× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
What did Kim get angry in front of the mid term elections in the United States?
google_news print-icon

কেন ‘ক্ষেপলেন’ কিম

কিম জং উন
দুই দিনে ৩০টির বেশি মিসাল ছুড়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাইছেন কিম।

ভিজিল্যান্ট স্টর্ম নামে নিজেদের মধ্যে এ যাবতকালের সর্ববৃহৎ সেনা মহড়া চালাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। এটি বন্ধ না হলে কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এতেও কাজ না হওয়ায় গত দুই দিনে ৩০টির বেশি মিসাইল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে পিয়ংইয়ং। প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়াও পাল্টা মিসাইল ছুড়ে উত্তর কোরিয়াকে জবাব দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাইছেন কিম।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর ২০১৭ সালে কয়েকটি দূরপাল্লার মিসাইল ছুড়ে পিংইয়ং।

বুধ ও বৃহস্পতিবার অন্তত ৩০টি মিসাইল ছোড়ে পিয়ংইয়ং। যার একটি পাশের দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূলে পড়ে। ১৯৫৩ সালে কোরিয়া যুদ্ধের অবসানের পর প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটল। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল এই পদক্ষেপকে ‘আঞ্চলিক আক্রমণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মহড়ায় বিরামহীনভাবে গোলাবর্ষণ করছে শত শত যুদ্ধবিমান। মহড়াটি শুরু হয় সোমবার, যা শুক্রবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে পিয়ংইয়ং -এর আরচণে মহড়ার সময় বাড়ায় সিউল।

দক্ষিণ কোরিয়া বিমানবাহিনী জানায়, বার্ষিক এই সামরিক মহড়ার জন্য তাদের কয়েক মাসের পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। এটি সম্মিলিত বিমানবাহিনীর কৌশলগত ক্ষমতা জোরদার করবে।

মহড়ায় সিউল ও ওয়াশিংটন এফ-৩৫এ ও এফ-৩৫ বি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে। রাডারের চোখ ফাঁকি দেয়ার লক্ষ্যেই এগুলকে ডিজাইন করা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকলেও, দক্ষিণের নেই । যদিও বিমান শক্তির দিক থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া।

সিউলের থিংক ট্যাঙ্ক সংস্থা সেজং ইনস্টিটিউটের গবেষক চেওং সেওং চ্যাং বলেন, ’উত্তর কোরিয়ার বেশিরভাগ বিমানই পুরোনো। তাদের খুব কমই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান রয়েছে।’

চলতি বছরের গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কমান্ডোরা উত্তর কোরিয়ার সরকারকে উচ্ছেদের আদলে একটি মহড়া চালায়। পিয়ংইয়ং মনে করে কিম শাসনের অবসান ঘটাতে যুদ্ধ এফ-৩৫এ ও এফ-৩৫ বি যুদ্ধবিমানগুলো ব্যবহার করা হতে পারে।

সিউলের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ কোরিয়ান স্টাডিজের অধ্যক্ষ ইয়াং মু জিন বলেন, ’রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক বিবেচনায় কিম চাইছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কঠোর নীতি থেকে যেন সরে আসে বাইডেন প্রশাসন। তিনি এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছেন যেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা বাইডেনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে।’

অন্যদিকে কিম অভ্যন্তরীণ সমর্থন জোরদার করতে চাইছেন। জনগণকে দেখাতে চাইছেন, তিনি একজন শক্তিশালী নেতা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Biden doesnt see a ceasefire deal in Gaza any time soon

শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না বাইডেন

শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না বাইডেন ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজার একটি এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
বাইডেন বলেন, ইতালিতে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নেতারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন সোজাসাপ্টা জবাব দেন, ‘আমি আশা হারাইনি।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, বৈশ্বিক সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত প্রস্তাবটি ইসরায়েল বা হামাস পুরোপুরি গ্রহণ করেনি।

বৃহস্পতিবার তিনি এসব কথা বলেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

বাইডেন বলেন, ইতালিতে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নেতারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন সোজাসাপ্টা জবাব দেন, ‘আমি আশা হারাইনি।’

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এই সপ্তাহে প্রস্তাবটির প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে, যার লক্ষ্য স্থায়ীভাবে যুদ্ধবিরতি ও গাজা থেকে সম্পূর্ণ ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা দেয়া।

বাইডেনের ঘোষিত প্রস্তাবে এসব বিধান থাকলেও ইসরায়েল শর্ত বাস্তবায়ন করবে কি না তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হামাস।

এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রতি ইসরায়েল পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় বলে যে দাবি করা হয়েছিল তা প্রত্যাখ্যান করেন।

সুলিভান বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ‘অবশিষ্ট ফাঁকগুলো দূর করতে ও একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আমরা কীভাবে কাজ করব তা খুঁজে বের করা’।

ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ইসরায়েলি সামরিক চৌকিতে রকেট ও বিস্ফোরক ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

হিজবুল্লাহর রকেট হামলা বন্ধ করতে কিছু ইসরায়েলি নেতা সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি দেওয়ার পর এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীটি তার মিত্র হামাসের সমর্থনে যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইসরায়েলকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করার সময় এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ৮ মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৩৭ হাজার ১০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যুদ্ধের মধ্যে সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন অচলাবস্থা থাকায় উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের মধ্যে গাজার অন্তত ১০ লাখ মানুষ তীব্র খাবার সংকটের মুখোমুখি হবে। সূত্র: ইউএনবি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Cargo ship sailor injured in Houthi missile attack

হুথির ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কার্গো জাহাজের নাবিক আহত

হুথির ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কার্গো জাহাজের নাবিক আহত
বৃহস্পতিবারের এ ঘটনায় নাবিক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। পরে আমেরিকান বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ জানিয়েছে।

এডেন সাগরে একটি কার্গো জাহাজ লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবারের এ ঘটনায় নাবিক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। পরে আমেরিকান বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ জানিয়েছে। খবর এএফপির

হুথিরা ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে বিভিন্ন জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে এবং তারা বলেছে, তারা গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সাথে সংহতি প্রকাশ করছে।

হুথিদের এমন হামলায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টি করলেও এ ক্ষেত্রে হতাহতের ঘটনা বিরল।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হুথিদের হামলায় পালাউয়ান পতাকাবাহী এম/ভি ভার্বেনা নামের জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। এতে একজন বেসামরিক নাবিক গুরুতর আহত হয়েছে। ক্রুরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। জাহাজটির মালিক হচ্ছেন ইউক্রেনের নাগরিক।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
G 7 will give 5 billion dollars to Ukraine

ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার দেবে জি-৭

ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার দেবে জি-৭ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: বিবিসি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোতে রাশিয়ার প্রায় ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফ্রিজ বা জব্দ করা আছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এসব জব্দ করা হয়।

ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তার জন্য পাঁচ হাজার কোটি ডলার (৫০ বিলিয়ন) ঋণ দেবে সাত দেশের জোট জি-৭।

জব্দ করা রাশিয়ার সম্পদ থেকে এ অর্থ দেয়া হবে বলে বিবিসির শুক্রবারের প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ইটালির পুগলিয়াতে এবারের জি-৭ সামিট হচ্ছে। সেখানেই এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘৫০ বিলিয়ন ডলার ইউক্রেনের জন্য ব্যবহার করা হবে। এটা রাশিয়াকে আরেকবার মনে করিয়ে দেয়া যে, আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি না।’

তবে এ সিদ্ধান্তে মস্কো ‘সর্বোচ্চ বেদনাদায়ক’ পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছে।

এ অর্থ চলতি বছর শেষ হওয়ার আগে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম, তবে এটি ইউক্রেনকে যুদ্ধ ও দেশটির অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইটালিতে জি-৭ সামিটে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং বাইডেন ১০ বছর মেয়াদি একটি দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। চুক্তিটিকে কিয়েভ ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এ চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সামরিক ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দেবে, কিন্তু এখানে ওয়াশিংটন সৈন্য পাঠিয়ে সহায়তা করবে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।

বাইডেন বলেন, ‘মি. পুতিন আমাদের অপেক্ষা করিয়ে রাখতে পারবে না, তিনি আমাদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করতে পারবেন না এবং আমরা যুদ্ধে জয় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ইউক্রেনের পাশে আছি।’

জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো হলো কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে এসব দেশ ইউক্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোতে রাশিয়ার প্রায় ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফ্রিজ বা জব্দ করা আছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এসব জব্দ করা হয়।

চুক্তিটির প্রশংসা করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক একে ‘গেম চেঞ্জিং’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

আরও পড়ুন:
সফরের দ্বিতীয় দিনে চীনের ‘লিটল মস্কোতে’ পুতিন
চীন-রাশিয়ার ‘কষ্টার্জিত’ সম্পর্কের লালনপালন চান শি
ইউক্রেন সংকট নিরসনে চীনের পরিকল্পনায় সমর্থন পুতিনের
অর্থনীতিবিদ বেলাউসভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাচ্ছেন পুতিন
ইউক্রেনের মানবাধিকার সংস্থাকে ৩০ লাখ ডলার দেবে কাতার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
120 million people forcibly displaced by 2023 UN

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ সংঘাতে-সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে সিরিয়ায় নিজ বাসভূম ছেড়ে অজানার উদ্দেশে ছুটছে নারী-শিশুসহ অসংখ্য মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের অধিকাংশই বিদেশে নির্বাসিত শরণার্থী এবং নিজ দেশের মধ্যে বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে। আর এদের তিন-চতুর্থাংশই দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশের নাগরিক।

বিশ্বের নানা প্রান্তে বিগত ২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে ১২ কোটি মানুষ। এক বছরে মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের এই সংখ্যা আগের বছর ২০২২ সালের বাস্তুচ্যুতির চেয়ে ৬০ লাখ বেশি। আর জাপানের মোট জনসংখ্যার সমান।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) বৃহস্পতিবার ২০২৩ সালের বার্ষিক ‘গ্লোবাল ট্রেন্ডস’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর ওই প্রতিবেদনে এমন তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের অধিকাংশই বিদেশে নির্বাসিত শরণার্থী এবং নিজ দেশের মধ্যে বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে। আর এদের তিন-চতুর্থাংশই দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশের নাগরিক।

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ
ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি। ছবি: সংগৃহীত

ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেছেন, অভিবাসীদের এই প্রবাহ শুধু ধনী দেশগুলোরই মাথাব্যথার কারণ নয়। সারা বিশ্বের দৃষ্টি এখন গাজা ও ইউক্রেনে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সুদানে গত বছরের এপ্রিলে প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেলের অনুগত বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরুর পর বছরের শেষ দিকে অন্তত এককোটি ৮০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অথচ এ বিষয়টি প্রায় সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে।

গ্রান্ডি বলেন, তবে শরণার্থীদের ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে জটিল চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত পরিস্থিতির উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করতে চলেছে বাইডেন প্রশাসন। তবে নতুন আরোপিত আইন আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইনের লঙ্ঘন যেন না করে এ বিষয়ে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

এ সময় সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর বাইডেন প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টির সমালোচনা করেছেন ইউএনএইচসিআর প্রধান। অনেকের কাছে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে এটি রাজনৈতিক কৌশল হলেও এই আইনে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।

তবে সমালোচনার পাশাপাশি প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার শরণার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় দেয়ার বিষয়টিরও প্রসংশা করেন ইউএনএইচসিআর প্রধান।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hamas rejects US demand for changes to cease fire proposal

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে পরিবর্তন চায় হামাস, অস্বীকার দলটির

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে পরিবর্তন চায় হামাস, অস্বীকার দলটির উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় বুধবার বিধ্বস্ত ভবনের পাশ দিয়ে হেঁটে যান এক ফিলিস্তিনি। ছবি: মাহমুদ ইসা/রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিকের ভাষ্য, গাজার শাসক দল হামাসের করা অনেক প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তবে নতুন কোনো ধারণা সামনে আনার কথা অস্বীকার করেছেন হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা ওসামা হামদান।  

ফিলিস্তিনের গাজায় আট মাসের বেশি সময় ধরে সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে হামাস অনেক পরিবর্তন চেয়েছে বলে বুধবার দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিকের ভাষ্য, গাজার শাসক দল হামাসের করা অনেক প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তবে নতুন কোনো ধারণা সামনে আনার কথা অস্বীকার করেছেন হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা ওসামা হামদান।

আল-আরাবি টিভির কাছে হামাসের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে হামদান বলেন, তার দল নয়, ইসরায়েলই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করছে এবং দেশটির ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন করছে।

এদিকে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, হামাসের প্রস্তাবিত বেশির ভাগ পরিবর্তনই ছোট এবং এগুলো অপ্রত্যাশিত নয়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এ প্রক্রিয়ার উপসংহারে পৌঁছানো। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো দরাদরির সময় শেষ।’

গাজায় শান্তি স্থাপনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় থাকা মিসরের দুটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে লিখিত গ্যারান্টি চায় হামাস।

দলটি বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে সমঝোতা আলোচনার বিষয়ে তাদের ‘ইতিবাচক’ মনোভাবের বিষয়ে জোর দেয়।

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধরত দলটি গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির লক্ষ্যে চুক্তিতে ইসরায়েলকে রাজি করার জন্য চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাগিদ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের
গাজায় জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলি বোমা, নিহত ৩২
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিল স্লোভেনিয়া
দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছে ইসরায়েল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Kuwait building fire 40 Indians lost their lives

কুয়েতে ভবনে আগুন: প্রাণ হারালেন ৪০ ভারতীয়

কুয়েতে ভবনে আগুন: প্রাণ হারালেন ৪০ ভারতীয় কুয়েতের মানগাফ শহরে বুধবার সকালে আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবন। ছবি: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ছয় তলা ভবনটির রান্নাঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটিতে প্রায় ১৯৫ জন থাকতেন, যাদের সবাই একই কোম্পানির শ্রমিক।

কুয়েতের মানগাফ শহরের একটি ভবনে বুধবার আগুনে প্রাণ হারানো ৪৯ জনের মধ্যে ৪০ জনই ভারতীয় বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এনডিটিভি জানায়, ব্যাপক প্রাণঘাতী ওই আগুনের সূত্রপাত হয় স্থানীয় সময় সকাল ছয়টায়।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ছয় তলা ভবনটির রান্নাঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটিতে প্রায় ১৯৫ জন থাকতেন, যাদের সবাই একই কোম্পানির শ্রমিক।

কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগুন ধরার সময় শ্রমিকরা ঘুমাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় বেশির ভাগ মৃত্যু হয় ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে অগ্নিকাণ্ডে নিজ দেশের নাগরিকদের প্রাণহানির ঘটনায় নিজ বাসভবনে উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তিনি প্রাণ হারানো প্রত্যেকের পরিবারকে দুই লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আগুনে মৃত্যু হওয়া ভারতীয়দের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধামন্ত্রীর নির্দেশনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং জরুরি ভিত্তিতে কুয়েতে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি প্রাণ হারানো শ্রমিকদের দেহাবশেষ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের সহায়তায় কাজ করবেন।

আরও পড়ুন:
কুয়েতে ভবনে আগুনে কমপক্ষে ৪১ মৃত্যু
মাদারীপুরে খামারে আগুন, পুড়ে মরল ১৩ গরু
চট্টগ্রামে ঝুট গুদামে আগুন
পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত ৪ বছরের শিশু
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hezbollah top commander killed 4 in Israeli attack in Lebanon

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ৪

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ৪ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা। ছবি: সংগৃহীত
নিহত হিজবুল্লাহ কমান্ডার সামি আবদাল্লাহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক নেতা ছিলেন। ৫৫ বছর বয়সী এই শীর্ষ হিজবুল্লাহ নেতা আবু তালেব নামেও পরিচিত ছিলেন।

ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবাননে হিজবুল্লাহ কমান্ডারসহ চারজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবারের এই হামলা নিহত কমান্ডার সামি আবদাল্লাহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ সামরিক নেতা ছিলেন। ৫৫ বছর বয়সী এই শীর্ষ হিজবুল্লাহ নেতা আবু তালেব নামেও পরিচিত।

বার্তা সংস্থা এএফপি বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ইসরায়েল-লেবানন সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জৌআইইয়া শহরে এই হামলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।

পরবর্তীতে হিজবুল্লাহ অপর এক সদস্য নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করে। দ্বিতীয় এই যোদ্ধার নাম মোহাম্মাদ হুসেন সাবরা। তিনি বাকের নামেও পরিচিত।

সাম্প্রতিক সময়স হিজবুল্লাহ ও ইযরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের মাত্রা বেড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তের দুই পাশ থেকে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবারের এই হামলার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, মঙ্গলবার সকালে হিজবুল্লাহ গোলান মালভূমিতে অন্তত ৫০টি রকেট হামলা চালানোর পর তারা এই পাল্টা হামলা চালায়।

ইসরায়েলি ভূখণ্ডে নয় মাস আগে হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় প্রতিশোধমূলক, নির্বিচার হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই সংঘাত শুরুর পর ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে হামলা শুরু করে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।

গত ৯ মাসে লেবাননে ৪৬৭ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৯০ জন বেসামরিক ব্যক্তি ও ৩০৪ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা।

অপর পক্ষে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত ১৫ ইসরায়েলি সেনা ও ১১ বেসামরিক ব্যক্তি এসব হামলায় নিহত হয়েছেন। সংঘাত এড়াতে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার হাজারও মানুষ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত সপ্তাহে জানান, লেবানন সীমান্তে চরম মাত্রার সামরিক অভিযান চালাতে ইসরায়েল প্রস্তুত রয়েছে। তিনি যেভাবেই হোক না কেন, উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনবেন।

আরও পড়ুন:
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের
গাজায় জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলি বোমা, নিহত ৩২
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিল স্লোভেনিয়া
দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছে ইসরায়েল
গাজায় আরও চার বন্দির মৃত্যু: ইসরায়েল

মন্তব্য

p
উপরে