১৩ জুন স্কুল খোলা নিয়ে সংশয়ে কিন্ডারগার্টেন

করোনায় বন্ধ হয়ে গেছে রাজধানীর আদাবরের গ্রিন লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ছবি: নিউজবাংলা

১৩ জুন স্কুল খোলা নিয়ে সংশয়ে কিন্ডারগার্টেন

বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এম এইচ বাদল বলেন, ‘আমার মনে হয় না ঘোষিত সময়ের মধ্যে স্কুল খুলে দেবে সরকার। এ জন্য আমরা শিগগিরই আন্দোলনে যাব।’

সরকারঘোষিত সময়ের মধ্যে ১৩ জুন স্কুল খুলবে কি না, এ নিয়ে সংশয়ে অধিকাংশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। এদিকে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সরকারঘোষিত নির্ধারিত দিনে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া না হলে তারা সর্বাত্মক আন্দোলনে যাবে। এ বিষয়ে আগামী ১ জুন তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবে সমাবেশ করবে।

নিউজবাংলাকে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সেকান্দার আলী বলেন, ইতোমধ্যে ৫০ শতাংশ স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। যারা টিকে আছে তাদের অবস্থাও খুবই নাজুক।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষক সমাজের অধিকাংশই এ পেশা ছেড়ে দিয়েছে। সবাই যার যার অবস্থান থেকে বাঁচার জন্য প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছে। সবকিছু মিলিয়ে শিশুশিক্ষা কার্যক্রম এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।’

সেকান্দার আলী বলেন, সরকার তো স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছুই খুলে দিয়েছে। তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদ থাকবে কেন?

এ ছাড়া তিনি আসন্ন বাজেটে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এম এইচ বাদল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মনে হয় না ঘোষিত সময়ের মধ্যে স্কুল খুলে দেবে সরকার। এ জন্য আমরা শিগগিরই আন্দোলনে যাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পূর্ণ প্রস্তুতি আছে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে স্কুলগুলো চালু করার। ইতোমধ্যে প্রায় ২০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় বেঁচে থাকা কঠিন।’

কিন্ডারগার্টেনগুলো খুলতে প্রস্তুতি কেমন?

রাজধানীর সাতটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, এর মধ্যে তিনটি স্কুলের অফিস খোলা। আর বাকি চারটি স্কুলে তালা ঝুলছে।

খোলা থাকা স্কুলগুলো হলো শহীদ লে. সেলিম শিক্ষালয়, জিনিয়াস ইসলাম স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লুমিনাস আইডিয়াল স্কুল। এই স্কুলগুলোতে অনলাইন শিক্ষা কাযর্ক্রম চলছে।

বন্ধ থাকা স্কুলগুলো হলো কিডস হাইভ প্রিপারেটরি স্কুল, কবির শিশু শিক্ষালয়, আদর্শলিপি কিন্ডারগার্টেন, ডিয়ার পার্ক টিউটোরিয়াল।

অফিস খোলা রাখা তিনটি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারঘোষিত নির্ধারিত সময়ে স্কুল খুলে দেয়া হলে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ জন্য তাদের পুরো প্রস্তুতি আছে।

স্কুল খোলার প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে শহীদ লে. সেলিম শিক্ষালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা রাজিয়া হোসেন বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা মেনে আমরা আগেও স্কুল প্রস্তুত করেছিলাম। এখন যেহেতু নতুন তারিখ নির্ধারিত হয়েছে, সে জন্য আমরা আবার প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে আমি সংশয়ে আছি ঘোষিত সময়ে খুলবে কি না।’

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থী ভর্তি অর্ধেকে নেমে এসেছে। এভাবে চলতে থাকলে টিকে থাকা কঠিন।

জিনিয়াস ইসলাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম বলেন, ‘দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকরা ভঙ্গুর অবস্থায় পড়েছে। কেউ কেউ সবজি ও আমের ব্যবসা করেও জীবিকা নির্বাহ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের স্কুল খোলার ঘোষণা আমরা একাধিকবার শুনেছি। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। এবারও হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে আছি ‘

সীমিত পরিসরে স্কুল খুলে দিলেও দেশ ও জাতির জন্য তা মঙ্গলজনক হবে। এতে জাতি মেধা ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। এভাবে চলতে থাকলে শিশুরা ঘরে আবদ্ধ থেকে মানসিক রোগী হয়ে যাবে।

লুমিনাস আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান বলেন, ‘করোনাকালীন আমরা অনলাইনে শিক্ষা কাযর্ক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। সরকার যদি ঘোষিত সময়ে স্কুল খুলে দেয়, তাহলে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কাযর্ক্রম পরিচালনা করব।’

পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ১৩ জুন থেকেই স্কুল-কলেজ খোলার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। গত বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এর আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৩ মে থেকে স্কুল-কলেজ খোলার কথা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা ছিল ২৪ মে। কিন্তু দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। বন্ধ দফায় দফায় বাড়িয়ে আগামী ১২ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার।

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বন্ধ স্কুলে চলছে পাঠদান, অভিযোগ অভিভাবকদের

বন্ধ স্কুলে চলছে পাঠদান, অভিযোগ অভিভাবকদের

ওই স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এই মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকার কথা বললেও অধ্যক্ষ নিজ দায়িত্বে খুলে দিয়েছেন। শিক্ষকরা একক সিদ্ধান্তে এটা করেছেন। এ বিষয়ে মালিকপক্ষের কারও সঙ্গে শিক্ষকরা কোনো আলোচনা করেননি।’

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর পরে প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা যাবে কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য নেই সরকারের।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে একটি স্কুলে ক্লাস নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।

বিষয়টি স্বীকার করেছেন স্কুল কমিটির সভাপতি। তবে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ বলেছেন, ক্লাস চালু নয়, খোলা রাখা হয়েছে অফিস।

জীবননগরের উথলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থতি আইডিয়াল প্রি-ক্যাডেট কিন্ডারগার্টেনে চলতি মাসের শুরু থেকে নিয়মিত ক্লাস চালু রেখেছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

তাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় কয়েকজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষকদের বিষয়টি বারবার বলেও কোনো লাভ হয়নি।

ওই স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এই মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকার কথা বললেও অধ্যক্ষ নিজ দায়িত্বে খুলে দিয়েছেন। শিক্ষকরা একক সিদ্ধান্তে এটা করেছেন। এ বিষয়ে মালিকপক্ষের কারও সঙ্গে শিক্ষকরা কোনো আলোচনা করেননি।

‘অভিভাবকদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ইমরান হোসেনকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য বলেছি। এরপর কোনো শিক্ষার্থী যদি করোনা আক্রান্ত হয়, তাহলে তার দায়ভার আমরা নেব না।’

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ইমরান হোসেন পাঠদানের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘শুধু অফিস খুলে রাখা হয়েছে। কোনো পাঠদানের কাজ চলছে না।’

জীবননগর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উথলী আইডিয়াল প্রি-ক্যাডেট কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাঠদান বন্ধ করার জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।

স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, বুধবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী র্কমর্কতা অভিযান চালাতে আসছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরপর দ্রুত স্কুল বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠিয়ে দেন অধ্যক্ষ ইমরান হোসেন।

এ বিষয়ে জানতে ইমরানকে কল করেও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন

শিক্ষা মন্ত্রণালয়মুখী মিছিলে পুলিশের বাধা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়মুখী মিছিলে পুলিশের বাধা

সচিবালয়ের সামনে প্রগতীশীল ছাত্রসংঠনগুলোর মিছিলে পুলিশের বাধা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

এ সময় জোটের নেতা কর্মীরা ‘শিক্ষা কোন পণ্য নয়’, ‘শিক্ষা আমার অধিকার’, ‘কর আরোপ যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘স্কুল কলেজ খুলে দাও, নইলে গদি ছেড়ে দাও’, ‘শিক্ষার ওপর কর আরোপ চলবে না, বাতিল করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

রোডম্যাপ ঘোষণা করে অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাসহ ৪ দফা দাবিতে প্রগতীশীল ছাত্রসংঠনগুলোর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ।

মিছিলটি বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয়। এরপর শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, কদমফোয়ারা মোড় হয়ে সচিবালয়ের সামনে আসলে পুলিশ আটকে দেয়।

এ সময় তারা ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। পরে সেখানেই অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন তারা।

এ সময় জোটের নেতা কর্মীরা ‘শিক্ষা কোন পণ্য নয়’, ‘শিক্ষা আমার অধিকার’, ‘কর আরোপ যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘স্কুল কলেজ খুলে দাও, নইলে গদি ছেড়ে দাও’, ‘শিক্ষার ওপর কর আরোপ চলবে না, বাতিল করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

জোটের ৪ দফা দাবি:

# রোডম্যাপ ঘোষণা করে অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা

# বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের উপর আরোপিত ১৫ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহার

# সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে টিকাদান

# করোনায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেতন-ফি মওকুফ করা

সচিবালয়ের সামনের সমাবেশে জোটের সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, ‘করোনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী এমনিতেই জড়ে পড়ছে। তার ওপর শিক্ষার ওপর কর আরোপের কারণে শিক্ষার্থীদের জড়ে পরার হার আরও বেড়ে যাবে৷ আমরা অবিলম্বে সকল শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় এনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি করছি৷ পাশাপাশি বাজেটে শিক্ষার ওপর যে কর আরোপ করা হয়েছে তা বাতিল করতে হবে।’

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী এত নরম সুরে কথা বলেন, সকল শিক্ষার্থীরা গলে যায়। উনি মন্ত্রী না, ছলনাময়ী নারী। আমরা তার আর কোনো কথা শুনব না। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালা আমরা ভেঙে ফেলব। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী একজন সার্কাস মন্ত্রী। জনগণের শিক্ষার অধিকারের সাথে তিনি সার্কাস খেলেছেন। এই সার্কাস অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এই সরকার করোনা মহামারির চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর। অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে৷ তা না হলে আমরা আরও বিশাল মিছিল নিয়ে আসব।’

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন

এসএসসি ফরম পূরণের সময় বাড়ল

এসএসসি ফরম পূরণের সময় বাড়ল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরম পূরণের সময় ১৫ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনলাইনে ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৪ জুন।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময় আবার বাড়িয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বিলম্ব ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীরা ২৩ জুন পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তি বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরম পূরণের সময় ১৫ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনলাইনে ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৪ জুন।

‘২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি আর প্রকাশ করা হবে না। ওই সময়ের মধ্যে ফরম পূরণের কাজ শেষ করতে হবে। পরে ফরম পূরণের আর কোনো সুযোগ থাকবে না।’

এতে আরও বলা হয়, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয় বোর্ড থেকে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে নতুন করে বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এরপর ৫ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ কার্যক্রম স্থগিত করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করায় ওই সময় বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের সুযোগ দিয়ে গত ২২ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণের সুযোগ দেয়া হয়।

পরে আরেক দফা সময় বাড়ানোর পর তৃতীয় দফায় ২৩ জুন পর্যন্ত সময় বাড়িয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন

পাবিপ্রবির নোটিশে বারবার ‘টাইপিং মিসটেক’

পাবিপ্রবির নোটিশে বারবার ‘টাইপিং মিসটেক’

একজন শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘আর কবে এসব বিষয়ে সচেতন হবে? মানুষ ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। আগেরদিনই এএম, পিএম নিয়ে কত বড় নিউজ হয়ে গেল অথচ আবার ভুল। এখন মনে হয় এরা বার বার ভুল করেই মিডিয়ায় আসতে চায়। এগুলো দেখলে এখন সত্যিই খুব খারাপ লাগে।’

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গভীর রাতে পরীক্ষা নেয়ার নোটিশের পর এক বছর আগের তারিখে ফরম পূরণের নোটিশ দেয়ায় আবারও শুরু হয়েছে সমালোচনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও স্কলারশিপ শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার সুজা উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার জানানো হয়েছে, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্পেশাল পরীক্ষা ২০১৮-এর ফরম পূরণের তারিখ ১৪-০৬-২০২১ থেকে ২৮-০৬-২০২০।

সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য নিজ বিভাগ থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে হল ক্লিয়ারেন্স নিয়ে জমা দেবেন।

পর পর এ ধরনের ভুল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন।

একজন শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘আর কবে এসব বিষয়ে সচেতন হবে? মানুষ ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। আগেরদিনই এএম, পিএম নিয়ে কত বড় নিউজ হয়ে গেল অথচ আবার ভুল। এখন মনে হয় এরা বার বার ভুল করেই মিডিয়ায় আসতে চায়। এগুলো দেখলে এখন সত্যিই খুব খারাপ লাগে।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘প্রচুর ট্রলের শিকার হচ্ছি ভাই। বিভিন্ন ভার্সিটির বন্ধুরা মেনশন দিয়ে ট্রল করছে।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘২০২০ সাল তো করোনায় চলে গেছে। কীভাবে আমরা ফিরে পাব ওই তারিখ।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সহকারী রেজিস্ট্রার সুজা উদ্দিনকে কয়েকবার কল দেয়া হলেও তিনি ধরেননি।

তবে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এটি টাইপিংয়ের ভুল। তবে প্রায়ই এ ধরনের ভুল হচ্ছে যা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কেউ কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় এমন ঘটনা বার বার ঘটছে।

গত ৯ জুন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর রাত ৩টা ২০ মিনিটে ক্লাস নেয়া নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এর মাঝেই গত শনিবার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নোটিশে বলা হয় ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রতিটি পরীক্ষা হবে 10:30pm -1:30pm এ।

পরীক্ষার নোটিশে এ ধরনের বড় ভুল নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। ঠিক তার পরদিনই আবারও ভুল।

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন

আবার শুরু হচ্ছে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তি

আবার শুরু হচ্ছে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তি

নতুন অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

নতুন অর্থবছরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আসছে সুখবর। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়া আবার শুরু হচ্ছে। ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করার পর গত বছর আর তা করা হয়নি।

এমপিওভূক্তির প্রক্রিয়া আবার শুরু হচ্ছে বলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন।

নতুন অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

এমপিও হলো মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার বা মাসিক বেতন আদেশ, যার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করে সরকার।

বেশির ভাগ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়ে ঘাটতি থাকার কারণে শিক্ষকদের কাছে এমপিওভুক্তি একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়। গত ২৯ মে এমপিওভুক্তির নীতিমালা সংশোধন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তবে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আলাদাভাবে উল্লেখ করেননি নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বরাদ্দের কথা। মন্ত্রণালয় তাদের মোট বরাদ্দ থেকে খাত অনুযায়ী বরাদ্দ ঠিক করবে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, আগামী অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন নন-এমপিও বেসরকারি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত করার জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার চাইলে এ বরাদ্দ বাড়াতেও পারে।

আর কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরাও শুনেছি প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে বরাদ্দ রেখেছে। বাজেট পাসের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। আমরা চাই মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্তির বাইরে থাকা সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করা হোক।’

সর্বশেষ সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে ২০১৯ সালে। ওই বছরের ২৩ অক্টোবর ২ হাজার ৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে চূড়ান্ত বাছাইয়ে ২ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ছাড়পত্র পায়। এরপর আবার ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ছয়টি এবং ১৪ নভেম্বর একটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়।

দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৩৩ হাজার। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিও করার জন্য গত ২৯ মে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় এমপিওভুক্তির জন্য তিনটি শর্ত দেয়া হয়েছে।

শর্তগুলো হলো: শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থী সংখ্যা এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার। এই তিন বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ এবং পাসের হারে ৪০ নম্বর রাখা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদের ওপর ২৫ নম্বর ছিল, যা সংশোধিত নীতিমালায় বাদ দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের নীতিমালায় কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কতজন শিক্ষার্থী থাকতে হবে, তা বেঁধে দেয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, নিম্নমাধ্যমিকে শহরে ১২০ ও মফস্বলে ৯০, মাধ্যমিকে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ৪২০ ও মফস্বলে ৩২০, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে শহরে ২৫০ ও মফস্বলে ২২০ এবং ডিগ্রি কলেজে স্নাতকে শহরে ৪৯০ ও মফস্বলে ৪২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। পাসের হার স্তরভেদে ৪৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ করা হয়েছে।

গত ৩ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে যে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, তাতে শিক্ষা খাতে ৭১ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৬৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন

সশরীরে পরীক্ষা নেবে চবি

সশরীরে পরীক্ষা নেবে চবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এস এম সালামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, 'অনলাইনে পরীক্ষার অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। তাই সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ক্লাসগুলো অনলাইনে হবে।’

সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কর্তৃপক্ষ। এ ক্ষেত্রে স্থগিত পরীক্ষাগুলো আগে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে পরীক্ষার ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বৈঠকে অনলাইনে নাকি সশরীরে পরীক্ষা হবে এই নিয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল। এর আগে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া যাবে কি না এই বিষয়ে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি কমিটি গঠন করে কর্তৃপক্ষ। কমিটির মধ্যে সব বিভাগের ডিন সদস্য হিসেবে ছিলেন। সবার মতের ভিত্তিতে সশরীরে পরীক্ষার নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এস এম সালামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, 'অনলাইনে পরীক্ষার অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। তাই সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ক্লাসগুলো অনলাইনে হবে।’

তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা যাতে বেশি না হয়, সে জন্য সব ফ্যাকাল্টির ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিলে সমন্বয় করে পরীক্ষার তারিখ ও রুটিন দেয়া হবে। একদিনে সব বিভাগ পরীক্ষা নিলে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যার আধিক্য হবে। এ ক্ষেত্রে ফ্যাকাল্টিভিত্তিক একদিনে যদি ছয়টি ডিপার্টমেন্ট পরীক্ষা নেয়, অন্যদিন অন্য ছয়টি ডিপার্টমেন্ট পরীক্ষা নেবে। এভাবে সমন্বয় করা হবে।’

তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল খোলার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক এস এম সালামত উল্যা ভূঁইয়া।

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাস

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান বলেন, ‘আমরা শর্তসাপেক্ষে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের অটোপাস দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা সশরীরে পরীক্ষা নেব। তখন অটোপাস পাওয়া শিক্ষার্থীদের সেসব পরীক্ষায় পাস করতে হবে।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। স্নাতক দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয়া হবে কি না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মৌখিক অথবা অনলাইন পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ করার চিন্তাভাবনা চলছে।

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান বলেন, ‘আমরা শর্তসাপেক্ষে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের অটোপাস দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা সশরীরে পরীক্ষা নেব। তখন অটোপাস পাওয়া শিক্ষার্থীদের সেসব পরীক্ষায় পাস করতে হবে।’

দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে আমরা কয়েকটি বিকল্প পদ্ধতির কথা ভাবছি। এর মধ্যে একটি হলো মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমোশন দেয়া। আরেকটি হলো অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা এখনো অনার্স প্রথম বর্ষেই রয়েছেন। এই অবস্থায় তাদেরকে শর্তসাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডলির স্কুল কি বাঁচবে?
বন্ধ হচ্ছে কিন্ডারগার্টেন, শিশুরা ভর্তি হবে কোথায়
করোনা: শিক্ষক থেকে মুদি দোকানি, মসলা বিক্রেতা
কিন্ডারগার্টেন খোলার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন শিক্ষকরা

শেয়ার করুন