বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার

বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার

ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল জানান, ভাঙন হয় সাধারণত বর্ষায়। এখন এই জৈষ্ঠ্যের মধ্যেই যমুনায় ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে।

বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে তীরের প্রায় ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পানির প্রবল স্রোতে মঙ্গলবার সকালে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হলে ভান্ডারবাড়ি বাজারের সামনে এই ভাঙন দেখা দেয়। এখন ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে যমুনার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও তীরবর্তী বসতবাড়ি।

উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের পূর্বপাশ দিয়ে বহমান যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে কয়েক দিন ধরে। সেই সঙ্গে নদীতে স্রোতও প্রবল। এতে নদীর বুকে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে ঘূর্ণাবর্তে পড়ে ভান্ডারবাড়ি বাজারের সামনে নদীর তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে ভাঙনে তীরের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়েছে। এতে যমুনাপাড়ের মানুষ এখন আতঙ্কিত।

ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল জানান, ভাঙন হয় সাধারণত বর্ষায়। এখন এই জৈষ্ঠ্যের মধ্যেই যমুনায় ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধ না করা হলে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বাঁধে আশ্রিতদের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী আসাদুল হক বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনের বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে ভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আষাঢ়ে ইলিশের খোঁজে

আষাঢ়ে ইলিশের খোঁজে

শনিবার বড় স্টেশন মাছঘাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ইলিশশূন্য বাজার। অধিকাংশ আড়তেই নেই মাছ। বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা কিছু ইলিশ নিয়ে বসে আছেন বিক্রির উদ্দেশ্যে। কিন্তু দাম অত্যধিক বেশি হওয়ায় ক্রেতাদেরও আনাগোনা নেই খুব একটা। যারাই দু-একজন কিনছেন, প্রত্যেকেই চড়া দামে ইলিশ কিনে বাড়ি ফিরছেন।

আষাঢ়ে টানা বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমায় স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। কিন্তু ইলিশবাজারের চিত্রটা উল্টো। বাজারে সরবরাহ কম থাকায় মাছের চড়া দাম।

দেশের অন্যতম বড় ইলিশবাজার বড় স্টেশন মাছঘাটের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইলিশের যে চাহিদা, সে তুলনায় সরবরাহ নেই বললেই চলে। তাই শুধু ভিআইপিরাই ইলিশ কিনতে পারছেন, সাধারণ মানুষ নাগাল পাচ্ছে না ইলিশের।

সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, সাধ থাকলেও সাধ্যে কুলাচ্ছে না। তাই দাম শুনেই কেনার আশা মিটে যাচ্ছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আর কিছুদিন পরেই জেলেদের জালে ধরা পড়বে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। তখন নামবে দামের পারদ।

শনিবার বড় স্টেশন মাছঘাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ইলিশশূন্য বাজার। অধিকাংশ আড়তেই নেই মাছ। বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা কিছু ইলিশ নিয়ে বসে আছেন বিক্রির উদ্দেশ্যে। কিন্তু দাম অত্যধিক বেশি হওয়ায় ক্রেতাদেরও আনাগোনা নেই খুব একটা। যারাই দু-একজন কিনছেন, প্রত্যেকেই চড়া দামে ইলিশ কিনে বাড়ি ফিরছেন।

ইলিশ ব্যবসায়ী বিপ্লব খান বলেন, মার্চ-এপ্রিল দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও ইলিশ ধরা শুরু হয়েছে নদীতে। কিন্তু জালে উঠছে না ইলিশ। মাছের যে চাহিদা, সেই তুলনায় মাছ নেই। তাই ইলিশের দাম এখন বেশি।

তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ২ কেজি ৬০০ গ্রামের একটি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১২ হাজার টাকায়; যে টাকা দিয়ে একটি আস্ত খাসি কেনা যেত। মাছ না থাকায় আমাদের কিনতে হচ্ছে বেশি টাকায়, তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি মূল্যে।’

বাজারে এখন ৫০০ গ্রাম থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মণপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ হাজার থেকে ৩৮ হাজার টাকায়। তা ছাড়া ৮০০ গ্রাম থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মণপ্রতি ৪০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকায়। এক কেজি ওজনের ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৬০ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকায় এবং ১২০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা মণ দরে।

বাজারের খুচরা ইলিশ বিক্রেতা আলাউদ্দিন ও মো. মোস্তফা বলেন, ‘আমরা যারা খুচরা ইলিশ বেচি, আমাগো কাছেও অন্যান্য বছর এই সময় ১০ থেকে ১২ মণ ইলিশ মজুত থাকত। অনেক সাধারণ মানুষ মাছ কিনতে আইত। বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকত। কিন্তু অহন মাছ না থাহনে এক মণ ইলিশও মজুত করতে পারি না। ইলিশের দাম হুইন্নাই সাধারণ মানুষ জায়গ্যা। ঠেহায় না পড়লে কেউ মাছ কেনে না। বড় বড় সরকারি অফিসার, ঠিকাদার, ব্যবসায়ীসহ ভিআইপি কাস্টমাররাই অহন ইলিশ কেনে।’

সবুজ হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘বাজারে আসছিলাম ইলিশ কিনতে। কিন্তু যেই দাম চায়, তা শুনে আর সাহসে কুলায় নাই। এই দাম দিয়া আমাগো মতো মানুষের ইলিশ কেনা সম্ভব না। তাই খালি হাতেই ফিরে যাচ্ছি, অন্য বাজার থেকে তেলাপিয়া মাছ নিয়া যামু বাড়িতে।’

চাঁদপুর জেলা মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত বলেন, ঘাটে ইলিশের সরবরাহ নেই। অন্যান্য বছর এই সময়ে কয়েক শ মণ ইলিশ সরবরাহ হলেও বর্তমানে হচ্ছে মাত্র ৮ থেকে ১০ মণ। যে চাহিদা রয়েছে, তার কিছুই সরবরাহ হয় না। তাই ইলিশ কিনতে ঢাকাসহ দূরদূরান্ত থেকে মানুষ চাঁদপুরে এসে অনেক সময় খালি হাতেই ফিরে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, মূলত এ বছর বৈশাখ মাসে ঝড়-বৃষ্টি কম হওয়ায় নদীতে মাছ নেই খুব একটা। তা ছাড়া মা-ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণ অভিযানের সময় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ নিধন করারও প্রভাব পড়েছে এখন। তবে আগামী দুই-এক মাস পর থেকে নদীতে আবারও ইলিশ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

চাঁদপুর মৎস্য ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান বলেন, ‘মূলত এপ্রিল, মে, জুন, জুলাই ইলিশের জন্য ডাল সিজন। এই সময়টাতে সাধারণত নদীতে ইলিশ কম আসে, তাই ধরাও পড়ে কম। তা ছাড়া এ বছর বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় নদীতে কম হয়েছে, তাই সমুদ্র থেকে ইলিশ উঠে আসেনি নদীতে।’

তবে তিনি জেলে ও ব্যবসায়ীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আশা করছি, ঠিকমতো বৃষ্টিপাত হলে আগামী জুলাই মাসের শেষ থেকেই নদীতে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ পাওয়া যাবে। তখন দামও ক্রেতা সাধারণের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।’

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন

‘কারো খাবারও খাবেন না পুলিশ সদস্যরা’

‘কারো খাবারও খাবেন না পুলিশ সদস্যরা’

বরিশাল পুলিশ লাইনসে শনিবার নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিং দেন রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা

বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আপনারা কারো লোক হবেন না, কারো খাবারও খাবেন না। মনে রাখবেন আপনারা রাষ্ট্রের জন্য, জনগণের জন্য। নির্বাচনে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটার ও জনগণের নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বরিশাল রেঞ্জের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এসএম আক্তারুজ্জামান।

শনিবার বরিশাল পুলিশ লাইনসে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

ডিআইজি বলেন, ‘আপনারা কারো লোক হবেন না, কারো খাবারও খাবেন না। মনে রাখবেন আপনারা রাষ্ট্রের জন্য, জনগণের জন্য। নির্বাচনে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

২১ জুন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন যে কোনমূল্যে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।।

বরিশালের পুলিশ সুপার মারুফ হোসেনের সভাপতিত্বে ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) শাহজাহান হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ইকবাল হোসেনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে মাস্টার্স পরীক্ষা শুরু

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে মাস্টার্স পরীক্ষা শুরু

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস জানান, মাস্টার্সের চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা ছাড়াও স্নাতক চতুর্থ বর্ষের স্পেশাল টার্মের পরীক্ষা গ্রহণেরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে মাস্টার্স চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। গত মার্চে স্থগিত পরীক্ষাও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস জানান, মাস্টার্সের চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা ছাড়াও স্নাতক চতুর্থ বর্ষের স্পেশাল টার্মের পরীক্ষা গ্রহণেরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলেই স্নাতক চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব না হলে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতিও নেয়া হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরও জানান, কর্তৃপক্ষের গঠন করা একটি সাধারণ ও একটি টেকনিক্যাল কমিটি এ লক্ষ্যে কাজ করছে। পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতিসহ খুঁটিনাটি বিষয়ে কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে এসব পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ২৫ মে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গত ৩০ মে অ্যাকাডেমিক প্রধানদের সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির নির্দেশনার আলোকে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. নাসিফ আহসান জানান, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের সব ডিসিপ্লিনের মাস্টার্স চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ১ জুলাই শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চারুকলা স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম জানান, চারুকলার তিনটি ডিসিপ্লিনের স্থগিত মাস্টার্স পরীক্ষা শুরুর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। যেকোনো দিন তারিখ জানানো হবে।

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে ৫ মৃত্যু

সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে ৫ মৃত্যু

সাতক্ষীরা শহরে বিশেষ লকডাউনের তৃতীয় সপ্তাহ চলছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের শরীরে শনাক্ত হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন ও উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের শরীরে শনাক্ত হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন ও উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলায় মারা গেছেন ৫৭ জন। আর ভাইরাসটির উপসর্গে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ২৬৮ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা পজিটিভ ২১ জনসহ ১৭৯ জন ও সদর হাসপাতালে করোনা পজিটিভ চারজনসহ ২৫ জন ভর্তি রয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ক্লিনিকে করোনা পজেটিভ রোগী ভর্তি আছেন ১৩ জন। উপসর্গ নিয়ে ২৯৫ জন বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল, প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

সাতক্ষীরায় বিশেষ লকডাউনের তৃতীয় সপ্তাহ চলছে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে জনসাধারণ ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে পুলিশ। তবে সাধারণ মানুষ কিছুতেই মানতে চাচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

লকডাউনে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে খুলনা ও যশোর থেকে সাতক্ষীরায় প্রবেশের পথ। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন

মা-হারা শিশুটি বাঁচল না নিজেও

মা-হারা শিশুটি বাঁচল না নিজেও

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে প্রথমে সোনিয়া জান্নাত মারা যান। এর আধা ঘণ্টা পর তার দুই বছরের কন্যা হুমাসা জান্নাতের মৃত্যু হয়।

গাজীপুরের শ্রীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ গৃহবধূ ও তার শিশুসন্তানের মৃত্যু হয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে প্রথমে সোনিয়া জান্নাত মারা যান। এর আধা ঘণ্টা পর তার দুই বছরের কন্যা হুমাসা জান্নাতের মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক আব্দুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার দেলোয়ার হোসেনের বহুতল ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

ভবনের মালিক দেলোয়ার হোসেন জানান, পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন পোশাক কারখানার কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা। প্রতিদিনের মতো স্ত্রী-সন্তানকে বাসায় রেখে শনিবার সকালে কর্মস্থলে চলে যান তিনি।

বেলা ১১টার দিকে মোস্তফার বাসায় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে ও আগুন ধরে যায়। এতে আসবাবসহ মালামাল ছিটকে যায় এবং মোস্তফার স্ত্রী ও মেয়ে দগ্ধ হয়।

প্রাথমিকভাবে এলাকাবাসী ও পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভান। দগ্ধ মা ও মেয়েকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় আল হেরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক আব্দুল খান জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে সোনিয়া জান্নাত মারা যান। মায়ের মৃত্যুর কিছু সময় পর তার শিশুসন্তানটিও মারা যায়।

ফায়ার সার্ভিসের শ্রীপুর স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রায়হান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে পুরো ঘরে গ্যাস জমে যায়। চুলা জ্বালানোর সময় ওই গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে এলে দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন

ট্রেন থেকে পড়ে শিশু নিহত

ট্রেন থেকে পড়ে শিশু নিহত

স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি শ্রীপুরের ২৩২/৩-৪ নং কিলোমিটার এলাকা অর্থাৎ শ্রীপুর-বরমী সড়কের গেট পার হচ্ছিল। গেটটি পার হওয়ার পরই একজনের কাটা দেহ পড়ে থাকতে দেখে ওই গেটে দায়িত্বরত গেটম্যান।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে ১২ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে।

শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ময়মনসসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুটি মারা যায়। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি শ্রীপুরের ২৩২/৩-৪ নং কিলোমিটার এলাকা অর্থাৎ শ্রীপুর-বরমী সড়কের গেট পার হচ্ছিল। গেটটি পার হওয়ার পরই একজনের কাটা দেহ পড়ে থাকতে দেখে ওই গেটে দায়িত্বরত গেটম্যান। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ট্রেনের কোনো বগি ও জোড়া থেকে সে পড়ে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে শিশুটি।’

নিহত শিশুটির পরিচয় জানাতে পারেন নি স্টেশন মাস্টার।

কমলাপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল হক বলেন, ‘ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হওয়ার খবরে ঘটনাস্থলে জয়দেবপুর রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জে হেরোইনসহ মাদককারবারি আটক

মানিকগঞ্জে হেরোইনসহ মাদককারবারি আটক

মানিকগঞ্জ পৌরসভার বেউথা এলাকা থেকে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সজিবকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে সাড়ে ৭ গ্রাম হেরোইন জব্দ হয়।

মানিকগঞ্জ পৌর এলাকায় সজিব হোসেন নামের এক মাদককারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব।

মানিকগঞ্জ পৌরসভার বেউথা এলাকা থেকে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় সজিবের কাছ থেকে সাড়ে ৭ গ্রাম হেরোইন জব্দ হয়।

আটক সজিব পৌরসভার চর বেউথা এলাকার বাসিন্দা।

র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জের কোম্পানী কমান্ডার এএসপি উনু মং এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার বেউথা এলাকা থেকে সজিবকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে সাড়ে ৭ গ্রাম হেরোইন জব্দ হয়েছে। সজিবের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
তিথি দেখে যাতায়াত
দুই নদীর মাঝখানে দুর্ভোগে সাত গ্রাম
নদীভাঙনে নিঃস্ব ২১ হাজার পরিবার

শেয়ার করুন