× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
What is bigger than AK 47 with A League leader?
google_news print-icon

একে-৪৭-এর চেয়ে বড় কী আছে আ.লীগ নেতার কাছে

একে-৪৭-এর-চেয়ে-বড়-কী-আছে-আলীগ-নেতার-কাছে
জনসভায় বক্তব্য দিচ্ছেন বাজিতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ নেতার কাছে একে-৪৭ আছে কি না বা এর চেয়ে বড় কিছু তার সংগ্রহে আছে কি না, এই প্রশ্নের জবাব পেতে গত কয়েক দিন ধরেই চেষ্টা করে যাচ্ছে নিউজবাংলা। কিন্তু সেই নেতাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি ফোন ধরছেন না। তার স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মীরা কিছু বলতে চাইছেন না। আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা বলেছেন, ভোটের পরিবেশ নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট। সেই বক্তব্যের পর এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় একটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে হঠাৎ জাতীয় গণমাধ্যমের দৃষ্টি স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বক্তব্যে।

হুমাইপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ধনু মিয়ার পক্ষে জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে।

সেদিন তিনি বলে বসেন, তাদের প্রার্থীর পক্ষে ভোটের মাঠে জোরালো অবস্থান নেবেন। ভোটের দিন প্রয়োজনে একে-৪৭-এর চেয়ে বড় কিছু নিয়ে আসবেন তিনি।

আওয়ামী লীগ নেতার কাছে একে-৪৭ আছে কি না বা এর চেয়ে বড় কিছু তার সংগ্রহে আছে কি না, এই প্রশ্নের জবাব পেতে গত কয়েক দিন ধরেই চেষ্টা করে যাচ্ছে নিউজবাংলা।

কিন্তু সেই নেতাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মীরা কিছু বলতে চাইছেন না।

গত ৫ নভেম্বর হুমাইপুর ইউনিয়নের টান গোসাইপুর ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার মাঠে জনসভায় দেয়া বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে আর ওই এলাকায় যাননি আওয়ামী লীগ নেতা আল মামুন।

তার মোবাইল ফোন নম্বরটি চালু আছে। তবে পরিচিত নম্বর না হলে তিনি কল ধরছেন না।

আল মামুনের বাসা বাজিতপুর পৌর এলাকার বসন্তপুরে। তার ঘনিষ্ঠ ওই এলাকার এক বাসিন্দা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোন কথা থেকে কোন কথা জিজ্ঞেস করে ফেলে, পরে আবার কোনভাবে প্রচার করে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তিনি।’

ফেসবুক পোস্টে সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যা

প্রকাশ্যে না এলেও বা ফোন না ধরলেও গত ৯ নভেম্বর রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে সেই জনসভায় বলা কথা নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ নেতা।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী পথসভায় তার বক্তব্যটি ছিল ২৫ মিনিটের। সে বক্তব্যের কিছু কিছু অংশ তুলে ধরে কথা বিকৃত করা হয়েছে।

তিনি লেখেন, এই পথসভার আগের দিন ‘স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি’ ও কিছু দুষ্কৃতকারী আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা পুড়িয়ে ফেলে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের অস্ত্রের ভয় দেখায়।

তিনি লেখেন, এই ইউনিয়নের একজন বিশেষ ব্যক্তির কাছ থেকে একটি একে-৪৭ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ফলে একে-৪৭ নামক শব্দটি উচ্চারণ করা হয় এবং বলা হয় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের এসব ভয়ভীতি দেখিয়ে লাভ নেই।

আল মামুন লেখেন, ‘আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নেতা-কর্মীদের মানসিক শক্তিসহ নৌকার পক্ষে করার জন্য অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করি। আমি তাদের সর্বশক্তি দিয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিই।

‘প্রসঙ্গক্রমে আমি তাও বলি, সরকার আমাদের, প্রশাসন আমাদের, আমাদের দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখুন।’

অভিযোগ নেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি নেতার

হুমাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মানিক মিয়া গত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটে অংশ নেন। তার দল ভোট বর্জন করায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি সেই বক্তব্যের পরও ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ জানিয়েছেন।

নিউজবাংলাকে বিএনপি নেতা বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ এখন খুবই শান্ত ও সুন্দর। কোনো প্রকার বাধাবিপত্তি ছাড়াই প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন তিনি।

আপনি কিছুদিন আগে পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছিলেন। এখন পরিবেশ শান্ত ও সুন্দর বলছেন। কারণ কী- এমন প্রশ্নে মানিক বলেন, ‘সেই বক্তব্যের ভিডিও বিভিন্ন মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই এমপি সাহেব আর প্রশাসনের ঠেলায় মামুনও ঠান্ডা, এলাকার পরিবেশও ঠান্ডা।

‘এই বক্তব্যের পর নির্বাচনি প্রচারণার কাজে বিভিন্ন নেতা-কর্মী হুমাইপুর ইউনিয়নে গেলেও আবদুল্লাহ আল মামুনকে আর দেখা যায়নি। এই বক্তব্যের আগে মামুন সব সময়ই এমপি আফজাল হোসেনের সাথে থাকতেন। নৌকায় ভোট নিতে নির্বাচনের দিন একে-৪৭-এর চেয়ে বড়কিছু নিয়ে আসার হুমকি দেওয়ার পর থেকে তাকে আর এমপি সাহেবের সঙ্গেও দেখা যায়নি৷’

বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেন, ‘মামুনের এই বক্তব্যে আমার জন্য ভালো হইছে৷ সাধারণ জনগণের মধ্যে কিছু লোক আমার উল্টা ছিল, কিন্তু এখন আমার পক্ষে কাজ করছে। এমনকি ভোটও দেবে।’

গত ইউপি নির্বাচনেও মানিক মিয়া ও আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ধনুর মধ্যে লড়াই হয়েছে।

মানিক মিয়া বলেন, ‘তিনি গত নির্বাচনেও নৌকা প্রতীক নিয়েই আমার কাছে ২০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।’

আরেক প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ

বিএনপি নেতার অভিযোগ না থাকলেও একই ইউনিয়নে আনারস প্রতীক নিয়ে লড়াই করা আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন খান ৮ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এতে তিনি আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন করেন।

ইউএনও মোরশেদা খাতুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পেয়ে এলাকায় নজরজারি বাড়ানো হয়েছে। কেউ যেন ভোটের পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

‘তা ছাড়া ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের সচিব, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অভিযোগের অনুলিপি দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম
চতুর্থ ধাপে ৮৪০ ইউপি নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর
কালকিনিতে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০
নৌকার অফিসে ‘ভাঙচুর-আগুন’, পেট্রোল বোমা উদ্ধারে মামলা
বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকের হামলায় আ.লীগের ৮ কর্মী আহত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Mothers suicide due to childs death

সন্তানের মৃত্যুর শোকে মায়ের ‘আত্মহত্যা’

সন্তানের মৃত্যুর শোকে মায়ের ‘আত্মহত্যা’
মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল আরও জানান, মরদেহটি একটি আম গাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক ধারণা করছি ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে হয়তো বছিরন খাতুন গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

মেহেরপুরে ছেলের মৃত্যুর ১০ দিনের মাথায় আম গাছ থেকে মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মা বছিরন খাতুন আত্মহত্যা করেছেন।

জেলার মুজিবনগর উপজেলার ভবরপাড়া গ্রামের একটি আম গাছের ডাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

৩ সন্তানের জননী ৫০ বছর বয়সী বছিরন খাতুন ওই একই এলাকার মাছ ব্যবসায়ী রমজান আলীর স্ত্রী।

মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল নিউজবাংলাকে এসব তথ‍্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বজনরা জানান, নিহত বছিরনের ছোট ছেলে রাসেল ১০দিন আগে বাড়ির কাজ-কর্ম নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অভিমানে নিজ বাড়িতে থাকা আগাছানাশক কীটনাশক পান করেন।

পরে পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে প্রথমে মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়।

এ সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে সেখানে থাকা চিকিৎসক তাকে মেহেরপুর ও পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বুধবার তার মৃত্যু হয় এবং বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

ছেলের দাফনের পর মা বছিরন খাতুন বাড়ির বাহিরে গিয়ে চলে আসে, এরপরে রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পরিবারের লোকজন তাকে আর খুঁজে পায়নি।

পরে স্থানীয়রা ভোরে একটি আম গাছে বছিরনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়।

মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল আরও জানান, মরদেহটি একটি আম গাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক ধারণা করছি ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে হয়তো বছিরন খাতুন গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

আরও পড়ুন:
যুবকের মাটি চাপা মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় নিয়ে পুলিশের সংশয়
আয়নীর বস্তাবন্দি মরদেহ প্রতিদিন দেখে আসত রুবেল
নিকলীতে আবাসিক হোটেলে তরুণীর ‘মৃত্যু’, যুবক আটক
উখিয়ায় মাটি চাপা পড়ে তিন রোহিঙ্গা নিহত
চট্টগ্রামে বর্ষা, আয়াতের পর এবার আয়নীর মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police doubt about the identity of the young mans body recovered from under the ground

যুবকের মাটি চাপা মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় নিয়ে পুলিশের সংশয়

যুবকের মাটি চাপা মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় নিয়ে পুলিশের সংশয়
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ জানান, পরিবারের লোকজন একেক সময় একেক কথা বলছে। এ অবস্থায় মরদেহটি আলিফের কি না, এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছেনা।

কিশোরগঞ্জে মাটির নিচ থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ। যুবকের পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করলেও তার পরিচয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে পুলিশ।

সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নের উলুহাটি এলাকায় বিলের পাড় থেকে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত ২৩ বছর বয়সী সোহান আহমেদ আলিফ পেশায় দর্জি। তিনি রশিদাবাদ ইউনিয়নের বেরুয়াইল (কলাপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বাচ্চুর ছেলে।

রশিদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলাম জানান, যুবকের মা হাওয়া বেগম মরদেহটি দেখে তার ছেলে আলিফের বলে শনাক্ত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও রশিদাবাদ ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২০ মার্চ বিকেলে তার নিজ বাড়ি বেরুয়াইল থেকে বের হন আলিফ। পরে আর বাড়ি ফিরে আসেননি। তার স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে আলিফের মা হাওয়া বেগম কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বৃহস্পতিবার সকালে মুষলধারে বৃষ্টি হলে বিলপাড় থেকে মাটি সরে যায়। ওই স্থানে কাক ও শিয়ালের বিচরণ দেখে স্থানীয়রা সেখানে ছুটে যায়। লোকজন সেখানে মাটিচাপা দেয়া মরদেহের অংশ বিশেষ দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ উদ্ধার হওয়া মরদেহটি আলিফের কি না, সে ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

তিনি জানান, পরিবারের লোকজন একেক সময় একেক কথা বলছে। এ অবস্থায় মরদেহটি আলিফের কি না, এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছেনা।

তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
থানায় জিডি করতে গিয়ে বাবার মরদেহ দেখল ছেলে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গাড়িচালকের বস্তাবন্দি মরদেহ
স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ ঘরে, গাছে ঝুলছিল স্বামীর
ফ্লাইওভারের ঢালে বাসচাপায় গেল শিক্ষানবিশ আইনজীবীর প্রাণ
বরিশালে হোটেল কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of woman in RAB custody Human chain demanding fair and impartial investigation

র‍্যাব হেফাজতে নারীর মৃত্যু: সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

র‍্যাব হেফাজতে নারীর মৃত্যু: সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন র‍্যাব হেফাজতে নারীর মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা
মানববন্ধনে এক বক্তা বলেন, ‘সুলতানা জেসমিন অন্যায় করে থাকলে আইনের ধারা অনুযায়ী তার বিচার করা হবে। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছিল, যা মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। আইনের শাসনের প্রতি তারা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন।’

র‌্যাব হেফাজতে নওগাঁয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারী সুলতানা জেসমিনের মৃত্যুর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে নওগাঁয় মানববন্ধন হয়েছে।

নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ে শহীদ মিনারের পাশে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) জেলা কমিটির আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন হয়।

মানববন্ধনে সুজন নওগাঁর সহসভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলার সাধারণ সম্পাদক একে সাজু, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিনহাজুল ইসলাম এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি মিজানুর রহমান।

মানববন্ধনে এক বক্তা বলেন, ‘সুলতানা জেসমিন অন্যায় করে থাকলে আইনের ধারা অনুযায়ী তার বিচার করা হবে। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছিল, যা মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। আইনের শাসনের প্রতি তারা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন।

‘রাজশাহী বিভাগের যুগ্ম সচিব এনামুল তার ব্যক্তিগত আক্রোশ মিটাতে আইনকে ব্যবহার করেছেন। তার ন্যায্য বিচার হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। অনতিবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানাই।’

সুলতানা জেসমিন নওগাঁ পৌরসভা ও চণ্ডিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। তিনি শহরের জনকল্যাণ মহল্লার ভাড়া বাসায় থাকতেন। এ বাসা থেকে নিয়মিত অফিস যাতায়াত করতেন।

২২ মার্চ সকালে অফিসে যাওয়ার পথে শহরের মুক্তির মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করে র‍্যাব। ২২ মার্চ দুপুর ১২টার পর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন সুলতানা নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়।

রামেকে জেসমিন আইসিইউতে ছিলেন। ২৪ মার্চ সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ২৫ মার্চ রামেকে ময়নাতদন্ত শেষে, বিকেলে নওগাঁ সরকারি কবরস্থানে মরদেহ দাফন সম্পন্ন করা হয়। এরপরই র‌্যাবের বিরুদ্ধে জেসমিনকে হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন করে মেরে ফেলার অভিযোগ তোলেন তার স্বজনরা।

আরও পড়ুন:
র‌্যাব হেফাজতে মায়ের মৃত্যুর পর এবার ছেলে নিখোঁজ
পিস্তলসহ কুখ্যাত ফেন্সি মাসুদ আটক
র‍্যাব হেফাজতে নারীর মৃত্যু: ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন চায় হাইকোর্ট
র‍্যাব হেফাজতে নারীর মৃত্যু, নির্যাতনের অভিযোগ
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা করে উল্টো জেলে আইনজীবীর স্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Clash between two groups of Shajimek Chhatra League injured 8

শজিমেক ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৮

শজিমেক ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৮
বগুড়া ছিলিমপুর মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিছার রহমান জানান, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বুধবার রাতে সংঘর্ষ হয়েছিল। এখন ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত আছে ৷ এ ঘটনায় আহতরা শজিমেক হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) ক্যাম্পাসে নতুন শিক্ষার্থীদের নিজ দলে ভেড়ানো নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

শজিমেক ছাত্রাবাসে বুধবার রাত ১০টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রবাসের নিচতলার অন্তত পাঁচটি কক্ষ ভাংচুর করেছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি মেডিক্যাল কলেজটিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া নবাগত ছাত্রদের নিজ গ্রুপে ভেড়ানোকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, শজিমেক শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আসিফের অনুসারী দ্রুব, অনিক, শুভ ও হৃদয়। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন রনির অনুসারী ইমতিয়াজ, রেজা,ফুয়াদ ও অমিও।

বর্তমানে তারা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

শজিমেক ছাত্রবাসে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৩ সালে মেডিক্যালে সুযোগ পাওয়া (৩২ ব্যাচের) শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ভর্তি হতে এসেছে। তাদের নিজ নিজ গ্রুপে ভেড়ানোকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যা থেকে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

দ্বন্দ্বে জড়ানো সবাই ভর্তি হতে আসা ৩২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইমিডিয়েট সিনিয়র ৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী। একপর্যায়ে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রাত ১০টার দিকে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি ও পরে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছাত্রাবাসের নিচতলার অন্তত পাঁচটি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়৷

বগুড়া শজিমেক শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর আসিফ বলেন, ‘জুনিয়ররা ক্যাম্পাসে আসার পর তাদের থাকা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। তবে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা আমার কর্মীদের ওপর অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছেন। এতে চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে তিনজন গুরুতর জখম হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না৷’

বগুড়া শজিমেক শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন রনি জানান, সভাপতির গ্রুপের নেতা-কর্মীরা প্রথম আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। পরে শিক্ষকরা এসে আমাদের উভয় পক্ষকে নিয়ে মীমাংসা করে দিয়েছেন। এই নিয়ে দ্বন্দ্বের কিছু নেই। জুনিয়রদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে এর সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। তার চার কর্মী আহত অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।

বগুড়া ছিলিমপুর মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিছার রহমান জানান, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বুধবার রাতে সংঘর্ষ হয়েছিল। এখন ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত আছে ৷ এ ঘটনায় আহতরা শজিমেক হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ছাত্র অধিকারের ২৪ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৬ এপ্রিল
অন্তর্কোন্দলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ করল কুবি ছাত্রলীগ
অধ্যাপক তানজীমের নিরাপত্তা চান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা
ছাত্রলীগ নেত্রীর জন্মদিনে চাঁদা না দেয়ায় মারধরের অভিযোগ
অধ্যাপক তানজীমের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টায় ছাত্রলীগ নেতা: শিক্ষার্থীদের বিবৃতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three workers died due to electrocution in Gazipur

গাজীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন শ্রমিকের মৃত্যু

গাজীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন শ্রমিকের মৃত্যু গাজীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন শ্রমিকের মৃত্যু। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ্ আল আরেফিন জানান, খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্ব খণ্ড এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো তিনজন হলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চর কচ্ছপিয়া গ্রামের আজাদ হোসেনের ছেলে ২০ বছর বয়সী পিয়াস ও বেলাল সওদাগরের ছেলে ২৩ বছর বয়সী পাভেল এবং জামালপুরের ২৫ বছর বয়সী মনোয়ার।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ্ আল আরেফিন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কেওয়াপূর্ব খণ্ড এলাকায় বহুতল ভবনে কাজ করছিল নির্মাণ শ্রমিকরা। এ সময় অসাবধানতাবশত নির্মাণাধীন ভবনের রডের সঙ্গে পাশের বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শ হলে দীর্ঘ সময় আগুন জ্বলতে থাকে। এতে কয়েকজন শ্রমিক তারে আটকে পুড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
ফ্লাইওভারের ঢালে বাসচাপায় গেল শিক্ষানবিশ আইনজীবীর প্রাণ
পটুয়াখালীতে ছুরিকাঘাতে দুই শিক্ষার্থীকে হত্যা
সায়েন্স ল্যাব এলাকায় বিস্ফোরণে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
সিলেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
বহুতল ভবনের সাত তলা থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmer dies of snake bite

সাপরে কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

সাপরে কামড়ে কৃষকের মৃত্যু প্রতীকী ছবি
স্বজনরা জানায়, বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে আয়নাল বাড়ির কাছে থাকা নিজের বোরো ক্ষেত দেখতে যান। এ সময় বোরো ক্ষেতে থাকা একটি বিষাক্ত সাপ তাকে ছোবল দেয়। পরে তাৎক্ষণিক বাড়িতে এসে স্বজনদের বিষয়টি জানালে স্বজনরা তাকে দ্রুত বারমারী খ্রীষ্টান মিশনারী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিজের বোরো ক্ষেত দেখতে গিয়ে বিষাক্ত সাপরে কামড়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাপের কামড়ের পর সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ৩৮ বছর বয়সী আয়নাল হক উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের মন্ডলিয়াপাড়া ভজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

স্বজনরা জানায়, বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে আয়নাল বাড়ির কাছে থাকা নিজের বোরো ক্ষেত দেখতে যান। এ সময় বোরো ক্ষেতে থাকা একটি বিষাক্ত সাপ তাকে ছোবল দেয়। পরে তাৎক্ষণিক বাড়িতে এসে স্বজনদের বিষয়টি জানালে স্বজনরা তাকে দ্রুত বারমারী খ্রীষ্টান মিশনারী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

এরপর তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মৃত আয়নালকে সুস্থ ও জীবিত করে তুলতে ওঁঝা ডেকে ঝাড়ফুঁক দেয়া হচ্ছিল। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওঁঝাদের ঝাড়ফুঁকেও কোনো কাজ হয়নি।

আরও পড়ুন:
স্ত্রী সাপেরও আছে ক্লিটোরিস
ঋণখেলাপ: তদন্ত কমিটির সামনে ক্ষোভ ঝাড়লেন কৃষকরা
ঋণখেলাপি মামলায় ১২ কৃষক কারাগারে
স্কুলছাত্রের জালে বন্দি বিষধর রাসেলস ভাইপার
দাদার চিকিৎসায় সাপে কাটা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police constable in jail in case of rape of girl

কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় পুলিশ কনস্টেবল জেলে

কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় পুলিশ কনস্টেবল জেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরিশাল। ছবি: সংগৃহীত
বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ন কবির জানান, ২০২২ সালের ১৪ জুন কিশোরী বাদী হয়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করে। মামলার পর কনস্টেবল উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নিয়েছিল। জামিনের মেয়াদ শেষে নিম্ন আদালতে হাজির হন। আদালত তার জামিনের মেয়াদ না বাড়িয়ে তাকে জেলে পাঠিয়েছে।

বরিশালে কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় পুলিশ কনস্টেবলকে জেলে পাঠিয়েছে আদালত।

বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে বুধবার জামিনের প্রার্থনা করেন ওই কনস্টেবল। ট্রাইব্যুনালের বিচারক ইয়ারব হোসেন জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ন কবির জানিয়েছেন।

কারাগারে যাওয়া পুলিশ কনস্টেবল হলেন ৪২ বছর বয়সী এনায়েত হোসেন।

এনায়েত হোসেন বরিশাল জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত অবস্থায় রয়েছেন জানিয়ে মামলার বাদী জানান, হিজলা থানায় কর্মরত ছিলেন এনায়েত। মামলার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ন কবির জানান, ২০২২ সালের ১৪ জুন কিশোরী বাদী হয়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করে। মামলার পর কনস্টেবল উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নিয়েছিল। জামিনের মেয়াদ শেষে নিম্ন আদালতে হাজির হন। আদালত তার জামিনের মেয়াদ না বাড়িয়ে তাকে জেলে পাঠিয়েছে।

মামলায় আনা অভিযোগের বরাতে বাদী কিশোরী জানান, পাশাপাশি উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ২০২০ সালে ১ নভেম্বর তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় নিয়ে যান। স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে সেখানে বসবাস করেন। বিয়ের জন্য চাপ দিলে এনায়েত পালিয়ে যান। পরে আবার বিয়ে করবে জানিয়ে বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
২০ চাকরি দিচ্ছে নাটোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
জেলা পরিষদের ভবন ধসে শ্রমিক নিহতের ২ মাস পর মামলা
গাইবান্ধা জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য চাকরি
এইচএসসি পাসে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি
জালে আটকা শত শত জেলিফিশ

মন্তব্য

p
উপরে