ফরিদপুরের নগরকান্দায় একটি পুকুর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশা গ্রামের ওই গৃহবধূর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত কহিনুর আক্তার ওই গ্রামের লিটন মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় লোকজন জানায়, ২০ বছর আগে লিটন মিয়া ঢাকার উত্তরা এলাকার আব্দুল কাদের মিয়ার মেয়ে কহিনুর আক্তারকে বিয়ে করেন। ওই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। হঠাৎ লিটন মিয়া কাউকে না জানিয়ে সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার এক নারীকে বিয়ে করেন। এ নিয়ে কহিনুল ও লিটন মিয়ার দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
লিটনের বড় ভাই মিজান মিয়া জানান, তাদের ছোট ভাই বিটুর স্ত্রী সকালে পুকুর ঘাটে যান। সেখানে তিনি কহিনুরের মরদেহ পানিতে ভাসতে দেখেন। পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
কহিনুরের বোনের স্বামী সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, লিটন আরেকটি বিয়ে করার পর থেকে কহিনুরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। লিটন ও তার পরিবারের সদস্যরা কহিনুরকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়েছে।
নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) সেলিম রেজা বিপ্লব বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের দেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। এটা হত্যা না দুর্ঘটনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।