খলিলের আঙিনায় আমের বাহার

খলিলের আঙিনায় আমের বাহার

খলিলুর রহমান বলেন, ‘ফল গাছ রোপণ করা আমার শখ। বিশেষ করে আমগাছ। সেই শখের বসে আমার বাড়িতে বিভিন্ন জাতের আমগাছ লাগিয়েছি। চাঁপাই, রাজশাহী ও বগুড়া থেকে চারাগুলো এনেছি।’

বাড়ির আঙিনায় ছোট ছোট আমগাছ। ফলের ভারে নুয়ে আছে ডালগুলো। একেক গাছে একেক রকম আম।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খটকপুর গ্রামের খলিলুর রহমান শখের বসেই বছর দেড়েক আগে রোপণ করেন আমগাছগুলো।

প্রবাসে দীর্ঘদিন কাটানো খলিলের এত প্রজাতির আম দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন প্রতিবেশীরা।

আঙিনায় ১৫ জাতের আমের চারা রোপণ করেছিলেন খলিল। এর মধ্যে রয়েছে আশ্বিনা, হাঁড়িভাঙা, আম্রপালি, বারি-৪, ল্যাংড়া, ক্ষীরমন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো, দুধিয়া, দাদভোগ, ফুনিয়া, দিলশাদ, কাঞ্চন ও মতিচুর।

বাহারি আম দেখতে আসা খটকপুর এলাকার বাসিন্দা সোবহান মিয়া বলেন, ‘টিভিতে দেখছি এত আম। এহন আমডার গ্রামের খলিল মিয়ার বাড়ির গাছে ধইরা রইছে কত ঢহের আম।’

খলিলের আঙিনায় আমের বাহার

ওই এলাকার বৃদ্ধা আসমতুন্নেছা বলেন, ‘কত ঢহের (ধরনের) আম। আমডার সময় এত রইঙ্গা (রকমের) আম আছিল? যুগ হল্ডাইছে (পাল্টিয়েছে)। আরও কত আম আইব। হুনছি আমডি খাইতেও হদ (মজা) আছে।’

খলিলের আঙিনায় আমের বাহার

এ বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন, ‘ফল গাছ রোপণ করা আমার শখ। বিশেষ করে আমগাছ। সেই শখের বসে আমার বাড়িতে বিভিন্ন জাতের আম গাছ লাগিয়েছি।

‘চাঁপাই, রাজশাহী ও বগুড়া থেকে চারাগুলো এনেছি। প্রথমবারেই ভালো ফলন হয়েছে। কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করিনি। কৃষি বিভাগের পরামর্শে সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতি ব্যবহার করেছি।’

খলিলের আঙিনায় আমের বাহার

উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘প্রবাসী খলিলুর রহমান তার বাড়িতে আমগাছ রোপণ করেছেন। তিনি পরামর্শ চেয়েছেন। তাকে পরামর্শ দিয়েছি।

‘এখন তার বাড়ির গাছগুলোর ডালে থরথরে ঝুলে আছে নানান প্রজাতির আম। দেখতে বেশ ভালোই লাগছে। আম ছাড়াও নানান জাতের ফলদ বৃক্ষ রোপণ করেছেন তিনি।’

খলিলের আঙিনায় আমের বাহার

আরও পড়ুন:
জমছে না চাঁপাইয়ের আমের বাজার
ঢাকার পথে আমের ট্রেন
আম রপ্তানি: প্রশিক্ষণে বিদেশ যাবেন ১০ কর্মকর্তা
এক জেলাতেই ১৫০০ কোটি টাকার আম

শেয়ার করুন

মন্তব্য