আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শীর্ষক একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সনির আনুষ্ঠানিক পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজিস্ (বিডি) লিমিটেড। সোমবার রাজধানীর স্মার্ট টেকনোলজিসের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত চলমান এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের পছন্দের গৃহস্থালি ও প্রযুক্তি পণ্য ক্রয়ে বিশেষ আর্থিক সুবিধা এবং আকর্ষণীয় উপহার লাভের সুযোগ পাবেন। মূলত বিশ্বকাপের আমেজ সাধারণ মানুষের কেনাকাটায় ছড়িয়ে দিতেই এই বিশাল আয়োজন করা হয়েছে।
এই বিশেষ অফারের আওতায় গ্রাহকরা সনি, স্মার্ট, হায়ার, শার্প এবং শাওমির মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের টেলিভিশন, সাউন্ড সিস্টেম, হেডফোন, এয়ার কন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটর কেনার ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ‘বিশেষ মূল্য সুবিধা’ পাবেন। বিশেষ করে ১০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের নির্দিষ্ট পণ্য ক্রয় করলে গ্রাহকদের একটি করে স্ক্র্যাচ কার্ড দেওয়া হবে। ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে প্রদান করা এই কার্ডটি ঘষলেই মিলবে ফিফা বিশ্বকাপের প্রিয় দলের জার্সি, ফুটবল, সনি হেডফোন, পাওয়ার ব্যাংক ও এয়ার কুলারের মতো নিশ্চিত সব পুরস্কার।
টেলিভিশন ক্রেতাদের জন্য সনি ব্রাভিয়া মডেলে রাখা হয়েছে আরও বড় চমক। ৫০ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বড় সাইজের সনি ব্রাভিয়া টিভি কিনলে ক্রেতারা স্টকের ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিকভাবে একটি আকর্ষণীয় জার্সি উপহার পাবেন। এছাড়া ৬৫ ইঞ্চি বা তার বেশি বড় সাইজের প্রিমিয়াম মডেলের টিভি কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করলে রয়েছে প্রতি সপ্তাহে একটি বিশেষ লাকি ড্রতে অংশ নেওয়ার সুযোগ। এই ড্রয়ের বিজয়ীদের জন্য উপহার হিসেবে থাকবে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের অফিশিয়াল জার্সি, কাস্টম ক্যাপ এবং বক্সসহ বিশেষ ফিফা বিশ্বকাপ ট্রেনিং বল। সনি-স্মার্ট ইতোমধ্যেই তাদের আউটলেটগুলোতে এই ডিজিটাল নিবন্ধনের জন্য কিউআর-কোড হাব স্থাপন করেছে।
ক্যাম্পেইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন সনি ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেডের বাংলাদেশ শাখার প্রধান যশুয়া কুয়েক। অনুষ্ঠানে তিনিসহ স্মার্ট টেকনোলজিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জানান, গ্রাহকদের জন্য উচ্চমানের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের পাশাপাশি বিশ্বকাপের আনন্দকে আরও রঙিন করতে এই ক্যাম্পেইনটি ডিজাইন করা হয়েছে। সনি বাংলাদেশের এই বিশেষ উদ্যোগটি ফুটবল প্রেমীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সনি হোম এন্টারটেইনমেন্টের প্রধান মাশচাভালিত কেমনুজ মিং এবং স্মার্ট টেকনোলজিসের বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
ফুটবল প্রেমীদের জন্য সনি-স্মার্টের এই সময়োপযোগী আয়োজন কেনাকাটায় নতুন এক উদ্দীপনা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের সাথে ফুটবল বিশ্বকাপের স্মারক উপহার গ্রাহকদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে। দেশজুড়ে বিস্তৃত সনি-স্মার্টের শোরুমগুলোতে বর্তমানে এই অফারটি পুরোদমে কার্যকর রয়েছে এবং গ্রাহকরা আগ্রহের সাথে অংশ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে স্মার্ট টেকনোলজিস দেশীয় বাজারে তাদের শক্তিশালী অবস্থান আরও সংহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
ছবি: সংগৃহীত
দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো সুসংহতকরণ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) মধ্যে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েনের একটি বিশাল ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জাইকা বাংলাদেশ কার্যালয়ের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সই করেন। প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার এই আর্থিক সহায়তা মূলত ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক কর্মসূচির অধীনে প্রদান করা হচ্ছে।
এই ঋণ সহায়তা দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমকে বেগবান করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাপান সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘পার্টনারশিপ অন ওয়াইড এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস রেজিলিয়েন্স এশিয়া (POWERR Asia)’-এর আওতায় এটিই প্রথম সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) ঋণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি হ্রাস করা এবং বিশ্ববাজারের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় কার্যকর সহযোগিতা প্রদান করা। একই অনুষ্ঠানে নোট বিনিময় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইআরডি সচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।
প্রদত্ত এই ঋণ কর্মসূচির দুটি প্রধান ভিত্তি রয়েছে, যার একটি হলো জ্বালানি খাতের সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্যটি অর্থনৈতিক সুশাসন ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহ-অর্থায়নে পরিচালিত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করার মতো নীতিগত পদক্ষেপগুলোতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর ফলে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর টেকসই পরিচালনা এবং দেশব্যাপী স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য এই সহায়তা অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এটি দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের সাথে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। জ্বালানি খাতের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই এই বিশাল অঙ্কের ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে জাইকা। মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জাইকার এই অব্যাহত সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
মেটলাইফ বাংলাদেশের ‘এমপ্লয়ি বেনিফিট ট্রেন্ডস স্টাডি (ইবিটিএস) ২০২৫’ শীর্ষক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৭৫ শতাংশের বেশি কর্মী আকস্মিক আর্থিক চাপ বা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত সমস্যার সময় নিয়োগদাতাদের কাছ থেকে সহায়তা প্রত্যাশা করেন।এই তথ্য কর্মক্ষেত্রে আরও সহানুভূতিশীল ও কর্মীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রতিফলন।
গবেষণায় কর্মীদের প্রত্যাশায় একটি স্পষ্ট পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে। কর্মীরা এখন শুধু পেশাগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেই নয়, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতেও নিয়োগদাতাদের আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের বড় সংকটময় সময়েই কর্মীরা নিয়োগদাতাদের সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা করেন। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৪৩ শতাংশ কর্মী আকস্মিক আর্থিক চাপ বা অপ্রত্যাশিত ব্যয়কে এমন একটি পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যখন নিয়োগদাতাদের সমর্থন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এ ছাড়া ২৫ শতাংশ কর্মী মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, ২৪ শতাংশ কর্মী পরিবারের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব এবং ২১ শতাংশ কর্মী গুরুতর চিকিৎসাজনিত জটিলতাকে গুরুত্বপূর্ণ সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ফলাফলগুলো ইঙ্গিত করে যে আর্থিক ধাক্কা, স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং পারিবারিক দায়িত্বের মতো পরিস্থিতিতেই নিয়োগদাতাদের সহযোগিতা কর্মীদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
যদিও ৭২ শতাংশ কর্মী বিশ্বাস করেন যে তাঁদের প্রতিষ্ঠান কর্মীদের প্রতি যত্নশীল, তবে মাত্র ৪২ শতাংশ কর্মী অন্যদের কাছে সক্রিয়ভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ করতে আগ্রহী। এটি কর্মীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশিত অঙ্গীকার এবং কর্মীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি স্পষ্ট ব্যবধানের ইঙ্গিত দেয়।
কর্মীরা কেবল কাগজে-কলমে বা নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ উদ্যোগ নয়, বরং বাস্তব সংকটের সময় দৃশ্যমান ও অর্থবহ সহায়তার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ ধরনের সহায়তার ক্ষেত্রে প্রায় ২৯ শতাংশ কর্মী নমনীয় ছুটির নীতিকে (ফ্লেক্সিবল লিভ পলিসি) গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। অন্যদিকে ২৬ শতাংশ কর্মী কঠিন সময়ে কাজের চাপ কমানোর বিষয়টিকে এবং ২২ শতাংশ কর্মী কাজের সময়সূচির ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ কর্মীদের মধ্যে এমন মানবিক কর্মপরিবেশের চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
গবেষণায় এটি আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা শুধু সহানুভূতির বিষয় নয়, এটি ব্যবসার প্রবৃদ্ধির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রায় ৭৮ শতাংশ কর্মী জানান, স্বাস্থ্য ও কল্যাণমূলক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাঁদের আনুগত্য বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া যেসব কর্মী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্ট, তাঁরা কাজের প্রতি বেশি আন্তরিক থাকেন এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
জরিপ অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে সহানুভূতির সঙ্গে সাড়া দেয়, তারা সহজেই কর্মীদের আস্থা অর্জন করতে পারে, কর্মসম্পৃক্ততা বাড়াতে পারে এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা উন্নত করতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, "এখনকার কর্মীদের প্রত্যাশা হলো, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে নিয়োগদাতারা তাঁদের পাশে থাকবেন—সেটি আর্থিক চাপ, স্বাস্থ্যগত সমস্যা কিংবা পারিবারিক দায়িত্ব, যা-ই হোক না কেন। কোনো প্রতিষ্ঠান যখন এমন সময়ে কর্মীদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করে, তখন প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা তৈরি হয়, উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মীদের আনুগত্য আরও দৃঢ় হয়। দেশের শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেটলাইফ নিয়োগদাতাদের এমন কার্যকর সমাধান দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।"
দেশের তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং কর্মসংস্থান উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর উদ্যোগে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) অনুষ্ঠিত হলো “প্রাইমএকাডেমিয়া এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০”। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিডিসি) এবং ডিআইইউ ফাইন্যান্স ক্লাবের যৌথ সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নলেজ টাওয়ারের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ এবং ব্যাংকিং খাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা। আয়োজনটির মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার সচেতনতা বৃদ্ধি, নেতৃত্বগুণ বিকাশ, আর্থিক সাক্ষরতা সম্প্রসারণ এবং অ্যাকাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যকার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা।
অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন শায়লা আবেদীন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব লায়াবিলিটি অ্যান্ড উইমেন ব্যাংকিং; এম এম মাহবুব হাসান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এবং মিস মনোয়ারা খাতুন, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব ট্যালেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড অর্গানাইজেশনাল ডেভেলপমেন্ট।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর; ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী, রেজিস্টার; এবং ড. হামিদুল হক খান, ট্রেজারার।
জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং দিকনির্দেশনামূলক আলোচনার মাধ্যমে মূল পর্ব শুরু হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি ইন্টারেক্টিভ সেশন, যেখানে শিক্ষার্থীরা আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন, নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আর্থিক খাতে ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন বাস্তবধর্মী বিষয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
এছাড়াও প্রাইম ব্যাংকের বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় একটি বিশেষ মক ইন্টারভিউ সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা রিয়েল-ওয়ার্ল্ড ইন্টারভিউ ও রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান। সেশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের করপোরেট কমিউনিকেশন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং ক্যারিয়ার প্রস্তুতি বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের পেশাজীবীদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগও তৈরি হয়।
“প্রাইমএকাডেমিয়া এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০”-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. দেশের তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি এবং অ্যাকাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যকার ব্যবধান কমিয়ে কর্মসংস্থানমুখী ইকোসিস্টেম তৈরিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
অর্থঋণ আদালতে ব্যাংকের চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ৮ জুন সোমবার বিজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ল’ ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান সিএসপি। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সমন্বয় সভায় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান এবং ব্যাংকের প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া প্রধান কার্যালয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ এবং বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন এরিয়া প্রধানগণ, সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টসমূহের উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দসহ ল’ ডিপাটমেন্টের নির্বাহী-কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ব্যাংকের মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন শাখায় শ্রেণীকৃত ঋণের বিপরীতে অর্থঋণ আদালতে চলমান মামলাসমূহের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যা চিন্থিতকরণ এবং তা নিরসনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া হয়।
দেশের দ্রুত বিকাশমান এফোর্টেবল রিটেইল ক্লথিং ব্র্যান্ড লাইভ শপিং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের
আইএসও ৯০০১: কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কিউএমএস) সনদ অর্জন করেছে। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম, গ্রাহকসেবা এবং পরিচালন ব্যবস্থাপনাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আশিক খান এ অর্জনের বিষয়ে বলেন, “আমরা এখন একটি আইএসও সার্টিফাইড কোম্পানি। যখন অনেকেই শুধু ব্যবসা পরিচালনা করে, তখন আমরা ব্যবসাকে একটি সুসংগঠিত সিস্টেমে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি। আমাদের বিশ্বাস, দীর্ঘমেয়াদি সফলতার জন্য মানসম্পন্ন প্রক্রিয়া, জবাবদিহিতা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির কোনো বিকল্প নেই।”
আইএসও ৯০০১ হলো বিশ্বের সবচেয়ে স্বীকৃত কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কিউএমএস) মানদণ্ড, যা কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রাহককেন্দ্রিক করে তুলতে সহায়তা করে। এই সনদ অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালন কাঠামো, নীতিমালা, প্রক্রিয়া ব্যবস্থাপনা এবং ক্রমাগত উন্নয়নের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হয়।
লাইভ শপিং কর্তৃপক্ষ জানায়, আইএসও ৯০০১ সনদ অর্জনের ফলে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে এবং গ্রাহকদের জন্য সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি অংশীদার, বিনিয়োগকারী এবং গ্রাহকদের কাছে প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। সেই প্রেক্ষাপটে লাইভ শপিংয়ের এই অর্জন প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও গ্রাহক সন্তুষ্টি, সেবার উৎকর্ষতা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যবসায়িক চর্চা নিশ্চিত করতে তারা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাবে।
সারাদেশে তীব্র তাপদাহ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের শীর্ষস্থানীয় কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম পিকাবু গ্রাহকদের জন্য এক বিশেষ এসি (এয়ার কন্ডিশনার) ক্যাম্পেইন চালু করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত এসি ক্রয় প্রক্রিয়াকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ওয়ালটন, হায়্যার, হাইসেন্স, গ্রি, স্যামসাং এবং মিডিয়াসহ দেশি-বিদেশি জনপ্রিয় সব ব্র্যান্ডের ইনভার্টার ও নন-ইনভার্টার এসির বিশাল সংগ্রহ রাখা হয়েছে। গ্রাহকরা পিকাবু থেকে এখন পছন্দের এসি কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় উপভোগ করতে পারছেন।
মূল্যছাড়ের পাশাপাশি গ্রাহকদের আর্থিক সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে পিকাবু ৩৬ মাস পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী ইএমআই বা সহজ কিস্তি সুবিধা প্রদান করছে। এছাড়া ঢাকা মহানগরীর ভেতরে দ্রুততম সময়ে অর্থাৎ একই দিনে পণ্য সরবরাহ এবং বিনামূল্যে স্থাপনের (ইনস্টলেশন) নিশ্চয়তা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিটি পণ্যের সাথে ব্র্যান্ডের অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি সুবিধা থাকায় গ্রাহকরা নির্ভীকভাবে আসল পণ্য সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন। উচ্চমূল্যের গৃহস্থালি পণ্য কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ যেসব ভোগান্তির শিকার হন, তা নিরসন করে একটি নিরবচ্ছিন্ন কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই এই ক্যাম্পেইনের প্রধান উদ্দেশ্য।
পিকাবুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাজারে এসির চাহিদা দ্রুত বাড়লেও সঠিক দাম ও আসল পণ্য পাওয়া নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করে। এই শঙ্কা দূর করতে পিকাবু নিজস্ব মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি পণ্য যাচাই করে থাকে। এছাড়া ঘরের আয়তন, বাজেট এবং ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী কোন এসি সবথেকে উপযুক্ত হবে, সে বিষয়ে দক্ষ পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করছে তারা। মূলত একটি পূর্ণাঙ্গ ‘হোম সলিউশন পার্টনার’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড হায়্যার এবং দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটনের প্রতিনিধিরা এই অংশীদারিত্বের বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। হায়্যার বাংলাদেশ জানিয়েছে যে, বাংলাদেশের অনলাইন মার্কেটে আধুনিক কুলিং সলিউশনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং পিকাবুর মতো বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা সরাসরি গ্রাহকদের দোরগোড়ায় আসল পণ্য ও বিক্রয়োত্তর সেবা পৌঁছে দিতে পারছেন। অন্যদিকে ওয়ালটন প্রতিনিধি উল্লেখ করেছেন, এই গ্রীষ্মে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সাশ্রয়ী ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এসি সরবরাহ করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং পিকাবুর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স বাজার ৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যেখানে নগরায়ন এবং ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে এসির বাজার প্রতি বছর শক্তিশালী হচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯০ শতাংশ এসি বিক্রয় এখনও অফলাইনে সম্পন্ন হলেও পিকাবুর মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো এই ব্যবধান কমিয়ে আনতে কাজ করছে। মূল অফারের পাশাপাশি ভিসা ও মাস্টারকার্ড এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পেমেন্ট করলে গ্রাহকরা অতিরিক্ত ক্যাশব্যাক ও বিশেষ ছাড়ের সুযোগ পাচ্ছেন। প্রযুক্তি ও আস্থার সমন্বয়ে পিকাবু এখন অফলাইন থেকে অনলাইনে ইলেকট্রনিক্স কেনাকাটার রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করছে।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকেল (এনইভি) উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (সিএএম) কর্তৃক প্রকাশিত ‘অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬’-এ শীর্ষস্থান অধিকার করার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো চীনা অটোমোবাইল উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এ সাফল্য অর্জন করলো।
সিএএমের মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিবেদনের ২২তম সংস্করণে নিজস্ব ‘এম.ও.বি.আইএল’ পদ্ধতি ব্যবহার করে ৩৬টি বৈশ্বিক অটোমোটিভ গ্রুপের ৮৬৭টিরও বেশি উদ্ভাবনকে মূল্যায়ন করা হয়। এই পদ্ধতিতে উদ্ভাবনগুলোকে ম্যাচিউরিটি, অরিজিনালিটি, উপযোগিতা ও ইনোভেশনের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী, বিওয়াইডি ১৫৭.২ ইনডেক্স পয়েন্ট অর্জন করে সর্বোচ্চ উদ্ভাবনী স্কোর নিশ্চিত করে। এ অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পূর্ববর্তী চ্যাম্পিয়ন ভক্সওয়াগেন গ্রুপ (১৪৩.১ পয়েন্ট) ও মার্সিডিজ-বেঞ্জ গ্রুপকে (১৩৪.২ পয়েন্ট) ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনের শীর্ষে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করে।
বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোটিভ গ্রুপ হওয়ার পাশাপাশি, বিওয়াইডি ‘মোস্ট ইনোভেশন ভলিউম ব্র্যান্ড ২০২৬’-এর স্বীকৃতিও পেয়েছে। ১০৫-এর অধিক ইনোভেশন ইনডেক্স পয়েন্ট নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি রেনল্ট ও টয়োটার মতো সুপ্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোকে পেছনে ফেলে এই শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত করে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটারি প্রযুক্তি, ইলেক্ট্রিফাইড পাওয়ারট্রেন, ইন্টেলিজেন্ট ড্রাইভিং সিস্টেম ও প্রতিষ্ঠানটির একাধিক ‘ওয়ার্ল্ড-ফার্স্ট ইনোভেশন’ মূলত এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
এই স্বীকৃতি সাসটেইনেবল মবিলিটির দিকে বৈশ্বিক রূপান্তরে বিওয়াইডির ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে পুনরায় তুলে ধরে। ব্লেড ব্যাটারি, ডিএম-আই সুপার হাইব্রিড সিস্টেম, অ্যাডভান্সড ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম (এডিএএস) ও পরবর্তী প্রজন্মের মবিলিটি সল্যুশনের মতো বিভিন্ন প্রযুক্তিতে ক্রমাগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ইভি ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করছে।
বিওয়াইডি যখন বাংলাদেশ সহ বিশ্ববাজারে তার উপস্থিতি আরও বিস্তৃত করছে, তখন এ অর্জন উদ্ভাবনী ও সাসটেইনেবল মোবিলিটিকে সবার জন্য আরও সহজলভ্য করে তোলার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে। সম্প্রতি, বিওয়াইডি বাংলাদেশ দুইটি ভেহিকল ডেলিভারি মেগা-ইভেন্টের মাধ্যমে ৯০টি এনইভি সরাসরি ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তর করে। দেশে সাসটেইনেবল মোবিলিটি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
মন্তব্য