লিচুগাছে আম

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের ভাতিজা আমটি ছিঁড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ গাছের মালিকের। ছবি: নিউজবাংলা

লিচুগাছের আম ছিঁড়ল কে

আবদুর রহমান বলেন, ‘আমরা মাত্র দুইজন ছিলাম। আমি বয়স্ক মানুষ, শক্তি দিয়ে কি তাদের সাথে পারব? আবার তার চাচা মেম্বার মানুষ।’

লিচুগাছে ধরা সেই আমটি ছিঁড়ে গাছের নিচে ফেলে রেখে গেছে দুই তরুণ। এমন অভিযোগ গাছের মালিক আবদুর রহমানের।

নিউজবাংলার ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি মঙ্গলবার সকালে লাইভ করার পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের ভাতিজা আমটি ছিঁড়ে নিয়েছে বলে জানান গাছের মালিক।

আবদুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, সকালে সফিকুল ইসলাম সিকিম মেম্বারের ভাতিজা সোহেল রানা আসে আমটি দেখতে। ফিরে যাওয়ার পথে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এ নিয়ে তর্ক হলে বিষয়টি সে তার চাচা সিকিম মেম্বারকে জানায়।

পরে মেম্বারের সঙ্গে তার দুই ভাতিজাসহ আরও দুইজন সেখানে উপস্থিত হয়। এরপর মেম্বারের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় আবদুর রহমানের। এক পর্যায়ে একজন গাছ থেকে আমটি ছিঁড়ে নিচে ফেলে চলে যায়।

আবদুর রহমান বলেন, ‘আমরা মাত্র দুইজন ছিলাম। আমি বয়স্ক মানুষ, শক্তি দিয়ে কি তাদের সাথে পারব? আবার তার চাচা মেম্বার মানুষ।’

এ বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে বিভিন্ন জেলার মানুষসহ সাংবাদিকরা বার বার ফোন দিয়ে বিরক্ত করছে। সকালে আমি সেখানে গিয়ে আবদুর রহমানকে বলেছি, যাতে সেখানে একটু ভিড় কম হয়। এখন করোনার সময়, এমনি দেশের অবস্থা ভালো না।

‘এরপর সে আমাকে বলে আপনারা মেম্বার-চেয়ারম্যান কী করেন? এসব আপনারা সামলাতে পারেন না? এর মাঝে কে আমটি ছিঁড়েছে, আমি চিনি না তাদের। কারণ তারা তো আর আমার সঙ্গে যায়নি। এখন আবদুর রহমান আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন।’

ঠাকুরগাঁও কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা পড়া আমটি দেখতে গিয়েছিলাম। যারা এ আমটি ছিঁড়ে ফেলেছে তারা মোটেও ভাল কাজ করেনি। এটা ঠাকুরগাঁওয়ে আমাদের নতুন একটা খোঁজ ছিল। লিচু গাছটি যেহেতু ছোট আমরা গাছটিকে পর্যবেক্ষণে রাখব।

এর আগে গত রোববার লিচুগাছে আমটি দেখতে পায় আবদুর রহমানের নাতি হৃদয়। তার কাছ থেকেই পাড়ার লোকজন এই বিরল গাছের বিষয়টি জানতে পারে।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জুন-জুলাইয়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত টিকা আনা হবে: হানিফ

জুন-জুলাইয়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত টিকা আনা হবে: হানিফ

কুষ্টিয়ায় ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় কর্মহীন মানুষদের খাদ্য সহায়তা দেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছবি: নিউজবাংলা

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘করোনা দুর্যোগে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও এখনও সবাইকে ভ্যাকসিন দিতে পারেনি। সীমিত সম্পদ নিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভালমতো করোনা মোকাবিলা করছেন। তার সফলতা বিশ্বের সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছে।’

টিকার কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

কুষ্টিয়ায় শেখ কামাল স্টেডিয়ামে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মহীন মানুষদের খাদ্য সহায়তা দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘আগামী জুন-জুলাইয়ের মধ্যেই বিভিন্ন সোর্স থেকে দেশে পর্যাপ্ত টিকা আনা হবে। এ বিষয়ে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা দুর্যোগে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও এখনও সবাইকে ভ্যাকসিন দিতে পারেনি। সীমিত সম্পদ নিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভালমতো করোনা মোকাবিলা করছেন। তার সফলতা বিশ্বের সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছে।’

হেফাজত প্রসঙ্গে হানিফ জানান, মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডসহ নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

চলমান লকডাউনে জেলার ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় ১০ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন

ঠিকাদারের মার খেয়েও ‘চুপ’ প্রকৌশলী

ঠিকাদারের মার খেয়েও ‘চুপ’ প্রকৌশলী

‘ঘুষখোর’ আখ্যা দিয়ে এলজিইডির প্রকৌশলীকে মারধর করেন ঠিকাদার। ছবি: নিউজবাংলা

‘মিজানুর রহমান একজন অসৎ কর্মকর্তা। ঘুষ ছাড়া তার কলম চলে না। ঘুষের জন্য তিনি আমার জামানতের টাকা আটকে রেখেছেন... আমি ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি আমার কাজ করবেন না। এ জন্য আমি তাকে মেরেছি। পরে আবার তার পা ধরে মাফ চেয়েছি।’

বরগুনায় ঘুষ নেয়ার অভিযোগে এলজিইডির প্রকৌশলীকে মারধর করেছেন এক ঠিকাদার। তবে প্রকৌশলী বলেছেন, ঘুষ নয় ভুল-বোঝাবুঝির কারণে এমনটি হয়েছে। ওই ঠিকাদার পরে তার কাছে ক্ষমা চাইলেও ঘুষের অভিযোগে অনড় রয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার, বরগুনা সদরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ের সামনে।

সেখানে উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানকে মারধর করেছেন ঠিকাদার ফরহাদ জমাদ্দার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেলে বসে ছিলেন মিজানুর। সে সময় ঠিকাদার ফরহাদ হঠাৎই সেখানে গিয়ে তাকে ‘ঘুষখোর’ বলে গালমন্দ করতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করলে মিজানকে মারধর করতে থাকেন তিনি। পরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও এলজিইডির কর্মচারীরা গিয়ে ফরহাদকে থামায়।

ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম আহমদ সোহাগ বলেন, ‘উপজেলা পরিষদে আমাদের একটি মিটিং ছিল। তা শেষ করে বের হয়ে দেখি তারা মারামারি করছে। আমরা গিয়ে তাদের শান্ত করি। কেন তারা মারামারি করছিলেন তা আমি নিশ্চিত নই।’

ঘটনার সত্যতা প্রকৌশলী ও ঠিকাদার দুজনই স্বীকার করেছেন।

ঠিকাদার ফরহাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মিজানুর রহমান একজন অসৎ কর্মকর্তা। ঘুষ ছাড়া তার কলম চলে না। ঘুষের জন্য তিনি আমার জামানতের টাকা আটকে রেখেছেন। বরগুনার অনেক ঠিকাদারের টাকা তিনি আটকে রেখেছেন। আবার অনেকে ঘুষ দিয়ে জামানতের টাকা পেয়েছেন। আমি ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি আমার কাজ করবেন না। এ জন্য আমি তাকে মেরেছি। পরে আবার তার পা ধরে মাফ চেয়েছি।’

কখন ও কী কাজে মিজানুর ঘুষ নিয়েছেন তা সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে চাননি ফরহাদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, ঘুষের টাকায় বরগুনার আমতলার পাড় এলাকায় বহুতল বাড়ি নির্মাণ করেছেন মিজানুর, গড়েছেন অঢেল সম্পত্তি।

মারধরের শিকার প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ফরহাদের এসব অভিযোগ সত্য নয়।

তাহলে কেন মারধর করা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ফরহাদ আমার এলাকার বড় ভাই। কেন হঠাৎ তিনি আমাকে মারধর করলেন তা বুঝতে পারছি না। হয়তো ভুল-বোঝাবুঝির কারণে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।’

এ বিষয়ে কোথাও কোনো অভিযোগও করবেন না বলে জানিয়েছেন মিজানুর।

ঘটনাটি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এস কে আরিফুল ইসলাম।

জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নিবেন। একই কথা বলেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তরিকুল ইসলামও।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন

আলেমদের সিপিবির ঈদ উপহার ‘ব্যক্তিগত উদ্যোগ’

আলেমদের সিপিবির ঈদ উপহার ‘ব্যক্তিগত উদ্যোগ’

সিপিবির দেয়া উপহারসামগ্রী। ছবি সংগৃহীত

সিপিবির খালিশপুর থানা কমিটির সদস্য শ্রমিকনেতা এস এম চন্দন বলেন, ‘আমি একেবারে ব্যক্তিগতভাবে এ উপহার দিয়েছি। যাদের উপহার দেয়া হয়েছে তারা দরিদ্র হলেও সহায়তাপ্রার্থী নন। তাদের সম্মান বজায় রেখে সহায়তা করার জন্যই দলের পরিচয় দিয়ে ঈদ উপহার দেয়া হয়েছে।’

ঈদ উপলক্ষে ‘সম্মানিত আলেমদের’ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনার খালিশপুর থানা কমিটি থেকে দেয়া উপহারসামগ্রী ব্যক্তিগত উদ্যোগ ছিল বলে জানিয়েছেন সেখানকার এক নেতা। তিনি বলেন, আলেমদের সম্মান বজায় রাখতেই দলীয় ব্যানারে দেয়া হয়েছে এসব উপহার।

সিপিবির এই অভিনব উদ্যোগ সবাইকে যেমন অবাক করেছে, তেমনি বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ট্রল হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মুখ খুললেন এ উদ্যোগের আয়োজক সিপিবির খুলনার খালিশপুর থানা কমিটির সদস্য শ্রমিকনেতা এস এম চন্দন। শুক্রবার নিউজবাংলাকে জানান, একেবারে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব উপহার দিয়েছেন তিনি।

‘আমি একেবারে ব্যক্তিগতভাবে এ উপহার দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে আরও কয়েকজন সহায়তা করেছেন। তবে তারা নাম প্রকাশে আগ্রহী নন। যাদের উপহার দেয়া হয়েছে তারা দরিদ্র হলেও সহায়তাপ্রার্থী নন। তাদের সম্মান বজায় রেখে সহায়তা করার জন্যই দলের পরিচয় দিয়ে ঈদ উপহার দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী, আমি আমার দলের পরিচয়টাই দিয়েছি। আমি আমার খালিশপুর থানার সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপননের অনুমতি নিয়ে উপহার দিয়েছি। তবে এটা দলীয় সিদ্ধান্ত ছিল না।’

৫ মে বিকালে খালিশপুর পওয়ার হাউজ গেট এলাকা থেকে উপহারসামগ্রী তাদের দেয়া হয়। উপহারের মধ্যে আছে লাচ্ছা সেমাই, চিনি, পোলাওয়ের চাল, দুধ ও নগদ টাকা।

উপহার পেয়েছেন খুলনার খালিশপুরের পাঁচ আলেমসহ ১০জন। যার মধ্যে রয়েছে, ছিন্নমূল হকার ও রিক্সাচালক।

এ ব্যাপারে খুলনা মহানগর সিপিবির সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। আপনি চন্দনের সঙ্গে কথা বলেন।

বিষয়টি নিয়ে সিপিবি সদস্য এস এম চন্দন বলেন, যাদের উপহার দেয়া হয়েছে তারা সবাই আগে জুট মিলের শ্রমিক ছিলেন। এখন আরবি পড়িয়ে, মসজিদ পরিষ্কার করে দিন পার করেন। তারা মানুষের কাছে হাত পাততে বিব্রতবোধ করেন।

‘এদের মধ্যে একজন খলিশপুর আবাসিক এলাকার মতি মসজিদের খাদেম। বাজারে তার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। কথা প্রসঙ্গে জানতে পারি, পাট কলের বদলি শ্রমিক ছিলেন। এখন চাকরি নেই। আরবি পড়িয়ে, মসজিদ পরিষ্কার করে চলেন। খুব আর্থিক সংকটে আছেন। ওষুধ কিনবেন। পয়সা নেই।’

‘‘সহযোগিতা করতে চাইলাম, তিনি লজ্জিত হলেন। তখন তাকে জানাই, ঈদ উপলক্ষে আমরা উপহার দেব। তিনি নিতে রাজি হলেন। তিনি আরও পাঁচজনের কথা বললেন। ‘সম্মানিত আলেমগনের জন্য ঈদ উপহার’ লিখে তাদের দলের নামে উপহারগুলো দেই।’’

‘একইভাবে ওই এলাকার কয়েকজন ছিন্নমূল হকার, রিক্সাচালককেও কিছু সহযোগিতা দিয়েছি।’

ছবিটি চন্দন নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বলে জানান। তবে এ নিয়ে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া বা বিতর্ক তৈরি হবে, সেটি তার ধারণায় ছিল না। বলেছেন, নিতান্ত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই সহায়তা করা হয়েছে। সেখানে রাজনৈতিক কোনো চিন্তাভাবনা বা উদ্দেশ্য ছিল না।

ফেসবুকে সরেস আলোচনা

ধর্মীয় নেতাদের সিপিবির এমন ঈদ উপহার দেয়া নিয়ে ফেসবুকে কয়েক দিন ধরেই নানা প্রতিক্রিয়া চলছে।

সাংবাদিক ইশতিয়াক রেজা সেই উপহারসামগ্রীর একটি ছবি পোস্ট করে নিজের ফেসবুক ওয়ালে লেখেন, ‘আজ ছিল কার্ল মার্ক্স-এর জন্মদিন।’

সেই পোস্টের নিচে একজনের কমেন্টের জবাবে তিনি আরও লেখেন, ‘সিপিবি তার আসল কমরেডদের চিনতে পেরেছে হয়ত।’‌

উপহারসামগ্রীর সেই ছবিসহ হাস্যরস করে একটি পোস্ট দিয়েছেন শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী রবিন আহসান।

তিনি লেখেন, ‘আমাদের কপালে কী আছে?’। এরপরই দুটি হাসির ইমো জুড়ে দিয়েছেন সেই ছবির ক্যাপশনে।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন

হাতিয়ায় আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

হাতিয়ায় আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

সংঘর্ষে নিহত ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা (বাঁ থেকে উপরে) ও আহত ২ জন। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার সকালে চরচেঙ্গা বাজারে জেলেদের ত্রাণের চাল বিতরণ করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান নুর ইসলাম মালেশিয়া। তখন চাল দেয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলে স্থানীয় লোকজন। এর জেরে শুরু হয় সংঘর্ষ।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন চারজন।

হাতিয়ায় সোনাদিয়া ইউনিয়নের চর চেঙ্গা বাজারে শুক্রবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে এই সংঘর্ষ হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম জোবায়ের হোসেন। তিনি সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তিনি সদস্যপ্রার্থী ছিলেন। তিনি নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহেদী হাসানের সমর্থক বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শুক্রবার সকালে চরচেঙ্গা বাজারে জেলেদের ত্রাণের চাল বিতরণ করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান নুর ইসলাম মালেশিয়া। তখন চাল দেয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলে স্থানীয় লোকজন।

এ নিয়ে চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহেদী হাসানের সমর্থকদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। কয়েক রাউন্ড গুলিও চলে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক জোবায়েরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা সেখানে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহেদী হাসান বলেন, ‘সকালে চেয়ারম্যানের লোকজন বাজারে ত্রাণ বিতরণ করছিলেন। এ সময় আমার সমর্থক জোবায়ের ও ইরাক দোকানে বসা ছিল। কোনো প্রকার উস্কানি ছাড়াই চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের লোকজন দোকানে প্রবেশ করে জোবায়ের, তার ছেলে জীবন ও আমার কর্মী ইরাককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ওসি আবুল খায়ের জানান, জোবায়েরের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন

মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের মরদেহ

মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের মরদেহ

মোটরসাইকেলে ভাড়ায় লোক নিয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ সদর থেকে উপজেলার আদর্শনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন রাজীব। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে দুই দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সোয়াইর ইউনিয়নের ভাটিয়া গ্রামের শেখ ইসলামের পুকুরপাড়ে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রেজাউল করিম রাজীবের বাড়ি মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দেওথান এলাকায়। তিনি মোটরসাইকেলে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করতেন।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ খান জানান, মোটরসাইকেলে যাত্রী নিয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ সদর থেকে উপজেলার আদর্শনগরের উদ্দেশে রওনা হন রাজীব। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাটিয়া গ্রামের লোকজন পুকুরে মাটি খুঁড়তে গিয়ে বস্তায় ভরা মরদেহটি দেখে। খবর পেয়ে পুলিশে গিয়ে মাটি সরিয়ে বস্তা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

এরপরই ভাটিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আব্দুল কালাম মেম্বারের বাড়ি থেকে রাজীবের মোটরসাইকেলটি জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে থানায় নেয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি। তবে তাদের পরিচয় তিনি জানাননি।

ওসি বলেন, দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে মরদেহ পাঠানো হয়ে।

জেলার পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শংকর কুমার দাস জানান, রাজীবকে হত্যার ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করছেন তারা।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন

পানির প্রবাহের মধ্যেই ড্রেনে ঢালাই, স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা

পানির প্রবাহের মধ্যেই ড্রেনে ঢালাই, স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা

সুজন-এর জেলা সম্পাদক কুদরত-ই-খুদা বলেন, ‘প্রবাহমান পানির মধ্যে ঢালাই দিলে টেকসই হবে না। শুধুই হবে ফাঁকি ও অর্থের অপচয়। তাই ঠিকাদারের উচিত পরিকল্পিতভাবে বাঁধ দিয়ে খণ্ড খণ্ড করে ঢালাই দেয়া।’

মহানগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একসঙ্গে ২৭টি ড্রেনের উন্নয়ন কাজ শুরু করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন।

অভিযোগ উঠেছে, ড্রেনে পানির প্রবাহ থাকাবস্থায় দেয়া হচ্ছে ঢালাইয়ের কাজ। এতে ঢালাইয়ের স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে বর্তমানে নগরীর ট্যাংক রোড, আহসান আহম্মদ রোড, হাজী মহসিন রোড, গগন বাবু রোড, রতন সেন সরণির দুই পাশের ড্রেন ও সিমেন্ট্রি রোডের ড্রেনসহ সিটির ২৭টি ড্রেন প্রশস্ত করার কাজ চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাসাবাড়ি থেকে আসা নোংরা পানি ড্রেনে পড়ছে। এ কারণে ড্রেনের পানির প্রবাহও চলছে। এর মধ্যেই চলছে উন্নয়ন কাজ। ড্রেন ঢালাইয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে মরিচা পড়া রড।

নগরীর বাসিন্দা কামাল হোসেন জানান, এক দিকে পানি যাচ্ছে আর অন্যদিকে ড্রেনের কাজ করা হচ্ছে। কিছু রডের গায়ে কোম্পানির নাম লেখা নেই। সব মিলিয়ে এই ঢালাই বেশিদিন টিকবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

পানির মধ্যেই ড্রেনে ঢালাই, স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা

সুজন-এর জেলা সম্পাদক কুদরত-ই-খুদা বলেন, ‘প্রবাহমান পানির মধ্যে ঢালাই দিলে টেকসই হবে না। শুধুই হবে ফাঁকি ও অর্থের অপচয়। তাই ঠিকাদারের উচিত পরিকল্পিতভাবে বাঁধ দিয়ে খণ্ড খণ্ড করে ঢালাই দেয়া।’

তবে খুলনা সিটি করপোরেশনের উপসহকারী প্রকৌশলী রনি জামিল চৌধুরী বলেন, ‘আমার নির্ধারিত ওয়ার্ডে যতদূর সম্ভব পানি বন্ধ রেখে নিয়ম মাফিক কাজ করা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী এজাজ মোর্শেদ চৌধুরী কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন

‌বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু

‌বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ব্যবসায়ী মতিয়ার মিয়া জানান, দুপুরে প্রতিষ্ঠানের দোতলা ভবনের নতুন টিনের শেডের উপর সিমেন্টের প্লাস্টারে পানি দিতে যান শাহনাজ। এ সময় অসাবধানতায় পল্লী বিদ্যুতের তারের সঙ্গে শাহনাজের শরীর স্পর্শ করে। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহনাজ খার বাড়ি একই উপজেলার আরামডাঙ্গা গ্রামে। তিনি কার্পাসডাঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ী মতিয়ার মিয়ার রড সিমেন্টের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।

ব্যবসায়ী মতিয়ার মিয়া জানান, দুপুরে প্রতিষ্ঠানের দোতলা ভবনের নতুন টিনের শেডের উপর সিমেন্টের প্লাস্টারে পানি দিতে যান শাহনাজ। এ সময় অসাবধানতায় পল্লী বিদ্যুতের তারের সঙ্গে শাহনাজের শরীর স্পর্শ করে। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। যেহেতু এটি দুর্ঘটনা, তাই কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কোথায় হারাল বাবলাগাছ
২০০ বছরের আমগাছ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কাটল ৩০০ গাছ
বনভোজনে গিয়ে গাছচাপায় দুইজন নিহত

শেয়ার করুন