× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজনীতি
আরেক শরিক ছেড়ে গেল বিএনপির জোট
google_news print-icon

আরেক শরিক ছেড়ে গেল বিএনপির জোট

আরেক-শরিক-ছেড়ে-গেল-বিএনপির-জোট
বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগের ঘোষণা দিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর সংবাদ সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা
জমিয়তের আগে ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যায় লেবার পার্টি। ২০১৬ সালের ৭ জুন ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যায় মুফতি ফজলুল হক আমিনীর প্রতিষ্ঠিত ইসলামী ঐক্যজোট। এর আগে বিএনপি শাসনামলে ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে আলোচিত হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বাবা আজিজুল হকের খেলাফত মজলিস।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে গেছে ধর্মভিত্তিক আরও একটি দল। কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক দল জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামীর একাংশ জানিয়েছে, তারা বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে আর সম্পর্ক রাখছে না।

অবশ্য একই নামে জমিয়তের আরেক অংশ এখনও ২০ দলীয় জোটে আছে। ফলে জোটে দলের সংখ্যা একই থাকছে।

বুধবার পুরানা পল্টনে দলীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এই ঘোষণা দেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া।

এর আগেও একাধিক দল বিএনপির জোট ছেড়ে চলে যাওয়ার পরও জোটে দলের সংখ্যা একই থাকে।

২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যায় লেবার পার্টি। তবে ছোট ওই দলের দুই জন নেতা নিজেদের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব ঘোষণা করে একই নামে দল নিয়ে জোটে থেকে যান।

২০১৬ সালের ৭ জুন ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যায় মুফতি ফজলুল হক আমিনীর প্রতিষ্ঠিত ইসলামী ঐক্যজোট। যদিও আমিনী এর আগেই মারা গিয়েছিলেন।

তখনও ইসলামী ঐক্যজোট নামেই আরও একটি অংশ থেকে যায় ২০ দলীয় জোটে।

বিএনপি শাসনামলে ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে আলোচিত হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বাবা আজিজুল হকের খেলাফত মজলিস।

সে সময়ও মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাকের নেতৃত্বে খেলাফত মজলিস নামে আরও একটি দল গঠন হয় এবং তারা বিএনপি-জামায়াত জোটে থেকে যান।

২০ দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জমিয়ত নেতা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া বলেন, ‘২০ দলীয় জোট ত্যাগ করা জমিয়তের জন্য কল্যাণকর। আজ থেকে জোটের কোনো কার্যক্রমে জমিয়ত থাকবে না।’

জোট ছাড়ার কারণ প্রসঙ্গে তিনি, জোটের শরিক দলের যথাযথ মূল্যায়ন না করা, পরামর্শ না করে উপনির্বাচন এককভাবে বর্জন, আলেমদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ না করা, প্রয়াত জমিয়ত মহাসচিব নূর হোসেন কাসেমীর মৃত্যুতে বিএনপির পক্ষ থেকে সমবেদনা না জানানো এবং তার জানাজায় শরিক না হওয়ার কারণ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘এক বিশেষ পরিস্থিতিতে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্য গড়ে তোলে। এর ধারাবাহিকতায় ঐক্যবদ্ধভাবে কয়েকটি জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণ করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় যে, জোটের শরিক দলের যথাযথ মূল্যায়ন না করা, সম্প্রতি শরিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ মতামত না নিয়ে তিনটি আসনের উপনির্বাচন এককভাবে বর্জনের ঘোষণা করা, বিএনপি মহাসচিবের শরিয়া আইনে বিশ্বাসী না হওয়ার বক্তব্য দেয়া, দেশব্যাপী আলেম ওলামাদের জেল জুলুমের প্রতিবাদ না করা এবং জোটের শীর্ষ নেতা জমিয়ত মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর ইন্তেকালের পর বিএনপির পক্ষ থেকে সমবেদনা প্রকাশ না করা এবং জানাজায় অংশগ্রহণ না করায় জমিয়তের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তাই জমিয়ত মনে করে, ২০ দলীয় জোট থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করাই জমিয়তের জন্য কল্যাণকর।’

সঙ্গীর জোট ছেড়ে যাওয়া বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তারা এখনও আমাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। আমরা শুনেছি মাত্র।’

বিএনপি যখন জামায়াতের পাশাপাশি কওমিপন্থি ইসলামী ঐক্যজোট গঠন করে, তখন থেকেই জমিয়ত এই জোটের সদস্য। ইসলামী ঐক্যজোট মূলত কওমিপন্থি দলগুলোর একটি মোর্চা ছিল। ছোট ছোট অনেক দলের একটি ছিল জমিয়ত।

জমিয়ত এখন দুই ভাগে বিভক্ত। দুই অংশই বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক ছিল।

‘ভারপ্রাপ্ত’ হয়ে একটি অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাওলানা জিয়াউদ্দিন ও আর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বাহাউদ্দিন জাকারিয়া।

এই অংশের সভাপতি মাওলানা আবদুল মোমিন গত বছর মারা গেলে মাওলানা জিয়াউদ্দিন ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান। গত বছর হেফাজতের মহাসচিব থাকাকালে নূর হোসাইন কাসেমী মারা গেলে হাসচিব হন মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী।

হেফাজতের নাশকতার মামলায় গত এপ্রিলে আফেন্দি গ্রেপ্তারের পর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন বাহাউদ্দিন যাকারিয়া।

জমিয়ত ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যেতে পারে, এমন গুঞ্জন কয়েকদিন ধরেই ছিল। এই দলটির শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতাই হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটিতে ছিলেন। আর নাশকতার ঘটনায় দলটির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা এখন কারাগারে।

গ্রেপ্তার নেতাদের মধ্যে আছন জুনায়েদ আল হাবিব, শাহীনুর পাশা চৌধুরী, মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, মনির হোসেন কাসেমী, খালিদ সাইফুল্লাহ সাদী, মোহাম্মদ উল্লাহ জামী।

তাদের মুক্তির জন্য সরকারের সঙ্গে জমিয়ত নানা দেন দরবার করছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে।

জমিয়তের দ্বিতীয় অংশটির নেতৃত্বে রয়েছেন মনসুরুল হাসান রায়পুরী (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) ও মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম (মহাসচিব)। এরা ২০ দলীয় জোটেই আছেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
If sovereignty goes away we will suffer more who

সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই বেশি ব্যথা লাগবে: কাদের

সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই বেশি ব্যথা লাগবে: কাদের সচিবালয়ে সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বুধবার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন করে, তবে বাংলাদেশ বসে বসে আঙুল চুষবে না বলেও এসময় মন্তব্য করেন সেতুনমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চান‌, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াই। তাদের উসকানির ফাঁদে আমরা পড়তে পারি না। আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে, কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ, এ জাতির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধিকার লড়াইয়ে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’

সচিবালয়ে সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন করে, তবে বাংলাদেশ বসে বসে আঙুল চুষবে না বলেও এসময় মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল তখন (মুক্তিযুদ্ধের সময়) কী করেছেন, কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন, তা জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে।’

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে বলে বিএনপি যে অভিযোগ করেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দলের একটা ভাষা আছে– সরকারি দলের সিদ্ধান্তকে তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক না। সেন্টমার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরাকান আর্মি নামের যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি।’

যেকোনো উসকানির মুখে বাংলাদেশ যুদ্ধে না জড়িয়ে আলাপ-আলোচনায় সমাধানে বিশ্বাসী বলেও মত দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

কাদের বলেন, ‘সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়েছে সে জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সবশেষ যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকেছিল, তখনও অনেকে উসকানি দিয়েছিল। আমাদের আকাশসীমা কখনো কখনো অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন ওয়াশিংটনে। তখন বাহিনী প্রধানদের তিনি ফোন করে নির্দেশ দেন, যেকোনো অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে না যাই। মিয়ানমার উসকানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করব। একটা সমাধান বের করব, যুদ্ধে জড়াব না।

তিনি বলেন, ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ-আলোচনার সময় পেরিয়ে যদি যায়, যদি সত্যিই তারা আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকব, আমরা বসে বসে আঙুল চুষব? আমাদেরও পাল্টা জবাব দিতে হবে। তাদের (মিয়ানমার) অভ্যন্তরীণ ৫৪টি গোষ্ঠী আছে। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতে পারে, গুলির আওয়াজ আসতে পারে, এটা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন না। তাদের নৃতাত্ত্বিক বিদ্রোহীরা আছে। তাদের থেকেই এসব ঘটনা ঘটছে। সেটার জন্য কেনো মিয়ানমার সরকারকে দায় দেব? যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আমরা দেখব।’

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের

মন্তব্য

রাজনীতি
Road accidents due to motorcycles and easybikes have increased Kader

মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের

মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। ভোটের রাজনীতি যারা করেন তাদের এতে সায় আছে। হাইওয়েতে ইজিবাইক চলে- এটি অনেকে সমর্থন করেন, অথবা পেছন থেকে মদদ দেন।’

সারা দেশে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক যে ইদানীং যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে তার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। মোটরসাইকেলের পরই সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে ইজিবাইকের। এর সঙ্গে বেপরোয়া ড্রাইভিংও আছে, এটাকে বাদ দেয়ার উপায় নেই।’

এ বিষয়ে দ্রুত নীতিমালা করার জন্য সচিবকে বলবেন বলে জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। সেজন্য নীতিমালাটা জরুরি। মানুষের জীবন আগে, জীবিকা পরে। জীবিকা রক্ষা করতে গিয়ে জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।

‘ভোটের রাজনীতি যারা করেন তাদের এতে সায় আছে। হাইওয়েতে ইজিবাইক চলে- এটি অনেকে সমর্থন করেন, অথবা পেছন থেকে মদদ দেন। ঢাকায় যে নিয়ম চালু করেছি, তাতে ৯৮ শতাংশ ক্ষেত্রে (মোটরসাইকেলের) দুজনেরই হেলমেট থাকে।’

তিনি বলেন, ‘সড়কে এবার ঈদযাত্রা অনেকটা ভালো হয়েছে। কিন্তু ফিরতি পথের বিষয়টি এখনও রয়েছে। এদিকে নজর অনেকটা কম থাকে। তাই দুর্ঘটনাও ঘটে অনেক সময়। তাই ফিরতি পথটাও এখন দেখতে হবে।

‘রাস্তায় শৃঙ্খলা আনতে পারলে দুর্ঘটনা কমবে। তাই শৃঙ্খলাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন কাদের
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব নিবন্ধিত দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ
নেতা-কর্মীদের রাজপথে প্রস্তুত থাকতে বললেন কাদের
স্বাধীনতার পথে সংগ্রামের ঐতিহাসিক মাইলফলক ছয় দফা: কাদের
প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে দেশ: জিএম কাদের

মন্তব্য

রাজনীতি
BNP is concerned about Indias rail connectivity plan through Bangladesh

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেল যোগাযোগ পরিকল্পনায় উদ্বেগ বিএনপির

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেল যোগাযোগ পরিকল্পনায় উদ্বেগ বিএনপির বিএনপির লোগো। ফাইল ছবি
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের সামরিক ও বেসামরিক পণ্য পরিবহনের জন্য রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এটা উদ্বেগজনক। আমরা এ ধরনের উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করতে রেলপথে যোগাযোগ গড়ে তোলার ভারত সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এই উদ্যোগ দেশের গোয়েন্দা ব্যবস্থাকে দুর্বল করবে বলে দাবি করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে ২২ কিলোমিটার পথ বাইপাস করে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে (যা সাধারণত ‘চিকেন নেক’ নামে পরিচিত) রেললাইন বসানো হবে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের সামরিক ও বেসামরিক পণ্য পরিবহনের জন্য রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এটা উদ্বেগজনক। আমরা এ ধরনের উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

রিজভী বলেন, “যে ভারত প্রতিদিন সীমান্তে ‘বাংলাদেশিদের হত্যা’ করছে এবং বাংলাদেশিদের মানবাধিকার ও মানবিকতা উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সামরিক ও বেসামরিক পণ্য পরিবহন করে, তা হলে দেশের সার্বভৌমত্ব খর্ব হবে।”

দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘এই সংযোগ স্থাপনের (রেল নেটওয়ার্ক) মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের চাবিকাঠি তাদেরই দেয়া হবে, যারা বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে বৈরী মানসিকতা পোষণ করে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে স্বাধীন দেশের গোয়েন্দা ব্যবস্থাও ভেঙে পড়বে।’

তিনি দেশের জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে রেল যোগাযোগের উদ্যোগ বাস্তবায়ন থেকে সরকারকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘ভারতকে উদারভাবে সব দেয়ার পরিণতি হবে ভয়াবহ। অসহায় অবস্থায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শিক্ষা দিচ্ছেন শেখ হাসিনা।’

রোববার টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে বিদ্যমান রুটের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে রেলপথের একটি বিকল্প নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে যাচ্ছে ভারত। এটি ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি এলাকা যা উত্তরে নেপাল এবং দক্ষিণে বাংলাদেশ দ্বারা বেষ্টিত।

আরও পড়ুন:
নেতা-কর্মীদের রাজপথে প্রস্তুত থাকতে বললেন কাদের
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে: জমির উদ্দিন সরকার
তারেক রহমানই বিএনপির দুঃশাসনের মুখ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের সম্পদচোরদের প্রশ্রয় দিয়েছে সরকার: ইয়াছিন
দেশকে আবারও তলাবিহীন ঝুড়ি বানিয়েছে আওয়ামী লীগ: মির্জা আব্বাস

মন্তব্য

রাজনীতি
No matter how influential corruption is not exempt who

যত প্রভাবশালীই হোক দুর্নীতি করলে ছাড় নেই: কাদের

যত প্রভাবশালীই হোক দুর্নীতি করলে ছাড় নেই: কাদের ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তেমন অভিযোগ আসেনি। তার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করেনি। তার ব্যাপারে কি করে জানব? নজরে আসার আগে সরকার কিভাবে ব্যবস্থা নেবে?’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনকেও (দুদক) তিনি স্বাধীন করেছেন। যত প্রভাবশালীই হোক দুর্নীতি করলে কারও ছাড় নেই।’

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কেউ দুর্নীতি করলে তদন্ত হবে। দুদক এটি করবে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়তে চায় না। সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তেমন অভিযোগ আসেনি। তবে দুর্নীতি হলে তদন্ত হবে, বিচার হবে। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুদকও স্বাধীন। যে যত প্রভাবশালী হোক তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করা যাবে। তদন্ত শেষে মামলা করা যাবে, মানে বিচারের আওতায় আসবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করেনি। তার ব্যাপারে কি করে জানব? সরকারের নজরে আসার আগে সরকার কিভাবে ব্যবস্থা নেবে? যখনই কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নজরে এসেছে ব্যবস্থা নিয়েছি। গণমাধ্যম কিংবা সরকারের নজরে আসার পর সরকার কারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি এমন ঘটনা ঘটেনি।’

মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ঈদের আনন্দ নেই- বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পবিত্র ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও সমালোচনা করতে ছাড়েননি তারা।

‘মূল্যস্ফীতির মধ্যেও এক কোটি চার লাখের বেশি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। গতবারের চেয়ে এবার প্রথম দিনেই তিন লাখের বেশি পশু কোরবানি হয়েছে। মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ ব্যাহত হয়েছে- বিএনপির এ তথ্য ঠিক নয়।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, সমালোচনা করে বিএনপিসহ তাদের সমর্থকরা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে। মূল্যস্ফীতি আছে। তবে এটা কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে। আলোচনার বিষয়বস্তু প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঠিক করে রেখেছেন। তিস্তা বা গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে কি-না এটি এখনও জানা নেই।’

মিয়ানমারের ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্বে কোথায় আঘাত করছে তারা? বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের কোনো লঙ্ঘন মিয়ানমার সরকার করেনি।’

আরও পড়ুন:
কোরবানির তাৎপর্য অনুধাবন করে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে: কাদের
মিয়ানমার সীমান্ত কঠোর নজরদারিতে রয়েছে: কাদের
সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের গুলির ঘটনায় প্রয়োজনে জবাব: কাদের
যানজট নেই, তবে সড়কে চাপ আছে: কাদের
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন কাদের

মন্তব্য

রাজনীতি
Peoples Eid celebrations lost in economic downturn Abbas
জিয়ার কবরে বিএনপির শ্রদ্ধা

অর্থনৈতিক মন্দায় মানুষের ঈদ উদযাপন হারিয়ে গেছে: আব্বাস

অর্থনৈতিক মন্দায় মানুষের ঈদ উদযাপন হারিয়ে গেছে: আব্বাস বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ফাইল ছবি
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘সেন্টমার্টিন খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হয়েছে এবং দেশের অন্যান্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কেন? কারণ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ভয়। সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে আরও অনেক দেশ বাংলাদেশের প্রতি বড়ভাই মনোভাব দেখাচ্ছে।’

অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দেশের মানুষের মধ্যে ঈদের কোনো আনন্দ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেছেন, ‘ঈদ মানে খুশি। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এই আনন্দ অনুপস্থিত। তারা আনন্দ উপভোগ করার মতো অবস্থায় নেই।’

সোমবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দলের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে মির্জা আব্বাস রাজধানীতে জিয়ার সমাধিতে যান এবং সেখানে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফাতেহা পাঠ করেন। এ সময় তারা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

বিএনপির এই বর্ষীয়াণ নেতা বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষের জন্য ঈদের আনন্দ অধরা রয়ে গেছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের আমলে মানুষ বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ঈদ উদযাপন করত।

‘ঈদের সেই আনন্দ এখন মানুষ অনুভব করে না। মানুষের কষ্ট ও যন্ত্রণার ছাপ তাদের উদ্বিগ্ন মুখে ফুটে উঠেছে। তারা অনেক কষ্টে পশু কোরবানি দিচ্ছে। আমার বাসার (শাহজাহানপুর) কাছেই কোরবানির পশুর হাট আছে। আমি লক্ষ্য করেছি, অনেক ব্যবসায়ী তাদের গরু বিক্রি করতে পারছেন না। এটা জনগণের মধ্যে অর্থের লক্ষণীয় অভাবের ইঙ্গিত দেয়।’

তিনি বলেন, ‘অবৈধ ও অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে দেশের মানুষ চরম কষ্ট সহ্য করছে। নির্বাচিত সরকার থাকলে তাদেরকে আজকের মতো দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।’

কারাগারে থাকা দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মীর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অক্টোপাসের শুঁড় দিয়ে দেশের মানুষকে চারদিক থেকে আটকে ফেলা হয়েছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ভৌগোলিক- সব দিক থেকেই। আমরা যদি ভৌগোলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলি তাহলে বলতে হবে- আমরা ভালো অবস্থানে নেই এবং আমরা শান্তিতে নেই।’

সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এবং সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

তিনি বলেন, ‘দ্বীপটি খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হয়েছে এবং দেশের অন্যান্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেখানে খাবার সরবরাহ করা যাচ্ছে না। কেন? কারণ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ভয়।

‘১৯৭৮-৭৯ সালে মিয়ানমার নতজানু হয়ে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতির (জিয়াউর রহমান) কাছে ক্ষমা চেয়েছে। মিয়ানমার এখন এতটাই দুঃসাহসী হয়ে উঠেছে যে, তারা আমাদের দিকে চোখ রাঙাচ্ছে।’

তিনি বলেন, মিয়ানমার দুঃসাহস দেখাচ্ছে কারণ বর্তমান অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থন নেই।

‘বর্তমান সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে আরও অনেক দেশ বাংলাদেশের প্রতি বড়ভাই মনোভাব দেখাচ্ছে। অন্যের প্রভাবের কারণে এই সরকার নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।’

মিয়ানমারের প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে সরকার মিথ্যা প্রচার করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মন্তব্য

রাজনীতি
Central Farmers League leader Sohag Talukder passed away

কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ নেতা সোহাগ তালুকদার মারা গেছেন

কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ নেতা সোহাগ তালুকদার মারা গেছেন সাকিলুর রহমান সোহাগ তালুকদার। ছবি: সংগৃহীত
কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিলুর রহমান সোহাগ তালুকদার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। ভারতে চিকিৎসা শেষে সম্প্রতি তিনি দেশে ফেরেন।

বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিলুর রহমান সোহাগ তালুকদার মারা গেছেন। সোমবার সকালে ঢাকার বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কালকিনি পৌরসভার কাষ্টগড় গ্রামের সন্তান সোহাগ তালুকদার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

ভারতে চিকিৎসা শেষে সম্প্রতি তিনি দেশে ফেরেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সাকিলুর রহমান সোহাগের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপ‌তিমণ্ডলির সদস‌্য শাজাহান খান, যুগ্ম সম্পাদক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য তাহমিনা বেগম, উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক ও পৌরসভার মেয়র এস এম হানিফ।

মন্তব্য

রাজনীতি
This Eid is a difficult day for the countrymen Fakhrul

এবারের ঈদ দেশবাসীর কাছে একটা কষ্টের দিন: ফখরুল

এবারের ঈদ দেশবাসীর কাছে একটা কষ্টের দিন: ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঈদুল আজহা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকে দেশে দুর্নীতির ব্যাধি ছড়িয়ে পড়েছে। প্রত্যাশা, ঈদুল আজহার ত্যাগের মাধ‌্যমে যারা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত আছেন তারা তা ত্যাগ করবেন। একইসঙ্গে মানুষের কল্যাণে তারা কাজ করবেন।’

ঈদুল আজহা এবার দেশের মানুষের কাছে একটা কষ্টের দিন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার সকালে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানি‌য়ে তিনি এ কথা বলেন।

ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ী তাঁ‌তিপাড়া এলাকায় পৈতৃক বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঈদুল আজহা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকে দেশে দুর্নীতির ব্যাধি ছড়িয়ে পড়েছে। প্রত্যাশা, ঈদুল আজহার ত্যাগের মাধ‌্যমে যারা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত আছেন তারা তা ত্যাগ করবেন। একইসঙ্গে মানুষের কল্যাণে তারা কাজ করবেন।’

ফখরুল বলেন, এবার ঈদ বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটা কষ্টের দিন। কারণ যারা পশু কোরবানি করেন তারাও একটা বড় মূল্যস্ফীতিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

‘সাধারণ মানুষ কোরবানি দিতে পারেন না। তাদের অনেকে বিভিন্নভাবে কোরবানির গোশত সংগ্রহ করেন। তাদের পক্ষে তা রান্না করাও কঠিন হয়ে দাঁড়ি‌য়ে‌ছে। কারণ রান্নার সব মসলা ও অন‌্যান‌্য উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘আজকে দ্রব্যমূল্য যেভাবে বেড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। মানুষ ঈদ আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ পা‌চ্ছেন না।’

বিএনপি সেন্টমার্টিন নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্ত‌ব্য প্রসঙ্গে বিএন‌পি মহাস‌চিব বলেন, ‘যারা রাজনীতি করছেন, ক্ষমতায় আছেন যদি সত্যকে উপলব্ধি না করেন, তারা যদি দেশের সমস্যা, গণমানুষের যে আকাঙ্ক্ষা বুঝতে না পারেন, তাহলে তারা কিভাবে শাসক হবেন? দেড় যুগ ধরে দখলদার আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের সব আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করেছে।’

আরও পড়ুন:
এশিয়ার দেশে দেশে ঈদ জামাতে ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা
কোরবানির পর ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
ত্যাগের মহিমায় ঈদুল আজহা উদযাপন করছে দেশবাসী
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
ঈদুল আজহায় জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানাবে বিএনপি

মন্তব্য

p
উপরে