ফ্লোর প্রাইসই তাহলে লেনদেনে বাধা?

ফ্লোর প্রাইসই তাহলে লেনদেনে বাধা?

রোববার ফ্লোর প্রত্যাহার করা ৩০টি কোম্পানির সবগুলো দর হারালেও মঙ্গলবার থেকেই পাল্টে যেতে থাকে পরিস্থিতি। বেশ কয়েকটি কোম্পানি উঠে আসে বাতিল করা ফ্লোর প্রাইসের উপরে। চতুর্থ দিনেই ৯টি কোম্পানির দাম বাতিল করা ফ্লোর প্রাইসের উপরে উঠে আসে। তার চেয়ে বড় কথা, যে কোম্পানিগুলোর লেনদেন হচ্ছিল না বললেই চলে, সেগুলোর লাখ লাখ শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এমনকি একটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে এক কোটির বেশি।

সাধারণের মধ্যে করোনার ভয় যেমন কেটেছে, তার ব্যতিক্রম নয় পুঁজিবাজারও। গত বছর করোনা সংক্রমণের পর কম দামে শেয়ার ছেড়ে দেয়া বিনিয়োগকারীদের পুঁজি রক্ষায় যে ফ্লোর প্রাইস দেয়া হয়েছিল, সেটি প্রত্যাহার করলে কী হয়, তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও দ্বিতীয় দফায় ৩০টি কোম্পানির ক্ষেত্রে দেখা গেছে ইতিবাচক চিত্র।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ৩ জুন সিদ্ধান্ত জানানোর পর শেয়ারধারীরা ছিলেন আতঙ্কিত। প্রথম কার্যদিবস রোববারই ৩০টি কোম্পানির ২৯টি দর হারায় সর্বোচ্চ পরিমাণ ২ শতাংশ। পরের দিনও তা-ই হয়।

তবে মঙ্গলবার থেকেই পাল্টে যেতে থাকে পরিস্থিতি। বেশ কয়েকটি কোম্পানি উঠে আসে বাতিল করা ফ্লোর প্রাইসের ওপরে। চতুর্থ দিনেই ৯টি কোম্পানির দাম বাতিল করা ফ্লোর প্রাইসের ওপরে উঠে আসে।

তার চেয়ে বড় কথা যে কোম্পানিগুলোর লেনদেন হচ্ছিল না বললেই চলে, সেগুলোর লাখ লাখ শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এমনকি একটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে এক কোটির বেশি।

ফ্লোর প্রাইসই তাহলে লেনদেনে বাধা?
৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রত্যাহারের আদেশ আসে ৩ জুন

আগের ৬৬টির মতো এই শেয়ারগুলোও দিনে কমতে পারবে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ। তবে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাকি সব শেয়ারের মতোই সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের সীমা থাকবে।

সেই ৬৬ কোম্পানির ক্ষেত্রেও একই চিত্র। ফ্লোর প্রাইসেও একেবারেই লেনদেন না হওয়া কোম্পানিগুলো মুক্ত হওয়ার পর বিপুল পরিমাণ শেয়ার হাতবদল হতে থাকে।

ফ্লোর প্রাইসই তাহলে লেনদেনে বাধা?
৬৬ কোম্পানির ফ্লোর প্রত্যাহারের আদেশ আসে ৭ এপ্রিল

উচ্চমূল্যে কিনে যারা আটকা পড়েছিলেন, তারা কম দামে কিনে সমন্বয় করতে পেরেছেন। কেউ কেউ লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করে সেই টাকায় অন্য শেয়ার কিনতে পেরেছেন। অথচ মাসের পর মাস এই শেয়ারগুলোতে আটকে ছিলেন বিনিয়োগকারীরা। তখন তারা ফ্লোর প্রত্যাহারের সম্ভাবনা হলেই উৎকণ্ঠিত হতেন।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফ্লোর প্রাইসের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে সিংহভাগ কোম্পানির লেনদেনে একটা বাধা ছিল। সেটি এখন কাটতে শুরু করেছে। শেয়ার হাতবদল বাড়লে তা ইতিবাচক।’

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টের সাবেক প্রধান গবেষণা প্রধান দেবব্রত কুমার সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুঁজিবাজারের বর্তমানে যে অবস্থা তাতে ফ্লোর প্রাইস খুব বেশি প্রয়োজন নেই। তবে সেহেতু শেয়ারের প্রান্তসীমা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মনস্তান্তিক একটি ধারণা তৈরি হয়েছে তাই এখনই সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেয়া ঠিক হবে না। আর উঠিয়ে দিলেও শেয়ারের দর পতনের ক্ষেত্রে যে ২ শতাংশ সীমা দেয়া আছে, সেটি রাখা উচিত।’

৩০টির মধ্যে ৯টির দাম এখন ফ্লোর প্রাইসের চেয়ে বেশি

খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের বঙ্গজের দাম এখন বাতিল করা ফ্লোর প্রাইস ১১৬ টাকা ৯০ পয়সা থেকে বেশি। সেখান থেকে বুধবার দাম বেড়ে হয় ১২০ টাকা ২০ পয়সা।

লেনদেনও বেড়েছে। গত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ শেয়ার বিক্রি হয়েছে কোম্পানিটির। মঙ্গলবার হাতবদল হয় মোট ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৭টি শেয়ার। বুধবার হাতবদল হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৬৮৪টি।

অথচ ফ্লোর প্রাইস তোলার আদেশ আসার দিন এর লেনদেন ছিল ১ হাজার ৭২৬টি।

ফ্লোর প্রাইসই তাহলে লেনদেনে বাধা?

গত বছরের ২২ অক্টোবর থেকে এক দিনেই ফ্লোর প্রাইস ১০৬ টাকা ৯০ পয়সার বেশিতে হাতবদল হয়েছিল অ্যাপেক্স ট্যানারির দর। ফ্লোর প্রত্যাহারের পর রোববার প্রথম কার্যদিবসেই সেখান থেকে দাম কমে যায় প্রায় ২ শতাংশ। তবে দাম দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ১০ পয়সা।

ফ্লোর প্রাইসের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ১০০টি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার লেনদেন হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৯৯৫টি।

তবে চমক ছিল জেমিনি সি ফুডসের।

গত ১০ জানুয়ারি থেকে ফ্লোর প্রাইস ১৪৪ টাকা ৩০ পয়সার ওপরে উঠতে না পারা শেয়ারটি মুক্ত হওয়ার পর দুই কার্যদিবস আরও কমে দাম দাঁড়ায় ১৩৯ টাকা ১০ পয়সা। অথচ তৃতীয় কার্যদিবসেই অবিশ্বাস্যভাবে শতকরা প্রায় ১০ শতাংশ দাম বেড়ে হয়ে যায় ১৫৩ টাকা। বুধবার দাম আরও খানিকটা বেড়ে হয় ১৫৪ টাকা ৮০ পয়সা।

কোনো এক দিনে গত এক বছরের মধ্যে শেয়ারটির হাতবদলও হয়েছে সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার ১ লাখ ৩২ হাজার ৯০৫টি শেয়ার হাতবদল হয়। অথচ ফ্লোর প্রাইসের শেষ দিনে হাতবদল হয়েছিল কেবল ৭১৪টি।

বুধবার লেনদেন কিছুটা কমে হয়েছে ৬৬ হাজার ২টি।

ড্যাফোডিল কম্পিউটারের দর ফ্লোর প্রাইস ৫৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে বুধবার হয়েছে ৫৯ টাকা ৭০ পয়সা।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন বৃহস্পতিবার ২৯ হাজার ৯০টি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার লেনদেন হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৯টি।

অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের দর ফ্লোর প্রাইস ২১৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২২২ টাকা।

বৃহস্পতিবার ফ্লোরে থাকার শেষ দিন ৩ হাজার ৩৫১টি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার হাতবদল হয় ১৫ হাজার ৭৭৫টি।

ইস্টার্ন কেবলসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪০ টাকা ১০ পয়সা। সেখান থেকে দাম বেড়ে বুধবার হয়েছে ১৪০ টাকা ৭০ পয়সা।

ফ্লোর ওঠার আগের দিন ১১৬টি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার লেনদেন বেড়ে হয় ৭৮ হাজার ২১১টি।

স্টাইলক্রাফটের দর ১৪৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে রোববার ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ কমে হয়েছিল ১৪৩ টাকা ৩০ পয়সা। তবে চতুর্থ দিনে দাম ফ্লোর থেকে বেশি দেখা গেছে। লেনদেন হয়েছে ১৪৭ টাকা ৫০ পয়সা।

বৃহস্পতিবার ফ্লোর প্রাইসে ২ হাজার ৯৩টি শেয়ার লেনদেন হলেও বুধবার হাতবদল হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭৩টি।

আজিজ পাইপের দর ফ্লোর প্রাইস ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে বুধবার হয়েছে ৯৮ টাকা ১০ পয়সা।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন বৃহস্পতিবার ৭১০ শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার হাতবদল হয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার ৩৯০টি।

ন্যাশনাল পলিমারের দর ফ্লোর প্রাইস ৫৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫৮ টাকা ৭০ পয়সা।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন বৃহস্পতিবার হাতবদল হয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫১টি। বুধবার হাতবদল হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ৯ হাজার ৮৫৮ টাকা।

প্রায় সবগুলোর বিপুল লেনদেন

এটলাসের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১০৯ টাকা ৪০ পয়সা। রোববার দাম কমে হয় ১০৮ টাকা ৯০ পয়সা। তবে মঙ্গলবার ফ্লোরের ওপরে ১১০ টাকা ২০ পয়সায় দিন শেষ করে। বুধবার অবশ্য আবার তা কমে হয় ১০৮ টাকা ৯০ পয়সা।

তবে লেনদেনে দেখা গেছে চমক।

ফ্লোর প্রাইসই তাহলে লেনদেনে বাধা?

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের আগে শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দিন দুটি কোম্পানির শেয়ার হাতবদল হয়েছিল। বুধবার হাতবদল হয় ৯ হাজার ৭৩০টি।

রেনউইক যগেশ্বরের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৯০০ টাকা। তৃতীয় দিনে দাম কমে হয় ৮৪৭ টাকা ২০ পয়সা। তবে বুধবার ঘুরে দাঁড়িয়ে দাম দাঁড়ায় ৮৬৩ টাকা ৮০ পয়সা।

ফ্লোর ওঠানোর আগে বৃহস্পতিবার লেনদেন ছিল আটটি। আর বুধবার হাতবদল হয়েছে ৮ হাজার ২১১টি।

টানা চার দিন ধরে কমছে মুন্নু অ্যাগ্রোর দর। ফ্লোর প্রাইস ৭৯৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২ শতাংশ কমে হয় ৭৭৮ টাকা ৯০ পয়সা। বুধবার দাম হয়েছে ৭৩৩ টাকা ৩০ পয়সা।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন কোনো শেয়ার হাতবদল না হলেও রোববার লেনদেন হয়েছিল ৩১টি। বুধবার হাতবদল হয় চার হাজার ১৭২টি।

নর্দার্ন জুট কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩২৪ টাকা ৯০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়ায় ২৯৯ টাকা ৮০ পয়সা।

ফ্লোর ওঠার আগের দিন লেনদেন ছিল ১৮টি। আর বুধবার লেনদেন হয়েছে ৮৩ হাজার ৪০৬টি।

গত অর্থবছরে বিপুল পরিমাণ লোকসান দেয়া বাটা ফ্লোর প্রাইস ৬৯৩ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছিল না বললেই চলে। মঙ্গলবার লেনদেন শেষে শেয়ার দর দাঁড়ায় ৬৫২ টাকা ৬০ পয়সা। তবে বুধবার বেড়ে দাম হয় ৬৬৬ টাকা ২০ পয়সা।

ফ্লোরে থাকার সময় বৃহস্পতিবার হাতবদল হয় ৭৯৯টি। বুধবার ১৩ হাজার ৬৬৭টি।

ওয়াটা ক্যামিকেলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৩০৬ টাকা ৮০ পয়সা। বুধবার দাম দাঁড়িয়েছে ৩০১ টাকা।

বৃহস্পতিবার ১১৬টি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০২টি।

অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের দর ১৩০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১২৫ টাকা হয়েছে।

ফ্লোরের শেষ দিন কোনো লেনদেন না হওয়া কোম্পানিটিরও জট খুলেছে। বুধবার হাতবদল হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ২৬৬টি।

সিভিও পেট্রো কেমিক্যালের দাম ১১৫ টাকা ৪০ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা।

ফ্লোর প্রাইস ওঠার আগের দিন বৃহস্পতিবার মাত্র তিনটি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার হাতবদল হয়েছে ১০ হাজার ১৮৯টি।

সোনালী পেপারের দাম ২৭৩ টাকা থেকে কমে হয়েছে ২৫২ টাকা।

বৃ্হস্পতিবার ২০টি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার হয় ২৯ হাজার ৯১৬টি।

কে অ্যান্ড কের ফ্লোর প্রাইস ছিল দর ২০৭ টাকা ৪০ পয়সা। এখন দাম ১৯৩ টাকা ৭০ পয়সা।

বৃ্হস্পতিবার হাতবদল হয়েছিল ৮৬৯টি। বুধবার হয়েছে এক লাখ ২৩ হাজার ৪০৮টি।

বিডিঅটোকারের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১৪৭ টাকা ৩০ পয়সা। দাম কমে হয়েছে ১৩৯ টাকা ৯০ পয়সা।

বৃহস্পতিবার তিনটি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার হাতবদল হয়েছে এক লাখ ১১ হাজার ১৩৬টি।

সমতা লেদারের দর ফ্লোর প্রাইস ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে বুধবার হয়েছে ৯৮ টাকা ৭০ পয়সা।

বৃহস্পতিবার ফ্লোর প্রাইসে একটি শেয়ার লেনদেন হলেও বুধবার হয়েছে চার হাজার ১৫২টি।

ন্যাশনাল টিউবের ফ্লোর প্রাইস ছিল ১০৩ টাকা ১০ পয়সা। দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৯৬ টাকা ১০ পয়সা।

বৃহস্পতিবার ১৪১টি শেয়ার হাতবদল হলেও চমক দেখা গেছে বুধবার। এদিন হাতবদল হয় ৯ লাখ ৫৪ হাজার ৪১৮টি।

ওরিয়ন ইনফিউশনের ফ্লোর প্রাইস ৭২ টাকা ১০ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ৬৭ টাকা ৯০।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন ১০ হাজার শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার হাতবদল হয়েছে ১২ লাখ ৮৯৩টি।

এসকে ট্রিমসের দর ৬২ টাকা ২০ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। ফ্লোরের শেষ দিন বৃহস্পতিবার একটি শেয়ারও লেনদেন না হওয়া কোম্পানিটির বুধবার হাতবদল হয়েছে ১৯ হাজার ৯০৬।

লিগ্যাসি ফুটওয়ারের দর ৬২ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ৬০ টাকা ৩০ পয়সা।

তবে চমক দেখা গেছে লেনদেনে। ফ্লোরে থাকার শেষ দিন বৃহস্পতিবার এটিরও কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি। তবে বুধবার হাতবদল হয় ছয় লাখ ২৯ হাজার ২৭৪টি।

সি পার্লের দর ফ্লোর প্রাইস ৭৯ টাকা ১০ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ৭৩ টাকা ২০ পয়সা। আর এই শেয়ারটিতে কোনো আগ্রহও নেই বিনিয়োগকারীদের।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন বৃহস্পতিবার এটিরও কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি। রোববার হাতবদল হয় ১১টি। মঙ্গলবার হাতবদল হয় পাঁচটি আর বুধবার সাতটি।

হাক্কানি পাল্পের দর ফ্লোর প্রাইস ৭৪ টাকা থেকে কমে বুধবার দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ৭০ পয়সায়।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন বৃহস্পতিবার এক হাজার ১০১টি শেয়ার হাতবদল হলেও বুধবার বিক্রি হয়েছে সাত লাখ ২৭ হাজার ৪৮৩টি।

কোহিনুর ক্যামিকেলের ফ্লোর প্রাইস ছিল ৪৭২ টাকা ৮০ পয়সা। সেখান থেকে কমে হয়েছে ৪৩৬ টাকা ৩০ পয়সা।

ফ্লোরে থাকার শেষ দিন কোনো লেনদেন না হওয়া কোম্পানিটির জট খুলেছে। রোববার ৫১৬টি শেয়ার হাতবদল হয়েছিল। আর বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ৩৫ হাজার ১০০টি।

মুন্নু সিরামিকের দর ১২৬ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ১১৭ টাকা ৮০ পয়সা।

ফ্লোর প্রাইসের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ৭৪ শেয়ার হাতবদল হলেও মুক্ত হওয়ার পর রোববার হাতবদল হয় ১ হাজার ২৫১টি। তবে বুধবার লেনদেন হয়েছে আট লাখ ২৫ হাজার ৭৮টি।

স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের দর ৩০৭ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে হয়েছে ২৮৪ টাকা ১০ পয়সা।

বৃহস্পতিবার হাতবদল হয়েছিল ১২০টি শেয়ার। বুধবার লেনদেন হয় এক হাজার ১১৫টি।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সবুজ উন্নয়ন: এগুতে হবে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়ে

সবুজ উন্নয়ন: এগুতে হবে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়ে

রোববার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) ও বিশ্বব্যাংক আয়োজিত ‘বিল্ড ব্যাক গ্রিনার’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

সবুজ উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ অনেকগুলো পরিকল্পনা করেছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে এই উন্নয়নের পথে এগিয়ে আসতে হবে। এসব পরিকল্পনা-উদ্যোগকে বাস্তবসম্মত করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) পূরণ করা কঠিন হয়ে যাবে। তৈরি পোশাক খাতকে যেভাবে সবুজ উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা দেয়া হয়, চামড়াশিল্প খাতে সেভাবে দেয়া হয় না। ফলে বাস্তবায়ন সম্ভব, এমন পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগুতে হবে।

রোববার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) ও বিশ্বব্যাংক আয়োজিত ‘বিল্ড ব্যাক গ্রিনার’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের জেষ্ঠ পরিবেশ অর্থনীতিবিদ ইউন জো ওআইই। সঞ্চালনা করেন পিআরআই চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার ও নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

মূল প্রবন্ধে ইউন জো ওআইই বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ সবুজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশের মতো দক্ষিণ কোরিয়াও সবুজ উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে। সেখানে সরকারের সবুজ উন্নয়ন নীতির বাস্তবায়নে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ জন্য বাংলাদেশেও সরকারের পাশাপাশি সবুজ উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘সবুজ উন্নয়ন পরিকল্পনায় অর্থায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে। সেচ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছে। অন্যান্য খাতকেও সবুজ পথে এগোতে হবে। আমরা তৈরি পোশাক খাতকে যেভাবে সবুজ উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা দিই, চামড়াশিল্প খাতে সেভাবে দিই না। এজন্য কীভাবে অর্থায়ন সম্ভব সে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে।’

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ তামিম বলেন, জ্বালানি খাতকে কম কার্বন নিঃসরণের পথে এগোনোর কথা বলা হচ্ছে। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য যে বাড়তি ব্যয় করতে হবে, তা জোগান দেয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য আমাদের আছে কি না, সেটি বিবেচনা করতে হবে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্স স্টাডিজের (বিসিএএস) নির্বাহী পরিচালক আতিক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ওই চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কীভাবে এগোবে, তার একটি আর্থিক ও বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা দরকার।’

বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের অনেক পরিকল্পনা করেছে উল্লেখ করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, ‘ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সবুজ উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতিসংঘের কাছে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিয়েছে।

‘কিন্তু এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মতো আর্থিক সামর্থ্য ও সক্ষমতা আমাদের আছে কি না সে বিষয়টি মনে রাখতে হবে। সবুজ উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব, এমন পরিকল্পনা আমাদের করতে হবে।’

অ্যাপেক্স ফুটওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম মনজুর বলেন, ‘দেশে অনেক সবুজ কারখানা গড়ে উঠছে। এলইডি বাল্বকে সবুজ প্রযুক্তি বলছি। কিন্তু এসব কারখানা থেকে উৎপাদিত পণ্য কোথায় ফেলা হচ্ছে, সেগুলো পরিবেশের ক্ষতি করছে কি না, তা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।

‘যে কোনো পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে তার ব্যবহার এবং ফেলে দেয়ার পর তা যাতে পরিবেশের ক্ষতি না করে, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা জরুরি।’

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন

ভল্টের টাকা আত্মসাৎ: প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

ভল্টের টাকা আত্মসাৎ: প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্টে ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকার হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে ভিড় জমায় মানুষ। ফাইল ছবি

রোববার মামলার এজাহার আদালতে আসে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার এ নির্দেশ দেন। গত শনিবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিফাতুল হক এবং ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহম্মেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে পৌনে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ আগামি ২০ সেপ্টেম্বর ঠিক করেছে আদালত।

গত শনিবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার সিনিয়র অফিসার ক্যাশ ইনচার্জ রিফাতুল হক এবং ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহম্মেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

রোববার মামলার এজাহার আদালতে আসে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার এ নির্দেশ দেন।

এদিকে মামলায় অভিযোগ করা হয়, ব্যাংকটির বংশাল শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক গত ১৭ জুন বাদী হয়ে রিফাতুল হক ও এমরান আহম্মেদকে আসামি করে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর অভিযোগ করেন।

রিফাত বংশাল শাখায় ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে কর্মরত রয়েছেন।

গত ১৭ জুন আইসিসি ডিভিশনের ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড ইন্সপেকশন ইউনিট বার্ষিক নিরীক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বংশাল শাখা পরিদর্শনে যায়।

তদন্তে এ শাখার ভল্টে মোট ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকার অসামঞ্জস্যতা বা ঘাটতি পায়।

তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা স্বীকার করেন রিফাতুল হক।

২০২০ সালের আগস্ট থেকে ২০২১ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় অল্প অল্প করে টাকা সরানোর কথা স্বীকার করেন তিনি।

গত ১৮ জুন ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভোল্ট থেকে তিন কোটি ৭৭ লাখ টাকা গায়েব হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনায় ইমরান ও রিফাতকে আটক করা হয়। মামলাটি দুদকের শিডিউলভূক্ত হওয়ায় আসামিদেরকে ১৮ জুন ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন

আমদানি পণ্য আমরা রপ্তানি করছি: বিএসইসি চেয়ারম্যান

আমদানি পণ্য আমরা রপ্তানি করছি: বিএসইসি চেয়ারম্যান

শনিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে ওয়ালটনের তৈরি নতুন মডেলের একটি স্মার্ট টেলিভিশন উন্মোচন করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। এ সময় তিনি ওয়ালটনের তৈরি নতুন মডেলের একটি স্মার্ট টেলিভিশন উন্মোচন করেন।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেছেন, ‘উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দ্বিতীয় ধাপে যেখানে আমাদের হাই টেক ও হেভি ইন্ডাস্ট্রিতে যেতে হবে, সেখানে ওয়ালটন অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আমরা যেসব পণ্য আমদানি করতাম, এখন তা রপ্তানি করছি। বাংলাদেশে যে সব কিছুই সম্ভব, সেটা ওয়ালটনের মাধ্যমে আমরা সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারব।’

শনিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

সে সময় তিনি ওয়ালটনের তৈরি নতুন মডেলের একটি স্মার্ট টেলিভিশন উন্মোচন করেন। বিএসইসি চেয়ারম্যান ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে হাই-এফিশিয়েন্ট ইনভার্টার কম্প্রেসরের প্রোটোটাইপ পরিদর্শন করেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ওয়ালটন কারখানা একটি গ্রিন টেকনোলজি প্রতিষ্ঠান। এখানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন কমপোনেন্ট তৈরি হচ্ছে। কাঁচামাল থেকে একটি সম্পূর্ণ পণ্য কীভাবে ওয়ালটন তৈরি করছে, সেটা নিজ চোখে দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। ওয়ালটনকে দেখে বুঝতে পারলাম, বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। ওয়ালটন সবদিক থেকেই স্বয়ংসম্পূর্ণ।’

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, ‘ওয়ালটন টেকসই, ক্রমবর্ধমান ও জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ওয়ালটনের মতো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশকে নেক্সট ফেইজে নিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের আইপিওতে আসা দরকার। এতে দেশের শিল্পায়ন বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান বাড়বে। সর্বোপরি রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন নার্সিং করে যাবে।’

এর আগে অতিথিরা কারখানা কমপ্লেক্সে পৌঁছলে তাদের স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম, এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন

নির্বাচনি এলাকায় সোমবার ব্যাংক বন্ধ

নির্বাচনি এলাকায় সোমবার ব্যাংক বন্ধ

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়, নির্বাচনি এলাকাধীন যেসব স্থাপনা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার বা নির্বাচনি কার্যক্রমের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে সে সকল স্থাপনায় তফসিলি ব্যাংকের সকল শাখা বন্ধ থাকবে।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচন, ঝালকাঠি পৌরসভা ও দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনসহ সারা দেশে ২০৪ ইউনিয়নের নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি এলাকায় তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা সোমবার বন্ধ থাকবে।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে ।

সার্কুলারে বলা হয়, নির্বাচনি এলাকাধীন যেসব স্থাপনা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার বা নির্বাচনি কার্যক্রমের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে সে সকল স্থাপনায় তফসিলি ব্যাংকের সকল শাখা বন্ধ থাকবে।

সার্কুলারে নির্বাচনি এলাকায় ব্যাংকের শাখায় কর্মরত ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন

ঢাকা চেম্বারে বসছে ‘ভিয়েতনাম ডেস্ক’

ঢাকা চেম্বারে বসছে ‘ভিয়েতনাম ডেস্ক’

দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে বেশ কয়েকটি বিষয়ে ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং বাংলাদেশস্থ ভিয়েতনাম দূতাবাসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভিয়েতনাম প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্যে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশে সরকার নানাবিধ সুবিধা প্রদান করছে, যেগুলো গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভিয়েতনামের বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব।

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উন্নয়নে ভিয়েতনাম দূতাবাস ঢাকা চেম্বার কার্যলায়ে ‘ভিয়েতনাম ডেস্ক’ স্থাপন করবে।

বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) ম্যাচ-মেকিং, ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মেলন, বাণিজ্য মেলা আয়োজন, পণ্য ও সেবা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধিসহ বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে যৌথ গবেষণা পরিচালনায়ও একযোগে কাজ করবে দেশটি।

ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশস্থ ভিয়েতনাম দূতাবাস কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান এবং ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রিজওয়ান বলেন, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৬৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর এবং নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে এই বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব।

ভিয়েতনাম প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্যে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশে সরকার নানাবিধ সুবিধা প্রদান করছে, যেগুলো গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভিয়েতনামের বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব।

‘কৃষি, খাদ্য-প্রক্রিয়াজাতকরণ, জাহাজ নির্মাণ, ইলেকট্রনিক্স, চামড়া, পাট, হালকা প্রকৌশল এবং হ্যান্ডিক্রাফ্ট প্রভৃতি শিল্পে ভিয়েতনামের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর জন্য দূতাবাসের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

জবাবে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন স্বাক্ষরিত সহযোগিতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। তবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করতে হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বেশ কিছু সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে, যেখানে দুদেশের উদ্যোক্তারা যৌথভাবে কাজ করতে পারে। এতে উভয় দেশই লাভবান হবে।

ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে মবিন এবং সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন

হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার

হালকা প্রকৌশল শিল্প নিয়ে আশাবাদী সরকার

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা

সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী বাহিনী তৈরির মাধ্যমে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন এবং পণ্য বহুমুখীকরণের ফলে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারিত হবে।

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প বা হালকা প্রকৌশল পণ্য উৎপাদনের খাতকে রপ্তানিমুখী করা সম্ভব হলে দেশে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

রোববার ‘লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময় খাত। সরকার এ খাতটিকে রপ্তানিমুখী করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির উদ্যোগে রোববার ভার্চুয়াল পরামর্শক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে খসড়া নীতিমালা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

কর্মশালায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী বাহিনী তৈরির মাধ্যমে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন এবং পণ্য বহুমুখীকরণের ফলে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারিত হবে। তবে এর জন্য সরকারি উদ্যোগে সম্পৃক্ত হতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সম্ভাবনা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পকে ‘বর্ষপণ্য-২০২০’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। দেশের অভ্যন্তরে এ খাতের বড় বাজার গড়ে উঠেছে। বিদেশেও হালকা প্রকৌশল পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে খাতটির উদ্বৃত্ত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব। সেদিন বেশি দূরে নয়।

পরামর্শক কর্মশালায় বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ, এফবিসিসিআই’র সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. হাফিজুর রহমান ছাড়াও শিল্প মালিক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. আব্দুল রহিমের সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবদুর রাজ্জাক।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন

বিমার ৬০ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তাদের ধারণ করতে হবে: আইডিআরএ

বিমার ৬০ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তাদের ধারণ করতে হবে: আইডিআরএ

বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন

আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন, ‘তাদের পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কিনতে হবে। এজন্য হঠাৎ করে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও জটিলতা আছে। তবে যেহেতু এটি আইনগত বিষয়, তাই জটিলতা থাকলেও আইগনত বিষয়টিকেই আমরা গুরুত্ব দেবো।’

আইনগতভাবেই বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তাদের ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন।

বিমা সম্পর্কিত সাংবাদিকদের সংগঠন ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরাম (আইআরএফ) এর সঙ্গে রোববার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিমা আইন ২০১০-এর ২১(৩) ধারার তফসিল-১-এ বলা হয়েছে, দেশে নিবন্ধিত জীবন বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ আসবে উদ্যোক্তাদের কাছ থাকে। বাকি ৪০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে।

সাধারণ বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন হবে ৪০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ উদ্যোক্তারা দেবেন। বাকি ৪০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তাদের ৬০ শতাংশ না থাকায় এমন চিঠিতে ব্যাপক প্রভাব পড়ে পুঁজিবাজারে। পুঁজিবাজার থেকে বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তারা শেয়ার কিনবেন এমন ধারণায় হু হু করে দাম বাড়তে থাকে বিমার শেয়ারের।

এ বিষয়ে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, এখানে দুটি বিষয় আছে। একটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত, অপরটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছাড়া। যেসব বিমা কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সেগুলোর ক্ষেত্রেও কিছু সমস্যা আছে। তা হচ্ছে আইনগত নির্দেশনা আর অপারেশন কার্যক্রম।

‘তাদের পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কিনতে হবে। এজন্য হঠাৎ করে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও জটিলতা আছে। তবে যেহেতু এটি আইনগত বিষয়, তাই জটিলতা থাকলেও আইগনত বিষয়টিকেই আমরা গুরুত্ব দেবো।

‘তবে যেসব বিমা কোম্পানি এখনও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি তারা যখন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাবে তখন তাদের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ পরিপালন না থাকলে আমাদের পক্ষ থেকে অনুমোদন দেবো না।’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫০ বিমা কোম্পানির মধ্যে মাত্র ছয়টির উদ্যোক্তাদের শেয়ার রয়েছে ৬০ শতাংশ বা তার বেশি। ৬০ শতাংশের নিচে রয়েছে ৪৪টি কোম্পানির উদ্যোক্তাদের শেয়ার।

মত বিনিময় সভায় মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘নন লাইফের ক্ষেত্রে আমাদের কিছু জটিলতা আছে। আমরা সেখানে নিরীক্ষক নিয়োগ করছি। এ সেক্টরেও যাতে শৃঙ্খলা ফিরে সেটিও গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। যার সুফল আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যেই পাওয়া যাবে।’

জনবল সংকট একটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের এখানে ইতোমধ্যে নিচের দিকে ১৭ জন জনবলেল অনুমোদন পাওয়া গেছে। আর ৪০ জনকে দেয়া হবে। তখন কাজের অনেকটা গতি আসবে।’

জীবন বিমা কোম্পানিগুলোর অনিয়মের বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের এখানে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন অভিযোগ আসে। আমরা সবগুলোরই তদন্ত করি। সানলাইফের ক্ষেত্রে দাবি পরিশোধ না করার বিষয়ে নজরে আসলে, আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করি।’ তিনি জানান, ইতোমধ্যে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স তাদের সম্পদ বিক্রি করে প্রায় ২৫ কোটি টাকা দাবি পরিশোধ করেছে। বাকি দাবিগুলোও পরিশোধ করবে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, লাইফ বিমা কোম্পানির মাঠ পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করায় কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা ব্যয় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। গত বৃহস্পতিবার জারিকৃত এ সংক্রান্ত সার্কুলারটি আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

বিমা খাতের একচ্যুয়ারি সমস্যা দীর্ঘ দিনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ মে বিমা দিবসে একচ্যুয়ারি বিষয়ক প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে বলেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে গুরুত্ব দিয়ে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে একচ্যুয়ারি প্রশিক্ষণে আগ্রহীদের পাওয়া যাচ্ছে না। এ জন্য আমরা একটি স্কলারশিপ প্রোগামেরও আয়োজন করেছি, যা পাঁচজনকে দেয়া হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনজনকে পাওয়া গেছে। প্রতি জনের ৫ কোটি টাকা স্কলারশিপ ঘোষণা করার পরও আগ্রহী পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে এ খাতের উন্নয়নে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হবে।’

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন আইআরএফ সভাপতি গোলাম মওলা। সঞ্চালনা করেন সাখাওয়াত হোসেন সুমন।

আরও পড়ুন:
তৃতীয় দিনেই ফ্লোর ছাড়িয়ে ৫ কোম্পানি, লেনদেনেও চমক
৩০ কোম্পানির ২৯টি দর হারাল ‘সর্বোচ্চ’
আরও ৩০ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
সেই ৬৬ কোম্পানির শেয়ারে এখন বাড়তি ‍সুবিধা
আতঙ্ক থাকলেও ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রভাব ইতিবাচক

শেয়ার করুন