20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
জাতীয় চিড়িয়াখানা খুলছে ১ নভেম্বর

জাতীয় চিড়িয়াখানা। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় চিড়িয়াখানা খুলছে ১ নভেম্বর

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সকাল ৯টায় চিড়িয়াখানা খুললেও বন্ধ হয়ে যাবে বিকেল ৩টায়। সাপ্তাহিক ছুটি রোববারই থাকছে।

শর্তসাপেক্ষে প্রায় ৮ মাস পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে জাতীয় চিড়িয়াখানা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ২০ মার্চ রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত এই চিড়িয়াখানা বন্ধের ঘোষণা দেয় মন্ত্রণালয়।

জাতীয় চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল-অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। আর শীতকালে (নভেম্বর-মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সকাল ৯টায় চিড়িয়াখানা খুললেও বন্ধ হয়ে যাবে বিকেল ৩টায়। সাপ্তাহিক ছুটি রোববারই থাকছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধিসহ সেসব শর্ত চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে পূরণ নিশ্চিত করতে সম্প্রতি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে করোনা ক্রান্তিকালে ঢাকাবাসীর বিনোদনের উল্লেখযোগ্য বিকল্প নেই উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, তাদের বিনোদন এবং শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চিড়িয়াখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এক্ষেত্রে চিড়িয়াখানায় থাকা প্রাণীদের খাদ্য, নিয়মিত পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং সরকারের রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

চিড়িয়াখানায় প্রবেশ ও অবস্থানের সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য দর্শনার্থীদের অনুরোধ জানিয়েছেন মন্ত্রী রেজাউল করিম।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে যেসব শর্ত নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে-

১. চিড়িয়াখানায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে অমোচনীয় রং দিয়ে বৃত্তাকার স্থান চিহ্নিত করতে হবে।

২. প্রবেশ গেইটসমূহে জীবাণুনাশক টানেল ও ফুটবাথ স্থাপন করতে হবে।

৩. প্রবেশ গেইটে থার্মাল স্ক্যানারের সাহায্যে দর্শনার্থীর দৈহিক তাপমাত্রা চেক করার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. চিড়িয়াখানার অভ্যন্তরে গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে হাত ধোয়ার জন্য বেসিন ও সাবানের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৫. দর্শনার্থীদের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৬. দর্শনার্থীর সংখ্যা দৈনিক সর্বোচ্চ ২ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

৭. প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর এনক্লোজারের চারপাশে জীবানুনাশক স্প্রে করতে হবে।

৮. পরিদর্শন সময় সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত নির্ধারিত রাখতে হবে।

৯. ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সতর্কতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে।

১০. ষাটোর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের চিড়িয়াখানায় প্রবেশাধিকার বন্ধ রাখতে হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য