× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Group C unit exam on Saturday
hear-news
player
google_news print-icon

গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা শনিবার

গুচ্ছের-সি-ইউনিটের-পরীক্ষা-শনিবার
গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা শনিবার। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
দেশব্যাপী চলমান গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার বাণিজ্য অনুষদভুক্ত এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শনিবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে ১টা পর্যন্ত চলবে। এদিন সারা দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একযোগে পরীক্ষা হবে।

দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা তৃতীয় ও শেষ ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২০ আগস্ট ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

দেশব্যাপী চলমান গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার বাণিজ্য অনুষদভুক্ত এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শনিবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে ১টা পর্যন্ত চলবে। এদিন সারা দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একযোগে পরীক্ষা হবে।

এরই মাঝে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ করেছে কেন্দ্রীয় গুচ্ছ ভর্তি কমিটি।

গুচ্ছভুক্ত টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নাছিম আখতার নিউজবাংলাকে জানান, ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৪২ হাজার ১১০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মোট ২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি করে উপকেন্দ্র রয়েছে। এরই মাঝে আসন-বিন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।

এদিকে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১৮ হাজার ২৫ জন শিক্ষার্থী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন৷ যা মোট আবেদনকারীর প্রায় ৪৩ শতাংশ। বাণিজ্য বিভাগের পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘সি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মোস্তফা।

অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মোস্তফা নিউজবাংলাকে জানান, ‘সি’ ইউনিটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১২ হাজার ২৫ জন ভর্তি-ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীর আসন পড়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের অধীনে রাজধানীর দুটি উপকেন্দ্রেও আসন বিন্যাস করা হয়েছে। এগুলো হলো- ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত উইল্স্ লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ। বাইরের দুইটি উপকেন্দ্রে সর্বমোট ৬ হাজার ভর্তি-ইচ্ছুক পরীক্ষার্থী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেয়ার জন্য যা কিছু করা দরকার সেভাবে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সার্বক্ষণিক নজর রাখা, অসদুপায় অবলম্বন এড়াতে সর্বোচ্চ সজাগ দৃষ্টি রাখা, সন্দেহজনক হলে চেক করাসহ বেশ কিছু বিষয়ে জানানো হয়েছে।

এরই মাঝে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা যেন সহজেই নিজেদের আসন খুঁজে পান, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় ডিজিটাল ব্যানারে রোল নম্বর, কেন্দ্র এবং ভবন নির্দেশক বসানো হয়েছে। আগের ইউনিটের পরীক্ষার মতো শনিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করানো হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ফটক ও পোগোজ স্কুলের ফটকসহ মোট চারটি ফটক দিয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পরীক্ষা আয়োজন কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি প্রক্টরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক কাজ করবে।

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন হবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে অর্থাৎ সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে। এতে মোট ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হবে। পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর। পাশ নম্বর হবে ৩০। তবে বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আলাদা কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না।

এদিকে বৃহস্পতিবার ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষার কেন্দ্রের আসন বিন্যাস তালিকা গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে (https://gstadmission.ac.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তিচ্ছুরা আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করে আসন বিন্যাস দেখতে পারবে।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ‘সি’ ইউনিটে প্রায় তিন হাজার ৭০টি আসন রয়েছে। সেই হিসেবে গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে প্রায় ১৪ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

এর আগে ৩০ জুলাই ‘এ’ ও ১৩ আগস্ট ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দুটি ইউনিটের ফলাফলই ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটে সেরা দিগন্ত, আগ্রহ অর্থনীতিতে
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে পাস ৫৫.৬৩%
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের প্রশ্ন নিয়ে নানা ‘প্রশ্ন’
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু
এক মাস এগিয়েছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Radical changes are being brought in the countrys education system Education Minister

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী স্টেট ইউনিভার্সিটির ষষ্ঠ সমাবর্তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ন্যাশনাল ব্লেন্ডেড এডুকেশন মাস্টার প্লান চূড়ান্তকরণের পর্যায়ে রয়েছে। অবকাঠামোর পাশাপাশি শিক্ষায় প্রযুক্তির মেলবন্ধন করা হচ্ছে।’

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বুধবার দুপুরে বেসরকারি স্টেট ইউনিভার্সিটির (এসইউবি) ষষ্ঠ সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ন্যাশনাল ব্লেন্ডেড এডুকেশন মাস্টার প্লান চূড়ান্তকরণের পর্যায়ে রয়েছে। অবকাঠামোর পাশাপাশি শিক্ষায় প্রযুক্তির মেলবন্ধন করা হচ্ছে।’

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
এক শিক্ষার্থীর হাতে পদক তুলে দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের রূপকল্পের বাংলাদেশ গড়তে হলে ঔপনিবেশিক আমল থেকে চলা মুখস্থ নির্ভর আর পরীক্ষায় উগড়ে দেয়া শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে চলবে না। বরং শিক্ষাকে আনন্দময় করতে হবে। সমস্যা সমাধানে দক্ষতা বাড়াতে হবে। আত্মশক্তিতে বলীয়ান হতে হবে।’

রূপগঞ্জের কাঞ্চনে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি ও এসইউবির চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদের সম্মতিতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এবং গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন।

দীপু মনি বলেন, ‘আমরা আমাদের অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি তার সঙ্গে প্রযুক্তির যে মেলবন্ধন ঘটাতে হবে সেই লক্ষে আমরা কাজ করছি। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। চতুর্থ সম্ভবনার দার আমাদের উন্মুক্ত। সেটাকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ না প্রযুক্তি তৈরিতে দক্ষ হতে হবে।

‘সেই হিসেবে আমাদের শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা খেলতে খেলতে কোডিং শিখতে পারে সে ব্যবস্থা করছি। যাতে আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সফল হয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যখন গড়ে উঠে তখন অনিশ্চয়তা ছিল এর উদ্দেশ্য নিয়ে, লক্ষ্য নিয়ে। সময়ের ব্যবধানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় তা প্রমাণ করতে পেরেছে।’

নতুন গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের সমাবর্তনে আসলে আমার ভালো লাগে। কারণ তারুণ্যের উচ্ছ্বাসটা টের পাই। তরুণরাই ভবিষ্যৎ। তারাই নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেবে।’

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
উচ্ছ্বাসে মেতেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন দেখতে হবে। আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কথায় বলতে হয় আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আনোয়ারুল কবির। সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি ডাক্তার এ এম শামীমসহ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
উপযুক্ত শিক্ষকের অভাব আছে: শিক্ষামন্ত্রী
বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই: দীপু মনি
মানসম্মত শিক্ষা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ: দীপু মনি

মন্তব্য

শিক্ষা
Technical education institute fees can be paid through tap

‘ট্যাপ’-এর মাধ্যমে দেয়া যাবে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি

‘ট্যাপ’-এর মাধ্যমে দেয়া যাবে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি
চুক্তির আওতায় এখন থেকে ট্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সব কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঝামেলহীনভাবে খুব সহজে অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে পারবেন।

মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) ট্রাস্ট আজিয়াটা পে বা ‘ট্যাপ’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি দেয়া যাবে।

অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদানের লক্ষ্যে ট্যাপ ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তির আওতায় এখন থেকে ট্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সব কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঝামেলহীনভাবে খুব সহজে অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে পারবেন।

সম্প্রতি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিসে এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি সই করেন ‘ট্যাপ’-এর হেড অফ স্কুল ব্যাংকিং বোরহানুল ইসলাম ও বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘ট্যাপ’-এর স্কুল ব্যাংকিং ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আলাউদ্দিন ও হাবিব গাফফার এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কারিকুলামের পরিচালক প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ফারুক রেজা ও রূপক কান্তি বিশ্বাস।

‘ট্যাপ’-এর অ্যাপের মাধ্যমে টিউশন ফি প্রদানের জন্য ‘ট্যাপ’-এর অ্যাপ লগইন করে ফিস অপশনে গিয়ে টিউশন ফিস অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে বাছাই করে স্টুডেন্ট আইডি ও মাস নির্বাচন করে খুব সহজে টাকা জমা দেয়া যাবে বলে ট্যাপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীদের দেশে টাকা পাঠানোর সহজ মাধ্যম ট্যাপট্যাপ সেন্ড
ট্যাপ বাড়াল আরও সুবিধা
ট্যাপ ক্যাশব্যাকে বিশেষ অফার
ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগ হলো ‘ট্যাপ’ সার্ভিস
মোবাইল আর্থিক সেবা ট্যাপের যাত্রা শুরু

মন্তব্য

শিক্ষা
Inauguration of academic and administrative building at MIST

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন এমআইএসটি-এর ফাইল ছবি।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সোমবার রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে এমআইএসটি-তে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের ভবন উদ্বোধন করেন।

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমআইএসটির সাবেক কমান্ড্যান্টবৃন্দ, সেনাবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থাপনাগুলো উদ্বোধনের মাধ্যমে এমআইএসটির প্রতিটি অনুষদের বিপরীতে একটি করে স্বতন্ত্র টাওয়ার বিল্ডিং-এ একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সহজ হবে। উদ্বোধন করা ফ্যাকাল্টি টাওয়ারগুলোতে সর্বাধুনিক (স্টেট অফ আর্টস) গবেষণাগার রয়েছে, যা এমআইএসটি তথা বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

আইএসপিআর জানায়, হল অফ ফেম-এর দেয়ালে সংরক্ষিত হয়েছে এমআইএসটির প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, সব স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের নাম, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাগুলোর উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

সেনাপ্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা এমআইএসটির পেট্রোলিয়াম ও লুব্রিকেটিং স্টেটিং ল্যাব বাংলাদেশে ব্যবহৃত পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানির সঠিক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সেনাপ্রধান একইসঙ্গে সাইবার সিকিউরিটিতে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য নির্মিত সাইবার রেঞ্জও পরিদর্শন করেন।

নতুন প্রশাসনিক ভবনে ৪৫ হাজার বর্গফুটের এমআইএসটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরি রয়েছে। লাইব্রেরির একটি অংশে একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রায় চার হাজার বই সংবলিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। একইসঙ্গে লাইব্রেরিতে আনুমানিক আড়াই হাজার বই নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিশেষ ‘শেখ রাসেল আঙ্গিনা’, যা শেখ রাসেল সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের জানতে সাহায্য করবে।

১৯৯৯ সালে নতুন কোনো অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়াই সেনাবাহিনীর নিজস্ব স্থাপনায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০ জন ছাত্র অফিসার নিয়ে মিরপুর সেনানিবাসে যাত্রা শুরু করে এমআইএসটি। বর্তমানে চারটি অনুষদের অধীনে ১৩টি বিভাগে ২ হাজার ৯১৭ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি এমআইএসটিতে ৮টি বিভাগে এমএসসি, ৩টি বিভাগে এমফিল এবং ৭টি বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু আছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
CUB MBA opportunity for journalists at special discount

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের
সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাচ্ছেন। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের এক্সিকিউটিভ এমবিএ করার সুযোগ দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)। সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাবেন।

রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সিইউবি’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলছে এই ভর্তি কার্যক্রম। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি চত্বরেও চলবে স্পট অ্যাডমিশন। দিনব্যাপী এই স্পট অ্যাডমিশনে ন্যূনতম ফি জমা দিয়ে ভর্তি হতে পারবেন সাংবাদিকরা।

৪৮ ক্রেডিটের এই কোর্সের মেয়াদ এক বছর। হাইব্রিড মোডে এই সময়ের মধ্যে এক্সিকিউটিভ এমবিএ সম্পন্ন করতে পারবেন তারা।

শিক্ষার সব ম্যাটেরিয়াল অনলাইনে পাওয়া যাবে। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

ফিন্যান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স, সাপ্লাই ও অপারেশনস ম্যানেজমেন্টে মেজর করার সুযোগ থাকবে এই কোর্সে ভর্তিচ্ছুদের।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী
সিইউবি শিক্ষার্থীদের নিয়ে পদ্মা ব্যাংকের রোড শো
ভর্তি মেলায় ৫০ শতাংশ ছাড় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির
বিদ্যুৎকেন্দ্রে শিল্প প্রশিক্ষণ নিল কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা
পাইথন-মেশিন লার্নিংয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন সিইউবির ইইই শিক্ষার্থীদের

মন্তব্য

শিক্ষা
Human chain for the demand of MPO inclusion in schools for the disabled

প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয় এমপিওভুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয় এমপিওভুক্তির দাবিতে মানববন্ধন মানববন্ধনে আন্দোলনকারী নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
‘২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলো চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্যসহ অনলাইনে আবেদন করে। এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় দাবি বাস্তবায়নের জন্য আজকের এই অবস্থান কর্মসূচি।’

দেশের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্ত করাসহ ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রথমে মানববন্ধন ও পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন পরিষদের নেতা-কর্মীরা।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম সালেহ বেলাল বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের নেত্রীত্বে সারা দেশে প্রতিটি বিদ্যালয়ের একসঙ্গে স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তিসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

‘২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলো চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্যসহ অনলাইনে আবেদন করে। এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় দাবি বাস্তবায়নের জন্য আজকের এই অবস্থান কর্মসূচি।’

তিনি বলেন, ‘মানবেতর জীবনযাপনকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের নিজেদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষাদানের মাধ্যমে সরকারঘোষিত শতভাগ শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে আমরা কর্মসূচি পালন করছি।’

ছয় দফা দাবি

অনতিবিলম্বে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও এমপিও করতে হবে; বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিয়োগের তারিখ থেকে চাকরি নিয়মিতকরণ ও বেতন-ভাতা নিশ্চিতকরণ; শতভাগ বিদ্যালয়ে আধুনিক মানসম্পন্ন প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ; প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিশেষ শিক্ষা কারিকুলাম অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করা, একটি আধুনিক থেরাপি সেন্টার নিশ্চিতকরণ ও সব শিক্ষার্থীর মিড-ডে মিলসহ শিক্ষা উপকরণ দিতে হবে।

এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা উপবৃত্তি ও প্রতিবন্ধী ভাতা শতভাগ সুনিশ্চিতকরণ, প্রতিবন্ধী ভাতা ন্যূনতম পাঁচ হাজার টাকা নিশ্চিতকরণ; শিক্ষাজীবন শেষে প্রত্যেকের আত্মনির্ভরশীল জীবনযাপনের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।

আরও পড়ুন:
সুস্থ হয়েও প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী ১ পরিবারের ১২ জন
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও দেশের উন্নয়নের অংশীদার: তথ্যমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী কোটা ব্যবহার করেন না তামান্না
প্রতিবন্ধীদের সবাইকে পুনর্বাসন করা হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
প্রতিবন্ধীদের ভাতা বাড়ল ১০০ টাকা

মন্তব্য

শিক্ষা
Publication of the third merit list for admission to the post

জবিতে ভর্তির তৃতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ

জবিতে ভর্তির তৃতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
‘এ’ ইউনিটে নতুন করে মোট ৩১৮ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। ‘বি’ ইউনিটে নতুন করে ১৫৬ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৩৬ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বিষয় (সাবজেক্ট) পেয়েছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তির তৃতীয় মেধাতালিকা ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের তালিকা প্রকাশ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান সোমবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেও তিন ইউনিটের মেধাতালিকা পাওয়া যাবে।

‘এ’ ইউনিটে নতুন করে মোট ৩১৮ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। ‘বি’ ইউনিটে নতুন করে ১৫৬ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৩৬ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বিষয় (সাবজেক্ট) পেয়েছেন।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে তৃতীয় মেধাতালিকায় বিষয়প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আগামী ২৮ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে ৩০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত ওয়েবসাইট (http://gstadmission.ac.bd) এর মাধ্যমে কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

প্রত্যেক আবেদনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুতকৃত মেধাক্রম ও প্রদত্ত বিভাগ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট বিভাগে প্রাথমিক ভর্তির জন্য নির্বাচিত হবেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ইউনিট এবং বিশেষায়িত বিভাগ মিলিয়ে সর্বমোট ৪৩ হাজার ৫৫১ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন।

‘এ’ ইউনিটের জন্য ১৩ বিভাগে মোট ৮২৫টি এবং ‘বি’ ইউনিটে মোট ১ হাজার ২৭০ আসন রয়েছে৷ এর মধ্যে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ৮৫০টি, বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ২৭০টি এবং বাণিজ্য ও অন্যান্য বিভাগের জন্য ১৫০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

‘সি’ ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ৫২০টি। এর মধ্যে বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৬০ টি আসন এবং বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

তৃতীয় মেধাতালিকায় নতুন করে মনোনীত শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য নির্দেশনা:

১. অনলাইনে প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও প্রাথমিক ভর্তি ফি ৫ হাজার টাকা ২৮ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে ৩০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

২. মূল কাগজপত্র জমা: ২৯ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র আবেদনকারীর প্রাথমিক ভর্তির জন্য মনোনীত বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। অন্যথায়, প্রাথমিক ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে। মূল নম্বরপত্র দুটি আবেদনকারীর নাম ও GST রোল নম্বর লিখে একটি A4 সাইজের খামে করে জমা দিতে হবে।

ইতোমধ্যে প্রাথমিক ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা:

১. GST-ভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে ভর্তি সম্পন্ন করে থাকলে পুনরায় ভর্তি হতে হবেনা।

২. কোনো আবেদনকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকা অবস্থায় অন্য এক বা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জন্য মনোনীত হলে পছন্দ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশন করতে পারবেন।

৩. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে নিজ দায়িত্বে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুসরণ করে https://gstadmission.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মাইগ্রেশনের জন্য অনলাইনে ২৮ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে ৩০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

৪. সেক্ষেত্রে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন নেই৷ মূল কাগজপত্র যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে সেখানেই থাকবে।

মেধাতালিকাসহ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (http://admission.jnu.ac.bd) পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ গ্রাফিতি
গবেষণা প্রকল্পে অনুদান পেলেন জবির ৩০ শিক্ষক
জবি ক্যাম্পাসে বদ্ধ নর্দমা, মশার রাজত্ব
জবির পরিসংখ্যান বিভাগে বিনা মূল্যে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা
ডেঙ্গুতে জবি ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

মন্তব্য

শিক্ষা
The girl who stopped the marriage by going to the police station got GPA five

থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ

থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ মায়ের সঙ্গে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শ্রাবন্তী (ডানে)। ছবি: নিউজবাংলা
ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শ্রাবন্তী পরীক্ষা দিয়েছে। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, ‘শ্রাবন্তী শুধু নিজের জন্য নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। শ্রাবন্তীর এই সাফল্য ও বাল্যবিয়ে রোধ করার সাহসী মনোবল একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিয়ে ঠিক হয়েছিল শ্রাবন্তী সুলতানার। তবে তাতে রাজি ছিল না সে। পরে একাই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে বাল্যবিয়ের অভিযোগ দেয়। পুলিশ গিয়ে তার পরিবারকে বুঝিয়ে বিয়ে বাতিল করে। তার সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে পড়াশোনার খরচ চালানোর দায়িত্ব নেয় স্থানীয় প্রশাসন।

সেই শ্রাবন্তী এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, পেয়েছে জিপিএ ফাইভ। পড়া শেষ করে বিসিএস ক্যাডার হতে চায় সে।

সাহসী এই কিশোরীর রেজাল্টে গর্বিত তার মা ও স্কুলের শিক্ষকরা।

শ্রাবন্তী বলে, ‘আমি নিজের বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেও বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে অনেক মেয়ে সেটা পারছে না। পরিবারের চাপে বাল্যবিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে অকালে ঝরে পড়ছে অনেকে।

‘আমি সমাজে বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চাই।’

শ্রাবন্তীর মা বিউটি খাতুন বলেন, ‘আমি একটি মুড়ির কারখানায় কাজ করি... আমার স্বামী ও ছেলে থাকে যশোরে। অভাবের সংসারে মেয়েকে লেখাপড়া করানোর সাধ্য ছিল না। তাই গত বছর তার বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

‘কিন্তু আমার মেয়ে পড়তে চেয়েছিল। আমরা বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় সে থানায় গিয়ে হাজির হয়। তারপর পুলিশ এসে আমাদের বুঝালে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসি। আমার মেয়ে খুব মেধাবী। আমি তার ফলে খুব সন্তুষ্ট। যত কষ্টই হোক না কেন, আমি আমার মেয়েকে সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলব।’

ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শ্রাবন্তী পরীক্ষা দিয়েছে। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, ‘শ্রাবন্তী শুধু নিজের জন্য নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। শ্রাবন্তীর এই সাফল্য ও বাল্যবিয়ে রোধ করার সাহসী মনোবল একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

গত বছর সেপ্টেম্বরে বিয়ে ঠিক হয়েছিল শ্রাবন্তীর। পুলিশ নিয়ে এসে বাসায় বুঝিয়ে বিয়ে বাতিল করায় সে। তার এই পদক্ষেপের কারণে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সেইবার শ্রাবন্তীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। পড়াশোনার খরচ চালিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন থেকে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছিল তাকে। স্কুলে যাতায়াতের খরচের বিষয়ে সহযোগিতা করেন তৎকালীন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন।

পড়াশোনা চালিয়ে নিতে এই সহায়তা পাওয়ায় পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে শ্রাবন্তী ও তার পরিবার।

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি

মন্তব্য

p
উপরে