দুই ঘণ্টায় পাঁচ ভূমিকম্প কি শঙ্কার?

দুই ঘণ্টায় পাঁচ ভূমিকম্প কি শঙ্কার?

সিলেট শহরের একটি ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার মনে করেন, ভূ-অভ্যন্তরে সঞ্চিত শক্তি সামান্য একটু একটু করে বের হয়ে আসা কিছুটা হলেও স্বস্তির। তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত হয়েছে, এই শক্তি যদি একবারে বের হয়ে আসে, তাহলে বাংলাদেশের বিশেষ করে জনবহুল ঢাকার জন্য খুবই বিপজ্জনক অবস্থা সৃষ্টি করবে।’

একই দিনের মধ্যে অন্তত পাঁচবার কেঁপে ওঠে সিলেট। তাও আবার দুই ঘণ্টার মধ্যে। এই অঞ্চল তো বটেই, উৎকণ্ঠা, আতঙ্ক সারা দেশেই।

তিন প্লেটের সংযোগস্থল হওয়ায় বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। বাংলাদেশের ডাউকি ফল্ট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভূত্বকে জমে থাকা হাজার বছরের সঞ্চিত শক্তি রূপ নেয় ভূমিকম্পে। এই শক্তি একবারে বের হলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হতে পারে- এমন কথা বিশেষজ্ঞরা বহুবার বলেছেন।

তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অগ্রগতি অভাবনীয়ই বলা যায়। ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত আগাম তথ্য দেয়ার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়নি। আর বড় ধরনের ভূমিকম্পের যে ক্ষয়ক্ষতি, সেটি সব সময়ই মাথায় রাখতে হয়।

সময় না দিয়ে সিলেটের বারবার এই কেঁপে ওঠার পর বলাবলি হচ্ছে, এটি ভয়ানক কোনো পরিণতির পূর্বাভাস কি না।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার মনে করেন, ভূ-অভ্যন্তরে সঞ্চিত শক্তি সামান্য একটু একটু করে বের হয়ে আসা কিছুটা হলেও স্বস্তির। তিনি বলেন, ‘যে পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত হয়েছে, এই শক্তি যদি একবারে বের হয়ে আসে, তাহলে বাংলাদেশের বিশেষ করে জনবহুল ঢাকার জন্য খুবই বিপজ্জনক অবস্থা সৃষ্টি করবে।’

তিনি জানান, ভূতাত্ত্বিক কাঠামো অনুযায়ী বাংলাদেশে ভূমিকম্প প্রবণ এলাকায় অবস্থান করছে। ইন্ডিয়া এবং বার্মা প্লেটের সংযোগস্থল বাংলাদেশের নিচ দিয়ে গেছে। সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ হাওর ও মেঘনা নদী বরাবর এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থল। উত্তরে হিমালয় পাদদেশও আছে একটি সংযোগস্থল। এই তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান।

দুই ঘণ্টায় পাঁচ ভূমিকম্প কি শঙ্কার?
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার

সিলেটের ভূমিকম্পের স্থান ও প্রধান দুটি ভূমিকম্পের উৎসের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, শিলং মালভূমি যেটা বলা হয়, সেটি ক্ষুদ্র একটা প্লেট। এটি ডাউকি ফল্ট, সেটাও একটা প্লেট বাউন্ডারি। সিলেটের ভূমিকম্প হয়েছে ডাউকি ফল্টে।

হাজার বছর ধরে ভূ-অভ্যন্তরে শক্তি সঞ্চিত

অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার বলেন, ‘সেখানে আমাদের দেড় যুগের গবেষণা বলছে, আমাদের প্রধান দুটি উৎস রয়েছে বিপজ্জনক ভূমিকম্পের। একটা হচ্ছে ডাউকি ফল্ট, আরেকটা হচ্ছে সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।

‘ডাউকি ফল্ট ও চট্টগ্রামের এখানে ৫০০ থেকে হাজার বছর সময়ে ভূত্বকে যে শক্তি সঞ্চিত হয়ে রয়েছে, সেই শক্তি তো বের হতেই হবে। আজ হোক আর কাল হোক, এই শক্তি বের হতেই হবে, এর কোনো বিকল্প উপায় নেই।’

তিনি বলেন, ‘এই পুরো শক্তি আংশিকভাবে বের হলে আমার কিছুটা নিরাপদে থাকব। সাধারণত সঞ্চিত যে শক্তি থাকে, তার ৫০ ভাগ যদি একবারে বের হয়, সেটা বিপজ্জনক অবস্থায় নিয়ে যাবে।’

একবারে বের হলে পরিস্থিতি হতো ভয়ানক

অধ্যাপক আখতার জানান, যে পরিমাণ শক্তি আমাদের ভূগর্ভে জমা রয়েছে, সেটি একবারে বের হলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে পারে।

তবে সেটা না হয়ে ছোট মাত্রার এসব ভূমিকম্প পরিবেশে তেমন প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করেন তিনি।

বড় ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব কী হতে পারে, সেটি তুলে ধরতে গিয়ে এই ভূতত্ত্ববিদ উনিশ শতকের শেষ দিকের ভূমিকম্পের কথা তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে এখনকার যমুনা নদীতে প্লাবিত হচ্ছে।

ভূমিকম্প মোকাবিলায় কী প্রস্তুতি জরুরি

অধ্যাপক আখতার বলেন, স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি অনেক রকম আছে। বিল্ডিং কোড অনুসরণ করতে হবে। যেসব ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, সেগুলো ভেঙে ফেলা উচিত।

সিলেটের এই ঘটনার আলোকে মহড়ার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বলেন, ‘মহড়ার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করে সঠিক জায়গায় অবস্থান করার ব্যাপারে জ্ঞান দেয়া যায়। এ ছাড়া তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখা যায়।’

তিনি বলেন, প্রতিবছর যদি একবার-দুবার মহড়া দেয়া হতো, তাহলে আজকে এই ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে মানুষ আতঙ্কিত হতো না।

রিখটার স্কেলে ধরা পড়েছে চারটি

সিলেটবাসী ভূমিকম্পের কারণে পাঁচবার বাড়ি থেকে বের হয়ে এলেও আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ধরা পড়েছে চারটি।

এর কারণ কী?

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, ‘ছোট ছোট আরও কিছু ভূমিকম্প হয়েছিল। যেগুলো রিখটার স্কেলে কম থাকার কারণে ধরা পড়েনি।’

এতবার কেন কাঁপল?

বজলুর রশিদ বলেন, ‘একটা ভূমিকম্প হওয়ার পরে অনেক ভূমিকম্প হতে পারে। এটাকে আফটার শক বলা হয়। নেপালে এমনও হয়, ২০০ থেকে ৩০০ বার টানা দুই দিন ধরে ভূমিকম্প হয়।

সিলেটের ভূমিকম্প নিয়ে কি আশঙ্কার কারণ আছে?

বজুলর বলেন, ‘এই কয়েকটা ভূমিকম্প হওয়ার কারণে যে আরেকটা বড় ভূমিকম্প আসছে, এটা বলার কোনো কারণ নেই। এ রকম কোনো রিসার্চেও পাওয়া যায়নি। অনেক সময় মাটির নিচে গ্যাস সন্ধানসহ কোন ধরনের পরীক্ষা করার সময়ও এ ধরনের ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়ে থাকে।’

অধ্যাপক হুমায়ুন আখতারের মতো এই আবহাওয়াবিদও সতর্ক করে দেন যে, সিলেট উচ্চ ঝুঁকিতে আছে।

তিনি বলেন, ‘সিলেট যেহেতু একটা হাইরিস্ক জোন, অর্থাৎ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা, সেহেতু ধরে নিতে হবে ওখানে ছোট-বড় ভূমিকম্প হবে।

‘সিলেট হচ্ছে তিনটি প্লেটের সংযোগস্থল, সেহেতু যেকোনো সময় এখানে বড় ভূমিকম্প হতে পারে। কিন্তু কত দিন পরপর হবে এটা বলা যাবে না।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সবাই নৌকায় উঠতে চায়: হাছান মাহমুদ

সবাই নৌকায় উঠতে চায়: হাছান মাহমুদ

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীসহ অপকর্মে জড়িত যারা, তাদের কোনো স্থান নেই আওয়ামী লীগে। দলের ত্যাগী, পরিশ্রমী ও দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের মূল‌্যায়ন করা হবে। তবে যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাসহ সজাগ থাকতে হবে দলের নেতা-কর্মীদেরই।

সবাই এখন আওয়াামী লীগের নৌকায় উঠতে চায় মন্তব্য করে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গত ১৩ বছরে অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন কিন্তু দলের দুঃসময়ে তাদের দেখা যায়নি। এই অতিথি পাখিদের যে কোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে।

গাইবান্ধায় জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগ দেয়ার আগে রোববার দুপুর ১২টার দিকে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীসহ অপকর্মে জড়িত যারা, তাদের কোনো স্থান নেই আওয়ামী লীগে। দলের ত‌্যাগী, পরিশ্রমী ও দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের মূল‌্যায়ন করা হবে। তবে যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব‌্যবস্থাসহ সজাগ থাকতে হবে দলের নেতা-কর্মীদেরই।

সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন খালি পায়ে কেউ হাঁটেন না; না খেয়েও কেউ থাকে না। দেশের সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা অনেক উন্নত হয়েছে। এ ছাড়া দেশের উন্নয়ন ও অবকাঠামোর ব‌্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। এর সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গুনে।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, জাতীয় সংসদের হুইপ ও গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান রিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ ছামছুল আলম হিরু ও সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক।

এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে মধ‌্যহ্নভোজের পর হাছান মাহমুদ গাইবান্ধার রাধাকৃষ্ণপুরে এসকেএস ইন রিসোর্টে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির হিসেবে বক্তব‌্য রাখবেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সড়ক পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান তিনি।

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ ৬ মাস বাড়ল

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ ৬ মাস বাড়ল

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিতের পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার ছোট ভাই শর্ত সাপেক্ষে মুক্তির সময় বৃদ্ধির একটি আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা সেটি অনুমোদন দিয়েছি। শর্তগুলো সব আগের মতোই থাকবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধি করল সরকার।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার ছোট ভাই শর্ত সাপেক্ষে মুক্তির সময় বৃদ্ধির একটি আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা সেটি অনুমোদন দিয়েছি। শর্তগুলো সব আগের মতোই থাকবে।’

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিন দফায় ছয় মাস করে ১৮ মাস মুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আগে খালেদাকে স্থায়ীভাবে মুক্ত করে দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল। তবে আইন মন্ত্রণালয় বলেছে, স্থায়ীভাবে মুক্ত করার এখতিয়ার আদালতের।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গত ৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আবেদনের বিষয়ে মতামত দেন। তাতে খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর সুপারিশ করেন মন্ত্রী।

আগের তিন দফার মতো এবারও বিদেশে না যাওয়া এবং বাড়িতে চিকিৎসার শর্তে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় খালেদা জিয়ার। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করলে সাজা বেড়ে হয় দ্বিগুণ।

উচ্চ আদালতের আদেশের পর দিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায় হয় বিচারিক আদালতে। এ মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড পান বিএনপি নেত্রী। ফলে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর।

দুই মামলায় খালেদার জামিন নিশ্চিত করতে বিএনপির আইনজীবীদের চেষ্টা ব্যর্থ হলে তার স্বজনরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন নিয়ে যান।

সরকার প্রধানের নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত হলে সাবেক সরকার প্রধানকে দুই শর্তে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মুক্তি দেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে বিএনপি নেত্রী ফেরেন তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায়।

খালেদার সাময়িক মুক্তি পাওয়ার শর্ত দুটি হলো: বিএনপি নেত্রী দেশেই চিকিৎসা নেবেন এবং তিনি বিদেশে যাবেন না।

গত এপ্রিলে খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলে বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়ার অনুরোধ করা হয়। তবে সরকার সে দাবি নাকচ করে। জানানো হয়, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে আর তিনি তা গ্রহণ করলেই কেবল বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আছে।

দ্বিতীয় আরেকটি পথ হলো আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে আসা। কিন্তু জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আপিল বিভাগে আর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগে শুনানিতে বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা কোনো আগ্রহই দেখাচ্ছেন না।

খালেদা জিয়া বন্দিত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে বাসায় ফেরার পর তার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ পরে ছয় মাস করে দুই দফায় বাড়ানো হয়।

তৃতীয় দফায় দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। এবার চতুর্থ দফায় মুক্তির মেয়াদ বাড়নোয় তার আরও ছয় মাস কারাগারে যেতে হবে না।

বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে এই দুটি মামলা ছাড়াও আরও অন্তত ৩০টি মামলা আছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলা অভিযোগ গঠনের অপেক্ষায় আছে।

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন

বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন

বরিশালে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম এ জলিল বলেন, ‘বর্তমানে ইমারত নির্মাণশ্রমিকরা কেউ অনাহারে কেউবা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই ধার-দেনা করে সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসেছেন। তাই সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেদন, ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের বাঁচতে দিন, বাঁচিয়ে রাখুন।’

সামাজিক নিরাপত্তা, সারা বছর কাজের দাবিসহ ৮ দফা দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইমারত নির্মাণশ্রমিক ইউনিয়ন।

নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে রোববার সকালে জেলা ইমারত নির্মাণশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে এম এ জলিল বলেন, ‘করোনার কারণে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন থমকে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকরা চরম কষ্টে আছেন। এই সময়ে সরকারি খাদ্যসহায়তা ও প্রণোদনা যা দেয়া হয়েছে তা অপ্রতুল।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে ইমারত নির্মাণশ্রমিকরা কেউ অনাহারে কেউবা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই ধার-দেনা করে সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসেছেন। তাই সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেদন, ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের বাঁচতে দিন, বাঁচিয়ে রাখুন।’

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন বরিশাল জেলা শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ ও ইমারত নির্মাণ কারিগরি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না: শিক্ষামন্ত্রী

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না: শিক্ষামন্ত্রী

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার সামনে অভিভাবকদের গাদাগাদি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলের বাইরে অভিভাবকরা জটলা করছেন, যা স্বাস্থ্যবিধির লঙ্ঘন।  শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অভিভাবকরা অধিকাংশ জায়গাতে তা মানছেন না।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থবিধি মানলেও অধিকাংশ অভিভাবক তা মানছেন না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানান তিনি।

রাজধানীতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে রোববার তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলের বাইরে অভিভাবকরা জটলা করছেন, যা স্বাস্থ্যবিধির লঙ্ঘন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অভিভাবকরা অধিকাংশ জায়গাতে তা মানছেন না।’

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় ছুটি বাড়ানো শেষে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়। পরের দিন থেকে খুলে দেয়া দেয়া মেডিক্যাল, ডেন্টাল ও নার্সিংত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসছেন। তাদের সবার মুখে মাস্ক। ব্যবস্থা রাখা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারেরও। তবে স্কুল-কলেজের বাইরের চিত্র ভিন্ন। অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বিষয়টিতে তারা গুরুত্বও দিচ্ছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও খোলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েন দীপু মনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি স্বাস্থবিধি মেনে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। টিকা দেয়া শেষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলা যাবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে উপাচার্যদের।’

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ চলছে। সংক্রমণের হার কমে আসলে সব ক্লাসই নেয়া যাবে। তবে হার যদি বেড়ে যায় তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘আমরা কঠোর নজরদারিতে রেখেছি স্বাস্থবিধির বিষয়টি। প্রতিষ্ঠানের কোথাও দৃশ্যমান আবর্জনা বা লক্ষণীয় হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় ডেঙ্গুর বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে’, যোগ করেন দীপু মনি।

এর আগে যাত্রাবাড়ী তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যাওয়া আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা জানি না এই ধর্মঘটের কথা। রাতে হাওরে ছিলাম। সকালে যখন কাউন্টারে আসলাম দেখি তালা দেয়া। এখন আমরা সিলেট যাব। তারপর সেখান থেকে ঢাকা।’

সড়কে বাস থামিয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে চলছে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট। সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকাসহ আট জেলার রুটে রোববার সকাল ৬টা থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার কোনো বাস। তবে আন্তজেলা বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে।

অনির্দিষ্টকালের এই ধর্মঘট করছে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রীরা। এর মধ্যে বেশিরভাগই পর্যটক, যারা ছুটির দিনে হাওরে ঘুরতে এসেছিলেন। ছোট যানে চড়ে ভেঙে ভেঙে জেলা থেকে বের হচ্ছেন তারা।

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

ঢাকা থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যাওয়া আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা জানি না এই ধর্মঘটের কথা। রাতে হাওরে ছিলাম। সকালে যখন কাউন্টারে আসলাম দেখি তালা দেয়া।

‘পরে এখানে একজনকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি বাস ধর্মঘট। তাই এখন আমরা সিলেট যাব। তারপর সেখান থেকে ঢাকা।’

আরেক পর্যটক শাকিল আহমেদ বলেন, ‘বাস বন্ধ করে যাত্রীদের দুর্ভোগ দিয়ে লাভ কী? আমরা এখানে ঘুরতে এসেছি, এখন আমাদের ভেঙে ভেঙে যেতে হচ্ছে। সময় আর টাকা দুটোই ব্যয় হল।’

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক বলেন, ‘এই বাইপাস সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমাদের ধর্মঘট চলবে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসবেন।’

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘আমরা দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন গায়ক শাফিন

জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন গায়ক শাফিন

জনপ্রিয় গায়ক শাফিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের নবম জাতীয় সম্মেলনের প্রদত্ত ক্ষমতা ও গঠনতন্ত্রের ধারা ১২ এর ৩ উপধারা অনুযায়ী শাফিনকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছেন।

জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসের লিড ভোকালিস্ট শাফিন আহমেদ জাতীয় পার্টির (জাপা) ভাইস চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছেন।

দলটির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

মাহমুদ জানান, জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের নবম জাতীয় সম্মেলনের প্রদত্ত ক্ষমতা ও গঠনতন্ত্রের ধারা ১২ এর ৩ উপধারা অনুযায়ী শাফিনকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছেন।

এর বাইরে বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে দলের কেন্দ্রীয় সদস্যপদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

শাফিন মাইলসের তুমুল জনপ্রিয় শিল্পী। তার মা ফিরোজা বেগম ছিলেন বিখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী। বাবা কমল দাশগুপ্ত ছিলেন বিখ্যাত শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক।

২০১৮ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন শাফিন। ২০১৯ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। সে সময় তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এর আগে শাফিন ববি হাজ্জাজের দল এনডিএমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ শিশুদের

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ শিশুদের

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু। ছবি: নিউজবাংলা

আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু।

উপজেলার দুই কিলোমিটার সড়কের দুইপাশে শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তালের বীজ রোপণ করে তারা।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আজহারুল করিম শিশুদের সঙ্গে তালের বীজ রোপণের কাজে অংশ নেয়।

এ বিষয়ে আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাল গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে ভূমিকা রাখে। তালের রস ও শাস অতি সুস্বাদু। এর পাশাপাশি ঘরের খুঁটি ও হাতপাখা তৈরিতে তালগাছ ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তালগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তালবীজ রোপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প আসলে কতবার?
পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ
২ ঘণ্টার ব্যবধানে পঞ্চমবারের মতো কাঁপল সিলেট
ঘণ্টায় ৪ বার কাঁপল সিলেট
৩২ বছরে থেমেছে যে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন