× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল স্থগিত
google_news print-icon

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল স্থগিত

জগন্নাথ-বিশ্ববিদ্যালয়ের-সেমিস্টার-ফাইনাল-স্থগিত
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আগামী ১০ আগস্ট থেকে সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল তা স্থগিত করা হয়েছে। পড়ে চার সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষার নতুন তারিখ জানানো হবে। এখন করোনার যে অবস্থা এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের ঢাকায় এনে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না। তাই এমন সিদ্ধান্ত।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বাড়তির দিকে থাকায় আগামী ১০ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে অনলাইনে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে ফোনে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক।

তিনি বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আগামী ১০ আগস্ট থেকে সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল তা স্থগিত করা হয়েছে। পড়ে চার সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষার নতুন তারিখ জানানো হবে। এখন করোনার যে অবস্থা এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের ঢাকায় এনে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না। তাই এমন সিদ্ধান্ত।’

পরীক্ষার ফি দেয়ার ব্যাপারে নিউজবাংলাকে উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ফি দেয়ার সময় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার আগ পর্যন্ত চলতে থাকবে। আর বিলম্ব ফি তো মওকুফ করে দিয়েছি। কোনো ধরনের বিলম্ব ফি দেয়া লাগবে না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মনিরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনলাইনে জরুরি এক সভায় সকল ডিনদের উপস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ কমপক্ষে তিন চার সপ্তাহ আগে জানানো হবে।’

বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সবশেষ অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে মিড টার্ম পরীক্ষা শেষ করার যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল, শিক্ষকরা চাইলে তা ঈদের পরেও আস্তে আস্তে নিতে পারবেন। অনলাইন ক্লাস ও অব্যাহত রাখতে পারবেন। এতে করে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার সঙ্গে কানেকশনটা থাকবে।’

চলতি বছরের ১৩ জুন অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আটকে থাকা বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষাসমূহ ১০ আগস্ট থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং কোরবানি ঈদের আগে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যেই দুই সেমিস্টারের সকল মিডটার্ম ও অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করার নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

আরও পড়ুন:
জবির কাছে বাস সার্ভিস, ফি মওকুফ ও টিকার দাবি
বাড়ি যেতে বাস চেয়ে জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
বানর-হনুমানের জন্য ‘সেতু’ বানালেন দুই জবি শিক্ষার্থী
শাটডাউনে বন্ধ জবির অফিস, চলবে অনলাইন ক্লাস
জগন্নাথের শিক্ষক ভাইভা নিলেন মধ্যরাত পর্যন্ত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Mirpur battlefield police box fire

মিরপুর রণক্ষেত্র, পুলিশ বক্সে আগুন

মিরপুর রণক্ষেত্র, পুলিশ বক্সে আগুন মিরপুর ১০ নম্বরে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
দুপুরের পর থেকে মিরপুর ১০, ১১, ১৩, ১৪ সহ আশপাশের পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরে পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দফায় দফায় চেষ্টা করেও সফল হয়নি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

রাজধানীর মিরপুর যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একের পর এক সংঘর্ষ আর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়েছে।

দুপুরের পর থেকে মিরপুর ১০, ১১, ১৩, ১৪ সহ আশপাশের পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দফায় দফায় চেষ্টা করেও সফল হয়নি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মিরপুর-১০ নম্বর গোল চক্করের পুলিশ বক্সে এ সময় আগুন দেয় শিক্ষার্থীরা। পুরো এলাকাতে বিরাজ করছে আতংক। কয়েক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে প্রায় সব ধরনের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না তারা।

এদিকে সংঘর্ষ চলাকালে দুপুর থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে মেট্রো ট্রেন চলাচল। এতদিন আন্দোলনের মধ্যে মেট্রো ট্রেন চলাচল করলেও পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মেট্রোরেলের কয়েকটি স্টেশনে হামলা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরে দেখা যায় এক ভূতুড়ে পরিবেশ।। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। তাদের কন্ঠে শোনা যায় নানামুখী স্লোগান।

মিরপুর ১০ নম্বরে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ন্যায্য অধিকারের জন্য এভাবে রাজপথে আন্দোলন করতে হবে তা কখনও কল্পনাও করিনি। কেন আমার ভাইদের হত্যা করা হলো? কেন আমার বোনদের পেটানো হলো? এসব প্রশ্নের উত্তর কে দেবে আমাদের?’

রিফাত নামক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এর আগে কোনোদিন এত ভয়াবহ আন্দোলন হয়নি। এই আন্দোলন এতদূর আসতো না যদি তারা (ছাত্রলীগ) আমাদের ওপর হামলা না করত। এখন কই তারা?’

আরও পড়ুন:
বিটিভির প্রধান কার্যালয়ে হামলা আগুন, সম্প্রচার বন্ধের শঙ্কা
ভৈরবে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, মহাসড়ক অবরোধ
খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

মন্তব্য

শিক্ষা
Three more days of HSC exam postponed

আরও তিনদিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

আরও তিনদিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ফাইল ছবি।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণবশত ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাই অনুষ্ঠেয় সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হলো। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে উদ্ভূত অস্থির পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহের তিনদিনের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনিবার্য কারণবশত আগামী ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হলো। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।

তবে ২৮ জুলাই থেকে পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরবর্তী পরীক্ষাগুলো যথারীতি চলবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলমান সহিংসতার মধ্যে বৃহস্পতিবারের পরীক্ষাও নিতে পারেনি শিক্ষাবোর্ডগুলো।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার কারণে ইতোমধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটও বন্ধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একই কারণে সিটি করপোরেশন এলাকার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত
পদার্থবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন
বন্যার পানি ভেঙে পরীক্ষা কেন্দ্রে
এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সময় বাড়ানোর নির্দেশ
এইচএসসিতে অসদুপায়: এক কেন্দ্র থেকে ১০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

মন্তব্য

শিক্ষা
Students police clashes in Bhairav ​​blocked the highway
কোটা সংস্কার আন্দোলন

ভৈরবে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, মহাসড়ক অবরোধ

ভৈরবে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, মহাসড়ক অবরোধ বৃহস্পতিবার ভৈরবে মহাসড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের জগন্নাথপুর এলাকায় বিনিবাজার সংলগ্ন সড়কে ও উপজেলার আকবরনগর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাবার বুলেট ছুঁড়লে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় রাবার বুলেট ও ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভৈরবে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। আন্দোলনকারীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কমপক্ষে অর্ধশত রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শহরের জগন্নাথপুর এলাকায় বিনিবাজার সংলগ্ন সড়কে ও উপজেলার আকবরনগর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাবার বুলেট ছুঁড়লে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়। ঘটনার খবর পেয়ে শহরে বিজিবি প্রবেশ করে টহল দিতে থাকে। রাবার বুলেট ও ইটপাটকেলের আঘাতে আনুমানিক ১০ জন আহত হয়। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ভৈরব থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে বিএনপির কিছু কর্মী ঘটনাটি ঘটিয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা জগনাথপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ও আকবরনগর এলাকায় ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অবরোধ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।

‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ও সংঘর্ষ থামাতে প্রায় অর্ধশত রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়েছে।’

আরও পড়ুন:
খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক
ভাইয়ের রক্ত মাড়িয়ে আমরা কোনো সংলাপে যাব না: সমন্বয়ক

মন্তব্য

শিক্ষা
Clash between police and students in Khulna
কোটা সংস্কার আন্দোলন

খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ খুলনা মহানগরীর শিববাড়ি মোড়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের ধাওয়ার মুখে পুলিশ পাশের টাইগার গার্ডেন হোটেলে আশ্রয় নেয়। ছবি: নিউজবাংলা
কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সারাদিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। তবে শেষের দিকে কিছু অছাত্র দুষ্কৃতকারী গুজব ছড়িয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। এসময় পুলিশ টাইগার গার্ডেন হোটেলের মধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো হামলা করা হয়নি।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান আন্দোলনে খুলনায় পুলিশ ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টার দিকে নগরীর শিববাড়ী মোড়ে ওই সংঘর্ষ শুরু হয়।

এসময় শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে পুলিশ শিববাড়ী মোড়ের টাইগার গার্ডেন হোটেলে আশ্রয় নেয়। চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে এটি খুলনায় ছাত্র ও পুলিশের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষ।

সাড়ে ৬টার দিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সারাদিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। তবে শেষের দিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছু অছাত্র দুষ্কৃতকারী গুজব ছড়িয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। এসময় পুলিশ টাইগার গার্ডেন হোটেলের মধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো হামলা করা হয়নি। মূলত যে উদ্দেশ্যে নিয়ে ওই হামলা করা হয়েছিল তা সফল হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন খুবই স্বাভাবিক রয়েছে। শিক্ষার্থীরা শিববাড়ী এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।’

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শিববাড়ী মোড় এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ওই এলাকায় জড়ো হন তারা। কর্মসূচিতে খুলনার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এবং স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীরা একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করে ও পুলিশের সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও সন্ধ্যা ৬টার আগ পর্যন্ত সেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল।

সকাল থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও ওই সময়ের আগ পর্যন্ত কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। সকাল থেকে মাঠে ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।

আরও পড়ুন:
‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক
ভাইয়ের রক্ত মাড়িয়ে আমরা কোনো সংলাপে যাব না: সমন্বয়ক
ববি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে মহাসড়ক ছাড়ল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী

মন্তব্য

শিক্ষা
11 people were reported killed in the complete shutdown till evening
কোটা সংস্কার আন্দোলন

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর রাজধানীর রামপুরায় বৃহস্পতিবার বিকেলে বিটিভি ভবন কমপ্লেক্সে আগুনের ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
উদ্ভূত সংঘাতময় পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবরে রাজধানীতেই নিহত হয়েছেন আটজন। এছাড়া সাভার, মাদারীপুর ও নরসিংদীতে একজন করে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলছে। বৃহস্পতিবারের এই দিনভর কর্মসূচি ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটছে।

উদ্ভূত সংঘাতময় পরিস্থিতিতে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবরে রাজধানীতেই নিহত হয়েছেন আটজন। এছাড়া সাভার, মাদারীপুর ও নরসিংদীতে একজন করে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সব মিলিয়ে উত্তরায় চারজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া ধানমণ্ডিতে সংঘর্ষে ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থী, রামপুরায় এক শিক্ষার্থী ও এক গাড়িচালক, যাত্রাবাড়ীতে এক রিকশাচালক, সাভারে এক শিক্ষার্থী এবং মাদারীপুর ও নরসিংদীতে একজন করে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ জন।

বাড্ডা-রামপুরা এলাকায় পুলিশ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন শতাধিক। নিহত দুজনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী। তার নাম জিল্লুর রহমান। তিনি ইমরেপিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাসা আফতাবনগরে। আরেকজনের নাম দুলাল মাতবর। তিনি পেশায় গাড়িচালক। সংঘাতের সময় তিনি একটি হাইএস গাড়ি চালিয়ে প্রগতি সরণির ওই এলাকা পার হচ্ছিলেন।

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
উত্তরায় সংঘর্ষে আহত এক স্কুল শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

এদিকে দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় পুলিশ ও র‍্যাবের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন পুলিশসহ অসংখ্য আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী।

কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষে আহত হয়ে শতাধিক ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে এখানে এসেছেন। এদের মধ্যে চারজন মারা গেছেন। এছাড়া তাদের হাসপাতালে ৭০ জন ভর্তি রয়েছেন। আর পাঁচজনকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। নিহত আরেকজন বেসরকারি নর্দান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

ধানমন্ডিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। ফারহান নামে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ লালমাটিয়া সিটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. ফারহানুল ইসলাম ইসলাম ভূঁইয়া (ফারহান ফায়াজ)। তার বয়স ১৮ বছর। তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ২০২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ্রগ্রহণের কথা ছিল।

সাভারে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের সময় গুলিতে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভার বাসস্ট্যান্ডের মুনসুর মার্টের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাদারীপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে পুলিশের ধাওয়ায় পানিতে ডুবে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত দীপ্ত দে সরকারি মাদারীপুর কলেজের শিক্ষার্থী। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

নরসিংদীতে কোটা আন্দোলনে সংঘর্ষে এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালে ওই স্কুল ছাত্র নিহত হয়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম তাইম। সে নরসিংদী এন কে এম হাইস্কুল অ্যান্ড হোমের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ সময় পুলিশের টিয়ারশেল ও ছররা গুলিতে আরও ৫০-৬০ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে যে চিত্র দেখা গেল মতিঝিলের ব্যাংকপাড়ার
কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর
সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শাবি শিক্ষার্থীদের
গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আন্দোলনকারীদের
ইন্টারনেট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা বললেন পলক

মন্তব্য

শিক্ষা
Traffic stopped on Chittagong Coxs Bazar highway due to blockade
কোটা সংস্কার আন্দোলন

অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীদের অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতু এলাকায় জড়ো হয়ে অবস্থান নেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এরপর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এতে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা পথে বহু গাড়ি আটকা পড়ে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন কোটা আন্দোলনকারীরা। এ কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতু এলাকায় জড়ো হয়ে অবস্থান নেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এরপর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এতে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা পথে বহু গাড়ি আটকা পড়ে।

এদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সেখানে অবস্থান নিয়েছেন।

এর আগে বুধবার বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের চন্দনাইশে কোটাবিরোধী সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি উপজেলার দোহজারী পৌরসভার পৌরসদর থেকে বের হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দোহাজারী পৌর-সদরের প্রধান প্রধান সড়ক ও দেওয়ানহাট পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে। ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ মিছিলটি সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দোহাজারী জামিজুরী আ. রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মিলিত হয়।

মিছিল চলাকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে প্রায় আধ ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।

আরও পড়ুন:
সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক
ভাইয়ের রক্ত মাড়িয়ে আমরা কোনো সংলাপে যাব না: সমন্বয়ক
ববি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে মহাসড়ক ছাড়ল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রো ট্রেন বন্ধ, পুলিশ বক্সে আগুন
শাটডাউনে যে চিত্র দেখা গেল মতিঝিলের ব্যাংকপাড়ার

মন্তব্য

শিক্ষা
Massive police student clash in Sylhet more than half a hundred injured including gunshots
কোটা সংস্কার আন্দোলন

সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক

সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক সিলেটে সংঘর্ষে আহত এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছেন অন্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেটে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে তা আখালিয়া, মদিনা মার্কেটসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল প্রায় ৪ পর্যন্ত দফায় দফায় এই সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে সিলেটে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ, সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।

আহতদের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদেরকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্তত ১৫ জন আন্দোলনকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেটে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে তা আখালিয়া, মদিনা মার্কেটসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল প্রায় ৪ পর্যন্ত দফায় দফায় এই সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে।

সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিকসিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক

বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহিরাগত অনেককেও অংশ নিতে দেখা যায়। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মদিনা মার্কেট এলাকায় আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেন। এরপর মদিনা মার্কেট থেকে শাবি গেট পর্যন্ত সড়কে মহড়া দেন তারা।

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ডাক দেন। জরুরি সেবার যানবাহন ও অফিস ছাড়া সব বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এই কর্মসূচি পালনে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ফটকের সামনে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের ঘিরে সতর্ক অবস্থানে থাকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী। এ সময় তারা পুলিশ-বিজিবির সামনে ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দেন।

সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তি জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে শিক্ষার্থীদের সড়ক থেকে সরে যেতে বলে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এই বাক্যবিনিময় চলাকালে শিক্ষার্থীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়তে শুরু করে। এসময় পুলিশও পাল্টা আক্রমণ চালায়। তারা টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সড়ক থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে শিক্ষার্থীরা আশপাশের বিভিন্ন গলিতে আশ্রয় নিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এসময় শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংঘর্ষে বহিরাগত অনেককে অংশ নিতে দেখা যায়।

শাবি ফটক থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে নগরের আখালিয়া ও মদিনা মার্কেট এলাকায় জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা রাস্তা অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকেন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। একপর্যায়ে পুলিশ সাঁজোয়া যান নিয়ে এসে ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।

সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক

দফায় দফায় এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায় সড়কে।

সংঘর্ষে ১০ পুলিশ সদস্য, পাঁচ সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের বেশিরভাগই আন্দোলনকারী।

তবে আন্দোলনকারী একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাদের শতাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকলে পুলিশ তাদের প্রতিহত করে। তাদের হামলায় আমাদের অন্তত ১০ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় আঘাত গুরুতর। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের প্রায় সবাই বহিরাগত।’

এর আগে সকাল ১১টা ২০ মিনিটে শাবি শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এসময় আশপাশে ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ অবস্থান নেয়। তীব্র গরম উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে কোটা, সরকার ও পুলিশবিরোধী নানা স্লোগান দেন।

তারও আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) ক্রাইসিস রেসপন্স টিম (সিআরটি) সদস্যরাও অবস্থান নেন ক্যাম্পাসে। তারা শিক্ষার্থীদের হল ছেড়ে যেতে বলেন।

আরও পড়ুন:
ভাইয়ের রক্ত মাড়িয়ে আমরা কোনো সংলাপে যাব না: সমন্বয়ক
ববি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে মহাসড়ক ছাড়ল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রো ট্রেন বন্ধ, পুলিশ বক্সে আগুন
শাটডাউনে যে চিত্র দেখা গেল মতিঝিলের ব্যাংকপাড়ার
কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

p
উপরে