সশরীরে ক্লাস করতে চায় জবি শিক্ষার্থীরা

সশরীরে ক্লাস করতে চায় জবি শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়ে বলেছেন, যারা গ্রামে থাকেন, তাদের পক্ষে অনলাইনে ক্লাস করা সম্ভব না। তাই সশরীরে ক্লাস করতে চান তারা।

সশরীরে রিভিউ ক্লাস নিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে দেয়া এ স্মারকলিপিতে কুরবানির ঈদের পর পরীক্ষার দাবিও জানানো হয়।

শিক্ষার্থীরা বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে যাবে, ক্লাস-পরীক্ষা হবে, এরকম খবর পেয়ে অনেকে বার বার মেস-বাসা ভাড়া নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় না খোলায় সেগুলো আবার ছেড়ে দিতে হয়েছে তাদের।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ৮ জুন বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে উপাচার্যের এক আলোচনা সভায় অনলাইনে রিভিউ ক্লাস ও জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সশরীরে পরীক্ষার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু অনলাইন ক্লাসের ঘাটতি পোষাতে যে রিভিউ ক্লাস, সেটিও অনলাইনে নেওয়া হলে ঘাটতি কতোটা পূরণ হবে?

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গ্রামে নেটজনিত সমস্যা আছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের অনেকে বিভিন্ন জীবিকায় জড়িয়ে যাওয়ায় ক্লাসে নিয়মিত হতে পারেন নি। অনেকের ক্লাসে অংশ নেওয়ার মতো যন্ত্রেরও অভাব।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘সামনের একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে এ ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

উচ্চ মাধ্যমিকের ২য়, মাধ্যমিকের ৮ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

উচ্চ মাধ্যমিকের ২য়, মাধ্যমিকের ৮ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

ফাইল ছবি

করোনার সময়টাতেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতেই এই অ্যাসাইনমেন্টের উদ্দেশ্য। এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নও করা হবে।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের দ্বিতীয় সপ্তাহ এবং মাধ্যমিকের (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) অষ্টম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির ওয়েবসাইটে রোববার অ্যাসাইনমেন্ট দুটি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে যেসব এলাকা লকডাউনের আওতায় রয়েছে, সেসব এলাকায় স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা মোতাবেক বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনোক্রমেই স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা উপেক্ষা করা যাবে না।

গত ১৪ জুন ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রথম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়।

আর গত বছরের মতো এ বছরও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) অ্যাসাইনমেন্ট ও নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

গত ২০ মার্চ প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। ইতোমধ্যে ৭ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয়েছে।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় তা ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

করোনার সময়টাতেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতেই এই অ্যাসাইনমেন্টের উদ্দেশ্য। এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নও করা হবে।

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন

রাবি কোষাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ ‘বিতর্কিত’ নিয়োগপ্রাপ্তদের

রাবি কোষাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ ‘বিতর্কিত’ নিয়োগপ্রাপ্তদের

নিয়োগপ্রাপ্তরা জানান, কর্মস্থলে যোগদানের বিষয়ে রোববার উপাচার্যের সঙ্গে তাদের আলোচনায় বসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আলোচনায় বসেননি। এ জন্য তারা ফের প্রশাসন ভবনে তালা দেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘বিতর্কিত’ নিয়োগপ্রাপ্তদের কর্মস্থলে যোগদান নিয়ে বৈঠক না হওয়ায় কোষাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান আল-আরিফকে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন ‘বিতর্কিত’ নিয়োগপ্রাপ্তরা। তিন ঘণ্টা খোলা থাকার পর প্রশাসনিক ভবনে ফের তালাও ঝুলিয়েছেন তারা।

সাবেক উপাচার্যের মেয়াদের শেষ দিনে বিতর্কিতভাবে নিয়োগ পাওয়া এসব আন্দোলনকারীরা জানান, কর্মস্থলে যোগদানের বিষয়ে রোববার উপাচার্যের তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আলোচনায় বসেননি। এ জন্য তারা ফের পুনরায় প্রশাসন ভবনে তালা দেন।

এর আগে শনিবার রাবি ফিন্যান্স কমিটির সভা ও সিন্ডিকেট সভা পণ্ড করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও ভিসির বাসভবনে তালা লাগিয়ে দেন তারা। শনিবার সকাল ৯টার দিকে তালা লাগানোর পর রোববার সকাল ৮টায় আলোচনার জন্য তালা খুলে দেয়া হয়। তবে উপাচার্য না আসায় বেলা ১১টার দিকে আবার প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয়া হয়।

রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও নিয়োগপ্রাপ্ত আতিকুর রহমান সুমন বলেন, ‘আমরা কোনো প্রকার সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো মিটিং অনুষ্ঠিত হতে দেব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন আজ (রোববার) ১০টায় আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। কর্মস্থলে যোগদানের বিষয়ে কথা বলবেন। তাই আমরা সকাল ৮টায় প্রশাসন ভবনের তালা খুলে দিয়েছিলাম।

‘কিন্তু ১০টার পরও তিনি অফিসে আসেননি। আমরা জানতে পেরেছি, তিনি আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নন। তাই পুনরায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনে তালা দিয়েছি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করা হয়।’

উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমার আজ বসার কথা ছিল। কিন্তু বসতে পারিনি। কারণ গতকাল তারা আমার বাসভবনের সামনে এসে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়েছে এবং অশোভনীয় আচরণ করেছে।

‘এতে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছি। এ জন্য আমি তাদের সঙ্গে দেখা করিনি।'

নিয়োগপ্রাপ্তদের দাবির বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা তাদের কথা শুনিনি, বিষয়টা এমন নয়। তারা ফিন্যান্স কমিটির সভা ও সিন্ডিকেট সভা বন্ধ করতে বলেছে, আমরা তা বন্ধ রেখেছি।

‘এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটা চিঠি পাঠিয়েছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাদের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা তাই করব।’

গত ৬ মে উপাচার্য হিসেবে শেষ কার্যদিবস পালন করেন অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান। মেয়াদের শেষ দিনে তিনি বিভিন্ন পদে অ্যাডহক ভিত্তিতে ১৩৭ জনকে নিয়োগ দেন।

বিতর্কিত এই নিয়োগকে ‘অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত’ উল্লেখ করে ওই দিন সন্ধ্যায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২৩ মে সেই কমিটির দেয়া প্রতিবেদনেও এই নিয়োগকে ‘অবৈধ’ উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িতদের নাম প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন

ঢাবির আবাসিক ও পরিবহন ফি প্রত্যাহারে ছাত্রলীগের সমাবেশ

ঢাবির আবাসিক ও পরিবহন ফি প্রত্যাহারে ছাত্রলীগের সমাবেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ও পরিবহন ফি প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে ঢাবি ছাত্রলীগ। ফাইল ছবি

দেড় বছর ধরে বন্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল। সচল হয়নি পরিবহন ব্যবস্থা। তবুও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে পরিবহন ফি। এমনকি বন্ধ হলের ‘সিট ভাড়া’ হিসেবে দুই বছরের ফি জমা দিতেও বলা হয়েছে। আবাসিক হলে না থেকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে না চড়লেও হল এবং পরিবহন ফি নেয়ায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক ও পরিবহন ফি প্রত্যাহারের দাবিতে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে ঢাবি ছাত্রলীগ। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে দুপুর ১২টায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

দেড় বছর ধরে বন্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল। সচল হয়নি পরিবহন ব্যবস্থা। তবুও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে পরিবহন ফি। এমনকি বন্ধ হলের ‘সিট ভাড়া’ হিসেবে দুই বছরের ফি জমা দিতেও বলা হয়েছে। আবাসিক হলে না থেকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে না চড়লেও হল এবং পরিবহন ফি নেয়ায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে অন্যায্য ও বৈষম্যমূলক আচরণ করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসব দেখার কেউ নেই। শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জিম্মি।’

ছাত্রলীগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবাসিক ফি ও পরিবহন ফি প্রত্যাহার, আবাসিক-অনাবাসিক সকল শিক্ষার্থীকে দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় নিয়ে আসা, মাদকমুক্ত ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক নিশ্চয়তা, আবাসিক সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্লান বাস্তবায়নের জন্য রোডম্যাপ প্রণয়ন, মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়ন ও কোভিড-১৯ চিকিৎসার সুব্যবস্থার দাবিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা একটি ছাত্র সমাবেশ আয়োজন করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সব নেতাকর্মীকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছাত্রসমাবেশে অংশগ্রহণ করতে আহ্বান জানানো হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘হল বন্ধ থাকা অবস্থায় আবাসিক ফি, পরিবহন ফি গ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তামাশারই নামান্তর। এই সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করা উচিত।’

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন

মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন জবিতে

মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন জবিতে

খেলার মাঠ সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে মার্কেট ও পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। অথচ এ মাঠ ছাড়া আশপাশে খেলার কোনো ব্যবস্থা নেই।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র খেলার মাঠ (ধূপখোলা মাঠ) রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। খেলার মাঠে বাণিজ্যিক ভবন ও মার্কেট নির্মাণের চেষ্টা চলছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

খেলার মাঠ রক্ষায় রোববার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা খেলার মাঠে বাণিজ্যিক ভবন ও মার্কেট নির্মাণ প্রচেষ্টার প্রতিবাদ জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল টিমের অধিনায়ক মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মাঠে আমরা খেলতে চাই। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ, তারা যেন সিটি করপোরেশনের সাথে কথা বলে আমাদের মাঠ আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়। মাঠ উদ্ধারের পাশাপাশি সংস্কারে পদক্ষেপ নিতে হবে।’

আরেক শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের মাঠ আমাদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সিটি করপোরেশন বা অন্য কেউ যেন আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে।’

ফুটবল টিমের খেলোয়াড় রবিউল সুমন বলেন, ‘ধূপখোলা মাঠে সব ধরনের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। একটি কুচক্রী মহলের নজর এই মাঠের ওপর পড়েছে। তাদের খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়ে মাঠে খুঁটি বসিয়েছে।’

মানববন্ধনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা জামাল উদ্দিন, সৈয়দ শাকিল আসাদুজ্জামান আসাদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে মার্কেট ও পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। গত ১০ জুন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জোহা ও সিটি করপোরেশনের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হরিদাস মল্লিক মাঠের ভেতর ঢুকে ম্যাপ অনুযায়ী চার কোনায় খুঁটি বসান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়ে মাঠের মধ্যে মার্কেট নির্মাণের এ পরিকল্পনা জেনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা।

১৯৮৪ সালে প্রায় ৭ একর জমির ওপর অবস্থিত ধূপখোলা মাঠটি তিন ভাগে ভাগ করে এক ভাগ তখনকার সরকারি জগন্নাথ কলেজকে ব্যবহারের অনুমতি দেয় সরকার। মাঠের একাংশ স্থানীয় একটি ক্লাবের দখলে। অপর অংশ ব্যবহার হয় সাধারণ মানুষের শরীরচর্চা ও খেলার জন্য।

বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষার্থীদের জন্য এই একটিমাত্র খেলার মাঠ রয়েছে। যদিও মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চেয়ে এলাকার শিশু-কিশোররাই বেশি খেলাধুলা করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২ কিমি দূরে অবস্থিত মাঠটি ঘিরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা চলে আসছে। সে সুযোগ বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ।

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন

জাবিতে অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ রিট খারিজ

জাবিতে অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ রিট খারিজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার। ছবি: ফেসবুক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি দর্শন বিভাগে ছয়জন প্রভাষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ১২ জুন অনলাইনে তাদের মৌখিক পরীক্ষাও হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দর্শন বিভাগে অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা দুটি রিটই খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

এর ফলে অনলাইন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোনো বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

রোববার (২০ জুন) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক ও সৈয়দা নাসরিন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কুমার দেবুল দে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

জাবির আইনজীবী কুমার দেবুল দে বলেন, অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা দুটি রিটই সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। ফলে নিয়োগে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি দর্শন বিভাগে ছয়জন প্রভাষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ১২ জুন অনলাইনে তাদের মৌখিক পরীক্ষাও হয়েছে।

দর্শন বিভাগে অনলাইনের নিয়োগ প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে গত ১০ জুন হাইকোর্টে রিট করেন একই বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, জাকির হোসেন ও সহকারী অধ্যাপক আবদুছ ছাত্তার।

রিটে শিক্ষা সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং দর্শন বিভাগের প্রধানকে বিবাদী করা হয়।

এর আগে এদেরকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

এই রিটের শুনানি শেষে গত বৃহস্পতিবার আরও কিছু ডকুমেন্ট দাখিলের জন্য রোববার দিন ঠিক করে দেয়। রোববার আদালত ওই রিট খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন

আবাসন নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিল ঢাবির ফার্সি বিভাগ

আবাসন নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিল ঢাবির ফার্সি বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্সি বিভাগ শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করে রোববার পরীক্ষা নিয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে ওই সেমিস্টারের ‘মেডিয়েবল ফার্সিয়ান প্রোস অ্যান্ড পয়েট্রি ইন ইরান’ কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ৮১ শিক্ষার্থীর সবাই উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করে সশরীরে পরীক্ষা নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্সি বিভাগ। বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ৭ম সেমিস্টারের পরীক্ষা রোববার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়; চলে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে ওই সেমিস্টারের ‘মেডিয়েবল ফার্সিয়ান প্রোস অ্যান্ড পয়েট্রি ইন ইরান’ কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ৮১ শিক্ষার্থীর সবাই উপস্থিত ছিলেন।

ফার্সি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী বখতিয়ার রাব্বী বলেন, ‘আমাদের বিভাগ অনেক সাহায্য করেছে। আমরা চাচ্ছিলাম আমাদের পরীক্ষাটা দ্রুত হয়ে যাক। হল বন্ধ থাকলেও যাদের আর্থিক ও আবাসন সমস্যা ছিল, বিভাগ মেয়েদের প্রাধান্য দিয়ে সেগুলোর পূর্ণ সমাধান করেছে। কয়েকজন মেয়ে শিক্ষকদের বাসায় থাকছে।’

বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা ও সহকারী অধ্যাপক আহসানুল হাদীর বাসায় থাকছেন শায়লা ফারজানা মিতুসহ আরও দুই শিক্ষার্থী।

নিউজবাংলাকে মিতু বলেন, ‘আমিসহ আরেও কয়েকজন মেয়ের আবাসন সমস্যা ছিল। তাদের স্যারদের বাসায় রেখে আবাসন সমস্যার পূর্ণ সমাধান করে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। পরীক্ষার হলে যতটা স্বাস্থ্যবিধি এবং দুরত্ব বজায় রাখা যায় সবকিছুই করা হয়েছে, যেন আমরা সর্বোচ্চ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা পাই।’

এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ বাহাউদ্দীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের ৮১ জন শিক্ষার্থীর সবাই আজকে পরীক্ষায় উপস্থিত হয়েছে। নরমাল সময়ে পরীক্ষা নিলেও তো দু-চারজন অনুপস্থিত থাকে। ১০-১৫ জনের ঝামেলা ছিল, আমরা তাদের সেভাবে সহযোগিতা করেছি।’

কী রকম সহযোগিতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেক ছাত্রকে মেসে উঠিয়ে দিয়েছি, অনেককে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছি। আর মেয়েদের যাদের ঝামেলা ছিল, তাদের আত্মীয়-স্বজনের বাসায় এবং আমাদের দুইজন শিক্ষকের বাসায় রেখেছি। সব মেয়ে ও ছেলে যথাসময়ে এসে পরীক্ষায় উপস্থিত হয়েছে।’

পরীক্ষার হল পরিদর্শনে যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড এ কে এম গোলাম রাব্বানী।

নিউজবাংলকে তিনি বলেন, ‘কঠিন সময় থাকলেও শিক্ষার্থী ও বিভাগের যৌথ ব্যবস্থাপনায় শতভাগ উপস্থিতিতে আজকে ফার্সি বিভাগের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এটি খুবই আশাবাদী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ।

‘এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। সার্বিক সহযোগিতার ভিত্তিতে যে বিভাগেরই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করবে তাদেরও পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এটিই তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যবোধ।

‘পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিভাগগুলো তাদের নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজটি করছে। শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য সব উপায়ে যেনো সহযোগিতা করা হয় সে বিষয়টির প্রতি যত্নশীল থাকার জন্য সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটকে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে মাস্টার্স পরীক্ষা শুরু

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে মাস্টার্স পরীক্ষা শুরু

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস জানান, মাস্টার্সের চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা ছাড়াও স্নাতক চতুর্থ বর্ষের স্পেশাল টার্মের পরীক্ষা গ্রহণেরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে মাস্টার্স চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। গত মার্চে স্থগিত পরীক্ষাও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস জানান, মাস্টার্সের চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা ছাড়াও স্নাতক চতুর্থ বর্ষের স্পেশাল টার্মের পরীক্ষা গ্রহণেরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলেই স্নাতক চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব না হলে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতিও নেয়া হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরও জানান, কর্তৃপক্ষের গঠন করা একটি সাধারণ ও একটি টেকনিক্যাল কমিটি এ লক্ষ্যে কাজ করছে। পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতিসহ খুঁটিনাটি বিষয়ে কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে এসব পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ২৫ মে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গত ৩০ মে অ্যাকাডেমিক প্রধানদের সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির নির্দেশনার আলোকে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. নাসিফ আহসান জানান, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের সব ডিসিপ্লিনের মাস্টার্স চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ১ জুলাই শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চারুকলা স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম জানান, চারুকলার তিনটি ডিসিপ্লিনের স্থগিত মাস্টার্স পরীক্ষা শুরুর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। যেকোনো দিন তারিখ জানানো হবে।

আরও পড়ুন:
আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে জবি শিক্ষার্থীরা
জবির বাস চলবে সপ্তাহে তিন দিন
জবি নীল দলের একাংশের নতুন কমিটি ঘোষণা
পরীক্ষার আগে রিভিউ ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
জবিতে টিকার আবেদনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার

শেয়ার করুন