× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজনীতি
ঢাকা ১৪ আসন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে?
hear-news
player
google_news print-icon

ঢাকা-১৪ আসন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে?

ঢাকা-১৪-আসন-আওয়ামী-লীগের-প্রার্থী-কে?
ঢাকা-১৪ আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন (বাঁ থেকে, উপরে) এস এম মান্নান কচি, মনোয়ার হোসেন ডিপজল, সাবিনা আক্তার তুহিন; (নিচে) মাইনুল হোসেন খান নিখিল ও মোবাশ্বের চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা
গত ৪ এপ্রিল মৃত্যু হয় ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য আসলামুল হকের। ১৩ এপ্রিল আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে আসনটিতে উপনির্বাচন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বসে নেই আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হকের মৃত্যুর পর এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে হতে যাচ্ছেন, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। এরই মধ্যে প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর একাধিক নেতা সক্রিয় হয়েছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে তুলে ধরছেন নিজের অবস্থান। অনেকেই এলাকায় লাগিয়েছেন প্রচারণামূলক পোস্টার ও ব্যানার।

রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, তারা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না। গত কয়েক বছর ধরে নির্বাচনগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের একাধিপত্য আর বিএনপির এই ঘোষণায় নেতাদের মনে বিশ্বাস জন্মেছে যে, যিনি মনোনয়ন পাবেন, জয় হবে তারই। এ কারণে সহজে সংসদে যেতে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যাও বেশি।

গত ৪ এপ্রিল রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যু হয় ৬০ বছর বয়সী আসলামুলের। তিনি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৪ সাল ও ২০১৮ সালেও জয় পান।

আসলামুল হকের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী মাকসুদা হককে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে দেখতে চান দলের কর্মী-সমর্থদের একাংশ।

আসলামুলের বড় ভাই মফিজুল হক বেবুও চাইছেন এ আসনে নির্বাচন করতে। তবে তিনি আওয়ামী লীগ করেন না। তিনি জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে ছোট দলের নেতা হলেও আসলামুলের কারণেই এলাকায় তার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। দলের একাংশের নেতা-কর্মীরা তাদের মধ্যে থেকে একজনকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।

যুব মহিলা লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন নানাভাবে তার আগ্রহের কথা জানান দিচ্ছেন। তিনি এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের একটি অংশ রয়েছে তার সঙ্গেও।

সাবিনা আক্তার তুহিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা সবাই আমার পক্ষে আছে। আমি তো এলাকায় কাজ করেছি; সবাই আমাকে খুব ভালোভাবে চেনেন।

‘যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দেন তাহলে অবশ্যই জয়লাভ করতে পারব। সব সময় আমি মানুষের পাশে ছিলাম, আছি। মনোনয়নের বিষয়ে আমি আশাবাদী।’

প্রার্থিতার আলোচনায় মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম হানিফ, শাহ আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আগা খান মিন্টু, সাবেক কাউন্সিলর ও অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের নামও আছে।

ডিপজল বিএনপির সমর্থনে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর হলেও গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম তুলে হইচই ফেলে দেন।

দলীয় নেতা-কর্মীদের একাংশ আবার সম্ভাবনা দেখেছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরীর।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এমনিতে সাধারণ মানুষ ফেস্টুন টাঙিয়েছে। তবে আমি করোনা আর লকডাউনের কারণে কারও কাছে যাইনি। এর আগেও দুইবার দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছিলাম। এবার আশাবাদী।

‘এই মিরপুরেই আমি দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতি করেছি। ঢাকা-১৪ আসনে যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি সবাইকে নিয়ে এলাকাকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলব।’

আসলামুলের মৃত্যুতে গত ১৩ এপ্রিল আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আসনটিতে উপনির্বাচন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। আর করোনাভাইরাসের বিস্তারের কারণে নির্বাচন আপাতত স্থগিত আছে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন আসনটিতে উপনির্বাচনের ঘোষণা দিলে মনোনয়ন ফরম ছাড়া হবে। তারপর দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় চূড়ান্ত করা হবে প্রার্থী।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
BNP announced the next time and place of the movement

আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি

আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি বিএনপির পদযাত্রা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ী থেকে পদযাত্রা শুরু হবে, যাতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ক্ষমতাসীন সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে বিএনপির চলমান পদযাত্রার পরবর্তী সময় ও স্থান চূড়ান্ত করেছে দলটি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ী থেকে পদযাত্রা শুরু হবে, যাতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আহবায়ক আব্দুস সালাম। সঞ্চালনায় থাকবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু।

পরদিন সোমবার দুপুর ২টায় গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হবে পদযাত্রা, যাতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। সঞ্চালনায় থাকবেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি সদস্য সচিব আমিনুল হক।

মঙ্গলবার দুপুর ২টায় মুগদা স্টেডিয়াম থেকে পদযাত্রা শুরু করবে বিএনপি, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্য মির্জা আব্বাস। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আহ্বায়ক আব্দুস সালাম। সঞ্চালনায় থাকবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু।

এর আগে গতকাল শনিবার রাজধানীতে পদযাত্রা করে বিএনপি। বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে থেকে শুরু হয়ে মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার আবুল হোটেলের সামনে গিয়ে এটি শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপির পদযাত্রা দুপুরে
বিএনপি নেতা খোকনের বাড়িতে আগুন দেয়ার অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে হয়রানির অভিযোগ রাজশাহী বিএনপির
যুগপৎ আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ফখরুলের বৈঠক শুক্রবার
চার দিন দুপুর ২টা থেকে ঢাকায় পদযাত্রা করবে বিএনপি

মন্তব্য

রাজনীতি
Kader said many things about BNPs march

বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের

বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রোববার আওয়ামী লীগের জনসভায় বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির এখন পদযাত্রা…পদযাত্রা মানে শেষ যাত্রা, পদমযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা, পদযাত্রা মানে পেছন যাত্রা, পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা। মরণযাত্রা শুনেছেন না? ওই মরণযাত্রা হচ্ছে বিএনপির।’

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ ও ১০ দফা দাবি আদায়ে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচির বেশ কিছু অর্থ দাঁড় করিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব মানে দাঁড় করান।

বক্তব্যের শুরুতে রাজশাহী নগরীতে জনতার ঢল নেমেছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনসভাস্থলের ধারণক্ষমতার ১০ গুণ বেশি মানুষ বাইরে বসে আছেন।

ওই সময় তিনি বিএনপির রাজশাহীর সমাবেশে উপস্থিতির সঙ্গে আজকের জনসমাগমের তুলনা করেন।

বিএনপির সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, বিএনপি ১০ ডিসেম্বর, ৩০ ডিসেম্বর ও ১১ জানুয়ারি সরকারের পতন ঘটাতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে।

ওই সময় বিএনপির পদযাত্রার বেশ কিছু অর্থ করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির এখন পদযাত্রা…পদযাত্রা মানে শেষ যাত্রা, পদমযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা, পদযাত্রা মানে পেছন যাত্রা, পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা। মরণযাত্রা শুনেছেন না? ওই মরণযাত্রা হচ্ছে বিএনপির।’

রাজধানীর বাড্ডা থেকে শনিবার পদযাত্রা শুরুর আগে দেয়া বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে ক্ষমতাসীনদের পালিয়ে যেতে হবে।

ওই বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ পালিয়ে যায় না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে বিদেশ পালিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

রাজনীতি
Prime Minister at Rajshahi public meeting

রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রোববার জনসভার মঞ্চে উঠে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সকালে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নিয়ে বেলা সোয়া ৩টার দিকে জনসভাস্থল ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে রোববার দুপুর থেকে শুরু হওয়া জনসভায় যোগ দিয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সকালে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নিয়ে বেলা সোয়া ৩টার দিকে জনসভাস্থল ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশ করেন তিনি।

গাড়ি থেকে নেমে মঞ্চে উঠে আওয়ামী লীগ সভাপতি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। পরে তিনি বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন ও প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ওঠার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় তার জনসভাস্থল। রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে আসা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা রোববার সকাল ৮টার দিকে মাঠে ঢুকতে শুরু করেন, যেটি দুপুরের আগেই ভরে যায়।

ভোর থেকেই জনসভা এলাকায় আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো রাজশাহী মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়।

দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী জেলা ও মহানগর আয়োজিত এই জনসভা শুরু হয়, যাতে সভাপতিত্ব করছেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা জনসভা পরিচালনা করছেন।

সভার শুরুতে চারটি ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রেজোয়ানুল হক পিনু মোল্লাহ।

আওয়ামী লীগ নেতা তন্ময় শর্মা পবিত্র গীতা, খায়রুল বাসার টোটন বাইবেল পাঠ এবং শ্রাবণী বড়ুয়া ত্রিপিটক পাঠ করেন।

সভার শুরুতেই বক্তব্য দেন নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য নিজামুদ্দিন জলিল জয়। এরপর একে একে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

জনসভাস্থল ভরে যাওয়ায় অনেক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন আশপাশের এলাকায়। িনগরীর ১৩টি পয়েন্ট লাগানো হয়েছে বড় পর্দা, যেগুলোতে সরাসরি প্রচার করা হচ্ছে জনসভা।

জনসভাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলেছে। সকাল থেকেই পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দারা দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ ও র‌্যাব তল্লাশি চালিয়ে সভাস্থলে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন নেতা-কর্মীদের। জনসভাস্থলে সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশের জন্য বাঁশ দিয়ে আলাদা লেন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশের চাবিকাঠি ডিজিটাল কানেকটিভিটি: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

রাজনীতি
The prime ministers meeting place is packed to the brim

কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল

কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ। ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে আসা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা রোববার সকাল ৮টার দিকে জনসভার মাঠে ঢুকতে শুরু করেন। দুপুরের আগেই পুরো মাঠ ভরে যায়।

রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আগমনের আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে তার জনসভাস্থল ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ।

রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে আসা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা রোববার সকাল ৮টার দিকে মাঠে ঢুকতে শুরু করেন। দুপুরের আগেই পুরো মাঠ ভরে যায়।

ভোর থেকেই জনসভা এলাকায় আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো রাজশাহী মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়।

দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী জেলা ও মহানগর আয়োজিত এই জনসভা শুরু হয়, যাতে সভাপতিত্ব করছেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা জনসভা পরিচালনা করছেন।

সভার শুরুতে চারটি ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রেজোয়ানুল হক পিনু মোল্লাহ।

আওয়ামী লীগ নেতা তন্ময় শর্মা পবিত্র গীতা, খায়রুল বাসার টোটন বাইবেল পাঠ এবং শ্রাবণী বড়ুয়া ত্রিপিটক পাঠ করেন।

সভার শুরুতেই বক্তব্য দেন নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য নিজামুদ্দিন জলিল জয়। এরপর একে একে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

জনসভাস্থল ভরে যাওয়ায় অনেক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন আশপাশের এলাকায়।

নগরীর ১৩টি পয়েন্ট লাগানো হয়েছে বড় পর্দা, যেগুলোতে সরাসরি প্রচার করা হচ্ছে জনসভা।

জনসভাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলেছে। সকাল থেকেই পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দারা দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ ও র‌্যাব তল্লাশি চালিয়ে সভাস্থলে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন নেতা-কর্মীদের।

জনসভাস্থলে সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশের জন্য বাঁশ দিয়ে আলাদা লেন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশের চাবিকাঠি ডিজিটাল কানেকটিভিটি: প্রধানমন্ত্রী
সাফল্য-ব্যর্থতা জনগণই বিচার করবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

রাজনীতি
Awami League leaders and workers are gathering at the Prime Ministers rally

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রোববার সকাল থেকে জড়ো হতে শুরু করেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভাস্থল রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ) রোববার সকাল থেকে জড়ো হতে শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর রাজশাহীতে এসে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনের বেশ আগে থেকেই জনসভাস্থলে নেতা-কর্মীদের সমাগম শুরু হয়।

রাজশাহী ও আশপাশের জেলা থেকে বাসে এসে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে যান নেতা-কর্মীরা।

জনসভাস্থল খুলে দেয়া হয় সকাল ৮টার পর, যার আগে মিছিল নিয়ে মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশের ফটকে আওয়ামী লীগের হাজারো নেতা-কর্মীর জটলা দেখা যায়।

বিভিন্ন নেতার অনুসারীরা নিজেদের পরিচয় জানান দিতে বর্ণিল টি-শার্ট ও টুপি পরে আসেন জনসভায়। তাদের স্লোগান, বাদ্যযন্ত্রে জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা যায়।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু বলেন, ‘রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে নেতা-কর্মীরা মাঠে আসতে শুরু করেছে।

‘বিভাগের আট জেলা থেকে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী এতে যোগ দেবেন। বেলা ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উঠবেন।’

প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে প্যারেড পরিদর্শন করবেন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি।

আরও পড়ুন:
সাফল্য-ব্যর্থতা জনগণই বিচার করবে: প্রধানমন্ত্রী
‘প্রতিটি শিশুকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’
সরকার অগ্রাধিকার খাতে টাকা ব্যয় করছে: প্রধানমন্ত্রী
ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা
‘বঙ্গবন্ধু সরকার: দেশ নির্মাণের মৌলিক রূপরেখা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

মন্তব্য

রাজনীতি
Rajshahi is waiting for the Prime Minister

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে সামনে রেখে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে রাজশাহী নগরীকে। ছবি: নিউজবাংলা
সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ এবং দুপুরে শহরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সেজেছে রাজশাহী।

সকালে জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ এবং দুপুরে শহরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। সেখানে রাজশাহীর ৩২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসমাগম ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে এক মাস ধরে রাজশাহীতে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি। তাকে স্বাগত জানাতে নগর ও জেলাজুড়ে ৪৪টি তোরণ তৈরি করা হয়। জনসভাস্থলের আশেপাশের সড়কগুলোকে সংস্কার করে চকচকে করা হয়।

নগরীর সড়কদ্বীপগুলো ঝেড়ে-মুছে রঙিন করা হয়। নগরজুড়ে প্রজাপতি ও রাজকীয় সব সড়কবাতি লাগানো হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানার ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে নগরীতে। এসব ব্যানারে সরকারের উন্নয়নচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরে ২২০টি মাইক ও ১২টি এলইডি স্ক্রিন থাকবে। এ ছাড়াও সমাবেশের জন্য ৫ শতাধিক ভলান্টিয়ার রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত পানি ও পায়খানার ব্যবস্থা থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জনসভাস্থল ছাড়াও নগরীর চারটি প্রবেশদ্বারসহ প্রতিটি কোণে ছয় সহস্রাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু জনসভাস্থলের নিরাপত্তায় তিন সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য থাকছে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘রাজশাহীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিটি পয়েন্টেই নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে।’

থাকছে বিশেষ ট্রেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহী জনসভা উপলক্ষে পশ্চিম অঞ্চলে রেলওয়েতে চালু করা হয়েছে সাত বিশেষ ট্রেন। রোববার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ট্রেনগুলো রাজশাহীতে আসবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে সাতটি বিশেষ ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এগুলো হলো নাটোর স্পেশাল, সিরাজগঞ্জ স্পেশাল, জয়পুরহাট স্পেশাল, সান্তাহার স্পেশাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্পেশাল, রহনপুর স্পেশাল ও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী স্পেশাল ট্রেন।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীর নেতারা রাজশাহীতে

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছে গেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীর নেতারা। শনিবার বিকেলে রাজশাহী পৌঁছান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু শনিবার বলেন, ‘প্রায় ১৫-২০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যেই আমরা জনসভা শুরু করব। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্যের পর সকাল ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উঠবেন।’

আরও পড়ুন:
‘প্রতিটি শিশুকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’
সরকার অগ্রাধিকার খাতে টাকা ব্যয় করছে: প্রধানমন্ত্রী
ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা
‘বঙ্গবন্ধু সরকার: দেশ নির্মাণের মৌলিক রূপরেখা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
সংকট মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

রাজনীতি
Special train to Rajshahi around Prime Ministers rally

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন  প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে সামনে রেখে নতুন সাজে সেজেছে রাজশাহী নগরী। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহী জনসভা উপলক্ষে পশ্চিম অঞ্চলে রেলওয়েতে চালু করা হয়েছে সাত বিশেষ ট্রেন। রোববার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ট্রেনগুলো রাজশাহীতে আসবে।

পাঁচ বছর পর রোববার রাজশাহী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানকার ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে আওয়ামী লীগের জনসভা। এ জনসভাকে সামনে রেখে নতুন সাজে সেজেছে রাজশাহী নগরী, থাকছে বিশেষ ট্রেনও। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসমাগম ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে এক মাস ধরে রাজশাহীতে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি। তাকে স্বাগত জানাতে নগর ও জেলাজুড়ে ৪৪টি তোরণ তৈরি করা হয়েছে। জনসভাস্থলের আশেপাশের সড়কগুলোকে সংস্কার করে চকচকে করা হয়েছে। নগরীর সড়কদ্বীপগুলো ঝেড়ে-মুছে রঙিন করা হয়েছে। নগরজুড়ে প্রজাপতি ও রাজকীয় সব সড়কবাতি লাগানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানার ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে। এসব ব্যানারে সরকারের উন্নয়ন চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

জনসভা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করবেন। বিকেলে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তিনি। এখানে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর ৩২ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন , ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরে ২২০টি মাইক ও ১২ টি এলইডি স্ক্রিন থাকবে। এছাড়াও সমাবেশের জন্য ৫ শতাধিক ভলান্টিয়ার রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত পানি ও পায়খানার ব্যবস্থা থাকবে। ’

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনসভাস্থল ছাড়াও নগরীর চারটি প্রবেশদ্বারসহ প্রতিটি কোণে ছয় সহস্রাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু জনসভাস্থলের নিরাপত্তায় তিন সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য থাকছে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘রাজশাহীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি পয়েন্টেই নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে।’

থাকছে বিশেষ ট্রেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহী জনসভা উপলক্ষে পশ্চিম অঞ্চলে রেলওয়েতে চালু করা হয়েছে সাত বিশেষ ট্রেন। রোববার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ট্রেনগুলো রাজশাহীতে আসবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে সাতটি বিশেষ ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এগুলো হল-, নাটোর স্পেশাল, সিরাজগঞ্জ স্পেশাল, জয়পুরহাট স্পেশাল, সান্তাহার স্পেশাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্পেশাল, রহনপুর স্পেশাল ও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী স্পেশাল ট্রেন।’

অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ হেলালের আবেদনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্রেনগুলো বেলা ১২টা থেকে একটার মধ্যেই রাজশাহীতে পৌঁছাবে।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীর নেতারা রাজশাহীতে

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে এরইমধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছে গেছেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীর নেতারা। শনিবার বিকেলে রাজশাহী পৌঁছেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু বলেন, প্রায় ১৫-২০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যেই আমরা জনসভা শুরু করব। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্যের পর সকাল ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উঠবেন।

এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে পরিদর্শন করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ওবায়দুল কাদের বলেন, গত ১৪ বছরে পুরো দেশের মতো রাজশাহীও বদলে গেছে। দেশের বৈপ্লবিক উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। উন্নয়ন-অর্জনের বদলে যাওয়া দৃশ্যপটের ওপর গুরুত্ব দিয়েই প্রধানমন্ত্রী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।

স্মরণকালের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবেশ হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের আর এক বছর বাকি। তাই নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। নৌকায় আবারও মানুষের সমর্থন ও ভোট চাইবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

তিনি বলেন, বড়-বড় দেশগুলো পৃথিবীতে যুদ্ধ বাধিয়ে আমাদের মত ছোট-ছোট দেশগুলোকে সমস্যায় ফেলেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে শক্ত হাতে দেশের হাল ধরেছেন শেখ হাসিনা। দক্ষিণ এশিয়া তো বটেই, উন্নত দেশগুলোর চেয়েও বাংলাদেশের মানুষ সংকটের মধ্যেও ভালো আছেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
টুঙ্গিপাড়ায় জার্মানি আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা
সরকার অগ্রাধিকার খাতে টাকা ব্যয় করছে: প্রধানমন্ত্রী
ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা
‘বঙ্গবন্ধু সরকার: দেশ নির্মাণের মৌলিক রূপরেখা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
সংকট মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

p
উপরে