টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে রোববার সকাল ১০টায় তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে রোববার সকাল ১০টায় তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় তিন বাহিনীর পক্ষে তাকে গার্ড অফ অনার দেয়া হয়।

প‌রে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রেসি‌ডিয়াম সদস‌্য মুহম্মদ ফারুক খানের নেতৃ‌ত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লী‌গের প‌ক্ষে শ্রদ্ধা জানা‌নো হয়।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ‌কে আব্দুল মো‌মেন, শাজাহান খান, আফম বাহাউ‌দ্দিন না‌সিম, মির্জা আজম, এস এম কামাল হো‌সেন উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

এরপর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।

পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষকে শ্রদ্ধা জানাতে বঙ্গবন্ধু সমাধি কমপ্লেক্স উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সমাধি কমপ্লেক্স মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহ‌ফিল অনু‌ষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাইবান্ধায় প্রথম হানাদারমুক্ত হয় ফুলছড়ি

গাইবান্ধায় প্রথম হানাদারমুক্ত হয় ফুলছড়ি

ফুলছড়িতে শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি: নিউজবাংলা

বীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদারদের তিস্তামুখ ফেরিঘাট ক্যাম্পেও ধাওয়া করেন। এরপর হানাদাররা আশ্রয় নেয় সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দি বাঁধে। সেখানে সম্মুখযুদ্ধের পর প্রায় দুই শ পাকিস্তানি আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে।

১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দখল থেকে মুক্ত হয় গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা। গাইবান্ধায় এটিই প্রথম হানাদারমুক্ত এলাকা।

প্রতিবছর দিনটি ফুলছড়ি মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

এই অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদে ও এর থেকে চার কিলোমিটার দূরে তিস্তামুখ রেলওয়ে ফেরিঘাট এলাকায় ঘাঁটি গড়ে তোলে হানাদার বাহিনী। এই দুই ক্যাম্প থেকে তারা নিয়মিত হত্যা, নারী নির্যাতন, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করত।

৩ ডিসেম্বর রাতে গেরিলা বাহিনীর সদস্যরা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামছুল আলম, নাজিম উদ্দিন, আব্দুল জলিল তোতা ও এনামুল হকের নেতৃত্বে চারটি দলে ভাগ হয়ে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দেন।

পরদিন সূর্য ওঠার আগেই তারা ফুলছড়ি থানায় আক্রমণ করেন। তাদের আক্রমণে পাকিস্তানি সেনারা এই ক্যাম্প ছেড়ে তিস্তামুখ ফেরিঘাট ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সেখানেও ধাওয়া করেন। এরপর হানাদাররা আশ্রয় নেয় সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দি বাঁধে। সেখানে সম্মুখযুদ্ধের পর প্রায় দুই শ পাকিস্তানি আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে।

প্রায় ১০ থেকে ১২ মিনিটের যুদ্ধে পাঁচজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আর পাকিস্তানিদের নিহত হয় ২৭ জন।

১১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চন্দ্র মোদক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পাঁচ শহীদের মরদেহ ৫ ডিসেম্বর গরুর গাড়িতে করে সাঘাটা থানার সগুনা ইউনিয়নের খামার ধনারুহা স্কুলমাঠে নেয়া হয়। সেখানেই তাদের সমাহিত করা হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর তাদের সম্মানে সগুনা ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে মুক্তিনগর ইউনিয়ন রাখা হয়।

‘তাদের কবরের পাশে স্মৃতিস্তম্ভ ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবছর আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদদের স্মরণ করি।’

ফুলছড়ি মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও সাঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মুক্তিনগরের ধনারুহা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন

কোটালীপাড়ায় মুক্তির দিন ৩ ডিসেম্বর

কোটালীপাড়ায় মুক্তির দিন ৩ ডিসেম্বর

হানাদারদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়াই প্রথম হানাদার মুক্ত হয়। এ দিন আনন্দের জোয়ার বয়ে যায় উপজেলাবাসীর মধ্যে।

১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয়েছিল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া। এই দিনে কাকডাঙ্গা রাজাকার ক্যাম্প দখল করে প্রায় ৫০০ পাকহানাদারকে পরাজিত করে উপজেলাকে শত্রুমুক্ত করেছিল হেমায়েত বাহিনী।

হায়েনাদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়াই প্রথম হানাদার মুক্ত হয়। এ দিন আনন্দের জোয়ার বয়ে যায় উপজেলাবাসীর মধ্যে।

জানা যায়, এ অঞ্চলে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা ছিল খুবই শক্ত অবস্থানে। এলাকারই সন্তান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষক হেমায়েত উদ্দিন (প্রয়াত) যুদ্ধ শুরু হলে দেশে পালিয়ে আসেন।

পাক হানাদার বাহিনীকে এ দেশ থেকে বিতাড়িত করতে ৮ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন হেমায়েত বাহিনী। কোটালীপড়ায় তিনি একটি ট্রেনিং ক্যাম্পও গড়ে তোলেন। যেখানে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো।

হেমায়েত বাহিনী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বেশ কয়েকটি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেয়। ৭২টি গ্রুপের সমন্বয়ে গঠিত হেমায়েত বাহিনী যুদ্ধ করেছিল মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হয় হরিণাহাটি, মাটিভাঙ্গা, বাঁশবাড়িয়া, ঝনঝনিয়া, জহরের কান্দি, কোটালীপাড়া সদরসহ বিভিন্ন স্থানে। এ ছাড়া ছোট ছোট যুদ্ধও বেশ কয়েকটি। এসব যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন বাহিনীর প্রধান হেমায়েত উদ্দিন বীরবিক্রম।

হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে ১৮ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এবং ২৪ জন আহত হন। নিহত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন কোটালীপাড়া উপজেলার গোলাম আলী, বেলায়েত, আবু তালেব, আবুল খায়ের, মোক্তার হোসেন, রতন কুমার ও মোয়াজ্জেম হোসেন। এ ছাড়া টুঙ্গীপাড়া উপজেলার বেলায়েত হোসেন, মুকসুদপুর উপজেলার আবুল বাশার, বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ছাত্তার মৃধা, সেকেন্দার, নুরু বেপারী, পরিমল শীল, আগৈলঝাড়া উপজেলার তৈয়াবালী, নলসিটি উপজেলার ওসমান, মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার মকবুল হোসেন, আ. ছাত্তার এবং ঢাকার ইব্রাহিম।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হেমায়েত বাহিনীর সদস্যরা ১৩৪টি অপারেশন পরিচালনা করেন। এর মধ্যে রামশীলের যুদ্ধ অন্যতম। যুদ্ধটি এ অঞ্চলে ঐতিহাসিক ‘রামশীলের যুদ্ধ’ বলে পরিচিত। হেমায়েত বাহিনীর প্রধান হেমায়েত উদ্দিন ঐতিহাসিক রামশীলের যুদ্ধে মারাত্মকভাবে আহত হন। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্য দেশ স্বাধীন হওয়ার পর হেমায়েত উদ্দিনকে ‘বীরবিক্রম’ খেতাব দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন

বর্ণিল শোভাযাত্রায় বিজয়ের মাস বরণ

বর্ণিল শোভাযাত্রায় বিজয়ের মাস বরণ

বিজয়ের মাসকে বরণ করে নিতে সিলেটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ছবি: নিউজবাংলা

শোভাযাত্রায় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে, তাদেরকে আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস জানাতেই এমন আয়োজন।’

মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে বিশাল জাতীয় পতাকা, কারো হাতে ফেস্টুন-ব্যানার, শিশুদের হাতে ছোটছোট পতাকা, খেলনা রাইফেল-গ্রেনেড। কেউ আবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদলে সেজে ভাষণে মগ্ন।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে প্রথম দিন এভাবেই বরণ করে নিয়েছে সিলেটবাসী।

বাঙালির গৌরবান্বিত এ মাসের বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে সিলেট জেলা প্রশাসন। এতে মুক্তিযোদ্ধা, স্কুলশিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন।

‘বিজয়ের পঞ্চাশে; আমরা মাতি উল্লাসে’ এই শ্লোগানে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু হয় বর্ণিল এই শোভাযাত্রা। নগর প্রদক্ষিণ শেষে তা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে, তাদেরকে আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস জানাতেই এমন আয়োজন।’

এই চেতনা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে বলে তিনি আশা করেন।

শোভাযাত্রায় পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোশরাফ হোসেই ভূ্ইয়া, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিমশনার নিশারুল আরিফ, সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম, সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেবোজিৎ সিনহাসহ মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দরা অংশ নেন।

বিজয়ের মাস উদযাপনে শহীদ মিনারের মুক্তমঞ্চে দুইদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সম্মিলিত নাট্য পরিষদ।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন

ডিআরইউর নেতৃত্বে মিঠু-হাসিব

ডিআরইউর নেতৃত্বে মিঠু-হাসিব

ডিআরইউ নির্বাচনে জয়ীদের একাংশের উচ্ছ্বাস। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

প্রাপ্ত ফলে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএমের বাংলাদেশ প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম মিঠু। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বাংলাদেশ পোস্টের বিশেষ প্রতিনিধি নূরুল ইসলাম হাসিব।

দেশে রিপোর্টারদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নেতৃত্বে এসেছেন নজরুল ইসলাম মিঠু ও নূরুল ইসলাম হাসিব।

আগামী এক বছরের জন্য সংগঠনের নেতৃত্ব দেবেন তারা।

দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে সংগঠনটির নির্বাচন শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফল ঘোষণা করা হয়।

প্রাপ্ত ফলে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএমের বাংলাদেশ প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম মিঠু এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বাংলাদেশ পোস্টের বিশেষ প্রতিনিধি নূরুল ইসলাম হাসিব।

সভাপতি পদে মিঠুর প্রাপ্ত ভোট ৪৪৯টি। সাধারণ সম্পাদক পদে হাসিব পান ৫০০টি ভোট।

সহসভাপতি পদে ৩৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ওসমান গনি বাবুল। ৮৩২ ভোট পেয়ে যুগ্ম সম্পাদক হন শাহনাজ শারমীন। ৬৭৮ ভোট পেয়ে অর্থ সম্পাদক হন এস এম এ কালাম।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৮৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আব্দুল্লাহ আল কাফি। ৭১৫ ভোট পেয়ে দপ্তর সম্পাদক হন রফিক রাফি।

৮৫৯ ভোট পেয়ে নারীবিষয়ক সম্পাদক হন তাপসী রাবেয়া আঁখি। অন্যদিকে ৭২৩ ভোটে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হন কামাল উদ্দিন সুমন।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক হন কামাল মোশারেফ। আপ্যায়ন সম্পাদক হন মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

মাকসুদা লিসা ৭২৩ ভোট পেয়ে ক্রীড়া সম্পাদক, নাদিয়া শারমিন ৯৭৩ ভোট পেয়ে সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং কামরুজ্জামান বাবলু ৭৮০ ভোট পেয়ে কল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হন হাসান জাবেদ, মাহমুদুল হাসান, সোলাইমান সালমান, সুশান্ত কুমার সাহা, মো. আল আমিন, এস কে রেজা পারভেজ, তানভীর আহমেদ এবং ছলিম উল্লাহ মেজবাহ।

এবারের নির্বাচনে ১ হাজার ৭২২ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৪৫৪ জন। এর মধ্যে একটি ভোট বাতিল হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন

রংপুরে চলছে জেলা ইজতেমা

রংপুরে চলছে জেলা ইজতেমা

আয়োজক কমিটির সদস্য ও খিত্তা জামাতের জিম্মাদার আহসান হাবীব জানান, হাজি দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে চলছে ইজতেমা। নাইজেরিয়া ও সৌদি আরবের তাবলিগ জামাতের সাথিরা এতে অংশ নিয়েছেন। রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকেও বিভিন্ন মারকাজের তাবলিগ জামাতের সাথিরা অংশ নিচ্ছেন।

রংপুরের হাজিরহাট রব্বানীর চরে শুরু হয়েছে তিন দিনের জেলা ইজতেমা। জেলার কেন্দ্রীয় মারকাজ মসজিদ কমিটি এর আয়োজন করেছে।

জাতীয় কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান মাওলানা জিয়া বিন কাশেমের বয়ানের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই ইজতেমা শুরু হয়েছে।

আয়োজক কমিটির সদস্য ও খিত্তা জামাতের জিম্মাদার আহসান হাবীব জানান, হাজি দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে চলছে ইজতেমা। নাইজেরিয়া ও সৌদি আরবের তাবলিগ জামাতের সাথিরা এতে অংশ নিয়েছেন। রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকেও বিভিন্ন মারকাজের তাবলিগ জামাতের সাথিরা অংশ নিচ্ছেন।

আয়োজন কমিটির আরেক সদস্য মোস্তাফিজার রহমান সুমন জানান, সাদপন্থি তাবলিগ জামাতের হাজার হাজার অনুসারী ইজতেমায় যোগ দিয়েছেন। দেশের পাশাপাশি বিদেশি বক্তারাও বয়ান করবেন। আগামী শনিবার দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এটি শেষ হবে।

ইজতেমা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পুলিশের টহল আছে বলে জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার সাজ্জাদ হোসেন।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন

পুড়ে যাওয়া তাজরীন ভবনের সামনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা

পুড়ে যাওয়া তাজরীন ভবনের সামনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা

তাজরীন ফ্যাশন গার্মেন্টসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের নবম বর্ষপূর্তিতে নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আহত শ্রমিক ও নিহতদের স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। ছবি: নিউজবাংলা

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তপন সাহা বলেন, ‘তাজরীনে অগ্নিকাণ্ডের নবম বছরে এসেও আমরা ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে আসছি। এ ছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট ও তদন্তে তাজরীন ফ্যাশনের অগ্নিকাণ্ডে মালিক দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তারপরও সে বিচার এতদিনেও পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা।’

সাভারে তাজরীন ফ্যাশন গার্মেন্টসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার নবম বর্ষপূর্তিতে নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আহত ও নিহতদের স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন।

আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে পুড়ে যাওয়া তাজরীন গার্মেন্টসের ফটকে বুধবার সকাল ৭টার দিকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা।

টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এদিন প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পুড়ে যাওয়া তাজরীন ভবনের সামনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা
তাজরীন ফ্যাশন গার্মেন্টসে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনার বর্ষপূর্তিতে নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন। ছবি: নিউজবাংলা

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তপন সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজকের এই দিনে প্রথম প্রহরে আমরা তাজরীন গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছি। বরাবরের মতোই এই কর্মসূচিতে শ্রমিকরা অংশ নিয়েছেন।

‘তাজরীনে অগ্নিকাণ্ডের নবম বছরে এসেও আমরা ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে আসছি। এ ছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট ও তদন্তে তাজরীন ফ্যাশনের অগ্নিকাণ্ডে মালিক দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তারপরও সে বিচার এতদিনেও পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা।’

তিনি বলেন, ‘নতুন করে আজকের এই দিনে আমরা আবারও ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনসহ মালিক দেলোয়ারের বিচার বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি কামনা করছি।’

তিনি জানান, দিনটিতে প্রতিবারই শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নানান কর্মসূচি পালন করা হয়। বুধবার গাজীপুর ও নিশ্চিন্তপুরে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে।

২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরীন গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান ১১৪ জন শ্রমিক। আহত হন আরও দুই শতাধিক শ্রমিক।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন

নাচে-গানে খাসিয়াদের বর্ষবিদায়

নাচে-গানে খাসিয়াদের বর্ষবিদায়

উৎসবের মঞ্চ এবার সাজানো হয়েছে বাঁশ, কলাপাতা ও সুপারিপাতা দিয়ে। মেলাও বসে সেখানে। অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় কলাপাতায় মোড়ানো ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নাচে-গানে উদযাপিত হয়েছে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহীয় বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান খাসি সেং কুটস্নেম। খাসিয়ারা নিজস্ব আয়োজনে ১২২ তম বছরকে বিদায় জানিয়েছেন।

কমলগঞ্জেের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন মাগুরছড়া খাসি পুঞ্জি মাঠে মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই উৎসব। নাচ-গানের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও আলোচনা সভারও।

ব্রিটিশ আমল থেকে খাসিয়ারা প্রতি বছরের ২৩ নভেম্বর এই অনুষ্ঠান করে আসছেন।

মাগুরছড়া পুঞ্জির মন্ত্রী ও খাসি সোশ্যাল কাউন্সিলের সভাপতি জিডিশন প্রধান সুচিয়াং জানান, খাসি সেং কুটস্নেম উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এই আয়োজন করা হয়।

তিনি জানান, খাসিয়া জনগোষ্ঠীর রয়েছে বৈচিত্র্যময় জীবনগাঁথা। প্রাচীন খাসি সমাজে দেবতার প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশের মধ্য দিয়েই এ উৎসব পালিত হত। এরই ধারাবাহিকতায় এখন নিজেদের বিশেষ বর্ণিল পোশাকে সেজে এই সম্প্রদায়ের লোকজন উৎসবটি উদযাপন করে। দিনভর চলে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উৎসবের মঞ্চ এবার সাজানো হয়েছে বাঁশ, কলাপাতা ও সুপারিপাতা দিয়ে। মেলাও বসে সেখানে। অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় কলাপাতায় মোড়ানো ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে।

খাসিয়া তরুণী সালভেশন বলেন, ‘আমাদের এ উৎসব একটা মিলনমেলার মতো। উৎসবকে কেন্দ্র করে আমরা সবাই জড়ো হই। এ বছর করোনার কারণে উপস্থিতি কম। তারপরও যতটুকু হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট।’

আদিবাসী রক্ষা আন্দোলনের নেতা ফিলা ফতমি বলেন, ‘খাসিরা দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করে আসছেন। পাহাড়ের পাদদেশে বিভিন্ন টিলা এলাকায় তাদের বসবাস। দরিদ্র্যসীমার নিচে বাস করলেও তারা অত্যন্ত নিরীহ। তারা প্রকৃতির পূজারী।’

অনুষ্ঠানে ছিলেন বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সভাপতি জিডিসন প্রধান সুচিয়াঙ, লাউয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জি প্রধান ফিলা পত্মী, মণিপুরী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিংহ, সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু, চা শ্রমিক নেতা পরিমল বাড়াইকসহ অনেকে।

উৎসব দেখতে জড়ো হন বাঙালি এবং বিদেশী পর্যটকরাও।

আরও পড়ুন:
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে নিরাপত্তা কেমন, জানাল ডিএমপি
মোশতাক-জিয়ার বিচার করতে না পারা দুর্ভাগ্যের: নাছিম
বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগের ফ্রি অক্সিজেন
ঢাবিতে বঙ্গমাতা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

শেয়ার করুন