খরচ কমাবেন যেভাবে

খরচ কমাবেন যেভাবে

উৎসব-পার্বণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে ছাড় দেয়। আবার স্টক ক্লিয়ারেন্সের সময়ও ছাড় পাওয়া যায়। চেষ্টা করুন সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে পণ্যটি কেনার।

লকডাউনের কারণে অনেকেরই আয়-রোজগারে ভাটা পড়েছে। তবে খরচ কিন্তু কমেনি। সেটা আছে আগের মতোই। তাই পড়তে হচ্ছে নানান ধরনের আর্থিক সমস্যায়। এ রকম পরিস্থিতিতে খরচ না কমালেই নয়। কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব?

চিন্তার কিছু নেই। সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললে খরচের রাশটা টেনে ধরা যাবে। দেখে নিন সেই নিয়মগুলো।

পথে যেতে যেতে পাশের দোকানে কোনো কিছু পছন্দ হলে হুট করে কিনে ফেলা আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। এভাবে অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস আমাদের বাসায় চলে আসে। খরচ হয়ে যায় হিসাবের বাইরে। করোনাকালীন সময়ে এটা ত্যাগ করতে হবে। পছন্দ হলেও অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যাবে না।

ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমিয়ে নগদ টাকায় কেনার অভ্যাস করতে হবে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে বিভিন্ন রকম চার্জ আসে। সময়মতো কার্ডের বিল জমা দিতে না পারলে আসে মোটা অঙ্কের সুদ। বাড়তি এই খরচ থেকে বাঁচতে ক্রেডিট কার্ড এই সময়ে ব্যবহার না করাই ভালো।

ব্র্যান্ডের জিনিসের দাম সব সময়ই একটু বেশি হয়। বাড়তি খরচের হাত থেকে বাঁচতে চাইলে আপাতত ননব্র্যান্ডের জিনিস কিনুন। তবে অবশ্যই গুণগত মান ও খরচের দিকটা খেয়াল রেখে কিনতে হবে। অভ্যাসটা কিছু দিনের জন্য চেপে রাখলে খরচ বাঁচবে।

উৎসব-পার্বণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে ছাড় দেয়। আবার স্টক ক্লিয়ারেন্সের সময়ও ছাড় পাওয়া যায়। চেষ্টা করুন সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে পণ্যটি কেনার। এতে আপনার বেশ কিছু টাকা বেঁচে যাবে।

খরচ কমানোর সবচেয়ে প্রাচীন পন্থা হচ্ছে অপচয় রোধ করা। পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হোন। এসব ক্ষেত্রে আপনার একটু সদিচ্ছা আর সতর্কতাই অপচয় রোধ করবে।

আরও পড়ুন:
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা
গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে কী করবেন
মধুর সুমধুর ব্যবহার
লকডাউনে প্রাথমিক চিকিৎসা

শেয়ার করুন

মন্তব্য