× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Caregiver wants to forget One Eleven?
google_news print-icon

‘তত্ত্বাবধায়ক চান, ওয়ান-ইলেভেন ভুলে গেছেন?’

তত্ত্বাবধায়ক-চান-ওয়ান-ইলেভেন-ভুলে-গেছেন?
ভারত সফর নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
বিএনপি শাসনামলে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানো নিয়ে তৈরি হয় রাজনৈতিক বিরোধ। এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার কথা হয় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের। তিনি এককালে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ফলে তাকে মেনে নিতে রাজি ছিল না আওয়ামী লীগ। এ নিয়ে বিরোধে নানা ঘটনাপ্রবাহের পর ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জারি হয় জরুরি অবস্থা। সেটি ওয়ান-ইলেভেন নামে পরিচিতি পেয়েছে। এই সরকার দুই বছর দেশ চালায়। গ্রেপ্তার হন শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, তার দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএনপির যে দাবি, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সরকার ব্যবস্থা বিরোধের জেরে ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়টি তারা ভুলে গেছে কি না, সেই প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।

চার দিনের ভারত সফরের বিষয়ে বুধবার ডাকা সংবাদ সম্মেলনে রাজনীতি নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৪ সালে দলীয় সরকারের অধীনে ভোটে না আসা বিএনপি ২০১৮ সালের নির্বাচনে এলেও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবি করছে। নইলে ভোটে না এসে আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা আছে তাদের।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন যারা তত্ত্বাবধায়ক বলে চিৎকার করছে, তারা ওয়ান-ইলেভেনের কথা ভুলে গেছে? ২০০৭-এর কথা ভুলে গেছে? যে কী অবস্থাটা সৃষ্টি হয়েছিল?’

বিএনপির ভোট বর্জনের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কেউ ভোটে আসতে না চাইলে তার কিছু করার নেই।

১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরের বছরের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। ১৯৯৪ সালে ঢাকার মিরপুর ও মাগুরায় দুটি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ওঠার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামে আওয়ামী লীগসহ সে সময়ের বিরোধী দলগুলো।

আন্দোলনের মুখে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকারের অধীনে একতরফা নির্বাচন হয়। তাতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জিতে এসেও বিএনপি ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি। একপর্যায়ে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা করে আবার জাতীয় নির্বাচন দেয়।

তখন সিদ্ধান্ত হয়, সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান। তিনি রাজি না হলে সব দলের মতৈক্যের ভিত্তিতে একজন হবেন এই সরকারের প্রধান। আর আলোচনায় কাউকে পাওয়া না গেলে হবেন রাষ্ট্রপতি।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের সেই ভোটে জিতে ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফেরে আওয়ামী লীগ। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো সরকার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ২০০১ সালে।

ওই বছর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে জিতে বিএনপি-জামায়াত জোট আসে ক্ষমতায়। তবে সেই সরকারের আমলে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানো নিয়ে তৈরি হয় রাজনৈতিক বিরোধ।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার কথা হয় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের। তিনি এককালে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ফলে তাকে মেনে নিতে রাজি ছিল না আওয়ামী লীগ।

আন্দোলনের একপর্যায়ে কে এম হাসান জানান, তিনি এই পদের জন্য আগ্রহী নন। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের পদে কে আসবেন, এ নিয়ে বিরোধের মীমাংসা না হওয়ার পর বিএনপির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের ওপর বর্তায় সেই দায়িত্ব।

ইয়াজউদ্দিনের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট যায় আন্দোলনে। কিন্তু একবার পিছিয়ে ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়।

একতরফা নির্বাচনের দিকে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন ভোটের ১১ দিন আগে হস্তক্ষেপ করে সেনাবাহিনী। ইয়াজউদ্দিন আহমেদ জরুরি অবস্থা জারি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদ ছেড়ে দেন। দায়িত্ব নেন ফখরুদ্দীন আহমেদ।

‘তত্ত্বাবধায়ক চান, ওয়ান-ইলেভেন ভুলে গেছেন?’
২০০৭ সালে রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যে ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ জরুরি অবস্থা জারি করলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ফখরুদ্দীন আহমেদ। এই সরকারের মেয়াদ ৯০ দিন হলেও তারা থাকে প্রায় দুই বছর।

এই সরকারের আমলে প্রথমে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং পরে গ্রেপ্তার হন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। গ্রেপ্তার হন খালেদাপুত্র তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানও। তারেককে আটক করে নির্যাতনের অভিযোগ এখনও করে থাকে বিএনপি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে করা দুর্নীতির দুটি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার ১৭ বছরের সাজা হয়েছে, অর্থ পাচার মামলায় সাত বছরের সাজা ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা হয়েছে তারেক রহমানের।

সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ছিল ৯০ দিন। তবে ফখরুদ্দীনের সরকার দায়িত্ব পালন করে দুই বছর। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর যে ভোট হয়, তাতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটকে বলতে গেলে উড়িয়ে দেয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক ধারাটা অব্যাহত রাখতে চাই। এই ধারা অব্যাহত আছে বলেই দেশে গত ১২ বছরে এত উন্নয়ন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে তো গণতান্ত্রিক ধারাটা অব্যাহত আছে। ভুলে গেছেন, ’৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর যে বারবার ক্যু হচ্ছিল, একটা মিলিটারি ডিক্টেটরের পর আরেকটা মিলিটারি ডিক্টেটর বা ডিক্টেটরের স্ত্রী ক্ষমতা নিয়ে গেল ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে। জনগণের কী ছিল তখন? সারা রাত কারফিউ, কথা বলার অধিকার নেই। সাদা মাইক্রোবাসে কে কখন গায়েব হয়ে যাচ্ছে তার কোনো ঠিক নেই। এই তো ছিল বাংলাদেশের অবস্থাটা।’

কেউ ভোটে না এলে কিছু করার নেই

বিএনপিকে ভোটে আনতে বিশেষ কোনো উদ্যোগ বা চেষ্টা করা হবে না বলে আবার ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এটাই আমরা চাই। আর যদি কেউ না করে, সেটা যার যার দলের সিদ্ধান্ত। এর জন্য আমাদের সংবিধান তো আমরা বন্ধ করে রাখতে পারি না। সংবিধানের যে ধারা, সে অনুযায়ী গণতান্ত্রিক ধারাটা অব্যাহত থাকবে।’

সরকার সমালোচনা সহ্য করে না বলে বিএনপির অভিযোগের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আপনারা এখন টক শো করেন, যে যার মতো কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার আগে কে এত কথা বলার সুযোগ পেয়েছে বলেন তো? পায়নি। একটা টেলিভিশন, একটা রেডিও। কোথায় টক শো আর কোথায় মিষ্টি কথা।

‘এখন শুনি, সব কথা বলার পর বলে কথা বলার অধিকার নেই। আজকে রাস্তায় আন্দোলন, এখন জনগণ সাড়া না দিলে সেটা তো আমাদের দায়িত্ব না। আওয়ামী লীগ যে বিএনপির হাতে নির্যাতিত, সে কথাটা ভুলে গেছেন?’

‘তত্ত্বাবধায়ক চান, ওয়ান-ইলেভেন ভুলে গেছেন?’
ভারত সফর নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমার পার্টির কেউ যদি অন্যায় করে আমরা কিন্তু ছেড়ে দিই না। আমার দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে কিছু বলব না, তা না। যে অন্যায় করবে তার বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নেব এবং নিচ্ছি। সেটা আমি কখনও সহ্য করব না।’

‘মানুষ আ.লীগকে বেছে নেবে, তবে না নিলে কিছু করার নেই’

গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের মতো দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত বলেছেন, তারা যে উন্নয়ন করেছেন, তাতে জনগণ অবশ্যই তাদের ভোট দেবে।

তিনি বলেন, ‘এত কাজ করার পরে জনগণের যে ভোট, অবশ্যই তারা আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে এটা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যদি এই চলমান উন্নয়নের ধারাটা অব্যাহত রাখতে চান। আর না চাইলে তো কিছু করার নেই। সেটা জনগণের ইচ্ছা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সরকারে আসার পর বাংলাদেশের যে উন্নয়ন আমরা করতে পেরেছি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দেয়া, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা।

‘এই দেশে আগে আপনারা শীতকাল এলে শিম খেতেন, লাউ খেতেন, টমেটো খেতেন। এখন কিন্তু ১২ মাস খান। এটা আকাশ থেকে পড়েনি। গবেষণা করে আমরা এগুলো উৎপাদন করছি, সে সুযোগ করে দিচ্ছি বলেই কিন্তু এটা হয়েছে।

‘আগে কিন্তু এটা কেউ করেনি। এভাবে সার্বিক দিক থেকে, আপনি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য কর্মসংস্থান… এই যে মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য এতগুলো টেলিভিশন আমি কেন দিয়েছিলাম? আমার লক্ষ্য একটাই ছিল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়া। সেটা হচ্ছে।

‘এই কর্মসংস্থান বহুমুখী, কত ধরনের মানুষ কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। সেইভাবে ব্যাংক, বিমা, শিল্প-কলকারখানা সবই তো আমি ওপেন করে দিয়েছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় কথাটা হচ্ছে একদম গ্রাম পর্যায়ে, তৃণমূল পর্যায় থেকেই কিন্তু আমরা উন্নয়নটা করে যাচ্ছি। এই করোনার সময়েও আমরা অর্থের সরবরাহটা গ্রামে করেছি, মানুষ যাতে কোনো রকম কষ্ট না পায়। বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি।’

জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়ে ভাবান্তর নেই

জাতীয় পার্টির সঙ্গে সমঝোতা করে গত তিনটি জাতীয় নির্বাচন করা আওয়ামী লীগ কি আগামীতেও এই জোট করবে?- এমন প্রশ্ন ছিল একজনের।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন যখন হবে… আমরা ১৪ দল করেছি, তখন জোটবদ্ধ নির্বাচন করেছি। জাতীয় পার্টি আমাদের সঙ্গে ছিল কিন্তু তারা আলাদা নির্বাচন করেছে, আমাদের সঙ্গে একটি সমঝোতা ছিল।

‘আর ভবিষ্যৎ নির্বাচনে কে কোথায় থাকবে, তা সময়ই বলে দেবে। আওয়ামী লীগ উদারভাবে কাজ করে, আওয়ামী লীগের দরজা খোলা। নির্বাচনে যারা আমাদের সঙ্গে সব সময় ছিল, তারা থাকবে। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

তিনি বলেন, ‘এখনও তো নির্বাচনের এক বছরের বেশি সময় বাকি আছে। সময় যতই যাবে, বিষয়টা আরও পরিষ্কার হবে। আমাদের সঙ্গে কে থাকবে না থাকবে, নতুন জোট হবে বা কী হবে হোক, অসুবিধা নেই তো।’

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নীতির বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যেকোনো নির্বাচনে নোমিনেশনের ব্যাপারে পরিবর্তন এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। ক্ষেত্রমতে আমরা অবশ্যই যাচাই করে দেখব কার জেতার সম্ভাবনা আছে, কার নেই। অথবা আমাদের বেশ কিছু নিবেদিতপ্রাণ কর্মী আছে। হয়তো বেশিদিন বাঁচবে না, বয়ঃবৃদ্ধ হয়ে গেছে, তাদের আর কষ্ট দিতে চাইনি নোমিনেশন দিয়েছি, পরিবর্তন আনিনি।

‘এটা তো এমন একটা ব্যাপার, নির্বাচন সামনে রেখে আপনি কোনটা কতটুকু করবেন, কে ভোট পাবে-না পাবে, ভোট পেলেও জিতবে কি না সবকিছু বিবেচনা করেই নির্বাচনে দেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:
‘কঠিন সময়ে দেশ, বিশ্বে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা’
ইউক্রেন যুদ্ধের নিষেধাজ্ঞায় সারা বিশ্বে ভোগান্তি: যুক্তরাষ্ট্রের দূতকে প্রধানমন্ত্রী
ব্রিটিশ হাইকমিশনে রানির প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ভারতের ৭ রাজ্যে নজর বাংলাদেশের
খালেদার ভারত সফর নিয়ে ভুল তথ্য আব্বাসের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Digitalization of schools colleges MPOs Education Minister

ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
ফাইল ছবি
মন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত করার কাজটি বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অটোমেশনের মাধ্যমে করা হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সময়ে সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত করা হয়ে থাকে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার কাজটি বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অটোমেশনের মাধ্যমে করা হচ্ছে বলে জাতীয় জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

মহিবুল হাসান বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর আলোকে কাম্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাসের হার, প্রাপ্যতা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতার ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করা হয়ে থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত একটি চলমান প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত করার কাজটি বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অটোমেশনের মাধ্যমে করা হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সময়ে সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত করা হয়ে থাকে।

এমপি নুরুন্নবী চৌধুরীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে বর্তমানে এডিপিতে ৫৮টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
‘নতুন শিক্ষাব্যবস্থা বদলের পরিকল্পনা নেই’
নতুন শিক্ষাক্রম কেন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fuel prices are falling this month State Minister

চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম কমছে: প্রতিমন্ত্রী

চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম কমছে: প্রতিমন্ত্রী প্রতীকী ছবি
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি তেলের নতুন দামের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে যাচ্ছে সরকার। এ কাজে প্রথম দফায় দাম কমানো হচ্ছে বলে জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, চলতি মাসেই গ্রাহক পর্যায়ে দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘নতুন ফর্মুলায় প্রথমবারের মতো নির্ধারণ করা হচ্ছে জ্বালানি তেলের দাম। শিগগিরই দেশে জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের নতুন দামের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারিত হয় সরকারের আদেশে, কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় নিয়মিত মূল্য ওঠানামা করে।

বাংলাদেশেও এই পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলে মূল্য সমন্বয় করতে দীর্ঘদিন থেকেই বলে আসছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বিদ্যুতের বাড়ানোর আগে গত মাসের শেষের দিকে নসরুল হামিদ বলেন, ‘মার্চ থেকে দেশের প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।’

এ বিষয়ে ১ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার। প্রাথমিকভাবে চলতি মার্চ থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর হবে।

‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা’শীর্ষক ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পেট্রোলিয়াম পণ্য (ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোল) তথা সরকার যে সব গ্রেডের জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে থাকে, সেগুলোর জন্য এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।

এর বাইরেও প্রয়োজন মনে করলে, সরকার বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রেও শর্ত সাপেক্ষে নির্দেশনা প্রয়োগ করতে পারবে।

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর
বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী
দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Recruitment of 2 lakh 38 thousand primary teachers in one era

এক যুগে প্রাথমিকে ২ লাখ ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

এক যুগে প্রাথমিকে ২ লাখ ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ফাইল ছবি
গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক ৫ হাজার ২০৫ জন এবং সহকারি শিক্ষক ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৪ জনসহ মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী জানিয়েছেন, গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের

রুমানা আলী বলেন, গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক ৫ হাজার ২০৫ জন এবং সহকারি শিক্ষক ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৪ জনসহ মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই সময়ে বেসরকারি ও রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৪ হাজার ৮৭৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকুরি সরকারিকরণ করা হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য মো. মামুনুর রশীদ কিরনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহকে জাতীয়করণ ঘোষণার পর আর কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়নি। বর্তমানে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন নীতিমালা-২০২৩ প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালার আলোকে সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিবন্ধনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thunderstorms can occur in three categories

বজ্রবৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে

বজ্রবৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে রোববার বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ফাইল ছবি
পূর্বাভাসে রোববারের বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা আছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দিয়েছে।

পূর্বাভাসে রোববারের বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা আছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সিনপটিক অবস্থান নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

দিনভর তাপমাত্রা কেমন থাকবে, তা নিয়ে জানানো হয়, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি
সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা
রাত দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে চার বিভাগে
বজ্রবৃষ্টি হতে পারে ঢাকাসহ ছয় বিভাগে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister asked to keep an eye on hoarders during Ramadan

রমজানে মজুতদারদের ওপর নজর রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

রমজানে মজুতদারদের ওপর নজর রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে রোববার চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
বক্তব্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে এখন এমন এমন দেশ আছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি ৪০ ভাগও আছে। এ রকম বহু দেশ এখন বিরাজমান। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে না। যদিও বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখনও ১০ ভাগের নিচেই আছে, কিন্তু তার পরও এটা একটা সমস্যা রয়ে গেছে। তো সেদিকে আমাদের সব থেকে লক্ষ রাখতে হবে যে, আমাদের বাজার পরিস্থিতি কেমন।’

আসন্ন রমজানে যেসব ব্যবসায়ী বাড়তি মুনাফার উদ্দেশ্যে পণ্য মজুত করেন, তাদের ওপর নজর রাখার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে রোববার চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ তাগিদ দেন।

বক্তব্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে এখন এমন এমন দেশ আছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি ৪০ ভাগও আছে। এ রকম বহু দেশ এখন বিরাজমান। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে না। যদিও বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখনও ১০ ভাগের নিচেই আছে, কিন্তু তার পরও এটা একটা সমস্যা রয়ে গেছে। তো সেদিকে আমাদের সব থেকে লক্ষ রাখতে হবে যে, আমাদের বাজার পরিস্থিতি কেমন। আর তা ছাড়া সামনে রোজা আসবে।

‘এই রমজান মাসে আমাদের কিছু কিছু ব্যবসায়ী থাকেন সবসময় মজুতদারি করে যারা দাম বাড়িয়ে কিছু মুনাফা লুটতে চায়। তো সেদিকে বিশেষভাবে নজর আমাদের দিতে হবে। কারণ এটা আশু করণীয় একটা কাজ আমাদের সামনে যে, কোথাও যেন এভাবে, মানে কোনো ভোক্তাদের কোনো রকম হয়রানি হতে না হয়। সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।’

পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতার ওপর জোর দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে উৎপাদন বাড়াতে হবে। পরনির্ভরশীলতা আমাদের কমাতে হবে এবং এটা যে আমরা করতে পারি, সেটা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমরা প্রমাণ করেছি।’

আরও পড়ুন:
সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের সেবা করুন: পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চান প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Foreign Minister wants global unity to stop genocide in Gaza

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে বৈশ্বিক ঐক্য চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে বৈশ্বিক ঐক্য চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান এবং ৭০ জনের বেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এখানে অংশগ্রহণ করছেন। আমি মনে করি আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে গাজায় সহিংসতা, গণহত্যা, জাতিগত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে ঠেকানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

গাজায় চলমান ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা করে সেখানে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বন্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তুরস্কের পর্যটন নগরী আনতালিয়ায় স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় তুরস্কের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল ‘টিআরটি ওয়ার্ল্ড’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেখানে আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে অংশগ্রহণরত মন্ত্রী এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিরতে এ তথ্য জানানো হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গাজায় যা হচ্ছে সেটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। শুধু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, সেখানে জাতিগত নিধন চলছে। সেখানকার মৃত্যু সংখ্যা বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি এবং এর বেশির ভাগ নারী ও শিশু। যুদ্ধের সব ধরনের প্রথা ভঙ্গ করছে ইসরায়েল।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত যুদ্ধ, গণহত্যা থামানোর জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছি না এবং যুদ্ধ থামানোর জন্য আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১৯টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান এবং ৭০ জনের বেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এখানে অংশগ্রহণ করছেন। আমি মনে করি আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে গাজায় সহিংসতা, গণহত্যা, জাতিগত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে ঠেকানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আশা করব মিয়ানমার সীমান্তে আগের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের ফেরানোর চেষ্টা অব্যাহত আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Who is on his way to Singapore for a health checkup?

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের পথে কাদের

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের পথে কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন বলে জানায় সংবাদ সংস্থা বাসস।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন।

আরও পড়ুন:
বিদেশিদের প্রভুত্ব মানবো না: কাদের
দেশে উগ্রবাদের জন্ম বিএনপির হাত ধরে: কাদের
সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে সিআইপি রাজ্জাক খানের শুভেচ্ছা বিনিময়
বিএনপির লক্ষ্য নির্বাচন বানচাল করা: কাদের
ইউরেনিয়াম ঢেলে হত্যার হুমকি দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের: আব্বাস

মন্তব্য

p
উপরে