× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Who removed the red marks given by Sauz in the building under construction?
google_news print-icon

নির্মাণাধীন ভবনে সওজের দেয়া ‘লাল দাগ’ মুছল কে

নির্মাণাধীন-ভবনে-সওজের-দেয়া-লাল-দাগ-মুছল-কে
ঠাকুরগাঁও পৌর শহরে সওজের জমিতে নির্মাণাধীন চার তলা একটি ভবনে সওজ লাল দাগ দেয়। ছবি: নিউজবাংলা
ভবনের মালিক মুনসেফ আলী বলেন, ‘এ লাল দাগও ভুয়া।’ তার দাবি, তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের জমিতে নির্মাণাধীন চার তলা একটি ভবনের কিছু অংশকে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে ‘লাল দাগ দেয়’ সংস্থাটি।

ওই ভবনে সওজের দেয়া সেই ‘লাল দাগ’ মুছে ফেলা হয়েছে, তবে কে বা কারা এ কাজটি করেছে তা জানা যায়নি।

স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি বাসস্ট্যান্ড এলাকার শহিদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম সংলগ্ন ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে নির্মাণাধীন ওই ভবন পরিদর্শন করে সওজ কর্তৃপক্ষ। এ সময় মাপজোক করে ভবনের সামনের কিছু অংশ সওজের জমিতে পড়ায় লাল দাগ দেয়া হয়। ভবনের মালিককে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতেও বলা হয়।

এ ঘটনায় নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সেদিনের পর থেকে এক সপ্তাহ ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। হঠাৎ তারা দেখেন ভবনের দেয়ালে সওজের দেয়া লাল দাগ কেউ একজন মুছে দিয়েছেন এবং ভবন নির্মাণশ্রমিকরা ভেতরে কাজ করছে। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সওজ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানায় ও খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছে।

নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনে গিয়ে জানা যায়, সওজের দেয়া লাল দাগটি সূক্ষ্মভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। নতুন করে দেখে বোঝার উপায় নেই এখানে কোনো লাল দাগ ছিল। সেই লাল দাগ মিশিয়ে কালো কালি দিয়ে একটি দিক চিহ্ন দেয়া হয়েছে।

কে লাল দাগ মুছে ফেলেছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি ভবনের মালিক ও সওজ কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী রাফিউল ইসলামের কাছে লাল দাগের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ভবনের মালিককে জিজ্ঞাসা করতে বলেন।

লাল দাগ কেন মেশানো হলো, এ বিষয়ে কোনো লিখিত কাগজ ভবনের মালিককে দেয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কাগজ দেয়া হয়নি। কেউ যদি জোর করে কাজ করে তাহলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, আগামী মঙ্গলবার ওই স্থানে তিনি আবারও মাপজোক করবেন। এ সময় তিনি ভবনের মালিক ও তার পক্ষের লোকজনকে থাকতে বলেন।

মুঠোফোনে জানতে চাইলে ভবনের মালিক মুনসেফ আলী বলেন, ‘এ লাল দাগ ও ভুয়া।’

তার দাবি, তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করা হচ্ছে এবং তিনি মাপজোক করেই ভবন নির্মাণ করছেন। সড়ক ও জনপথের কাছ থেকে কোনো লিখিত কাগজও পাননি। এ নিয়ে তিনি প্রয়োজনে আদালতে যাবেন।

এদিকে সওজের দেয়া লাল দাগ দেয়ার পর তা মুছে ফেলায় স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

স্থানীয় এমদাদ উল্লাহ্ বলেন, ‘একটি ভবন পরিকল্পিতভাবে ও যথাযথ আইন মেনে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করে নির্মাণ হবে, এটি আমাদের সকলের চাওয়া। সওজ কর্তৃপক্ষ একটি লাল দাগ দিয়েছে। সে দাগ যখন তখন মুছে ফেলা যায় কি না, এ নিয়ে আমার অনেক প্রশ্ন রয়েছে।

‘সওজ কর্তৃপক্ষের দেয়া একটি দাগ উধাও হয়ে যাবে, কেউ জানবে না, এমন ঘটনা সত্যি ভাবনার বিষয়। আমার ভেতরে অনেক নেতিবাচক ধারণাও তৈরি হচ্ছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘খোঁজ নেয়া হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two women and a child were killed and another child injured in a bus accident in Comilla

কুমিল্লায় বাসচাপায় দুই নারী ও শিশু নিহত, আহত আরেক শিশু

কুমিল্লায় বাসচাপায় দুই নারী ও শিশু নিহত, আহত আরেক শিশু সোমবার রাতে বাসচাপায় আহতদের কুমিল্লার গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুরে মহাসড়ক পারাপারের সময় ঢাকাগামী একটি বাস দুই শিশুসহ চারজনকে চাপা দেয়। তাদেরকে গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত এক শিশুকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুরে বাসচাপায় তিনজন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও একটি শিশু।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বাসটি এখনও আটক করা যায়নি। আর নিহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুরে মহাসড়ক পারাপারের সময় ঢাকাগামী একটি বাস দুই শিশুসহ চারজনকে চাপা দেয়। এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে দ্রুত গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে চিকিৎসক দুই নারী ও এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অপর শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, চারজনকে চাপা দেয়া বাস ও চালককে আটক করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বাসের ধাক্কায় দুই চুয়েট শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১
চট্টগ্রামে অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
গাছে বাসের ধাক্কায় একজন নিহত, আহত ৭
চলে গেলেন পাগল হাসানের সহকর্মী জাহাঙ্গীরও
নিরাপদ সড়কের দাবিতে চোখে কাপড় বেঁধে অবস্থান স্কুলছাত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Unraveling the mystery of the sensational Suvarna murder case Detention 2

চাঞ্চল্যকর সুবর্ণা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, আটক ২

চাঞ্চল্যকর সুবর্ণা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, আটক ২ আটককৃত সাব্বির ও শাকিবের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সুবর্ণা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আটজন যুবক ও কিশোর মিলে পালাক্রমে ধর্ষণের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সুবর্ণাকে হত্যা করে বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

সাত বছর আগে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর সুবর্ণা নামের ৮ বছর বয়সী এক শিশু হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

আটজন যুবক ও কিশোর মিলে পালাক্রমে ধর্ষণের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সুবর্ণাকে হত্যা করে বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

ইতোমধ্যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই জনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চৌহালী উপজেলার দত্তকান্দি গ্রামের ২০ বছর বয়সী মো. সাব্বির হোসেন এবং একই গ্রামের ২১ বছর বয়সী মো. শাকিব খান।

সাব্বির ও সাকিব দুজনেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রোমহর্ষক এ ঘটনার বিবরণ দেন পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালের ২৭ মার্চ সকালে চৌহালী উপজেলার মধ্য শিমুলিয়ার চর থেকে সুবর্ণার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সুবর্ণার বাবা মো. শুকুর আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে বাদী আদালতে নারাজি আবেদন দেন। এরপর মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

‘২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর পিবিআই এসআই আশিকুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৯ এপ্রিল ভিকটিমের ফুফাতো ভাই মো. সাব্বির হোসেনকে আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্যে ওই দিনই দত্তকান্দি শোলে বাজার থেকে শাকিব খানকে আটক করা হয়।’

এর আগে এ ঘটনার নায়ক মিলন পাশাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তার কাছ থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান এ কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, ‘তবে গ্রেপ্তার সাব্বির ও শাকিব খানকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসে।

‘জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে তারা দুজনসহ আরও ছয়জন দত্তকান্দি হাইস্কুল মাঠে যায়। সেখানে সুবর্ণাকে তার ফুফাতো ভাই সাব্বিরের সঙ্গে খেলতে দেখে। তখনই তারা সুবর্ণাকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে।

‘পরিকল্পনা অনুযায়ী মিলন পাশা ও সাকিবসহ বাকি আসামিরা সাব্বিরকে বলে তার মামাতো বোন সুবর্ণাকে মধ্যশিমুলিয়ার চরে নিয়ে যেতে। সন্ধ্যার পর সাব্বির ও শাকিব মিলে সুবর্ণাকে কৌশলে মধ্যশিমুলিয়ার চরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই বাকি আসামিরা অবস্থান করছিল। এরপর সুবর্ণার হাত-পা চেপে ধরে আটজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে সুবর্ণা নিস্তেজ হয়ে যায়। তখন সে কাঁদতে কাঁদতে ঘটনাটি সবাইকে বলে দেয়ার কথা বলে। এ অবস্থায় আসামিরা নিজেদের বিপদের কথা চিন্তা করে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সুবর্ণার গলায় তারই ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। এরপর শরীরে মাটি ছিটিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।’

পিবিআইয়ের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘ওদিকে পরিবারের লোকজন চিন্তা করে, সুবর্ণা ওই স্কুলের পাশে তার ফুফুর বাড়িতেই আছে। এ জন্য শুরুতে তারা খোঁজাখুঁজিও করে নাই। পরদিন তার মরদেহ পাওয়া যায়।

‘পিবিআই তদন্তকালে সুরুতহাল রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখে সুবর্ণাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়াও তার গোপনাঙ্গে রক্ত দেখে তা আলামত হিসেবে সংগ্রহ করা হয়। আলামতের ডিএনএ পরীক্ষায় তার পরণের পোশাকে সিমেনের (বীর্য) নমুনা পাওয়া যায়। এতেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে, সুবর্ণাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League leader Rocky murder accused killed by bus

ছাত্রলীগ নেতা রকি হত্যা মামলার আসামি বাসচাপায় নিহত

ছাত্রলীগ নেতা রকি হত্যা মামলার আসামি বাসচাপায় নিহত ফাইল ছবি
দুর্ঘটনায় নিহত সোহাগের জ্যাঠাতো ভাই আল আমিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো যোগসাজস আছে কি না, সেটা জানতে হবে। ঘটনার পর আমরা সবাই মরদেহ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই এজাহারে ওইসব বিষয় তুলে ধরা হয়নি।’

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ওমর ফারুক সোহাগ বাস চাপায় নিহত হয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের ঝিনাশ্বর এলাকার নতুন জেলখানার সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি।

ঘটনার পর সোমবার সকালে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহত সোহাগের স্ত্রী ইফাত আরা মুন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে ঘাতক বাসের চালক সাদ্দামকে।

৪০ বছর বয়সী ওমর ফারুক সোহাগ গাইবান্ধা পৌর এলাকার সরদারপাড়ার বাসীন্দা। তিনি ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি ছিলেন।

মামলা ও দুর্ঘটনার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদ রানা।

তিনি বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে পলাশবাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন সোহাগ। এ সময় তিনি নতুন জেলখানা মোড় এলাকায় পৌঁছালে গাইবান্ধা থেকে একইদিকে যাওয়া শাওন অ্যান্ড সৈকত পরিবহনের একটি বাস তাকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত তিনি। ঘটনার পর স্থানীয়দের খবরে মরদেহ উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী দুর্ঘটনাকারী বাসটির চালককে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ বিষয়টির তদন্ত করছে।’

ঘটনার বিষয়ে জানতে মামলার বাদীর এজাহারে দেয়া ফোন নম্বরে কল করা হলে তা রিসিভ করেন সোহাগের জ্যাঠাতো ভাই আল আমিন।

তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘সোহাগ ছাত্রলীগ নেতা রকি হত্যা মামলার আসামি ছিল। ওই মামলায় সে প্রায় এক বছর জেল খেটে জামিনে ছিল।’

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো যোগসাজস আছে কি না, সেটা জানতে হবে। ঘটনার পর আমরা সবাই মরদেহ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই এজাহারে ওইসব বিষয় তুলে ধরা হয়নি।’

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১১ জুলাই রাত ১০টার দিকে গাইবান্ধা-বালাসী সড়কের শহরের পূর্বপাড়ায় অবস্থিত হালিম বিড়ি ফ্যাক্টরির সামনে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন রকি। পরে স্থানীয়রা তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক রকিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ও হত্যকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত ওমর ফারুক সোহাগের অপর এক আপন ভাইসহ চারজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান।

ওই মামলায় একই বছরের ১৭ অক্টোবর ওমর ফারুক সোহাগসহ তাদের দুই সহোদরকে শহরের ব্রিজ রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ। পরে তারা জামিনে বের হন।

হত্যার শিকার ছাত্রলীগ নেতা রকির বাড়ি ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মধ্য কঞ্চিপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত সাইদার রহমান ছেলে। ২০১৫ সাল থেকে ওই সময় পর্যন্ত রকি ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রদল নেতা হত্যায় কুমিল্লায় ১৪ জনের যাবজ্জীবন
মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’
বাসের ধাক্কায় দুই চুয়েট শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth dies of heatstroke in Chittagong

চট্টগ্রামে হিটস্ট্রোকে যুবকের মৃত্যু

চট্টগ্রামে হিটস্ট্রোকে যুবকের মৃত্যু
বাস কাউন্টারের বাবুল আহমদ বলেন, ‘ছেলেটি টেম্পুতে মনে হয় সিটি গেটের দিকে কোথাও যাচ্ছিল। আমার কাউন্টারের সামনে এসে ছেলেটা নাকি গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওরা কাউন্টারের সামনে গাড়ি ব্রেক করে নামিয়ে তাকে শুইয়ে দেয়। সেখানে পরক্ষণেই সে মারা যায়।’

চট্টগ্রামে হিটস্ট্রোকে এক যুবক মারা গেছেন। তার নাম শুকুর আলী। পুলিশ বলছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর জানা যাবে মৃত্যুর কারণ।

সোমবার নগরীতে চলাচল করা একটি টেম্পু কর্নেল হাট শ্যামলী বাস কাউন্টারের সামনে পৌঁছলে টেম্পুটি থামিয়ে সেখান থেকে নিস্তেজ অবস্থায় এক যাত্রীকে ধরাধরি করে নামিয়ে আনেন অন্য যাত্রীরা। পরে খবর দেয়া হয় পাহাড়তলী থানা পুলিশকে।

শুকুর আলী লক্ষ্মীপুর জেলার দালাল বাজারের হাজীবাড়ির মৃত মানিক মিস্ত্রির ছেলে। তিনি সীতাকুণ্ডে জলিলের সিডিএ এলাকার বুলু মেম্বারের ভাড়া ঘরে থাকতেন।

কর্নেল হাট শ্যামলী বাস কাউন্টারের বাবুল আহমদ বলেন, ‘ছেলেটি টেম্পুতে মনে হয় সিটি গেটের দিকে কোথাও যাচ্ছিল। গরমে নাকি হাসফাঁস করছিল। আমার কাউন্টারের সামনে এসে ছেলেটা নাকি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওরা কাউন্টারের সামনে গাড়ি ব্রেক করে নামিয়ে তাকে শুইয়ে দেয়। সেখানে পরক্ষণেই সে মারা যায়। পরে আমরা পুলিশে খবর দেই।’

পাহাড়তলী থানার ওসি মোহাম্মদ কেপায়েত উল্লাহ বলেন, ‘কর্নেল হাট এলাকায় এক যাত্রীর মৃত্যু খবর পেয়ে আমার অফিসার ঘটনাস্থলে যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।

‘প্রথমে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। ফেসবুকে বিষয়টি পোস্ট করার পর তার মামা আসেন। তার মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই। বাড়ি লক্ষ্মীপুরে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 passengers detained at Shah Amanat airport with 1 kg of gold

শাহ আমানত বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ ৩ যাত্রী আটক

শাহ আমানত বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ ৩ যাত্রী আটক ছবি: সংগৃহীত
ন্দেহজনক গতিবিধির কারণে এনএসআই ও সিআইআইডির সদস্যরা ওই তিন যাত্রীকে আটক করেন।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ তিন যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার সকালে এনএসআই ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজারের মোবারক আলী, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মো. নাজমুল হক ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের আনোয়ার মোহাম্মদ শাহ।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তসলিম আহমেদ জানান, ভোর ৬টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আটক তিনজন কাপড় ও কম্বলে করে এক কেজির বেশি ওজনের সোনা নিয়ে আসেন। তাদের সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে এনএসআই ও সিআইআইডির সদস্যরা তাদের আটক করেন।

আটক তিনজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয় বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন:
জুতায় লুকানো ছিল স্বর্ণের ৬ বার
কমানোর পর দিনই বাড়ল স্বর্ণের দাম
স্বর্ণের দাম এবার কমেছে, তবে নামমাত্র
দেশে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি ১১৯৬৩৮ টাকা
মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ আটক ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life imprisonment of 14 people in Comilla for Chhatra Dal leaders murder

ছাত্রদল নেতা হত্যায় কুমিল্লায় ১৪ জনের যাবজ্জীবন

ছাত্রদল নেতা হত্যায় কুমিল্লায় ১৪ জনের যাবজ্জীবন ফাইল ছবি
২০২০ সালের ১০ জুন সন্ধ্যায় কমলাপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে পারভেজকে আটক করেন সিকান্দার চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত তাকে এলোপাতাড়ি মারধরে গুরুতর আহত করা হয়। মারধরে গুরুতর আহত হয়ে পারভেজের মৃত্যু হয়।

কুমিল্লায় ছাত্রদল নেতাকে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৫ মাসের সাজার রায় ঘোষণা করা হয়।

সোমবার কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক নাসরিন জাহান এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় ১১ জন আসামি উপস্থিত থাকলেও পলাতক ছিলেন তিনজন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম।

নিহত মো. পারভেজ হোসেন সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কালিবাজার এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. সেকান্দর আলী, যুবলীগ নেতা মো. শাহীন, স্থানীয় যুবলীগ নেতা মো. সাদ্দাম হোসেন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, মফিজ ভান্ডারী, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল কাদের, মো. ইব্রাহীম খলিল, আনোয়ার, মো. মেহেদী হাসান রুবেল ও জয়নাল আবেদীন। এবং পলাতক তিন আসামী হলেন- মো. কাওছার, মো. রিয়াজ রিয়াদ ও বিল্লাল।

আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম জানান, ২০২০ সালের ১০ জুন সন্ধ্যায় কমলাপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে পারভেজকে আটক করেন সিকান্দার চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত তাকে এলোপাতাড়ি মারধরে গুরুতর আহত করা হয়। মারধরে গুরুতর আহত হয়ে পারভেজের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে ১৫০ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পরে পারভেজের মাও বাদী হয়ে মামলা করেন। এ ঘটনায় তদন্ত করে সিআইডি ১৪ জনকে আসামি করে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে একজন আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি ও ৩০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UNOs bodyguard committed suicide by shooting himself in the head

মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’

মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুলিবিদ্ধ আফজাল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
নিহতের সহকর্মী আনসার সদস্য মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজ (সোমবার) বিকেলে বন্দরের ইউএনও স‍্যারের ডিউটি চলাকালীন সে নিজের মাথায় শটগান ঠেকিয়ে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে সে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসি।’

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনকালে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করেছেন আফজাল হোসেন নামে এক আনসার সদস্য। তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সোমবার বিকেল ৫টার দিকে বন্দরের মদনগঞ্জে উপজেলা কার্যালয়ের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় সহকর্মী আনসার সদস্যরা আফজালকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে অপারেশন চলাকালীন সন্ধ্যা ৭টার দিকে মারা যান তিনি।

নিহতের সহকর্মী আনসার সদস্য মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজ (সোমবার) বিকেলে বন্দরের ইউএনও স‍্যারের ডিউটি চলাকালীন সে নিজের মাথায় শটগান ঠেকিয়ে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে সে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসি।

‘আমরা জানতে পেরেছি যে সে আত্মহত্যা করেছে। তার বাবার নাম ওয়াহিদুর রহমান। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ মিয়া বন্দর থানার ওসির বরাত দিয়ে জানান, নিহত আনসার সদস্য বন্দর ইউএনওর গার্ড ছিলেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।’

বন্দর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আনসার সদস্য আফজাল হোসেন শটগান দিয়ে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

পুলিশ জানায়, আফজাল বন্দর ‌থানার ইউএন এম এ মুহাইমিন আল জিহানের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সোমবার বিকেলে উপজেলার ভেতরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি তার অস্ত্র দিয়ে নিজের মাথায় পুলিশ করেন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজনসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটে আসেন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

ইউএনও এম এ মুহাইমিন আল জিহান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আফজালের ডিউটি শুরুর আধ ঘণ্টা পর এ ঘটনা ঘটে। সে তার সার্ভিস শটগান দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে। ঘটনার সময় আমি আমার বাসভবনে ছিলাম না। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় সে পড়ে আছে।

‘দ্রুততার সঙ্গে তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। শটগানটি ও একটি গুলির খোসা জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে।’

মন্তব্য

p
উপরে