× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

ফ্যাক্ট চেক
Viral in the Iran protests the young woman was shot dead?
hear-news
player
google_news print-icon

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?

ইরান-বিক্ষোভে-ভাইরাল-সেই-তরুণী-কি-গুলিতে-নিহত?
চুল বেঁধে বিক্ষোভে অংশ নেয়া তরুণীকে হাদিস নাজাফি দাবি করে তার মৃত্যুর তথ্য প্রচার করছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
বিবিসি ফার্সির টুইটের পর হাদিসের মৃত্যুর প্রতিবেদন থেকে চুল বাঁধা তরুণীর ছবি সরিয়ে নেয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। তবে এর দু’দিন পর ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়, ঝুঁটি বেঁধে বিক্ষোভে অংশ নেয়া ওই তরুণীর নাম হাদিস নাজাফি। বাংলাদেশের কিছু সংবাদমাধ্যমও বলছে, ভাইরাল ভিডিওর তরুণী গুলিতে নিহত হয়েছেন।

কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনা কেন্দ্র করে কঠোর পোশাকবিধি নিয়ে ইরানি নারীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে । ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিক্ষোভে উত্তাল ইরানে অন্তত ৭৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন হাজারের বেশি।

নিরাপত্তা বাহিনীর সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করলেও প্রতিবাদের ঢেউ দেশটির অন্তত ৮০টি শহরে এরইমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে প্রতিদিনই প্রাণ দিচ্ছে মানুষ। নিহতদের মধ্যে পুরুষের পাশাপাশি নারী-শিশুও রয়েছে।

মাহসাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভে নতুন করে আরও একটি নাম প্রতিবাদের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তিনি ২২ বছরের তরুণী হাদিস নাজাফি।

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?
মাহসা আমিনির (বাঁয়ে) পর এবার ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতা দাবির বিক্ষোভের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন এই তরুণী

কারাজ শহরে ২১ সেপ্টেম্বর ওই বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া গুলিতে প্রাণ হারান তিনি।

এর চার দিন পর গত রোববার সাংবাদিক এবং নারী অধিকারকর্মী মাসিহ আলিনেজাদ একটি ভিডিও পোস্ট করেন। এতে দেখা যায় এক তরুণী তার খোলা চুল ঝুঁটি বেধে বিক্ষোভে যোগ দিতে এগিয়ে যাচ্ছেন। মাসিহ আলিনেজাদের দাবি ছিল, ওই তরুণীর নামই হাদিস নাফাফি। বিক্ষোভে যোগ দেয়ার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর ছয়টি গুলিতে তিনি প্রাণ হারান।

ইরানের সাংবাদিক ফারজাদ সেফিকারানকে উদ্ধৃত করে আল আরাবিয়া জানায়, বিক্ষোভে নিহত হাদিসের মুখ, ঘাড় এবং বুকে গুলি লেগেছিল। স্থানীয় ঘায়েম হাসপাতালে নেয়ার পরপরই তার মৃত্যু হয়। আল আরাবিয়ার প্রতিবেদনেও ভিডিওতে চুল বাঁধা তরুণীকে ‘হাদিস নাজাফি’ বলে উল্লেখ করা হয়।

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?
ভাইরাল ভিডিওর এই তরুণীকে হাদিস নাজাফি হিসেবে দাবি করা হচ্ছে

তবে সোমবার বিবিসি ফার্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভে যোগ দেয়ার আগে চুল বাঁধা ওই তরুণীর নাম হাদিস নাজাফি নয়। ওই তরুণী নিজেও বিবিসিকে একটি ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘আমি বিক্ষোভে নিহত হাদিসা নাজাফি নই। তবে আমি নারীদের জন্য, মাহসাদের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।’

চুল বেঁধে বিক্ষোভে অংশ নেয়া নারীকে ‘হাদিস নাজাফি’ বলে দাবি করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি অ্যানিমেশন ভাইরাল হয়েছে। তবে বিবিসি ফার্সির টুইটের পর ওই অ্যামিনেশনের নির্মাতা এলো নিকো শিরোনামে একটি সংশোধনী দেন। এলো নিকো লেখেন, বিবিসি জানিয়েছে চুল বাঁধা যে তরুণীর অ্যানিমেশন আমি করেছি, তিনি জীবিত আছেন।

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?

বিবিসি ফার্সির প্রতিবেদনের পর হাদিসের মৃত্যুর প্রতিবেদন থেকে চুল বাঁধা তরুণীর ছবি সরিয়ে নেয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?

তবে এর দু’দিন পর ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দেশটির বার্তা সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনালের (এএনআই) বরাতে জানায়, ঝুঁটি বেঁধে বিক্ষোভে অংশ নেয়া ওই তরুণীর নাম হাদিস নাজাফি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এসব প্রতিবেদনের বরাতে বাংলাদেশের কিছু সংবাদমাধ্যমও ভাইরাল ভিডিওর তরুণী ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন দাবি করে বুধবার প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ভাইরাল ভিডিওর তরুণী আর হাদিস নাজাফি যে আলাদা ব্যক্তি তা নিয়ে সোমবার রাতেই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল নিউজবাংলা।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর গত মঙ্গলবার এই বিভ্রান্তি নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে। এতে বলা হয়, কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম চুল বেঁধে বিক্ষোভে সামিল হওয়া তরুণীকে হাদিস নাজাফি বলে দাবি করেছে। তারা বলেছে ভিডিওর ওই তরুণীকে পরে হত্যা হরা হয়। তবে ভিডিওটিতে যাকে দেখা গেছে তিনি হাদিস নাজাফি নন।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাইরাল ভিডিওটির অপব্যবহার হলেও হাদিস নাজাফির মৃত্যুর ঘটনা সত্যি।

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?
হাদিস নাজাফির মৃত্যু সনদ

নেদারল্যান্ডভিত্তিক ফার্সি ভাষার রেডিও জামানেহ কথা বলেছে হাদিসের এক স্বজনের সঙ্গে। তার তথ্য অনুসারে, হাদিসের বয়স ২২ বছর। ইরানের কারাজে শহরে গত ২১ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভের সময় শর্টগানের অন্তত ২০টি গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। বুকে, মুখে এবং ঘাড়ে লাগা এসব গুলিতে প্রাণ হারান হাদিস।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইরান বিক্ষোভে নিহতদের যে তালিকা করেছে সেখানেও হাদিস নাজাফির নাম রয়েছে। তার পরিবার সোমবার বিবিসি ফার্সিকে মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে। হাদিসের মৃত্যু সনদও প্রকাশ করেছে পরিবার। ইনস্টাগ্রামে হাদিসের অ্যাকাউন্ট ‘রিমেম্বারিং’ রয়েছে।

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?
ইনস্টাগ্রামে হাদিস নাজাফির অ্যাকাউন্ট

হাদিসের বোন শিরিন নাজাফি রেডিও জামানেহকে জানান, পরিবারিক বন্ধুরা তাদের কাছে আলোচিত তরুণীর ভাইরাল ভিডিওটি পাঠিয়েছিলেন। এরপর তারা প্রাথমিকভাবে সাংবাদিকদের বলেছিলেন চুল বাঁধা তরুণীটি হাদিস হতে পারে। কারণ ভিডিওর তরুণীর চুল, পোশাক ও চশমা অনেকটা হাদিসের মতোই দেখাচ্ছিল। তবে আসল তরুণী পরে বিবিসিকে তার নিজের আরেকটি ভিডিও পাঠানোর পর হাদিসের পরিবার নিজেদের ভুল বুঝতে পারে।

কুর্দি নারী মাহসা আমিনিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তেহরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’ গ্রেপ্তার করে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তেহরানে ঘুরতে আসা মাহসাকে একটি মেট্রো স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সঠিকভাবে হিজাব করেননি।

পুলিশ হেফাজতে থাকার সময়েই মাহসা অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর তিনি কোমায় চলে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মাহসাকে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর তাকে পেটানো হয়।

ইরান বিক্ষোভে ভাইরাল সেই তরুণী কি গুলিতে নিহত?
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান মাহসা আমিনি

মাহসার মৃত্যুর পর থেকেই উত্তাল ইরান। ফেসবুক ও টুইটারে #MahsaAmini এবং #Mahsa_Amini হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে চলছে প্রতিবাদ। দেশটির বিভিন্ন জায়গায় নারীর পোশাকের স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে নিরাপত্তা বাহিনীর।

আরও পড়ুন:
ইরানের নৈতিকতা পুলিশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কানাডার নিষেধাজ্ঞা
ইরানে মাহসার পর এবার বিদ্রোহের প্রতীক হাদিস নাজাফি
পোশাকের স্বাধীনতায় ইরানি ২ বোনের হৃদয়ছোঁয়া ‘বেলা চাও’
বিশ্ববাসীকে বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ইরানি অস্কারজয়ীর
উত্তাল ইরানে ইলন মাস্কের ভূমিকা কী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ফ্যাক্ট চেক
Demonstrators cheer at Irans departure
কাতার বিশ্বকাপ

পরাজয়ে উল্লাস ইরানে, গুলিতে নিহত ১

পরাজয়ে উল্লাস ইরানে, গুলিতে নিহত ১
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি শহরে মঙ্গলবার রাতে ইরানিদের রাস্তায় নেমে নাচতে এবং গাড়ির হর্ন বাজাতে দেখা গেছে। এর কিছু আগে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ইরান। 

কাতারে যে ফুটবল দলটি বিশ্বকাপ খেলতে গেছে, অনেক ইরানির চোখে তারা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। এ কারণে জাতীয় ফুটবল দলকে সমর্থন দিতে অস্বীকার করেছেন তারা। তবে ফুটবলারদের ওপর ‘অন্যায্য’ চাপ দেয়ার জন্য ইরানের অভ্যন্তরে এবং বাইরের শত্রু শক্তিকে দায়ী করছে ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়াগুলো।

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি শহরে মঙ্গলবার রাতে ইরানিদের রাস্তায় নেমে নাচতে এবং গাড়ির হর্ন বাজাতে দেখা গেছে। এর কিছু আগে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ইরান।

এদিকে হার উদযাপনের সময় উত্তর ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে একজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ইরান হিউম্যান রাইটস বলছে, মঙ্গলবার রাতে ফুটবল দলের পরাজয় উদযাপনের জন্য কাস্পিয়ান সাগরের শহর বন্দর আনজালিতে নিজের গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছিলেন ২৭ বছরের মেহরান সামাক। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী তার মাথায় গুলি করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মেহরানের।

পরাজয়ে উল্লাস ইরানে, গুলিতে নিহত ১
বিক্ষোভকারীরা বলছেন, প্রতিবাদের চিহ্ন হিসেবে গাড়ির হর্ন বাজানোর সময় নিরাপত্তা বাহিনী মেহরান সামাককে গুলি করে হত্যা করেছে

বিবিসি ফার্সি বুধবার সকালে সুনাকের দাফনের একটি ভিডিও পায়। এ সময় সেখানে উপস্থিত জনতাকে বলতে শোনা যায়- ‘তুমি নোংরা, তুমি অনৈতিক, আমি একজন স্বাধীন নারী’। ইরানের বিক্ষোভে প্রায়শই ব্যবহৃত একটি স্লোগান এটি।

বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইরানের ফুটবলাররা জাতীয় সঙ্গীত গায়নি। ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-২ ব্যবধানে হারে ইরান।

তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েলসের বিপক্ষে খেলায় তারা জাতীয় সংগীত গেয়েছিল। সে ম্যাচে ২-০ গোলে জেতে ইরান।

অনেক বিক্ষোভকারী এটাকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন। যদিও এমন খবর ছিল যে দলটি ইরানি কর্তৃপক্ষের তীব্র চাপের মধ্যে ছিল।

১০ সপ্তাহ আগে মাহসা আমিনির হেফাজতে মৃত্যুর পর ইরানে অস্থিরতা শুরু হয়। হিজাব ঠিকভাবে না করায় ২২ বছরের মাহসাকে তেহরানের নৈতিকতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল।

ইরান সরকার চলমান বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ বলছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মদদে দেশে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে কিছু মানুষ।

বিক্ষোভ দমাতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী শক্ত অবস্থান নিয়েছে। এতে ঘটছে হতাহত। মানবাধিকার কর্মীরা হিসাবে, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৬০ শিশুসহ কমপক্ষে ৪৫০ জন নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার আছেন ১৮ হাজারের বেশি মানুষ।

অনলাইনে মঙ্গলবার রাতে শেয়ার হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের উত্তর-পশ্চিমে মাহসা আমিনির নিজ শহর সাক্কেজে কয়েক ডজন লোক ইরানি ফুটবল দলের পরাজয় উদযাপন করছে। আতশবাজি পুড়িয়ে মাথার স্কার্ফ নেড়ে তাদের উল্লাস করতে দেখা যায়।

কুর্দি অঞ্চলের অন্যান্য কয়েকটি শহর থেকেও এমন ভিডিও পেয়েছে বিবিসি ফার্সি। এসব শহরে সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল সানন্দাজে জনতাকে গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা গেছে। অন্যদিকে কেরমানশাহ এবং মারিভানে উদযাপনকারীদের ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এটি চলামান বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান স্লোগান।

তেহরানে ইমাম সাদিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা একটি হলের বাইরে জড়ো হয়ে ‘অসম্মানজনক মৃত্যু’ বলে স্লোগান দেয়। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইরানের ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামের ভেতরেও ভক্তদের এই স্লোগানটি দিতে দেখা গেছে।

বিক্ষোভকারীদের প্রচারমাধ্যম ১৫০০তাসভির একটি ভিডিও পোস্ট করেছে যেটিতে দেখা যায়, নিরাপত্তা বাহিনী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বেহবাহানে উদযাপনকারী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাচ্ছে; তেহরানের কাছে কাজভিনে এক নারীকে মারধর করছে।

মঙ্গলবারের ম্যাচের পর কাতারের আল থুমামা স্টেডিয়ামের বাইরে সরকারবিরোধী এবং সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষও হয়।

ড্যানিশ সাংবাদিক রাসমুস ট্যানথোল্ড্টের ভিডিও-তে ধরা পড়েছে সংঘর্ষের দৃশ্য। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন পুরুষ ইরানের পতাকা হাতে টি-শার্ট পরা একজনকে বি খোঁচাচ্ছে। ওই ব্যক্তির টি-শার্টে লেখা- ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’।

তখন তার সঙ্গে থাকা এক নারীকে বলতে শোনা যায়, তিনি হামলার শিকার হয়েছেন। নিরাপদে স্টেডিয়াম ছেড়ে যাওয়ার জন্য তিনি সাহায্য চাইছিলেন।

বিবিসি পার্সিয়ানের কাছে আসা আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেডিয়ামের বাইরে এক পুরুষ বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করছে নিরাপত্তা বাহিনী। বিক্ষোভকারীকে তখন চিৎকার করে বলতে শোনা যায়- ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও জাতীয় ফুটবল দলের প্রশংসা করেছে।

রক্ষণশীল ফারহিখতেগান পত্রিকাটি বলছে, ‘আমরা ইরানের জন্য গর্বিত। অন্যদিকে রেভল্যুশনারি গার্ডস-সংশ্লিষ্ট দৈনিক জাভান বলছে, দলটি ‘আসল খেলা জিতেছে: মানুষের হৃদয় এক করার খেলা।’

কেহান পত্রিকার সম্পাদককে নিয়োগ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি। ওই সম্পাদক বলেন, ‘দলটি সবচেয়ে অন্যায্য পরিস্থিতিতে টুর্নামেন্টে গিয়েছিল। তাদের ওপর দেশের পাশপাশি বিদেশে থেকেও চাপ ছিল।

পরাজয়ে উল্লাস ইরানে, গুলিতে নিহত ১
ক্রিস্টিয়ান পুলিসিকের একমাত্র গোলে ইরানকে হারায় যুক্তরাষ্ট্র

ম্যাচের আগে কট্টরপন্থী তাসনিম সংবাদ সংস্থা সিএনএন-এর একটি প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল। ওই প্রতিবেদনে অজ্ঞাত একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে বলা হয়, ইরানি খেলোয়াড়রা ‘ভালো আচরণ’ না করলে তাদের পরিবারকে ‘কারাবাস ও নির্যাতন’ করবে বিপ্লবী গার্ড।

আরও পড়ুন:
ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ
বিক্ষোভ নিয়ে জাতিসংঘের তদন্ত চায় না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের
খামেনির বিরুদ্ধে এবার তার ভাগনি সোচ্চার
হিজাবহীন নারীকে সেবা দিয়ে চাকরি গেল ব্যাংক কর্মকর্তার

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Police clash with protesters in Guangzhou China

চীনের গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

চীনের গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চীনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি। ছবি: এএফপি
চীনের বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাই, রাজধানী বেইজিং ও অন্য শহরগুলোতে সপ্তাহজুড়ে বিক্ষোভের পর গুয়াংজুতে সংঘর্ষকে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের এক দশকের বেশি সময়ের শাসনামলে সবচেয়ে বড় অসহযোগ আন্দোলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীনের শিল্পোৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংজুতে করোনাভাইরাসজনিত কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গুয়াংদং প্রদেশের রাজধানীতে মঙ্গলবার রাতে দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান করোনাবিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, চীনের বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাই, রাজধানী বেইজিং ও অন্য শহরগুলোতে সপ্তাহজুড়ে বিক্ষোভের পর গুয়াংজুতে সংঘর্ষকে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের এক দশকের বেশি সময়ের শাসনামলে সবচেয়ে বড় অসহযোগ আন্দোলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

টুইটারে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) পরা পুলিশ সদস্যরা ঢাল দিয়ে দৃশ্যত ইট-পাথর ঠেকাচ্ছেন। পরবর্তী সময়ে পুলিশ সদস্যরা একদল মানুষকে হাতকড়া পরিয়ে অজানা কোনো এক স্থানে নিয়ে যান।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশকে লক্ষ্য করে ভারী বস্তু ছুড়ছেন স্থানীয়রা।

অন্য এক ভিডিওতে সরু রাস্তায় সমবেত লোকজনের উদ্দেশে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে মারতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের। ওই সময় ধোঁয়া থেকে বাঁচতে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করেন বিক্ষোভকারীরা।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের
খামেনির বিরুদ্ধে এবার তার ভাগনি সোচ্চার
হিজাবহীন নারীকে সেবা দিয়ে চাকরি গেল ব্যাংক কর্মকর্তার
চীনে করোনা বিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাড়ছে
এবার ইরানের জাতীয় সংগীতে গ্যালারি থেকে ‘দুয়ো’

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
The Roman emperor was afraid of being killed according to a 500 year old letter

খুনের ভয়ে ছিলেন রোমানসম্রাট, ৫০০ বছর আগের চিঠিতে তথ্য

খুনের ভয়ে ছিলেন রোমানসম্রাট, ৫০০ বছর আগের চিঠিতে তথ্য রাজা পঞ্চম চার্লসের প্রতিকৃতি
জ্যন ডে সেইন্ট মাউরিসের কাছে লেখা তিন পৃষ্ঠার চিঠিতে ৭০টি লাইন রয়েছে। এতে সংকেত ব্যবহার করা হয়েছিল ১২০টি। এই সাংকেতিক চিঠি সংরক্ষিত ছিল বহু বছর ধরে। ছয় মাসের চেষ্টা উদ্ধার হয়েছে এর অর্থ।

হত্যার শিকার হওয়ার ভয় ঢুকেছিল রোমানসম্রাট ও স্পেনের রাজা পঞ্চম চার্লসের মনে, একটি চিঠিতে ওই আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

১৫৪৭ সালে সই করা ইউরোপের সবচেয়ে ক্ষমতাধর সম্রাটের চিঠিটির গোপন কোড বা সংকেত উদ্ধার করেছে ফ্রান্সের একদল গবেষক। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

পঞ্চম চার্লসের ধারণা হয়েছিল, ইতালির কোনো হামলাকারী তাকে হত্যা করতে পারেন।

ফ্রান্সের ন্যান্সিতে একটি নৈশভোজের আয়োজনে ২০১৯ সালে লরিয়ার ক্রিপ্টোগ্রাফার সিসিল পিয়েরট চিঠিটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন। একপর্যায়ে ২০২১ সালে তা শহরের ঐতিহাসিক গ্রন্থাগারে খুঁজে পান তিনি।

সিসিল জানান, প্রথম ব্যাপারটি ছিল প্রতীকগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করা এবং নিদর্শনগুলোর সন্ধান করা। তবে এটি কেবল অক্ষরের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতীক ছিল না। বিষয়টি আরও জটিল ছিল।

খুনের ভয়ে ছিলেন রোমানসম্রাট, ৫০০ বছর আগের চিঠিতে তথ্য

জ্যন ডে সেইন্ট মাউরিসের কাছে লেখা তিন পৃষ্ঠার চিঠিতে ৭০টি লাইন রয়েছে। এতে সংকেত ব্যবহার করা হয়েছিল ১২০টি। এই সাংকেতিক চিঠি সংরক্ষিত ছিল বহু বছর ধরে। ছয় মাসের চেষ্টা উদ্ধার হয়েছে এর অর্থ।

পুরো চিঠিতে কী লেখা আছে, তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। শুধু এর সারমর্ম জানানো হয়েছে।

পঞ্চম চার্লস তার প্রতিনিধিকে বেশ সতর্ক থাকতে বলেছিলেন বলে জানানো হয় এতে। চিঠির তথ্যানুযায়ী, পঞ্চম চার্লস একটি গুজব নিয়ে ভাবতেন। তার ধারণা ছিল একজন ইতালীয় সম্রাটকে হত্যার চেষ্টা করবেন।

ষোড়শ শতকে সম্রাট পঞ্চম চার্লস শাসন করেছেন ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। পশ্চিম ইউরোপ থেকে আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল তার সাম্রাজ্য।

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Iran US standoff in Qatar

ইরান-আমেরিকা ‘মহারণ’ কাতারে

ইরান-আমেরিকা ‘মহারণ’ কাতারে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক উত্তাপ। ছবি: সংগৃহীত
আল থুমামা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ ‘বি’ থেকে দুই দলেরই নক আউট পর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ।

কাতার বিশ্বকাপে মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে ইরান। ফুটবলে শক্তির দিক থেকে দুই দলের খুব একটা পার্থক্য নেই। ফিফা রেটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৬ নম্বরে; চার ধাপ পিছিয়ে ইরানের অবস্থান ২০-এ। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ।

নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে ইরানে চলমান বিক্ষোভ-প্রতিবাদের ঢেউ এরই মধ্যে কাতার বিশ্বকাপের মাঠেও পৌঁছে গেছে। বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীত গাননি ইরানি ফুটবলাররা। পাশাপাশি আগের দুই ম্যচে গ্যালারিতেও দৃশ্যমান ছিল ইরানিদের প্রতিবাদ। আমেরিকার বিপক্ষে ইরানের তৃতীয় ম্যাচে ক্ষোভের এই মাত্রা আরও তীব্র হতে পারে।

আল থুমামা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ ‘বি’ থেকে দুই দলেরই নক আউট পর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। মাঠের লড়াইটাও তাই হাড্ডাহাড্ডি হবে।

ফ্রান্সে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্ক ছিন্ন হয়। তারপর সেই ম্যাচেই হয়েছিল দু'দলের প্রথম দেখা।

সে ম্যাচের আগে অভূতপূর্ব এক ঘটনা ঘটেছিল। উত্তেজনায় পানি ঢেলে ইরানি খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সাদা গোলাপ। তোলা হয়েছিল গ্রুপ ছবিও।

ম্যাচে হামিদ ইস্টিলি এবং মেহেদি মাহদাভিকিয়ার গোলে ২-০তে জয় পায় ইরান। সেটি ছিল বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ইরানের প্রথম জয়। আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল তেহরানের রাস্তায়।

এবার কাতার বিশ্বকাপে গত শুক্রবার ওয়েলসের বিপক্ষে প্রথম জয় পায় ইরান। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬-২ গোলে হার মানতে হয়েছিল ইরানি ফুটবলারদের। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এবার জয় পেলে প্রথমবারের মতো নক আউট পর্বে খেলবে তারা।

তবে আমেরিকার বিপক্ষে লড়াইটা কেবল ফুটবল নিয়ে নয়।

ইসলামি শাসনের ইরান যে কয়েকটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ শাসন করছে, নারীদের হিজাব তার একটি। ৭০ দিনের বেশি সময় ধরে ইরানে হিজাববিরোধী তুমুল বিক্ষোভ চলছে; যেটা এখন ইরানের সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার হিসাবে, বিক্ষোভ দমাতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে প্রাণ দিয়েছেন চার শতাধিক মানুষ। তাদের মধ্যে আছে ৬০ জনের বেশি শিশু। ইরানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।

হিজাব ঠিকমতো না করার অভিযোগে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনি পুলিশি হেফাজতে মারা যান গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী তেহরান। অল্প দিনে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে।

‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ স্লোগানটি বিশ্বকাপেও দেখা যাচ্ছে অনেক ইরানি বিক্ষোভকারী আশা করছেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি সাবেক এবং বর্তমান অ্যাথলেটিকরাও তাদের সমর্থন দেবেন।

ইরান দলের অধিনায়ক এহসান হাজিসাফি গত সপ্তাহে দোহায় সংবাদ সম্মেলনে বিক্ষোভে সংহতি প্রকাশ করেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতিও জানান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন খেলোয়াড়রা।

ইংল্যান্ড ম্যাচের পর ইরানে আবার চাঙা হয় বিক্ষোভ। নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা ও ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটতে থাকে।

তবে ওয়েলসের বিপক্ষে জয়ের পর নিরাপত্তা বাহিনীর চোখের সামনেই রাস্তায় উদযাপনে মাতে ইরানি জনতা। এর আগে বিক্ষোভ দমাতে যে পুলিশ সরাসরি গুলি ছুড়তে দ্বিধা করেনি, সেই পুলিশ সদস্যরাও সেদিন পতাকা নাড়িয়ে তাদের উৎসাহ দেয়। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, রাস্তায় নাচতে-গাইতেও দেখা গেছে তাদের। সেদিন প্রথা ভেঙে ইরানের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত নিউজ ওয়েবসাইটগুলো হেডস্কার্ফহীন উল্লসিত নারীদের ছবি প্রকাশ করে৷

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাদের দেশে ‘দাঙ্গা’ এবং ‘সন্ত্রাসবাদ’-এর মূল চালিকাশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করছেন, তবে তা অস্বীকার করেছে ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুন:
ফিফার টুইটে এবার বাংলাদেশে ব্রাজিল উদযাপন
নেইমারকে মিস করেছেন তিতে
ব্রাজিলের জয়ে জগন্নাথে বাঁধভাঙা উল্লাস
ম্যাচের আগে মেসিকে পোলিশ ডিফেন্ডারের হুঁশিয়ারি
আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে বন্ধুকে খুন

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
The American coach apologized before the Iran match

ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ

ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ যুক্তরাষ্ট্রের হেড কোচ হেড কোচ গ্রেগ বেরহাল্টার। ছবি: সংগৃহীত
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ নিয়ে রোববার ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। সেই পোস্টে তারা ইরানের পতাকার মাঝে থাকা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতীক বাদ দিয়ে বিকৃত ছবি প্রকাশ করে।  

কাতার বিশ্বকাপে মঙ্গলবার মাঠে নামছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরানের টিকে থাকার এ ম্যাচের আগে দেশটির পতাকা বিকৃতি করে ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ হয় তেহরান। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশনের হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন দলের হেড কোচ গ্রেগ বেরহাল্টার।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ নিয়ে রোববার ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন। সেই পোস্টে তারা ইরানের পতাকার মাঝে থাকা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতীক বাদ দিয়ে প্রকাশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ফেডারেশন সিএনএনকে জানায়, মৌলিক মানবাধিকারের জন্য ইরানের নারীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে তারা ২৪ ঘণ্টার জন্য দেশটির পতাকা পরিবর্তন করেছে। তবে ইরানের মূল পতাকা আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইট ও অন্যান্য জায়গায় আছে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান ইরানের

এরপর যুক্তরাষ্ট্রকে চলমান কাতার বিশ্বকাপ থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান জানায় ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র দলের কোচ বারহল্টার সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘যা পোস্ট হয়েছে সে ব্যাপারে খেলোয়াড় ও স্টাফরা কিছু জানে না। কিছু জিনিস থাকে যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ফেডারেশন কী করেছে, এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই আমাদের। বাইরের ব্যাপার নিয়ে আমরা ভাবি না। তারপরও খেলোয়াড় ও স্টাফদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইতে পারি আমরা। ’

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বেরহাল্টার বলেন, ‘আমাদের ভাবনাটা ম্যাচ নিয়ে। তাদের (ইরান) হারাতে খুবই মনোযোগী আমরা। অবশ্যই ইরানিদের পাশে আছি আমরা। দলসহ সবাই তাদের পাশে আছে, তবে আমাদের মনোযোগটা খেলা নিয়েই।’

সংবাদ সম্মেলনে ইরানকে বারবার ‘আইরান’ বলছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক টাইলার অ্যাডামস। ভুল উচ্চারণের জন্য তাকে একহাত নেন এক ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেসটিভির এক সাংবাদিক। অ্যাডামসের উদ্দেশ্যে তার প্রশ্ন ছিল, ‘কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর বৈষম্যবাদী আচরণ করা একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে কেমন লাগে?’

ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ
যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল দলের অধিনায়ক টাইলার অ্যাডামস। ছবি: সংগৃহীত

জবাবে অ্যাডামস বলেন, ‘ভুল উচ্চারণের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। বৈষম্য সর্বত্রই আছে। দেশের বাইরে থেকে এটা বুঝেছি যে বিভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের প্রতিনিয়ত উন্নতি হচ্ছে। ’

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Lava is coming out of the worlds largest volcano

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরিতে বের হচ্ছে লাভা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট উপরে মাউনা লোয়া শৃঙ্গ থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে। ছবি: ইউএসজিএস
আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

৩৮ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউনা লোয়া থেকে লাভা বের হওয়া শুরু হয়েছে।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ রাজ্য হাওয়াইতে স্থানীয় সময় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় আগ্নেয়গিরিটি থেকে লাভার উদগিরণ শুরু হয়। এরই মধ্যে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তার মাত্রা বাড়িয়েছে প্রশাসন। এ খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

অগ্ন্যুৎপাত শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই অঞ্চলে রিখটার স্কেল প্রায় তিন মাত্রার ১০টির বেশি ভূকম্পন আঘাত হেনেছে। তবে সবচেয়ে বেশি মাত্রার ভূকম্পনটি ছিল ৪ দশমিক ২ মাত্রার।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে উদগিরিত গলিত লাভা পবর্তের সুউচ্চ শৃঙ্গ কলডেরাসে সীমাবদ্ধ রয়েছে। পাদদেশের বাসিন্দাদের জন্য এটি তেমন বিপজ্জনক নাও হতে পারে। তবে আগের ভয়াবহ উদগিরণের কথা বিবেচনায় রেখে স্থানীয়দের জন্য সতর্কবার্তা বাড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, লাভার পরিমাণ যেকোনো সময় বাড়তে পারে এবং তা গড়িয়ে পাদদেশে নেমে এসে জনবহুল দুটি শহর হিলো ও কোনাতে ধ্বংসলীলা চালাতে পারে।

আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ ও হাওয়াই ভলকানো অবজারভেটরিতে কর্মরত ড. জেসিকা জনসন বলেন, ‘লাভার স্রোত হিলো ও কোনা শহরের বাসিন্দাদের জীবনকে ভয়াবহ হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত লাভা শহরের অবকাঠামো ও প্রকৃতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উদগিরিত বিষাক্ত গ্যাস ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্টে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।’

ইউএসজিএস জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সতর্কতার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তায় জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হবে।

হাওয়া ভলকানোস ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে অবস্থিত মাউনা লোয়া পর্বতটি হাওয়াইয়ের ‘বিগ আইল্যান্ড’-এ অর্ধেকেরও বেশি জায়গা দখল করে রেখেছে। মাউনা লোয়া পবর্তটি ২,০০০ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

আগ্নেয়গিরির চূড়াটি সমুদ্রের উপরিভাগ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৯ ফুট ওপরে।

এর আগে ১৯৮৪ সালের অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল মাউনা লোয়াতে। সে সময় ওই দ্বীপের সবচেয়ে জনবহুল শহর হিলোর পাঁচ মাইল ভেতরেও লাভা চলে গিয়েছিল।

চার দশকে এই বিগ আইল্যান্ডের জনসংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে দুই লাখের বেশি।

১৮৪৩ সাল থেকে মাউনা লোয়ায় অন্তত ৩৩টি অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে সুনামি সতর্কতা
সাগরতলে অগ্ন্যুৎপাত, টোঙ্গায় সুনামি
আবার জেগেছে নিরাগঙ্গো, আতঙ্কে ডিআর কঙ্গো
ভাঙল ৮০০ বছরের ঘুম

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Bangladesh Luxembourg flight is starting

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গ ফ্লাইট

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গ ফ্লাইট সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘চুক্তির ফলে উভয় দেশেই ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে। ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরো ভালো হবে। এখন চুক্তি হলো। এরপর বাজার সম্প্রসারণ করার চিন্তাভাবনা করে তারা বাস্তবায়নে যাবে।’

বাংলাদেশ-লুক্সেমবার্গের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যুক্ত হতে ফ্লাইট চলাচল চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এর ফলে উভয় দেশেই ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে। ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরো ভালো হবে। এখন চুক্তি হলো। এরপর বাজার সম্প্রসারণ করার চিন্তাভাবনা করে তারা বাস্তবায়নে যাবে।’

এর পাশাপাশি বৈঠকে বাংলাদেশ বিমান (রহিত বাংলাদেশ বিমান অর্ডার ১৯৭২ পুনর্বহাল এবং সংশোধন) আইন ২০২২ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরের আগে দেশ কিন্তু পিও অর্ডার বা প্রেসিডেন্ট অর্ডারে চলেছে। সে বছরের ৪ নভেম্বর যখন সংবিধান হলো, তখন থেকে পিও অর্ডারগুলো সংবিধানের আওতায় আইন হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

‘সুতরাং পিও অর্ডার সংবিধানের অংশ। তখন কেবিনেটে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হলো এগুলো বহাল রাখতে হবে। নইলে আমাদের সরকারের ইতিহাস থাকবে না। এরপর ১৯৭৭ সালে একটি কর্পোরেশন করে; ২০০৭ সালের ১১ জুলাই কোম্পানি করে দেয় বিমান।

‘এরপর একটি অধ্যাদেশ করে ২০১১ সালের ২৫ জুলাই আবার এটিকে কোস্পানি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আইনে বলেছে, ২০০৭ সালের ১১ জুলাই পরে আবার বলে ২৫ জুলাই... এটা নিয়ে একটা বিরোধ তৈরি হচ্ছে। এ জন্য তারা (বিমান মন্ত্রণালয়) একটি সংশোধন নিয়ে আসছে। সেটা হলো, ১৯৭২ সালের পিও অর্ডারে ফিরে যাবে। কিন্তু ২০০৭ সালে ১১ জুলাই থেকে যে কোম্পানি করা হলো সেটা বজায় থাকবে। এই ছোট সংশোধন নিয়ে আসছে বেসরকারি বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।’

আরও পড়ুন:
টেক্সাসে মাঝ আকাশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ২ বিমানের সংঘর্ষ
বিমানের সারচার্জ মওকুফ ঠিক হবে না: বেবিচক
তানজানিয়ার উড়োজাহাজ হ্রদে পড়ে নিহত ১৯
বিমানের ৩,৪৪৯ কোটি টাকার সারচার্জ মওকুফ
বিমানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় এমডির কক্ষ থেকে

মন্তব্য

p
উপরে