× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

পৌষে বিরল শিলাবৃষ্টি দেখল দেশ

পৌষে-বিরল-শিলাবৃষ্টি-দেখল-দেশ
বৃষ্টির সঙ্গে পড়া শিলা। ছবি: নিউজবাংলা
আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভূমি থেকে ওপরে উঠতে থাকলে তাপমাত্রা প্রতি কিলোমিটারে ৫-৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। সাধারণত পাঁচ-ছয় কিলোমিটারের মধ্যে মাইনাস তাপমাত্রা শুরু হয়। এই অবস্থায় বায়ুতে থাকা পানি ওই শীতল বায়ুর সংস্পর্শে বরফ জমাট বাঁধতে শুরু করে। একপর্যায়ে বরফখণ্ডগুলো ওজনের কারণে বায়ুপ্রবাহ থেকে আলাদা হয়ে বৃষ্টির সঙ্গে নিচের দিকে পড়তে থাকে।’

পৌষের শেষ দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ায় শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, দেশে সাধারণত বৈশাখ মাসে বৃষ্টির সঙ্গে শিলা পড়লেও পৌষের শীতে এ ঘটনা বিরল, তবে অস্বাভাবিক নয়।

আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ঝড়ো আর সংকটপূর্ণ আবহাওয়ায় যখন শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ ওপরের দিকে উঠতে থাকে, তখন জলীয় বাষ্প তাপ হারিয়ে মেঘে রূপান্তরিত হয়। সেই মেঘ যখন পরিবেশগত কারণে আরও ওপরে ওঠে, তখন তৈরি হয় শিলা বা বরফখণ্ড। একে বলা হয় পরিচালন প্রক্রিয়া। এই ধাপে মেঘের অগ্রভাগ ১০-১৪ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।

‘ভূমি থেকে ওপরে উঠতে থাকলে তাপমাত্রা প্রতি কিলোমিটারে ৫-৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। সাধারণত পাঁচ-ছয় কিলোমিটারের মধ্যে মাইনাস তাপমাত্রা শুরু হয়। এই অবস্থায় বায়ুতে থাকা পানি ওই শীতল বায়ুর সংস্পর্শে বরফ জমাট বাঁধতে শুরু করে। একপর্যায়ে বরফখণ্ডগুলো ওজনের কারণে বায়ুপ্রবাহ থেকে আলাদা হয়ে বৃষ্টির সঙ্গে নিচের দিকে পড়তে থাকে। ওই দুই জেলার আবহাওয়ায় এমনটা ঘটে থাকতে পারে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার রাতে শিলাবৃষ্টি হয়। এতে সরিষা, পেঁয়াজ, মসুরসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে বোরো বীজতলা ২৪ হেক্টর, আলু ৫ হেক্টর, গম ৫১ হেক্টর, সরিষা ৩৬৫ হেক্টর, ডালজাতীয় ফসল ১২ হেক্টর, পেঁয়াজ ১৫৮ হেক্টর, শাকসবজি ১৬৮ হেক্টর, স্ট্রবেরি এক হেক্টরসহ সব মিলিয়ে ৮২১ হেক্টর জমিতে ক্ষতি হয়েছে। আগামীতে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রণোদনায় অগ্রাধিকার পাবেন।'

শিলাবৃষ্টি হয়েছে বগুড়ায়ও। সদর উপজেলার পাশাপশি শিবগঞ্জ, গাবতলী, সারিয়াকান্দি ও সোনাতলায় বুধবার রাতে বৃষ্টির সঙ্গে শিলা পড়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক আশিকুর রহমান জানান, দুই দফায় বৃষ্টি হয়েছে ১৬ মিলিমিটার। প্রথমে রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ১৫ মিলিমিটার। পরে আবার রাত ৩টা থেকে ৩টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এক মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দুবারই বৃষ্টির সঙ্গে শিলা পড়েছে। এতে সরিষা ও আলু আবাদে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফাল্গুনের শিলাবৃষ্টিতে ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
One and a half million tons of water found on Mars

মঙ্গলগ্রহে দেড় লাখ টন পানির সন্ধান

মঙ্গলগ্রহে দেড় লাখ টন পানির সন্ধান মঙ্গলগ্রহের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরি অলিম্পাস মনসের ওপরে বরফের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ছবি: স্পেস ডটকম
বিজ্ঞানীরা এই প্রথম মঙ্গলের বিষুবরেখার এত কাছে বরফের আকারে পানির সন্ধান পেলেন। এর আগে তাদের ধারণা ছিল, পাতলা বায়ুমণ্ডল ও তীব্র সূর্যালোকের কারণে সেখানে বরফের স্তর হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

মঙ্গগ্রহে পানির অস্তিত্বের ব্যাপারে আগেই জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। এবার এক গবেষণায় জানা গেছে, লাল এই গ্রহের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরিতে বরফের আকারে পানি রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ টন।

একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের দ্বারা দ্বারা পরিচালিত এই গবেষণায় মঙ্গলগ্রহের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরি অলিম্পাস মনসের ওপরে বরফের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা এই গ্রহে বিরল কিন্তু সক্রিয় জলচক্রের উপস্থিতি নির্দেশ করে।

এ বিষয়ে নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়, মঙ্গলগ্রহের ঠান্ডা ঋতুতে প্রতিদিন সকালে কয়েক ঘণ্টার জন্য থারসিস আগ্নেয়গিরি অঞ্চলের প্রাচীন ক্যালডেরাসে তুষারপাত হয়। মঙ্গলপৃষ্ঠ থেকে আর্দ্র বাতাস আগ্নেয়গিরির ঢালে পৌঁছায়। যখন এই বাতাস ঠান্ডা ক্যালডেরাসে পৌঁছায়, তখন এটি ঘনীভূত হয় এবং তুষারপাতের সৃষ্টি করে। এর ফলে তৈরি বরফের পাতলা স্তরটি মঙ্গলগ্রহের অনেক বড় এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, যা দেখে অনুমান করা যায়, সেখানে প্রায় দেড় লাখ টন পানি থাকতে পারে, যা পৃথিবীর ৬০টি বড় সুইমিং পুলের পানির সমান।

বিজ্ঞানীরা এই প্রথম মঙ্গলের বিষুবরেখার এত কাছে বরফের আকারে পানির সন্ধান পেলেন। এর আগে তাদের ধারণা ছিল, পাতলা বায়ুমণ্ডল ও তীব্র সূর্যালোকের কারণে সেখানে বরফের স্তর হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

গবেষকদলের পক্ষে অ্যাডোমাস ভালান্টিনাস বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম এরকম স্তর থাকা অসম্ভব। তবে এখন মনে হচ্ছে, ওই অঞ্চলে আগে সম্ভবত তুষারপাত হয়েছিল।’

তিনি বলেন, পাঁচ বছর ধরে বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়েছেন। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও মার্স এক্সপ্রেস অরবিটারের তথ্য এবং ৩০ হাজার ছবি খতিয়ে দেখে তারা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন।

এর ফলে তারা ধারণা করছেন, সেখানে অবশ্যই আগে বৃষ্টি হয়েছিল এবং সম্ভবত তুষারপাতও হয়েছিল। তারপরই এই বরফ ক্যালডেরাসে জমা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Why no network on phone immediately after power outage Consumer Association

‘বিদ্যুৎ গেলে কেন ফোনের নেটওয়ার্কও চলে যায়’

‘বিদ্যুৎ গেলে কেন ফোনের নেটওয়ার্কও চলে যায়’ প্রতীকী ছবি
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও মানহীন সেবা গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। আর এর জন্য দায়ী অপর্যাপ্ত টাওয়ার, মানহীন মাইক্রোওয়েভ, মানহীন ব্যাটারি, ওভার হেড ফাইবার, জেনারেটর না থাকা।

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন ফোন কোম্পানির বিভিন্ন অপারেটরের নম্বরে নেটওয়ার্ক থাকে না, সে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার এ প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও মানহীন সেবা গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। আর এর জন্য দায়ী অপর্যাপ্ত টাওয়ার, মানহীন মাইক্রোওয়েভ, মানহীন ব্যাটারি, ওভার হেড ফাইবার, জেনারেটর না থাকা।

সংগঠনের সভাপতি বলেন, দেশে সক্রিয় সিমধারী গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি ২৬ লাখ, এর বিপরীতে যেখানে টাওয়ার থাকার কথা লক্ষাধিক, সেখানে আছে মাত্র ৪৫ হাজার ২৩১ টি। এরমধ্যে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ২২৯৬, গ্রামীণফোনের ১২ হাজার ৫২৬, বাংলালিংক ৪০০৬, টেলিটক ৬২১ এবং এবি হাইটেক কনসোর্টিয়াম লিমিটেড এর ৮৬০, ইউ ডট কো লিমিটেডের ১৬ হাজার ৬৮৩, সামিট ৪৩৮৮ ও কীর্তনখোলা ৬২১ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল এর ৫১৪টি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৮ সালে বিটিআরসি বেসরকারি চারটি টাওয়ারকো কোম্পানির লাইসেন্স প্রদান করে যে নীতিমালা তৈরি করেছে সেখানে বলা আছে, মোবাইল অপারেটর নতুন করে আর টাওয়ার তৈরি করতে পারবে না। অর্থাৎ টাওয়ারকো কোম্পানি থেকে তাদের অর্থের বিনিময়ে সার্ভিস নিতে হবে। এই টাওয়ার কোম্পানিগুলি মূলত মোবাইল অপারেটর থেকে টাওয়ারগুলো কিনেছে।

এতে বলা হয়, এই টাওয়ারগুলোর মাইক্রোওয়েভ মানসম্মত নয়, সে সাথে ব্যাটারিগুলো মানহীন হয়ে পড়েছে; না হলে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া সাথে সাথে যেখানে ৬ ঘণ্টা পাওয়ার ব্যাক দেয়ার কথা সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নেটওয়ার্ক অচল হবার কারণ কী?

বিবৃতিতে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও পিটিআরসির কাছে আমাদের অনুরোধ মাইক্রোওয়েভের মান এবং ব্যাটারি ধরন পর্যবেক্ষণ করা। সেই সাথে দেশের ফাইবার অপটিক্যাল এখনো ৬৫% ওভারহেড থাকায় ঝড়-বৃষ্টি এলেই কেটে যাচ্ছে ফাইবার, ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে নেটওয়ার্ক।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers trusted friend Khamari App

কৃষকের বিশ্বস্ত বন্ধু ‘খামারি’ অ্যাপ

কৃষকের বিশ্বস্ত বন্ধু ‘খামারি’ অ্যাপ
‘খামারি’ অ্যাপের মাধ্যমে মাটির গুণগত মান, মাটিতে কোন ধান বপন করলে ফলন ভালো হবে এবং কী পরিমাণ সার দিতে হবে- সেসব সম্পর্কে জানা যাবে। এ অ্যাপের মাধ্যমে আবহাওয়া সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারবে কৃষক।

‘খামারি’ মোবাইল অ্যাপ এখন কৃষকের বন্ধু। এই অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে খরচ কমবে ও ফসলের উৎপাদন বাড়বে। কারণ এ অ্যাপের মাধ্যমে মাটির গুণগত মান, মাটিতে কোন ধান বপন করলে ফলন ভালো হবে এবং কী পরিমাণ সার দিতে হবে- সেসব সম্পর্কে জানা যাবে। এ অ্যাপের মাধ্যমে আবহাওয়া সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারবে কৃষক।

শুক্রবার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এতবারপুর এলাকায় ‘খামারি’ মোবাইল অ্যাপের কার্যকারিতা যাচাইয়ে উচ্চ ফলনশীল বোরো (বঙ্গবন্ধু-১০০) প্রদর্শনী ট্রায়ালের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন অতিথিরা।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের পরিচালক সদস্য কৃষিবিদ ড. আব্দুছ ছালাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার অতিরিক্ত পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান ও ইউএনও জাবের মো. সোয়াইব।

আরও বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ এবং কৃষি উদ্যোক্তা মো. মহসিন।

এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক আইউব মাহমুদ, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) শেখ আজিজুর রহমান, বিনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. আশিকুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় ৫০ শতাংশ ভর্তুকি মূল্যে কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
At least one more month to restore internet speed in the country
সাবমেরিন ক্যাবল বিচ্ছিন্ন

ইন্টারনেটে গতি ফিরতে আরও এক মাস

ইন্টারনেটে গতি ফিরতে আরও এক মাস
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি বলছে, ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় সমুদ্রের তলদেশে ফাইবার ক্যাবল কাটা পড়েছে। সেখানে মেরামতের কাজ চলছে। মেরামত শেষ হতে পাঁচ সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে মে মাসের শেষ নাগাদ সংযোগ স্বাভাবিক হতে পারে।

সারা দেশে গত পাঁচ দিন ধরে ইন্টারনেটে ধীরগতি পাচ্ছেন গ্রাহকরা। পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগে এই বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)। তবে সহসাই ইন্টারনেটের স্বাভাবিক গতি ফিরছে না। ধীরগতির এই পরিস্থিতি চলতে পারে আরও এক মাস।

বিএসসিপিএলসি বলছে, ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় সমুদ্রের তলদেশে ফাইবার ক্যাবল কাটা পড়েছে। সেখানে মেরামতের কাজ চলছে। মেরামত শেষ হতে পাঁচ সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে মে মাসের শেষ নাগাদ সংযোগ স্বাভাবিক হতে পারে।

জানা গেছে, ১৯ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে সারা দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি দেখা দেয়। বিএসসিপিএলসি জানতে পারে সিঙ্গাপুরে জলসীমায় কোথাও ফাইবার ক্যাবল কাটা পড়েছে।

পরে আরও অনুসন্ধানে জানা যায় সিঙ্গাপুর নয়, ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় সমুদ্রের তলদেশে ক্যাবল ‘ব্রেক’ করেছে। এতে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের (সিমিউই-৫) সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

বিএসসিপিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ জানান, সিমিউই-৫ (দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল) দিয়ে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথড সরবরাহ হয়। সেটা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণ) সাইদুর রহমান জানান, মূলত ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্র এলাকায় সিমিউই-৫ ক্যাবলটি ব্রেক করেছে। তারা এটা মেরামতে কাজ করছে। আগামী মাস অর্থাৎ, মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহের শেষ অথবা চতুর্থ সপ্তাহ নাগাদ কাজ শেষ হতে পারে।

ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) মহাসচিব নাজমুল করিম ভুঁইয়া চাহিদা অনযায়ী ব্যান্ডউইথড সরবরাহে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যতদূর জেনেছি, এখনও কাজ শুরুই হয়নি। কনসোর্টিয়ামের কোনো জাহাজ না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে দেরি হচ্ছে। জাহাজ পাওয়ার পর হয়তো কাজ শুরু হবে। তার মানে আমরা একটা বড় সমস্যায় পড়তে যাচ্ছি।’

নাজমুল করিম আরও বলেন, ‘গত ৪-৫ দিন ধরে গ্রাহকরা আমাদের অনবরত ফোন করছেন, খোঁজ নিচ্ছেন। ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে সফটওয়্যার নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা বিপাকে পড়েছেন। ফ্রিল্যান্সাররাও এ নিয়ে আতঙ্কিত। সরকার এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা আমাদের।’

এক হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথড সরবরাহ করা দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সংযোগ এখন পুরোপুরি বন্ধ। শুধু প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে ৮০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথড সরবরাহে রয়েছে। এত বিশালসংখ্যক গ্রাহকের ইন্টারনেট সেবা তাহলে কীভাবে চলছে- এমন প্রশ্ন অনেকের।

বিএসসিপিএলসি সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে মোট ব্যান্ডউইথডের ব্যবহার পাঁচ হাজার জিবিপিএসের বেশি। এর অর্ধেকেরও বেশি প্রায় ২ হাজার ৭০০ জিবিপিএস আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) লাইসেন্সের মাধ্যমে আসে, যা ভারত থেকে স্থলপথে ব্যান্ডউইথড আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়।

বাকি দু’হাজার ৪০০ জিবিপিএসের মতো ব্যান্ডউইথড সরবরাহ করে বিএসসিপিএলসি। দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এই ব্যান্ডউইথড সরবরাহ করা হয়। বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য-পশ্চিম ইউরোপ-৪ (সিমিউই-৪) কনসোর্টিয়ামের সদস্য। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়েছিল। এর ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে। এটি প্রায় ৮০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথড সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিমিউই-৫ ঢুকেছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা হয়ে। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় হাজার ৬০০ জিবিপিএস। বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যান্ডউইথড প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে শিফটিং হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে বিএসসিপিএলসির মহাব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের বিকল্প অনেক উপায় রয়েছে। সেগুলো কার্যকর করা হচ্ছে। যদিও সব বিকল্প উপায় পুরোপুরি এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এমনকি প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল যেটি সিমিউই-৪ নামে পরিচিত, সেটির পুরো ব্যান্ডউইথড বহনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে এজন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে বাড়তি খরচ দিতে হবে। এটা ছাড়া আরও কিছু বিকল্প রয়েছে। সেগুলো নিয়েও কাজ চলছে।’

আরও পড়ুন:
সারা দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি
বিল বকেয়ায় ডাউন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, সেবায় ধীরগতি
১০ বছরে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৭ গুণ
মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশ ১১৯তম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Internet slow across the country

সারা দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি

সারা দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি
বিএসসিপিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ জানান, সিঙ্গাপুরে ফাইবার কেবল ব্রেক করায় বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। সিমিউই-৫ দিয়ে দেশে ১ হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ হয়। এর পুরোটাই এখন বন্ধ।

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের (সিমিউই-৫) সংযোগ সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

শুক্রবার রাত ১২টার পর এই সমস্যা শুরু হয়েছে। এর ফলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানসহ গ্রাহকেরা ইন্টারনেটে ধীরগতি পাচ্ছেন।

এর আগে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার কথা বলেছিল বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল পিএলসি।

বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, শুক্রবার রাত ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কুয়াকাটায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (সিমিউই-৫) রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে। এ সময় দেশের ইন্টারসেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যান্ডউইডথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) জানিয়েছে, সিঙ্গাপুরে ফাইবার কেবল ‘ব্রেক’ করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ বলেন, সিমিউই-৫ দিয়ে দেশে ১ হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ হয়। কিন্তু এর পুরোটাই এখন বন্ধ আছে। আমরা চেষ্টা করছি, সিমিউই-৪ (প্রথম সাবমেরিন কেবল) দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করতে। সিঙ্গাপুরে ফাইবার কেবল ব্রেক করায় বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, ‘গ্রাহকেরা ফোন করে ইন্টারনেট সেবায় ধীরগতির অভিযোগ করছেন।’

আরও পড়ুন:
১০ বছরে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৭ গুণ
৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর মানসিক সমস্যার জন্য দায়ী ইন্টারনেট
মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশ ১১৯তম
নিজের ইন্টারনেট প্ল্যান নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন গ্রামীণফোন গ্রাহকরা
দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক সাড়ে ১২ কোটি, সিম ১৮ কোটি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no news tab on Facebook

ফেসবুকে নিউজ ট্যাব থাকছে না

ফেসবুকে নিউজ ট্যাব থাকছে না ফাইল ছবি
সংবাদ ও রাজনৈতিক বিষয়বস্তুকে ভবিষ্যতে কম গুরুত্ব দেয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ফেসবুকে খবর প্রচার বন্ধ করবে মেটা।

সংবাদ ও রাজনৈতিক বিষয়বস্তুকে ভবিষ্যতে কম গুরুত্ব দেয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এপ্রিলের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুকে খবর প্রচার বন্ধ করবে মেটা। গত বছর যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানিতে ফিচারটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

ফেসবুকে ২০১৯ সালে চালু হওয়া নিউজ ট্যাবটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি ছোট ও স্থানীয় প্রকাশনার শিরোনামগুলোও ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করেছে।

মেটা বলছে, ব্যবহারকারীরা সংবাদ নিবন্ধের লিংক দেখতে সক্ষম হবেন। সংবাদ সংস্থাগুলো তাদের লেখা ও ওয়েবসাইট লিঙ্ক পোস্ট ও প্রচার করতে পারবে, যেমন অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা ফেসবুকে করতে পারে।

ভুল তথ্য কীভাবে ছড়ানো হয় এবং এটি রাজনৈতিক মেরুকরণে অবদান রাখে কি না, তা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে সমালোচনার পর মেটা তার প্ল্যাটফর্মগুলোতে সংবাদ ও রাজনৈতিক উপাদান কমানোর চেষ্টার পর এই পরিবর্তন আসছে।

মেটার মুখপাত্র ড্যানি লিভার বলেছেন, ‘এই পরিবর্তন গ্রাহকের ফলো করা অ্যাকাউন্টের পোস্টে প্রভাব ফেলবে না। এটি সিস্টেমের সুপারিশগুলোকে প্রভাবিত করবে এবং ব্যবহারকারীরা যদি আরও চায়, তবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

‘ঘোষণাটি এমন সময় আসছে, যখন ব্যবহারকারীরা বছরের পর বছর আমাদের কাছে জানতে চেয়েছিল যে, আমরা কীভাবে রাজনৈতিক বিষয়বস্তুগুলো পরিচালনা করি তার উপর ভিত্তি করে।’

মেটার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিউজ ট্যাবে এই পরিবর্তন তাদের ফ্যাক্ট-চেকিং নেটওয়ার্ক এবং ভুল তথ্যের পর্যালোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে ভুল তথ্য প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েই গেছে। বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতা চলছে।

কর্নেল ব্রুকস স্কুল অফ পাবলিক পলিসির টেক পলিসি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও প্রযুক্তি বিষয়ক নীতি গবেষক সারাহ ক্রেপস বলেছেন, ‘ফেসবুক নিজেকে রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসেবে মনে করে না, এটি চালান প্রযুক্তিবিদরা। তারপর হঠাৎ তারা এ বিষয়ে মূল্যায়ন শুরু করে এবং নিজেদের রাজনীতিতে নিমজ্জিত দেখতে পান। ফলে তারা নিজেরাই শিরোনাম হয়ে ওঠেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এই বছর অনেকগুলো বড় নির্বাচন আসছে। ফলে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, ফেসবুক রাজনীতি থেকে আরও এক ধাপ দূরে সরে যাচ্ছে। অসাবধানতাবশত নিজেরাই যাতে রাজনৈতিক শিরোনাম হয়, তার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত।’

পয়েন্টারের মিডিয়া বিশ্লেষক রিক অ্যাডমন্ডস বলেন, ‘নিউজ ট্যাবের বিলুপ্তি সংবাদ সংস্থাগুলোর জন্য আশ্চর্যজনক নয়। বেশ কয়েক বছর ধরে তাদের ওয়েবসাইটগুলোতে ফেসবুক ট্র্যাফিক হ্রাস পাচ্ছে। ফলে সংস্থাগুলোকে দর্শকদের আকৃষ্ট করার অনুসন্ধান ও নিউজলেটারের মতো অন্যান্য উপায়গুলোতে মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করছে।’

অ্যাডমন্ডস বলেন, ‘আমি বলব আপনি যদি খেয়াল করতেন, তাহলে আপনি দেখতে পেতেন যে, এটি আসছে। তবে এটি সংবাদ ব্যবসার জন্য আরও একটি দুঃসংবাদ।’

মেটা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীরা তাদের ফেসবুক ফিডে যা দেখেন, তার চেয়ে তিন শতাংশেরও কম সংবাদ তৈরি হয়। অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক সংবাদ ব্যবহারকারীর সংখ্যা গত বছর ৮০ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে।

তবে ২০২৩ সালের পিউ রিসার্চ স্টাডি অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের অর্ধেক অন্তত মাঝে মাঝে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে খবর পান। ফেসবুকের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম অন্যান্য মাধ্যমকে সেখানে ছাড়িয়ে গেছে।

পিউ জানিয়েছে, প্রতি ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের মধ্যে তিনজন বলেছেন যে, তারা নিয়মিত ফেসবুক থেকে খবর পান এবং ১৬ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক বলেছেন যে, তারা নিয়মিত ইনস্টাগ্রাম থেকে খবর পান। এ দুই মাধ্যমেরই মালিকানা মেটার।

ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা সম্প্রতি ব্যবহারকারীদের অনুসরণ করেন না, এমন অ্যাকাউন্টগুলোতে পোস্ট করা রাজনৈতিক বিষয়বস্তুর ‘সক্রিয়ভাবে’ সুপারিশ করা বন্ধ করার জন্য অ্যাপটির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কারণ, ফিল্টার বন্ধ করার অপশন সবসময় ইউজার সেটিংসে থাকলেও মেটা যে এই পরিবর্তন করেছে তা অনেকেই জানতেন না।

আরও পড়ুন:
প্রতিযোগীদের ওপর গোপন নজরদারি ফেসবুকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Facebooks secret surveillance on competitors

প্রতিযোগীদের ওপর গোপন নজরদারি ফেসবুকের

প্রতিযোগীদের ওপর গোপন নজরদারি ফেসবুকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। ছবি: টেকক্রাঞ্চ
২০১৬ সালের জুনে মার্ক একটি ইমেইলে বলেন, স্ন্যাপচ্যাট তাদের সিস্টেম এনক্রিপট (যে পদ্ধতির মাধ্যমে তথ্য গোপন কোডে রূপান্তরিত হয় যা তথ্যের প্রকৃত অর্থ লুকিয়ে রাখে) করার কারণে অ্যাপটির অভ্যন্তরীণ কোনো তথ্য ফেসবুকের কাছে নেই। তাদের সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে একটি নতুন উপায় বের করা গুরুত্বপূর্ণ।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের নেতৃত্বাধীন মেটার প্ল্যাটফর্মগুলো স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব এবং অ্যামাজন ব্যবহারকারীদের তথ্য গোপনে নজরদারি করছে বলে অভিযোগ করে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ফেডারেল আদালত।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চের বরাত দিয়ে বুধবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফেসবুক ২০১৬ সালে ‘ঘোস্টবাস্টারস’ নামে একটি গোপন প্রজেক্ট চালু করেছিল যাতে স্ন্যাপচ্যাট ও এর সার্ভার ব্যবহারকারীদের মধ্যে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করা যায়।

স্ন্যাপচ্যাটের ভূতের (ঘোস্ট) মতো লোগোর সঙ্গে মিল রেখে ফেসবুক এটির নাম দিয়েছে ‘প্রজেক্ট ঘোস্টবাস্টারস’।

আদালতের নথি অনুসারে, ঘোস্টবাস্টারস প্রজেক্টটি স্ন্যাপচ্যাটের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন ও ব্যবহারকারীর আচরণ বোঝার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

নথিতে প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা করা সে সময়ের অভ্যন্তরীণ ফেসবুক ইমেইলগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০১৬ সালের জুনে মার্ক এমন একটি ইমেইলে বলেন, স্ন্যাপচ্যাট তাদের সিস্টেম এনক্রিপট (যে পদ্ধতির মাধ্যমে তথ্য গোপন কোডে রূপান্তরিত হয় যা তথ্যের প্রকৃত অর্থ লুকিয়ে রাখে) করার কারণে অ্যাপটির অভ্যন্তরীণ কোনো তথ্য ফেসবুকের কাছে নেই।

তাই তাদের সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে একটি নতুন উপায় বের করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন মার্ক। এর জন্য একটি কাস্টম সফটওয়্যার তৈরির কথা জানান তিনি।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই পরবর্তীতে ফেসবুকের প্রকৌশলীরা ঘোস্টবাস্টারস তৈরি করেন। পরে অ্যামাজন এবং ইউটিউবকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রকল্পটি প্রসারিত করা হয়ে।

ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতের তথ্য অনুসারে, ফেসবুকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের একটি দল এবং প্রায় ৪১ জন আইনজীবী প্রজেক্ট ঘোস্টবাস্টারে কাজ করেছেন, তবে ফেসবুকের কিছু কর্মী এ প্রকল্পের বিপক্ষে ছিলেন। তারা এটি নিয়ে তাদের উদ্বেগও প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন:
ফলোয়ার হারিয়ে রিক্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীরা
নতুন ভিআর হেডসেট বাজারে আনল ‘মেটা’
ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ‘শান্তিতে আছে’ মেটার চ্যাটবট
বইতে এলো দেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাস
পদ ছাড়ছেন মেটার সিওও স্যান্ডবার্গ

মন্তব্য

p
উপরে