স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

এবার নিজেদের অপারেটিং সিস্টেম এনে নিজেদের অ্যাপের পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা রাখছে তারা।

অবশেষে নিজস্ব মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) হারমনি আনল চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

বুধবার প্রতিষ্ঠানটি হারমনি ২.০ (বেটা) নামের অপারেটিং সিস্টেমটি অবমুক্ত করেছে।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ দেশটিতে হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করার পর গুগলের সঙ্গে টানাপড়েন দেখা দেয় হুয়াওয়ের। এরপর গুগল হুয়াওয়েকে তাদের অপারেটিং সিস্টেমের কিছু সাপোর্ট বন্ধ করে দেয়।

তখন থেকেই সংশয় ছিল হুয়াওয়ের ফোনে অ্যান্ড্রয়েড চলবে কিনা তা নিয়ে। উন্মুক্ত প্লাটফর্ম হওয়ায় অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করতে পারলেও হুয়াওয়ে গুগলের বেশকিছু সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।

এবার নিজেদের অপারেটিং সিস্টেম এনে নিজেদের অ্যাপের পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা রাখছে তারা।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অ্যান্ড্রয়েডকে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করলেও নিজেরে ইউজার ইন্টারফেইস (ইউআই) এনে নতুন কিছু ফিচার ব্যবহারের সুযোগ দেয়। যেমন–শাওমির এমআইইউআই, অপোর কালার ওএস‌ ইত্যাদি।

হুয়াওয়ে এর আগে ‘ইএমইউআই’ নামে অ্যান্ড্রয়েড নির্ভর ইউআই এনেছিল।

অনেক আগেই চীনা প্রতিষ্ঠানটি হারমনি ওএস এনেছে। তবে সেটি স্মার্টফোনের জন্য ছিল না। ছিল অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের জন্য। গুঞ্জন ছিল চলতি বছরেই আসছে স্মাটফোনের অপারেটিং সিস্টেম। অবশেষে সেটিই সত্যি হলো।

হারমনি ২.০ দেখতে অনেকটাই ইএমইউআই ১১-এর মতো। নতুন সংস্করণের হালনাগাদ হুয়াওয়ের অনেক স্মার্টফোনে এরই মধ্যে পেয়ে গেছে এই অপারেটিং সিস্টেমটি।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রাথমিকভাবে হারমনি অপারেটিং সিস্টেমে ১৫ হাজারের বেশি অ্যাপ চলবে।

হুয়াওয়ে পি৪০, পি৪০ প্রো, মেইট৩০, ৩০ প্রো ডিভাইসে ইতোমধ্যে এটি আপডেট পেয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ কোম্পানির তালিকায় ৩৩৮তম শাওমি

ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ কোম্পানির তালিকায় ৩৩৮তম শাওমি

ফরচুন গ্লোবালের ৫০০ কোম্পানির তালিকায় ৮৪ ধাপ এগিয়েছে শাওমি। ছবি: সংগৃহীত

ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ইন্টারনেট ও রিটেইল ক্যাটাগরিতে ২০২১ সালের দ্রুততম প্রবৃদ্ধির কোম্পানি হিসেবে এই অবস্থান দখল করেছে শাওমি। গত বছর শাওমির অবস্থান ছিল ৪২২তম।  

শাওমি তৃতীয় বছরের মতো ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। চলতি বছরের তালিকায় ২০২০ সালের চেয়ে ৮৪ ধাপ এগিয়ে শাওমির অবস্থান ৩৩৮তম।

ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ইন্টারনেট ও রিটেইল ক্যাটাগরিতে ২০২১ সালের দ্রুততম প্রবৃদ্ধির কোম্পানি হিসেবে এই অবস্থান দখল করেছে শাওমি। গত বছর শাওমির অবস্থান ছিল ৪২২তম।

শাওমির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও সিইও লেই জুন বলেন, “আমাদের অতীতের অর্জনের থেকে সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধিতেই আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ। শাওমি এখনও তরুণ কিন্তু উচ্চাভিলাষী একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রেরণায় পরিপূর্ণ। আমি বিশ্বব্যাপী শাওমির ফ্যানদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই কেননা তাদের অকুণ্ঠ সমর্থনই শাওমিকে করেছে প্রাণবন্ত ও উদ্যোমী।

‘আমি মনে করি, এটা শাওমির জন্য কোন সীমা নয় এবং আমি নিশ্চিত ভবিষ্যতে আমরা আরো শক্তিশালী ও দুর্দান্ত শাওমিকে দেখতে পাবো। সামনের বছর ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় আমরা আরো অসামান্য রেকর্ড অর্জন করব।”

শাওমির আয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২০ সালে শাওমি মোট আয় করেছে ২৪৫.৯ বিলিয়ন ইউয়ান, এটাই শাওমিকে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ৩৩৮তম স্থানে তুলে এনেছে। ২০২১ সালেও শাওমি দ্রুত প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে, এ সময় কোম্পানিটি অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি করতে পেরেছে আয় ও মুনাফায়; যা প্রত্যাশিত আয়কে ছাড়িয়ে গেছে।

২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে শাওমি আয় করেছে ৭৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইউয়ান (চীনা মুদ্রা), যা বার্ষিক হিসেবে বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৭ শতাংশ। এই সময়ে মুনাফা এসেছে ৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউয়ান, মুনাফা বৃদ্ধি পেয়েছে ১৬৩ দমমিক ৮ শতাংশ।

এই প্রবৃদ্ধির অন্যতম হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বাজারে হাই-এন্ড ক্যাটাগরির স্মার্টফোন, সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত প্রবৃদ্ধি এবং কোম্পানির নতুন রিটেইল ব্যবসার উন্নয়ন।

১৭ জুলাই বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিস শাওমিকে বিশ্ববাজারে দ্বিতীয় ঘোষণা করেছে, এ সময় শাওমির সরবরাহ করা স্মার্টফোনের হিসাবে অ্যাপলকে পেছনে ফেলে, আর বাজার শেয়ার দখল করে ১৭ শতাংশ।

নতুন রিটেইলের ক্ষেত্রে ২০২০ সাল থেকে শাওমির ফিজিক্যাল স্টোরগুলোর দ্রুত সম্প্রসারণ হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত চীনে মি হোম স্টোরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫০০ এর বেশি, এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে ১ হাজারের বেশি শাওমি স্টোর রয়েছে।

শাওমি গবেষণা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রতিভায় বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটি আরঅ্যান্ডডি দলকে অনুপ্রাণিত করায় নিত্য নতুন প্রযুক্তি উপহার দিতে পারছে শাওমি গ্রাহকদের। আর একারণেই শাওমি স্মার্ট ফ্যাক্টরি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করতে পেরেছে।

পরবর্তী দশকে শাওমি উৎপাদন শিল্পে নতুন চালিকাশক্তি হবে বলে শাওমির দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জানান সিইও লেই জুন।

শাওমি ডিভাইসের পাশাপাশি স্মার্ট ইলেকট্রিক গাড়ির বাজারে প্রবেশ করেছে। চলতি বছরের মার্চে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাজারে প্রবেশের ঘোষণা দেয়।

খাতটিতে আগামী ১০ বছরে অন্তত ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার কথা জানায় শাওমি।

শেয়ার করুন

মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত মোবাইল ডেটা ফেরতের নির্দেশ

মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত মোবাইল ডেটা ফেরতের নির্দেশ

মোবাইল অপারেটরদের কার্যক্রম তদারকির জন্য ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কানাডা থেকে প্রযুক্তি কিনছে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানটিকে চুক্তি সইয়ের ১৮০ দিনের মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ইন্টারনেট ডেটা কেটে না নিয়ে পরবর্তীতে কেনা ডেটা প্যাকেজের সঙ্গে ফিরিয়ে দিতে মোবাইল অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি’র কার্যালয়ে সোমবার বেলা ৩টার দিকে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তি শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

কানাডাভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকমের সঙ্গে ওই চুক্তি হয় বিটিআরসির।

মনগড়া মেয়াদ দিয়ে যে মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজ করা হয় তা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মোস্তাফা জাব্বার বলেন, তারা যেন কল ড্রপের টাকা ফেরত দেয়। কারণ, এটা যুক্তিসঙ্গতভাবে ভোক্তার অধিকার। সেই অধিকার তাদের দিতে হবে। একচেটিয়াভাবে প্রফিট করার জন্য কাউকে লাইসেন্স দেয়া হয়নি।

মোবাইল অপারেটরগুলো আগে এই ডেটা ফেরত দিত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও এই ডেটা ফেরত পেয়েছি। কিন্তু এখন তারা কেন দেয় না, তাদের কাছে এই প্রশ্নটা আমারও।’

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির পক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক গোলাম রাজ্জাক ও টিকেসি টেলিকমের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামির তালহামি চুক্তিতে সই করেন।

মোবাইল অপারেটরদের কার্যক্রম তদারকির জন্য ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কানাডা থেকে এই প্রযুক্তি কিনছে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানটিকে চুক্তি সইয়ের ১৮০ দিনের মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বলা হয়, টেলিকম মনিটরিং সিস্টেমের কাজ শেষ হলে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় হবে।

অপারেটরদের নেটওয়ার্কের লাইভ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সেবার মান আরও সুচারুভাবে যাচাই করা যাবে এবং গ্রাহকসেবার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।

অপারেটররা যেসব ট্যারিফ বাস্তবায়ন করছে সেগুলো বিটিআরসির অনুমোদিত কি না অথবা গ্রাহকরা অন্যায্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কি না তা যাচাই করা সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে এসব বিষয়ে আসা অভিযোগ নিষ্পত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যাবে।

শেয়ার করুন

মোবাইল অপারেটরদের নজরদারিতে সিস্টেম কিনছে বিটিআরসি

মোবাইল অপারেটরদের নজরদারিতে সিস্টেম কিনছে বিটিআরসি

কানাডাভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসির মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সিস্টেমটি বাস্তবায়িত হলে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় হবে। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় সব তথ্য বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে ভয়েস ও ডাটা ট্রাফিক,নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং মান সম্পর্কিত তথ্য সর্বোপরি বিটিআরসির প্রাপ্য রাজস্ব সম্পর্কে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

মোবাইল অপারেটরদের ওপর নজরদারি চালাতে ও তাদের কার্যক্রম তদারকিতে কানাডা থেকে সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি কিনছে বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

এর জন্য কানাডাভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসির মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিটিআরসি।

এতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আফজাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এতে সভাপতিত্ব করেন।

বিটিআরসির পক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক গোলাম রাজ্জাক ও টিকেসি টেলিকমের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সামির তালহামি চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১৮০ দিনের মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

এর আগে ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম কেনার জন্য সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।

সিস্টেমটি বাস্তবায়িত হলে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় হবে। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় সব তথ্য বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এতে ভয়েস ও ডাটা ট্রাফিক,নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং মান সম্পর্কিত তথ্য সর্বোপরি বিটিআরসির প্রাপ্য রাজস্ব সম্পর্কে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

ফলে বিটিআরসির নীতিনির্ধারণী ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে এবং সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ ব্যবস্থা আরও দক্ষ এবং দ্রুত হবে।শহর এলাকার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চল, দ্বীপ, হাওড়-বাওড়, উপকূলীয় অঞ্চল ও দূর্গম এলাকার টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এর প্রকৃত অবস্থা তাৎক্ষনিক যাচাই করা সম্ভব হবে।

এতে অপারেটরদের নেটওয়ার্কের লাইভ মনিটরিং এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সেবার মান আরো সুচারুভাবে যাচাই করা যাবে এবং গ্রাহক সেবার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অপারেটররা বাস্তবে যেসব ট্যারিফ বাস্তবায়ন করছে এবং এসব ট্যারিফ প্যাকেজ বিটিআরসি কর্তৃক অনুমোদিত কি না অথবা গ্রাহকরা অন্যায্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কি না তা যাচাই করা সম্ভব হবে এবং এ বিষয়ক অভিযোগের নিষ্পত্তি কার্যকরভাবে করা সম্ভব হবে।

সিস্টেমটি স্থাপন হলে প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যাবে। সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নানাবিধ অবকাঠামোগত ব্যবস্থা ও সেবার সঠিক মান উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

শেয়ার করুন

ডিজিটালাইজ হচ্ছে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগার

ডিজিটালাইজ হচ্ছে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগার

লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল পদ্ধতি অনুযায়ী থরে থরে সাজানো থাকবে ই-বুক। থাকবে শিশু ও মুজিব কর্নার। প্রতিটি ই-লাইব্রেরি এমনভাবে সাজানো হবে, যাতে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকেও সহজেই ভার্চুয়াল গ্রন্থাগারে ঢুকে পছন্দের বইটি পড়তে পারবেন।

জ্ঞানসমৃদ্ধ নতুন প্রজন্ম গঠনে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগারকে ডিজিটালাইজ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের ৭১টি সরকারি ও দুটি বেসরকারি গ্রন্থাগারকে ডিজিলাইজ করবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ কথা জানিয়েছে আইসিটি বিভাগ।

এতে বলা হয়, মানসম্পন্ন অনলাইন সেবাকে সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে গ্রন্থাগারগুলোকে পরিণত করা হবে ই-লাইব্রেরিতে।

এ বিষয়ে রোববার রাতে আইসিটি বিভাগ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অনলাইনে এক পর্যালোচনা সভা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে এ সভায় যুক্ত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এ ছাড়াও আরও যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) এনামুল কবিরসহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা।

সরকারের উদ্যোগটি বাস্তবায়নে রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় সভায়।

এতে জানানো হয়, লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল পদ্ধতি অনুযায়ী থরে থরে সাজানো থাকবে ই-বুক। থাকবে শিশু ও মুজিব কর্নার। প্রতিটি ই-লাইব্রেরি এমনভাবে সাজানো হবে, যাতে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকেও সহজেই ভার্চুয়াল গ্রন্থাগারে ঢুকে পছন্দের বইটি পড়তে পারবেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ল্যান নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করে লাইব্রেরিগুলোকে ডিজিটাল রূপান্তরে তারহীন প্রযুক্তির ইন্টারনেট সংযোগ, আইপি ফোন, বিভাগীয় গ্রন্থাগারগুলোর জন্য আরএফআইডি প্রযুক্তির ব্যবস্থা করবে আইসিটি বিভাগ।

শেয়ার করুন

ওয়ালটন আনল ফ্ল্যাগশিপ ফোন প্রিমো জেডএক্স৪

ওয়ালটন আনল ফ্ল্যাগশিপ ফোন প্রিমো জেডএক্স৪

ওয়ালটন এনেছে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন জেডএক্স৪। ছবি: সংগৃহীত

গ্রাফিকস হিসেবে আছে এআরএম মালি-জি৭৬ এমসিফোর। এর সঙ্গে ৮ গিগাবাইট এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম থাকায় মিলবে দুর্দান্ত গতি। জনপ্রিয় সব গেম খেলা যাবে অনায়াসেই।

ওয়ালটন দেশের বাজারে এনেছে নতুন একটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘প্রিমো জেডএক্স৪’। প্রথমবারের মতো দেশে তৈরি স্মার্টফোন হিসেবে দেয়া হয়েছে ৬৪ মেগাপিক্সেলের পাঁচ রিয়ার ক্যামেরা।

পাশাপাশি সামনে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।

এ ছাড়া বড় পর্দার ফুল এইচডি ডিসপ্লে, গেমিং প্রসেসর, শক্তিশালী র‌্যাম, রম, সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ এতে রয়েছে আধুনিক সব ফিচার।

ওয়ালটন মোবাইলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এসএম রেজওয়ান আলম জানান, অ্যাডভান্স ফিচারের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ‘প্রিমো জেডএক্স৪’ মডেলের ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি বাজারে আনা।

ডিজাইন ও কনফিগারেশনের দিক দিয়ে অনন্য ওয়ালটনের ডিভাইসটি বাজারের অন্য ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোর থেকে যেমন ভিন্ন, তেমনি দামেও সাশ্রয়ী।

ওয়ালটন মোবাইলের মার্কেটিং ইনচার্জ হাবিবুর রহমান তুহিন জানান, ৮.৬ মিলিমিটার স্লিম ফোনটি বাজারে এসেছে চারকোল ব্ল্যাক রঙে। এর দাম রাখা হয়েছে ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকা।

করোনাভাইরাস মহামারিতে ঘরে বসেই ওয়ালটনের নিজস্ব অনলাইন শপ ই-প্লাজা থেকে ফোনটি কেনা যাবে। লকডাউন না থাকলে দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, মোবাইল ব্র্যান্ড ও রিটেইল আউটলেট থেকেও ফোনটি কিনতে পারবেন গ্রাহক।

থ্রিডি গ্লাস প্যানেলে তৈরি প্রিমো জেডএক্স৪। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি সাইড মাউন্টেড হওয়ায় ব্যবহারকারী প্রিমিয়াম ফিল পাওয়া যাবে। এতে রয়েছে ২০:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিওর ৬.৬৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস এলটিপিএস ডিসপ্লে। পর্দার রেজ্যুলেশন ২৪০০ বাই ১০৮০ পিক্সেল। অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার, ভিডিও দেখা, গেম খেলা, বই পড়া বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং হবে আরও দুর্দান্ত।

অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত ওয়ালটনের এই ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ২.০৫ গিগাহার্জ গতির শক্তিশালী ‘হেলিও জি৯৫’ অক্টাকোর প্রসেসর।

গ্রাফিকস হিসেবে আছে এআরএম মালি-জি৭৬ এমসিফোর। এর সঙ্গে ৮ গিগাবাইট এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম থাকায় মিলবে দুর্দান্ত গতি। জনপ্রিয় সব গেম খেলা যাবে অনায়াসেই।

ফোনটিতে ১২৮ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজের সাথে ২৫৬ গিগাবাইট মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্ট সুবিধা রয়েছে।

ফোনটির পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশসহ ৫টি ক্যামেরা সেটআপ। পেন্টা ক্যামেরার প্রধান সেন্সরটি ৬৪ মেগাপিক্সেলের সনি আইএমএক্স৬৮২। যার অ্যাপারচার ১.৮৯। ১/১.৭৩ ইঞ্চির ৬পি লেন্স থাকায় ছবি হবে ঝকঝকে ও নিখুঁত। এর পাশাপাশি রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ১১২ ডিগ্রি পর্যন্ত ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্স, ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর এবং আরেকটি ২ মেগাপিক্সেলের মনো পোট্রেইট লেন্স।

পর্যাপ্ত পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য ফোনটিতে রয়েছে ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংসহ ৪০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার লিপলিমার ব্যাটারি।

শেয়ার করুন

ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত: ৮৫ মিলিয়ন ডলারে জুমের রফা

ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত: ৮৫ মিলিয়ন ডলারে জুমের রফা

৮৫ মিলিয়ন ডলারে ব্যক্তিগত তথ্য বেহাতের এক মামলার রফাদফা করেছে। ছবি: সংগৃহীত

জুমের এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছে, ‘আমাদের গ্রাহকদের জন্য গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সবার আগে নিশ্চিত করে জুম এবং গ্রাহকরা আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছেন তার গুরুত্ব দিই আমরা।’

জনপ্রিয় ভিডিও কনফারেন্সিং প্রতিষ্ঠান জুম যুক্তরাষ্ট্রে গোপনীয়তা আইনে তথ্য বেহাতের এক মামলা ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারে নিষ্পত্তি করতে রাজি হয়েছে। জুম রোববার বিষয়টি জানিয়েছে।

জুমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, লাখ লাখ গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুক, গুগল এবং লিঙ্কডইনের শেয়ার করেছে।

যদিও জুম অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, তারা নিরাপত্তা উন্নয়নে নতুন অনুশীলন করছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযোগটির রফাদফা হতে এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান হোসের জেলা জজ লাকি কোহ-এর অনুমোদন পেতে হবে।

জুমের এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছে, ‘আমাদের গ্রাহকদের জন্য গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সবার আগে নিশ্চিত করে জুম এবং গ্রাহকরা আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছেন তার গুরুত্ব দিই আমরা।

‘আমাদের প্লাটফর্মটির যে উন্নতি করেছি তার জন্য আমরা গর্বিত। সামনের দিনে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তায় আরও নতুনত্ব আনার চেষ্টা করছি।’

নিষ্পত্তির প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, নোটিশ, প্রশাসনের খরচ, শ্রেণি প্রতিনিধিদের পরিষেবা দেয়া, আইনজীবীদের ফি এবং আদালতের খরচ পরিশোধের জন্য নগদ ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার প্রদান করতে হবে।

যারা জুমের একটি অ্যাকাউন্টের জন্য অর্থ প্রদান করেছেন তারা তাদের সাবস্ক্রিপশনের জন্য জুমকে প্রদত্ত অর্থের ১৫ শতাংশ বা ২৫ ডলার করে পেতে পারেন। এ ছাড়া যারা সাবস্ক্রিপশন করেননি তারা এর জন্য ১৫ ডলার করে দাবি করতে পারেন।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বিশ্ব জুড়েই মানুষজন ঘরে বসে অফিস করছেন। এ জন্য ভিডিও কনফারেন্সিং প্লাটফর্ম হিসেবে জুম ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে মিটিং করার জন্য বিনামূল্যে ও সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারেন।

ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নীতি নিয়ে খুব চাপে আছে জুম।

শেয়ার করুন

আইওএস থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট হিস্ট্রি নেয়া যাবে অ্যান্ড্রয়েডে

আইওএস থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট হিস্ট্রি নেয়া যাবে অ্যান্ড্রয়েডে

ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রি বর্তমানে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে স্থানান্তর সম্ভব নয়। শুধু একই অপারেটিং সিস্টেমের ফোনে এগুলো নেয়া সম্ভব। 

চ্যাট হিস্ট্রি আইওএস থেকে অ্যান্ড্রয়েডে স্থানান্তরের ফিচার নিয়ে কাজ করছে ম্যাসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ।

নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে বড় ধরনের জটিলতার নিরসন ঘটবে বলে ওয়েবিটাইনফো এবং ৯টু৫গুগল-এর প্রতিবেদনে জানান হয়েছে।

ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রি বর্তমানে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে স্থানান্তর সম্ভব নয়। শুধু একই অপারেটিং সিস্টেমের ফোনে এগুলো নেয়া সম্ভব।

গত এপ্রিল থেকে ফিচারটির অগ্রগতির বিস্তারিত সামনে আসতে থাকে। ওয়েবিটাইনফো জানায়, একটি স্ক্রিনশটের মাধ্যমে ফিচারটি দেখানো হয়েছে। সেখান বলা হয়, ‘চ্যাট অ্যান্ড্রয়েডে স্থানান্তর করুন’।

দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরেকটি স্ক্রিনশটে দেখানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা তাদের ম্যাসেজ স্থানান্তরের সময় ফোন আনলক করার অপশন দেয়া হয়েছে।

এসব দেখে এটা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে, এমন ফিচার আনছে হোয়াটসঅ্যাপ।

গুগলের এক্সডিএ ডেভেলপারের প্রতিবেদনও বলছে, আইওএস থেকে অ্যান্ড্রয়েডে হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট ও অন্য হিস্ট্রি স্থানান্তরের ফিচারের উন্নয়ন এখনও চলছে। এটা করা গেলে গুগলের অপারেটিংয়ের জন্য আরও বেশি সুবিধা আসবে।

অবশ্য হোয়াটসঅ্যাপ বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করেনি। ফিচারটি কবে নাগাদ আসবে সে সম্পর্কেও প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

শেয়ার করুন