ঢাকায় ফিরতে সড়কে মানুষের ঢল

ঢাকায় ফিরতে সড়কে মানুষের ঢল

১৪ দিনের শাটডাউন শুরুর আগে কাজে ফিরতে ময়মনসিংহের পাটগুদাম বাস টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার থেকে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউন। তাই ঈদের আমেজ কাটতে না-কাটতে রাজধানীর দিকে ছুটছে মানুষ। বাড়তি চাপের কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এসে ধীরগতিতে ঘুরছে গাড়ির চাকা। তবে যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।

রাত পোহালেই ‘সবচেয়ে কঠোর’ শাটডাউন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বন্ধ থাকবে গণপরিবহন। চলবে না ফেরি-লঞ্চও। এ কারণে ঈদের আমেজ কাটতে না-কাটতে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ।

সংসারের চাকা সচল রাখতে ও চাকরি বাঁচাতে তারা ছুটছেন। অথচ ঈদের আগের দিন ভোগান্তি মাথায় করে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছিলেন কর্মজীবীরা।

হঠাৎ সড়কে চাপ বাড়ায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে এসে কমে যাচ্ছে গাড়ির চাকার গতি। তবে যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। পরিবহন কম থাকায় গাড়িতে নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই। সবাই যেন ছুটছেন হন্যে হয়ে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক

গাজীপুরের একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন শাহ নেওয়াজ। ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ৬ নম্বর বোকাইনগর ইউনিয়নে পরিবার নিয়ে উদযাপন করেছেন ঈদ।

ছুটি শেষ হতে না হতেই কাজে যোগ দিতে রওনা হয়েছেন গাজীপুরের উদ্দেশে।

বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে ময়মনসিংহের পাটগুদাম বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, তিনি একটি ঢাকাগামী বাসে বসে আছেন।

কথা হয় শাহ নেওয়াজের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রতিবছর দুটি ঈদে পাঁচ থেকে ছয় দিন ছুটি পান। সরকারি সিদ্ধান্তে শুক্রবার থেকে আবারও সারা দেশে দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হচ্ছে। তাই ছুটিও পেয়েছেন তিন দিন।

‘ঈদের আগের দিন এসেছিলাম। ইচ্ছে করলে অনুমতি নিয়ে আরও দুই দিন ছুটি বেশি কাটাতে পারতাম। তবে আগামীকাল থেকে যদি গাড়ি না পাই, পরে আর যেতে পারব না। তাই রওনা হয়েছি।’ যোগ করে শাহ নেওয়াজ।

পাশের সিটের থাকা আজগর আলী বলেন, ঢাকার আব্দুল্লাহপুরে একটি বাসার কেয়ারটেকার তিনি। সাত দিনের ছুটি পেয়েছিলেন। কিন্তু কাল থেকে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে গেলে, ঢাকায় যেতে পারবেন না। এ জন্য আজই রওনা দিয়েছেন।

‘আগে ময়মনসিংহ থেকে মহাখালী পর্যন্ত বাস ভাড়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা লাগত। আইজক্যা অসংখ্য যাত্রী থাকায় ভাড়া নিতাছে ৩৫০ টাকা। সবগুলো সিটেই দুইজন বইয়্যা রইছে। তবু সিট পাওন যাইতাছে না।’

শহরের মাসকান্দা আন্তজেলা বাস টার্মিনালে দেখা গেছে, যাত্রীতে কানায় কানায় ঠাসা টার্মিনাল। প্রতিটি বাসে পাশাপাশি দুটি সিটেই বসানো হচ্ছে যাত্রী।

ঢাকায় ফিরতে সড়কে মানুষের ঢল
দুই সিটে একজন করে যাত্রী নেয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ছবি: নিউজবাংলা

আসাদুল নামে এক যাত্রী বলেন, ‘আধা ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টিকিট কেটে সিট পেয়েছি। সরকারি নির্দেশে দুই সিটে একজন করে নেয়ার কথা থাকলেও দুই সিটেই যাত্রীকে বসতে দেয়া হচ্ছে। নেই হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা।’

এনা বাসের চালক আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী নিচ্ছি। কাউন্টারের সামনে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকলেও হাত ধুতে যাত্রীদের অনীহা রয়েছে। এ ছাড়া গাড়ি ছাড়ার আগে প্রতিটি সিটে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে।’

দুই সিটে দুজনকে বসিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, যেসব যাত্রী পরিবার নিয়ে এসেছে, তাদের একসঙ্গে বসতে দেয়া হচ্ছে। আর যারা একা এসেছে তাদের দুই সিটে একজনকেই বসতে দেয়া হয়েছে।

গত ১ জুলাই থেকে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। কিন্তু এরপরও বেড়েই চলেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু।

তারপরও ঈদ সামনে রেখে সাত দিনের জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করে সরকার। সেই সময়েই ঘোষণা আসে ২৩ জুলাই থেকে ফের আরোপ হবে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার পর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে দূরপাল্লার বাসসহ নানা ধরনের যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

মহাসড়কের সাইনবোর্ড, শিমরাইল, মদনপুর ও মোগরাপাড়া এলাকায় দূরপাল্লার গাড়ি থেকে নামছেন অনেকেই। তবে বেশির ভাগ মানুষের যাত্রা ঢাকার দিকে।

গাড়ির চাপ থাকলেও মহাসড়কে যানজট দেখা যায়নি। তবে অতিরিক্ত গাড়ির কারণে চাকা ঘুরছে ধীর গতিতে।

যাত্রী হারুন মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদের আগের দিন গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আজ (বৃহস্পতিবার) চলে আসলাম। কারণ আগামীকাল (শুক্রবার) থেকে ঢাকার দিকে গাড়ি চলবে না। কষ্ট হলেও চলে আসতে হলো।’

নোয়াখালী থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছেন ইসতিয়াক আহমেদ নামের এক যাত্রী।

তিনি বলেন, ‘অফিসের কাজে কোথায় যেতে হয় তার ঠিক নেই। তাই গ্রাম থেকে ঢাকার ভাড়া বাড়ির দিকে যাচ্ছি।’

যেসব চালক গাড়ি নিয়ে ঈদের আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে গেছেন তারাও ঢাকায় ফিরছেন।

ঢাকায় ফিরতে সড়কে মানুষের ঢল
ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে বেড়েছে গাড়ির চাপ, তবে নেই যানজট

লক্ষ্মীপুর থেকে আসা মাইক্রোবাস চালক পঞ্চু মিয়া বলেন, ‘ঈদের আগের রাতে যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর গেছিলাম। কাল থেকে শাটডাউন, তাই আজই চলে আসলাম। কারণ গাড়ির মালিকের কাছে তার গাড়ি বুঝায় দিতে হবে।’

চট্টগ্রাম থেকে যাত্রী নিয়ে আসা চালক ফারুক হোসেন বলেন, ‘ঢাকার দিকে যাওয়ার মানুষের চাপ অনেক। আসার সময় মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে দেখলাম অনেক মানুষ ঢাকার দিকে যাইতে গাড়িতে উঠতাছে। আমার গাড়ির স্ট্যান্ডও ঢাকায়। তাই যাত্রী নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছি।’

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

একই চিত্র ঢাক-সিলেট মহাসড়কেও।

এ সড়কের বরাব, রূপসী এলাকায় স্বাভাবিক গতিতেই ঢাকার দিকে যাচ্ছে যানবাহন।

সিলেটের সুনামগঞ্জ থেকে প্রাইভেট কারে ঢাকার দিকে যাচ্ছেন সুতা ব্যবসায়ী কবির হোসেন।

তিনি বলেন, ‘১৪ দিনের লকডাউন, তাই নানা বাড়ি থেকে ঢাকায় চলে যাচ্ছি। কারণ কাল থেকে তো সব বন্ধ।’

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘কাল থেকে আবার লকডাউন। তাই যারা ঈদে বাড়িতে গেছেন তাদের মধ্যে অনেকই রাজধানীর দিকে ছুটে আসছেন। এ কারণেই আজ মহসড়কে অনেক যাবাহন চলাচল করছে। দুই মহাসড়কেই বেড়েছে গাড়ির চাপ। তবে কোনো যানযট নেই, এটাই স্বস্তি।’

তবে এদিনও রাজধানী ছাড়তে দেখা গেছে অনেকে। ঈদের আগে নানা কারণে বাড়িতে ফিরতে না পেরে ও কঠোর লকডাউনের খবরে গ্রামে ফিরছেন অনেকে।

কিশোরগঞ্জের ব্যবসায়ী রাসেল আহম্মদে বলেন, ‘স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় শ্বশুরবাড়ি এসেছিলাম। কাল থেকে আরও কঠোর লকডাউন শুনে বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়েছি। সাইনবোর্ডে থেকে গাড়িতে উঠব।’

সানারপাড় থেকে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরছেন ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে ব্যবসায় মন্দা। এর ওপর শাটডাউনে ব্যবসার একেবারেই চলে না। শহরে থাকলে অনেক খরচ। তাই সবাইকে নিয়ে গ্রামে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সৌদিতে শুল্ক ছাড়াই ১৩৭ পণ্য রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

সৌদিতে শুল্ক ছাড়াই ১৩৭ পণ্য রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে সৌদি আরবে সফররত বাংলাদেশি দল

সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়েও অনুরোধ সালমান এফ রহমান।

সৌদি আরবে ১৩৭টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী আল কাসাবির কাছে এই অনুরোধ করেন।

শনিবার আল কাসাবির সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হন সালমান এফ রহমান। সরকারি সফরে তিনি এখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব বর্তমানে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত ও প্লাস্টিক পণ্য, হিমায়িত মাছ ও ওষুধ আমদানি করে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান হালাল মাংস রপ্তানিতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে জোরদার করতে সৌদি আরবে রপ্তানি হয় এমন ১৩৭টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চান তিনি। এ ছাড়া সৌদিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাবসা করার সুযোগ দেওয়ারও অনুরোধ করেন।

সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তার দেশ বিদেশিদের বৈধভাবে ব্যবসা করার সুযোগ দেয়। বাংলাদেশিরা এ ব্যপারে সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের সহায়তা পাবে।

সৌদি আরব চাইলে বাংলাদেশ সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা করে বিশেষ সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও আল কাসাবিকে জানান সালমান এফ রহমান। সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়েও অনুরোধ জানান তিনি। এ ব্যপারে ইতিবাচক মনোভব দেখান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীও।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ এবং কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিনিয়োগ করতে পারে।

এ ছাড়া ২০১৯ সালে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরের সময় দুই বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন সমঝোতা দ্রুত কার্যকর করারও অনুরোধ জানান তিনি। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন কাসাবি।

সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান। এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন আল কাসাবি।

এর আগে বৈঠকের শুরুতেই সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন সালমান এফ রহমান। শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সৌদি সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলে জানান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী।

ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজ এবং সৌদি আরবে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারি উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন

তুরাগে যাত্রীসহ প্রাইভেটকার, নিহত ১

তুরাগে যাত্রীসহ প্রাইভেটকার, নিহত ১

প্রতীকী ছবি।

উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মনির হোসেন জানান, প্রাইভেটকারটি ঢাকা থেকে আশুলিয়ার দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে তুরাগ নদে পড়ে যায়। এসময় গাড়ি থেকে দুইজন বেরিয়ে আসতে পারলেও, আটকা পড়েন একজন।

ঢাকার সাভারে একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তুরাগ নদে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুইজন।

তাদের আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম ভোলা দাশ। আহত দুইজনের নাম জানা যায়নি।

উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মনির হোসেন জানান, প্রাইভেটকারটি ঢাকা থেকে আশুলিয়ার দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে তুরাগ নদে পড়ে যায়। এসময় গাড়ি থেকে দুইজন বেরিয়ে আসতে পারলেও, আটকা পড়েন একজন।

‘ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গাড়ির ভেতর থেকে একজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। আহত দুইজনকে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।’

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ বলেন, ‘পানিতে তলিয়ে যাওয়া প্রাইভেটকারের আহত দুই যাত্রীকে আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। মরদেহ থানায় নেয়া হয়েছে। পানির নিচে থাকা প্রাইভেটকারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন

গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহের পাশে বসে কাঁদছিল শিশু

গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহের পাশে বসে কাঁদছিল শিশু

ওবায়দুর রহমান বলেন, এলাকার একটি হাওরে কয়েকজন লোক মাছ ধরছিলেন। এ সময় তারা একটি শিশুর কান্না শুনতে পান। তখন আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পান হাওরের পাশে নির্জন স্থানে ক্ষতবিক্ষত এক নারীর মরদেহ পড়ে আছে। পাশে বসে শিশুটি কাঁদছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ইয়াসমিন নামে এক গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক আছেন স্বামীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গাঙাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে মদনপুর-যুগের হাওর নামক স্থান থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন নান্দাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওবায়দুর রহমান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শ্রীরামপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামের ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহ ছিল। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। পারিবারিক কলহে গৃহবধূ ইয়াসমিন তার বাপের বাড়িতে চলে গেলেও দুই দিন আগে স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন।

ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘এলাকার একটি হাওরে কয়েকজন লোক মাছ ধরছিলেন। এ সময় তারা একটি শিশুর কান্না শুনতে পান। তখন আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পান হাওরের পাশে নির্জন স্থানে ক্ষতবিক্ষত এক নারীর মরদেহ পড়ে আছে। পাশে বসে শিশুটি কাঁদছে।

‘জেলেদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।’

পুলিশের ওই এসআই বলেন, ‘তিন বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার নামের শিশুটি নিহত গৃহবধূর মেয়ে। গৃহবধূর বুকে, পিটে ও হাতে ছুরির আঘাত রয়েছে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।’

মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। রোববার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা লাপাত্তা বলে জানায় পুলিশ।

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন

স্কুলের মাঠ দখল করে কলাবাগান

স্কুলের মাঠ দখল করে কলাবাগান

স্কুলের মাঠ দখল করে সেখানে রোপন করা হয় কলাগাছ। ছবি: নিউজবাংলা

করোনায় বন্ধ থাকার সুযোগে স্কুলের মাঠে কলাগাছের চারা রোপন করেন ওই স্কুলের জমিদাতার নাতিরা। তাদের দাবি, জমির মালিকানা তাদের দাদি পিয়ারজান বিবির ছিল না। তাই তিনি জমি লিখে দিতে পারেন না। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও জমিদাতার স্বজনদের মধ্যে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে কলাগাছের বাগান করেছেন জমিদাতার পরিবারের সদস্যরা। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ে পাঠদান চললেও, মাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অবিভাবকসহ স্থানীয়রা।

উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের কুতুবপুর পিয়ারজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে কলাগাছ লাগানোর ঘটনায় কর্তৃপক্ষ প্রতিবাদ জানালেও, লাভ হয়নি। সালিশে বসেও সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৭৪ সালে বিদ্যালয়ের নামে জমি লিখে দেন পিয়ারজান বিবি নামের এক নারী। তিনি বর্তমানে বেঁচে নেই।

৪৭ বছর পর জমিদাতার নাতিরা দাবি করছেন, জমির মালিকানা পিয়ারজান বিবির ছিল না। তাই তাদের দাদি জমি লিখে দিতে পারেন না। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও জমিদাতার স্বজনদের মধ্যে।

স্থানীয়রা জানান, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় দেড় বছর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এ সময়ে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে কম আসতেন। এই সুযোগে বিদ্যালয় মাঠে কলাগাছের চারা রোপন করে জমিদাতার স্বজনরা।

খবর পেয়ে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে গেলে তাদের দেয়া হয় নানা রকম হুমকি। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় মামলা করেন।

প্রধান শিক্ষক রোকেয়া খাতুন বলেন, ‘গত ২৯ মে স্থানীয় পর্যায়ে সালিশ হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় জমিদাতার স্বজনরা বিদ্যালয়কে ৩১ শতক জমি সাফকবলা দলিল করে দেবেন। বিনিময়ে তাদের তিন লাখ টাকা দেয়া হয়। কিন্তু এখন তারা জমি লিখে দেয়ার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে পাঠদানের জন্য একমাত্র টিনশেড ঘরটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও, মাঠ থেকে কলাগাছ সরানো হয়নি। এ অবস্থায় গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটি খোলা হয়।’

জমিদাতা পিয়ারজান বিবির নাতি আবুল ইসলাম জানান, তারা তিন লাখ টাকা পেয়েছেন। তবে জমি লিখে দিতে হলে আগের দলিল বাতিল করতে হবে।

পিয়ারজান বিবির আরেক নাতি সুরুজ আলী বলেন, ‘আগের দলিল বাতিল করা না হলে নতুন করে জমি লিখে দেব না। গাছগুলো সরানোর বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক বলেন, ‘একটি মীমাংসিত বিষয়কে জটিল করে তুলেছেন জমিদাতার স্বজনরা। ঘটনাটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন

ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত

ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত

ঢাকা মেডিক্যালে শান্তর মৃতদেহ

মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়া আট নম্বর স্টেশনে কাজ করতেন ২৩ বছর বয়সী শান্ত। আগারগাঁও তালতলার একটি বাসায় কয়েকজন মিলে থাকতেন।

রাজধানীর আগারগাঁও তালতলা এলাকার একটি ভবনের ৬ তলা ছাদ থেকে অসাবধানতায় পড়ে গিয়ে আরিফুল ইসলাম শান্ত নামে এক মেট্রোরেল কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে নয়টার তার মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচা আব্দুল হান্নান জানান, মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়া আট নম্বর স্টেশনে কাজ করতেন ২৩ বছর বয়সী শান্ত। আগারগাঁও তালতলার একটি বাসায় কয়েকজন মিলে থাকেন। ওই বাসার ছয় তলার ছাদে মোবাইলে কথা বলতে বলতে অসাবধানবশত নিচে পড়ে যান।

প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলেও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যালে শান্তকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের আবু সালেকের সন্তান তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ (এএসআই) আব্দুল খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন

প্রতারক চাকরিদাতারা রিমান্ডে

প্রতারক চাকরিদাতারা রিমান্ডে

গ্রেপ্তার হওয়া তিন প্রতারক

ড্রিম জবস ইন কানাডা নামে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতারণা করে আসছে। চক্রের একটি অংশ প্রথমে ভিকটিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে তোলে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জার, ভয়েস-ওভার-আইপি সার্ভিস ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে প্রতারণার দায়ে গ্রেপ্তার তিন প্রতারককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে একদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

শনিবার প্রতারণায় অভিযুক্ত মো. কবির হোসেন, শামসুল কবীর ও ইয়াছিন আলীকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। পরে কদমতলী থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলার তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম আসামিদের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে শুক্রবার রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের একটি দল। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫৭টি চেকবই, ২৩৪টি ডেবিট কার্ড, ৮টি মোবাইল ফোন ও ১১টি মোবাইলের সিম জব্দ করা হয়।

শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত কমিশনার ডিবির প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার।

হাফিজ জানান, ড্রিম জবস ইন কানাডা নামে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতারণা করে আসছে। চক্রের একটি অংশ প্রথমে ভিকটিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। আবার ফেসবুকে বিদেশে চাকরির অফার দিয়ে আগ্রহীদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ই-মেইলে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ফির বাহানায় ব্যাংকে টাকা জমা দিতে বলে প্রতারকরা। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তারা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রদান করে। এভাবে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা আয় তাদের।

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন

বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়িতে গুলি, আহত ২

বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়িতে গুলি, আহত ২

বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ২ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

স্থানীয় সাংবাদিক আকাশ মারমা জানান, বান্দরবানের রুমা থেকে রাজস্থলী পোয়াইতি মুখ পাড়ার ১৯ জন পর্যটক ফেরার পথে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কের গলাচিপা এলাকায় হামলার শিকার হন। এ সময় তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়ে একদল সন্ত্রাসী। এতে দুই জন আহত হন।

বান্দরবানে একটি গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২ আদিবাসী নারী আহত হয়েছেন। জেলার গলাচিপা এলাকায় শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত দুই নারীর একজন য়‌ইসিং‌নু মারমা, অন্যজন মেহাইসিং মারমা। তারা কাপ্তাই চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টান হাসপাতলে ভর্তি আছেন।

স্থানীয় সাংবাদিক আকাশ মারমা জানান, বান্দরবানের রুমা থেকে রাজস্থলী পোয়াইতি মুখ পাড়ার ১৯ জন পর্যটক ফেরার পথে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কের গলাচিপা এলাকায় হামলার শিকার হন। এ সময় তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়ে একদল সন্ত্রাসী। এতে দুই জন আহত হন।

এ ঘটনায় জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করছে স্থানীয়রা। জেএসএস অবশ্য কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যটকবাহী একটি চাঁদের গাড়িতে হামলার ঘটনার কথা শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, উভয়মুখী যাত্রী চাপ ঘাটগুলোতে
ঈদের দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার যানজট
অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ায় ৩ লঞ্চকে জরিমানা
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল

শেয়ার করুন