× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

সারা দেশ
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে
hear-news
player
print-icon

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

দেশের-সর্বনিম্ন-তাপমাত্রা-শ্রীমঙ্গলে
দৃষ্টিসীমা কমে আসায় সকাল থেকে রাস্তায় যানবাহন ছিল কম। হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে দূরপাল্লার গাড়িগুলোকে।

অঙ্কের হিসেবে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও তা এড়াতে পাড়েনি সর্বনিম্নের ঘর। নয় দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস নিয়ে কনকনে শীতে কাঁপছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল।

শনিবারও এখানে তাপমাত্রা ছিল নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের মধ্যে ছিল সর্বনিম্ন।

ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের কারণে চরম কষ্টের মুখে এখানকার শ্রমজীবী মানুষেরা। দৃষ্টিসীমা কমে আসায় সকাল থেকে রাস্তায় যানবাহন ছিল কম। হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে দূরপাল্লার গাড়িগুলোকে।

আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন অনেক ছিন্নমূল মানুষ।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া সহকারী জাহেদুল ইসলাম মাছুম নিউজবাংলাকে জানান, চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

আরও পড়ুন:
আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

সারা দেশ
Students are being selected not for fail Education Minister

শিক্ষার্থীদের ফেল নয়, বাছাই করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের ফেল নয়, বাছাই করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
বন্যায় বিভিন্ন জেলায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সংস্কারের উদ্যােগ নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বন্যায় যেসব শিক্ষার্থীর বই নষ্ট হয়েছে, তাদের তালিকা করে বই দেয়ার এক সপ্তাহ পর পরীক্ষা নেয়া হবে।’

বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় যেসব ভর্তিচ্ছু বাদ পড়ছেন, সেসব শিক্ষার্থীরা ফেল বা অকৃতকার্য হচ্ছেন- বিষয়টি এমন নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাদ কিংবা ফেল নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী শিক্ষার্থী বাছাই করে নিচ্ছে।’

বুধবার সন্ধ্যায় চাঁদপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফেল করাচ্ছে, তা কিন্তু না। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ধারণক্ষমতা রয়েছে। সেই অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বাছাই করছে। যারা সেই পরীক্ষায় বাছাই হচ্ছে না, তারা যে অকৃতকার্য হচ্ছে; বিষয়টি এমন নয়।’

বন্যায় বিভিন্ন জেলায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সংস্কারের উদ্যােগ নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বন্যায় যেসব শিক্ষার্থীর বই নষ্ট হয়েছে, তাদের তালিকা করে বই দেয়ার এক সপ্তাহ পর পরীক্ষা নেয়া হবে।’

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছাত্রলীগের অর্থের বিনিময়ে নেতা নির্বাচন প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, ‘কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। বিষয়গুলো দেখার জন্য দলীয় ফোরামে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। তারা অভিযোগের সত্যতা খুঁজে বের করবেন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মজিবুর রহমান, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী বেপারী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. হেলাল হোসাইন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তির আবেদন শুরু ৬ জুন
এক মাস এগিয়েছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা
কবে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা
বুয়েটে ভর্তির প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা ৪ জুন
মেডিক্যালের প্রশ্নে সন্তোষ পরীক্ষার্থীদের

মন্তব্য

সারা দেশ
Water is rising again in Sylhet due to rain

বৃষ্টিতে সিলেটে আবার বাড়ছে পানি

বৃষ্টিতে সিলেটে আবার বাড়ছে পানি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে পাওয়া তথ্যে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এই সময়ে কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বেড়েছে ২ সেন্টিমিটার। তবে অন্যান্য পয়েন্টে পানি কমেছে।

সিলেটে সারা দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। বৃষ্টি হচ্ছে মঙ্গলবার রাত থেকেই। ফলে আবার বাড়ছে সিলেটের নদনদীর পানি। এতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে পাওয়া তথ্যে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এই সময়ে কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বেড়েছে ২ সেন্টিমিটার। তবে অন্যান্য পয়েন্টে পানি কমেছে।

সারি নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার ও লোভা নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে কিছুটা কমেছে ধলাই নদীর পানি।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের বাসিন্দা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘মঙ্গলবার পানি কিছুটা কমেছিলে। বৃষ্টিতে আজ সকালে আবার পানি বেড়ে গেছে।ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে এখনও হাঁটু পানি।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের উপসহকারী একেএম নিলয় পাশা বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে সিলেটে নদনদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি থাকতে পারে।

সিলেট জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত সিলেটে ৩১৪ টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু আছে। এতে আশ্রয় নিয়েছেন ২২ হাজার ১৭৬ জন। ২৩৫টি পশুও আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে।

বন্যার্তদের চিকিৎসায় জেলায় ১৪০টি মেডিক্যাল দল ও পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য ৪০টি মোবাইল টিম কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
বন্যার মধ্যে লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ দ্বিগুণ
সুনামগঞ্জে যতদিন প্রয়োজন সেনাবাহিনী থাকবে
২০ দিনেও ঘর থেকে নামেনি পানি
বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা নিয়ে শঙ্কা পরিকল্পনামন্ত্রীর
ভয়াবহ বন্যায় পানির নিচে সিডনির একাংশ

মন্তব্য

সারা দেশ
In Sylhet the city is without electricity for 6 hours a day and the village for 12 hours

সিলেট শহর দিনে ৬ ঘণ্টা, গ্রাম ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন

সিলেট শহর দিনে ৬ ঘণ্টা, গ্রাম ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সিলেট নগর ও গ্রামাঞ্চলের অন্তত ১০ জন গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেছে নিউজবাংলা। তারা জানিয়েছেন, নগরে গড়ে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ও গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না পেয়ে মঙ্গলবার রাতে সড়ক অবরোধ করেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেতলি এলাকার বাসিন্দারা।

এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় যুবক সাজ্জাদ আহমদ জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ গিয়েছিল। টানা আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর সড়ক অবরোধে নামেন তারা। বিক্ষোভ চলাকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।

দুদিন ধরেই ভ্যাপসা গরম সিলেটে। মঙ্গলবার তা আরও বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে দিনভর ছিল বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলা। রাতে লোডশেডিং আরও বাড়ে। রাতে সিলেটের বেশির ভাগ এলাকাতেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। গরম আর লোডশেডিংয়ের কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় গ্রাহকদের। সেই সঙ্গে দীর্ঘ বন্যার দুর্ভোগ তো রয়েছেই।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে লোডশেডিং করতে হচ্ছে । রাতে ও গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। ফলে এ রকম সময়ে লোডশেডিংও বাড়ে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সিলেট নগর ও গ্রামাঞ্চলের অন্তত ১০ জন গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেছে নিউজবাংলা। তারা জানিয়েছেন, নগরে গড়ে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ও গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার বুরুঙ্গা এলাকার সুমন দেব বলেন, ‘মঙ্গলবার দিনের অর্ধেক সময়ই বিদ্যুৎ ছিল না। একবার গেলে দীর্ঘক্ষণ পর আবার আসার কিছুক্ষণই পর পরই চলে যায়। আর রাতে তো বেশির ভাগ সময়ই বিদ্যুৎহীন ছিল।’

কদিন ধরেই এমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে বলে জানান নগরের টিলাগড় এলাকার গৃহিণী রুমানা আক্তার। তিনি বলেন, ‘তীব্র গরমের সময়, ঘুমানো বা খাওয়ার সময়- এ রকম সময়েই বিদ্যুৎ চলে যায়।’

চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ার কথা জানিয়ে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মহাব্যবস্থাপক সঞ্জীব কুমার রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চাহিদার অর্ধেকও বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। বিশেষত পিক আওয়ারে সরবরাহ সবচেয়ে কম মিলছে।’

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে আমাদের চাহিদা ছিল ৪২ মেগাওয়াট। পেয়েছি মাত্র ২০ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং বেড়েছে। কাল সকাল থেকেই লোডশেডিং শুরু হয়েছিল, যা রাতেও অব্যাহত থাকে।

‘গরম বেশি হলে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। এতে লোডশেডিংও বাড়ে।’

চাহিদার ৬০ শতাংশ সরবরাহ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর মহাব্যবস্থাপক দিলীপ চন্দ্র চৌধুরী। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে আমাদের চাহিদা ছিল ১০৩ মেগাওয়াট। সরবরাহ পেয়েছি ৬০ মেগাওয়াটের মতো।’

মঙ্গলবার সরবরাহের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কাল গরম বেশি ছিল। তাই ঘাটতিও বেশি ছিল। এতে লোডশেডিংও বেশি করতে হয়েছে।’

তবে বুধবার আবহাওয়া ঠান্ডা থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা কম বলে জানান তিনি।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আওতাধীন গ্রাহকদের প্রতি ৪ ঘণ্টা পরপর ১ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পিডিবি সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চাহিদার চেয়ে ৩০ শতাংশ কম পাচ্ছি। বুধবার দুপুরে সিলেট জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ১২৩ মেগাওয়াট আর বিভাগে ৫৫০ মেগাওয়াট। তার বিপরীতে সরবরাহ পেয়েছি জেলায় ১০০ মেগাওয়াট ও বিভাগে ৪২০ মেগাওয়াট।’

সব সময় দুটি করে ফিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ৪-৫ ঘণ্টা পরপর প্রতিটি ফিডে ১ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে।

তার হিসাবেই দিনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে ৫-৬ ঘণ্টা।

আব্দুল কাদির বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধের পর তেল সংকট দেখা দিয়েছে। তাই তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন বন্ধ থাকায় গ্যাসের চাপ কম। এ কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও বন্ধ আছে। এতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এই ঘাটতির কারণেই লোডশেডিং হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর
প্রচণ্ড লোডশেডিং হচ্ছে, এটা ভয়াবহ: ফখরুল
এত লোডশেডিং কেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কেবল অপারেটরের মৃত্যু
বিদ্যুৎ আসার অপেক্ষা আর যাওয়ার আতঙ্ক রাজশাহীতে

মন্তব্য

সারা দেশ
Bikers in human chains after helmets

হেলমেট পরে মানববন্ধনে বাইকাররা

হেলমেট পরে মানববন্ধনে বাইকাররা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে বাইকাররা। ছবি: নিউজবাংলা
মানবন্ধনে অংশ নেয়া বাইকার আশিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নিরাপত্তার ইস্যুতে আন্তমহাসড়কে বাইক চলাচল বন্ধ কার্যকরী সমাধান নয়। বরং মহাসড়কে আইনের প্রয়োগ করে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেয়া হোক।’

ঈদের আগে ও পরে ৭ দিন এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মোটরসাইকেলে চলাচল নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে গাজীপুরে মানববন্ধন করেছেন একদল বাইকার।

গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বুধবার দুপুরে মাথায় হেলমেট পরে ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করে মানববন্ধনে অংশ নেন শতাধিক বাইকচালক।

এ সময় মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের জন্য বাস মালিকদের দোষারোপ করেন তারা। এছাড়া ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান বাইকচালকরা।

মানবন্ধনে অংশ নেয়া বাইকার আশিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নিরাপত্তার ইস্যুতে আন্তমহাসড়কে বাইক চলাচল বন্ধ কার্যকরী সমাধান নয়। বরং মহাসড়কে আইনের প্রয়োগ করে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেয়া হোক।’

এ নিষেধাজ্ঞার ফলে লাখো মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী এবারের ঈদে তাদের পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন বলে মনে করেন তিনি।

বাইকার সবুজ হোসেন বলেন, ‘আমরা চাই সঠিক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচলে অনুমতি দেয়া হোক। তবে যারা আইন অমান্য করে হেলমেট, লাইসেন্স ও সেফটি গার্ড ব্যবহার করবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হোক।’

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের নিকট স্বারকলিপি দেন মানববন্ধনে অংশ নেয়া বাইকচালকরা।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের আগে তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরে তিন দিন অর্থাৎ মোট সাত দিন এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে মহাসড়কে রাইড শেয়ারিং করা যাবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন সচিব এ বি এম আমিনুল্লাহ নুরি।

৭ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এই নির্দেশনা।

এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন করছেন বাইকাররা।

পদ্মা সেতু ও এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতির দাবিতে বুধবার দুপুরেও পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে টোল প্লাজার সামনে মানববন্ধন করেছে শরীয়তপুর বাইকারস নামের একটি সংগঠন।

মানববন্ধন থেকে ঈদের আগে পদ্মা সেতুসহ সব মহাসড়কে বাইক চলাচলের অনুমতির দাবি জানানো হয়।

বাইক নেয়া যাবে না নৌপথেও

মহাসড়কে বাইক চালানোর দাবিতে মানববন্ধন করলেও এরই মধ্যে দুই চাকার যানটি বহন নিষিদ্ধ হয়েছে নৌপথেও।

এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়ে গেছে। আগামী ১১ দিন এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। অর্থাৎ ঈদের পর আরও পাঁচ দিন লঞ্চে বা ফেরিতে করে বাইক পরিবহন করা যাবে না।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল গত ১২ জুন। আর সেটি কার্যকর হয়েছে ২৪ দিন পর।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার সামনে বাইকারদের মানববন্ধন
‘মোটরসাইকেল বন্ধের পেছনে বাসমালিকরা’
ঈদে বাইক বন্ধ কার স্বার্থে
ঈদে বাইকে বাড়ি যাওয়ার পথ বন্ধ
এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক নিষিদ্ধের প্রস্তাব

মন্তব্য

সারা দেশ
Teacher beaten to death The principal of that college is shocked

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: সেই কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: সেই কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ
‘স্কুল শাখাটা বোর্ডের অনুমোদন না নিয়ে চালানো এটার বিষয়ে কীভাবে চালাচ্ছি সেটা জানতে চেয়েছেন। সাত কর্মদিবেসর মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এর আগে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড থেকে একটা তদন্ত টিম এসেছিলেন। তারাই প্রতিবেদন দিয়েছিলেন এই বিষয়ে।’

ঢাকার সাভারে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হত্যার ঘটনায় তোলপাড়, সেটির অধ্যক্ষ সাইফুল হাসানকে শোকজ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনুমতি ছাড়া নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদান করায় সাত কর্মদিবসের মধ্য সুষ্পষ্ট ব্যাখা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ৩০ জুন আশুলিয়ার হাজী ইউনুছ আলী কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বরাবর কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসেছি। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে আমাকে কারণ দর্শানোর একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। কলেজের এক শিক্ষক মোবাইলে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।’

কী বিষয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘স্কুল শাখাটা বোর্ডের অনুমোদন না নিয়ে চালানো এটার বিষয়ে কীভাবে চালাচ্ছি সেটা জানতে চেয়েছেন। সাত কর্মদিবেসর মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এর আগে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড থেকে একটা তদন্ত টিম এসেছিলেন। তারাই প্রতিবেদন দিয়েছিলেন এই বিষয়ে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসলে উৎপল স্যারকে হত্যার বিচার অন্য খাতে প্রবাহিত করার জন্য একটা বড় চক্রান্ত শুরু হয়েছে। সব স্কুলগুলো স্কুল উপজেলার অনুমতি নিয়ে এভাবেই চলে। দেখেন, আমরা এতদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছি, উপবৃত্তি পাচ্ছি। তাহলে এতদিন তো শিক্ষা বোর্ড আমাদের বলে নাই যে আপনারা বন্ধ করেন।’

মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘হাজী ইউনুছ আলী কলেজের অধ্যক্ষকে আমরা শোকজ করেছি। ওনার নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদানের অনুমতি কোথা থেকে কীভাবে পেয়েছেন এই বিষয়টার ব্যাখ্যা চেয়েছি আমরা।’

গত ২৫ জুন কলেজ প্রাঙ্গণে মেয়েদের ক্রিকেট খেলার সময় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম জিতুর বিরুদ্ধে।

পরদিন সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় উৎপলের। একই দিন নিহতের বড় ভাই অসীম কুমার সরকার আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ঘটনার চার দিন পর ২৯ জুন জিতুর বাবা উজ্জ্বল হোসেনকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই দিন রাতে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার হয় জিতু।

৫ দিনের রিমান্ড শেষে ৬ জুলাই আদালতে শিক্ষক উৎপলকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন জিতু।

এ নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে অনুমোদন ছাড়াই প্রাক প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ক্লাস নেয়ার বিষয়টি জানাজানি হয়।

আরও পড়ুন:
ছেলের প্রেমে মাকে পুড়িয়ে হত্যা, প্রধান আসামি দম্পতি গ্রেপ্তার
শিক্ষক হত্যা: জিতুর দায় স্বীকার
আমিনের হেনোলাক্স কারখানায় প্রসাধনী নয়, তৈরি হচ্ছে সেমাই
গাজী আনিসের আত্মহত্যা পাওনা টাকা না পেয়ে: র‍্যাব
গায়ে আগুন দেয়া ব্যবসায়ী গাজী আনিসের দাফন

মন্তব্য

সারা দেশ
Gazipur district Chhatra League declared unwanted

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সা. সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সা. সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: নিউজবাংলা
কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সব ইউনিট গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। পাশাপাশি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে অর্থ দাবির অভিযোগও করেন বিলুপ্ত কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতারা।

কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করায় গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বুধবার কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জেলা কমিটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে দুপুরে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহীদ ময়েজউদ্দিন সড়ক ঘুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শেষ হয়।

পরে উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিলুপ্ত কমিটির কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর মোল্লা।

সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদ হাসানের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা পরিমল চন্দ্র ঘোষ, কামরুল ইসলাম, মোক্তারপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, জামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. খাইরুল আলম, যুবলীগ নেতা কাজী হারুন-অর-রশিদ টিপু, বাদল হোসেন, রেজাউর রহমান আশরাফী খোকন, ছাত্রলীগ সাদমান সাকিব আলভী, এম আই লিকনসহ আরও অনেকে।

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সা. সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা


এ সময় বক্তারা গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক দাবি করে কঠোর সমালোচনা করেন। তারা জানান, কমিটি বিলুপ্ত করলেও জেলা ছাত্রলীগের নেতারা স্থানীয় সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকির সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগের সব ইউনিট গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। পাশাপাশি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে অর্থ দাবির অভিযোগও করেন বিলুপ্ত কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতারা।

এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুলতান মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন। এ সংগঠনে একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয় না। সাংগঠনিক নিয়মে আমরা কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় কমিটি বিলুপ্ত করেছি। স্থানীয় সাংসদ মেহের আফরোজ চুমকি আপার সঙ্গেও কথা বলেছি। তবে তিনি চেয়েছেন এই কমিটি নির্বাচন পর্যন্ত বহাল থাকুক। কিন্তু তিনি বিলুপ্ত বা গঠনের কোনো সিদ্ধান্ত দিলেও তা আমাদের সাংগঠনিক নিয়মবহির্ভূত। কাজেই সিদ্ধান্ত দিলেও তা নেয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সা. সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি বলেন, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর সম্মানের ভিত্তিতেই আমরা সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করে আসছি। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গাজীপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ তো আর ভিন্ন কোনো গ্রহের বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কেউ না। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রতৃপ্রতিম সংগঠন। তবে জেলা ছাত্রলীগ সেই পরিচয় দেয়নি। তারা কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করার আগে আমার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ তো করেইনি, এমনকি কোনো সিদ্ধান্তেরও প্রয়োজন মনে করেনি।’

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের এক সিদ্ধান্ত মোতাবেক কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তানভীর-ওয়াহিদ কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি আগামী ৩০ জুলাই গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি/সম্পাদক পদে আগ্রহীদের কাছ থেকে সিভি আহ্বান করা হয়।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার
৭১ টিভির গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাকে অব্যাহতি
নিখোঁজ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
ফাল্গুনীকে মারধর: ছাত্রলীগের পাঁচজনের বিচার শুরু

মন্তব্য

সারা দেশ
33 injured in collision of two bass

দুই বাসের সংঘর্ষে আহত ৩৩

দুই বাসের সংঘর্ষে আহত ৩৩
গৌরনদী হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘সিলেট থেকে ব‌রিশালগামী আল মোবারাকা প‌রিবহন ও ব‌রিশাল থেকে ঢাকাগামী ব‌রিশাল এক্সপ্রেসওয়ে প‌রিবহনের সংঘর্ষ হয়। আহতদের মধ্যে ১৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভ‌র্তি করা হয়েছে।’
বরিশালের গৌরনদীতে দুটি বাসের সংঘর্ষে ৩৩ যাত্রী আহত হয়েছেন।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের খাঞ্জাপুর এলাকায় বুধবার দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মাহাবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘সিলেট থেকে ব‌রিশালগামী আল মোবারাকা প‌রিবহন ও ব‌রিশাল থেকে ঢাকাগামী ব‌রিশাল এক্সপ্রেসওয়ে প‌রিবহনের সংঘর্ষ হয়। আহতদের মধ্যে ১৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভ‌র্তি করা হয়েছে। বা‌কিদের গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ‌্য কমপ্লেক্সে চি‌কিৎসা দেয়া হচ্ছে।

‘দুর্ঘটনার কারণে যান চলাচল বি‌ঘ্নিত হলেও সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর পুরোপু‌রি স্বাভা‌বিক হয়। বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। তবে বাসের চালক বা হেলপার কাউকে আটক করা যায়‌নি।’
তি‌নি বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর ঢাকা থেকে ব‌রিশালগামী সাকুরা প‌রিবহনের এক‌টি বাস সড়কের পাশ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে কাদায় আট‌কা যায়। প‌রিবহন কর্তৃপক্ষ বাস‌টিকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।’
অন্যদিকে ঢাকা-ব‌রিশাল মহাসড়কের কা‌শিপুর এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়‌নি।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে পৃথক দুর্ঘটনায় ঝরল শিশুসহ ২ প্রাণ
পদ্মা সেতু এলাকায় মাইক্রোবাসে বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
বিদেশ যেতে মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে এসে নিহত বাসের ধাক্কায়
খিলগাঁওয়ে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
মাইক্রোবাসের চাপায় প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর

মন্তব্য

p
উপরে