স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

player
স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

ফোন ক্যামেরা দিয়ে এখন অনেকেই প্রফেশনাল ছবিও তুলছেন। তবে এমন প্রফেশনাল ছবিতে প্রয়োজন হয় দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার। তবে আপনি যদি প্রফেশনালের বাইরেও ভালো মানের ছবি তুলতে চান তবে কিছু কৌশল মানতে হয়। ভুল এড়াতে কৌশলগুলো জেনে নেয়া যাক।

ভার্টিকাল প্যানোরামা

প্যানোরামা বলতে বোঝায় ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের ছবি। এই ফিচার ব্যবহারে আশপাশের অনেকখানি দৃশ্য এক ফ্রেমে নেয়া যায়। তবে অনেকেই জানেন না, লম্বালম্বিও প্যানোরামা ছবি তোলা যায়। এ জন্য ক্যামেরা চালু করে ‘Option’ এ ক্লিক করলেই ‘panorama’ ফিচারটি পেয়ে যাবেন। এতে ক্লিক করলে দুটি অ্যারো চিহ্ন দেখা যাবে। এরপর ক্যামেরা বাটন চাপতে হবে। সবশেষে ফোনটি সোজাভাবে (হরাইজেন্টালি) ধরে অ্যারো বরাবর ঘোরাতে হবে। ব্যস, এতেই তোলা যাবে ভার্টিকাল প্যানোরামা। উঁচু কোনো স্থাপনার সামনে ছবি তুলতে কাজে দেবে ফিচারটি।

অ্যাকশন শট

ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ছে- এমন ছবি তুলতে শুধু ক্যামেরা বাটনটি চেপে ধরে থাকুন। এতে সেকেন্ডে কয়েকটি ছবি উঠবে। এবার গ্যালারিতে গেলেই দেখতে পাবেন পারফেক্ট ঢেউ আছড়ে পড়ার ছবি।

সোজা হরাইজন

ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে গেলে অনেকেই বাঁকা ছবি তোলেন। এতে ছবি খারাপ আসে। সোজাভাবে ছবি তুলতে চাইলে যেতে হবে ‘Settings’ এ। স্ক্রল করে ‘App Settings’ সেকশন থেকে ‘System Apps’ এ যেতে হবে। এতে ক্লিক করে যেতে হবে ‘Camera’-তে। নতুন একটি পেইজ চালু হলে স্ক্রল করে ‘Show Gridlines’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এতে ছবি তোলার আগে চার স্তরে লাইন দেখা যাবে। লাইন মিলিয়ে ক্লিক করলে সোজা ছবি তোলা যাবে।

সেলফি

সেলফি তোলার সময় স্মার্টফোন ধরার ক্ষেত্রে কৌশলী হলে ভালো ছবি আসে। এ জন্য ভলিউম বাটনও কাজে লাগানো সম্ভব। ক্যামেরা চালু করে ভলিউম বাটনটি প্রেস করলেই সেলফি তোলা যাবে। তবে সাবধান, এতে ছবি ব্লার হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। ব্লার ছবি এড়াতে ফোনের সঙ্গে কানেক্ট করুন হেডফোন। এরপর হেডফোনের বাটন প্রেস করলেই মিলবে পারফেক্ট সেলফি।

মনে রাখুন এই টিপসগুলো

. সমুদ্র বা নদীর পানিতে নেমে ছবি তুললে ক্যামেরা ভিজবেই। তাই একটি কাঁচের গ্লাসে ফোনটি রেখে ছবি তুলুন।

. রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

. স্মার্টফোন দিয়ে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি সম্ভব নয়। তবে ডিটেলসের ছবি তোলা অসম্ভব কিছু নয়। আঙুলে করে এক ফোঁটা পানি ক্যামেরাতে দিন। এতে সব কিছুর ছবিই ম্যাক্রো আকারে উঠবে।

. ফিল্টার ছবি চাইলে সানগ্লাস সামনে রেখে ছবি তুলুন। ছবিতে ভিন্ন রং চলে আসবে।

. প্যানোরামা ছবিতে নিজেকে কয়েকবার করে দেখতে ক্যামেরার সামনে ঘুরে ঘুরে তিনবার পোজ দিন। এক ছবিতে তিনবার নিজেকে দেখতে পাবেন।

এসব কৌশল কাজে লাগান, দেখবেন আপনার তোলা ছবি অন্যদের চেয়ে কয়েক গুণ মানসম্মত ও প্রাণবন্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র

যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র

খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন রাখে বা বাড়িয়ে দেয় মাটির পাত্র। অন্যান্য উপাদানের তৈজস দিয়ে এটা সম্ভব নয়।

আগের দিনে খাবার রান্না এবং সংরক্ষণের জন্য মাটির পাত্র ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে আমরা কাচ, অ্যালুমিনিয়াম কিংবা লোহায় বানানো পাত্র ব্যবহার করি। সম্প্রতি গবেষকরা জানতে পেরেছেন, রান্নার জন্য ধাতব উপাদানে বানানো এসব পাত্রের তুলনায় মাটির তৈরি পাত্র অনেক স্বাস্থ্যকর। এসব পাত্রে রান্না করা হলে খাবারের আসল স্বাদ ধরে রাখে, ফলস্বরূপ খাবারটি আরও সুস্বাদু হয়ে ওঠে। তবে মনে রাখতে হবে, শুধু স্বাদের জন্যই মাটির পাত্র বেছে নেওয়ার একমাত্র কারণ নয়। আরও কিছু কারণ আছে। চলুন সেগুলো জেনে নেই।

.

খাবারকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে

মাটির পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত কাদামাটি প্রকৃতিতে ক্ষারীয় বলে পরিচিত, যা খাবারের অ্যাসিডের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে এবং পিএইচ স্তরকে নিরপেক্ষ করে। ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং এর পুষ্টি অক্ষত থাকে।

যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র

.

তেল লাগে কম

মাটির পাত্রে রান্নার সময় তেল কম লাগে। ধীরগতিতে রান্না ও তাপ নিরোধক হওয়ায় এটি খাবারের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

.

স্বাদ ও গন্ধ অটুট রাখে

খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন রাখে বা বাড়িয়ে দেয় মাটির পাত্র। অন্যান্য উপাদানের তৈজস দিয়ে এটা সম্ভব নয়।

.

দুগ্ধজাত খাবারের জন্য উপযুক্ত

মাটির পাত্র দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার সংরক্ষণের জন্য খুবই নিরাপদ। এর কারণ হলো মাটির একটি শীতল প্রভাব রয়েছে এবং এটি দুধকে টক হতে বাধা দেয়।

এ ছাড়া যখন মাখন এবং দইয়ের মতো খাবার মাটির পাত্রে রাখা হয়, তখন এটি একটি সুগন্ধ দেয়, যা তাদের সম্পূর্ণ তাজা করে তোলে। আজকাল অনেকেই কাপে চা-কফি পান করতে পছন্দ করেন, কারণ এটি তাদের স্বাদকে অনন্য করে তোলে।

.

তাপ প্রতিরোধী

উচ্চ তাপে মাটির পাত্র রাখলেও তা ভেঙে যায় না। মাটির পাত্রগুলো উচ্চতাপে পুড়িয়ে বানানো হয় বলে এটি অনেকটা তাপপ্রুফ হয়ে ওঠে। তা ছাড়া এটি তাপ প্রতিরোধী বলে পরিচিত। এগুলো আপনার খাবারকে দীর্ঘ সময়ের জন্য গরম রাখতে পারে।

যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র

.

মাইক্রোওয়েভ প্রুফ

বেশির ভাগ মাটির পাত্রই মাইক্রোওয়েভে ব্যবহার করা যায়। মাইক্রোওয়েভে মাটির পাত্র রাখলে উচ্চ তাপমাত্রার সংস্পর্শে এলে কোনো ক্ষতিকর গ্যাস বের হয় না, যা প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে ঘটে।

.

কাচের পাত্র থেকে ভালো

কাচের পাত্র ব্যবহারে অনেক বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। এটার পড়ে ভেঙে গেলে হাত-পা কাটার সম্ভাবনা থাকে। সেদিক দিয়ে মাটির পাত্র অনেক বেশি নিরাপদ। এটা থেকে শরীর কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন

কোভিড থেকে সেরে উঠতে যা খাবেন

কোভিড থেকে সেরে উঠতে যা খাবেন

প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাদ্য বেশি করে খেতে হবে। ডালজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন থাকে। বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপও খেতে পারেন।

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়াচ্ছে বেশ দ্রুত। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ।

আক্রান্ত ব্যক্তির উপযুক্ত চিকিৎসার পাশাপাশি দরকার সঠিক খাদ্য ও পুষ্টি। সম্প্রতি ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোভিড থেকে সেরে উঠতে কোন খাবারগুলো বেশি করে খেতে হবে। চলুন তালিকাটা দেখে নেই।

১। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিতে পারেন লেবু, মধু ও গুড়।

২। আমাদের পরিচিত মশলাগুলো রোগ প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। তাই নিয়মিত খেতে পারেন জিরা, হলুদ, লবঙ্গ, এলাচ ও দারচিনি।

৩। কম তেল ও স্নেহ পদার্থযুক্ত খাদ্য খেতে হবে। খাবারে যেন থাকে সঠিক ভারসাম্য, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

৪। প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাদ্য বেশি করে খেতে হবে। ডালজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন থাকে। বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপও খেতে পারেন।

৫। রঙিন সবজি খাওয়ার দিকে নজর দিন। তবে যে কোনো সবজি রান্নার আগে খুব ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খেতে পারেন পাঁচমিশালি তরকারিও।

৬। যেসব খাবারে জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম রয়েছে, সেসব খেতে হবে নিয়মিত। ওট্‌স, পালং শাক, বিন্‌স, দুধ, কাজু, মিষ্টি কুমড়ার বীজ- এ ধরনের খাবার।

৭। পেট ভালো রাখতে নিয়মিত টকদই খেতে পারেন।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন

পানিশূন্যতায় ভুগছেন বুঝবেন যেভাবে

পানিশূন্যতায় ভুগছেন বুঝবেন যেভাবে

পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীরে অবসন্নভাব চলে আসে। পানির অভাবে শরীর ঠিকমতো কাজ করতে পারে না বলেই এটা হয়।

আমাদের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পানি। কোনো কারণে যদি পানির এই পরিমাণ কমে যায়, তাহলে শরীরে দেখা দেয় নানা সমস্যা। দীর্ঘদিন পানিশূন্যতায় ভুগলে হতে পারে মৃত্যুও। পানিশূন্যতার লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট এনএইচএস

.

লক্ষণ

মাথাব্যথা

শরীরে পানির ঘাটতি হলে মাথাব্যথা হতে পারে। পানিশূন্যতা হলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্ত প্রবাহ কমে যায়। আর এ থেকে মাথাব্যথা হয়।

.

মনোযোগের অভাব

মানুষের মস্তিষ্ক ৯০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি। তাই পানির ঘাটতি হলে মস্তিষ্কে এর প্রভাব পড়ে। পানিশূন্যতা স্মৃতি, মেজাজ ধরে রাখা ও সীদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলে।

.

মুখে দুর্গন্ধ হওয়া

পানিশূন্যতা হলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। পানির ঘাটতি হলে শরীরে লালা কম উৎপাদন করে। এ কারণে মুখে ব্যাকটেরিয়া বেশি তৈরি হয় এবং মুখে দুর্গন্ধ হয়।

.

কোষ্ঠকাঠিন্য

মল ভালোভাবে হতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে পানি। পানিশূন্যতা হলে কোষ্ঠকাঠিন্য, বুক জ্বালাপোড়া ও হজমের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

.

প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন

প্রস্রাব ঠিকঠাকমতো হওয়া মানে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি রয়েছে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ এবং তাতে তীব্র দুর্গন্ধ থাকলে বুঝতে হবে শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে।

.

অবসন্নভাব

পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীরে অবসন্নভাব চলে আসে। পানির অভাবে শরীর ঠিকমতো কাজ করতে পারে না বলেই এটা হয়।

.

প্রতিরোধ

দিনে অন্তত দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করুন।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করে নিন। এটি অনেক সমস্যা কমাতে কাজ করবে।

সব সময় ব্যাগে পানির বোতল রাখুন।

খাদ্যতালিকায় রাখুন পানি জাতীয় সবজি ও ফল। যেমন : তরমুজ, শসা, টম্যাটো, বাঁধাকপি ইত্যাদি।

তবে কিডনি রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পানি পান করবেন।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন

যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে

যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে

গাড়ির এফএম রেডিও চালিয়ে দিতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম শুনতে শুনতে আপনার সময় এমনিতেই কেটে যাবে।

ট্র্যাফিক জ্যামে পড়ে আমাদের অনেক মূল্যবান সময়ের অপচয় হয়। তবে চাইলে এই সময়টা কাজে লাগাতে পারেন। পিটম্যান ওয়েবসাইটসহ আরও কিছু সাইটের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই সময়ে কী করা যেতে পারে। চলুন দেখে নেই।

বই পড়তে পারেন

জ্যামের কথা মাথায় রেখে গাড়িতে ওঠার আগে সঙ্গে বই নিয়ে নিন। জ্যামে আটকে থাকার সময়ে পড়তে পারেন সেই বই। সঙ্গে বই থাকলে নেটে সার্চ দিয়ে ফ্রিতে বিভিন্ন বইয়ের পিডিএফ ভার্সন পাবেন। পড়তে পারেন সেটাও। বই পড়ার ফলে আপনার মনের জানালা যেমনি খুলতে থাকবে তেমনি জ্যামের বিরক্তিকর সময়ও কেটে যাবে।

শুনতে পারেন রেডিও

গাড়ির এফএম রেডিও চালিয়ে দিতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম শুনতে শুনতে আপনার সময় এমনিতেই কেটে যাবে।

গেমস খেলতে পারেন

সময় কাটাতে বিভিন্ন টাইপের গেমস খেলা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ‘ব্রেইন ট্রেইনিং গেমস’গুলো খেলতে পারেন। এগুলো আপনার মানসিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে। স্মার্টফোনে এলিভেট, পিক, লুমোসিটি ইত্যাদি ব্রেইন ট্রেইনিং গেমসগুলো খেলুন। এগুলো আপনার ব্রেনকে শার্প করবে এবং চিন্তাশক্তি বাড়াবে। এ ছাড়া নিউজপেপার কিংবা ম্যাগাজিনের দেয়া কোনো মজার শব্দজট বা ধাঁধা সমাধানের চেষ্টা করতে পারেন।

পছন্দের প্রোগ্রাম দেখতে পারেন

সময়ের অভাবে হয়তো পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারছেন না। সে ক্ষেত্রে জ্যামে বসে ইউটিউবে তা দেখে নিতে পারেন। আজকাল প্রায়ই সবার হাতেই স্মার্ট ফোন। এ ছাড়া ল্যাপটপ কিংবা ট্যাব তো আছেই। সুতরাং পছন্দের যে কোনো টিভি সিরিজ দেখে নিতে পারেন।

সারা দিনের রুটিন সেট করতে পারেন

সময় কাটাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতে পারেন। সারা দিনের কাজের প্ল্যান, রুটিন কিংবা কোনো প্রোজেক্টের ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা যেতে পারে। আর এর ফলে মাথায় নতুন কোনো আইডিয়া এলে তা ডায়েরি কিংবা নোটবুকে টুকে রাখলে সেটা পরবর্তী সময়ে কাজে দিবে। কখন কোন আইডিয়া কাজে লেগে যায় তা তো বলা যায় না। অনেক সময় হুটহাট করে আসা কোনো আইডিয়াই সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে।

হোমওয়ার্ক বা অ্যাসাইনমেন্ট করতে পারেন

ট্র্যাফিক জ্যামের সময় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় হোমওয়ার্ক করে নিতে পারেন কিংবা কোনো অ্যাসাইনমেন্ট থাকলে তাও রেডি করতে পারেন। এ ছাড়া চাকরি প্রার্থীরা বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার জন্য স্টাডি করতে পারেন। অনলাইনে বিভিন্ন শিক্ষামূলক সাইট আছে, যা থেকেও আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন। ইউটিউবের বিভিন্ন শিক্ষণীয় টিউটরিয়াল দেখেও অনেক কিছু শেখা যায়। যেমন-ইউটিউব দেখে দেখে মাইক্রোসফট এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্টের কিংবা টুকটাক গ্রাফিক্সের কাজও শিখতে পারবেন।

নতুন ভাষা শিখতে পারেন

মাতৃভাষার পাশাপাশি বাড়তি একটা ভাষা শিখে রাখা যেতে পারে। এতে মানুষের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে। গাড়িতে ভাষা শিক্ষার বই রাখুন। সাহায্য নিতে পারেন ইন্টারনেটেরও। বলা ও পড়তে পারার পাশাপাশি লিখতে পারাটাও এই সময়ে শিখে নিতে পারেন।

আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিতে পারেন

ব্যস্ততার কারণে হয়তো কাছের আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নেয়া হয় না। জ্যামে আটকে থাকা সময়টা কাটাতে পারেন কাছের মানুষের খোঁজখবর নিয়ে। এ সময় ফোন করতে পারেন তাদের।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

পোষা কুকুরকে দিনের কিছুটা সময় বাইরে খেলাধুলা করাতে ও হাঁটাতে নিয়ে যেতে হয়। আকার অনুযায়ী আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিতে হয়। এই সময়টা দিতে পারবেন কি না তা বুঝে নিতে হবে।

উন্নত বিশ্বে পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুর বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে বেশির ভাগ বাড়িতেই দু-একটি পোষা কুকুর দেখা যায়। তবে শহরে কুকুর পোষার চল নেই। ইদানীং অনেকেই কুকুর পুষতে চাইছেন। সেটা করার আগে আপনাকে কিছু জিনিস অবশ্যই জানতে হবে। নিতে হবে পূর্ব প্রস্তুতি।

পেটস পাজামাস ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই বিষয়গুলো। চলুন জেনে নেই।

.

পরিবারের সদস্যদের মতামত নিতে হবে

কুকুর পোষার আগে পরিবারের সবার মতামত নেয়াটা জরুরি। কুকুরের ওপরে কারও কোনো ধরনের অ্যালার্জি আছে কি না, কুকুর পোষাটা পছন্দ করে কি না- এই বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে। ভাড়া বাসায় থাকলে বাড়িওয়ালার কাছেও ব্যাপারটা শেয়ার করতে হবে। সবাই রাজি হলেই কুকুর পোষার দিকে আগানো ভালো।

.

সময় আছে তো?

পোষা প্রাণীর যত্ন নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় আছে কি না, সেই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। একটি শিশুর মতোই একটি কুকুরের যত্ন নেওয়া জরুরি। তাকে সময় দিতে হয় এবং প্রশিক্ষণ দিতে হয়। এর জন্য যে আলাদা সময় বের করতে পারবেন কি না, সেই বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

প্রশিক্ষণ দিতে হবে

একটি কুকুর ছানাকে নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হয়। এর মধ্যে আছে নির্দিষ্ট জায়গায় বাথরুম করা, দরকারি জিনিস চিবিয়ে নষ্ট না করা, কাউকে কামড় না দেয়া ইত্যাদি। প্রশিক্ষণ দেবার আগে কীভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হয়, সেটা শিখে নেওয়া জরুরি। এ জন্য কুকুরটির পেছনে বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করতে হবে। এসব ব্যাপারে ধৈর্য আছে কি না, সেই বিষয়ও খেয়াল রাখতে হবে।

.

বাইরে নিয়ে যাওয়া

পোষা কুকুরকে দিনের কিছুটা সময় বাইরে খেলাধুলা করাতে ও হাঁটাতে নিয়ে যেতে হয়। আকার অনুযায়ী আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিতে হয়। এই সময়ও দিতে পারবেন কি না তা বুঝে নিতে হবে।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

কুকুর পোষার মতো জায়গা আছে তো?

কুকুরের জন্য মোটামুটি বড় জায়গা দরকার। আপনার বাসায় সে রকম জায়গা আছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। বড় আকারের কুকুরের জন্য প্রচুর জায়গা প্রয়োজন। তাই অ্যাপার্টমেন্টে পালার জন্য ছোট আকারের কুকুর বেছে নেওয়াই ভালো।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

বাড়তি খরচের জন্য প্রস্তুত থাকুন

একটি কুকুর পালা অনেক ক্ষেত্রেই বেশ ব্যয়বহুল। ওর জন্য বিশেষ খাবার, খেলনা, ভ্যাকসিন এবং ডাক্তার দেখানো সব কিছুই বেশ খরচসাপেক্ষ। তাই এই ব্যয় বহন করতে আপনি সক্ষম কি না, সেটা আগেই উপলব্ধি করে নিন।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

অন্যান্য বিষয়

বিশেষ প্রয়োজনে যদি দূরে যেতে হয়, তাহলে আপনার কুকুর কোথায় থাকবে, সেই ব্যবস্থাও আগে করে নিতে হবে। কারণ কুকুরটিকে তো আর একা ঘরে রেখে যাওয়া যাবে না।

কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। দিনে একবার এদের দাঁত মাজতে হবে এবং মাসে একবার নখ কেটে দিতে হবে। যতটা জলদি সম্ভব কুকুরের ‘নিউটার’ বা বন্ধ্যা করানোর ব্যবস্থাও নিতে হবে।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন

বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন

বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন

বাইরে এসে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে আগুন লাগার সংবাদ দিন। আপনার কাছের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফোন নম্বর মনে না থাকলে জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯-তে ফোন দিন। নিজে ফোন দিতে না পারলে অন্য কাউকে দেয়ার জন্য অনুরোধ করুন।

বাড়িতে আগুন লাগলে প্রথম কাজ হবে মাথা ঠাণ্ডা রাখা। আতঙ্কিত হলে বা ভয় পেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হতে পারে। আর এ ধরনের বিপদের সময় একটু ভুল সিদ্ধান্তের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

আগুন লেগেছে বুঝতে পারলে বাড়ির অন্য সদস্যদের জন্য সেটা জানান। এ ক্ষেত্রে আগুন আগুন বলে চিৎকার করলে সবাই বিপদটা বুঝতে পারবে। মনে রাখতে হবে, এটা ভয়ের চিৎকার না, সতর্কতার চিৎকার।

দ্রুত ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসুন। মূল্যবান জিনিস সংগ্রহ করতে গিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। সম্পদের মায়া ত্যাগ করে চলে আসতে হবে।

বাইরে এসে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে আগুন লাগার সংবাদ দিন। আপনার কাছের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফোন নাম্বার মনে না থাকলে জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯-তে ফোন দিন। নিজে ফোন দিতে না পারলে অন্য কাউকে দেয়ার জন্য অনুরোধ করুন।

আগুন নেভানোর চেষ্টা করুন। বৈদ্যুতিক লাইনে অথবা যন্ত্রপাতিতে আগুন ধরলে পানি ব্যবহার করবেন না। বহনযোগ্য কার্বন ডাই-অক্সাইড বা ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করুন। না পেলে শুকনো বালু ব্যবহার করুন।

তেলজাতীয় পদার্থ থেকে লাগা আগুনে পানি ব্যবহার বিপজ্জনক। বহনযোগ্য ফোম-টাইপ ফায়ার এক্সটিংগুইশার বা শুকনো বালু অথবা ভেজা মোটা কাপড় অথবা চটের বস্তা দিয়ে চাপা দিন।

গায়ে আগুন লাগলে দৌড়াবেন না। গড়িয়ে গড়িয়ে যেদিকে যেতে চান সেদিকে যান। কাপড় দিয়ে নাক ঢাকুন, হাতের কাছে পানি থাকলে কাপড় ভিজিয়ে নিন।

যদি দেখেন দরজা গরম, দরজার নিচ দিয়ে বা ফাঁকা জায়গা দিয়ে ধোঁয়া আসছে এবং দরজার হাতলও গরম- তাহলে দরজা খুলবেন না। তার মানে বুঝতে হবে আগুন কাছে চলে এসেছে। যদি দেখেন দরজার হাতল ঠান্ডা, দরজার ফাঁক দিয়ে ধোঁয়া আসছে না, তাহলে ধীরে ধীরে ও সাবধানতার সঙ্গে দরজা খুলুন এবং তাড়াতাড়ি ভবন থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করুন।

সিঁড়িঘরে গেলে যদি ধোঁয়া দেখতে পান, তাহলে কখনও ওপরে উঠবেন না। ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না। ধোঁয়া বাতাসের থেকে হালকা, তাই তা ওপরের দিকে ওঠে। বারান্দা বা জানালার কাছে চলে যাবেন; এতে হাতে বেশি সময় পাবেন।

ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পথ পরিহার করুন। যেতে বাধ্য হলে উপুড় হয়ে বা হামাগুড়ি দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করবেন। ধোঁয়া ওপরে ওঠে বলে নিচের বাতাসে অক্সিজেন বেশি থাকে।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন

পিঠের ব্যথা সারছে না?

পিঠের ব্যথা সারছে না?

পিঠে ব্যথা হলে অবশ্যই হেলা করা উচিত নয়। ছবি: সংগৃহীত

গবেষণায় বলা হয়, ৯০ শতাংশ মানুষের পিঠব্যথার প্রধান কারণ একটানা বসে থাকা। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কয়েকটি বিষয় মেনে চলুন।

করোনাভাইরাস মহামারির শুরু থেকে মানুষের ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার বেড়েছে। নিজের প্রয়োজন, অফিসের কাজ, সব মিলিয়ে কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা হচ্ছে বেশি। শারীরিক বা কায়িক শ্রম কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে শরীরেই।

বাসায় থাকায় ঠিকমতো শরীরচর্চাও করা হয়ে উঠছে না, যার ফলে একটানা বসে থাকায় বাড়ছে পিঠব্যথার মতো ঘটনা।

গবেষণায় বলা হয়, ৯০ শতাংশ মানুষের পিঠ ব্যথার প্রধান কারণ একটানা বসে থাকা। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কয়েকটি বিষয় মেনে চলুন।

ঘুমের সময় চেষ্টা করুন কিছুটা শক্ত বিছানায় শোয়ার। সেই সঙ্গে আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখবেন, পিঠে ব্যথা হলে ঘুমের সময় বালিশ নেবেন না।

শরীরচর্চায় অল্প হলেও মনোযোগী হোন। নিয়মিত শবাসন, ভুজঙ্গাসন, মকরাসনের মতো শরীরচর্চা করলে পিঠের ব্যথা উপশম হবে।

বাসায় বসে অফিসের কাজ করলে চেষ্টা করুন সেটা শক্ত কোনো চেয়ারে বসে করার। বিছানায় বসে বা চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে কাজ করলে পিঠের ব্যথা বাড়বেই।

কাজের সময় অবশ্যই প্রতি ২০ মিনিট পর পর বিরতি নেয়ার চেষ্টা করুন। অবশ্যই একটু হেঁটে, উঠে দাঁড়িয়ে তারপর বসুন। দেখবেন পিঠে ব্যথা হবে না।

পিঠে ব্যথা যদি হয়েই যায়, তাহলে তা উপশমে কুসুম গরম পানি নিয়ে গোসলের সময় অল্প অল্প করে পিঠে ঢালুন। এতে সহজেই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ চাইলে

শেয়ার করুন