× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
করোনাভাইরাস চীনা গবেষণা নাকচ দেশের বিজ্ঞানীদের
google_news print-icon

করোনা: বাংলাদেশ নিয়ে চীনা দাবি নাকচ বিজ্ঞানীদের

করোনা-বাংলাদেশ-নিয়ে-চীনা-দাবি-নাকচ-বিজ্ঞানীদের
চীনের একদল গবেষক সম্প্রতি দাবি করেন, ২০১৯ সালের গ্রীষ্মেই সম্ভবত করোনার জীবাণু ছড়িয়েছিল। আর সেটা ছড়িয়ে থাকতে পারে ভারত অথবা বাংলাদেশ থেকে। তবে বাংলাদেশের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারি ঠেকাতে ব্যর্থ চীন বিশ্বের মনোযোগ অন্যদিকে ঘোরাতে চাইছে।

কোভিড-১৯ এর জন্য দায়ী ভাইরাসটি (সার্স কভ টু) ভারত অথবা বাংলাদেশ অঞ্চলে প্রথম মানবদেহে ছড়িয়ে থাকতে পারে- চীনের একদল গবেষকের এমন দাবিকে উড়িয়ে দিচ্ছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা। গবেষণার পদ্ধতি নিয়েই পাল্টা প্রশ্ন তাদের।

বাংলাদেশের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একদম শুরুতে মহামারি ঠেকাতে ব্যর্থ চীন এখন বিশ্বের মনোযোগ অন্যদিকে ঘোরাতে চাইছে। এ জন্য বিভিন্ন সময়ে তারা বিভ্রান্তিকর গবেষণার তথ্য প্রকাশ করছে।

চীনের একদল গবেষক সম্প্রতি দাবি করেন, ২০১৯ সালের গ্রীষ্মেই সম্ভবত করোনার জীবাণু ছড়িয়েছিল। আর সেটা ছড়িয়ে থাকতে পারে ভারত অথবা বাংলাদেশ থেকে। যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, চেক রিপাবলিক, রাশিয়া ও সার্বিয়াকেও সম্ভাব্য উৎসের তালিকায় রাখা হয়েছে।

চীনা বিজ্ঞানীদের ধারণা, এসব দেশের কোনো একটি থেকে কোভিডের ভাইরাস চীনের উহানে বাহিত হয়েছে। আর উহানেই এটা প্রথম শনাক্ত হয়।

চিকিৎসা বিষয়ে বিশ্বের সবচেয়ে অভিজাত সাময়িকী ল্যানসেট-এর একটি প্রি-প্রিন্ট প্ল্যাটফর্মে গত ১৭ নভেম্বর প্রকাশিত হয় গবেষণা নিবন্ধটি।

চীনের বিজ্ঞানীদের এই গবেষণা নিয়ে নিউজবাংলা কথা বলেছে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের জিন নিয়ে কাজ করেছেন এমন কয়েকজন গবেষকের সঙ্গে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরাস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চীনা বিজ্ঞানীদের গবেষণা নিবন্ধটি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ের। এর উপর ভিত্তি করে কিছু বলা যায় না।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘তারা (চীনা গবেষক দল) একটি মাত্র ফাইন্ডিংস নিয়ে কাজ করেছে। কিন্তু করোনাভাইরাস সারা পৃথিবীতে ছড়িয়েছে। আমরা সেগুলো অনুসন্ধান করতে চাইলে সারা পৃথিবীর সব জায়গা থেকে জেনোম সিকোয়েন্স কালেক্ট করতে হবে। এটা মিউটেশনের সংখ্যা দিয়ে হবে না। কোন পয়েন্টে এই মিউটেশন হয়েছে সেটা নিয়ে কাজ করতে হবে।’

চীনা গবেষকেরা বলেছেন, ‘২০১৯ সালের মে থেকে জুনের মধ্যে উত্তর-মধ্য ভারত ও পাকিস্তানে তীব্র দাবদাহ বয়ে গেছে। এর ফলে এ অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছিল। পানি সংকটের কারণে বানরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর মধ্যে খাবার পানি নিয়ে প্রাণঘাতী সংঘাত শুরু হয়। এ থেকে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে সংস্পর্শের সম্ভাবনা নিশ্চিতভাবে বেড়েছে।’

তবে এই দাবিকে ‘হাস্যকর’ মনে করছেন বাংলাদেশে কোভিড ১৯ এর জন্য দায়ী ভাইরাসের প্রথম জিনরহস্য উন্মোচনকারী বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চীনের গবেষণা দল যে দাবি করছে, সেটি প্রমাণ করতে হলে তারা যে প্রাণীর নাম বলেছে সেই প্রাণীর অস্তিত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। তাদের দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা ভারতে এই প্রাণী নিশ্চয়ই রয়েছে। ওখান থেকে নুমনা নিয়ে সিকোয়েন্স পরীক্ষা করতে হবে বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য।’

পুরো গবেষণা পদ্ধতিই ভুল- মন্তব্য করে এই অণুজীববিজ্ঞানী বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রায় ৫০০ জিনোম সিকোয়েন্স হয়ে গেছে। ভারতে দুই হাজারের উপরে জিনোম সিকোয়েন্স হয়েছে। পাকিস্তানেও এমন হয়েছে। সবগুলো জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা করে দেখা গেছে এই ভাইরাস চীনের উহান শহর থেকে এসেছে।’

গবেষণার পদ্ধতিগত ক্রটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘জিনোম সিকোয়েন্সের পরিবর্তন নির্ভর করে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের উপর। চীনের গবেষকেরা যে মডেল ব্যবহার করেছেন সেটির নাম হল পার্সিমন মডেল। এই মডেল আজকাল আর খুব বেশি ব্যবহার করা হয় না। এটি অনেক পুরানো একটা মডেল।

‘আমরা এখন অনেক নতুন মডেল নিয়ে কাজ করে থাকি। আমরা দেখার চেষ্টা করি একটা এন্টিবায়োটিক রেজিট্যান্স জিন বাংলাদেশে কখন এসেছে, কীভাবে এসেছে। এটা এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। কেনো তারা মাত্র চার হাজার জিন নিয়ে কাজ করল বা কেনো পুরোন মডেল ব্যবহার করল সেটি ভেবে দেখার বিষয়।’

সেজুঁতির পাল্টা প্রশ্ন, ‘মাত্র চার হাজার সিকোয়েন্স নিয়ে তারা কয়টা মিউটেশন বের করতে পারবে, যেখানে লাখ লাখ সিকোয়েন্স রয়ে গেছে?

‘শুধু ভারত, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর অনেক দেশেই প্রচুর সিকোয়েন্স নিয়ে পরীক্ষা করে দেখা গেছে উহান শহর থেকেই করোনার জীবাণু ছড়িয়েছে।’

বাংলাদেশে প্রথম দিকে (মার্চে) যাদের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল তাদের সবার সঙ্গে বিদেশের কোনো না কোনো সংযোগ পাওয়া গিয়েছিল বলেও মনে করিয়ে দেন সেজুঁতি সাহা। তিনি বলেন, এর মধ্যে দিয়েও প্রমাণিত হয় করোনাভাইরাসটি বাংলাদেশে প্রথম মানবদেহে সংক্রমিত হয়নি।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চীনা বিজ্ঞানীদের এই গবেষণা আসলে বাস্তবে কিছুই হয়নি।

‘এটা পক্ষপাতমূলক অনেকটা। যে সিকোয়েন্সগুলা নিজেদের কাজে লাগে শুধু সেগুলোই বিশ্লেষণ করেছে তারা। জেনোম সিকোয়েন্স নিয়ে যে কথা বলা হয়েছে সেখানে জানতে হবে কোন ভাইরাসের হাই মিউটেশন হয় আবার কোন ভাইরাসের স্লো মিউটেশন হয়। এটা সারা পৃথিবীতেই হচ্ছে। আর স্লোগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্লোগুলো নিয়ে তারা কাজ করেছে। ’

তিনি আরো বলেন, ‘এই গবেষণায় কোনো বিশেষত্ব নাই, কারণ প্রত্যেক ক্ষেত্রে হোস্ট স্ট্রেস বলে একটা কথা আছে। কিছু সিকোয়েন্স পরিবর্তন হয় শুধু হোস্টের উপর নির্ভর করে। সেটা ভাইরাসের চরিত্রে কোনো প্রভাব ফেলে না।’

অন্যদিকে, করোনাভাইরাসের জিন মানচিত্র করা পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চীনের গবেষণাটি তো এখন পর্যন্ত রিভিউই হয়নি। তারা যে পদ্ধতি ব্যবহার করে এই গবেষণা করেছে সেটা কতখানি ঠিক সেটাও জানার বিষয়। পদ্ধতিটা উদ্দেশ্যমূলক কিনা সে প্রশ্ন থেকে যায়।

‘আমরা তো দেশের মোট জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে দেখিনি। বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান জেনোম সিকোয়েন্স করেছে, তাদের কাছে আলাদা আলাদা ফলাফল আছে। সবগুলো নিয়ে বসে একসাথে যে বিশ্লেষণ করা যাবে, সেটা তো আমাদের এখানো করা হয়নি। তাই এটা নিয়ে তো হুট করে কিছু বলা যাবে না। ’

আরও পড়ুন:
নতুন বিপদ ‘লং কোভিড’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Professor Mohammad Hossain is the president of Bangladesh Society of Neurosurgeons

ফের বাংলাদেশ সোসাইটি অফ নিউরোসার্জনসের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হোসেন

ফের বাংলাদেশ সোসাইটি অফ নিউরোসার্জনসের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হোসেন বাংলাদেশ সোসাইটি অফ নিউরোসার্জনসের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এবং সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন সভাপতি পদে বিপুল ভোটে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিউরোসার্জিক্যাল চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে নিউরোসার্জিক্যাল সার্ভিস চালু করা, ব্রেন ও মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত এবং স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের জরুরি অপারেশনের জন্য পদ সৃষ্টির জন্য কাজ করব।’

বাংলাদেশ সোসাইটি অফ নিউরোসার্জনসের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২৪ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের লেকচার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এবং সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন সভাপতি পদে বিপুল ভোটে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১২৬।

মোহাম্মদ হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার প্রাপ্ত ভোট ৯৯।

বাংলাদেশ সোসাইটি অফ নিউরোসার্জনসের এ নির্বাচন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের লেকচারার হলে শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন।

নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হন অধ্যাপক ডা. আতিকুর রহমান।

অন্য পদসহ মোট ১৩ সদস্যের কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশের ২২৮ জন নিউরো সার্জন এ নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ভোট দেন।

নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিউরোসার্জিক্যাল চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে নিউরোসার্জিক্যাল সার্ভিস চালু করা, ব্রেন ও মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত এবং স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের জরুরি অপারেশনের জন্য পদ সৃষ্টির জন্য কাজ করব।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১ সালের উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশের নিউরোসার্জারিকে বিশ্বমানে পরিণত করার লক্ষ্যে সোসাইটি অব নিউরোসার্জন কাজ অব্যাহত রাখবে।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Case in the name of 7 people including former DG of Health and Dr Sabrina

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি ও ডা. সাবরিনাসহ ৭ জনের নামে মামলা

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি ও ডা. সাবরিনাসহ ৭ জনের নামে মামলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ ও ডা. সাবরিনা ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন। কোলাজ: নিউজবাংলা
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অন্যদের যোগসাজশে মী আরিফুল চৌধুরীর ওভাল গ্রুপের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারকে কোভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহের জন্য অনুমতি পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন।

করোনা টেস্টের ১৫ হাজার ৪৬০টি ভুয়া ও জাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া বুধবার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, জেকেজি হেলথ কেয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফুল চৌধুরী, অফিস স্টাফ আ স ম সাঈদ চৌধুরী হুমায়ুন কবির ওরফে হিমু, তানজিনা পাটোয়ারী ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের মালিক জেবুন্নেসা রিমা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে অসৎ উদ্দেশ্য এবং কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে জেকেজি হেলথ কেয়ার নামক একটি লাভজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পরিচয় ব্যবহার করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অন্যদের যোগসাজশে অভিজ্ঞতাহীন, নিবন্ধনবিহীন, ট্রেডলাইসেন্সবিহীন তার স্বামী আরিফুল চৌধুরীর ওভাল গ্রুপের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারকে কোভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহের জন্য অনুমতি পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন।

সূত্র আরও জানায়, বিনামূল্যে বুথ থেকে করোনার স্যাম্পল কালেকশনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন নিয়ে বুথ থেকে স্যাম্পল কালেকশন না করে আসামি ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন ও তার স্বামী আরিফুল চৌধুরীর নির্দেশে তার অফিসের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে টেস্ট ফি হিসেবে প্রতিটি টেস্টের জন্য আনুমানিক ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা গ্রহণ করে তা যথাযথভাবে পরীক্ষা না করে ভুয়া ও জাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে ১৫ হাজার ৪৬০টি রিপোর্ট প্রস্তুত করে তা সেবাগ্রহীতাদের কাছে সরবরাহ করে প্রতারণার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা অর্থ সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

এছাড়া সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি এবং লকডাউন চলাকালীন ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন সময়ে লকডাউনের মধ্যে মাত্র তিন মাসে ওভাল গ্রুপ এবং এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ভেলবিল সিকিউরিটি সার্ভিসের প্রাইভেট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এক কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা জমা হয়েছে, যা করোনা টেস্টের টাকা বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬৮/৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Father seeks help for terminally ill daughter

দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত পৃথির জন্য সাহায্য চান বাবা

দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত পৃথির জন্য সাহায্য চান বাবা সাবিকুন নাহার পৃথির নাক, কানসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ দিয়ে রক্তপাত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
চিকিৎসকরা মনে করছেন, পৃথি হয়তো বিদেশের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে যেতে পারেন। তার বাবাও সেটা বিশ্বাস করেন।

দুরারোগ্য রোগে দীর্ঘদিন ধরে আক্রান্ত সাবিকুন নাহার পৃথি। তার নাক, কানসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ দিয়ে রক্তপাত হয়।

চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ইবনে সিনা হাসপাতালসহ অন্য অনেক সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও সঠিক রোগ নির্ণয়ে ব্যর্থ হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে ভারতের দুরারোগ্য চিকিৎসার জন্য বিখ্যাত হাসপাতাল আর্টিমিসে নিয়ে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করেও রোগের সঠিক নির্ণয় ও নিরাময়ে ব্যর্থ হন তার বাবা। অবশেষে এখন ঢাকায় ফেরত এসে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৮ বছরের পৃথি।

হাসপাতালের চিকিৎসক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ভর্তির জন্য নির্দেশ দিয়েছেন এবং সিঙ্গাপুর অথবা থাইল্যান্ডের হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।

চিকিৎসকরা মনে করছেন, পৃথি হয়তো বিদেশের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে যেতে পারেন। তার বাবাও সেটা বিশ্বাস করেন।

ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছেন পৃথির বাবা। তাই দেশে-বিদেশে অবস্থানরত বিশিষ্ট সমাজসেবীদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছেন তিনি। পৃথিকে সাহায্য পাঠানো যাবে নিচের নম্বরে।

Account Name: Md. Alamin, Account no: 0771340027137, Social Islami Bank limited.

Mobile no: 01761351181, 01986591650

আরও পড়ুন:
ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার বিএমডিসি ছাড়া কারও নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রোগীর প্রতি অবহেলা সহ্য করব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দাবদাহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব হাসপাতাল প্রস্তুত রাখার নির্দেশ
আরও এক সপ্তাহ স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত আসছে
চিকিৎসকের ওপর হামলা বা চিকিৎসায় অবহেলা কোনোটাই মেনে নেব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Life and Health Limited and Bangkok Hospital Thailand press conference

লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেড ও ব্যাংকক হসপিটাল থাইল্যান্ডের সংবাদ সম্মেলন

লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেড ও ব্যাংকক হসপিটাল থাইল্যান্ডের সংবাদ সম্মেলন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকক হসপিটালের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা নিয়ে আলোচনা করেন ব্যাংকক হসপিটালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সিইও ডা. ধুন দামরংসাক এবং ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শক্তি রঞ্জন পাল।

লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেড ও থাইল্যান্ডের স্বনামধন্য ব্যাংকক হসপিটাল সোমবার যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকক হসপিটালের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা নিয়ে আলোচনা করেন ব্যাংকক হসপিটালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সিইও ডা. ধুন দামরংসাক এবং ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শক্তি রঞ্জন পাল।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. নীলাঞ্জনা সেন এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের কর্ণধার ও অপারেশন্স অ্যান্ড মার্কেটিং পরিচালক মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহ রেজওয়ান।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক
তাপপ্রবাহে মাগুরার হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা
প্রায় এক ঘণ্টা পর নিভল শিশু হাসপাতালের আগুন
রাজধানীর শিশু হাসপাতালে আগুন
পাবনায় ভুল চিকিৎসায় দুই প্রসূতির মৃত্যু, হাসপাতাল সিলগালা

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Life and Health and Payathai Paholiothin Hospital held a joint press conference

লাইফ অ্যান্ড হেলথ ও পায়াথাই পাহোলিওথিন হসপিটালের যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

লাইফ অ্যান্ড হেলথ ও পায়াথাই পাহোলিওথিন হসপিটালের যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত দুই প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ছবি: নিউজবাংলা
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন পায়াথাই পাহোলিওথিন হসপিটালের পরিচালক ও সহকারী অধ্যাপক ডা. ভিরায়া পাওচেরন।

থাইল্যান্ডের স্বনামধন্য হসপিটাল পায়াথাই পাহোলিওথিনের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশি রোগীদের সরাসরি স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদান করছে লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেড।

এ বিষয়ে শনিবার একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন পায়াথাই পাহোলিওথিন হসপিটালের পরিচালক ও সহকারী অধ্যাপক ডা. ভিরায়া পাওচেরন।

ওই সময় প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের ডিভিশনাল ব্যবস্থাপক পাসিনি পাতানাসিরি, আন্তর্জাতিক বিপণন ব্যবস্থাপক জ মিন উ এবং লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. নীলাঞ্জন সেন, অপারেশন অ্যান্ড মার্কেটিং পরিচালক মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহ ও এম ফয়সাল আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সরকারি হাসপাতালে বসে রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ
দেড় মাসে তৃতীয়বারের মতো আগুন ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে
গাজীপুরে হাসপাতালের লিফটে আটকা পড়ে রোগীর মৃত্যু
ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ভাঙচুর
চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Every hospital in the country has antivenom Health Minister

দেশের প্রতিটি হাসপাতালে এন্টিভেনম আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি হাসপাতালে এন্টিভেনম আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ছবি: সংগৃহীত
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘চিকিৎসা আছে। তবে সর্প দংশনে আক্রান্ত রোগীকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া অপরিহার্য। ভ্যাকসিন না থাকায় রোগী মারা গেছে- দয়া করে এই ভুল তথ্য কেউ দেবেন না।’

দেশের প্রতিটি হাসপাতালে রাসেলস ভাইপারের এন্টিভেনম রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মেডিসিন আয়োজিত ‘রাসেলস ভাইপার: ভয় বনাম ফ্যাক্ট’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন। সূত্র: বাসস

সর্প দংশনে আক্রান্ত রোগীকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া অপরিহার্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাকসিন না থাকায় রোগী মারা গেছে- দয়া করে এই ভুল তথ্য কেউ দেবেন না। ভুল তথ্য দিলে মানুষ আতঙ্কিত হয়। রাসেলস ভাইপারের এন্টিভেনম বাংলাদেশের প্রতিটি হাসপাতালে আছে।’

সামন্ত লাল বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের অনেক হ্যান্ডস আছেন; মেম্বার আছেন, চেয়ারম্যান আছেন। রোগী হাসপাতালে আনার দায়িত্ব যদি আপনারা নেন এবং দ্রুত চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে আসেন, তাহলে যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা যাবে। রোগী যথাসময়ে হাসপাতালে আনতে হবে। সেটা তো আর চিকিৎসকরা পারবে না।’

রাসেলস ভাইপার নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবাই নিরলস কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে ডাক্তার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মী ও বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। আমি মনে করি, দেশের মানুষের রাসেলস ভাইপারের আতঙ্ক একদিন চলে যাবে।’

সেমিনারে বৈজ্ঞানিক সেশনে বক্তা হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আবু রেজা, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবু শাহীন মো. মাহবুবুর রহমান, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষ রাসেলস ভাইপার সাপ এবং এন্টিভেনম নিয়ে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মেডিসিনের সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. টিটু মিঞার সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. দ্বীন মোহাম্মদ নূরুল হক, বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মেডিসিনের মহাসচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসকের ওপর হামলা বা চিকিৎসায় অবহেলা কোনোটাই মেনে নেব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
‘পশুপাখির মধ্যেও অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বিস্তার লাভ করেছে’
ঈদের দিন আকস্মিক তিন হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঈদের ছুটিতে দুই হাসপাতাল পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ঈদের ছুটিতে কখন কোন হাসপাতালে যাব বলব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Air pollution kills 2000 children every day in the world report

বায়ুদূষণে বিশ্বে প্রতিদিন ২ হাজার শিশুর মৃত্যু: প্রতিবেদন

বায়ুদূষণে বিশ্বে প্রতিদিন ২ হাজার শিশুর মৃত্যু: প্রতিবেদন প্রতীকী ছবি/নিউজ এইটিন
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বায়ুদূষণের সংস্পর্শে ৮১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা সব মৃত্যুর প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ তামাক ব্যবহার ও দুর্বল খাদ্যাভ্যাসকেও ছাড়িয়ে গেছে বায়ুদূষণ।

বায়ুদূষণের সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে সারা বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার শিশু মারা যায়। উচ্চ রক্তচাপের পর অকালে মৃত্যুর জন্য এটি দ্বিতীয় প্রধান ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে বুধবার এ দাবি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বায়ুদূষণের সংস্পর্শে ৮১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা সব মৃত্যুর প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ তামাক ব্যবহার ও দুর্বল খাদ্যাভ্যাসকেও ছাড়িয়ে গেছে বায়ুদূষণ।

ছোট বাচ্চারা বায়ুদূষণের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থাটির বার্ষিক স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার প্রতিবেদনের অংশীদার। এ ছাড়া এ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন পরিচালিত গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ স্টাডি থেকে দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলের ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ পাঁচ বছরের কম বয়সি সাত লাখেরও বেশি শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী। এর মধ্যে পাঁচ লাখেরও বেশি শিশুর মৃত্যুর জন্য কয়লা, কাঠ বা গোবরের মতো নোংরা জ্বালানি ব্যবহার করে ঘরের ভেতরে রান্না দায়ী। এসব মৃত্যুর অধিকাংশই হয়েছে আফ্রিকা ও এশিয়ায়।

হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের গ্লোবাল হেলথের প্রধান পল্লবী পান্ত বলেন, ‘এগুলো এমন সমস্যা, যা আমরা জানি যে সমাধান করা সম্ভব।’

প্রতিবেদনটিতে আরও দেখা যায়, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মানুষই প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর মাত্রার বায়ুদূষণে শ্বাস নেয়। ৯০ শতাংশেরও বেশি মৃত্যু পিএম ২.৫ নামের ক্ষুদ্র বায়ুবাহিত দূষণের সঙ্গে যুক্ত। পিএম ২.৫ নিশ্বাসে ফুসফুসের ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিবেদনটির উদ্দেশ্য ছিল বায়ুদূষণের মাত্রার সঙ্গে এ ধরনের রোগের হারকে যুক্ত কর, কিন্তু এমন ভয়াবহ পরিসংখ্যান সত্ত্বেও প্রতিবেদনটি এখনও বায়ুদূষণের প্রভাবকে অবমূল্যায়ন করতে পারে বলে পান্ত জানান। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, বায়ুদূষণ কীভাবে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ বা তাপের জন্য শুষ্ক জ্বালানি ব্যবহারে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবী উষ্ণ হওয়ায় ওজোনদূষণ আরও খারাপ হতে পারে। ২০২১ সালে প্রায় এটি পাঁচ লাখ মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিল।

আরও পড়ুন:
খুলি ও টুকরো টুকরো মাংস উদ্ধার: নিখোঁজ শর্মিলার বাবার মামলা
ঢাকা মেডিক্যালে যমজ নবজাতকের একটিকে চুরি
খুলি নিয়ে টানাটানি করছিল কুকুর, বস্তায় মিলল টুকরো টুকরো মাংস
হাওরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
নিখোঁজের ১৭ দিন পর বাড়ি ফিরছে শিশুটি

মন্তব্য

p
উপরে