× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

জীবনযাপন
What if there is no internet for three months?
hear-news
player
print-icon

তিন মাস ইন্টারনেট না থাকলে কী হবে?

তিন-মাস-ইন্টারনেট-না-থাকলে-কী-হবে? ইন্টারনেটবিহীন জীবন বাড়াতে পারে মনোসংযোগ। প্রতীকী ছবি
বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে আমরা যেভাবে পড়ি তা অনেকটা বুফে খাওয়ার মতো। প্লেটে প্লেটে নানা সুস্বাদু খাবার, কিন্তু এর কোনোটির স্বাদই আমরা পুরোপুরি নিতে পারি না।

২০১৮ সালের গ্রীষ্মে টানা তিন মাস ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকার সংকল্প চেপে বসে ব্রিটিশ লেখক জোহান হ্যারির মনে। নিতান্ত খেয়ালের বশে হলেও এই অভিজ্ঞতা তাকে নতুন এক পৃথিবীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই অভ্যস্ত জীবনে হঠাৎ করে পরিবর্তন নিয়ে এলে মানুষ বেশ কিছু জটিলতার মুখোমুখি হয়। হ্যারির ক্ষেত্রে এই জটিলতা শুরু হয়ে যায় ইন্টারনেট ছেড়ে দেয়ার আগে- সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকেই।

কারণ ইন্টারনেট ফিচারবিহীন একটি মোবাইল ফোন খুঁজে বের করতেই তাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। অবশেষে বোস্টনের এক দোকানি তাকে এমন একটি মোবাইল ফোন দেন যাতে ইন্টারনেটের গতি খুবই কম। দোকানি তাকে বললেন, ‘এই মোবাইল দিয়ে আপনি বড়জোর ইমেইল পড়তে পারবেন…।’

এ পর্যন্ত বলতেই হ্যারি দোকানিকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘ইমেইল তো ইন্টারনেটেরই অংশ। আমি তিন মাসের জন্য একদম অফলাইনে চলে যেতে চাই।’

হ্যারির পরিকল্পনা শুধু যে দোকানির বুঝতে সমস্যা হয়েছে তা নয়, হ্যারির বন্ধুরাও তাকে নিয়ে শুরুতে বিভ্রান্ত হয়েছেন।

‘চুরি যাওয়া মনোযোগ: কেন আপনি মনোযোগ দিতে পারেন না- এবং কীভাবে আমরা আরও গভীর চিন্তা করতে পারি’ শিরোনামে নতুন একটি বইয়ে হ্যারি এসব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। গত ২৫ জানুয়ারি বইটি প্রকাশিত হয়েছে।

বইয়ে হ্যারি লিখেছেন, ‘শুরুতে আমার পরিকল্পনা অন্যদের কাছে এতটাই উদ্ভট মনে হয়েছিল যে বারবার তাদেরকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে হয়েছে।’

সে যা-ই হোক, কোনো প্রতিবন্ধকতাই হ্যারির পরিকল্পনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি। কারণ ইন্টারনেটময় জীবন থেকে যেভাবেই হোক কিছুদিনের জন্য তিনি মুক্তি চাইছিলেন।

গবেষণা সংস্থা ডিএসকাউট-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে একজন মানুষ অন্তত ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় ইন্টারনেটে ব্যয় করেন। আর প্রতিদিন গড়ে আমরা ২ হাজার ৬১৭ বার মোবাইলের টাচস্ক্রিন স্পর্শ করি। এই অবিরাম সংযোগ আমাদের জীবন উন্নত করার বদলে বরং খারাপের দিকেই নিয়ে যাচ্ছে- এমনটাই মত গবেষকদের।

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকদের মতে, ইন্টারনেটের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা আমাদের মনোযোগের ব্যাপ্তিকে অনেকাংশে কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে বেশির ভাগ মানুষ সর্বোচ্চ দুই মিনিট ১১ সেকেন্ড টানা মনোযোগ ধরে রাখতে পারছেন।

ইমেইল আর মেসেঞ্জারের আওয়াজ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন আমাদের মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। যে বিষয় থেকে আমরা মনোযোগ হারাচ্ছি সেখানে ফিরে যেতে আমাদের অন্তত গড়ে ২৩ মিনিট সময় লাগছে।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নের শুরুতেই ম্যাসাচুসেটসের প্রিন্সটাউনে ছোট্ট একটি আবাস ভাড়া নেন ৪২ বছরের হ্যারি। এই জায়গাটি ছিল একেবারেই সঙ্গীবিহীন। ছিল না কোনো চাকরির যন্ত্রণা কিংবা বাচ্চাকাচ্চাও।

তাই হ্যারির এমন বিচ্ছিন্ন জীবন কারও ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি। শেষ পর্যন্ত তিনি একটি মোবাইল ফোনের খোঁজ পান, যাতে কোনো ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না। এ ধরনের মোবাইল খুব বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য তৈরি হয়, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে যেন ব্যবহার করা যায়।

এক বন্ধু হ্যারিকে একটি ল্যাপটপ ধার দিয়েছিলেন, যার মধ্যে কোনো ওয়াইফাই সংযোগ ছিল না। ব্যাপারটা এমন যে, কোনো কারণে রাত ৩টার সময়ে ঘুম ভেঙে গেলে তিনি চাইলেও তখন ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে পারবেন না।

তিন মাস ইন্টারনেট না থাকলে কী হবে?
তিন মাস ইন্টারনেটবিহীন কাটিয়েছেন ব্রিটিশ লেখক জোহান হ্যারি

ইন্টারনেটবিহীন জীবনের প্রথম সপ্তাহটি হ্যারির খুব বিক্ষিপ্ত আর ধোঁয়াশায় কেটেছিল। এ সময় তিনি মাঝে মাঝে স্থানীয় ক্যাফেতে বসে বই পড়েছেন, কখনও অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছেন। আর বেশির ভাগ সময় কেটেছে নিজের চিন্তার ভেতরে ডুব দিয়ে। আরেকটি বিষয় তিনি অনুভব করেছেন তা হলো- নীরবতা! বছরের পর বছর এই নীরবতা তার জীবনে ছিল অনুপস্থিত।

হ্যারির মনে হলো, ইন্টারনেটসহ মোবাইল ফোন আর ল্যাপটপ আনাড়ি বাচ্চাদের মতো, সারাক্ষণ শুধু চিৎকার চেঁচামেচি করে। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মনে হয়, বাচ্চাগুলোকে একজন প্রতিপালকের দায়িত্বে দেয়া হয়েছে। ফলে তাদের চিৎকার আর বমির দৃশ্য চোখে পড়ছে না।

কিছুটা উদ্বেগও অবশ্য কাজ করছিল হ্যারির মধ্যে। মনে হচ্ছিল, না জানি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল তিনি মিস করছেন কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ টুইট। কোনো গুরুত্বপূর্ণ লেখা হয়তো তার পড়ার অপেক্ষায় বসে আছে। এমনও কয়েক দিন গেছে, অবচেতনেই পকেটে থাকা মোবাইলে হাত চলে গেছে।

২০২১ সালে পিউ রিসার্চের এক জরিপ অনুযায়ী, আমেরিকার ৩১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। ২০১৫ সালের জরিপে এই হারটি ছিল ২১ শতাংশ।

মজার ব্যপার হলো, ১৯৮৬ সালে একজন মানুষ টেলিভিশন, রেডিও এবং পড়াশোনার মধ্য দিয়ে এক দিনে গড়ে যে পরিমাণ তথ্যের মুখোমুখি হতেন তা ৪০টি সংবাদপত্রের সমপরিমাণ। তবে ২০০৭ সালের হিসাবে একজন মানুষ গড়ে প্রতিদিন ১৭৪টি পত্রিকার সমান তথ্যের মুখোমুখি হতেন। অর্থাৎ প্রতি আড়াই বছরে দ্বিগুণ পরিমাণ তথ্যের মুখোমুখি হয়েছে মানুষ। চমকপ্রদ এই তথ্যটি ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক মার্টিন হিলবার্টের।

সেই হিসাবে আজকের দিনের মানুষ গড়ে ৭০০ পত্রিকার সমান তথ্যের মুখোমুখি হচ্ছেন প্রতিদিন।

হিলবার্টের মতে, কোনো জৈবিক মস্তিষ্কের জন্য এক দিনে এ পরিমাণ তথ্যের মুখোমুখি হওয়া একটু বেশিই হয়ে যায়। এর ফলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষ শুধু কোনো বিষয়বস্তুর সারমর্মটুকুতে চোখ বুলায়। তথ্যের আধিক্যের জন্যই টুইট করা শিরোনামের ৭০ শতাংশই অপঠিত থেকে যায়। এমনকি যারা এগুলোকে রিটুইট করেন, তারাও ভেতরের খবরটুকু পড়ে দেখেন না।

বর্তমান ইন্টারনেট যুগে আমরা যেভাবে পড়ি তা অনেকটা বুফে খাওয়ার মতো। প্লেটে প্লেটে নানা সুস্বাদু খাবার, কিন্তু এর কোনোটির স্বাদই আমরা পুরোপুরি নিতে পারি না।

এর ফলে মানুষের বই পড়ার অভ্যাসও ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। ১৯৯২ সালের হিসাবে শুধু আনন্দের জন্য বছরে অন্তত একটি বই পড়তেন আমেরিকায় এমন মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ৬১ শতাংশ। ২০১৭ সালের হিসেবে এই সংখ্যাটি ৫৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

তা ছাড়া ২০০৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আমেরিকানদের প্রাত্যহিক বই পড়ার সময় ২৮ মিনিট থেকে কমে ১৬ মিনিটে এসে ঠেকেছে।

২০১৮ সালের মধ্যে অবসরে গেম খেলা কিংবা কম্পিউটার ব্যবহারের সময় বেড়ে হয়েছে প্রতিদিন প্রায় ২৮ মিনিট।

হ্যারি লিখেছেন, ‘বই পড়া মানুষের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অভ্যাস মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি জীবনকেও দীর্ঘায়িত করতে পারে। প্রতিদিন ৩০ মিনিট বই পড়া মানুষের আয়ুষ্কাল অন্তত দুই বছর বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।’ তা ছাড়া এই বিষয়টি কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে মনোযোগী হওয়ার প্রশিক্ষণও দেয় মানুষকে।

হ্যারিকে নরওয়ের গবেষক অ্যান ম্যাঙ্গেন বলেছিলেন, ‘টাচস্ক্রিনে আমরা শুধু দেখি আর সারাংশে মনোযোগ দিই। অনেকটা চেরি ফল কুড়ানোর মতো। মানের চেয়ে পরিমাণকেই অগ্রাধিকার দিই।’

ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার শুরুর দিকেও এ ধরনের মানসিকতায় আটকে ছিলেন হ্যারি। তিনি পাগলের মতো চার্লস ডিকেন্সের বিষয়ে কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই পড়তে শুরু করেছিলেন।

তবে সেই তড়িঘড়ি অবস্থা থেকে হ্যারি শিগগিরই বেরিয়ে আসেন। প্রতিদিন সকালে তিনি তিনটি পত্রিকা কিনতেন এবং পড়তেন। পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ জানার জন্য তাকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো।

হ্যারির বিচ্ছিন্ন সময়ে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের একটি পত্রিকা অফিসে পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা করেন এক বন্দুকধারী। অন্য সময় হলে এই খবরটি সবার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই পেতেন হ্যারি। বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাটিং করে ঘটনার আদ্যোপান্ত জেনে নিতেন। তবে আলোচিত সেই খবরটি পরদিন সকালে পেয়েছিলেন তিনি।

এ বিষয়ে হ্যারি লিখেছেন, ‘আমার যা জানার প্রয়োজন ছিল তা একটি মৃত গাছে (পত্রিকা) মাত্র ১০ মিনিট পড়েই জেনে গেলাম।’

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হ্যারির উপলব্ধি হলো, তার জীবনে ইন্টারনেটের প্রয়োজন নেই বললেই চলে। ছয় বন্ধুর নম্বর তার ফোনে সেভ করা ছিল, যাতে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যায়। আর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তিনি ৯১১ নম্বরে ফোন করতে পারতেন।

এ ছাড়া কোনো বিষয়ে আগ্রহ হলে তিনি স্থানীয় লাইব্রেরিতে গিয়ে অনুসন্ধান করতেন। পরদিনের আবহাওয়ার খবর জানতে চাইলে তিনি শহরতলিতে আড্ডারত মানুষের কাছেই জেনে নিতেন।

ইন্টারনেট-বিচ্ছিন্ন অবস্থায় হ্যারি সবচেয়ে বেশি যা মিস করেছেন তা হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

২০১৮ সালে আগস্টের শেষ সপ্তাহে তিন মাসের ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা শেষ করে আবারও বাকি পৃথিবীর সঙ্গে যুক্ত হন হ্যারি। তিনি ভেবেছিলেন, এ সময়ের মধ্যে তার ইমেইল হয়তো উপচে পড়ছে কিংবা বন্ধুবান্ধব ও পরিচিতরা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে। যদিও প্রত্যেক ইমেইলের জন্য স্বয়ংক্রিয় একটি উত্তর তিনি সেট করে রেখেছিলেন। যেখানে বলা হয়েছিল, পুরো গ্রীষ্মকাল তিনি যোগাযোগের বাইরে থাকবেন।

যা ভেবেছিলেন, তার কিছুই হয়নি শেষ পর্যন্ত। বলা যায়, ওই সময়টিতে কেউই তার খোঁজ নেননি। ইমেইল আর ইনবক্সে তিন মাসের যত বার্তা ছিল, তা দুয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পড়ে শেষ করে ফেলেন তিনি।

হ্যারি লিখেছেন, ‘পৃথিবী আমার অনুপস্থিতি খুব সহজেই মেনে নিয়েছে!’

ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার অভিজ্ঞতা নিয়ে আজকের দিনে হ্যারি পুরোপুরি বদলে গেছেন, বিষয়টি এমন নয়। তবে এটা ঠিক, তিনি নিজের মনোযোগকে ইন্টারনেট বিনোদনে ভাসিয়ে দিতে এখন দ্বিতীয়বার ভাবছেন।

আরও পড়ুন:
সাপ কি বশ মানে দুধ-কলায়?
ভারতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপের পিঠে জিপিএস ট্রান্সমিটার
নতুন প্রজাতির মাকড়সা খুঁজে পেলেন থাই ইউটিউবার
পৃথিবীর পাশ দিয়ে ছুটে যাবে ১ কিলোমিটারের গ্রহাণু
যে প্রজাতির ছাগল বিলুপ্ত হয়েছিল দুইবার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Vivo X60 FiveG phone in the country

দেশে ভিভোর এক্স৮০ ফাইভজি ফোন

দেশে ভিভোর এক্স৮০ ফাইভজি ফোন
মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৯০০০ পরিচালিত কুলিং প্রযুক্তিও যুক্ত করেছে ভিভো। বাষ্প চেম্বারের মাধ্যমে ডিভাইসটি ঠান্ডা থাকে। ৪৫০০ এমএএইচের ব্যাটারির সঙ্গে ৮০ ওয়াটের ফ্ল্যাশ চার্জার প্রযুক্তি। ফলে ৩৫ মিনিটেই শতভাগ চার্জ হবে ফোনটি।

এক্স সিরিজের নতুন মডেলের স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান ভিভো। দেশের বাজারে শুক্রবার তারা ভিভো এক্স৮০ ফাইভজি স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে। সে সঙ্গে শুরু হয়েছে প্রি-অর্ডার।

ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি দেশের বাজারে আগামী ৫ জুন থেকে পাওয়া যাবে।

এক্স৮০ ফাইভজি স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা, ৫০ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা। উন্নতমানের ফটোগ্রাফি-সিনেমাটোগ্রাফি অভিজ্ঞতা দিতে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে ভি১+চিপ।

মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৯০০০ পরিচালিত কুলিং প্রযুক্তিও যুক্ত করেছে ভিভো। বাষ্প চেম্বারের মাধ্যমে ডিভাইসটি ঠান্ডা থাকে। ৪৫০০ এমএএইচের ব্যাটারির সঙ্গে ৮০ ওয়াটের ফ্ল্যাশ চার্জার প্রযুক্তি। ফলে ৩৫ মিনিটেই শতভাগ চার্জ হবে ফোনটি।

এক্স৮০ ফাইভজি স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে কসমিক ব্ল্যাক ও আরবান ব্লু রঙে। দেশে ফোনটির দাম হবে ৭৬ হাজার ৯৯০ টাকা।

আরও পড়ুন:
বাজেট স্মার্টফোন আনল ভিভো
ফটোগ্রাফির জন্য ফ্ল্যাগশিপ এক্স৮০ স্মার্টফোন আনছে ভিভো
দেশে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস
৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস ফোনের প্রিবুক শুরু
ভিভো ওয়াই৩৩এস: মিডরেঞ্জের ফোনে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Students of Samsun Nahar Hall of DU learned about cyber security

সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে জানলেন ঢাবির সামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা

সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে জানলেন ঢাবির সামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
মাহফুজা লিজা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি ম্যাসেজের মাধ্যমে আপত্তিকর অথবা হুমকির বার্তা পায়, অনলাইনে যদি তাদের ব্যাপারে গুজব ছড়ানো হয়, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইটে যদি হুমকিস্বরূপ পোস্ট অথবা মেসেজ ছড়ানো হয় তবে তারা অবশ্যই যেন থানায় জিডি করেন এবং সম্ভব হলে অনলাইনে রিপোর্ট করেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে নারীদের সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সেমিনার।

গত বৃহস্পতিবার হলের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

হলের প্রভোস্ট ড. লাফিফা জামালের সভাপতিত্বে বিশেষজ্ঞ প্যানেল সেমিনারে অংশ নেন।

সেমিনারে আলোচক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের স্পেশাল পুলিশ সুপার (ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স) মাহফুজা লিজা।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি ম্যাসেজের মাধ্যমে আপত্তিকর অথবা হুমকির বার্তা পায়, অনলাইনে যদি তাদের ব্যাপারে গুজব ছড়ানো হয়, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইটে যদি হুমকিস্বরূপ পোস্ট অথবা মেসেজ ছড়ানো হয় তবে তারা অবশ্যই যেন থানায় জিডি করেন এবং সম্ভব হলে অনলাইনে রিপোর্ট করেন।’

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেখলা সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল, টেইক ব্যাক দ্য টেক (টিবিটিটি) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা এবং বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিউআইটি) সহ-সভাপতি কানিজ ফাতেমা।

শিক্ষা, বিনোদন ও জীবনযাপনে বর্তমান শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি অনলাইনের উপর নির্ভরশীল। যত বেশি অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার হয়, ততই সাইবার ওয়ার্ল্ডের সমস্যাগুলো বেড়ে যায়। এ জন্য সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।

এই আয়োজনে উঠে আসে- ফেক লিঙ্ক এবং সাইবার ক্রাইম থেকে সুরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, অনলাইন হয়রানি, অপরাধ এবং সমাধান, সাইবার বুলিং, সাইবার অপরাধীদের মনোবিজ্ঞান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাষা ব্যবহারের পদ্ধতির মতো বিষয়গুরো।

ইন্টারনেট সুবিধাসহ প্রযুক্তির নানামাত্রিক ব্যবহার যতোই সহজলভ্য হচ্ছে ততোই সাইবার জগতে নারীদের সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে। সাইবার জগতের ৬৮ শতাংশ নারী সাইবার অপরাধের শিকার হয়।

বাংলাদেশে সাধারণত ১৬ থেকে ২৪ বছরের নারীরা সবচেয়ে বেশি সাইবার অপরাধের শিকার হয়। অনলাইনে নারীদের ৭৩ শতাংশ বুলিংয়ের শিকার হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নারীরা তাদের এ সমস্যা প্রকাশ করে না; বরং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বলে সেমিনারে তুলে ধরা হয়।

প্যানেল ডিসকাশনটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক।

ভেন্যু সহযোগিতায় ছিল শামসুন নাহার হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও পড়ুন:
স্কুলের মেয়েদের জন্য বিডি গার্লস কোডিং শুরু
যত বেশি ডেটাবেজের ব্যবহার তত বেশি ঝুঁকি: আইজিপি
বিডিওএসএনের প্রথম সিইও কানিজ ফাতেমা
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ

মন্তব্য

জীবনযাপন
8 of organizations are victims of ransomware attacks Sophos

৬৬% প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার: সোফোস

৬৬% প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার: সোফোস
র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে ডেটা এনক্রিপ্ট করা সংস্থাগুলো তাদের ডেটা ফেরত পেতে মোটামুটিভাবে ৮ লাখ ১২ হাজার ৩৬০ ডলার বা প্রায় ৭ কোটি টাকা খেসারত দিয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ক্লাউড-নেটিভ সিকিউরিটি প্ল্যাটফর্ম সোফোস সম্প্রতি তাদের ‘স্টেট অফ র‍্যানসমওয়্যার ২০২২’ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

রিয়েল-ওয়ার্ল্ড র‍্যানসমওয়্যার অভিজ্ঞতার বার্ষিক পর্যালোচনা করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। রিপোর্টে দাবি করা হয়, জরিপে অংশ নেয়া ৬৬ শতাংশ সংস্থা ২০২১ সালে র‍্যানসমওয়্যারের শিকার হয়েছিল।

এশিয়া-প্যাসিফিক, মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা এবং আফ্রিকা জুড়ে প্রায় ৩১টি দেশের ৫ হাজার ৬০০টি সংস্থার জরিপ করার পর সোফোস প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। সমীক্ষা চলাকালীন ৯৬৫টি কোম্পানি তাদের র‍্যানসমওয়্যার পেমেন্টের বিবরণ শেয়ার করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে ডেটা এনক্রিপ্ট করা সংস্থাগুলো তাদের ডেটা ফেরত পেতে মোটামুটিভাবে ৮ লাখ ১২ হাজার ৩৬০ ডলার বা প্রায় ৭ কোটি টাকা খেসারত দিয়েছে।

আর ৪৬ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ডেটা এনক্রিপ্টেড ছিল এবং ব্যাকআপসহ অন্য ডেটা পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি থাকা সত্ত্বেও তারা মুক্তিপণ পরিশোধ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দিন দিন মুক্তিপণ দেয়ার মাত্রা বাড়ছে, কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ ছাড়া অনেক বৈশ্বিক সংস্থা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ থেকে তাদের ডেটা পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করার জন্য সাইবার বিমার উপর নির্ভর করে।

ক্রমবর্ধমান সাইবার নিরাপত্তা হুমকির পাশাপাশি র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণগুলো সংস্থার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে, যেহেতু সাধারণত ডেটা পুনরুদ্ধার করতে এবং আক্রমণ পরবর্তী জটিলতাগুলো দূর করতে প্রায় এক মাস সময় লাগে ৷

সম্ভাব্য র‍্যানসমওয়্যার এবং সাইবার আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে বেশ কিছু কার্যকরী পদক্ষেপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নিয়মিতভাবে সিকিউরিটি কন্ট্রোল পর্যালোচনা করা, যাতে তারা সংস্থার অন্যান্য সব সিস্টেমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। অযাচিত যেকোনো তথ্য ফাঁস আটকাতে সব তথ্যের ব্যাকআপ রাখা।

আরও পড়ুন:
সোফোসের রিপোর্ট: আরও সুসংগঠিত হবে রানস্যমওয়্যার
সাইবার হামলায় বন্ধ গ্যাস সরবরাহ, তথ্য দিলে পুরস্কার
চীনের বিরুদ্ধে মাইক্রোসফটে সাইবার হামলার অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার হামলা: সুইডেনে বন্ধ ৮০০ সুপারশপ, রেলওয়ে
শাটডাউনে ব্যাংকে সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা

মন্তব্য

জীবনযাপন
The river conference is starting on Saturday in Guwahati

গুয়াহাটিতে শনিবার শুরু হচ্ছে নদী সম্মেলন

গুয়াহাটিতে শনিবার শুরু হচ্ছে নদী সম্মেলন
বাংলাদেশের ফাউন্ডেশন ফর রিজিওনাল স্টাডিজ এই অনুষ্ঠানে কান্ট্রি পার্টনার এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন ফর নেচার-আইআইটি, গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মেলনের নলেজ পার্টনার।

তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টানাপড়েন চলছে। শুধু তিস্তা নয়, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদও এই দুই দেশের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে। বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে নদীকেন্দ্রিক সম্পর্ক উন্নয়নে তিন বছর ধরে আয়োজন হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক নদী সম্মেলন।

শনিবার ভারতের গুয়াহাটিতে শুরু হচ্ছে দুদিনের এই সম্মেলন। এতে যোগ দিতে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিত্ব, নেতা, অন্য বিশিষ্টরা ইতোমধ্যে গুয়াহাটিতে পৌঁছাতে শুরু করেছেন।

বাংলাদেশের ফাউন্ডেশন ফর রিজিওনাল স্টাডিজ এই অনুষ্ঠানে কান্ট্রি পার্টনার এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন ফর নেচার-আইআইটি, গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মেলনের নলেজ পার্টনার।

শনিবার দুদিনের এই নদী সম্মেলন উদ্বোধন করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, বিভিন্ন দেশের কমিশনার, রাষ্ট্রদূত, বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। সম্মেলনে সমাপনী বক্তব্য দেবেন ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

ভারতের এশিয়ান কনফ্লুয়েন্সের নির্বাহী পরিচালক সব্যসাচী দত্ত বলেন, ‘এটা আমাদের কাছে গর্বের বিষয় যে এবারের নদী সম্মেলন হচ্ছে গুয়াহাটিতে। ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নদী অববাহিকার দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকার সংযোগ বৃদ্ধি করে এই অঞ্চলকে সবুজ বাণিজ্যের কেন্দ্র করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
এসডিজি বাস্তবায়নে চাই সমন্বিত প্রচেষ্টা: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
বরিশালের ৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
বাবার দাবি অপহরণ, পুলিশ বলছে প্রণয়
চলছে প্রস্তুতি, সোমবার পলাশ আ. লীগের সম্মেলন
পন্টুন থেকে নদীতে ঝাঁপ, স্কুলছাত্র নিখোঁজ

মন্তব্য

জীবনযাপন
Huawei Cloud is in a good position in Asia Pacific

এশিয়া প্যাসিফিকে ভালো অবস্থানে হুয়াওয়ে ক্লাউড

এশিয়া প্যাসিফিকে ভালো অবস্থানে হুয়াওয়ে ক্লাউড
বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারও ডিজিটাল সল্যুশন সংক্রান্ত চাহিদা পূরণে হুয়াওয়ে ক্লাউড ব্যবহার করছে বলে জানায় হুয়াওয়ে।

যাত্রার চার বছরের মধ্যে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্লাউড সেবায় এগিয়ে যাচ্ছে চীনা প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের ক্লাউড। চীন, থাইল্যান্ড ও এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বাজারে এখন তাদের অবস্থান যথাক্রমে দুই, তিন ও চারে।

সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন অনেক প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের এই সেবা নিতে যুক্তি হচ্ছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারও ডিজিটাল সল্যুশন সংক্রান্ত চাহিদা পূরণে হুয়াওয়ে ক্লাউড ব্যবহার করছে বলে জানায় হুয়াওয়ে।

সরকারের বিসিসি ক্লাউডের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জন্য সমন্বিত বাজেট ও অ্যাকাউন্ট সিস্টেম, ভ্যাকসিন সিস্টেম ও ই-গভর্নমেন্ট ইআরপি প্রকল্পও শেষ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্যান জুনফেং বাংলাদেশের বাজারে ক্লাউড সেবার মাধ্যমে তাদের ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন বলেন, ‘হুয়াওয়ে ক্লাউড এ অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করেছে। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে হুয়াওয়ে ক্লাউড ছয়টি কৌশল গ্রহণ করেছে। সে অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১৮ কোটি: মোস্তাফা জব্বার
দেশে এলো হুয়াওয়ে নতুন মেটবুক
বাংলাদেশে উন্নত ক্লাউড সেবা দেবে হুয়াওয়ে
উন্নত কনফিগারেশনে হুয়াওয়ে মেটবুক এক্স প্রো
হুয়াওয়ের নতুন ৭ সুপার ডিভাইস

মন্তব্য

জীবনযাপন
Vivo unveils budget smartphone

বাজেট স্মার্টফোন আনল ভিভো

বাজেট স্মার্টফোন আনল ভিভো
ওয়াই০১ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা ও ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। এলিগেন্ট ব্ল্যাক ও স্যাফায়ার ব্লু রঙের স্মার্টফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ৯ হাজার ৯৯০ টাকায়।

ওয়াই সিরিজের নতুন স্মার্টফোন ওয়াই০১ উন্মোচন করেছে ভিভো।

ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৫১ ইঞ্চির হেলিও ফুলভিউ ডিসপ্লে ও শক্তিশালী ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি। ফোনের ওজন ১৭৮ গ্রাম।

ভিভো ওয়াই০১ ফেইস ওয়েক আনলক ফিচারে চেহারা শনাক্ত করে ফোনটি আনলক করা যাবে।

হেলিও পি৩৫ প্রসেসরের সঙ্গে দেয়া হয়েছে ২ জিবি র‍্যাম ও ৩২ জিবি স্টোরেজ।

ওয়াই০১ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা ও ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা।

এলিগেন্ট ব্ল্যাক ও স্যাফায়ার ব্লু রঙের স্মার্টফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ৯ হাজার ৯৯০ টাকায়।

ভিভো বাংলাদেশের প্রোডাক্ট ডিরেক্টর ডেভিড লি বলেন, ‘ভিভো সবসময় ক্রেতাদের চাহিদা মাথায় রেখে নিত্যনতুন উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে আসার চেষ্টা করে। সাশ্রয়ী মুল্যে আকর্ষণীয় ফিচারের অল-রাউন্ডার ডিভাইসগুলোর চাহিদা সব সময়ই বেশি। ওয়াই০১ বাজারে আনার মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্রেতাদের জন্য সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত করছি।’

আরও পড়ুন:
ফটোগ্রাফির জন্য ফ্ল্যাগশিপ এক্স৮০ স্মার্টফোন আনছে ভিভো
দেশে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস
৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস ফোনের প্রিবুক শুরু
ভিভো ওয়াই৩৩এস: মিডরেঞ্জের ফোনে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
ভিভো ভি২৩ সিরিজ: স্মার্টফোন ক্যামেরায় বেঞ্চমার্ক

মন্তব্য

জীবনযাপন
As many smartphones as there are 108 megapixel cameras in the country

দেশে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার যত স্মার্টফোন

দেশে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার যত স্মার্টফোন দেশে বেশি মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ফোনের কদর বাড়ছে দিনকে দিন। ছবি: সংগৃহীত
অনেক প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, তাদের ফোনের ক্যামেরা এবং তাতে থাকা ফিচার পেশাদার ফটোগ্রাফারদের কাজ করতেও দিচ্ছে। তাই কদর বাড়ছে এমন ফোনের।

ছবি ও ভিডিওতে আমরা যেভাবে জোর দিয়েছে, ঠিক সেভাবেই স্মার্টফোনের ক্যামেরার উন্নয়নে জোর দিয়েছে কোম্পানিগুলো। বেশি মেগাপিক্সেলের, নতুন সব ফিচার দিয়ে ফোনে ক্যামেরা দিচ্ছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো।

অনেক প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, তাদের ফোনের ক্যামেরা এবং তাতে থাকা ফিচার পেশাদার ফটোগ্রাফারদের কাজ করতেও দিচ্ছে। তাই কদর বাড়ছে এমন ফোনের। বাংলাদেশের বাজারে থাকা এমন কিছু স্মার্টফোন দেখে নেয়া যাক।

রেডমি নোট ১১এস

রেডমি নোট ১১এস ডিভাইসটিতে পাওয়া যাবে ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের ফটোগ্রাফি, সঙ্গে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ, যা দিয়ে নেয়া যাবে অবিশ্বাস্য সব শট ও ছবি।

১০৮ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরার পাশাপাশি এতে রয়েছে একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, যা দেবে ১১৮ ডিগ্রি ভিউ অ্যাঙ্গেল, রয়েছে ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর যা দেবে ন্যাচারাল লুক প্রোর্ট্রেইট এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা, যা দেবে ডিটেইলসহ ক্লোজ ছবি নিতে দেবে। আর সামনে দেয়া হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্লিয়ার অ্যান্ড ক্রিপস সেলফি ক্যামেরা।

রেডমি নোট ১১এস রয়েছে দুর্দান্ত ৬.৪৩ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে, অক্টা-কোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ প্রসেসর, ফলে রেডমি নোট ১১এস দেবে স্মুথ পারফরম্যান্স।

দীর্ঘ ব্যাকআপ দেবে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি, সঙ্গে ৩৩ ওয়াটের প্রো চার্জিং। যা ডিভাইসটিকে অল্প সময়ে চার্জ করার পাশাপাশি দেবে দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখার সুবিধা। রেডমি নোট ১১এস ৬+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের ২৭ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ৮+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

রিয়েলমি ৯

ক্যামেরায় জোর দেয়া হয়েছে রিয়েলমির নতুন ফোন রিয়েলমি ৯ ফোরজিতে। ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। সঙ্গে থাকছে আইসোসেল এইচএম সিক্স সেন্সর। ফলে লো-লাইটেও চমৎকার ও ঝকঝকে ছবি তোলা যাবে ফোনটি দিয়ে।

এর প্রাথমিক ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার পাশাপাশি রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা। সেলফি তোলার জন্য সামনে দেয়া হয়েছে ২৬ ন্যানোমিটারের ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। রয়েছে এইচডিআর ও প্যানারোমা ফিচার।

রিয়েলমি ৯ ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৯০ হার্টজের সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লেসহ পাওয়ার অ্যাফিশিয়েন্ট অত্যাধুনিক ৬ ন্যানোমিটারের স্ন্যাপড্রাগন ৬৮০ প্রসেসর। ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিংসহ ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি। যা চার্জ হবে ৭৫ মিনিটে।

৮ জিবি র‍্যামের সঙ্গে ১২৮ জিবি স্টোরেজ সুবিধার এই ফোনটির দাম ২৬ হাজার ৯৯০ টাকা।

রেডমি নোট ১০ প্রো

শাওমি ক্যামেরা ফোন হিসেবেই বাজারে এনেছে রেডমি নোট ১০ প্রো। ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ। এর প্রাইমারি ক্যামেরা ১০৮ মেগাপিক্সেল। একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেলের সুপার-ম্যাক্রো এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর।

সামনে আছে খুব ছোট পাঞ্চহোলের ১৬ মেগাপিক্সেলের ডিসপ্লে ক্যামেরা। ক্যামেরায় করা যাবে ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিও রেকর্ড। এছাড়া এমআইইউআই ক্যামেরা অ্যাপে পাওয়া যাবে সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটরস, নাইট মোড ফিচার ২.০, ভ্লগ মোড, ডুয়াল ভিডিও, প্রো ভিডিও, ম্যাজিক ক্লোন, লং এক্সপোজার মোড।

রেডমি নোট ১০ প্রোতে রয়েছে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ৬.৬৭ ইঞ্চির ফুল এইচডিপ্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ৮ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৭৩২জি প্রসেসর। রয়েছে ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার সেটআপ, যা উচ্চ, স্পষ্ট সাউন্ড দেবে; রয়েছে ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক, সঙ্গে আইআর ব্লাস্টার।

নিরাপত্তার জন্য সাইডে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং সঙ্গে ডাবল-ট্যাপ জেসচার। ৫০২০ এমএএইচ ব্যাটারির ফোনটি অনায়াশে এক দিনের সাপোর্ট দেবে। ৩৩ ওয়াটের চার্জারে ০ থেকে ৫৯ শতাংশ চার্জ হবে ৩০ মিনিটে। ৬+১২৮জিবি সংস্করণের ফোনটির দাম ২৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৭৩ ফাইভজি

স্যামসাং তাদের ফাইভজি স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে বাজারে ছেড়েছে গ্যালাক্সি এ৭৩ মডেলের স্মার্টফোনটি। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭ ইঞ্চির ফুল এইচডিপ্লাস ইনফিনিটি-ও সুপার অ্যামোলেড প্লাস ডিসপ্লে। যা দেবে ৮৮০০ নিট ব্রাইটনেস এবং ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট। ডিসপ্লে সুরক্ষার জন্য দেয়া হয়েছে গরিলা গ্লাস ৫ সুরক্ষা।

স্মার্টফোনটিতে অক্টা-কোর কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৭৭৮জি প্রসেসর দেয়া হয়েছে। কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা সেটআপে দেয়া হয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি লেন্স।

১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেলের ডেফথ এবং একটি ৫ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো সেন্সর। সামনে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।

২৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিংসহ ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৫০০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ৮ জিবি র্যাম ও ২৫৬ জিবি রমের গ্যালাক্সি এ৭৩ ফাইভজির দাম ৫৯ হাজার ৪৯৯ টাকা।

শাওমি ১১আই হাইপারচার্জ ফাইভজি

শাওমি ১১আই হাইপারচার্জ ফাইভজি ফোনটি রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির ১২০ হার্জ অ্যামোলেড ডটড্রপ ডিসপ্লে। ফোনের স্ক্রিনের সুরক্ষা দিতে রয়েছে গরিলা গ্লাস ৫।

হাইপারচার্জ ডিভাইসটিতে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রো-গ্রেড ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ, যা স্বল্প আলোতেও অসাধারণ সব ছবি উপহার দেবে। এর প্রাথমিক ১০৮ মেগাপিক্সেলে ক্যামেরার সঙ্গে আছে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্র-ওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা।

এ ছাড়া সব অসাধারণ মুহূর্ত ধরে রাখতে সামনে দেয়া হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এসব ক্যামেরায় রেকর্ড করা যাবে ফোর-কে, ১০৮০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের ভিডিও।

ফোনটিতে রয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটির ৯২০ প্রসেসর। ফাইভজি এক্সপেরিযেন্স দিতে এতে দেয়া হয়েছে ৬ ন্যানোমিটার প্রযুক্তি, যাতে সাপোর্ট করে ৮টি ব্যান্ড। শাওমি ১১আই হাইপারচার্জ ফাইভজির ডুয়েল সেমেট্রিক্যাল স্পিকারের সঙ্গে ডলবি অ্যাটমসে দেবে অসাধারণ অডিও অভিজ্ঞতা।

১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট এবং ৩৬০ হার্জ টাচ স্যামপ্লিং রেট দেবে অসাধারণ ডিসপ্লে ও দেখার অভিজ্ঞতা। ফোনটির দাম ৬+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্ট ৩৯ হাজার ৯৯৯ টাকা, ৮+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্ট ৪২ হাজার ৯৯৯ টাকা ।

মটোরোলা এজ ২০ ফিউশন

৬.৭ ইঞ্চির ওএলইডি ডিসপ্লের ফোনটিতে রয়েছে ১০৮০*২৪০০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন। ডিসপ্লেটির রেশিও ২০:৯। এর ডিসপ্লেতে দেয়া হয়েছে ৯০ হার্জ রিফ্রেশ রেট। ডিভাইসটির অন্যতম ফিচারএফ/১.৯ অ্যাপারচারের ওয়াইড ১০৮ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা।

প্রাথমিক এই ক্যামেরা ছাড়াও রয়েছে একটি এফ/২.২ অ্যাপারচারের ৮ মেগাপিক্সেলের ১১৮ ডিগ্রি আল্ট্রাওয়াইড এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের এফ/২.৪ অ্যাপারচারের ডেফথ ক্যামেরা। এসব ক্যামেরায় রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ,এইচডিআর, প্যানারোমা ফিচার।

ফোর-কে ৩০এফপিএসে এতে ভিডিও রেকর্ড করা সম্ভব। সেলফি তুলতে ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের এফ/২.৩ অ্যাপারচারের ক্যামেরা।

ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে শক্তিশালী মিডিয়াটেকের এমটি৬৮৫৩ ডাইমেনসিটির ৮০০ ইউ ৭ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির অক্টা-কোর প্রসেসর।

৬ ও ৮ জিবি র‍্যামের সঙ্গে ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। দীর্ঘস্থায়ী পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য দেয়া হয়েছে ৫০০০ এমএএইচের ৩০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং ব্যাটারি। এই ডিভাইসটির দাম ৩৬ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
ফটোগ্রাফির জন্য ফ্ল্যাগশিপ এক্স৮০ স্মার্টফোন আনছে ভিভো
দেশে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস
৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ভিভো ওয়াই৩৩এস ফোনের প্রিবুক শুরু
ভিভো ওয়াই৩৩এস: মিডরেঞ্জের ফোনে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
ভিভো ভি২৩ সিরিজ: স্মার্টফোন ক্যামেরায় বেঞ্চমার্ক

মন্তব্য

p
উপরে