তারকাশূন্য এল ক্লাসিকো

তারকাশূন্য এল ক্লাসিকো

ক্লাসিকোর আগে অনুশীলনে রিয়াল মাদ্রিদ। ছবি: টুইটার

বার্সেলোনার মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বাংলাদেশ সময় রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রথমবার মৌসুমে মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা।

বছর চারেক আগেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাব ফুটবল ম্যাচ ধরা হতো এটিকে। শুরুর সপ্তাহদুয়েক আগে থেকে বিশ্বের তাবৎ সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে থাকত ম্যাচের খুঁটিনাটি। বিশ্বের সেরা দুই দলের ফুটবলাররাও তেতে থাকতেন বছরজুড়ে।

‘এল ক্লাসিকোর’ সেই জৌলুস এখন আর নেই। রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার ধ্রুপদী লড়াই এখন শুধু আটকে ঐতিহ্যের আর লা লিগার বড় ম্যাচের মোড়কে। বার্সেলোনার মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বাংলাদেশ সময় রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রথমবার মৌসুমে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি।

২০১৭ সালে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোর বিদায়ে শুরু। ২০২১ সালে লিওনেল মেসি যখন বার্সেলোনা ছাড়লেন তখন এল ক্লাসিকো তো বটেই পুরো লা লিগার জনপ্রিয়তা নিয়েই চিন্তিত হয়ে পড়ে কর্তৃপক্ষ।

এক সময় ক্লাসিকো মাতাতেন রোনালডো, রামোস, কাসিয়াস, মেসি, চাভি, ইনিয়েস্তা, সুয়ারেসরা। সেখানে এখন তারকার খাতায় জোর করে বসাতে হয় বেনজেমা, ভিনিসিয়াস, ফাতিদের।

ক্লাসিকোর বৈশ্বিক আকর্ষণ কমে গেলেও দুই ক্লাবের সমর্থকদের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব কমছে না। বরং দুই দলের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব দুই রকম।

টেবিলের তিনে থাকা রিয়াল আজ জিতলে শীর্ষে ওঠার সুযোগ পাবে। আর আটে থাকা বার্সেলোনার সামনে সুযোগ থাকবে তিনে উঠে আসার ও শিরোপা লড়াইয়ে টিকে থাকার।

ক্লাসিকোতে হারলে বিপর্যস্ত রোনাল্ড কুমানের বিদায় ঘণ্টা বেজে যেতে পারে। মেসিকে ছাড়া ম্যাচ জিততে সংগ্রাম করতে হচ্ছে বার্সেলোনা বসকে।

রিয়ালের বিপক্ষে ফেলিপে কোতিনিয়ো ও উসমান ডেম্বলেকে একাদশে রাখছেন না কুমান তা প্রায় নিশ্চিত। মেম্ফিস ডিপায়, লুক ডি ইয়ং ও আনসু ফাতির ওপরই নির্ভর করবেন কুমান।

তারকাশূন্য এল ক্লাসিকো
অনুশীলনের ফাঁকে বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা। ছবি: টুইটার

অন্যদিকে, সেরা তারকাদেরই পাচ্ছে রিয়াল। বেনজেমার সঙ্গে আক্রমণে থাকছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। টনি ক্রুস, কাসেমিরো ও লুকা মডরিচের অভিজ্ঞতায় নিশ্চিত ভাবে এগিয়ে থাকবে রিয়াল মাদ্রিদ।

দুই দলের সবশেষ তিন ম্যাচে তিনবারই জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। পরিসংখ্যানকে নিজেদের দিকে আরও ভারী করতে চাইবে লস ব্লাঙ্কোস। অন্যদিকে, বার্সেলোনার কোচের ভবিষ্যত নির্ভর করছে আজকের ম্যাচের ওপর।

বার্সেলোনা একাদশ: টের স্টেগান, আলবা, পিকে, গার্সিয়া, রবার্তো, ফ্র্যাংকি ডি ইয়ং, গাভি, বুস্কেটস, লুক ডি ইয়ং, ডিপায়, ফাতি

রিয়াল একাদশ: কোঁতোয়া, নাচো, মিলিতাও, আলাবা, মেন্ডি, কাসেমিরো, ক্রুস, মডরিচ, রদ্রিগো, ভিনিসিয়াস, বেনজেমা।

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এবারের ব্যালন ডর আলাদা মেসির কাছে

এবারের ব্যালন ডর আলাদা মেসির কাছে

সপ্তম ব্যালন ডর ট্রফি হাতে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

প্যারিসে সপ্তম সোনার বল হাতে নেয়ার পর মেসি জানালেন এবারেরটাই সবচেয়ে তৃপ্তি দিচ্ছে তাকে। কারণটাও জানান ক্রীড়া বিশ্বের এ মহানায়ক। 

আগেও ছয়বার জিতেছেন বিশ্বসেরা ফুটবলারের জন্য বরাদ্দ এ ট্রফি। ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত টানা চারবার পেয়েছেন এ সম্মান। তারপরও লিওনেল মেসির কাছে এবারের জয়টাই সবচেয়ে উপভোগ্য।

তাকে সর্বকালের সেরা বলে মেনে নিয়েছেন অনেক বোদ্ধা। এবারের ব্যালন ডর জেতার সংখ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবেই সেরা হয়ে উঠলেন মেসি। প্যারিসে সপ্তম সোনার বল হাতে নেয়ার পর মেসি জানালেন এবারেরটাই সবচেয়ে তৃপ্তি দিচ্ছে তাকে। কারণটাও জানান ক্রীড়া বিশ্বের এ মহানায়ক।

মেসি বলেন, ‘আগে যখনই এ পুরস্কার পেয়েছি নিজের দেশের জন্য কিছু জিততে না পারার হতাশাটা কাঁটার মতো বিঁধেছে। কোপা আমেরিকা জেতার পর আজকের এ পুরস্কারটা আমি এটা উপভোগ করছি। জাতীয় দলের সবার সঙ্গে আমি এ সম্মান ভাগ করে নিতে চাই।

‘একই সঙ্গে আমার বার্সেলোনা ও প্যারিসের সতীর্থ ও কোচিং স্টাফকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

ফুটবল প্রেমীদের জন্য মন খারাপ করার মতো বিষয় হচ্ছে, মেসির বয়স এখন ৩৪। আর খুব বেশিদিন ফুটবল মাঠে হয়তো দেখা যাবে না মহান এ ফুটবল শিল্পীকে। তবে মেসি জানালেন বুটজোড়া তুলে রাখা কোনো পরিকল্পনা এখনও তার মাথায় আসেনি।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেছে অবসর নিয়ে। আমি প্যারিসে খুব ভালো আছি। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছি। আমি জানি না আর কতদিন খেলতে পারব। আশা করি সেটা আরও অনেকদিন। কারণ আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি।’

মেসির কাছে ব্যালনের রেসে হেরে গেছেন রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি। মেসি সাধুবাদ জানালেন এই পোলিশ স্ট্রাইকারকে।

আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘রবার্টের মতো একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে এই পুরস্কারের জন্য লড়াই করতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। গত বছরের ব্যালন ডরটা তার প্রাপ্য ছিল।’

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন

মেসির পুরস্কার নেয়া দেখেননি রোনালডো

মেসির পুরস্কার নেয়া দেখেননি রোনালডো

সাবেক ক্লাবের জার্সিতে মেসি ও রোনালডো। ছবি: সংগৃহীত

ব্যালন ডরের অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে গেছেন ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যালনজয়ী এ পর্তুগিজ সুপারস্টার। হয়তো জানতেন পুরস্কার পাওয়া হচ্ছে না বা কোনো ব্যক্তিগত কারণে অনুষ্ঠানে থাকতে পারেনি তিনি।

ব্যালন ডরের পুরস্কারের জন্য পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ যেখানে প্যারিসে, তখন ইংল্যান্ডে থেকে গেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে গেছেন ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যালনজয়ী এ পর্তুগিজ সুপারস্টার।

হয়তো জানতেন পুরস্কার পাওয়া হচ্ছে না বা কোনো ব্যক্তিগত কারণে অনুষ্ঠানে থাকতে পারেনি তিনি।

তবে না থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অভিমত জানাতে ভোলেননি রোনালডো।

‘ব্যালন সংখ্যায় মেসিকে ছাড়ানোই রোনালডোর একমাত্র লক্ষ্য’, কয়দিন আগে এমন একটি মন্তব্য করেছিলেন ফ্রান্স ফুটবলের সম্পাদক পাসকাল ফের। তার এ বক্তব্যকে প্রত্যাখান করেছেন সিআরসেভেন।

তাকে মিথ্যাবাদী উল্লেখ করে এক ইন্সটাগ্রাম পোস্টে রোনালডো লেখেন, ‘গত সপ্তাহে পাসকাল ফের বলেছেন, আমি তার কাছে স্বীকার করেছি যে লিওনেল মেসির চেয়ে বেশি ব্যালন নিয়ে আমার ক্যারিয়ার শেষ করার উচ্চাকাঙ্ক্ষা আছে। পাসকাল মিথ্যা বলেছে। আমার নাম ব্যবহার করেছে নিজের প্রচারের জন্য ও সে যে পদে কাজ করে তার প্রচারের জন্য।’

নিজের ক্যারিয়ারের লক্ষ্যের বিষয়টি স্পষ্ট করে তিনি লেখেন, ‘আমার ক্যারিয়ারের সবসময়ের আকাঙ্ক্ষা হল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেতাব জেতা। আরেকটি আশা হল যারা পেশাদার ফুটবলার হতে চান বা হতে চান তাদের জন্য একজন ভালো আদর্শ হওয়া।

‘আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে নিজের নাম লিখে রাখা।’

আপাতত অন্য কোনোদিকে মনোযোগ দেয়ার সময় নেই রোনালডোর। নিজের সকল ফোকাস ক্লাবকে ঘিরে জানালেন রোনালডো, ‘আমার ফোকাস ইতোমধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরের খেলায়।’

ব্যালন জয়ের র‌্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে থেকে বছর শেষ করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। ২০১০ সালের পর এই প্রথম সেরা তিনের বাইরে ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন

মেসির হাতে উঠল সপ্তম ব্যালন ডর

মেসির হাতে উঠল সপ্তম ব্যালন ডর

সপ্তম ব্যালন ডর ট্রফি হাতে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চারবার ব্যালন জেতেন মেসি। তিন বছর বাদে ২০১৫ সালে জেতেন পাঁচ নম্বর ট্রফি। ২০১৯ সালে ষষ্ঠবার জিতে সবাইকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ জয়ী হন। এবার সেটিকে নিয়ে গেলেন সাতে।

এর আগে ষষ্ঠবার জিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ ব্যালন ডর জয়ী ছিলেন লিওনেল মেসি। এবার সংখ্যাটিকে নিয়ে গিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। সপ্তমবারের মতো ব্যক্তিগত সেরা ফুটবলারের পুরস্কারটা জিতে নিলেন আর্জেন্টাইন মেগাস্টার।

বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ৪০ মিনিটে প্যারিসের আলো ঝলমলে থিয়েটার দ্যু শ্যাটেলে অডিটোরিয়ামে মেসির হাতে তুলে দেয়া হয়ে সেরা ফুটবলারের পুরস্কার ব্যালন ডির। তুলে দেন ফুটবল জগতে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু লুইস সুয়ারেস।

দিন যত এগিয়ে আসছিল বিশ্ব ফুটবলে গুঞ্জন বেড়ে চলছিল। বিশ্বের সেরা ফুটবলারের পুরস্কারটা কার হাতে উঠছে এ নিয়ে আলোচনা ডানা কম মেলেনি! কখনও বেনজেমা, কখনও লেওয়ানডোভস্কি, কখনও জর্জিনিয়ো, কখনও মেসি আবার কখনও রোনালডো।

গুঞ্জন হওয়াটাই স্বাভাবিক। ব্যালন ডর নিয়ে একটু বেশি আগ্রহ থাকেই। ২৪ নভেম্বর শেষ হয়ে যায় ব্যালন ডর বিজয়ী নির্ধারণের ভোটাভুটির পর্ব। এর পর থেকে যত কল্পনা-জল্পনা এই পুরস্কারকে ঘিরে।

এবারে মেসি, রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি আর কারিম বেনজেমার মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল। অবশেষে তা উঠেছে মেসির হাতে।

এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চারবার ব্যালন জেতেন মেসি। তিন বছর বাদে ২০১৫ সালে জেতেন পাঁচ নম্বর ট্রফি।

২০১৯ সালে ষষ্ঠবার জিতে সবাইকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ জয়ী হন। এবার সেটিকে নিয়ে গেলেন সাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবার ব্যালন জিতেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্থগিত করা হয় ব্যালন ডর পুরস্কার।

২০২১ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথমবার কোপা আমেরিকার শিরোপা ঘরে তোলেন মেসি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার বগলদাবা করেন।

এই টুর্নামেন্টে মেসির পারফরম্যান্স মূলত ব্যালন জেতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

একই রাতে সেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি। গত মৌসুমে বুনডেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২৯ ম্যাচে এই পোলিশ স্ট্রাইকার করেন রেকর্ড ৪১ গোল। ২০২০ সালে ফিফা দ্য বেস্টও জিতে নিয়েছিলেন তিনি।

সেরা তরুণ তারকার পুরস্কার পান বার্সেলোনা ও স্পেনের মিডফিল্ডার পেদ্রি। আর সেরা গোলকিপার হয়েছেন পিএসজির ইতালিয়ান গোলকিপার জানলুইজি দোন্নারুম্মা।

সেরা নারী ফুটবলারের ট্রফি উঠেছে স্পেন ও বার্সেলোনার আলেক্সিয়া পুতেয়াসের হাতে। বছরের সেরা ক্লাব হয় চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী চেলসি।

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন

ইনজুরিতে দুই মাস মাঠের বাইরে নেইমার

ইনজুরিতে দুই মাস মাঠের বাইরে নেইমার

ইনজুরিতে ৬-৮ সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন নেইমার। ছবি: টুইটার

চোটের বিষয়টি সোমবার টুইটারে এক বিবৃতির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। বিবৃতিতে তারা জানায়, লিগামেন্টের চোটের ৬-৮ সপ্তাহ ম্যাচ ম্যাচের বাইরে থাকছেন নেইমার।

লিগ ওয়ানে সেইন্ট এতিয়েনের বিপক্ষে ম্যাচে পাওয়া চোট প্রায় দুই মাস ছিটকে দিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) নেইমার জুনিয়রকে। সামনের সাত ম্যাচ মিস করতে চলেছেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি এ ফুটবলার।

তার চোটের বিষয়টি সোমবার টুইটারে এক বিবৃতির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

বিবৃতিতে তারা জানায়, লিগামেন্টের চোটের ৬-৮ সপ্তাহ ম্যাচ ম্যাচের বাইরে থাকছেন নেইমার।

ইনজুরির সঙ্গে ব্রাজিলিয়ানের যেন যুগ যুগের সম্পর্ক। সাও পাওলো, বার্সেলোনা বা পিএসজি যেখানেই গেছেন ইনজুরি পিছু ছাড়েনি। ক্যারিয়ারে সবমিলে দুই ডজনের বেশিবার ইনজুরিতে পড়েছেন নেইমার।

এবারের ইনজুরিতে ৭ ডিসেম্বরের চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ মিস করছেন নেইমার। সবমিলে অন্তত সাত ম্যাচ পাচ্ছেন না এ ব্রাজিলিয়ান।

নেইমার ছাড়াও ইনজুরিতে থাকা দলের অন্যান্য ফুটবলারের বিষয়ে অগ্রগতি জানিয়েছে পিএসজি।

মিডফিল্ডার মার্কো ভেরাত্তি অনুশীলনে ফিরেছেন সোমবার। মঙ্গলবার থেকে অনুশীলন শুরু করবেন দলের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মাউরো ইকার্দি।

দলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার অনুশীলনে শুরুর কথা মিডফিল্ডার জর্জিনিয়ো উইনালডামের। আন্দের এরেরা ফিরবেন আগামী সপ্তাহে। আর ইউলিয়ান ড্র্যাক্সলারের ফিরতে সময় লাগবে অন্তত ২-৩ সপ্তাহ।

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন

নাটকীয় জয়ে স্বাধীনতা কাপ শুরু আবাহনীর

নাটকীয় জয়ে স্বাধীনতা কাপ শুরু আবাহনীর

মেহেদী হাসান রয়েলের গোলের পর আবাহনীর উল্লাস। ছবি: বাফুফে

সোমবার টুর্নামেন্টের এ-গ্রুপের ম্যাচে স্বাধীনতা কেএসকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আবাহনী। সবশেষ ১৯৯০ সালে স্বাধীনতা কাপ জিতেছিল প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দলটি।

স্বাধীনতা কাপের মিশন জয় দিয়ে শুরু করল ঢাকা আবাহনী। চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে উঠে এসে থেকে ঘরোয়া ফুটবলের শীর্ষ টুর্নামেন্টে প্রথমবার খেলা স্বাধীনতা কেএসকে হারিয়েছে মারিও লেমসের বাহিনী।

সোমবার টুর্নামেন্টের এ-গ্রুপের ম্যাচে স্বাধীনতা কেএসকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আবাহনী।

এ জয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে নেমেছে লেমসের দল। সবশেষ ১৯৯০ সালে স্বাধীনতা কাপ জিতেছিল প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দলটি।

এ ম্যাচের মধ্য দিয়ে আবাহনীর জার্সিতে অভিষেক হয়েছে কোস্টারিকার ফুটবলার ড্যানিয়েল কলিনদ্রেস, মেহেদী হাসান রয়েল, রাকিব হোসেন, সুশান্ত ত্রিপুরা ও ইরানিয়ান ডিফেন্ডার মিলাদ শেখের। দীর্ঘ ১০ মাস পর ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন নবীব নেওয়াজ জীবন।

তারকাসমৃদ্ধ আবাহনীকে ম্যাচের শুরুতেই চমকে দিতে পারত নবাগত দল স্বাধীনতা কেএস।

ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় লিড নিয়ে ফেলতে পারত তারা। মাঝমাঠ থেকে উজবেক মিডফিল্ডার নদিরের দেয়া বল আবাহনীর রক্ষণের ওপর দিয়ে ভেসে ওঠার সময় চিপ করেন নেদো তুর্কভিচ।

বল বারে লেগে ফিরে আসলে হতাশ হতে হয় স্বাধীনতাকে। বিপদমুক্ত হয় আবাহনী।

মিনিট দুয়েক পর সুযোগ হাতছাড়া করে আবাহনী। ড্যানিয়েল কলিনদ্রেসের স্টপ কিকে বল জালে জড়ান আবাহনীর ইরানিয়ান ডিফেন্ডার মিলাদ শেখ।অফসাইডের ফাঁদে গোল বাতিল হলে হতাশ হয়ে ফিরতে হয় আকাশী-হলুদ জার্সিধারীদের।

ম্যাচের ২৯ মিনিটে মেহেদী হাসান রয়েলের গোলে লিড নেয় আবাহনী। নুরুল নাইম ফয়সালের ক্রস থেকে হেডে আবাহনীর জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে নিজের নামের পাশে গোল যোগ করেন রয়েল।

প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমেও ব্যবধান বাড়াতে পারত আবাহনী। কলিনদ্রেসের দূর পাল্লার শট বারে লেগে ফিরে আসলে গোল পাওয়া হয়নি কোস্টারিকার এ ফুটবলারের।

বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণ অব্যাহত রাখে আবাহনী। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে মেহেদীর ক্রস থেকে ইমন বাবুর হেড রুখে দেয় স্বাধীনতার রক্ষণ।

এর ঠিক মিনিট তিনেক পর সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয় স্বাধীনতার। রাফালের ক্রস থেকে ডিফেন্ডার সিমাক কুরেইশির হেড চলে যায় বদলি হিসেবে নামা ফরোয়ার্ড জিল্লুর রহমানের কাছে। তার হেড বারে লেগে ফিরতি বল জিল্লুরের হাতে লেগে জালে জড়ালে হ্যান্ডবল দেন রেফারি।

ম্যাচের ৭৪ মিনিটে একক নৈপুণ্যে গোল করে ব্যবধান বাড়ান আবাহনীর মিডফিল্ডার রাফায়েল আগুস্তো। জীবনের আস পায়ে আসার পর একেবারে সাইড লাইন থেকে কাটিয়ে চার ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বল নিয়ে বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান এই ব্রাজিলিয়ান।

এর পর গোলকিপারকে ওয়ান টু ওয়ান পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হোন আবাহনীর রাকিব হোসেন।

ম্যাচে ফিরতে মরিয়া স্বাধীনতা কেএস ম্যাচের ইনজুরি টাইমে নাটক জমিয়ে ফেলে। ডি-বক্সের ভেতর থেকে দারুণ ভলিতে দলের ব্যবধান কমান দলটির মিডফিল্ডার নদিরবেক মাদলোনভ।

শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা আবাহনী। এ জয়ে গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে উঠে গেল মারিও লেমসের বাহিনী।

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন

রোনালডোদের নতুন বস রাংগনিক

রোনালডোদের নতুন বস রাংগনিক

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন ম্যানেজার রালফ রাংগনিক। ছবি: এএফপি

নতুন ম্যানেজার হিসেবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নিয়োগ দেয়া হয়েছে জার্মান কোচ রালফ রাংগনিককে। মৌসুমের শেষ পর্যন্ত থাকবেন এ জার্মান কোচ। পরে পূর্ণকালীন কোচ নিয়োগ দেয়া হলে তিনি পরের দুই বছর পরামর্শক হিসেবে ক্লাবে কাজ করবেন।

ওলে গানার শোলস্কোয়ারের বিদায়ের পর অন্তর্বর্তীকালীন ম্যানেজার হিসেবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নিয়োগ দেয়া হয়েছে জার্মান কোচ রালফ রাংগনিককে।

শোলস্কায়ারের বিদায়ের সপ্তাহখানের মধ্যে ম্যানেজার নিযুক্ত করেছে রেড ডেভিলরা।

রোববার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। শিগগিরই রাংগনিকের কোচিং স্টাফও চূড়ান্ত করে ফেলবে সাবেক ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা।

ক্লাবের ডিরেক্টর জন মারটাফ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘রালফ একজন সম্মানিত কোচ ও ইউরোপীয় ফুটবলে একজন সৃজনশীল কোচ। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন ম্যানেজার হিসেবে আমাদের এক নম্বর পছন্দ ছিলেন। আশা করছি, তার অভিজ্ঞতা দলকে একটা ভালো অবস্থানে নিতে সহায়তা করবে।’

মৌসুমের শেষ পর্যন্ত থাকবেন এ জার্মান কোচ। পরে পূর্ণকালীন কোচ নিয়োগ দেয়া হলে তিনি পরের দুই বছর পরামর্শক হিসেবে ক্লাবে কাজ করবেন।

নিয়োগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ রালফ রাংগনিক বলেন, ‘আমি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিতে পেরে আনন্দিত। আশা করছি দলকে এ মৌসুমে সাফল্য এনে দিতে পারব।’

রাংগনিক এর আগে জার্মানির বুন্ডেসলিগায় শালকে জিরো ফোর ও আরবি লাইপসিগের মতো দলগুলোর ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন। প্রথমবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো দলকে কোচিং করাবেন এ জার্মান কোচ।

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন

মেসি না লেভা: রাতে জানা যাবে কে পাচ্ছেন ব্যালন

মেসি না লেভা: রাতে জানা যাবে কে পাচ্ছেন ব্যালন

ছবি: সংগৃহীত

আয়োজনের সব আলো মূলত মেসি ও লেওয়ানডোভস্কিকে ঘিরেই। বার্সেলোনার হয়ে শেষ মৌসুমে ৩০ গোলের পাশাপাশি জিতেছেন কোপা দেল রে। তবে মেসির সবচেয়ে বড় সাফল্য জাতীয় দলের হয়ে কোপা আমেরিকা জয়।

বিশ্বসেরা ফুটবলারের পুরস্কার ব্যালন ডর ঘোষণা করা হবে রাতে। প্যারিসের থিয়েটার দ্যু শ্যাটেলেতে বাংলাদেশ সময় রাত দেড়টায় শুরু হবে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের শেষে জানা যাবে কার হাতে উঠছে সোনার বল। লিওনেল মেসির সপ্তম নাকি রবার্ট লেওয়ানডোভস্কির প্রথম? নাকি থাকছেন নতুন কেউ? উত্তর জানতে অপেক্ষা আর কয়েক ঘণ্টার।

এবারের আয়োজনের সব আলো মূলত মেসি ও লেওয়ানডোভস্কিকে ঘিরেই। বার্সেলোনার হয়ে শেষ মৌসুমে ৩০ গোলের পাশাপাশি জিতেছেন কোপা দেল রে। তবে মেসির সবচেয়ে বড় সাফল্য জাতীয় দলের হয়ে কোপা আমেরিকা জয়।

যে কারণে মেসিকেই ধরা হচ্ছে ৭ নম্বর ব্যালন ডরের জন্য ফেভারিট। স্পেনের অনেক সংবাদমাধ্যম আগ বাড়িয়ে এও বলে দিয়েছে যে মেসিই নিশ্চিত বিজয়ী।

মেসির সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন লেওয়ানডোভস্কি। গত মৌসুমে বুনডেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২৯ ম্যাচে এই পোলিশ স্ট্রাইকার করেন রেকর্ড ৪১ গোল। ২০২০ সালে ফিফা দ্য বেস্টও জিতে নিয়েছিলেন তিনি।

গত এক দশকে ১২টি ব্যালন ডরের মধ্যে ১১টি মেসি ও রোনালডো একে অপরের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ও ক্রোয়েশিয়াকে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতে সহযোগিতা করার জন্য ২০১৮ সালে লুকা মডরিচ জেতেন এই ট্রফি।

এবারে অবশ্য অনেকটা পিছিয়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ এই গোলদাতা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেবার পর ইউরোপে খেলা পাঁচ ম্যাচের সব কটিতে গোল করেছেন।

তবে গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে কোনো শিরোপা জেতেননি রোনালডো। সবশেষ ২০১৭ সালে নিজের পঞ্চম ব্যালন ডর জেতেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা।

৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা ইউরো ২০২০ বিজয়ী ইতালির পাঁচজন সদস্যের মধ্যে অন্যতম হলেন চেলসি মিডফিল্ডার জর্জিনিয়ো। এ ছাড়া নেইমার ও লিভারপুলের মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহর সঙ্গে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে ও নরওয়ের আর্লিং হালান্ড।

আরও পড়ুন:
রাতে দর্শকশূন্য এল ক্লাসিকো

শেয়ার করুন