20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
চঞ্চলের মুখে ‘সর্বত মঙ্গল রাঁধে’র না বলা গল্প

চঞ্চলের মুখে ‘সর্বত মঙ্গল রাঁধে’র না বলা গল্প

গানটি প্রকাশের পর চঞ্চল চৌধুরী গানের ভিডিওটি তার ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। সেই সঙ্গে গানটি গাওয়ার না বলা গল্পও জানালেন তিনি।    চঞ্চল চৌধুরী বললেন, ’হঠাৎ একদিন রাতে সংগীত শিল্পী পার্থ বড়ুয়া আমাকে ফোন করে বললেন....

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও গায়িকা-অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন একসঙ্গে গাইলেন একটি জনপ্রিয় লোকজ গান। রাধা ও কৃষ্ণের প্রথম দর্শনের অনুভূতি নিয়ে রচিত গানটির নাম ‘সর্বত মঙ্গল রাধে’।

২১ অক্টোবর 'আইপিডিসি আমাদের গান' তাদের ফেসবুক পেজে গানটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেছে। ১৫ ঘন্টার মধ্যেই ভিডিওটি ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি বার দেখা হয়েছে ও ৪ হাজার সাতশো বারের বেশি শেয়ার হয়েছে।

গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন বিখ্যাত ব্যান্ড সোলসের লিড গিটারিস্ট ও ভোকালিস্ট পার্থ বড়ুয়া।

গানটি প্রকাশের পর চঞ্চল চৌধুরী গানের ভিডিওটি তার ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। সেই সঙ্গে গানটি গাওয়ার না বলা গল্পও জানালেন তিনি।

চঞ্চল চৌধুরী বললেন, ’হঠাৎ একদিন রাতে সংগীত শিল্পী পার্থ বড়ুয়া আমাকে ফোন করে বললেন....

“চঞ্চল, তোর কাছে একটা জিনিস চাইবো, না করতে পারবি না”

আমি বললাম, বলেন দাদা কি চান আমার কাছে?

পার্থ দা বললেন,“আগে কথা দে,না করতে পারবি না। তাহলে বলবো”

আমি একটু ভয়ই পেয়ে গেলাম...এত দাবী নিয়ে, তুই করে কথা বলে পার্থ দা, সচরাচর কোন অগ্রজ যেটা কখনও বলে না। তুই ডাকটা আমার ভালো লাগে।

পার্থদার সাথে অনেক দিনের পরিচয় থাকলেও,‘আয়নাবাজির’ পর থেকে সম্পর্ক, দাবী, ভালোবাসা সবই বেড়েছে।

আমি ভাবলাম,দাদা হয়তো কোন নাটক বা সিনেমার জন্য, কারো হয়ে আমার শিডিউল চাইবেন। নাটক হলে সমস্যা নেই, কিন্তু সিনেমা হলে পরে তো আমার পক্ষে, না জেনে না বুঝে দাদাকে কথা দেওয়া ঠিক হবে না।

এদিকে আমি কথা না দেওয়া পর্যন্ত, পার্থদা কোন ভাবেই বলবেন না, উনি কি চান। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই বললাম“ঠিক আছে দাদা, কথা দিলাম, যা বলবেন করে দেবো”

তারপর উনি বললেন, “চঞ্চল, তুই একটা গান করে দিবি, ’সর্বত মঙ্গল রাধে’, লোক গান। আমি মিউজিক কম্পোজ করবো। গানটা তুই শাওনের সাথে ডুয়েট করবি”

কেউ গানের কথা বললেই বিব্রত বোধ করি। যেহেতু গানে আমার কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই,খুবই ভয়ও পাই গান গাইতে। যদিও আগে যখন এই জ্ঞানটুকু হয়নি, তখন গ্রামের হাতুরে ডাক্তারের ফোঁড়া কাটার গল্পের মতই হুট হাট করে গান গেয়ে ফেলতাম।

যাই হোক, কথা যেহেতু পার্থদাকে দিয়েই ফেলেছি, গান তো গেয়ে দিতেই হবে। তারপর এফডিসি তে শুটিং/রেকর্ডিং হলো বিশাল যজ্ঞে। এরকম অভিজ্ঞতা আমার জীবনে প্রথম। আজ গান টা রিলিজ হলো ইউটিউবে। পার্থদাই প্রথম ফোন করে বললেন, “গানটা তোরা ভালো গাইছিস, ফেসবুকে শেয়ার দিস”

আপনাদেরও যদি গানটা ভালো লাগে, শেয়ার দিতে পারেন, তবে আপনাদের কাছে অনুরোধ একটাই, আমার গাওয়া অখাদ্য গানকে কেউ সংগীত শিল্পীর গান হিসেবে বিবেচনা করবেন না। কারণ আমার প্রধান কর্মটি অভিনয় করা, মাঝে মধ্যে পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে, আর গান গাওয়ার লোভে গাই।

পারি না পারি, গানের প্রতি আমার ভালোবাসা ছোট বেলা থেকেই। এক বেলা না খেলেও আমার চলে, কিন্তু গান না শুনে আমার একদিনও চলে না।

কৃতজ্ঞতা পার্থ দা,

ধন্যবাদ IPDC'

শেয়ার করুন

মন্তব্য