে। ভোট দিতে আসুন, আপনার প্রেসিডেন্টকে ভোট দিন। এটি আমাদের দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ভোট শুরু হয়। চলবে মধ্যরাত পর্যন্ত। তবে ভোটের সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানো হতে পারে। শনিবার দুপুরের দিকে ইরানিরা ফল জেনে যাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিবিসিআল-জাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের এবারের নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত চার প্রার্থী লড়ছেন।

তারা হলেন কট্টর রক্ষণশীল প্রার্থী এব্রাহিম রাইসি, মোহসেন রেজাই, আমির হোসেন গাজিজাদেহ হাশেমি ও সংস্কারপন্থি আব্দলনাসের হেম্মাতি।

মতামত জরিপে ইরানের প্রধান বিচারপতি শিয়া ধর্মীয় নেতা রাইসিকে নির্বাচনি দৌড়ে এগিয়ে থাকতে দেখা যায়। জয়ের মুখ শেষ পর্যন্ত রাইসি দেখলে ইরানের টানা দুবার ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

নির্বাচনে রাইসির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দলনাসের হেম্মাতি।

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে প্রায় ৪০ নারীসহ ৬০০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে কেবল সাতজনকে নির্বাচনে দাঁড়ানোর অনুমতি দেয় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির নেতৃত্বাধীন পার্লামেন্টের অভিভাবক পরিষদ (গার্ডিয়ান কাউন্সিল)। এতে অনেক ভোটারই হতাশ হন।

রুহানি জানান, নির্বাচনে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য চিঠিতে খামেনিকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

অনেক যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন খামেনি। রুহানির চিঠির জবাবে তিনি বলেন, কয়েকজন প্রার্থী ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ থাকায় অন্যায়ভাবে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

নির্বাচনের শেষ সময়ে বুধবার সাত প্রার্থীর মধ্যে তিনজন নিজেদের নির্বাচনি লড়াই থেকে সরিয়ে নেন। তারা হলেন সংস্কারপন্থি মোহসেন মেহরালিজাদেহ, চরমপন্থি আলিরেজা জাকানি ও রক্ষণশীল সাঈদ জালিলি।

ইরানের রাজধানী তেহরানে নিজের ভোট দেয়ার পর সব ভোটারকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান খামেনি।

৬ কোটি ভোটারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ভোট গণনা করা হবে। ভোট দিতে আসুন, আপনার প্রেসিডেন্টকে ভোট দিন। এটি আমাদের দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

ইরানের ভিন্নমতাবলম্বী ও সংস্থারপন্থি শিবিরের অনেকে আগেই নির্বাচন বর্জনের ডাক দেন। তাদের ভাষ্য, গার্ডিয়ান কাউন্সিল বেশ কয়েকজন যোগ্য প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছে। এর মাধ্যমে নির্বাচনি লড়াইয়ে রাইসির শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন

ইরানে নির্বাচন কাল, ‘তুমুল’ লড়াইয়ের সম্ভাবনা

ইরানে নির্বাচন কাল, ‘তুমুল’ লড়াইয়ের সম্ভাবনা

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৪ প্রার্থী (বাম থেকে) আব্দলনাসের হেম্মাতি, মোহসেন রেজাই, আমির হোসেন গাজিজাদেহ হাশেমি ও এব্রাহিম রাইসি।

১২ সদস্যের গার্ডিয়ান কাউন্সিলের প্রধান খাদখোদেঈ বলেন, ‘সংবাদমাধ্যম ও জনগণই বলছে, শুক্রবার প্রার্থীদের মধ্যে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।’

ইরানে আগামীকালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চার প্রার্থীর মধ্যে তুমুল লড়াই হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের অভিভাবক পরিষদের (গার্ডিয়ান কাউন্সিল) প্রধান আব্বাস আলী খাদখোদেঈ।

সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার তিনি এ মন্তব্য করেন বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

১২ সদস্যের গার্ডিয়ান কাউন্সিলের প্রধান খাদখোদেঈ বলেন, ‘সংবাদমাধ্যম ও জনগণ বলছে, শুক্রবার প্রার্থীদের মধ্যে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।’

ইরানের প্রায় ৬ কোটি ভোটারকে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের ধারণা, নির্বাচনে দেশটির কট্টর রক্ষণশীল প্রার্থী প্রধান বিচারপতি এব্রাহিম রাইসির জয়ের সম্ভাবনা বেশি।

খাদখোদেঈ বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীরা টেলিভিশনে তিনটি বিতর্কে গুরুতর বাগযুদ্ধে জড়িয়েছেন। এতেই বোঝা যায়, নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

শুক্রবারের নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তি ইরানের মধ্যপন্থি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিকে স্থলাভিষিক্ত করবেন। টানা দুইবার চার বছর মেয়াদে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রুহানি। আগস্টে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা।

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে প্রায় ৬০০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে কেবল সাতজনকে নির্বাচনে দাঁড়ানোর অনুমতি দেয় গার্ডিয়ান কাউন্সিল। এতে অনেক ভোটারই হতাশ হন।

গার্ডিয়ান কাউন্সিলের বাদ পড়া তালিকায় ইরানের পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার আলি লারিজানিসহ ছিলেন আরও অনেক আলোচিত ব্যক্তি। প্রার্থীতা থেকে বাদ দেয়ার সব কারণ আনুষ্ঠানিক ও সর্বসমক্ষে প্রকাশের জন্য কাউন্সিলের প্রতি দাবি জানিয়েছিলেন লারিজানি।

রুহানি পরে জানান, নির্বাচনে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য চিঠিতে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

অনেক যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে দাড়াঁনোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন খামেনি। রুহানির চিঠির জবাবে তিনি বলেন, কয়েকজন প্রার্থী ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ থাকায় অন্যায়ভাবে তাদের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনের শেষ সময়ে বুধবার সাত প্রার্থীর মধ্যে তিন প্রার্থী নিজেদের নির্বাচনি লড়াই থেকে সরিয়ে নেন। এরা হলেন সংস্কারপন্থি মোহসেন মেহরালিজাদেহ, চরমপন্থি আলিরেজা জাকানি ও রক্ষণশীল সাঈদ জালিলি।

নির্বাচনে রক্ষণশীল প্রার্থী মোহসেন রেজাই, আমির হোসেন গাজিজাদেহ হাশেমি ও এব্রাহিম রাইসির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে সংস্কারপন্থিদের মধ্যে রয়েছেন অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান আব্দলনাসের হেম্মাতি।

প্রেসিডেন্ট প্রার্থী রাইসিকে ‘বড় ধরনের শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে থাকে যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন

সৌদিতে কৈশোরে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

সৌদিতে কৈশোরে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

সৌদি আরবে ১৭ বছর বয়সে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মুস্তাফা হাশেম আল-দারবিশের। ছবি: রিপ্রাইভ

চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরবের মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছিল, ২০২০ সালের তুলনায় এ বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে দেশটি। কিন্তু ২০২০ সালে সৌদি আরবে যতগুলো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল, ২০২১ সালের ছয় মাস পার না হতেই একইসংখ্যক মৃত্যুদণ্ড দেশটিতে কার্যকর হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রিপ্রাইভ।

সৌদি আরবে কিশোর বয়সে গ্রেপ্তারের ছয় বছর পর এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

কিশোর বয়সে করা অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে না বলে সৌদি প্রশাসনের আশ্বাস সত্ত্বেও কার্যকর হলো এ সাজা।

এ ধরনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড দেবে বলে গত বছর জানিয়েছিল রিয়াদ।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১৫ সালে এক বিক্ষোভে অংশ নেয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মুস্তাফা হাশেম আল-দারবিশকে। সে সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর। দাম্মামে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় বয়স হয়েছিল ২৬ বছর।

তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও সশস্ত্র বিদ্রোহ উসকে দেয়ার অভিযোগ প্রশাসনের।

কিন্তু মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর দাবি, দারবিশ সুষ্ঠু বিচার পাননি। তার মৃত্যুদণ্ড বন্ধের চেষ্টাও করেছিল বিভিন্ন সংগঠন।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও মৃত্যুদণ্ডবিরোধী দাতব্য সংস্থা রিপ্রাইভ জানিয়েছে, দারবিশ নিজের স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করেছিলেন বলে অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি সৌদি প্রশাসন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আল-দারবিশের বিরুদ্ধে বিভেদ ছড়ানো ও নিরাপত্তা বাহিনীর শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ ছিল।

তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয় একটি ছবি, যার মাধ্যমে দাবি করা হয়, তিনি ‘নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ করেছিলেন’।

২০১১ ও ২০১২ সালে ১০টির বেশি ‘দাঙ্গা জাতীয়’ কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেন বলেও রয়েছে অভিযোগ।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার চেষ্টা করেছিলেন দারবিশ।

কিন্তু আদালতের নথিতে তার কথিত এসব অপরাধের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা বিস্তারিত উল্লেখ নেই বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

চলতি বছরের শুরুতে সৌদি আরবের মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছিল, ২০২০ সালের তুলনায় এ বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে দেশটি।

কিন্তু ২০২০ সালে সৌদি আরবে যতগুলো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল, ২০২১ সালের ছয় মাস পার না হতেই একইসংখ্যক মৃত্যুদণ্ড দেশটিতে কার্যকর হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রিপ্রাইভ।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন

বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ: এরদোয়ান

বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ: এরদোয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের মধ্যে সোমবার ইতিবাচক আলোচনা হয়। ছবি: এএফপি

এরদোয়ান বলেন, ‘সমাধানযোগ্য নয় এমন কোনো বিষয় তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে থাকতে পারে বলে আমরা মনে করি না। পারস্পরিক মর্যাদা ও স্বার্থের ওপর নির্ভর করে সব ক্ষেত্রে নতুন করে শুরু করার দৃঢ় আকাঙ্ক্ষা দুই দেশেরই রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ ও আন্তরিক’ বৈঠক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সামরিক জোট ন্যাটোর সম্মেলনের একপর্যায়ে স্থানীয় সময় সোমবার অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ইতিবাচক বৈঠকের মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দেশ দুটির সম্পর্কে টানাপোড়েনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরদোয়ান বলেন, ‘সমাধানযোগ্য নয় এমন কোনো বিষয় তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে থাকতে পারে বলে আমরা মনে করি না।

‘পারস্পরিক মর্যাদা ও স্বার্থের ওপর নির্ভর করে সব ক্ষেত্রে নতুন করে শুরু করার দৃঢ় আকাঙ্ক্ষা দুই দেশেরই রয়েছে।’

তিনি জানান, বাইডেনের সঙ্গে তার বিস্তৃত আলোচনায় আঞ্চলিক বিষয়ে সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বাইডেন বলেন, ‘আমাদের মধ্যে ইতিবাচক বৈঠক হয়েছে। বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

‘তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা রয়েছে। উভয় দেশের কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে যাবেন। আমাদের সম্পর্কে প্রকৃত অগ্রগতির বিষয়ে আশাবাদী আমি।’

আল জাজিরামিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইডেন ও এরদোয়ান এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে একান্তে বৈঠক করেন। সে সময় সেখানে কোনো কর্মকর্তা ছিলেন না।

এর আগে রোববার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেইক সালিভান বলেছিলেন, সিরিয়া, লিবিয়া থেকে শুরু করে পূর্বাঞ্চলীয় ভূমধ্যসাগরসহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে বাইডেন ও এরদোয়ানের মধ্যে আলোচনা হবে।

গত কয়েক বছর ধরে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে উত্তেজনা চলছে।

সিরিয়ায় কুর্দি সংগঠনকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহযোগিতা ক্ষুব্ধ করে তুরস্ককে। একে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখে আঙ্কারা।

গত বছর রাশিয়া থেকে তুরস্কের এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার ঘটনায় আঙ্কারার ওপর অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

এ ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আর্মেনীয়দের ওপর ওসমানীয় সাম্রাজ্যের হত্যাযজ্ঞকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিলে স্বীকৃতি দেয় বাইডেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো রাষ্ট্রপ্রধান এই স্বীকৃতি দেননি। বাইডেন প্রশাসনের ওই স্বীকৃতিতে ক্ষুব্ধ হয় তুরস্ক।

গত মাসে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের বিমান হামলা নিয়েও তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন

ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা

ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানাচ্ছে কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা। ছবি: এএফপি

স্থানীয় এক কোস্টগার্ড সদস্য আরব নিউজকে বলেন, নৌকাডুবির ঘটনায় তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় লোকজন অনেক মরদেহ সঙ্গে সঙ্গে কবর দিয়ে দিয়েছেন।

ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলের লাহজ প্রদেশে সোমবার নৌকাডুবিতে শ শ আফ্রিকান অভিবাসী মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা আরব নিউজকে বলেন, লাহজের রাস আলারা এলাকা থেকে জেলেরা কমপক্ষে ২৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন। এ ছাড়াও আরও মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা জানি না সেখানে কী ঘটেছে। তবে সেখানে সমুদ্র থেকে জেলেরা অভিবাসীদের ২৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে।’

স্থানীয় এক কোস্টগার্ড সদস্য আরব নিউজকে বলেন, নৌকাডুবির ঘটনায় তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় লোকজন অনেক মরদেহ সঙ্গে সঙ্গে কবর দিয়ে দিয়েছেন।

আদেনভিত্তিক আল আইয়ান পত্রিকা জানাচ্ছে, রাস আলারা এলাকায় জেলেরা দেড় শতাধিক অভিবাসীর মরদেহ পানিতে ভাসতে দেখেন। অভিবাসীবাহী নৌকা একটি জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নৌকায় ৪০০ আফ্রিকার অভিবাসী ছিলেন। আফ্রিকার হর্ন থেকে নৌকাটি ইয়েমেনের উপকূলের দিকে যাচ্ছিল। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন ইয়েমেনি রয়েছেন।

টুইটারে পোস্ট করা একটি বার্তায় জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, তারা মৃত্যুর বিষয়টি ছাড়াও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

নৌকাডুবির বিষয়টি স্বীকার করে আইওএম জানায়, উদ্ধারকাজের জন্য তাদের দল শুরু থেকেই কাজ করছে।

আগে থেকে ইয়েমনসহ ইউরোপের দেশগুলোতে নৌপথে অভিবাসী যাওয়ার ঘটনা ঘটে আসছে। তবে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর এই সংখ্যা বেড়েছে। এখন ইয়েমেনসহ ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী যাচ্ছে আফ্রিকা থেকে।

এই পথে পাড়ি দিতে গিয়ে অসংখ্য অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্বীকৃতিহীন সন্তান নিয়ে বিপাকে মধ্যপ্রাচ্যফেরত নারী
সৌদি ক্রীড়া ফেডারেশন বোর্ডে ৩০ ভাগ সদস্য নারী
এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব
ভারত-পাকিস্তানের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকছেই
সৌদিগামী কর্মীদের কোয়ারেন্টিন খরচ দেবে সরকার

শেয়ার করুন