× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Why Musks Starlink will not work in Iran?
hear-news
player
google_news print-icon

মাস্কের স্টারলিংক ইরানে কেন কাজ করবে না?

মাস্কের-স্টারলিংক-ইরানে-কেন-কাজ-করবে-না?
ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ইলন মাস্ক যে স্টারলিংক পরিষেবা ইরানিদের জন্য উন্মুক্ত করতে চান সেটি রাতারাতি করা সম্ভব নয়। ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত করতে যে হার্ডওয়্যার দরকার সেই টার্মিনাল ইরানে ঢোকাতে চোরাইপথে। এটা ব্যয়সাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ। বাড়তি খরচ করতে হবে কয়েক মিলিয়ন ডলার।

‘স্টারলিংক চালু করছি’

নারীর পোশাকের স্বাধীনতার আন্দোলন দমনে ইরান সরকার ইন্টারনেট পরিষেবা প্রায় অচল করে দেয়ার মধ্যে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেনের এক টুইটের জবাবে এমনটি লিখে সংবাদের শিরোনাম হন বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক।

বিশ্বের সঙ্গে ইরানিদের যোগাযোগের ব্যবস্থা উন্মুক্ত রাখতে নিজের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্সের স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুযোগ তৈরির ঘোষণা দিয়েছিলেন মাস্ক।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারও মাস্কের এ প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিয়ে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করে। বাইডেন প্রশাসন মাস্কের উদ্যোগকে তরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় অনুমতিও দিয়েছে।

স্যাটেলাইট লিংকের মাধ্যমে ইরানে ইন্টারনেটের ব্যবহার সহজ করা অসম্ভব নয়। তবে কয়েকটি চ্যালেঞ্জের কারণে বিষয়টি অত্যন্ত কঠিন।

পুলিশি হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনি ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়ার পর ইরানে টানা বিক্ষোভ ১৩তম দিনে গড়িয়েছে। দেশটির ৩১ প্রদেশের বেশিরভাগেই ছড়িয়ে পড়েছে তুমুল প্রতিবাদ। এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৬ জনের প্রাণহানি ও ১২শর বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

‘নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ’ দেখিয়ে কর্তৃপক্ষ ইরান জুড়ে কঠোর ইন্টারনেট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

স্টারলিংক কার্যকর করতে কী প্রয়োজন?

ইলন মাস্ক যে স্টারলিংক পরিষেবা ইরানিদের জন্য উন্মুক্ত করতে চান সেটি রাতারাতি করা সম্ভব নয়। এজন্য আগে ব্যবহারকারীদের নিবন্ধন করতে হবে। ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত করতে যে হার্ডওয়্যার দরকার সেই স্টারলিংক টার্মিনালগুলোকে সচল করে স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু করার পর স্টারলিংক ইউক্রেনে ১৫ হাজার টার্মিনাল পাঠিয়েছে। তবে ইরানের ক্ষেত্রে বিষয়টি সহজ নয়। এসব টার্মিনালকে স্বাভাবিক কারণেই দেশে ঢুকতে বাধা দেবে তেহরান।

একমাত্র উপায় হলো হাজারো টার্মিনাল চোরাইপথে ইরানে ঢোকাতে হবে। এটা ব্যয়সাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ। বাড়তি খরচ করতে হবে কয়েক মিলিয়ন ডলার।

যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে ইন্টারনেট-সম্পর্কিত কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পর একে ‘ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন’ প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

একই দিনে ইরানে স্টারলিংকের ওয়েবসাইট ব্লক করে দেয়া হয়।

সম্ভাব্য আইনি জটিলতাগুলো কী?

স্টারলিংক ‘অ্যাকটিভেশন’-এর খবর ইরানিদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। অনেকেই এই পরিষেবার ওপর ভরসা করে আছেন।
তবে এই ঘোষণা অন্য ঝুঁকিও তৈরি করেছে। ব্যবহারকারীদের ধোঁকা দিতে স্টারলিংকের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে ম্যালওয়্যার তৈরি করছে হ্যাকাররা।

ইরান সরকারের সহযোগিতা ছাড়াই পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিতে চাইলে স্টারলিংক আইনি জটিলতার মুখেও পড়তে পারে। পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের আইনি অভিযোগ করার ইতিহাস রয়েছে।

স্টারলিংক নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে গেলে ইরান আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিউ), জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা অন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আইনিভাবে এর প্রতিকার চাইতে পারে।

ইরানের জনপ্রিয় ব্লগার ও প্রোগ্রামার জাদি এক টুইট বার্তায় লেখেন, ‘আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন করে একটি কোম্পানি ইরানে পরিষেবা দিতে পারে না। ইসলামি প্রজাতন্ত্র কোম্পানিটির বিরুদ্ধে একটি বাস্তবসম্মত অভিযোগ করবে এবং সেটি কোম্পানির জন্য সমস্যা তৈরি করবে।’

ইরানে বর্তমানে ইন্টারনেট নিষেধাজ্ঞা কতটুকু?

জ্বালানির দাম আকস্মিকভাবে বেড়ে যাওয়ার পর ২০১৯ সালে নভেম্বরে ইরান জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। তখন প্রায় এক সপ্তাহ ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। দেশটির সাড়ে আট কোটির মানুষের অধিকাংশ অফলাইনে ছিলেন।

বিক্ষোভের পরের কয়েকদিন স্থানীয় ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ রাখা হয়। সরকারি অফিস ও ব্যাংকগুলোও অফলাইনে চলে যায়। প্রথম সপ্তাহের পর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। তবে দেশের বেশ কিছু জায়গায় বিক্ষোভ চলমান থাকায় সেখানে ইন্টারনেট সীমিত করে রাখা হয়।

এবারে চিত্র ভিন্ন। কর্তৃপক্ষ এবার ভিন্ন উপায়ে ইন্টারনেট সেবার বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।

স্থানীয় ওয়েবসাইট ও সার্ভিসগুলো এমনভাবে অনলাইনে রাখা হয়েছে যাতে অর্থনীতিতে তেমন প্রভাব না পড়ে। কয়েকটি ইন্টারনেট প্রোভাইডার বিশেষ করে প্রাইভেট কোম্পানিও, অন্যদের তুলনায় কম ঝামেলা পাহাচ্ছে।

তবে এমসিআই ও ইরানসেলের মতো দেশের বৃহত্তম সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা মোবাইল ও ঘরে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন না।

সন্ধ্যার পর বেশি বিক্ষোভের ঘটনা ঘটায় বিকেল ৪টা থেকে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত সংযোগ সীমিত রাখা হচ্ছে। তখন প্রাইভেট ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) সংযোগ ব্যবহারও অত্যন্ত কঠিন।

সারা দেশে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম ব্লক করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া ও মেসেজিং অ্যাপগুলো ফিল্টার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ইরান বিক্ষোভের পরিণতি কী?
নারী কোন পোশাক পরবে, সে সিদ্ধান্ত নারীর: মালালা
ইরানে গুলির মুখেও বিক্ষোভকারীরা অটল, নিহত বেড়ে ৭৬

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Lava is coming out of the worlds largest volcano

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট উপরে মাউনা লোয়া শৃঙ্গ থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে। ছবি: ইউএসজিএস
আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

৩৮ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউনা লোয়া থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ রাজ্য হাওয়াইতে স্থানীয় সময় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় আগ্নেয়গিরিটি থেকে লাভার উদগিরণ শুরু হয়। এরই মধ্যে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তার মাত্রা বাড়িয়েছে প্রশাসন। এ খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

অগ্ন্যুৎপাত শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই অঞ্চলে রিখটার স্কেল প্রায় তিন মাত্রার ১০টির বেশি ভূকম্পন আঘাত হেনেছে। তবে সবচেয়ে বেশি মাত্রার ভূকম্পনটি ছিল ৪ দশমিক ২ মাত্রার।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে উদগিরিত গলিত লাভা পবর্তের সুউচ্চ শৃঙ্গ কলডেরাসে সীমাবদ্ধ রয়েছে। পাদদেশের বাসিন্দাদের জন্য এটি তেমন বিপজ্জনক নাও হতে পারে। তবে আগের ভয়াবহ উদগিরণের কথা বিবেচনায় রেখে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তা বাড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, লাভার পরিমাণ যেকোনো সময় বাড়তে পারে এবং তা গড়িয়ে পাদদেশে নেমে এসে জনবহুল দুটি শহর হিলো ও কোনাতে ধ্বংসলীলা চালাতে পারে।

আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

ইউএসজিএস জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সতর্কতার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তায় জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হবে।

হাওয়া ভলকানোস ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে অবস্থিত মাউনা লোয়া পর্বতটি হাওয়াইয়ের ‘বিগ আইল্যান্ড’-এ অর্ধেকেরও বেশি জায়গা দখল করে রেখেছে। মাউনা লোয়া পবর্তটি ২,০০০ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

আগ্নেয়গিরির চূড়াটি সমুদ্রের উপরিভাগ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট ওপরে।

এর আগে ১৯৮৪ সালের অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল মাউনা লোয়াতে। সে সময় ওই দ্বীপের সবচেয়ে জনবহুল শহর হিলোর পাঁচ মাইল ভেতরেও লাভা চলে গিয়েছিল।

চার দশকে এই বিগ আইল্যান্ডের জনসংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে দুই লাখের বেশি।

১৮৪৩ সাল থেকে মাউনা লোয়ায় অন্তত ৩৩টি অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে সুনামি সতর্কতা
সাগরতলে অগ্ন্যুৎপাত, টোঙ্গায় সুনামি
আবার জেগেছে নিরাগঙ্গো, আতঙ্কে ডিআর কঙ্গো
ভাঙল ৮০০ বছরের ঘুম

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Bangladesh Luxembourg flight is starting

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গ ফ্লাইট

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গ ফ্লাইট সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘চুক্তির ফলে উভয় দেশেই ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে। ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরো ভালো হবে। এখন চুক্তি হলো। এরপর বাজার সম্প্রসারণ করার চিন্তাভাবনা করে তারা বাস্তবায়নে যাবে।’

বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যুক্ত হতে ফ্লাইট চলাচল চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এর ফলে উভয় দেশেই ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে। ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরো ভালো হবে। এখন চুক্তি হলো। এরপর বাজার সম্প্রসারণ করার চিন্তাভাবনা করে তারা বাস্তবায়নে যাবে।’

এর পাশাপাশি বৈঠকে বাংলাদেশ বিমান (রহিত বাংলাদেশ বিমান অর্ডার ১৯৭২ পুনর্বহাল এবং সংশোধন) আইন ২০২২ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরের আগে দেশ কিন্তু পিও অর্ডার বা প্রেসিডেন্ট অর্ডারে চলেছে। সে বছরের ৪ নভেম্বর যখন সংবিধান হলো, তখন থেকে পিও অর্ডারগুলো সংবিধানের আওতায় আইন হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

‘সুতরাং পিও অর্ডার সংবিধানের অংশ। তখন কেবিনেটে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হলো এগুলো বহাল রাখতে হবে। নইলে আমাদের সরকারের ইতিহাস থাকবে না। এরপর ১৯৭৭ সালে একটি কর্পোরেশন করে; ২০০৭ সালের ১১ জুলাই কোম্পানি করে দেয় বিমান।

‘এরপর একটি অধ্যাদেশ করে ২০১১ সালের ২৫ জুলাই আবার এটিকে কোস্পানি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আইনে বলেছে, ২০০৭ সালের ১১ জুলাই পরে আবার বলে ২৫ জুলাই... এটা নিয়ে একটা বিরোধ তৈরি হচ্ছে। এ জন্য তারা (বিমান মন্ত্রণালয়) একটি সংশোধন নিয়ে আসছে। সেটা হলো, ১৯৭২ সালের পিও অর্ডারে ফিরে যাবে। কিন্তু ২০০৭ সালে ১১ জুলাই থেকে যে কোম্পানি করা হলো সেটা বজায় থাকবে। এই ছোট সংশোধন নিয়ে আসছে বেসরকারি বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।’

আরও পড়ুন:
টেক্সাসে মাঝ আকাশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ২ বিমানের সংঘর্ষ
বিমানের সারচার্জ মওকুফ ঠিক হবে না: বেবিচক
তানজানিয়ার উড়োজাহাজ হ্রদে পড়ে নিহত ১৯
বিমানের ৩,৪৪৯ কোটি টাকার সারচার্জ মওকুফ
বিমানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় এমডির কক্ষ থেকে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Iran calls for the United States to be kicked out of the World Cup

যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের বিশ্বকাপে ম্যাচ শুরুর আগে প্রদর্শিত হচ্ছে ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবারই কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী রাউন্ডে যেতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে ইরানকে। এর আগেই ছড়িয়েছে এই উত্তেজনা।

যুক্তরাষ্ট্রকে চলমান কাতার বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের পতাকার ছবি বিকৃত করার অভিযোগ তুলে এই আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবারই কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী রাউন্ডে যেতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে ইরানকে। এর আগেই ছড়িয়েছে এই উত্তেজনা।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ নিয়ে রোববার ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। সেই পোস্টে তারা ইরানের পতাকার মাঝে থাকা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতীক বাদ দিয়ে বিকৃত ছবি প্রকাশ করে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয় তেহরান।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন সিএনএনকে জানায়, মৌলিক মানবাধিকারের জন্য ইরানের নারীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে তারা ২৪ ঘণ্টার জন্য দেশটির পতাকা পরিবর্তন করে। তবে ইরানের মূল পতাকা আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইট ও অন্যান্য জায়গায় আছে বলেও জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র সিএনএনকে জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ফুটবল ফেডারেশন পতাকা পরিবর্তন করেনি।

তিনি সিএনএনকে বলেন, ‘আমরা মাঠে শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের অপেক্ষায় আছি। নারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সহিংসতা এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নৃশংস দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণকে সহায়তা করার উপায় খুঁজছে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম রোববায় জানায়, পতাকা বিকৃতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয়া উচিত এবং ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা উচিত।

আরও পড়ুন: আন্দোলনে সংহতি: জাতীয় সংগীত গায়নি ইরান দল

এ নিয়ে ফিফার কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পায়নি সিএনএন।

সঠিকভাবে হিজাব না করার অভিযোগে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যু হয় গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে। যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত রাজতন্ত্রকে উৎখাত করার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ইরানে ইসলামি বিপ্লব ঘটে। এ বিপ্লবের চার বছর পর ইরানে হিজাব বাধ্যতামূলক করা হয়।

আরও পড়ুন:
ছয় গোলের রোমাঞ্চ উপহার দিল সার্বিয়া ও ক্যামেরুন
যে স্টেডিয়ামে ব্রাজিল-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ
তিতের বিশ্বাস নেইমারের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায়নি

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Saudi wants to buy Manchester United Liverpool

ম্যানইউ-লিভারপুল কিনতে চায় সৌদি আরব

ম্যানইউ-লিভারপুল কিনতে চায় সৌদি আরব ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুলের ম্যাচ। ছবি: সংগৃহীত
সৌদি ক্রীড়ামন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল বিবিসিকে জানিয়েছেন, কোনো বেসরকারি সংস্থা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল কিনতে চাইলে সরকার সহায়তা করবে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল নিউকাসল ইউনাইটেডের মালিক সৌদি মালিকানাধীন কনসোর্টিয়াম সৌদি পাবলিক ইনভেস্ট ফান্ড (পিআইএফ)। এবার দেশটি ওই লিগের অন্য দুই দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল কিনতে চাইছে।

সৌদি ক্রীড়ামন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল বিবিসিকে জানিয়েছেন, কোনো বেসরকারি সংস্থা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল কিনতে চাইলে সরকার সহায়তা করবে।

তিনি যোগ করেন, ‘সৌদিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ খুব জনপ্রিয় এবং অনেক দর্শক রয়েছে। বেসরকারিভাবে কেউ এগিয়ে এলে আমরা অবশ্যই তাদের সমর্থন করব। কারণ আমরা জানি যে এটি দেশের মধ্যে খেলাধুলায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

কয়েকদিন আগেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দিনই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্জেন্টিনার তারকা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি সৌদি আরবের বিলিয়ন ডলারের ‘ভিশন ২০৩০’ প্রজেক্ট বাস্তবায়নে একটি অন্যতম অংশ।


সৌদির পর্যটনকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরাই ছিল এই চুক্তির বিষয়বস্তু। এই ভিশনের আওতায় সৌদি ২০৩০ বিশ্বকাপে আয়োজক হওয়ার পরিকল্পনা করছে।

ফুটবল বিশ্বের আরেক আইকন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোকে সৌদি ফুটবলের শীর্ষ ক্লাব আল নাসের ৩ বছরে ২২ কোটি ডলারের অবিশ্বাস্য অর্থের বিনিময়ে দলে ভেড়াতে চেয়েছিল। তবে রোনালডো রাজি হননি।

শুধু ফুটবলই নয় ফরমুলা ওয়ান, গলফ ও টেনিসের বিশ্বসেরা আসরগুলোও আয়োজন করতে চায় সৌদি সরকার।

আরও পড়ুন:
যেখানে অনন্য রোনালডো
স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ঘানাকে হারাল পর্তুগাল
বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার: রোনালডোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন ম্যানইউর

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Women look beautiful in nothing

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব বাবা রামদেব। ছবি: সংগৃহীত
রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

বিতর্কিত মন্তব্যে ফের আলোচনায় ভারতের যোগগুরু স্বামী রামদেব। এবার নারীর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ৫৭ বছরের এই সেলিব্রেটি।

ভক্তদের কাছে এই যোগগুরু বাবা রামদেব নামে পরিচিত। মহারাষ্ট্রের থানেতে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

রামদেবের এমন মন্তব্য ফুঁসে উঠেছে ভারতের নারীবাদীরা। নিন্দা জানিয়ে রামদেবকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল। রামদেবের ওই ভিডিও টুইট করেছেন তিনি।

এতে রামদেবকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের ভাগ্য ভালো। আমাদের সামনে যারা অবস্থান করছেন তারা শাড়ি পরার সুযোগ পেয়েছেন। পেছনেররা হয়তো সুযোগ পায়নি; সম্ভবত ওনারা বাসা থেকে শাড়িগুলো প্যাক করে এনেছে, তবে বদল করার সময় পাননি।

'আপনাদের শাড়িতে দারুণ লাগে, সালোয়ারেও তাই। কিছুই না পরলেও ভালো লাগে।’

রামদেব নারীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘সামাজিক নিয়মের জন্য পোশাক পরেন। শিশুরা কোনো কিছুই পরে না। আমরা ৮ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কিছুই পরিনি।’

দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল ভিডিওটি পোস্ট করে টুইটে বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর সামনে নারীদের নিয়ে স্বামী রামদেবের করা মন্তব্য অশালীন এবং নিন্দনীয়৷ এই বক্তব্যে নারীরা হতাশ হয়েছেন। বাবা রামদেবের ক্ষমা চাওয়া উচিত৷’

এ নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার প্রতিক্রিয়া জানায়নি। রামদেব বা তার প্রতিষ্ঠান পতঞ্জলির পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য আসেনি।

রামদেবের এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্র।

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরের ঘনিষ্ঠরাও এমন মন্তব্যকে ভালো চোখে দেখছেন না। উদ্ধব-ঘনিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় রাউত জানান, এই বাজে মন্তব্যের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর।

‘এই সরকার অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানে না।’

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Bank manager fired in Iran for serving women without hijab

হিজাবহীন নারীকে সেবা দিয়ে চাকরি গেল ব্যাংক কর্মকর্তার

হিজাবহীন নারীকে সেবা দিয়ে চাকরি গেল ব্যাংক কর্মকর্তার  মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইরানে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বার্তা সংস্থা মেহরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের রাজধানী তেহরানের কাছে অবস্থিত কোম প্রদেশের এক ব্যাংক ম্যানেজার বৃহস্পতিবার হিজাব না পরা এক নারীকে ব্যাংক সেবা দেন। পরে ওই ব্যাংক ম্যানেজারকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয় বলে জানায় কোম প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর আহমাদ হাজিজাদেহ।

হিজাব না পরা এক নারীকে সেবা দেয়ায় ইরানে এক ব্যাংক ম্যানেজারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে রোববার এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

ইরানের আইনে, নারীকে অবশ্যই তাদের মাথা, ঘাড়, চুল ঢেকে রাখতে হবে।

সঠিকভাবে হিজাব না করার অভিযোগে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যু হয় গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে।

ইরানের বার্তা সংস্থা মেহরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের রাজধানী তেহরানের কাছে অবস্থিত কোম প্রদেশের এক ব্যাংক ম্যানেজার বৃহস্পতিবার হিজাব না পরা এক নারীকে ব্যাংক সেবা দেন। পরে ওই ব্যাংক ম্যানেজারকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয় বলে জানায় কোম প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর আহমাদ হাজিজাদেহ।

মেহরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।



ইরানের বেশিরভাগ ব্যাংকই রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত। হাজিজাদেহ জানান, হিজাব আইন বাস্তবায়ন করা প্রতিষ্ঠান পরিচালকদের দায়িত্ব।

মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর শুরু হওয়া বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও আন্দোলনকারীসহ অন্তত ১৩০ জন ইরানে নিহত হয়েছেন।
ইরানের অভিযোগ, পশ্চিমারা আন্দোলনকে উস্কে দিচ্ছে। তাদের দাবি এটা কোনো বিক্ষোভ না, দাঙ্গা।

যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত রাজতন্ত্রকে উৎখাত করার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ইরানে ইসলামি বিপ্লব ঘটে। এ বিপ্লবের চার বছর পর ইরানে হিজাব বাধ্যতামূলক করা হয়।

তারপরও ইরানের নারীরা আঁটসাঁট জিন্স এবং ঢিলেঢালা রঙিন হেডস্কার্ফে পরতে পারতেন।

তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে অতি-রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হেডস্কার্ফ আইন কার্যকর করার জন্য সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে এক হওয়ার আহ্বান জানান।

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Protests against corona rules are increasing in China

চীনে করোনা বিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাড়ছে

চীনে করোনা বিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাড়ছে চীনে করোনাভাইরাসজনিত বিধিনিষেধের প্রতিবাদে সাংহাইয়ে বিক্ষোভে নামে হাজারো মানুষ। ছবি: বিবিসি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদেশি সাংবাদিকদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, উরুমকিতে মৃত ব্যক্তিদের স্মরণ ও করোনা বিধির বিরুদ্ধে সাংহাই শহরে বিক্ষোভে নামে হাজারো জনতা। তাদের মধ্যে অনেকে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল শিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমকিতে ভবনের আগুনে ১০ মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে দৃশ্যত বিস্তৃত হচ্ছে করোনাভাইরাসজনিত কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ।

বিবিসির রোববারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদেশি সাংবাদিকদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, উরুমকিতে মৃত ব্যক্তিদের স্মরণ ও কঠোর করোনাবিধির বিরুদ্ধে সাংহাই শহরে বিক্ষোভে নামেন হাজারো জনতা। তাদের মধ্যে অনেকে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

উরুমকিতে আগুনে মৃত্যুর জন্য অনেকে আবাসিক ভবনগুলোতে লকডাউনকে দায়ী করেন, তবে চীন কর্তৃপক্ষ এই কারণ মানতে নারাজ।

আগুনে প্রাণহানির পর উরুমকির কর্মকর্তারা শুক্রবার রাতে দুঃখ প্রকাশ করে দায়িত্বে অবহেলাকারীদের শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আগুনে মৃতদের স্মরণে সাংহাইয়ে সমবেত জনতার কয়েকজনকে মোমবাতি প্রজ্বালন করতে দেখা যায়। কেউ কেউ সড়কে ফুল রেখে ভুক্তভোগীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

অনেককে ‘শি চিনপিং, সরে দাঁড়াও’, ‘কমিউনিস্ট পার্টি, বিদায় নাও’ স্লোগান দিতে শোনা যায়। কাউকে কাউকে কালো ব্যানার নিয়ে দাঁড়াতেও দেখা যায়।

চীনে এ ধরনের প্রতিবাদ অস্বাভাবিক। দেশটিতে সরকার ও প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সরাসরি যেকোনো সমালোচনার পরিণতি হতে পারে কঠোর শাস্তি।

বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ পুলিশকে গালমন্দও করেন। তাদের একজন বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, তার এক বন্ধুকে পিটিয়েছে পুলিশ। দুজনের দিকে পিপার স্প্রে ছোড়া হয়েছে।

কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, লোকজন বিক্ষোভ করছে; পুলিশ তাকিয়ে দেখছে।

বিবিসির প্রতিবেদক দেখেছেন, বিক্ষোভস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
চীনে কমিউনিস্ট পার্টির ২০তম কংগ্রেস শুরু
মিয়ানমার নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল চীন
চীনা নাগরিকের ৭ বছরের কারাদণ্ড
চীনের প্রবৃদ্ধি অনুসরণ করতে হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
বিচারমন্ত্রীর বিচার বসাল চীন, দেয়া হলো মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

p
উপরে