× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Rituparna received the Prime Ministers financial assistance in building a house
google_news print-icon

বাড়ি নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন ঋতুপর্ণা

বাড়ি-নির্মাণে-প্রধানমন্ত্রীর-আর্থিক-সহায়তা-পেলেন-ঋতুপর্ণা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের তারকা ঋতুপর্ণা চাকমাকে বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঋতুপর্ণার হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

দীর্ঘদিন ধরেই ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণের বিষয়টি আলোচনায় ছিল। দুইবারের সাফজয়ী এই ফুটবলারের জন্য বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগের কথা আগেও বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে। তবে জমি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছিল। এবার জমি কেনা ও বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান পাওয়ায় তার অপেক্ষা শেষ হওয়ার পথ তৈরি হলো।

ঋতুপর্ণা চাকমা বাংলাদেশের নারী ফুটবলের অন্যতম পরিচিত মুখ। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সাফল্যের পেছনে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উঠে এসে জাতীয় দলের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে দেশের ফুটবলে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি।

এর আগেও ঋতুপর্ণা ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল বিএনপি। ২০২৫ সালে তার ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য সহায়তার প্রয়োজন হলে তখনকার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধিদল রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার মগাছড়িতে ঋতুপর্ণার বাড়িতে যায়। সে সময় পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের নারী ফুটবলের সাম্প্রতিক সাফল্যে পার্বত্য অঞ্চলের ফুটবলারদের অবদান বিশেষভাবে আলোচিত। ঋতুপর্ণা সেই ধারার অন্যতম প্রতিনিধি। মাঠে দেশের জন্য অবদান রাখা এই ফুটবলারের পারিবারিক বাস্তবতা ও বাড়ি নির্মাণের দীর্ঘ অপেক্ষা নিয়েও আগেই আলোচনা হয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
After winning the toss and taking the fielding Bangladesh lost wickets at the start of Australia

টসে জিতে ফিল্ডিং নিলো অস্ট্রেলিয়া, শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ

টসে জিতে ফিল্ডিং নিলো অস্ট্রেলিয়া, শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ

মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালের পর দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষা শেষে দুই দল আবারও দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হলো। এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জশ ইংলিস। ফলে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের আমন্ত্রণে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিকরা।

ব্যাটিংয়ের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক হয়নি। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম প্রথম ওভারেই বাউন্ডারি মেরে আশার আলো দেখালেও দ্বিতীয় ওভারেই বড় ধাক্কা খায় দল। সাইফ হাসান ৫ বলে মাত্র ৫ রান করে নাথান এলিসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। এরপর ক্রিজে আসা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও এলিসের সুইং ও লাইন-লেন্থে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েন। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়েও মারনাস লাবুশেন তা হাতে জমাতে না পারায় ব্যক্তিগত ৪ রানে জীবন পান শান্ত। পাওয়ার প্লের প্রথম ৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৪ রান।

এই ম্যাচের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। অন্যদিকে, লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনকে নিউজিল্যান্ড সিরিজের শেষ ম্যাচের মতো আজও একাদশের বাইরে রাখা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আজ ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে পেস অলরাউন্ডার লিয়াম স্কটের। বাংলাদেশ একাদশে অভিজ্ঞ লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয় ও তাসকিন আহমেদের পাশাপাশি তরুণ নাহিদ রানা ও তানভীর ইসলাম জায়গা পেয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ ওয়ানডে জয় ছিল ২০০৫ সালে কার্ডিফে। দীর্ঘ সময় পর ঘরের মাঠে এই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম ক্রিজে থেকে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছেন। বৈরী কন্ডিশনে মিরপুরের উইকেটে ব্যাটিং করা ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দুই অধিনায়কই এই সিরিজকে ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

মন্তব্য

খেলা
Development Cup Football Tournament Boys U 15 2026 Finals Held

ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৫) ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠিত

ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৫) ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠিত

তৃণমূল পর্যায়ের উদীয়মান ফুটবলারদের দক্ষতা প্রদর্শন ও বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘১১তম ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৫) ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আজ সোমবার (৮ জুন) অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দেশের ৮টি বিভাগের ক্ষুদে ফুটবলারদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এই ফুটবল উৎসবের পর্দা নামলো ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে।

​যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের উদ্যোগে মোহাম্মদপুরের সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ প্রাঙ্গণে এই টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচে রংপুর বিভাগকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বরিশাল বিভাগ। অন্যদিকে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে রংপুর বিভাগকে।

​সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ক্রীড়া-২ অনুবিভাগ) মো. মাহফুজুল আলম খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক (যুবসেবা) মো. মাহবুবুর রহমান।

​এর আগে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে সিলেট বিভাগকে হারিয়ে রংপুর বিভাগ এবং রাজশাহী বিভাগকে হারিয়ে বরিশাল বিভাগ ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

মন্তব্য

খেলা
Fifa is paying huge sums as compensation for players leaving

খেলোয়াড় ছাড়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে মোটা অংক দিচ্ছে ফিফা

খেলোয়াড় ছাড়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে মোটা অংক দিচ্ছে ফিফা

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ক্লাবগুলোর জন্য বিশাল অংকের এক আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। আন্তর্জাতিক সূচি এবং বিশ্বকাপের জন্য নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে ছেড়ে দেওয়ার ফলে ক্লাবগুলো যে আর্থিক ও কাঠামোগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়, তা পুষিয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফিফার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মেগা টুর্নামেন্টকে ঘিরে মোট ৩৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশাল তহবিল গঠন করা হয়েছে, যা সারা বিশ্বের বিভিন্ন পর্যায়ের ক্লাবগুলোর মধ্যে নিয়ম অনুযায়ী বণ্টন করা হবে।

এই বিশাল অংকের অর্থ মূলত ‘ফিফা ক্লাব বেনেফিটস প্রোগ্রাম’-এর আওতায় প্রদান করা হবে। এবারের বরাদ্দকৃত অর্থের বিভাজনে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে সংস্থাটি। মোট তহবিলের মধ্যে ২৫০ মিলিয়ন ডলার সরাসরি মূল বিশ্বকাপের চূড়ান্ত আসরে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের ক্লাবগুলোর জন্য নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে। তবে সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোর গুরুত্ব বিবেচনা করে ক্লাবগুলোকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা। বাছাইপর্বের এই বিশেষ খাতের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং অবশিষ্ট ৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে ক্লাব ফুটবলের সামগ্রিক মানোন্নয়ন ও কারিগরি সহায়তায়।

ফিফার নতুন এই নীতিমালার ফলে ক্লাবগুলোর আয় আগের তুলনায় অনেক বেশি নিশ্চিত ও সুরক্ষিত হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি তাঁর দেশের হয়ে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁর দল গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়, তবুও সংশ্লিষ্ট ক্লাবটি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা পাবে। হিসাব অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরুতেই বাদ পড়া দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের বিপরীতে ক্লাবগুলো ন্যূনতম প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবে। এই নিয়মটি ক্লাবগুলোর খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে পাঠানোর ঝুঁকি এবং সেই সময়ে তাদের অনুপস্থিতিজনিত ক্ষতি লাঘব করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ক্রীড়া বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফিফার এই পদক্ষেপটি ক্লাব এবং জাতীয় দলের মধ্যকার সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সাধারণত বড় টুর্নামেন্টের সময় খেলোয়াড়দের ইনজুরি ঝুঁকি এবং দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে ক্লাব কর্তৃপক্ষরা আর্থিক ও কৌশলগত দুশ্চিন্তায় থাকেন। ফিফার এই বর্ধিত ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা কেবল একটি আর্থিক প্যাকেজই নয়, বরং এটি বিশ্ব ফুটবলের মূল ভিত্তি হিসেবে ক্লাবগুলোর অবদানের প্রতি একটি বড় স্বীকৃতি। এর ফলে বড় ক্লাবগুলোর পাশাপাশি বিশ্বের অনেক ছোট ও মাঝারি মানের ক্লাবও আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো রেকর্ড সংখ্যক ৪৮টি দেশ অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে, যার ফলে টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের উপস্থিতিও হবে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে ক্লাবগুলোর ত্যাগ ও অংশগ্রহণকে যথাযথ মূল্যায়ন করতেই ফিফা তাদের তহবিলের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আগামী মাসগুলোতে এই অর্থ বিতরণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া ও যোগ্য ক্লাবের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। ফিফার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে পেশাদার ফুটবল ক্লাবগুলোর মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে এবং ২০২৬ বিশ্বকাপকে আরও বেশি সাফল্যমণ্ডিত করার পথ প্রশস্ত করেছে।

মন্তব্য

খেলা
Ederson returned to the team of defender Wesley at the end of the World Cup

বিশ্বকাপ শেষ ডিফেন্ডার ওয়েসলির, দলে ফিরলেন এডারসন

বিশ্বকাপ শেষ ডিফেন্ডার ওয়েসলির, দলে ফিরলেন এডারসন

বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বড় ধরনের ধাক্কা খেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ইনজুরির কারণে দলটির তরুণ ডিফেন্ডার ওয়েসলি টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি ছিটকে গেছেন। গত শনিবার মিসরের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি ম্যাচে খেলার সময় তিনি বাম কুঁচকিতে মারাত্মক চোট পান। মাঠ ছাড়ার সময় ২২ বছর বয়সী এই ফুলব্যাককে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও অশ্রুসিক্ত অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। পরীক্ষা-নিবীক্ষা শেষে তাঁর বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হওয়ার বিষয়টি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ)।

ব্রাজিল জাতীয় দলের মেডিকেল স্টাফরা গত রবিবার ওয়েসলির শারীরিক অবস্থা পুনরায় পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় ইমেজিং টেস্ট সম্পন্ন করেন। এমআরআই রিপোর্টে ধরা পড়েছে যে তাঁর বাম উরুর অ্যাডাক্টর পেশিতে গুরুতর চোট রয়েছে। এই ধরনের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় প্রয়োজন, যা বিশ্বকাপের মতো দ্রুতগতির টুর্নামেন্টে সম্ভব নয়। ফলে বড় কোনো ঝুঁকি না নিয়ে সিবিএফ এবং কোচিং স্টাফ সম্মিলিতভাবে তাঁকে স্কোয়াড থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

ওয়েসলির পরিবর্তে ব্রাজিলিয়ান স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ২৬ বছর বয়সী মিডফিল্ডার এডারসনকে। ইতালিয়ান ক্লাব আটালান্টার এই তারকাকে ইতোমধ্যেই দলে যোগ দেওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে। ফেডারেশন জানিয়েছে, এডারসন আজ সোমবারই যুক্তরাষ্ট্রে দলের সাথে যোগ দেবেন। যদিও ওয়েসলি ছিলেন একজন রক্ষনভাগের খেলোয়াড়, তবে কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের ভারসাম্য রক্ষায় একজন বাড়তি মিডফিল্ডার নেওয়ার কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এডারসন সর্বশেষ ২০২৫ সালের মার্চে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন।

ব্রাজিলের এবারের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে আগামী শনিবার। 'সি' গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা মরক্কোর মুখোমুখি হবে। এরপর গ্রুপ পর্বের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে সেলেসাওরা যথাক্রমে হাইতি এবং স্কটল্যান্ডের মোকাবিলা করবে। বিশ্বকাপের ঠিক আগে একজন নিয়মিত খেলোয়াড়কে হারানো দলের জন্য মানসিকভাবে কিছুটা চাপের কারণ হলেও, এডারসনের মতো অভিজ্ঞ মিডফিল্ডারের অন্তর্ভুক্তি দলের শক্তি বাড়াবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এখন দেখার বিষয়, নতুন এই পরিবর্তন নিয়ে ব্রাজিল কতটুকু সফল হতে পারে।

মন্তব্য

খেলা
After 20 years Perez is in charge of Real in competitive voting

২০ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভোটেও রিয়ালের দায়িত্বে পেরেজ

২০ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভোটেও রিয়ালের দায়িত্বে পেরেজ

রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাবের গত ২০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার আয়োজিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও বিজয়ী হয়েছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। টানা দুই মৌসুম ক্লাবের বড় কোনো ট্রফি না জেতায় নিজের নেতৃত্বের ওপর সদস্যদের আস্থার প্রতিফলন দেখতে পেরেজ নিজেই এই আকস্মিক নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন। গত রোববার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করে পেরেজ প্রমাণ করেছেন যে, ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য এখনও তাঁর দর্শনেই বিশ্বাসী। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী এনরিকে রিকেলমে পরাজয় স্বীকার করে নেওয়ার পর রিয়ালের নেতৃত্বে পেরেজের অবস্থান আরও সুসংহত হলো।

ক্লাবের নির্বাচনী কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই নির্বাচনে পেরেজ মোট ২১ হাজার ৭৪১টি ভোট পেয়েছেন, যা প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৬৫ শতাংশ। অন্যদিকে এনরিকে রিকেলমে পেয়েছেন ১১ হাজার ৮১৪টি ভোট বা ৩৫ শতাংশ। ২০০৬ সালের পর এটিই ছিল ক্লাবটির প্রথম নির্বাচন যেখানে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচটি নির্বাচনে পেরেজ একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন। সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের নিকটবর্তী একটি হোটেলে দেওয়া বিজয় ভাষণে পেরেজ একে রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফলাফল এবং গণতন্ত্রের অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।

৭৯ বছর বয়সী ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসের সফলতম সভাপতিদের একজন। তিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে এবং ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দীর্ঘ সভাপতিত্বে স্প্যানিশ ক্লাবটি বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে। পেরেজের আমলে রিয়াল মাদ্রিদ সাতটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং সাতটি লা লিগা শিরোপাসহ অসংখ্য ট্রফি ঘরে তুলেছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তিনি ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ক্লাবের সফলতার ধারা বজায় রাখতে এবং নতুন ইতিহাস গড়তে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন।

পেরেজের এই জয়ের ফলে রিয়াল মাদ্রিদের কোচিং প্যানেলে বড় ধরনের রদবদলের জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনহো আবারও ক্লাবটির প্রধান কোচ হিসেবে ফিরে আসছেন। দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ঘাটতি মেটাতে এবং হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করতে অভিজ্ঞ এই কোচকে ফেরানোই হবে পেরেজের প্রথম বড় পদক্ষেপ। নির্বাচনে জয়লাভের পর পেরেজ স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, দল পুনর্গঠন এবং শিরোপার দৌড়ে ফিরে আসাই এখন তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ক্লাবের ফুটবলীয় কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

মন্তব্য

খেলা
Yamals funny promise if Spain wins the World Cup

স্পেন বিশ্বকাপ জিতলে ইয়ামালের মজার প্রতিশ্রুতি

স্পেন বিশ্বকাপ জিতলে ইয়ামালের মজার প্রতিশ্রুতি

বিশ্ব ফুটবলের বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় বিস্ময়বালক লামিনে ইয়ামাল প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ১৮ বছর বয়সী এই তরুণ তুর্কিকে ঘিরেই এবার স্পেনের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন সমর্থকরা। আসর শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ভক্তদের জন্য এক অভিনব ও মজার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই বার্সেলোনা তারকা। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ইয়ামাল ঘোষণা করেছেন যে, স্পেন যদি এবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে তিনি টানা তিন সপ্তাহ দাড়ি ও গোঁফ কাটবেন না। এছাড়া উদযাপনের অংশ হিসেবে ভক্তদের জন্য ১০০টি দামি ব্র্যান্ডের হেডফোন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক বড় টুর্নামেন্টের চাপ সামলানোর বিষয়ে ইতিপূর্বেই অভিজ্ঞতা হয়েছে ইয়ামালের। ২০২৪ সালে স্পেনের ইউরো জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে ইয়ামাল বলেন, বড় আসরের প্রথম ম্যাচে স্নায়ুচাপ অনুভব করাটা খুবই স্বাভাবিক। তবে ক্যারিয়ারের শুরুর সেই দিনগুলো থেকে তিনি শিখেছেন যে একটি ম্যাচ খারাপ হওয়া মানেই সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। পুরো টুর্নামেন্ট অনেক দীর্ঘ হয়, তাই ধৈর্য ধরে নিজের স্বাভাবিক খেলাটা উপভোগ করাই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি বলে তিনি মনে করেন। স্পেনের আক্রমণভাগে এবারও তাঁর কাছ থেকে বিধ্বংসী পারফরম্যান্স আশা করছে ফুটবল বিশ্ব।

ফুটবল বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন এই উইঙ্গার। গত আসরে ফরাসি তারকা উসমান দেম্বেলে এই পুরস্কারটি জিতেছিলেন। ইয়ামাল স্বীকার করেছেন, একসময় তাঁর মনে হয়েছিল পুরস্কারটি হয়তো তিনিই পেতে যাচ্ছেন। তবে এখন তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে দেম্বেলের জয়টাই যৌক্তিক ছিল। তিনি মনে করেন, সেই সময় তিনি বয়সে অনেক ছোট ছিলেন এবং পুরস্কারটির গুরুত্ব বোঝার মতো পরিপক্কতা হয়তো তাঁর ছিল না। দেম্বেলের সাথে তাঁর চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ফরাসি এই তারকা তাঁকে ক্যারিয়ারের কঠিন সময়ে অনেক মূল্যবান পরামর্শ ও মানসিক সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরুর আগে স্পেন আজ সোমবার শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে পেরুর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এই ম্যাচটি কোচ ও খেলোয়াড়দের জন্য শেষবারের মতো নিজেদের কৌশল ঝালিয়ে নেওয়ার বড় সুযোগ। ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘গ্রুপ এইচ’-এ স্পেনের সাথে লড়বে শক্তিশালী উরুগুয়ে, সৌদি আরব ও কেপ ভার্দে। স্পেনের বর্তমান স্কোয়াডটি তরুণ ও অভিজ্ঞতার এক দারুণ সংমিশ্রণ, যেখানে ইয়ামালকে দেখা হচ্ছে তুরুপের তাস হিসেবে। নিজের প্রথম বিশ্বকাপে নামার আগে ইয়ামালের এই আত্মবিশ্বাসী ও প্রফুল্ল মেজাজ স্প্যানিশ শিবিরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিশেষে বলা যায়, লামিনে ইয়ামাল কেবল মাঠের পারফরম্যান্সেই নয়, বরং মাঠের বাইরের ব্যক্তিত্ব দিয়েও ভক্তদের মন জয় করে নিচ্ছেন। তাঁর দেওয়া মজার এই প্রতিশ্রুতিগুলো এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভক্তরা এখন মুখিয়ে আছেন ইয়ামালের জাদুকরী ফুটবল দেখতে এবং স্পেন যদি শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিততে পারে, তবে ইয়ামালকে এক নতুন অবতারে দেখার অপেক্ষাও থাকছে। স্পেনের দীর্ঘদিনের শিরোপা খরা কাটাতে ইয়ামালের ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন বিশ্ব ফুটবল প্রেমীদের দেখার মূল বিষয়।

মন্তব্য

খেলা
Sohan holds the unique record of fastest century by blowing out City Club

সিটি ক্লাবকে উড়িয়ে দিয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির অনন্য রেকর্ড সোহানের

সিটি ক্লাবকে উড়িয়ে দিয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির অনন্য রেকর্ড সোহানের

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের নতুন এক নজির স্থাপন করেছেন হাবিবুর রহমান সোহান। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) নবম রাউন্ডে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে মাত্র ৪৫ বলে শতক হাঁকিয়ে তিনি দেশের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি এককভাবে নিজের করে নিয়েছেন। এর আগে এই রেকর্ডের মালিকানা যৌথভাবে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সাথে থাকলেও, আজকের এই অনবদ্য ইনিংসের মাধ্যমে ২৬ বছর বয়সী এই ওপেনার নিজেকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেলেন।

সাভারের ইউল্যাব মাঠে সিটি ক্লাবের বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চড়াও হন লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের এই মারকুটে ব্যাটার। ইনিংসের শুরু থেকে চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছুটিয়ে তিনি মাত্র ২৬ বলে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর আরও আগ্রাসী হয়ে উঠে পরবর্তী ৫০ রান করতে তিনি খরচ করেন মাত্র ১৯ বল। সব মিলিয়ে ৪৫ বলের মাথায় সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। আউট হওয়ার আগে সোহানের ব্যাট থেকে আসে ৫৮ বলে ১৩০ রানের এক টর্নেডো ইনিংস, যা তাঁর লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের সেরা সংগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সোহানের এই রেকর্ডটি দীর্ঘ তিন বছর ধরে তাঁর দখলেই ছিল। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) তিনি ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করে প্রথমবার এই কীর্তি গড়েছিলেন। তবে সম্প্রতি চলমান ডিপিএলেই মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও সমান ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করে এই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন। কিন্তু এক মাস পার না হতেই সোহান আজ ৪ বল কম খেলে সেই রেকর্ডটি পুনরুদ্ধার করলেন। তাঁর এই ঝড়ো ইনিংসটি মাঠের দর্শকদের যেমন বিনোদন দিয়েছে, তেমনি প্রতিপক্ষ শিবিরের বোলিং আক্রমণকে পুরোপুরি দিশেহারা করে তুলেছে।

কেবল সেঞ্চুরির গতিতেই নয়, বরং ছক্কা হাঁকানোর ক্ষেত্রেও আজ নতুন নজির গড়েছেন হাবিবুর রহমান সোহান। নিজের ১৩০ রানের ইনিংসে তিনি ৮টি চার এবং ১৩টি বিশালাকার ছক্কা হাঁকিয়েছেন। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এক ইনিংসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। এর আগে ২০১৯ সালে আবাহনীর হয়ে ১৬টি ছক্কা মেরে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন সৌম্য সরকার। সোহানের এমন ব্যাটিং দৃঢ়তা প্রমাণ করে যে পাওয়ার হিটিংয়ে বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা ক্রমশ নিজেদের সামর্থ্যের পরিচয় দিচ্ছেন।

সোহান বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়লেও বিশ্বরেকর্ড থেকে তিনি এখনো কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। বর্তমানে বৈশ্বিক লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের দখলে, যিনি মাত্র ২৯ বলে শতক পূর্ণ করেছিলেন। এছাড়া এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৩টি ছক্কার বিশ্ব রেকর্ডটি রয়েছে আরেক অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার ডি'আরসি শর্টের নামে। তবে দেশীয় প্রেক্ষাপটে সোহানের এই কৃতিত্ব আগামী দিনের ব্যাটারদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য

p
উপরে