নৌকাডুবি: ১৮ পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা করে দেয়ার নির্দেশ

নৌকাডুবি: ১৮ পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা করে দেয়ার নির্দেশ

২০১৭ সালে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলে নৌকাডুবিতে মৃত ১৮ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফাইল ছবি

ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম বলেন, ‘২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল সন্দ্বীপে নৌকাডুবিতে ১৮ জন নিরীহ মানুষের প্রাণ যায়। তখন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি জনস্বার্থে মামলা করেন। ওই মামলার দীর্ঘ তিন বছর শুনানি শেষে আজ যুগান্তকারী একটি রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।’

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে চার বছর আগে নৌকা ডুবে ১৮ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় মৃত ১৮ জনের পরিবারের প্রত্যেককে ১৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকেোর্ট।

বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

আদালতের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম।

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল সন্দ্বীপে নৌকাডুবিতে ১৮ জন নিরীহ মানুষের প্রাণ যায়। তখন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি জনস্বার্থে মামলা করেন। ওই মামলার দীর্ঘ তিন বছর শুনানি শেষে আজ যুগান্তকারী একটি রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।’

রায়ে আদালত অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ- বিআইডব্লিউটিসি ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে যৌথভাব দায়ী করে।

এই দুই সংস্থাকে সমানভাবে ১৮ পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা করে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দুই মাসের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ দেয়।

এ সময়ের মধ্যে টাকা দিতে ব্যর্থ হলে প্রচলিত আইনে ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সুদসহ তা পরিশোধ করতে হবে।

২০১৭ সালের ২ এপ্রিল সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে বঙ্গোপসাগরের সন্দ্বীপ চ্যানেলে যাত্রীবাহী একটি নৌকা উল্টে যায়। সি-ট্রাক থেকে যাত্রীরা নৌকায় ওঠে ১৫০ গজ দূরে তীরে যাওয়ার আগেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে দুর্ঘটনায় ডুবে মারা যাওয়া ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করোনা টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

করোনা টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলনে ধারণ করা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে করোনা প্রতিরোধী টিকা কর্মসূচি পরিচালনার অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ টিকাকে বৈশ্বিক জনপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা দরকার। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত।’

বিশ্বে সবার জন্য করোনা প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করতে কোভিড-১৯ টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউসে বুধবার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ‘হোয়াইট হাউস কোভিড-১৯ সামিট: অ্যান্ডিং দ্য প্যানডেমিক অ্যান্ড বিল্ডিং ব্যাক বেটার হেলথ সিকিউরিটি টু প্রিপেয়ার ফর দ্য নেক্সট’ শীর্ষক শীর্ষ সম্মেলনে ধারণ করা বক্তব্যে বিশ্বনেতাদের প্রতি এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ভার্চুয়াল এ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে করোনা প্রতিরোধী টিকা কর্মসূচি পরিচালনার অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ টিকাকে বৈশ্বিক জনপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা দরকার। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত।’

হোয়াইট হাউস আমন্ত্রিতদের জানিয়েছে, এ বছরের শেষের দিকে এবং ২০২২ সালের শুরুতে ফলো-আপ ইভেন্টগুলো অংশগ্রহণকারীদেরকে তাদের প্রতিশ্রুতির জন্য দায়বদ্ধ রাখার উদ্দেশে আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তার ধারণ করা বক্তব্যে বলেছেন, ‘করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়তে তিন পন্থা অবলম্বন করেছে বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘জীবন বাঁচাতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, মেডিক্যাল সরঞ্জাম, জীবন রক্ষাকারী ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

দেশের মানুষের জন্য, বিশেষ করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় সহায়তা দেয়া এবং যত দ্রুত সম্ভব অর্থনৈতিক চাকা সচল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান।

আগামী দিনগুলোকে নিরাপদ করার জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেয়ার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

প্রথমত, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এবং সামাজিক সুরক্ষা বলয় কর্মসূচির ওপর জোর দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নীতির দিকে মনোনিবেশ করা।

দ্বিতীয়ত, উদ্ভাবন, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে যাতে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হয়।

তৃতীয়ত, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং কার্বণ নিঃসরণ হার কমানোর দিকে দিকে মনোনিবেশ করা।

বক্তব্যে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপগুলোও বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ১৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ বরাদ্দ দিয়েছি। দরিদ্র, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীরাসহ ৪৪ লাখ সুবিধাভোগীদের মাঝে ১৬৬ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করা হয়েছে।’

১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি ডোজ করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়া হয়েছে বলেও সম্মেলনে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘২০২২-এর আগস্ট মাসের মধ্যে মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ লোককে টিকার আওতায় আনা হবে। আর সেটা নিশ্চিত করার জন্য প্রতি মাসে ২ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

এসময়, কোভিড-১৯ মহামারি অবসানে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার জন্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে জার্মান চ্যান্সলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো, আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসা এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসও বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন

‘ইন্টারনেট নির্ভরতার সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে’

‘ইন্টারনেট নির্ভরতার সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে’

প্রতীকী ছবি

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ইন্টারনেট নির্ভরতা যত বাড়ছে, ডিজিটাল অপরাধও তত বাড়ছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। ডিজিটাল অপরাধ শনাক্ত ও তা দমন করার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তিই ব্যবহার করতে হবে।’

দেশে ইন্টারনেট নির্ভরতা যত বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে। এমন মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) কম্পিউটার কৌশল বিভাগের উদ্যোগে ‘নিরাপদ ইন্টারনেট : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে হবে। ডিজিটাল অপরাধ শনাক্ত ও তা দমন করার জন্য ‍ডিজিটাল প্রযুক্তিই ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি, জনগণের মধ্যেও ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেট নির্ভরতা যত বাড়ছে, ডিজিটাল অপরাধও তত বাড়ছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। ডিজিটাল অপরাধ শনাক্ত ও তা দমন করার জন্য ‍ডিজিটাল প্রযুক্তিই ব্যবহার করতে হবে।

ডিজিটাল অপরাধের বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে এখন ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাদের মধ্যে খুব সামান্য মানুষ প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর দক্ষতা রাখেন। মাত্র কয়েক বছর আগেও ডিজিটাল নিরাপত্তা বলতে কোন প্রযুক্তি কিংবা অন্য কোন কৌশল বা সুনির্দিষ্ট আইন ছিল না।

‘ইন্টারনেট নির্ভরতার সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে’
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ফাইল ছবি

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাইবার থ্রেড ডিটেকশন ও রেসপন্স কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ২২ হাজার পর্নো সাইট এবং ৪ হাজার অনলাইন জুয়ার সাইটসহ আরও সহস্রাধিক আপত্তিকর সাইট বন্ধ করা হয়েছে। সম্প্রতি ক্ষতিকর বেশ কিছু গেম বন্ধ করা হয়েছে। ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ক্ষতিকর কন্টেন্ট পৃথিবীর কোন দেশই বন্ধ করার প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে পারেনি। তবে আমাদের দৃঢ় প্রচেষ্টায় তাদের সঙ্গে সু-সম্পর্ক তৈরি করার ফলে কিছুটা সুফলতা পাচ্ছি।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে আরও বেশি দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সব ধরনের সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে।

জব্বার বলেন, বাংলাদেশে ১৭ কোটি মোবাইল সিম ব্যবহৃত হচ্ছে, শতকরা ৯৮ ভাগ এলাকা নেটওয়ার্কের আওতায় এবং প্রায় ৮০ ভাগ এলাকা ফোর-জি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে।

আইইবি’র কাউন্সিল হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইইবি কম্পিউটার কৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. তমিজ উদ্দীন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। কম্পিউটার কৌশল বিভাগের সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় কুমার নাথের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং আইইবির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, আইইবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) ইঞ্জিনিয়ার মো. নূরুজ্জামান এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. সাহাব উদ্দিন।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইইবি কম্পিউটার কৌশল বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার খান মোহাম্মদ কায়ছার ও আইইবির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাৎ হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার সাইদ নাসিরুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন

আইপি টিভির নিবন্ধন নির্দেশিকা শিগগিরই

আইপি টিভির নিবন্ধন নির্দেশিকা শিগগিরই

ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরের জয়যাত্রা নামে একটি আইপি টিভি ছিল। ছবি: নিউজবাংলা

আইপি টিভিকে নিউ মিডিয়ার অংশ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই নিউ মিডিয়া আরও বিকশিত হোক, কিন্তু পাশাপাশি এটি যেন কোনোভাবেই ভিন্নভাবে ব্যবহৃত না হয়, আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য যাতে সংরক্ষিত হয়।’

আইপি টিভির নিবন্ধন দেয়ার আগে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

নির্দেশিকা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সচিবালয়ে বুধবার আইপি টিভির রেজিস্ট্রেশন পর্যালোচনা নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

আইপি টিভিকে নিউ মিডিয়ার অংশ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই নিউ মিডিয়া আরও বিকশিত হোক, কিন্তু পাশাপাশি এটি যেন কোনোভাবেই ভিন্নভাবে ব্যবহৃত না হয়, আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য যাতে সংরক্ষিত হয়।

‘আমাদের নতুন প্রজন্ম এই মাধ্যমকে যেন জীবন গড়ার কাজে লাগাতে পারে। তারা যাতে জীবন গড়ার ক্ষেত্রে আরও প্রত্যয়ী হয়, তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, দেশাত্মবোধ, মূল্যবোধ, মমত্ববোধ এগুলো যাতে আরও বিকশিত হয়, যন্ত্র ব্যবহারের সাথে মানুষ যেন যন্ত্র হয়ে না যায়, মানবিকতা টিকে থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘সেই লক্ষ্যে আমরা কতগুলো নির্দেশিকা ঠিক করছি এবং এই খাতটাকে আরও বিকশিত করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

‘নিয়ম-নীতির ভিত্তিতে দেশের প্রয়োজনে এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ার প্রয়োজনে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় দেশটাকে নিয়ে যাওয়ার স্বার্থে যেন এটি ব্যবহৃত হয়, সে লক্ষ্যেই আমরা এই কাজগুলো করছি।’

বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আইপি টিভির পাশাপাশি আজকের বৈঠকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নীতিমালা এবং নিউ মিডিয়ার অন্যান্য মাধ্যমগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্রমবিকাশমান বহুমুখী এই মাধ্যম নিয়ে আমরা নানা পর্যালোচনা করেছি।

‘বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, খুব সহসা আইপি টিভির রেজিস্ট্রেশন দেয়া হবে। তার আগে নির্দেশিকা তৈরি করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় আজকে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে। এই ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণাটি আইসিটি উপদেষ্টা, জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকেই এসেছে, যেটি প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরে বাস্তবায়িত হয়েছে।

‘তৎপ্রেক্ষিতে আমাদের দেশে বহুমুখী সম্প্রচার কার্যক্রম হচ্ছে। আগে সম্প্রচার শুধু রেডিও-টেলিভিশনের মাধ্যমে হতো। এখন নিউ মিডিয়ার মাধ্যমে সম্প্রচার হচ্ছে।’

এখন পর্যন্ত নিবন্ধন নিতে প্রায় ৬০০ আইপি টিভি আবেদন করেছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা যাচাই-বাছাই করে রেজিস্ট্রেশন দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি এবং অনেকগুলোর বাছাইকাজ সম্পন্ন হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন দেয়ার আগে একটি নির্দেশিকা অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন শর্তাবলী নির্ধারণ করার লক্ষ্যেই আমাদের আজকের বৈঠক।

‘এই বিষয়টি যদিও বা আমরা দেখভাল করছি, কিন্তু এই বিষয়টির সাথে অন্যান্য মন্ত্রণালয়গুলো যুক্ত, বিশেষ করে টেলিকম ও আইসিটি।’

এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণের যুগে এখন বিনোদন, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ প্রত্যেকটির মাধ্যম পরিবর্তন হয়েছে। একসময় যা শুধু ইলেকট্রনিক বা প্রচলিত প্রিন্ট মিডিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন নতুন নতুন মাধ্যম (যেমন: সোশ্যাল মিডিয়া, ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন ও রেডিও, ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্ল্যাটফর্ম, ভিডিও স্ট্রিমিং, ভিডিও অন ডিমান্ড) এ রকম অসংখ্য নতুন প্রযুক্তিনির্ভর সম্প্রচার মাধ্যম তৈরি হয়েছে।

‘এই নতুন সম্প্রচার মাধ্যমগুলো দেশে বিকশিত হোক, আমাদের তরুণরা, শিল্পী, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিমনা, প্রযুক্তিবিদরা এর উদ্যোক্তা হোক, সেটা আমরা চাই। পাশাপাশি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুভূতি এগুলো যেন সংরক্ষিত থাকে, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ যেন আঘাতপ্রাপ্ত না হয় এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যাতে বিকৃত সংস্কৃতি বা বিকৃত বিনোদনে উৎসাহিত না হয়, সে জন্য সময়ের দাবি যে, আইপি টিভি এবং আইপি রেডিওর একটি নির্দেশিকা প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বঙ্গবন্ধু হত্যায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

মোমেন বলেন, ‘আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনব বলে আশা করছি। এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ১২ আসামির একজনকে ফিরিয়ে দেয়ায় ঢাকা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকেও ফিরে পাওয়ার আশা করছে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সবাইকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র ফেরত দেবে আশাবদের কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়র্কের লোটে রয়্যাল হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক কর্মসূচির ওপর ব্রিফিংয়ে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়াগুলো শেষ করার কাজ চলছে।

মোমেন বলেন, ‘আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনব বলে আশা করছি।

‘এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ১২ আসামির একজনকে ফিরিয়ে দেয়ায় ঢাকা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকেও ফিরে পাওয়ার আশা করছে।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘বিএনপি ও তার ঘনিষ্ট মিত্র জামায়াত বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে জনসমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়ে অসৎ উদ্দেশে তারা বিদেশে অপপ্রচারের পথ বেছে নিয়েছে।

‘তাদের এ প্রচেষ্টা অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানেও ব্যর্থ হচ্ছে। ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে। তাদের দাবি মোকাবিলা করার জন্যে আমাদের কাছে অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে।’

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার প্রধানত গণতন্ত্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পাশপাশি সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে জাতিসংঘের আইন ও নীতিমালা অনুমোদন করছে।’

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। তাদের মধ্যে ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি পাঁচ জনের দণ্ড কার্যকর করা হয়। তারা হলো- সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, মহিউদ্দিন আহমদ (ল্যান্সার), এ কে বজলুল হুদা এবং এ কে এম মহিউদ্দিন (আর্টিলারি)।

বাকি সাত খুনির এক জন আজিজ পাশা ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান। আরেক খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্তকৃত) আবদুল মাজেদ হঠাৎ গত ৭ এপ্রিল ঢাকায় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। তার ফাঁসি কার্যকর হয় গত ১১ এপ্রিল।

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মধ্যে এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খানের পাশাপাশি পলতাক রয়েছেন খন্দকার আবদুর রশিদও। রাশেদ চৌধুরী আছেন যুক্তরাষ্ট্রে।

হোটেল লোটে নিউইয়র্ক প্যালেসের এই ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন

১৫ মাসে রেলে কক্সবাজার

১৫ মাসে রেলে কক্সবাজার

কক্সবাজার রেল স্টেশন ও নতুন রেল লাইন পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ছবি: নিউজবাংলা

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘কক্সবাজার রেললাইন চালুর অপেক্ষায় রয়েছে সারা দেশের মানুষ। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এটির নির্ধারিত মেয়াদ ধরা আছে। করোনায় কাজ করতে সমস্যা এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি কিছু স্থাপনার জমি পেতে সমস্যার কারণে কাজ কিছুটা দেরি হয়। কাজেই ছয় মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরে একটি উদ্বোধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’

আগামী বছরের ডিসেম্বরেই রেলপথে কক্সবাজার যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তখন ঢাকা থেকে সরাসরি রেলে কক্সবাজার যাওয়া যাবে।

দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে গুনদুম সীমান্ত পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্রাক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করে বুধবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

রেলমন্ত্রীর আশা, ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হবে।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার রেললাইন চালুর অপেক্ষায় রয়েছে সারা দেশের মানুষ। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এটির নির্ধারিত মেয়াদ ধরা আছে।

‘করোনায় কাজ করতে সমস্যা এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি কিছু স্থাপনার জমি পেতে সমস্যার কারণে কাজ কিছুটা দেরি হয়। কাজেই ছয় মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরে একটি উদ্বোধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারের সঙ্গে রেললাইন চালু হলে পর্যটকরা আরও বেশি পরিমাণে এখানে আসতে পারবেন। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে।’

এ সময় কক্সবাজারের আইকনিক রেল স্টেশনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও তুলে ধরেন রেলমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এখানে যাত্রীরা এসে থাকতে পারবেন, এমন কি তাদের মালামাল রাখার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

‘প্রকল্পটি নিয়ে কিছু মামলা রয়েছে যেগুলো পরিবারকেন্দ্রিক, তবে প্রকল্পের স্বার্থে ব্যক্তিগণ জমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে দিয়ে দিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সব কিছু এখন নিষ্পত্তি হচ্ছে।’

ভবিষ্যতে এই রেললাইন ট্রান্স এশিয়ান রেললাইনের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে মিয়ানমার তাদের অংশ করলে গুনদুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

‘চকরিয়া থেকে মাতারবাড়ি পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মিত হবে। কক্সবাজারে বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান আছে এবং এখানকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হচ্ছে।’

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত একটি আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন। সকল সেক্টরে উন্নয়ন হচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সারা দেশে অনেক মেগা প্রকল্পের কাজ চলমান আছে।

‘দোহাজারী থেকে কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণ দশটি মেগা প্রকল্পের মধ্যে একটি।’

পরে নির্মাণাধীন রেললাইন ধরে পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী।

রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এরইমধ্যে প্রায় ৬ কিলোমিটার পথে বসানো হয়েছে রেললাইন। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে প্রথম পর্যায়ে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার নতুন সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মিত হবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ৬২ শতাংশ।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজারকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনাসহ পর্যটকরা সাশ্রয়ী আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের সুযোগ পাবেন বলে আশা করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি সহজে ও কম খরচে মাছ, লবণ, রাবারের কাঁচামাল এবং বনজ ও কৃষিজ দ্রব্যাদি পরিবহন করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিকদের আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিকদের আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সাংবাদিকরা আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে কেউ যেন পানি ঘোলা না করতে পারে এবং সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করতে না পারে, সেবিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এতে কোনোভাবেই ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ নেই। আমি তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে বিষয়টা দেখছি।’

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে যাতে কেউ পানি ঘোলা করতে না পারে এজন্য সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে বুধবার সকালে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর এ কথা বলেন তিনি। এ সময় সাংবাদিক নেতাদের আশ্বস্ত করে তথ্যমন্ত্রী জানান, বিষয়টি তিনি দেখছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরা আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে কেউ যেন পানি ঘোলা না করতে পারে এবং সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করতে না পারে, সেবিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

‘এতে কোনোভাবেই ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ নেই। আমি তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে বিষয়টা দেখছি।’

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিকদের আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

এর আগে তথ্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসেন সাংবাদিক নেতারা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব মো. আব্দুল মজিদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সভাপতি মুরসালীন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান।

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদে সারা দেশে ২৩ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন সংগঠন।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে।

গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতেই এটা করা হয়েছে অভিযোগ করে কর্মসূচিতে বলা হয়, এর সন্তোষজনক সমাধান না হলে আন্দোলন চলবে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খানসহ ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ।

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিকদের আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। ছবি: সংগৃহীত

অন্য যাদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে তারা হলেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি, ট্রানজেকশন প্রোফাইল, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত লেনদেনের বিবরণী উল্লেখ করে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে তাদের কাছ থেকে।

গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে করে এই ১১ নেতা জানান, সাংবাদিকদের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর কৌশল হতে পারে এই আদেশ। সে দিনই রোববার মানববন্ধনের ডাক দেয়া হয়।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, ‘যেভাবে হিসাব চাওয়া হয়েছে তা নজিরবিহীন। আমরা রাষ্ট্রের কাছে এর ব্যাখা চাই। এর নিরসন চাই। উৎকণ্ঠা দূর করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন

ভোট: এবার ৫ বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

ভোট: এবার ৫ বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দলের অবস্থান নির্ধারণে গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে বিএনপি।

গত ১৪, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। এরপর ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর মতবিনিময়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে জেলা নেতাদের মধ্যে যারা নির্বাহী কমিটিতে আছেন, তাদের পাশাপাশি জেলা সভাপতিদের মতও নেয়া হচ্ছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দলের করণীয় নির্ধারণে এবার পাঁচটি বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

দলের স্থায়ী কমিটি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে বুধবার বিকেল চারটার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়।

এতে অংশ নিচ্ছেন চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ সাংগঠনিক বিভাগের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জেলার সভাপতিরা।

সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সভায় উপস্থিত আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডাক্তার শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, মুহাম্মদ মুনির হোসেন, বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ম্যামাচিং, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার, রফিকুল ইসলাম, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, মামুনুর রশিদ মামুন, মশিউর রহমান বিপ্লব, হুমমাম কাদের চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন আজাদ, সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, আরিফা জেসমিন নাহিন, বিলকিস ইসলাম, খন্দকার মারুফ হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলমও বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

বিএনপি ধারাবাহিক এই বৈঠকে বসেছে আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে করণীয় ঠিক করতে।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর বিএনপি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। তবে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ সংসদ নির্বাচনে তারা অংশ নেয় আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই।

এই ভোটে ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে ফলাফল করার পর বর্তমান সরকারের অধীনে বেশ কিছু উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তারা হেরে যায় বড় ব্যবধানে।

সদ্য সমাপ্ত পৌর নির্বাচন শেষে বিএনপির ঘোষণা আসে, এই সরকারের অধীনে আর কোনো ভোটে যাবে না তারা।

এরই মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ চলে এসেছে। দুই বছরের কিছু বেশি সময় বাকি থাকতে বিএনপির পক্ষ থেকে আবার নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মামলা প্রত্যাহারের শর্ত দেয়া হয়েছে।

পরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেয়া হয় আলোচনার প্রস্তাব, যা নিয়ে বিএনপি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এই পরিস্থিতিতে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ার পর বিএনপি নিজেদের মধ্যে আলোচনার পরিধি বাড়াতে যাচ্ছে।

গত ১৪, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। এরপর ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর মতবিনিময়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে জেলা নেতাদের মধ্যে যারা নির্বাহী কমিটিতে আছেন, তাদের পাশাপাশি জেলা সভাপতিদের মতও নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে তিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর শঙ্কা
যমুনায় নৌকাডুবি: শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
মৃত্যুর ৯ মাস পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত
লকডাউনে কর্ণফুলীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ১
নৌ পুলিশের স্পিডবোটের ধাক্কায় জেলে নিখোঁজের অভিযোগ

শেয়ার করুন