× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Why was India divided 75 years ago?
hear-news
player
google_news print-icon

৭৫ বছর আগে ভারত কেন ভাগ হলো

৭৫-বছর-আগে-ভারত-কেন-ভাগ-হলো
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও মোহনদাস গান্ধী ভারত বিভাজন নিয়ে বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছিলেন। ছবি: টুইটার
ড. গ্যারেথ প্রাইস বলেন, ‘ভারতের স্বাধীনতা ঘনিয়ে আসার সময় অনেক ভারতীয় মুসলিম ভাবতে শুরু করেন, তারা কীভাবে একটি হিন্দুশাসিত দেশে থাকবেন। তারা ধরে নিয়েছিলেন, তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তাই আলাদা একটি মুসলিম দেশের জন্য তারা আন্দোলনে থাকা রাজনৈতিক নেতাদের সমর্থন জোগানো শুরু করেন।’

এখন থেকে ৭৫ বছর আগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল ভারতীয় উপমহাদেশ তবে যাওয়ার আগে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষকে দুটি ভাগে করে দিয়ে যায় ভারত পাকিস্তান

দেশভাগের পরই শুরু হয় দাঙ্গা দেড় কোটি মানুষ বাস্তুহারা হন, সহিংসতায় প্রাণ হারান ১০ লাখ ওই বিভাজনের পর থেকে ভারত পাকিস্তান চিরশত্রুতে পরিণত হয়

১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস আর ১৫ আগস্ট ভারতের উপমহাদেশে বিভাজনের ৭৫ বছর উপলক্ষে এক নিবন্ধে বিবিসি বিশ্লেষণ করেছে পেছনের কারণগুলো সেটি ভাষান্তর করা হয়েছে নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য

বিভাজনের মূল কারণ কী

১৯৪৬ সালে ব্রিটেন ভারতকে স্বাধীনতা দেয়ার ঘোষণা দেয়। দেশটির শাসনকাজ চালানোর সক্ষমতা হারানোর পর তারা যত দ্রুত সম্ভব চলে যেতে চাইছিল।

ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত স্বাধীনের তারিখ ঠিক করেন ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট।

এ অঞ্চলের ২৫ শতাংশ নাগরিক ছিল মুসলমান, বাকিদের অধিকাংশ হিন্দু। এরপর ছিল শিখ, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

ভারতের দ্য আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিস রিসার্চ কাউন্সিলের অধ্যাপক নাভতেজ পুরেওয়াল বিবিসিকে বলেন, ‘ভারতের মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভাজনের জন্য ব্রিটিশরা ধর্মকে বেছে নেয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তারা স্থানীয় নির্বাচনে মুসলিম ও হিন্দু ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা তৈরি করেছিল।

‘মুসলমান রাজনীতিকদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল। একই রকম সংরক্ষিত আসন ছিল হিন্দুদের জন্যও। রাজনীতিতে ধর্ম বড় একটা মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।’

যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যাটাম হাউস ফরেন পলিসি ইনস্টিটিউটের সদস্য ড. গ্যারেথ প্রাইস বলেন, ‘ভারতের স্বাধীনতা ঘনিয়ে আসার সময় অনেক ভারতীয় মুসলিম ভাবতে শুরু করেন, তারা কীভাবে একটি হিন্দুশাসিত দেশে থাকবেন। তারা ধরে নিয়েছিলেন, তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তাই আলাদা একটি মুসলিম দেশের জন্য তারা আন্দোলনে থাকা রাজনৈতিক নেতাদের সমর্থন জোগানো শুরু করেন।’

কংগ্রেস পার্টির স্বাধীনতা-আন্দোলনের নেতা মোহনদাস গান্ধী ও জওহরলাল নেহরু এমন এক অখণ্ড ভারত চাচ্ছিলেন, যা সমস্ত ধর্মকে বরণ করে নেয়। তবে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ স্বাধীনতার অংশ হিসেবে দেশভাগের দাবি তোলেন।

ড. প্রাইস বলেন, ‘অখণ্ড ভারত কীভাবে কাজ করবে সেটা ঠিক করতে অনেক সময় লেগে যেত। দেশভাগ ছিল দ্রুত ও চটজলদি একটা সমাধান।’

দেশভাগে ক্ষতির পরিমাণ কতটা?

ব্রিটিশ সরকারি কর্মকর্তা স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ করেন।

উপমহাদেশকে তিনি মূলত দুটো বৈশিষ্ট্যে ভাগ করেন:

. হিন্দু অধ্যুষিত মধ্য দক্ষিণাঞ্চল

. উত্তর-পশ্চিম উত্তর-পূর্বের দুটি অঞ্চল যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ

তবে ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু ও মুসলিমরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করত। প্রায় দেড় কোটি লোককে বহু পথ পাড়ি দিয়ে সীমানা অতিক্রম করতে হয়।

১৯৪৬ সালে কলকাতা রায়টের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এ কারণেও বহু লোককে ঘরছাড়া হতে হয়। কলকাতার দাঙ্গায় প্রায় ২০০০ মানুষ মারা পড়েন।

এসওএএস ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের অধ্যাপক এলানর নিউবিগিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ডানপন্থি হিন্দু গ্রুপ ও মুসলিম লীগ মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করেছিল। সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো মানুষদের গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিত।’

কমপক্ষে ২ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ লোক এ সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ও শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে রোগশোকে ভুগে মারা যান। হিন্দু ও মুসলিম হাজার হাজার নারীকে ধর্ষণ, অপহরণ বা ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে।

৭৫ বছর আগে ভারত কেন ভাগ হলো
প্রস্তাবিত পাকিস্তান ও ভারতের মানচিত্র (বাঁয়ে), চূড়ান্ত কার্যকর হওয়া মানচিত্র । ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা



বিভাজনের চূড়ান্ত ফল কী

দেশভাগের পর থেকে কাশ্মীর প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান একাধিকবার যুদ্ধে জড়িয়েছে। ১৯৪৭-৪৮ ও ১৯৬৫ সালে দুই দেশ যুদ্ধে জড়ায়। ১৯৯৯ সালে কারগিলেও লড়েছে ভারত ও পাকিস্তান। বর্তমানে দেশ দুটি কাশ্মীরের দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করে।

বর্তমানে পাকিস্তানে মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও কম হিন্দু। ড. প্রাইস বলেন, ‘পাকিস্তান দিনে দিনে আরও বেশি ইসলামপন্থি হয়ে উঠছে। এর মূল কারণ হচ্ছে জনসংখ্যার বড় একটা অংশ মুসলমান এবং খুব বেশি হিন্দু দেশটিতে বাস করেন না। একইভাবে ভারত এখন হিন্দুত্ববাদের দিকে ঝুঁকছে।’

ড. নিউবিগিন বলেন, ‘ভারত ভাগের পরবর্তী আখ্যানটি দুঃখজনক। দুই দেশেই শক্তিশালী ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমে এসেছে এবং তারা আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে আছে।’

অধ্যাপক পুরেওয়াল যোগ করেন, ‘১৯৪৭ সালে হয়তো অবিভক্ত ভারত রাখা সম্ভব ছিল। হয়তো কয়েকটি রাজ্যের ফেডারেশন হিসেবে একে গঠন করা যেত, যেখানে কয়েকটি রাজ্যে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকতেন। তবে গান্ধী ও নেহরু দুজনেই কেন্দ্রশাসিত অবিভক্ত একটি রাষ্ট্রের ধারণায় অটল ছিলেন। তারা ভাবেননি যে সংখ্যালঘু মুসলিমরা কীভাবে সে দেশে থাকবেন।’

আরও পড়ুন:
কাশ্মীরে বন্দুকধারীর হামলায় ৩ ভারতীয় সেনা নিহত
বিকিনি পরায় চাকরি খোয়ালেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকা
কংগ্রেসের ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ ৭ সেপ্টেম্বর থেকে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
66 children died after drinking Indian cough syrup

ভারতীয় কাশির সিরাপ খেয়ে ৬৬ শিশুর মৃত্যু

ভারতীয় কাশির সিরাপ খেয়ে ৬৬ শিশুর মৃত্যু নিয়ন্ত্রকদের চারটি কাশির সিরাপ বিক্রি বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে ডব্লিওএইচও। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সিরাপগুলোতে ‘অগ্রহণযোগ্য পরিমাণে’ ডাইথাইলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকোল রয়েছে; যা মানুষের জন্য বিষাক্ত। সেবনে পর এসব ‘মারাত্মক’ প্রমাণিত হতে পারে।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। গত কয়েক মাসে দেশটিতে কিডনি অকার্যকর হয়ে ৬৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুদের এমন মৃত্যুতে তদন্ত শুরু করে গাম্বিয়া সরকার। তারা দেখতে পায়, মারা যাওয়া শিশুরা একটা নির্দিষ্ট কোম্পানির কাশির সিরাপ খাওয়া পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ভারতের মেডেন ফার্মাসিউটিক্যালস নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই সিরাপগুলো রপ্তানি করে।

ঘটনাটি নজরে আসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও)। তদন্তের পর তারাও একই কথা জানায়। এরপর ভারতে তৈরি চারটি কাশির সিরাপে ‘পণ্য সতর্কতা’ জারি করে ডব্লিওএইচও। নিয়ন্ত্রকদের এসব সিরাপ বিক্রি বন্ধ করার পরামর্শও দিয়েছে তারা।

ডব্লিওএইচও-র ওয়েবসাইটে সতর্কতাটি প্রকাশ হয়েছে। ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক এখনও ডব্লিওএইচও-র ‘পণ্য সতর্কতা’ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি।

ভারতের সরকারি সূত্রগুলো নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বর বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে, অভিযোগের প্রমাণ চেয়েছে।

গাম্বিয়া শিশু মৃত্যুর সঙ্গে ভারতের কাশির সিরাপের সম্পর্কের বিষয়টি বুধবার জানান ডব্লিওএইচও-র মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুস।

তিনি বলেন, ‘সিরাপ চারটির নমুনা পরীক্ষার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি। সিরাপগুলো হলো- প্রোমেথাজিন ওরাল সলিউশন, কোফেক্সমালিন বেবি কফ সিরাপ, মাকফ বেবি কফ সিরাপ এবং ম্যাগ্রিপ এন কোল্ড সিরাপ।

‘সিরাপগুলোতে ‘অগ্রহণযোগ্য পরিমাণে’ ডাইথাইলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকোল রয়েছে; যা মানুষের জন্য বিষাক্ত। সেবনে পর এসব ‘মারাত্মক’ প্রমাণিত হতে পারে।’

ভারত বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ ওষুধ উৎপাদন করে; বেশিরভাগই জেনেরিক ওষুধ আকারে। দ্রুত বর্ধনশীল কিছু ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির আবাসস্থল ভারত ‘বিশ্বের ফার্মাসি’ নামেও পরিচিত। আফ্রিকান দেশগুলোর বেশিরভাগ চিকিৎসা চাহিদা পূরণ করে থাকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

মেডেন ফার্মাসিউটিক্যালস ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য হরিয়ানায় অবস্থিত। রয়টার্স বলছে, এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে তারা পণ্য রপ্তানি করে থাকে।

কয়েক ডজন শিশুর কিডনিতে গুরুতর সমস্যা ধরা পড়ার পর গাম্বিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জুলাইয়ে প্রথম সতর্কতা জারি করেন।

গাম্বিয়ার স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিচালক মুস্তাফা বিত্তায়ে বলেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মৃত্যু কমেছে। তারা এই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।

‘তারপরও কিছু বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে এখনও এই ওষুধ বিক্রি হচ্ছে।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Imrans PTI could not facilitate in the High Court

হাইকোর্টেও সুবিধা করতে পারল না ইমরানের পিটিআই

হাইকোর্টেও সুবিধা করতে পারল না ইমরানের পিটিআই ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অপসারণের জেরে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পিটিআইয়ের পার্লামেন্ট সদস্যরা। কেবল ১১ জনের পদত্যাগপত্র তখন গৃহীত হয়। পদত্যাগী সেই সদস্যরাই এখন পার্লামেন্টে ফিরতে চাচ্ছে। এর জন্য পিটিআই দ্বারস্থ হয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পার্লামেন্টের ইস্যু- পার্লামেন্টেই সমাধান করতে।

পার্লামেন্টে পদত্যাগপত্রবিষয়ক পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) জমা দেয়া এক আবেদনের শুনানি হয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে।

বৃহস্পতিবার সকালে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলাটির শুনানি করেছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ। শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি পিটিআইয়ের জমা দেয়া আবেদনের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি মন্তব্য করেন, সংসদের বিষয়গুলো সংসদেই সমাধান করতে হবে এবং বিষয়টি রাজনৈতিক কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দলকে আহ্বান জানান।

পিটিআই আদালত থেকে কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করতে চায় কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি আতহার।

পিটিআইয়ের পক্ষে ব্যারিস্টার আলী জাফর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত তার কাছে জানতে চান, পিটিআই দলের সদস্যদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল কি না।

সে বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও আলী জাফর জানান, পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য একটি বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পদত্যাগপত্র ভুল উপায়ে গ্রহণ করা হয়েছিল। আর সেটি চূড়ান্ত পদত্যাগপত্র ছিল না, এর সঙ্গে কিছু শর্ত যুক্ত ছিল।

আলি জাফর পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ১২৩ জনের মধ্যে কেবল ১১ জনের পদত্যাগপত্রই কেন গ্রহণ করা হলো।

ডেপুটি স্পিকার কোনো পদত্যাগের তদন্ত করেননি। অর্থাৎ তার সাংবিধানিক দায়িত্ব তিনি পালন করেননি।

ব্যারিস্টার আলি ফজলের যুক্তি ছিল, যদি আদালত পিটিআইয়ের পদত্যাগপত্র অকার্যকর ঘোষণা করে, তবে তাদের সদস্যরা পার্লামেন্টে ফিরতে পারে। জবাবে আদালত বলেছে, যে সদস্যরা পদত্যাগ করেছেন, তাদের অবশ্যই পার্লামেন্টে থাকতে হবে এবং পার্লামেন্ট হাউসের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি আরও মন্তব্য করেন যে আদালত সংসদের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি করতে পারে না এবং এটা নৈতিকও নয়।

আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বলেন, ‘আপনি এমন ধারণা দিচ্ছেন যে আপনি সংসদকে সম্মান করেন না। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি সম্মান (সংসদকে) করেন।’

এরপর শুনানি এক ঘণ্টা মুলতবি করা হয়।

পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইমরান খানের অপসারণের পর গত এপ্রিলে তার দল পিটিআইয়ের সদস্যরা পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং একযোগে স্পিকার বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান।

আরও পড়ুন:
ইমরান খানের পিটিআই নিয়েছিল নিষিদ্ধ বিদেশি অনুদান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
8 dead in Durga landslide in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা বিসর্জনে পাহাড়ি ঢলে মৃত ৮

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা বিসর্জনে পাহাড়ি ঢলে মৃত ৮ মাল নদীতে হরপা বানে ভেসে যাচ্ছে মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিমা বিসর্জন চলাকালীন পাহাড়ি ঢলে আচমকা মাল নদী ফুলে ওঠে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নদীতে পড়ে যান বহু মানুষ। নদীতে আটকে পড়ে বিসর্জনের গাড়িও। ৮ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেলেও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার মাল নদীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে হড়পা বানে (পাহাড়ি ঢল) ভেসে গিয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দল উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ঘটনার সময় বুধবার সন্ধ্যায় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন চলছিল মাল নদীতে। বিসর্জন দেখতে নদীর ধারে বহু দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিমা বিসর্জন চলাকালীন আচমকা নদী ফুলে ওঠে। পাহাড় থেকে পানির স্রোত নেমে আসে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নদীতে পড়ে যান বহু মানুষ। নদীতে আটকে পড়ে বিসর্জনের গাড়িও।

পানির স্রোতে ৩০ থেকে ৪০ জন দর্শনার্থী ভেসে যান। উদ্ধারকাজে নামে এনডিআরএফের দল এবং রাজ্য পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্থানীয় মালবাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় তৃণমূল নেতা বুলুচিক বরাইক জানান, ‘উদ্ধারকাজের সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হঠাৎ করে পানি বেড়ে যাওয়ায় এ রকম দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

সেখানে জলপাইগুড়ি মালবাজারের চা-বাগানগুলোর প্রতিমা বিসর্জন চলছিল মাল নদীতে। আগেও এই এলাকায় হড়পা বানের নজির থাকার পরও কেন প্রশাসন আগেভাগে ব্যবস্থা নেয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিন রাতে বিবৃতি দিয়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মো. সেলিম জানান, ‘এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে উদ্ধারকাজে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর। উদয়ন গুহ বলেন, ‘এই ঘটনার কোনো সতর্কতা আগে থেকে নেয়া সম্ভব ছিল না। যা পানি ছিল হঠাৎ করে তা ৫ গুণ বেড়ে যাওয়ায় বিপত্তি দেখা দেয়। উদ্ধারকাজ চলছে।’

এদিকে হাসপাতালে ভর্তি আহতদের পরিবারের অভিযোগ, বিধায়ক এসে দেখে গেলেও হাসপাতালে আহতদের ঠিকমতো দেখভাল করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে অস্থির চালের বাজার
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে সতর্কতা পশ্চিমবঙ্গে
বিজেপির সভামঞ্চে নারীকে মারধর
টেলিমেডিসিনে সুস্থ স্ট্রোকের রোগী
দুধের কনটেইনারে ‘গরু পাচার’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
32 killed in marriage ceremony bus crash in Uttarakhand

উত্তরাখণ্ডে বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস খাদে, নিহত ৩২

উত্তরাখণ্ডে বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস খাদে, নিহত ৩২ ভারতের উত্তরাখণ্ডের পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে গভীর খাদে পড়ে যায় বাসটি। ছবি: এএনআই
পঞ্চাশোর্ধ্ব যাত্রী নিয়ে বাসটি রাজ্যের হরিদ্বার জেলার লালধং থেকে পৌরির বীরখাল ব্লকে যাচ্ছিল। পথে পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে এটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ভারতের উত্তরাখণ্ডের পৌরি জেলায় বিয়ের অনুষ্ঠানের বাস ৫০০ মিটার গভীর খাদে পড়ে কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবারের এ ঘটনায় ২০ জনের মতো যাত্রী আহত হয়েছেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার পর উদ্ধার তৎপরতা চালান স্টেট ডিজ্যাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এসডিআরএফ) ও ন্যাশনাল ডিজ্যাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) সদস্যরা। আহত যাত্রীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পঞ্চাশোর্ধ্ব যাত্রী নিয়ে বাসটি রাজ্যের হরিদ্বার জেলার লালধং থেকে পৌরির বীরখাল ব্লকে যাচ্ছিল। পথে পৌরির ধুমকোট থানাধীন সিমদি গ্রামের কাছে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে এটি খাদে পড়ে যায়।

খবর পাওয়ার পরপরই দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান ধুমকোট থানার কর্মকর্তারা। উত্তরাখণ্ডের ‍মুখ্যমন্ত্রী পুশকার সিং ধামিও দ্রুত স্টেট ডিজ্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে পৌঁছান।

বাস দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির খবরে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

তিনি টুইটারে লেখেন, ‘উত্তরাখণ্ডের পৌরি জেলায় বাস দুর্ঘটনাটি হৃদয়বিদারক। এ ঘটনায় স্বজন হারানো মানুষদের প্রতি শোক প্রকাশ করছি।

‘ঈশ্বর যেন তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার শক্তি দেন। এ দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’

আরও পড়ুন:
নাচতে নাচতে যুবকের মৃত্যু, শোকে বাবাও পরপারে
ইরানি ফ্লাইটে বোমা আতঙ্ক, যুদ্ধবিমান পাঠাল ভারত 
উত্তর প্রদেশে সড়কে গেল ৩১ প্রাণ
প্রতারককে ব্যাংকের তথ্য জানিয়ে অর্থ খোয়ালেন অন্নু
‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The director general of police was killed by slitting the throat of a prison in Kashmir

কাশ্মীরে কারা পুলিশের মহাপরিচালককে গলা কেটে হত্যা

কাশ্মীরে কারা পুলিশের মহাপরিচালককে গলা কেটে হত্যা
পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর পর থেকে তার গৃহকর্মী পলাতক। তাকে খুঁজতে অভিযান শুরু হয়েছে।

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

জম্মুর উপকণ্ঠে উদাইওয়ালায় নিজ বাড়ি থেকে সোমবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে এনডিটিভি

৫৭ বছর বয়সী হেমন্ত লহিয়া কারারক্ষীর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ১৯৯২ সালে আইপিএস অফিসার পদে যোগ দেন। গত আগস্টে দায়িত্ব পান জম্মু-কাশ্মীরের কারা মহাপরিচালক হিসেবে।

কারা পুলিশের অতিরিক্ত পরিচালক মুকেশ সিং জানিয়েছেন, পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর পর থেকে তার গৃহকর্মী পলাতক। তাকে খুঁজতে অভিযান শুরু হয়েছে।

পুলিশের অপরাধ ও ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

জম্মু-কাশ্মীরে সম্প্রতি ‘টার্গেট কিলিং’ বেড়েছে। এতে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে উপত্যকায়। প্রাণ বাঁচাতে উপত্যকা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন অনেকেই।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট মোদি সরকার ভারতশাসিত কাশ্মীরের বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা কেড়ে নেয়। এরপর থেকেই কাশ্মীরে অশান্তি বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাঝে কিছুদিন পুলিশ ও সেনা তৎপরতায় পরিস্থিতি খানিকটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও গত কয়েক মাসে হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে পরিস্থিতি।

অভিযোগ রয়েছে, পাক-মদদপুষ্ট জঙ্গিদের আনাগোনা মারাত্মক বেড়ে গেছে। একের পর এক সাধারণ মানুষকে নিশানা করছে তারা।

আরও পড়ুন:
মেডিক্যালে পড়তে আসা কাশ্মীরি ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে গুলিতে শ্রমিক নিহত
পুলিৎজারজয়ী কাশ্মীরের চিত্র সাংবাদিককে আটকে দিল নয়াদিল্লি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Death toll in Kabul education center attack rises to 35

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫
কাবুলের শিক্ষা কেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: এএফপি
দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।  

আফগানিস্তানে একটি শিক্ষাকেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় মৃত বেড়ে ৩৫ হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই তরুণী এবং অল্প বয়সী নারী। দেশটিতে জাতিসংঘ মিশন সোমবার আপডেটে এ তথ্য জানায়। হামলার আহত হয়েছেন ৮২ জন।

রাজধানী কাবুলের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে শুক্রবার হামলাটি হয়। এ সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর বলেন, ‘বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।’

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর দাশত-ই-বারচির একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
গ্যালারিতে পাকিস্তানিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারল আফগানরা
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The father is also mourning the death of the young man while dancing

নাচতে নাচতে যুবকের মৃত্যু, শোকে বাবাও পরপারে

নাচতে নাচতে যুবকের মৃত্যু, শোকে বাবাও পরপারে মনিশ নারাপজি সোনিগ্রা (বাঁয়ে) এবং নরাপজি সোনিগ্রা। ছবি: সংগৃহীত
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক মনিশকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ধাক্কা সহ্য করতে পারেনি ৬৬ বছরের বাবা নরাপজি সোনিগ্রা। লুটিয়ে পড়েন তিনি; ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। 

মহারাষ্ট্রের ৩৫ বছরের যুবক মনিশ নারাপজি সোনিগ্রা। শনিবার সূর্য নামতেই পালঘর জেলার ভিরার শহরে এক গারবা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। আয়োজনে উপস্থিত সবাই যখন নাচে ব্যস্ত, সময় তখন মধ্যরাত। নাচতে নাচতে হঠাৎ মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন মনিশ।

তড়িঘড়ি করে খবর দেয়া হলো মনিশের বাবা নরাপজি সোনিগ্রাকে। তিনিই ছেলেকে হাসপাতালে নেন।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক মনিশকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ধাক্কা সহ্য করতে পারেনি ৬৬ বছরের বাবা নরাপজি সোনিগ্রা। লুটিয়ে পড়েন তিনি; ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

পুলিশ জানায়, মধ্যরাতে ভিরারের গ্লোবাল সিটি কমপ্লেক্সে একটি গারবা অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে একজন মারা গেছেন। এই খবরে ওই ব্যক্তির বাবা ঘটনাস্থলেই মারা যান।

‘ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কাজলায় বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল
বুমরাহর বদলি সিরাজ
‘কবিরাজি চিকিৎসায়’ প্যারালাইজড কিশোরের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৩
ডোবায় মিলল ভাই-বোনের মরদেহ

মন্তব্য

p
উপরে