× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
How did the World Valentines Day come about?
google_news print-icon

কীভাবে এলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

কীভাবে-এলো-বিশ্ব-ভালোবাসা-দিবস
প্রতীকী ছবি
ভালোবাসা দিবস প্রতিষ্ঠা নিয়ে আছে নানা মিথ। এসবের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বেশি পেয়েছে তৃতীয় শতকে এক পাদ্রির শহীদ হওয়ার ঘটনা।

১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজনে দিনটি উদযাপন করে মানুষ। ক্যাথলিক চার্চের শুরুর দিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস নামে এক বা একাধিক পাদ্রির শহীদ হওয়াকে সম্মান জানাতে খ্রিষ্টধর্মীয় উৎসব হিসেবে দিনটি পালন হতো। সময়ের সঙ্গে প্রেম ও ভালোবাসার সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও বাণিজ্যিক একটি আনুষ্ঠানিক দিবসে এটি পরিণত হয়।

ভালোবাসা দিবস প্রতিষ্ঠা নিয়ে আছে নানা মিথ। এসবের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বেশি পেয়েছে তৃতীয় শতকে এক পাদ্রির শহীদ হওয়ার ঘটনা।

তখন রোমান সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় ক্লডিয়াস। একের পর এক রাষ্ট্র জয় করে চলেছেন তারা। যুদ্ধের ময়দানে শত্রুকে পরাজিত করতে সেনাবাহিনীকে আরও বড় করার কথা ভাবলেন সম্রাট।

ওই সময়ে তরুণরা যুদ্ধের দামামার প্রতি অনাগ্রহী। ক্লডিয়াস ভাবলেন, সঙ্গী না থাকলেই যুদ্ধমুখী হবে তারুণ্য। তাই নিষিদ্ধ করলেন বিয়ে। তারুণ্যকে নিয়মের বেড়াজালে বন্দি করার কাজটিও তো মুশকিলের। সম্রাটের চোখ ফাঁকি দিয়ে তরুণদের পাশে দাঁড়ালেন এক পাদ্রি, নাম সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন।

গোপনে তিনি বিয়ে দিচ্ছিলেন তরুণ-তরুণীদের। কিন্তু সম্রাটের চোখকে বেশি দিন ফাঁকি দিতে পারলেন না। ধরা পড়লেন ভ্যালেন্টাইন। শুরু হলো কারাজীবন।

মুক্তির পথ জানা না থাকলেও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে জেলখানায় যেতেন তরুণরা। ভ্যালেন্টাইনের প্রজ্ঞায় মুগ্ধ ছিলেন এক তরুণী। বলা হয়ে থাকে সেই তরুণী ছিলেন কারারক্ষীর মেয়ে।

প্রায়ই সে বন্দি ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে কারাগারে যেতেন। ধর্মযাজক হয়েও এক সময় রীতিনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই তরুণীর প্রেমে মজেন ভ্যালেন্টাইন। এসব ভ্যালেন্টাইনের জীবনের শেষ সপ্তাহগুলোর ঘটনা। ২৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।

ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে ভ্যালেন্টাইন প্রেয়সীকে চিঠি লেখেন তিনি। যার শেষ বাক্যটা ছিল, ‘তোমার ভ্যালেন্টাইনের কাছ থেকে ভালোবাসা।’

সেই থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিন। যদিও দুই শতাব্দী নীরবে-নিভৃতে পালন করতে হয়েছে দিনটি। অবশেষে ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে রোমের রাজা পোপ জেলুসিয়াস আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন ডে ঘোষণা করেন।

সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত জুনো উৎসব। রোমান পুরাণের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনো। দিনটিতে অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত।

৪০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে, তখন ‘জুনো’ উৎসব আর সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে গাথা হয় সূত্রে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গোটা ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ভ্যালেন্টাইন ডের শুরু নিয়ে আরেকটি মিথ বেশ আলোচিত। এই মতের মানুষরা মনে করেন ভ্যালেন্টাইনের সঙ্গে প্রিয়জনকে ভালোবাসার বার্তা পাঠানোর আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রাচীনকালে মানুষের বিশ্বাস ছিল, ১৪ ফেব্রুয়ারি হলো পাখিদের বিয়ের দিন। পাখিরা বছরের দ্বিতীয় মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ডিম পাড়তে বসে। আবার অনেকে বলেন, মধ্যযুগের শেষ দিকে মানুষ বিশ্বাস করত, এদিনে পাখিদের মিলন ঋতু শুরু হয়। পাখিরা সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়। তাদের দেখাদেখি মানুষও সঙ্গী নির্বাচন করে এ দিনে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
I am very healthy in my old age because of playing stick

‘বয়স অনেক, সুস্থ আছি লাঠি খেলার কারণে’

‘বয়স অনেক, সুস্থ আছি লাঠি খেলার কারণে’ নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ে শুক্রবার লাঠি খেলার আয়োজন করে বাউল আখড়া বাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা
লাঠি খেলা দেখতে আসা ভীমপুর এলাকার বাসিন্দা মুমিন সরদার (৩৫) বলেন, ‘গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া খেলাটি এখন আর দেখতেই পাওয়া যায় না। বিভিন্ন সংগঠন প্রতি বছর এ খেলার আয়োজন করে বলে আমরা যুবসমাজ দেখতে পারি।  গ্রামীণ খেলাগুলো টিকিয়ে রাখতে আমাদের সবাইকে চেষ্টা করা উচিত।’

‘আমার বয়স অনেক হয়েছে, তবুও আমি সুস্থ আছি নিয়মিত লাঠি খেলার কারণে। আমার যারা ওস্তাদ ছিল, সবাই মারা গেছে। তাদের শেখানো লাঠি খেলা দেখিয়ে গ্রামের মানুষকে আনন্দ দিয়ে থাকি।’

কথাগুলো বলছিলেন নওগাঁ সদর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের সাহাজ আলী সরদার। ৬০ বছর বয়সী এ ব্যক্তি শুক্রবার বিকেলে জেলা শহরের মুক্তির মোড়ে অংশ নেন লাঠি খেলায়।

বাউল আখড়া বাড়ির চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ খেলার আয়োজন করা হয়।

লাঠি খেলা দেখতে আসা ভীমপুর এলাকার বাসিন্দা মুমিন সরদার (৩৫) বলেন, ‘গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া খেলাটি এখন আর দেখতেই পাওয়া যায় না। বিভিন্ন সংগঠন প্রতি বছর এ খেলার আয়োজন করে বলে আমরা যুবসমাজ দেখতে পারি।

‘গ্রামীণ খেলাগুলো টিকিয়ে রাখতে আমাদের সবাইকে চেষ্টা করা উচিত।’

শহরের পোস্ট অফিসপাড়ার মীম বলেন, ‘আমরা সবাই এখন ভিডিও গেইমের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। তাই গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো দেখলে অন্যরকম ভালো লাগে।

‘বেড়াতে এসেছিলাম। ঢোলের শব্দ শুনে এসে দেখি লাঠি খেলা হচ্ছে। খুব ভালো লাগছে অনেক পুরোনো লাঠি খেলা দেখে।’

লাঠি খেলার দলের সদস্য আবদুস সামাদ (৫৫) বলেন, ‘আমার বয়স যখন ১৩ বছর, তখন আমার বাবার কাছ থেকে লাঠি খেলা শিখেছি। একসময় প্রচুর খেলা দেখানোর জন্য দাওয়াত পেতাম।

‘এখন আর পাই না, তবে এটা ভেবে ভালো লাগে যে, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এখনো লাঠি খেলাকে টিকিয়ে রেখেছেন।’

দারিয়াপুর গ্রামের সাহাজ আলী সরদার (৬০) বলেন, ‘একটা সময় ছিল প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে দাওয়াত পেতাম, তবে এখন আর আগের সময় নেই।

‘সবাই বিভিন্ন ধরনের অনলাইন গেইম নিয়ে ব্যস্ত। গ্রামীণ খেলাগুলোর মাধ্যমে যুবসমাজ বিভিন্ন ধরনের নেশা থেকে বিরত থাকবে বলে আমি মনে করি।’

আয়োজনের বিষয়ে বাউল আখড়া বাড়ির সভাপতি সারোয়ার হোসেন বলেন, ‘লাঠি খেলা হলো গ্রামীণ ঐতিহ্য। এটি যেন বিলীন না হয়ে যায়, সে জন্য আমরা আয়োজন করেছি, যাতে মানুষেরা গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মূলত এখানে বাউল গানের আয়োজন করা হয়েছে, কিন্তু আমরা গ্রামীণ সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে বাদ দিয়ে কিছু করতে পারি না। কারণ লাঠি খেলাও আমাদের ঐতিহ্য। আমরা প্রতি বছর লাঠিখেলা ধরে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

আরও পড়ুন:
নওগাঁ সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর
নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যা: স্বামী, শাশুড়ি ও দেবর ঢাকায় গ্রেপ্তার
নওগাঁয় কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার, আওয়ামী লীগ নেতা আটক
নওগাঁয় এনজিও কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 
নওগাঁয় সড়কের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

জীবনযাপন
Eid congregation at 1 thousand 300 places in Naogaon

নওগাঁয় ১ হাজার ৩০০টি স্থানে ঈদের জামাত

নওগাঁয় ১ হাজার ৩০০টি স্থানে ঈদের জামাত নওগাঁ শহরের নওজোয়ান মাঠে সকাল সাড়ে আটটায় ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জেলায় সুষ্ঠুভাবে ঈদুল ফিতর উদযাপনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্য ও গোয়েন্দাদের নজরদারি বাড়ানো হয়।

যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে নওগাঁর এক হাজার ৩০০টি স্থানে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শহরের নওজোয়ান মাঠে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন নওগাঁ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রেস ইমাম মুফতি রেজওয়ান আহম্মেদ।

ওই জামাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, জেলা প্রশাসক গোলাম মওলা, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

এদিকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উৎসব উদযাপনের জন্য জেলা প্রশাসন বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভবনে সঠিক মাপ ও নিয়মে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পটকা ও আতশবাজি বন্ধ, সরকারি শিশু পরিবার, এতিমখানা, জেলখানা ও হাসপাতালে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন। এ ছাড়াও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে তরুণদের বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চলাচল রোধ করার পদক্ষেপ নেয়া হয়।

জেলায় সুষ্ঠুভাবে ঈদুল ফিতর উদযাপনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্য ও গোয়েন্দাদের নজরদারি বাড়ানো হয়।

আরও পড়ুন:
দেশবাসীকে সাকিব জ্যোতি তামিমদের ঈদের শুভেচ্ছা
শোলাকিয়ায় ‘স্মরণকালের বৃহত্তম’ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত
ঈদের সকালে লিচু বাগানে ট্রাক ড্রাইভারের মরদেহ, নারী আটক
দেশজুড়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন
জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

মন্তব্য

জীবনযাপন
Eid in different districts of the country in accordance with Saudi

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলেন তারা

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলেন তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে কুড়িগ্রামের একটি গ্রামে ঈদ উদযাপন। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় ঈদ উদযাপন হবে বৃহস্পতিবার, তবে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এবারও ঈদ উদযাপন হয়েছে বিভিন্ন জেলায়।

মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে বুধবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিমরা।

বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় ঈদ উদযাপন হবে বৃহস্পতিবার, তবে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এবারও ঈদ উদযাপন হয়েছে বিভিন্ন জেলায়।

দেশের নানা প্রান্তে ঈদ উদযাপনের খবর জানিয়েছেন আমাদের প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা।

কুড়িগ্রাম

জেলার রৌমারী, রাজীবপুর ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চারটি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। আলাদা আলাদা ঈদ জামাতে পাঁচ শতাধিক মুসল্লি অংশ নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

সকালে রৌমারী উপজেলার শৈলমারী ইউনিয়নের গয়টাপাড়া গ্রাম, রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব করাতিপাড়া গ্রাম ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা ও পাইকেরছড়া গ্রামে ঈদের এসব জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলেন তারা

ঈদের জামাত আদায় করা রৌমারী উপজেলার শৈলমারী ইউনিয়নের গয়টাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মোত্তালেব বলেন, ‘আমরা প্রায় পাঁচ বছর ধরে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রমজানের রোজা রাখা, ঈদের নামাজ আদায় ও ঈদ উৎসব পালন করে আসছি।’

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার আল আসাদ মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা পুলিশের নিরাপত্তায় পূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশে কুড়িগ্রামের চারটি গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক সেবায় জেলা পুলিশ সবসময় নিবেদিত।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

জেলা সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার তিন শতাধিক মানুষ বুধবার ঈদ উদযাপন করেছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের মোমিন টোল ও বাগানপাড়া এলাকায় সকালে দুটি ঈদের জামাতে দুই শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলেন তারা

অন্যদিকে শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের রাধানগর ও ছিয়াত্তর বিঘি এলাকার বিভিন্ন পরিবারের শতাধিক সদস্য সকালে ঈদের নামাজ আদায় করেন ছিয়াত্তর বিঘি আম বাগানে।
গত কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখার পাশাপাশি ঈদ উদযাপন করে আসছেন এসব গ্রামের লোকজন।

মৌলভীবাজার

জেলার শতাধিক পরিবারের মুসল্লিরা ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন।

সকাল সাতটায় মৌলভীবাজার শহরের সার্কিট হাউস এলাকার আহমেদ শাবিস্তা নামক বাসায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নারী ও পুরুষ মুসল্লিরা অংশ নেন। এতে ইমামতি করেন উজান্ডির পির আলহাজ আব্দুল মাওফিক চৌধুরী।

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলেন তারা

তিনি বলেন, ‘কোরআন ও হাদিস অনুসারে পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় চাঁদ দেখা গেলে রোজা এবং ঈদ করতে হয়। সেই অনুসারে আমরা আজ ঈদের নামাজ আদায় করলাম।’

ময়মনসিংহ

জেলার গৌরীপুরের বাহাদুরপুর নূরমহল সুরেশ্বর দরবার শরিফে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে।

সকাল ৯টায় ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. ইব্রাহিম। এ জামাতে ময়মনসিংহ সদর, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল, ফুলপুর, হালুয়াঘাট, শম্ভুগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েক শ আশেকান, মুরিদ ও ভক্ত অংশ নেন। নারীদের জন্য আলাদা জামাতের ব্যবস্থা করা হয়।

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলেন তারা

সুরেশ্বর দরবার শরিফের পীর সৈয়দ শাহ্ নূরে আফতাব পারভেজ নূরী বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে চাঁদের মিল রেখেই প্রতি বছর এখানে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়। তাই এবারও আমরা বাংলাদেশে এক দিন আগে থেকে রোজা রাখা শুরু করি এবং ঈদুল ফিতর উদযাপন করি।’

শেরপুর

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরের ছয়টি গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন হয়েছে।

গ্রামগুলো হলো সদর উপজেলার উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয়আনি পাড়া, নকলা উপজেলার চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও চতল।

স্থানীয় লোকজন ছাড়াও জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকেও মুসল্লিরা ওইসব গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করতে যান।

প্রতি বছর সদর উপজেলার বামনেরচর গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলেও এবার সেখানকার বেশ কিছু মুসল্লি নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করেন।

সকাল সাতটা থেকে ১০টার মধ্যে এসব গ্রামে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেকটি জামাতে ২০০ থেকে ২৫০ জন মুসল্লি অংশ নেন। এসব জামাতে পুরুষ মুসল্লিদের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নেন।

টাঙ্গাইল

জেলার দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নের শশীনাড়া গ্রামে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে অর্ধশতাধিক পরিবার উদযাপন করছে ঈদুল ফিতর।

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলেন তারা

সকাল আটটায় স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নেন।

গত ১২ বছর ধরে ওই এলাকার লোকজন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ ও রোজা পালন করে আসছেন।

ঝালকাঠি

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে জেলার রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের ডহরশংকর গ্রামে বুধবার ঈদ উদযাপন করেন স্থানীয়রা।

এ গ্রামের বসবাসরত বাসিন্দাদের একটি অংশ রোজাও রাখেন এক দিন আগে থেকে। তাদের মতে, যেকোনো দেশে চাঁদ দেখা গেলে রোজা রাখা ও ঈদ উদযাপন করা যাবে।

ডহরশংকর গ্রামের প্রায় ৫০টি পরিবারের ২০০ মুসল্লি প্রতি বছর এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছেন। বেশ কয়েক বছর আগে এ নিয়ে এলাকার অন্য মুসল্লিদের সঙ্গে হট্টগোল হলেও বর্তমানে তারা নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করছেন।

সকাল আটটায় মঠবাড়ি ইউনিয়নের ডহরশংকর গ্রামের নাপিতের হাট এলাকায় দারুস সুন্নাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত আদায় করা হয়। এতে পৃথক স্থানে নারীরা একই জামাতে অংশ নেন। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম।

ঈদ উদযাপনকারী মুসল্লি মোনাসেফ মৃধা বলেন, ‘আমরা পূর্বপুরুষ থেকেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করে আসছি। গ্রামের প্রায় অর্ধশত পরিবার এক যুগ যাবত মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজে উপস্থিত হচ্ছেন।’

আরও পড়ুন:
দেশের যেসব জায়গায় ঈদ হচ্ছে আজ
চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে আজ
ঈদযাত্রার শেষ দিনে চাপ নেই বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়েতে
শেষ কর্মদিবসে সদরঘাট ছেড়েছে যাত্রীভর্তি লঞ্চ
ঈদ উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Children are happy to get clothes in the market without money in Kishoreganj

বিনা পয়সায় পছন্দের জামা পেল শিশুরা

বিনা পয়সায় পছন্দের জামা পেল শিশুরা বিনা পয়সার বাজার থেকে দুই শতাধিক শিশু ঈদের পোশাক নেয়। ছবি: নিউজবাংলা
শিশুদের হাসি ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাহমুদুল হক রিয়াদ বলেন, ‘আমরা ছয় বছর ধরে বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে শিশুদের পোশাক বিতরণ করে আসছি, কিন্তু যাকে পোশাক দিচ্ছি, তার পছন্দমতো হয়েছে কি না, সেটা আমরা বুঝতে পারিনি। বাচ্চাদের পছন্দের অধিকার দিতেই এ আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এ বাজার। বিনা পয়সার বাজার থেকে দুই শতাধিক শিশু ঈদের পোশাক ও শতাধিক পরিবার খাদ্যসামগ্রী পেয়েছে।’ 

ভ্রাম্যমাণ চারটি স্টলে থরে থরে সাজানো শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, ফ্রক, কামিজসহ নানা ধরনের পোশাক। সেখান থেকে নিজেদের পছন্দমতো পোশাক নিচ্ছে শিশুরা। অপর পাশে পোলাওয়ের চাল, সেমাই, চিনি ও পেয়াঁজ নিয়ে বসা আরেকটি স্টল। সেখান থেকে পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী নিচ্ছেন লোকজন।

এসব পোশাক কিংবা খাদ্যের জন্য টাকা দিতে হয়নি শিশু কিংবা প্রাপ্তবয়স্কদের।

ঈদকে সামনে রেখে শনিবার বিনা মূল্যে পোশাক ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণের এ আয়োজন করা হয় কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে।

স্কুল শিক্ষার্থীদের টিফিনের জমানো টাকা দিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করে ‘শিশুদের হাসি ফাউন্ডেশন’ নামের স্থানীয় একটি সংগঠন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আয়োজনটির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অনিন্দ্য মন্ডল।

তিনি বলেন, ‘এমন উদ্যোগ আগে কখনো দেখিনি। তারা যে কার্যক্রম করেছে, এতে শিশুদের পছন্দের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। এমন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগছে।’

বিনা পয়সার বাজারের ক্রেতা পাঁচ বছরের শিশু মোবারক বলে, ‘কোনো টাকা ছাড়া আমি নিজের পছন্দমতো পোশাক কিনেছি। নিজের পছন্দের জিনিস পেয়ে আমার অনেক ভালো লাগছে।’

আরেক ক্রেতা জুমা (৮) বলে, ‘আগেও ঈদের পোশাক পাইতাম, কিন্তু নিজের পছন্দ কইরা নেয়ার সুযোগ আছিন না। এইহান থাইক্যা নিজের পছন্দমতো একটা পাঞ্জাবি লইছি।’

শিশুদের হাসি ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাহমুদুল হক রিয়াদ বলেন, ‘আমরা ছয় বছর ধরে বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে শিশুদের পোশাক বিতরণ করে আসছি, কিন্তু যাকে পোশাক দিচ্ছি, তার পছন্দমতো হয়েছে কি না, সেটা আমরা বুঝতে পারিনি।

‘বাচ্চাদের পছন্দের অধিকার দিতেই এ আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এ বাজার। বিনা পয়সার বাজার থেকে দুই শতাধিক শিশু ঈদের পোশাক ও শতাধিক পরিবার খাদ্যসামগ্রী পেয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা বাড়ল মুরগির দাম
ঈদযাত্রায় বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক ও পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় চাপ
লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রির চাপ নেই, ফাঁকা সদরঘাট
জমজমাট ঈদ বাজার, ফুটপাতেও উপচে পড়া ভিড়
ঈদযাত্রায় আসনের বেশি যাত্রী নয়, রাস্তায় থামানো যাবে না বাস

মন্তব্য

জীবনযাপন
Painting competition on the occasion of Bangabandhus birth anniversary

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কাজী মোতাহার হোসেন (সায়েন্স এনেক্স) ভবন চত্বরে শনিবার চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বাংলাদেশ আইন সমিতি। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিযোগিতায় তিনটি গ্রুপে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ‘ক’ গ্রুপে তিনজন, ‘খ’ গ্রুপে তিনজন ও ‘গ’ গ্রুপে তিনজনকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, পবিত্র কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও ইফতারের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ আইন সমিতি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কাজী মোতাহার হোসেন (সায়েন্স এনেক্স) ভবন চত্বরে শনিবার দিনব্যাপী এসব আয়োজন চলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাবির আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সীমা জামান ও আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আইন সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহনেয়াজ টিপু। অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছার।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয় ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পুলিশ সুপার (পিবিআই) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান আল-মামুন।

অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, জেলা ও দায়রা জজ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিযোগিতায় তিনটি গ্রুপে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ‘ক’ গ্রুপে তিনজন, ‘খ’ গ্রুপে তিনজন ও ‘গ’ গ্রুপে তিনজনকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা ও ইক্যুমেনিজম পরস্পর পরিপূরক
জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর
জাতির পিতার জন্মদিন রোববার
বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আ.লীগের কর্মসূচি ঘোষণা
বঙ্গবন্ধুর সেই মাইক্রোফোন আগলে রেখেছে কল-রেডী

মন্তব্য

জীবনযাপন
A 400 person boating competition was held in Jhalkathi on Independence Day

স্বাধীনতা দিবসে ঝালকাঠিতে নৌকাবাইচ

স্বাধীনতা দিবসে ঝালকাঠিতে নৌকাবাইচ বিজয়ী সদর উপজেলা পরিষদের হাতে দ্বিতীয় পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক ফারাহ্‌ গুল নিঝুম ও পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল। ছবি: নিউজবাংলা
এক আয়োজক বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ বিকেলে অনুষ্ঠিত নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতাটি সুগন্ধা নদীর ইকোপার্ক প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে কলেজ খেয়াঘাট সংলগ্ন মিনি পার্কে এসে শেষ হয়। এতে আলাদা সাতটি দলের ৪ শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।’

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাতটি দলের চার শতাধিক প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুগন্ধা নদীতে প্রতিযোগিতাটি মঙ্গলবার বিকেলে আয়োজন করে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন।

এক আয়োজক বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ বিকেলে অনুষ্ঠিত নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতাটি সুগন্ধা নদীর ইকোপার্ক প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে কলেজ খেয়াঘাট সংলগ্ন মিনি পার্কে এসে শেষ হয়। এতে আলাদা সাতটি দলের ৪ শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার জিতেছে শেখেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ। দ্বিতীয় হয় সদর উপজেলা পরিষদ এবং তৃতীয় হয় ঝালকাঠি বণিক সমিতি।’

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক ফারাহ্‌ গুল নিঝুম।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান সাইফুল্লাহ পনির এবং সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা অনুজা মন্ডল।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Tribute to Islami Bank on Independence Day

স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা

স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ব্যাংকের ডিরেক্টর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবেদীন ও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এফসিএমএ।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ব্যাংকের ডিরেক্টর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবেদীন ও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এফসিএমএ।

ওই সময় অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে