× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

hear-news
player
print-icon

হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড কী

হাইড্রোজেন-পার-অক্সাইড-কী
ভাটিয়ারীতে কনটেইনার ডিপোতে পাওয়া হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের পাত্র। ছবি: নিউজবাংলা
ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ বলছে, কনটেইনার ডিপোটিতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড মজুত রয়েছে। সেখানে আগুন ও বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে ঘটনাস্থলে থাকা এই রাসায়নিক ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়িয়েছে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনায় আলোচনায় এসেছে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড নামের একটি রাসায়নিক দ্রব্য।

রপ্তানির জন্য হাটহাজারীর ঠাণ্ডাছড়ি কারখানায় উৎপাদিত এই রাসায়নিক কনটেইনারে করে এ ডিপোতে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ বলছে, কনটেইনার ডিপোটিতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড মজুত রয়েছে। সেখানে আগুন ও বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে ঘটনাস্থলে থাকা এই রাসায়নিক ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থার (সিডিসি) তথ্যানুযায়ী, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড একটি রাসায়নিক যৌগ। বিশুদ্ধ অবস্থায় এই দ্রব্য বর্ণহীন তরল। এটা অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ।

নিরাপত্তাজনিত কারণে সব সময় হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। এটি রকেটের জ্বালানিতে প্রোপেল্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড উত্তপ্ত হলে তাপীয় বিয়োজনে বিস্ফোরক হিসেবে আচরণ করে। তাই এটাকে কম তাপে নিরাপদে স্থানান্তর করা হয়।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আনিসুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডিপোর কর্মকর্তাদের বরাতে আমরা জানতে পেরেছি, কনটেইনারগুলোতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ছিল। তবে প্রথমে আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কেউ অবহিত করেনি।

‘এমন রাসায়নিকের আগুন নেভাতে হয় ফগ সিস্টেমে। আমরা এই পদ্ধতিতে এবং ফোমের মাধ্যমে এখন আগুন নেভানোর চেষ্টা করছি।’

এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধেও আলোচনায় এসেছিল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়েছিল এ নিয়ে নানা গুজব।

হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড কী

ফেসবুকে তখন ছড়িয়ে পড়ে, কোভিড আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তা করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে তাদের মেরে ফেলতে সক্ষম হবে। এমনকি কিছু চিকিৎসকও এই ভুয়া খবরের সঙ্গে একমত হয়েছিলেন।

তবে বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিন জানায়, এই তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। এই ধরনের কোনো বিষয় এখনও সামনে আসেনি। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাজমা এবং অ্যালার্জি ফাউন্ডেশন এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই নিয়ম মেনে চললে ভয়ংকর পরিণতি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য এই রাসায়নিক ব্যবহার করেন মূলত দাঁতের চিকিৎসকরা। বিজ্ঞানসম্মত নিয়ম অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে এই রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। শরীরের ভেতরে গ্রহণ করার জন্য এই রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না।

সঠিক নিয়ম মেনে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড না ব্যবহার করলে তা শরীরের ভেতরে গিয়ে বিষাক্ত কোনো পদার্থ তৈরি করতে পারে। যার ফলে শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

নেবুলাইজারের মাধ্যমে এটি গ্রহণ করলে তা সরাসরি ফুসফুসের মধ্যে প্রবেশ করে। ফলে ফুসফুসের মধ্যে থাকা কোষগুলোর ওপরে প্রভাব পড়ে এবং সেলুলর ডিএনএ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়।

হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড এতটাই শক্তিশালী রাসায়নিক যে এটি ফুসফুসে পৌঁছালে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমতে পারে। এমনকি দীর্ঘমেয়াদি রোগও হতে পারে।

অতিরিক্ত পরিমাণে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড শরীরে ঢুকলে শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে। তবে অনেক সময় ভাইরাস নির্মূল করতে ব্যবহার করা হয় এই রাসায়নিক।

আরও পড়ুন:
ডিপোয় আগুন: মনিটরিং টিমের দায় দেখছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী
বাড়ি ফিরে দেখা হলো না নবজাতকের মুখ
আগুন নিয়ন্ত্রণে দেরি যে কারণে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
The United States claims that China will occupy the moon

চাঁদ দখলে নেবে চীন, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

চাঁদ দখলে নেবে চীন, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের চাঁদ থেকে ফেরা চীনের চ্যাং-৫ লুনার প্রোব। ছবি: সংগৃহীত
নাসার প্রধান প্রশাসক বিল নেলসন জার্মান পত্রিকা বিল্ডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, চীনের সম্ভাব্য চাঁদে অবতরণ নিয়ে বিশ্বকে উদ্বিগ্ন হতে হবেং কারণ চীন তখন বলবে এটি (চাঁদ) এখন আমাদের এবং আপনি বাইরে থাকুন। জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, এমনটা প্রথমবার নয় যে নাসার প্রধান তথ্য উপেক্ষা করেছেন এবং চীন সম্পর্কে দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলেছেন।

খুব শিগগিরই অ্যাপোলো মিশনের পর আবারও চাঁদে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এবার নাসা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ঘুরে আসতে নয়, চাঁদে স্থায়ীভাবে থাকতে চাচ্ছে সংস্থাটি। স্পেসএক্সকে সঙ্গে নিয়ে ‘আর্টিমেস’ নাম দিয়ে নতুন এই চন্দ্র অভিযানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নাসা। কিন্তু নাসার প্রধান বিল নেলসন উল্টো দাবি করেছে, চাঁদ দখলের চেষ্টা করছে চীন।

তবে রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিং পাল্টা ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে মহাকাশকে যুদ্ধের স্থানে পরিণত করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।

এর আগে নাসার প্রধান প্রশাসক বিল নেলসন জার্মান পত্রিকা বিল্ডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, চীনের সম্ভাব্য চাঁদে অবতরণ নিয়ে বিশ্বকে উদ্বিগ্ন হতে হবে, কারণ চীন তখন বলবে এটি (চাঁদ) এখন আমাদের এবং আপনি বাইরে থাকুন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান সোমবার বিল নেলসনের অভিযোগের জবাবে বলেন, ‘এমনটা প্রথমবার নয় যে নাসার প্রধান তথ্য উপেক্ষা করেছেন এবং চীন সম্পর্কে দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলেছেন।

‘যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত চীনের স্বাভাবিক এবং যুক্তিসংগত মহাকাশ প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে এবং চীন দৃঢ়ভাবে এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের বিরোধিতা করে।‘

লিজিয়ানের দাবি, চীন বরাবরই অস্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে এবং দেশটি মহাকাশে মানবজাতির অংশীদারির ভবিষ্যৎ প্রচার করে।

তবে জার্মান পত্রিকা বিল্ডের তরফ থেকে নাসাপ্রধান নেলসনের কাছে চীনের মহাকাশে সামরিক উদ্দেশ্যের গতিপথ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেছিলেন, চীনের মহাকাশচারীরা অন্য দেশের উপগ্রহ কিভাবে ধ্বংস করতে হয় তা শিখছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে বেইজিং তার নিজস্ব চন্দ্র স্টেশন নির্মাণ করতে পারে এবং এর ঠিক এক বছর পরই তার পরীক্ষা শুরু করতে পারে।

৭৯ বছর বয়সী নাসাপ্রধান বিল নেলসন চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী মহাকাশ কর্মসূচির কঠোর সমালোচক।

বেইজিং বরাবরই বলে আসছে, তাদের মহাকাশ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।

বরঞ্চ চীন বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশে স্পেস জাঙ্ক তৈরি করছে, আক্রমণাত্মক মহাকাশ অস্ত্র তৈরি করছে এবং মহাকাশকে একটি অপারেশনাল ফ্রন্টিয়ার হিসেবে প্রকাশ্যে ঘোষণা করে মহাকাশ অস্ত্র অভিযানকে উসকে দেয়ার বাজে রেকর্ড রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের সময় মহাকাশ বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর পঞ্চম শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইউনাইটেড স্টেটস স্পেস কমান্ড নামে। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রই আনুষ্ঠানিকভাবে মহাকাশ বাহিনী গঠন করেছে।

আরও পড়ুন:
১৮৩ দিন পর ফিরলেন চীনের ৩ নভোচারী
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে প্লাজমা
মঙ্গলগ্রহে যেতে লাগবে লেটুস পাতা
পৃথিবীর প্রত্যেকে হবে বিলিয়নেয়ার!
সৌরজগতে তিন চাঁদের গ্রহাণু

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Less intelligent people make decisions based on news headlines

কম বুদ্ধির মানুষ সিদ্ধান্ত নেন খবরের শিরোনাম দেখেই

কম বুদ্ধির মানুষ সিদ্ধান্ত নেন খবরের শিরোনাম দেখেই গবেষণায় দেখা গেছে, বুদ্ধিবৃত্তিক মান যাদের বেশি তারা খবরের শিরোনাম দেখেই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেন না। ছবি: সংগৃহীত
গবেষকেরা বলছেন, ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি বা আমরা যা জানি সেটা ভুলও হতে পারে। রাজনৈতিক ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যাচাই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আর সেটি করতে হলে নিজেদের জ্ঞান সম্বন্ধে আমাদের সম্যক ধারণা থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন শেয়ার করেন ব্যবহারকারীরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব প্রতিবেদনের বিস্তারিত পড়ার আগ্রহ থাকে না নেটিজেনদের। অনেকেই কেবল শিরোনাম পড়ে ধারণাপ্রসূত একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, শিরোনাম দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। উল্টোদিকে বুদ্ধিবৃত্তিক মান যাদের বেশি তারা ঘটনাটিকে তলিয়ে দেখার চেষ্টা করেন। খবরের শিরোনাম দেখেই তারা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেন না।

পার্সোনালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজি বুলেটিনে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাটি।

‘ফ্যালিবিলিটি স্যালিয়েন্স ইনক্রিজেস ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি: ইমপ্লিকেশনস ফর পিপলস উইলিংনেস টু ইনভেস্টিগেট পলিটিক্যাল মিসইনফরমেশন’ শীর্ষক গবেষণাপত্রটির গবেষক ছিলেন জোনাহ কোটকে, কারনা শুমান, টেনেলে পোর্টার ও ইলসে স্মাইলো-মরগান।

ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি বলতে নিজের জ্ঞানের সীমা সম্বন্ধে সচেতন থাকা ও ভুল হওয়ার আশঙ্কাকে মেনে নেয়ার ক্ষমতাকে বোঝায়। যাদের এ ক্ষমতা বেশি তারা আর্থরাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি কম শত্রুতা পোষণ করেন। নতুন তথ্য শিখতেও তারা বেশি আগ্রহী হন।

আমেরিকার পেনসিলভেনিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ পিটসবার্গের স্নাতকের ছাত্র ও গবেষক দলের অন্যতম সদস্য জোনাহ কোটকে বলেন, ‘রাজনৈতিক ভুল তথ্য একটি সমস্যা। এটি রাজনৈতিক বিভাজনে অবদান রাখে। কী কারণে মানুষ তার কাছে আসা তথ্য নিয়ে যাচাই-বাছাই করেন, সেটি ভালোভাবে বোঝা তাই গুরুত্বপূর্ণ৷’

কোয়েটকে ও তার সহকর্মীরা ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি ও রাজনৈতিকভাবে অভিযুক্ত সংবাদ শিরোনাম যাচাইয়ের জন্য তিনটি গবেষণার একটি সিরিজ পরিচালনা করেছেন।

প্রথম গবেষণায় ২৮৯ জন অংশগ্রহণকারীকে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে রায়টের কিছু সঠিক ও ভুয়া সংবাদের শিরোনাম দেখানো হয়। এরপর দৈবচয়নের ভিত্তিতে নির্বাচিতদের সংবাদগুলোর শিরোনাম যাচাই করতে বলা হয়। আর চাইলে সেগুলো যাচাই না করার সুযোগও রাখা হয়।

কোটকে ও তার সহকর্মীরা দেখেছেন, যাদের যাচাই করতে বলা হয়েছে তারা দেখেছেন সঠিক সংবাদের শিরোনাম ভুয়া বা মিথ্যা সংবাদের শিরোনামের তুলনায় বেশ খানিকটা নিঁখুত।

কোটকে বলেন, ‘আমরা দেখলাম, অনলাইন আর্টিকেলের ক্ষেত্রে ভুল তথ্য যাচাই করা (ফ্যাক্ট চেক বা বিকল্প সোর্স খোঁজা) কার্যকর ও খুব একটা সময়সাপেক্ষ নয়।’

দ্বিতীয় গবেষণায় দৈবচয়নের ভিত্তিতে ২৮৫ জন অংশগ্রহণকারীকে এমন একটি ভুয়া শিরোনাম পড়তে বলা হয়, যা তাদের আদর্শের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বা অসংগতিপূর্ণ ছিল। অর্থাৎ কারও রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে ওই শিরোনামটি ছিল সাংঘর্ষিক, আবার কারও মতাদর্শের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। এরপর তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, সংবাদটি তারা যাচাই করবেন কি না। শিরোনামের উৎস পরীক্ষা বা সম্পূর্ণ নিবন্ধটি পড়বেন কি না।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যাদের ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি উচ্চতর ছিল তারা সংবাদটি যাচাইয়ের আগ্রহ জানিয়েছেন। মতাদর্শ যা-ই হোক না কেন, তারা সেটি করতে চেয়েছিলেন।

তৃতীয় গবেষণায় কোটকে ও তার দল ৩১৫ জন অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি ও যাচাই করার প্রবণতার মাঝে যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা করেন।

এতে অংশগ্রহণকারীদের তিনটি আপাতদৃষ্টিতে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন করা হয়, যেগুলোর উত্তর সাধারণত ভুল আসে। যেমন, একটা প্রশ্ন ছিল ‘পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে কোন পর্বতশৃঙ্গ সবচেয়ে দূরবর্তী?’ অধিকাংশ মানুষই এর উত্তর দেন মাউন্ট এভারেস্ট, তবে সঠিক উত্তর হচ্ছে চিম্বোরাসো।

কোটকে বলেন, ‘ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি বা আমরা যা জানি সেটা ভুলও হতে পারে। রাজনৈতিক ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যাচাই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আর সেটি করতে হলে নিজেদের জ্ঞান সম্বন্ধে আমাদের সম্যক ধারণা থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।’

গবেষকরা বেশ কিছু বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেছেন। যেমন, শিক্ষা, মুক্তমনস্কতা ও রাজনৈতিক অভিযোজন। এগুলো ইন্টেলেকচুয়াল হিউমিলিটি ও খবরের শিরোনাম যাচাই করার ইচ্ছাকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে যেকোনো গবেষণার মতো এ গবেষণাতেও কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল।

কোটকে বলেন, ‘একটা বড় দিক হচ্ছে, পরীক্ষাগুলো নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে করা হয়েছে। যে কারণে বাস্তব জগতে একই ফল পাওয়া যায় কি না সেটি দেখতে হবে গবেষকদের।’

আরও পড়ুন:
রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা
নড়াইলে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল নিষিদ্ধ
অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় শিক্ষক টিংকুকে আ.লীগ থেকে অব্যাহতি
শিক্ষকের গলায় জুতার মালা: চারজনকে রিমান্ডে চায় পুলিশ
লাঞ্ছিত স্বপন কুমার অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেন বাধ্য হয়ে

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Why mosquitoes bite more dengue infected people

ডেঙ্গু-জিকা আক্রান্তকে কেন বেশি কামড়ায় মশা

ডেঙ্গু-জিকা আক্রান্তকে কেন বেশি কামড়ায় মশা ভাইরাস কেবল আক্রান্তকে কাবু করেই ক্ষান্ত হয় না, তার দিকে আরও মশাকে আকৃষ্ট করতেও সাহায্য করে। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রীষ্মকালে জিকা ও ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে রোগ দুটির জন্য দায়ী ভাইরাসের বিশেষ ভূমিকা আছে। এই ভাইরাস কেবল আক্রান্তকে কাবু করেই ক্ষান্ত হয় না, তার দিকে আরও মশাকে আকৃষ্ট করতেও সাহায্য করে।

অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক ভাইরাসের রয়েছে বিস্ময়কর নানান ক্ষমতা। এগুলো পোষকের দেহের গন্ধ পরিবর্তনের ক্ষমতাও রাখে। আর এই পরিবর্তিত গন্ধে আকৃষ্ট হয় মশার মতো প্রাণী। অনেক দূর থেকেও এরা ঠিকঠাক খুঁজে নিতে পারে আক্রমণের নিশানা।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রীষ্মকালে জিকা ও ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে রোগ দুটির জন্য দায়ী ভাইরাসের বিশেষ ভূমিকা আছে। এই ভাইরাস কেবল আক্রান্তকে কাবু করেই ক্ষান্ত হয় না, তার দিকে আরও মশাকে আকৃষ্ট করতেও সাহায্য করে।

পিআর-রিভিউ জার্নাল সেল-এ প্রকাশিত এক গবেষণার বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বিজ্ঞানবিষয়ক জার্নাল নেচার। এতে বলা হয়, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ সৃষ্টিকারী দুটি ভাইরাস তাদের পোষকের দিকে আরও বেশি মশা আকৃষ্ট করতে কিছু উপাদান নির্গত করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, জিকা ও ডেঙ্গু সৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলো নিজেদের সুবিধার জন্য তাদের পোষকের দেহের গন্ধে পরিবর্তন ঘটাতে পারে। গবেষকেরা ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। পরিবর্তিত এই গন্ধ রক্তপিপাসু মশাকে করে তোলে আরও আগ্রাসী।

এর মাধ্যমে নতুন নতুন মশার মাধ্যমে আক্রান্তের দেহ থেকে নিরোগ দেহে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায় ভাইরাস। গবেষণা নিবন্ধের সহলেখক সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিস্ট গং চেং বলেন, ‘কেবল জিকা ও ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে নয়, মশাবাহিত অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রেও ভাইরাস একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করতে পারে।’

আক্রান্তের শরীরে উৎকট গন্ধ

লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের রোগ-নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ জেমস লোগান বলেন, ‘কিছু রোগ তাদের পোষকের গন্ধ বদলাতে পারে। ভাইরাস এবং অণুজীব নিজেদের সুবিধার জন্য বিবর্তিত হয়ে এমনটা করে থাকে।

‘উদাহরণস্বরূপ মোজাইক ভাইরাসে সংক্রামিত শসাগাছ থেকে এক ধরনের উপাদান নির্গত হয়, যা কীটপতঙ্গকে আকৃষ্ট করে। এসব পতঙ্গের মাধ্যমে নতুন উদ্ভিদকে সংক্রামিত করে ভাইরাস। ম্যালেরিয়া সৃষ্টিকারী পরজীবীগুলো তাদের পোষকদের শরীরের গন্ধ পরিবর্তনের মাধ্যমে মশাকে কাছে টানতে প্রলুব্ধ করে।’

জিকা এবং ডেঙ্গু ভাইরাসগুলোও মশাকে আকৃষ্ট করতে একই কৌশল বেছে নেয় কি না তা দেখতে চেং এবং তার সহকর্মীরা ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালান। এ জন্য সংক্রামিত এবং নিরোগ ইঁদুরগুলোকে আলাদা ঘরে রেখেছিল তারা।

তারপর দুটি কক্ষের ইঁদুরের শরীরের গন্ধ মশা-ভর্তি চেম্বারে ছড়িয়ে দেয়া হয়। দেখা গেছে এরপর ৬৫-৭০ শতাংশ মশা সংক্রামিত ইঁদুরের ঘরের দিকে হামলে পড়েছে।

প্রতিটি ঘরের বাতাসের রাসায়নিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সংক্রামিত ইঁদুরগুলো থেকে নির্গত গন্ধ মাত্রা ছিল বেশি উৎকট। এর মধ্যে অ্যাসিটোফেনন নামে একটি বায়ুবাহিত উপাদানও পাওয়া গেছে।

গবেষকরা দেখেছেন, জিকা বা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ইঁদুর সুস্থ ইঁদুরের তুলনায় ১০ গুণ বেশি অ্যাসিটোফেনন তৈরি করে। আর এই উপাদান তাড়িত করেছিল মশাদের।

ত্বকে অ্যাসিটোফেনন উৎপন্নকারী ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার স্বাভাবিক। তবে তাদের সংখ্যা সাধারণত ত্বকের কোষ থেকে নিঃসৃত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রোটিনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, ডেঙ্গু বা জিকায় আক্রান্ত ইঁদুরের দেহে এই প্রোটিন তৈরির জন্য দায়ী জিনটির সক্রিয়তা কমে যায়।

সংক্রামিত ইঁদুরের ত্বকে অ্যাসিটোফেনন উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়া বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ে, যা ইঁদুরগুলোর গন্ধকে বেশি উৎকট করার পাশাপাশি রক্তপিপাসু মশাকে আকৃষ্ট করে।

গবেষকরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির বগলের ঘাম নিয়েও পরীক্ষা করেছেন। এতে দেখা গেছে, যারা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের বেশি অ্যাসিটোফেনন তৈরি হচ্ছে। মশাও তাদের দিকে বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে।

গবেষণায় সংক্রামিত ইঁদুরকে ভিটামিন ‘এ’ খাইয়ে (সাধারণত ত্বকের অবস্থার চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হয়) বেশ ভালো ফল মিলেছে। দেখা গেছে এতে অ্যাসিটোফেননের পরিমাণ কমে আসে।

মালয়েশিয়ায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমাতে ভিটামিন এ-এর ব্যবহার পরীক্ষার উদ্যোগও নিয়েছেন গবেষকরা।

আরও পড়ুন:
শনাক্ত হাজার ছাড়াল, হার ১৩.৩০ শতাংশ
করোনার ঊর্ধ্বগতিতে সরকারি চাকুরেদের মাস্ক পরার নির্দেশ
চোখ রাঙাচ্ছে চতুর্থ ঢেউ, শনাক্ত হার ছাড়াল ১১ শতাংশ
শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
করোনা শনাক্তের হার এবার ৭ শতাংশ ছাড়াল

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Those who giggle on peoples faces all night

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা প্রতি রাতে মানুষের মুখের ওপর রাজত্ব কায়েম করে ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নামের এক ধরনের মাইট। ছবি সংগৃহীত
ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র আবাসস্থল মানুষ। এরা আমাদের মুখের লোমকূপে জন্মায়, খাওয়া-দাওয়া করে; এমনকি সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেছে নেয় মুখের নরম ত্বক। এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ।

রাতের আঁধার ঘনিয়ে এলেই গোপন আবাস ছেড়ে বেরিয়ে আসে এরা। ধীর পায়ে কিলবিল করে মুখজুড়ে। খাওয়া-দাওয়া করে, এমনকি সুযোগ বুঝে সেরে নেয় সঙ্গম। ত্বকের মৃত কোষ এদের দারুণ পছন্দ। রাতভর উদরপূর্তি শেষে ভোরের আলো ফুটতেই এরা আবার ফিরে যায় নিজেদের গোপন ডেরায়।

প্রতি রাতে মানুষের মুখের ওপর এভাবে রাজত্ব কায়েম করে ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নামের এক ধরনের মাইট। এদের জন্ম মানুষের মুখের লোমকূপে, মুখের মৃত কোষ খেয়েই বাড়বাড়ন্ত; প্রায় দুই সপ্তাহের জীবনকাল কেটে যায় মানুষের মুখমণ্ডলে বিচরণ করেই।

সুদীর্ঘকাল ধরে মানুষের মুখকে পোষক বানিয়ে টিকে আছে এই প্রজাতির মাইট। তৈরি করেছে মানব মুখমণ্ডলের সঙ্গে এক গভীর আন্তসম্পর্ক। শুনতে ভয়ের মনে হলেও এদের আবাস হওয়ার বিনিময়ে বিশেষ কিছু সুবিধাও কিন্তু আদায় করে নিচ্ছে আমাদের মুখের ত্বক। এসব মাইট মৃত কোষভোজী হওয়ার কারণে পরিষ্কার থাকছে মানুষের মুখের লোমকূপ।

ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম ছাড়াও আরও বেশ কিছু মাইটের অস্তিত্ব দেখা যায় মানুষের শরীরে। তবে এগুলোর কোনোটির পুরো জীবনচক্র মানুষের দেহনির্ভর নয়। কেবল ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র আবাসস্থল মানুষ। এরা আমাদের মুখের লোমকূপে জন্মায়, খাওয়া-দাওয়া করে; এমনকি সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেছে নেয় মুখের নরম ত্বক। এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ।

মলিকুলার বায়োলজি অ্যান্ড ইভোলিউশনে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম মানুষনির্ভরতা জোরদার করতে নিজেদের জিনগত বিবর্তনও ঘটিয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘আণুবীক্ষণিক মাইটগুলো একটি বাহ্যিক পরজীবী থেকে ক্রমশ মানবত্বকের অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্যে বিকশিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এটি হোস্টের (মানুষ) সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধার সম্পর্ক তৈরি করেছে।’

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা

অন্যকথায় মাইটগুলো ধীরে ধীরে আমাদের দেহের অংশ হয়ে যাচ্ছে। গবেষকেরা বিভিন্ন অণুজীবের জিন বিন্যাস করে দেখেছেন ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের মতো মানুষনির্ভরতা অন্য প্রজাতির মাইটের মধ্যে নেই।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ রিডিংয়ের অমেরুদণ্ডী প্রাণী বিশেষজ্ঞ আলেজান্দ্রা পেরোত্তি বলেন, ‘এই মাইটে অনুরূপ প্রজাতির চেয়ে জিনগত আলাদা বিন্যাস রয়েছে। এরা লোমকূপের ভেতর আশ্রিত জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

‘ডিএনএতে এই পরিবর্তনের কারণে কিছুটা অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ দেখা যায় এগুলোর মধ্যে।’

ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র খাদ্য মানুষের ত্বকের অবশেষ বা মৃত কোষ। এগুলো কেবল রাতে বেরিয়ে আসে। নিকষ আঁধারে সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়। এ জন্য ত্বকজুড়ে এরা হামাগুড়ি দিতে থাকে। খাদ্যগ্রহণ এবং সঙ্গীর সঙ্গে সহবাস শেষে ভোরের আগে এরা আবার লোমকূপের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যায়।

দৈর্ঘ্যে এরা এক মিলিমিটারের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। সসেজ আকৃতির দেহের এক প্রান্তে একগুচ্ছ পা এবং একটি মুখ আছে।

যুক্তরাজ্যের ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটির জিনতত্ত্ববিদ গিলবার্ট স্মিথের নেতৃত্বে একদল গবেষক মাইটটির জিনগত কিছু আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলছেন, ‘এদের জীবন খুবই সরল। এদের কোনো প্রাকৃতিক শিকারি নেই। নেই কোনো প্রতিযোগিতা। কেবল প্রোটিন তাদের বাঁচিয়ে রাখে। এরা রাতে বেরিয়ে আসে।

‘এর কারণ যেসব জিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে প্রাণীর ত্বককে সুরক্ষা দেয়, এই মাইটদের মধ্যে সেই জিন নেই। এ জন্য দিনের পরিবর্তে এরা রাতে ঘুরে বেড়ায়।’

এসব মাইট মেলাটোনিন হরমোন তৈরি করতে পারে না, এই হরমোন বেশির ভাগ জীবিত প্রাণীর মধ্যে পাওয়া যায়। মেলাটোনিন মানুষের ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া এই হরমোন ক্ষুদ্র অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্রজনন ও গতিশীলতায় সাহায্য করে।

ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নিজের দেহে মেলাটোনিন তৈরি করতে না পারলেও খুব একটা অসুবিধায় পড়ে না, কারণ এই হরমোন তারা ছেঁকে নেয় মানুষের মুখের ত্বক থেকে।

বিশেষ এই মাইটের প্রজনন অঙ্গ থাকে দেহের সামনের দিকে, যা অন্যান্য মাইটের চেয়ে ভিন্ন। মাইটটির পুরুষাঙ্গ তাদের পিঠ থেকে ওপরের দিকে নির্দেশ করা। এর অর্থ, সঙ্গমের সময় স্ত্রীর নিচে রাখতে হয় নিজেকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, লার্ভা এবং প্রাপ্তবয়স্কের বিকাশ অল্প সময়ে ঘটে। এরা প্রাপ্তবয়স্ক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ধীরে ধীরে দেহকোষ হারাতে শুরু করে।

বছরের পর বছর ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, ডেমোডেক্স ফলিকুলমের মলদ্বার নেই। এর পরিবর্তে এরা মারা গেলে বিস্ফোরিত হয়। এ সময় এদের শরীরে বর্জ্যে ত্বকের প্রদাহ সৃষ্টি হয়। তবে নতুন গবেষণায়, এই মাইটদের ছোট মলদ্বার পাওয়া গেছে। ফলে রাতভর মানুষের মুখের ত্বক মাইটের মলে ছেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

এতে আঁতকে ওঠার কিছু নেই, আপনি চাইলেও মুখ থেকে ওদের তাড়ানোর কোনো উপায় নেই। বরং এসব মাইটের উপকারী দিক নিয়ে ভাবতে পারেন। আর্জেন্টিনার ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটি এবং সান জুয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রাণিবিদ হেঙ্ক ব্রেইগ যেমনটি বলছেন, ‘বিভিন্ন মাইটকে অনেক কিছুর জন্য দায়ী করা হয়। তবে এই মাইটগুলো আমাদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে এদের কারণেই আমাদের মুখের লোমকূপগুলো মরা কোষের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে যায় না।’

আরও পড়ুন:
পৃথিবীর ‘সবচেয়ে বড়’ উদ্ভিদের সন্ধান
ভিডিও গেমে বুদ্ধি বাড়ে শিশুর
‘পৌরুষত্বের অনুভূতি’ রক্ষার চাপে নারীর অপূর্ণ যৌনজীবন  
শার্ট খোলা ছবি দিলেই আবেদন হারায় পুরুষ!
মঙ্গলে কবে ঘর বাঁধবে মানুষ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
50 feet diameter sundial in Calcutta

৫০ ফুট ব্যাসের সূর্যঘড়ি কলকাতায়

৫০ ফুট ব্যাসের সূর্যঘড়ি কলকাতায় কলকাতার সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম। ছবি: ফেসবুক থেকে
কলকাতার বাইপাসের পাশেই ১৯৯৭ সালে চালু হয় বিজ্ঞান বিনোদন পার্ক। ২৫ বছর হয়ে গেলেও বিনোদন স্থান হিসেবে এখনও  শহরে নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে পার্কটি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ২০২০ সাল থেকে দুই বছর দর্শনার্থী শূন্য থাকার পর আবার জমে উঠেছে কলকাতার সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম।

কলকাতা শহরের জনপ্রিয় জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম। এই মিউজিয়ামের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দর্শকদের জন্য একাধিক চমক হাজির করছে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।

নতুন চমকের অংশ হিসেবে সায়েন্স সিটি পার্কে বসছে ৫০ ফুট ব্যাসের সুর্যঘড়ি। সুর্যোদয় থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত নিখুঁত হিসেব দেবে এই ঘড়ি।

কলকাতার বাইপাসের পাশেই ১৯৯৭ সালে চালু হয় বিজ্ঞান বিনোদন পার্ক। ২৫ বছর হয়ে গেলেও বিনোদন স্থান হিসেবে এখনও শহরে নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে পার্কটি।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ২০২০ সাল থেকে দুই বছর দর্শনার্থী শূন্য থাকার পর আবার জমে উঠেছে কলকাতার সায়েন্স সিটি মিউজিয়াম।

মিউজিয়ামের প্রধান কর্মকর্তা অনুরাগ কুমার জানান, ‘এবছর মে মাসে গত ২৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসমাগম হয়েছে। ১৯৯৮ সালের মে মাসে ১ লাখ ৪৯ হাজার দর্শনার্থী এসেছিলেন। এবার মে মাসে দর্শনার্থী আসেন ১ লাখ ৫৪ হাজার।’

দর্শনার্থীদের জন্য সায়েন্স সিটি মিউজিয়ামের প্রধান আকর্ষণ স্পেস থিয়েটার, টাইম মেশিন, ডাইনোসর পার্ক রাইড, ডিজিটাল প্যানোরমা। এবার এই তালিকায় যোগ হচ্ছে ৫০ ফুট ব্যাসের সূর্য ঘড়ি।

আরও পড়ুন:
কলকাতার এয়ারক্রাফট মিউজিয়ামে কার্গিল যুদ্ধের উড়োজাহাজ

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
5 planets can be seen together with the naked eye

খালি চোখে একসঙ্গে দেখা যাবে ৫ গ্রহ

খালি চোখে একসঙ্গে দেখা যাবে ৫ গ্রহ মহাজাগতিক ঘটনাগুলো সংগঠিত হয় অনেক বছর পর পর। ছবি: সংগৃহীত
পাঁচটি গ্রহের অর্ধাকার চাঁদের মতো এই সংযোগ শুক্রবার সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে এবং বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় সোমবার পর্যন্ত দেখা যাবে। শেষবার গ্রহগুলোর এই অর্ধচন্দ্রাকৃতির সংযোগ ঘটেছিল ২০০৪ সালে। পরে আবার এই সংযোগ দেখতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে ২০৪০ সাল পর্যন্ত।

মহাজাগতিক যেকোনো ঘটনার জন্য অপেক্ষা করতে হয় বহু বছর। এবার এমনই এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী। যা এর আগে হয়েছিল ১৮ বছর আগে। আবার এই ঘটনা দেখতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে আরও ১৮ বছর।

আমাদের সৌরজগতের প্রধান পাঁচটি গ্রহ শুক্রবার থেকে একই সারিতে উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে আবারও।

স্পেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোরের আগে আকাশ পরিষ্কার থাকলে বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শনিগ্রহ দেখার জন্য খালি চোখই যথেষ্ট।

তবে বুধগ্রহকে দেখার জন্য এটিই বিশেষ সুযোগ, সাধারণত সূর্যের উজ্জ্বল আলোর কারণে বুধ অস্পষ্ট থাকে।

বলা হচ্ছে পাঁচটি গ্রহের অর্ধাকার চাঁদের মতো এই সংযোগ শুক্রবার সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে এবং বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় সোমবার পর্যন্ত দেখা যাবে।

খালি চোখে একসঙ্গে দেখা যাবে ৫ গ্রহ
সমান্তরালে শুক্র, বৃহস্পতিগ্রহ ও চাঁদ

মহাকাশ বিজ্ঞানী এবং সোসাইটি ফর পপুলার অ্যাস্ট্রোনমির প্রফেসর লুসি গ্রিন ব্যাখ্যা করেছেন যে, ‘মুক্তোর একটি মালার মতন দিগন্তের কাছাকাছি থেকে তা ছড়িয়ে পড়বে।’

শেষবার গ্রহগুলোর এই অর্ধচন্দ্রাকৃতির সংযোগ ঘটেছিল ২০০৪ সালে। পরে আবার এই সংযোগ দেখতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে ২০৪০ সাল পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে প্লাজমা
মঙ্গলগ্রহে যেতে লাগবে লেটুস পাতা
পৃথিবীর প্রত্যেকে হবে বিলিয়নেয়ার!
সৌরজগতে তিন চাঁদের গ্রহাণু
সবচেয়ে বড় ছায়াপথের সন্ধান

মন্তব্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
Where did the mysterious alien signal from China come from?

চীনের রহস্যজনক এলিয়েন সংকেত এলো কোথা থেকে

চীনের রহস্যজনক এলিয়েন সংকেত এলো কোথা থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বাইরের বুদ্ধিমত্তার মুখোমুখি হয়নি মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দৈত্যাকার স্কাই আই টেলিস্কোপ পৃথিবীর বাইরে জীবনের চিহ্নের সন্ধান পেয়েছে। যদিও গবেষক ড্যান ওয়ারথিমার যিনি প্রথম সংকেতগুলো দেখেছিলেন তিনি লাইফ সায়েন্সকে বলেছিলেন, এটি মানব হস্তক্ষেপ ( ন্যারো ব্যান্ড রেডিও সিগন্যাল) থেকে এসেছে, বহির্জাগতিক বিষয় নয়।

পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমত্তার খোঁজে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে বিজ্ঞানীরা, তবে তেমন কিছুর দেখা এখনও পাওয়া যায়নি। অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রায়ই এলিয়েনের অস্তিত্বের বিভিন্ন প্রমাণ সামনে নিয়ে এলেও শেষ পর্যন্ত সেই প্রমাণগুলো আর টেকেনি।

সবশেষ চীনের একটি রাষ্ট্রীয় প্রযুক্তি পত্রিকায় বলা হয়, দেশটির গবেষকরা দাবি করেছিলেন, তারা খুব সম্ভবত তাদের রেডিও টেলিস্কোপ ‘স্কাই আই’তে বুদ্ধিমান এলিয়েনদের পাঠানো সংকেত পেয়ে থাকতে পারে।

তবে লাইফ সায়েন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এলিয়েন গবেষকদের এ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

চীনে প্রাপ্ত এলিয়েন সংকেত গবেষণা প্রকল্পের একজন সহ-লেখক ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমত্তা খোঁজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সার্চ ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এসইটিআই) গবেষক ড্যান ওয়ারথিমার যিনি প্রথম সংকেতগুলো দেখেছিলেন তিনি লাইফ সায়েন্সকে বলেছিলেন, এটি মানব হস্তক্ষেপ (ন্যারো ব্যান্ড রেডিও সিগন্যাল) থেকে এসেছে, বহির্জাগতিক বিষয় নয়।

সাধারণত ন্যারো ব্যান্ড রেডিও সংকেতগুলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে সৃষ্টি হয় না।

স্কাই আই টেলিস্কোপের সংকেত ধারণের মতো ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০১৯ সালেও বিজ্ঞানীরা এমন একটি সংকেত শনাক্ত করে, যা তারা ধারণা করেছিলেন প্রক্সিমা সেন্টোরি থেকে এসেছে, যেখানে অন্তত সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহ রয়েছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।

সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতটিও ছিল ন্যারো ব্যান্ডের।

যদিও দুই বছরের গবেষণায় বেরিয়ে আসে যে, কারিগরি ত্রুটির কারণেই এমনটি হয়েছিল। সেটি কোনো এলিয়েন প্রযুক্তি থেকে আসা রেডিও সিগন্যাল ছিল না।

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের দৈত্যাকার স্কাই আই টেলিস্কোপ পৃথিবীর বাইরে জীবনের চিহ্নের সন্ধান পেয়েছে।

যদিও প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, পৃথিবীর বাইরের সভ্যতা অনুসন্ধান দলের প্রধান বিজ্ঞানী ঝাং টঞ্জি বলেছেন, সন্দেহজনক সংকেতগুলো রেডিও হস্তক্ষেপও হতে পারে এবং এর জন্য আরও তদন্তের প্রয়োজন।

দৈনিকটি পরে এ-সংক্রান্ত সব প্রতিবেদন ও পোস্টগুলো মুছে ফেলে।

তবে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দৈনিক থেকে কেন প্রতিবেদনটি সরিয়ে দেয়া হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়।

খবরটি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েবুতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবরটি চলে এসেছে।

স্কাই আই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিও টেলিস্কোপ। এটি ন্যারো-ব্যান্ড ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যালে কাজ করে।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বহির্জাগতিক প্রাণের অনুসন্ধান শুরু করে স্কাই আই। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম গুইঝো প্রদেশে এর অবস্থান। টেলিস্কোপটির ব্যাস ৫০০ মিটার (১ হাজার ৬৪০ ফুট)।

ঝাংয়ের মতে, কম ফ্রিকোয়েন্সির এই রেডিও ব্যান্ড টেলিস্কোপ স্কাই আই অত্যন্ত সংবেদনশীল। বহির্জাগতিক প্রাণের সন্ধানে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন:
এলিয়েনের সংস্পর্শে গর্ভবতী!
এলিয়েনের উদ্দেশে খোলা চিঠি
ইউএফও নিয়ে ব্যাখ্যা নেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে
‘এলিয়েনের নজরদারি’, ২৯ গ্রহ চিহ্নিত
এলিয়েনের খোঁজ পেয়েছে মানুষ!

মন্তব্য

p
উপরে