× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
What will be the benefit of metro rail up to Agargaon?
google_news print-icon

আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলে লাভ কী হবে?

আগারগাঁও-পর্যন্ত-মেট্রোরেলে-লাভ-কী-হবে?
উত্তরা থেকে মতিঝিল নয়, অর্ধেক দূরত্বে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চললে যাত্রীরা আসলে কতটা উপকৃত হবেন, তা নিয়ে আছে প্রশ্ন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
উত্তরা-মতিঝিল রুটটির এক প্রান্ত উত্তরা বলা হলেও রাজধানীর উত্তর অংশের মূল জনপদ থেকে স্টেশনের দূরত্ব কয়েক কিলোমিটার। আবার আগারগাঁও এসে নামার পর যাত্রীদের বাসে করে যেতে হবে গন্তব্যে। রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থা বিআরটিসি বলছে, উত্তরা-আগারগাঁও থেকে বাস চালু করবে তারা। তবে মেট্রোরেলের আরামদায়ক ভ্রমণ শেষে বিআরটিসির পুরোনো বাস যাত্রীর বিরক্তির কারণ হবে বলে মনে করেন নগরবাসী।

তীব্র যানজটে ভুগতে থাকা রাজধানীতে এক মাস পরই যাত্রী নিয়ে দেশের প্রথম মেট্রোরেলের ছোটার অপেক্ষা শেষ হচ্ছে আগামী মাসেই। তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল নয়, অর্ধেক দূরত্বে আগারগাঁও পর্যন্ত ট্রেন চললে যাত্রীরা আসলে কতটা উপকৃত হবেন, তা নিয়ে আছে প্রশ্ন।

এই রুটটির এক প্রান্ত উত্তরা বলা হলেও রাজধানীর উত্তর অংশের মূল জনপদ থেকে স্টেশনের দূরত্ব কয়েক কিলোমিটার। আবার আগারগাঁও এসে নামার পর যাত্রীদের বাসে করে যেতে হবে গন্তব্যে।

রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থা বিআরটিসি বলছে, উত্তরা আগারগাঁও থেকে বাস চালু করবে তারা। তবে মেট্রোরেলের আরামদায়ক ভ্রমণ শেষে বিআরটিসির পুরোনো বাস যাত্রীর বিরক্তির কারণ হবে বলে মনে করেন নগরবাসী।

ঢাকার যন্ত্রণাদায়ক গণপরিবহন ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা পাল্টে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে রাজধানীতে মেট্রোরেলের যে ছয়টি লাইন চালুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, তার মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে কমলাপুর পর্যন্ত।

নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পেরে তিন ধাপে উদ্বোধন করা হবে যাত্রী বহন, যার মধ্যে আগামী মাসের শেষে দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ছুটবে ট্রেনগুলো। পরের ধাপে মতিঝিল পর্যন্ত চলবে ২০২৪ সালের শেষে আর কমলাপুর পর্যন্ত যাবে ২০২৫ সালের শেষে।

প্রশ্ন উঠেছে, আগারগাঁও পর্যন্ত রুটে ট্রেন চললে যাত্রীর ভোগান্তি আসলে কতটা কমবে, নাকি সেটি আরও বাড়াবে?

উত্তরাবাসীর একাংশের হতাশা

উত্তরার দিয়াবাড়ী ও আশপাশের এলাকার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন মেট্রোরেলের জন্য। তবে ১ থেকে ১০, এমনকি ১৩, ১৪ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দাদের এই ট্রেনের সুবিধা নিতে বেশ কাঠখড় পুড়িয়ে যেতে হবে স্টেশনে।

উত্তরার এসব সেক্টর থেকে দিয়াবাড়ী পর্যন্ত যাতায়াতে গণপরিবহনব্যবস্থা নেই বললেই চলে। একটি মাত্র কোম্পানি রাইদার বাস হাউস বিল্ডিং হয়ে দিয়াবাড়ী পর্যন্ত রুট পারমিট থাকলেও যায় কালভার্ট রোড পর্যন্ত দিয়াবাড়ীতে ঢোকে না। সেখান থেকে ২০ থেকে ৩০ টাকা রিকশা ভাড়া দিয়ে যেতে হবে স্টেশনে। হাউস বিল্ডিং থেকে কেউ রিকশায় যেতে চাইলে খরচ পড়বে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। লেগুনায় চড়লে যাওয়া যাবে ২০ টাকায়।

‘মেট্রোরেলে চড়ার তো ইচ্ছা আছেই। চড়তে পারলে আমগো লইগা ভালো। তয় হাউস বিল্ডিং দিয়া হেহানে যাইতে ভাঙা খরচ আছে। হের চাইতে তো এইহান দিয়া (বিমানবন্দর সড়ক ধরে) যাইতেই ভালা’- বলছিলেন পেশায় গাড়িচালক আজহারুল ইসলাম।

দিয়াবাড়ী যাওয়ার সড়কে যানজট নিয়ে শঙ্কায় স্থানীয় আসলাম পারভেজ। তবে এই উদ্যোগের প্রশংসা রয়েছে তার মুখে। স্থানীয়দের অনেকেই এই মেট্রোরেল সেবা নিতে মুখিয়ে আছে।

যাত্রীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে উত্তরার হাউস বিল্ডিং থেকে দিয়াবাড়ী পর্যন্ত বিআরটিসির বাস চলবে- এমন একটি প্রচার থাকলেও সেটি নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা বা পরিকল্পনা জানানো হয়নি।

রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, উত্তরা প্রথম স্টেশনের নিচ থেকে উত্তরার হাউস বিল্ডিং হয়ে বিভিন্ন দিকে বাস চালু হবে। তবে কতগুলো বাস চলবে, কোথায় কোথায় স্টপেজ, ভাড়া কত, সেসব বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এই রুটে রাইদা বাসে চালকের সহকারী ইব্রাহীম হোসেন সজল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তো চাই যাত্রী উঠুক। কিন্তু যাত্রী নেয়া নিষেধ আছে লেগুনার। এই কারণে যাত্রী তুলি না। এই রাস্তায় যাত্রী নামতে পারলে উঠাইতে পারি না।’

এক চালক বলেন, ‘আমগো তো দিয়াবাড়ী যাওয়ার কথা। কিন্তু ওগো (লেগুনা) কারণে যাইতে পারি না। এই কারণে কালভার্ট রোডে আমারা গাড়ি স্টপ কইরা দেই। ওরা আগে থেইকা এই রোডে চলে তো। ওগো একটা প্রভাব আছে।’

এ সড়কে একাধিক গাড়িচালক নিউজবাংলাকে জানান, স্বাভাবিক সময়ে হাউস বিল্ডিং থেকে স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছাতে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। যদি যানজট থাকে, সে ক্ষেত্রে সময় লাগে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট।

হাউস বিল্ডিং এলাকার বাসিন্দা আসলাম পারভেজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উত্তরাবাসীর এই দিয়াবাড়ী আইতে একটা সমস্যা হবে। কারণ এই রাস্তায় অনেক যানজট। যানজট কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, সেটার একটা উপায় খুঁজে বের করতে হবে।’

মেট্রোরেলে অবশ্য সুবিধা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা জিনিস প্রবলেম হতে পারে। সেটা হচ্ছে স্টেশনে যাওয়া ও সেখান থেকে বের হওয়া।

‘হাউস বিল্ডিং থেকে লেগুনা দিয়ে ২০ টাকা দিয়া চইলা অসা যাবে। তবে এই লেগুনা দিয়া এত যাত্রী বহন করা সম্ভব নয়। অনেক মানুষ আসবে-যাবে। আসা-যাওয়ার জন্য রাস্তাটা বড় করা দরকার।’

তবু অধীর অপেক্ষায় বহুজন

দিয়াবাড়ীতে উত্তরা উত্তরের প্রথম স্টেশনের পাশেই চায়ের দোকান হরিপদ সরকারের। মেট্রারেল নিয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত। নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উঠুম না মানে? অবশ্যই উঠুম। এখান থেইকা উইঠা যামুগা কারওয়ান বাজার।’

কারওয়ানবাজার তো যেতে পারবেন আগামী বছর। এখন তো যেতে হবে আগারগাঁও পর্যন্ত। এই তথ্য জানালে কিছুটা হতাশা চলে আসে তার মধ্যে। তখন বলেন, ‘যামু এহন যতটুকু চলব। কিছু দূর গেলেও তো যাওয়ন লাগব।’

দিয়াবাড়ী বটতলার ব্যবসায়ী বাছির মিয়া বলেন, ‘এহানেই তো থাকি। আগারগাঁও গেলেও তাড়াতাড়ি যাওন যাইব। আগে বেড়িবাঁধ হাউস বিল্ডিং দিয়া যাইতাম।

‘আগারগাঁও গেলেও আমরা এই এলাকার যারা আছি তারার লইগা সুবিধা বেশি। যারা দূর-দূরান্ত থেইকা আইব, তাগো খরচা বেশি। যে টাকা দিয়া তারা আইব, সেই টাকা দিয়া আপ-ডাউন করতে পারমু।’

আগারগাঁও নেমে কী হবে?

বেড়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার নির্বিঘ্ন যাত্রার পর আগারগাঁও নেমে আবার সেই আগের ভোগান্তি। এখান থেকে বাসে চেপে যেতে হবে ফার্মগেট, শাহবাগ বা মতিঝিলের পথে। এই পথের যানজট এক ইস্যু, আরেকটি হলো আগারগাঁও নেমে যাত্রীরা আসলে বাসে উঠতেই পড়বেন ভোগান্তিতে।

বিআরটিসি বলছে, মেট্রোরেল চালুর দিন থেকে তারা আগারগাঁও থেকে বাস চালু করবে। তবে এই বাসগুলো যাত্রী চাহিদা আদৌ পূরণ করতে পারবে কি?

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক জানিয়েছেন, প্রথমে ১০টি ট্রেন দিয়ে মেট্রোরেল চালু করা হবে। প্রতিটি ট্রেনের যাত্রী ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৭৩৮।

গত ২২ আগস্ট সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘প্রথম দিন ১০ মিনিট পর পর ট্রেন চালু হবে। দ্বিতীয় দিন হয়তো আমরা ৭ মিনিটে নামিয়ে আনব। ক্রমান্বয়ে যাত্রীর চাপের ওপর নির্ভর করবে আমরা কতক্ষণ পর পর ট্রেন ছাড়ব। অনেক বেশি যাত্রী অপেক্ষমাণ থাকলে আমরা সাড়ে ৩ মিনিট পর পর ট্রেন ছাড়ব। ফজরের নামাজের সময় থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত ট্রেন চলবে।’

যদি ১০ মিনিটে পৌনে ২ হাজার যাত্রী এসে আগারাগাঁও নামে, তাহলে ঘণ্টায় নামবে সাড়ে ১০ হাজার। একেকটি বাসে ৬০ জন যাত্রী উঠলেও ৫০ বাসে যাত্রী উঠতে পারে তিন হাজার জন।

তবে এই ৫০টি বাসের মধ্যে কিছু চলবে উত্তরায়, কিছু চলবে আগারগোঁওয়ে। যদি ২৫টি করে দুই রুটে দেয়া হয়, তাহলে সেগুলো একবারে দেড় হাজার যাত্রী তুলতে পারবে ঘণ্টায়।

তবে ৫০টি বাসের সবগুলো একসঙ্গে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকবে না। সব সময় আসা যাওয়ার মধ্যে থাকবে কিছু বাস। কিছু বাস থাকবে নষ্ট।

আগারগাঁওয়ে নিত্যদিনের চিত্রটা কী?

মিরপুর থেকে ছেড়ে আসা বাসগেুলো মূলত শেওড়াপাড়া আগারগাঁও হয়ে নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যায়। আগারগাঁও প্রান্তে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিসসহ আছে স্কুল কলেজ। প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এ প্রান্তে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকে।

আইডিবি ভবনের বিপরীত পাশে সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা বা রাত বেশিরভাগ সময়েই বাসে আসন পাওয়া যায় না। এমনকি দাঁড়িয়ে যাওয়ারও উপায় থাকে না বিশেষ করে অফিস সময় ও ছুটি শেষে। বাদুর ঝোলা হয়েই ছুটতে হয় তাদের।

বিআরটিসি কী বলছে

রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেট্রোরেলে উত্তরা প্রথম স্টেশন এবং আগারগাঁও স্টেশনে যাত্রীদের আনা নেয়ার জন্য ডিএমটিসিএল সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে, সেখানে আমরা এই দুই স্টেশনের জন্য আপাতত ৫০টি বিআরটিসি বাস দেবো। পরে চাহিদা বাড়লে বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।’

আগারগাঁও থেকে ফার্মগেট, শাহবাগ, পল্টন হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত চলবে এই বাসগুলো। উত্তরা থেকে দিয়াবাড়ী স্টেশনেও থাকবে শাটল বাস। তবে শুধু মেট্রোরেলের যাত্রী নয়, সব যাত্রীই উঠতে পারবে এতে।

তবে বাসগুলো কোথায় পার্কিং করা হবে- জানতে চাইলে এমআরটি লাইন-৬-এর উপ প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘স্টেশনের সামনে যে একটা নার্সারি ছিল, সেটা আমরা সরিয়ে ফেলেছি। এখানেই আমরা স্টেশন প্লাজা তৈরি করব। এখানেই বাসগুলো পার্কিং করা থাকবে। যাত্রীরা আসলে বাসগুলো পরে চলে যাবে।’

পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল যা বলছেন

দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল যাত্রী ভোগান্তি কমাতে পারবে না বলে মনে করেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল হক। তার ধারণা, এটি আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আগারগাঁও পর্যন্ত রুট চালু হলে মানুষ হয়তো উচ্ছ্বাসে যাতায়াত করবে। তবে পুরোদমে চালু হলে উচ্ছ্বাসের পাশপাশি মানুষ তার গন্তব্যে সহজে যেতে পারত। সমন্বিতভাবে না হওয়ায় এর একটি ঋণাত্মক প্রভাব পড়বে। প্রধান যে লক্ষ্য, পিক আওয়ারে চাপ কমানো, সেটি পূরণ সম্ভব নয়।’

আগারগাঁওয়ের বদলে ফার্মগেট পর্যন্তও যদি মেট্রোরেল চলত, তাতে কিছুটা সুফল মিলতে পারত কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা হতো, কিন্তু ফার্মগেটে বাক আছে। ফলে সেটি অপারেশনালি সম্ভব না। আগারগাঁও পর্যন্ত চালু হলে কী ডিফিকাল্টিস আছে তা আবিষ্কার করা সম্ভব।’

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেল উদ্বোধন ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে
কিছুতেই থামছে না মেট্রোরেলে পোস্টার দূষণ
২০৩০ সালের মধ্যে মেট্রোরেলের ৬ লাইন
মেট্রোরেলের দুই স্টেশনে যাত্রী উঠবে কীভাবে
মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলায় ট্রাম্প

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Memorandum of 12 students in Bangabhaban

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর বঙ্গভবন অভিমুখী পদযাত্রায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন সারজিস আলম, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ, হান্নান মাসুদ, সুমাইয়া আক্তার, আবদুল কাদের।

এর আগে তিন দফায় পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে তাদের পূর্বঘোষিত পদযাত্রা শুরু হয়।

এরপর শিক্ষার্থীরা টিএসসি, শাহবাগ, মৎস্য ভবন মোড় হয়ে শিক্ষা ভবন মোড়ে এলে প্রথম দফায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা, তবে সেখানে কোনো ব্যারিকেড দেয়া ছিল না।

পুলিশ মানব ব্যারিকেড তৈরি করলে সেটি ভেঙে জিপিও মোড়ের দিকে এগিয়ে যান শিক্ষার্থীরা।

পরে জিপিও মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ৷ সেখানে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষার্থীদের আটকে দেয়া হয় এবং আন্দোলনের সমন্বয়কদের অনুরোধ করা হয় আর সামনে না যাওয়ার জন্য। তাদের ১০ জন প্রতিনিধি প্রেরণের প্রস্তাব করে পুলিশ।

এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে বঙ্গভবনে শিক্ষার্থীদের ১২ জন প্রতিনিধি যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন এবং বাকি শিক্ষার্থীরা জিপিও মোড়ে বসে পড়েন।

এদিকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট জিপিও মোড়ে অবস্থানের পর সেই মোড়ের ব্যারিকেডও ভেঙে ফেলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের দিকে এগিয়ে যান, তবে পুলিশ ও যানজটের কারণে শিক্ষার্থীরা কয়েক ভাগ হয়ে যান।

কিছু শিক্ষার্থী গুলিস্তান মোড়ে চলে যান আর কিছু শিক্ষার্থী মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে যান। পরে এ শিক্ষার্থীরা পাশের রাস্তা দিয়ে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে এলে বাকি শিক্ষার্থীরা সেখানে থাকা পুলিশের মানব ব্যারিকেডও মাড়িয়ে ১০ থেকে ১২ ফুট এগোলে ফের ব্যারিকেডের মুখে পড়েন। পরে সেখানেই অবস্থান নেন তারা।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New exportable products and markets to be found PM

রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনকার কূটনীতি হবে বাণিজ্যিক। অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোন দেশে কোন পণ্য রপ্তানি করা যায়, সেগুলোর বাজার খুঁজে বের করতে হবে ব্যবসায়ীদেরই। বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয়েছে।’

রপ্তানি পণ্য বহুমুখী করার আহ্বান জানিয়ে রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজে বের করতে রোববার সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনকার কূটনীতি হবে বাণিজ্যিক। অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোন দেশে কোন পণ্য রপ্তানি করা যায়, সেগুলোর বাজার খুঁজে বের করতে হবে ব্যবসায়ীদেরই। বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেয়ায় দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করেছে বলেই দেশের অর্থনীতি এগিয়েছে।

‘দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কতটা বাড়ল, সেটা খেয়াল রাখতে হবে তাদের। শুধু বিদেশে রপ্তানি নয়, পণ্য দেশের বাজারেও বাজারজাত করতে হবে ব্যবসায়ীদের।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা কেন শুধু গার্মেন্ট সেক্টরের ওপর নির্ভর থাকব? আমরা পণ্য যখন উৎপাদন করব, যখন ডিজাইন, রং এবং একেকটা সময় একেকটা জিনিসের চল আসে। সেটার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের ফ্যাশন ডিজাইন পরিবর্তন করতে হবে।

‘আমরা কোন দেশের কোন বাজারে ঢুকতে পারব, সেটা সরকার থেকে করে দেব, তবে ব্যবসায়ীদেরও নিজেদের পার্টনার নিজেদের খুঁজে নিতে হবে। সেদিকে আপনাদের নিজেদের দৃষ্টি দিতে হবে। নিজেদের উৎপাদক যেমন বাড়াব, রপ্তানি বাড়াব। আবার নিজের দেশের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়ে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থান আমরা রেখে যাব। শুধু সীমিত কয়েকটা পণ্যের ওপর আমরা আর নির্ভরশীল থাকতে চাই না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৩৩তম অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে কাজ করার জন্যই শক্তিশালী অর্থনীতি গড়া সম্ভব হয়েছে।

এর আগে পণ্য রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রফতানি ট্রফি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পায় একটি প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী
দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী আজই দেশে ফিরছেন
শি-হাসিনা বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
২১ সহযোগিতা নথিতে সই ঢাকা-বেইজিংয়ের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quota agitators marching towards Banga Bhavan

বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের

বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের দুপুর ১২টার দিকে মিছিলসহ পদযাত্রা বের করেন কোটা সংস্কার চাওয়া শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বেলা ১১টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে শিক্ষার্থীদের এ পদযাত্রা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি শুরু হয় দুপুর ১২টায়। সেখানে এসে যোগ দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল কলেজ, সাত কলেজসহ ঢাকার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।

জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য রোববার গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা শুরু করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থীদের এ পদযাত্রা রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে অবস্থান করছিল। তারা মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাব হয়ে বঙ্গভবনের সামনে যাবেন। এরপর সেখানে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি জমা দেবেন।

এর আগে বেলা ১১টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে শিক্ষার্থীদের এ পদযাত্রা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি শুরু হয় দুপুর ১২টায়। সেখানে এসে যোগ দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল কলেজ, সাত কলেজসহ ঢাকার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।

দুপুর ১২টার দিকে মিছিলসহ পদযাত্রা বের করেন কোটা সংস্কার চাওয়া শিক্ষার্থীরা। তাদের ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘সংসদে আইন করো, কোটা সমস্যা দূর করো’ ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

আগের দিন শনিবার কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছিলেন, ‘আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি চলছে। সেটির পাশাপাশি এই কর্মসূচিটি আগামীকাল বেলা ১১টায় এই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হবে।

‘এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সাত কলেজ, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার আশেপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।’

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ নিজ জেলা প্রশাসক কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা নিয়ে একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবে।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Temperatures may increase slightly across the country

তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে দেশজুড়ে

তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে দেশজুড়ে মাথায় কাপড় দিয়ে গরম থেকে বাঁচার চেষ্টা। ফাইল ছবি
তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, দেশজুড়ে সামান্য বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
দেশজুড়ে সামান্য কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা
ভারি বর্ষণ হতে পারে ৪ বিভাগের কোথাও কোথাও
সামান্য বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে সামান্য বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে দেশের সব বিভাগে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers press conference on China visit in the afternoon

চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে

চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের শনিবারের খবরে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আগামীকাল (রোববার) বিকেল ৪টায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের শনিবারের খবরে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আগামীকাল (রোববার) বিকেল ৪টায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গত সোমবার সরকারি সফরে বেইজিং যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেন।

৮ থেকে ১০ জুলাই বেইজিংয়ে অবস্থানকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

গত বুধবার সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও চীন ২১টি সহযোগিতার নথিতে সই ও নবায়ন করে। এসবের বেশির ভাগই সমঝোতা স্মারক।

বৈঠকে এশিয়ার এ দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ও চীন উভয়ই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) বিষয়ে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সমাপ্তিসহ সাতটি ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন:
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী
দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী আজই দেশে ফিরছেন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Governments support for football development will continue PM

ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন সরকারে এসেছি তখন থেকেই আমার প্রচেষ্টা, বাংলাদেশ যেন খেলাধুলায় আরও এগিয়ে যায়। দেশের প্রতিটি উপজেলায় আমরা খেলার মাঠ করে দিচ্ছি, সেটা হলো শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাই যেন খেলাধুলার প্রতি আরও মনোযোগী হয়।’

দেশে ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেকে দেশের জন্য প্রস্তুত করে তোলা যায়। এজন্য প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হচ্ছে। সময় পেলে আমি নিজেও ফুটবল খেলা উপভোগ করি।

‘আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল খেলতেন। আমার ভাই শেখ কামাল এবং শেখ জামালও ফুটবল খেলতেন। এখন আমাদের নাতি-নাতনীরাও ফুটবল খেলছে।’

তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা এগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা না করলে হয় না। এমন আয়োজনের মাধ্যমে ভালো খেলোয়াড় তৈরি হবে, যাতে করে দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হতে পারে বিশ্ব-পরিমণ্ডলে। একদিন আমাদের খেলোয়াড়রাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারদর্শিতা দেখাবে।’

খেলাধুলার প্রসারে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন সরকারে এসেছি তখন থেকে আমার প্রচেষ্টা, বাংলাদেশ যেন খেলাধুলায় আরও এগিয়ে যায়; ছেলেমেয়েরা আরও বেশি মনোযোগী হয়। বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় আমরা খেলার মাঠ করে দিচ্ছি, সেটা হলো শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাই যেন খেলাধুলার প্রতি আরও মনোযোগী হয়।’

প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকারপ্রধান বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের উপযুক্ত করে গড়ে তোলা, এটা সবচেয়ে বেশি দরকার। সেজন্য আমরা প্রত্যেক বিভাগে একটি করে বিকেএসপি করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের অর্থনীতিকে উন্নত করেছি। দারিদ্র্যের হার অর্ধেকের বেশি কমিয়ে এনেছি, এখন ১৮ দশমিক ৭ ভাগ। অতিদারিদ্র্যের হার ২৫ ভাগের উপরে ছিল, তা ৫ দশমিক ৬ ভাগে নামিয়ে এনেছি। ইনশাল্লাহ, এটুকুও থাকবে না। বাংলাদেশে কোনো মানুষ অতিদরিদ্র থাকবে না। প্রত্যেককে বিনা পয়সায় ঘর করে দিচ্ছি, লেখাপড়ার বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি- সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এই ধারা অব্যাহত রেখে আমরা এগিয়ে যাব। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে বিশ্ব দরবারে এগিয়ে যাবে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে।’

খেলাধুলায় বাংলাদেশ ভালো করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে মেয়েদের বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং ছেলেদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা আছে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ভালো খেলোয়াড় উঠে আসছে। তারা শুধু দেশে না, দেশের মাটি পার হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য মর্যাদা বয়ে নিয়ে আসছে। বাংলাদেশকে খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা, এটা তারা করছে।’

ফুটবল টুর্নামেন্টটি আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই খেলাধুলার মধ্য দিয়ে এক সময় উপযুক্ত খেলোয়াড় গড়ে উঠবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধুলা করে কোনোদিন হয়ত বিশ্ব ফুটবলে আমরা চ্যাম্পিয়নও হয়ে যেতে পারি। সেটাই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।

টুর্নামেন্টের ফাইনালে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইসলামী ব্যাংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

আরও পড়ুন:
২১ সহযোগিতা নথিতে সই ঢাকা-বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-চীন প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক শুরু
ঋণের সুদ হার কমাতে এআইআইবির প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান
সময় এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগের: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers press conference on China visit on Sunday

চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আগামীকাল (রোববার) বিকেল ৪টায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আগামীকাল (রোববার) বিকেল ৪টায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গত সোমবার সরকারি সফরে বেইজিং যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেন।

৮ থেকে ১০ জুলাই বেইজিংয়ে অবস্থানকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

গত বুধবার সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও চীন ২১টি সহযোগিতার নথিতে সই ও নবায়ন করে। এসবের বেশির ভাগই সমঝোতা স্মারক।

বৈঠকে এশিয়ার এ দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ও চীন উভয়ই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) বিষয়ে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সমাপ্তিসহ সাতটি ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ-চীন প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক শুরু
ঋণের সুদ হার কমাতে এআইআইবির প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান
সময় এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগের: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
দ্বিপক্ষীয় সফর: চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে