করোনায় গৃহবন্দি শিশুরা বর্ণিল হোক

করোনায় গৃহবন্দি শিশুরা বর্ণিল হোক

এ কঠিন সময়ে পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের পারফরম্যান্স করতে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে। অভিনয়-গান, গল্প বলা, ছবি আঁকা। তাদের ভালো কাজগুলো ফেসবুকে শেয়ার করা যেতে পারে। শিশুদের কাজ ফেসবুকে ভালো স্বীকৃতি পায়। শিশুদের দেখাতে হবে কতগুলো লাইক আর লাভ সে পেয়েছে। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে। তার মধ্যে অনীহা তৈরি হবে না।

নগর বা মহানগরে সবার বাসাবাড়ি থাকে না। নিদেনপক্ষে থাকে একটি ঘর। এ সীমিত পরিসরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লকডাউন বা কোয়ারেনটাইনে ঘরবন্দি অবস্থা নানা ইস্যুর জন্ম দিচ্ছে। অন্তঃসংঘাত বাড়ছে, স্বামী-স্ত্রীর তিক্ততা বাড়ছে। একই সঙ্গে শিশুসন্তানেরা শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে।

প্রায় দেড় বছর স্কুলের সঙ্গে শিশুদের যোগাযোগ নেই। স্কুল কর্তৃপক্ষ ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। শিশুদের ওপর প্রযুক্তিনির্ভর এ প্রচেষ্টার চাপ প্রতিদিন প্রত্যক্ষ করছে প্রতিটি পরিবার। করোনা মানবিক যোগাযোগের চেতনাকে দুমড়েমুচড়ে মেকানিক্যাল যোগাযোগে রূপান্তর ঘটাচ্ছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে মেশিন ও প্রযুক্তিনির্ভর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ঘেরাটোপে আটকে যাচ্ছি ব্যক্তি। যারা দরিদ্র, যারা ডিজিটাল হতে পারেননি, এনালগ হয়ে আছেন, যোগাযোগের সুযোগ ও অধিকার তাদের সীমিত হয়ে পড়ছে।

করোনাকালে ঘরবন্দি অবস্থা শেখাচ্ছে কীভাবে সহাবস্থান ও ভিন্নতা নিয়ে বাঁচতে হয়, একে অন্যকে শ্রদ্ধা করতে হয় ও যূথবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, ঘরের কাজ ভাগবাঁটোয়ারা করতে হয়।

করোনা সবচেয়ে বড় অভিঘাত ব্যক্তিমনে সেই সঙ্গে পরিবারের ওপর। নগরজীবনে বিশেষত নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর করোনা সৃষ্টি করেছে গভীর অভিঘাত। কথা হলো, মানুষ নিশ্চিত যেকোনো কিছুর সঙ্গে অভিযোজন করতে পারে। এটি মানুষের সহজাত শক্তি। কিন্তু অনিশ্চিত কোনো কিছু সামনে এলে সে অসহায় হয়ে পড়ে। পোস্ট কলোনিয়ালিজম বা উপনিবেশ-উত্তর তাত্ত্বিক এডওয়ার্ড সাঈদ বলেন- যেকোনো ভীতিকর বাস্তবতা মোকাবিলায় মানুষের জ্ঞান অপ্রতুল প্রমাণিত হয়েছে।

যা হোক, করোনাকালে আমাদের শিশুরা বসতবাড়ি বা ঘরে কেমন আছে? এ বন্দিত্বজনিত যেসব সমস্যা মুখোমুখি হচ্ছে শিশুরা সেগুলো কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে কীভাবে মোকাবিলা করতে পারি, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিগত দেড় বছর পরিস্থিতির নিবিড় পর্যবেক্ষণ, নিজস্ব পরিসর ও পারিপার্শ্বিকতা থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা এ লেখার অভিলক্ষ্য নির্মিত হয়েছে।

কোয়ারেনটাইনের চৌদ্দ দিনের গৃহবন্দিত্ব নিয়ে দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা আলবার্ট উডফক্সের কাছে জানতে চেয়েছিল- এ সময়টা ঘরে কীভাবে কাটানো যায়? মানসিক চাপমুক্ত থাকা যায়। আলবার্ট উডফক্স হাসতে হাসতে বলেছিলেন- আমি তো বিনা অপরাধে ৪৪ বছর জেল খেটেছি। ৪৪ বছরের প্রতিক্ষণ কর্তৃপক্ষ আমাকে নিঃশেষ করতে চেয়েছিল কিন্তু আমি শেষ হইনি। আমি আমার বন্দিত্বের ৯ ফুট বাই ৬ ফিট ঘর বিশ্ববিদ্যালয় বানিয়েছিলাম। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি প্রতিদিন নানা পাঠ নিতাম। এ ৯ ফুট বাই ৬ ফুট ঘর আমার মানসিক বিকাশ ঘটিয়েছে। আমি নিবিষ্ট হয়েছিলাম। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন- এ সময় আমি ২৩ ঘণ্টা ঘরে থাকতাম আর এক ঘণ্টা আমাকে বাইরে হাঁটাহাঁটির জন্য নিয়ে যাওয়া হতো।

আলবার্ট উডফক্সকে ১৯৭২ সালে কারাগারে পুরা হয়েছিল আর কারাগার থেকে মুক্ত হন ২০১৬ সালে। তিনি আমেরিকার ইতিহাসে বিনা অপরাধে দীর্ঘ সময় জেল খাটা এক কালো মানুষ। কারাগার থেকে বের হয়ে তিনি একটি বই লেখেন বইটির নাম হলো- Solitary: Unbroken by four decades in solitary confinement. My story of transformation and hope বইটি ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড পায়। বইটির নামের মধ্যে তার রূপান্তরের গল্পটি পাওয়া যায়। কীভাবে বাধ্যতামূলক বন্দিত্বকে পরিবর্তনের শিল্পে রূপান্তর করা তার মৌলিক পাঠ রয়েছে এ গ্রন্থে। একইভাবে নেলশন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী– A Long Walk to Freedom-আরেকটি মৌলিক গ্রন্থ। এ গ্রন্থে ম্যান্ডেলা বহু বিষয়ের অবতারণা করেছেন তার মধ্যে অন্যতম একটি দিক হলো তার ২৭ বছরের কারাজীবনে কারা অভ্যন্তরে অভিযোজন দক্ষতা।

বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন সময় মোট ৪,৬৮২ দিন প্রায় ১৩ বছর কারাগারে বন্দি ছিলেন। কারা অভ্যন্তরে তিনি কীভাবে সময় কাটিয়েছেন তার বিবরণ পাওয়া যার তার আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচাতে। তিনি কীভাবে পাখিদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছেন, ফুলের গাছ চাষ করেছেন, নিজে রান্নাবান্না করেছেন, কারা অভ্যন্তরে থাকা লোকজনের নৈকট্য উপভোগ করেছেন।

প্রতিটি মহান হৃদয় যখন নিঃসঙ্গ হয়েছে তখন তারা আরও অধিকতর থিতু হয়েছেন, স্থির হয়েছেন, একাগ্র হয়েছেন। স্থানের সীমিত পরিসর তাদের উকণ্ঠিত করেনি, ববং স্বল্প স্পেসের স্নিগ্ধতা আরও নিবিড়ভাবে উপভোগ করেছেন। শার্সি দিয়ে আসা এক চিলতে আলো তাদের সকালকে মাধুর্যে ভাসিয়েছে। উডফক্সের ক্ষেত্রে যেটি হতো- একটি ইঁদুর আসতো তার নির্জন কক্ষে। তিনি ইঁদুরটির সারা শরীর দেখতে পেতেন না। কেবল দেখতে পেতেন তার চকচকে দাঁত তাতেই উডফক্স পুলকিত হতেন।

একটি শূন্য স্পেস যে কত সুন্দর হতে পারে এবং তা দেখে দেখে যে দীর্ঘসময় কাটানো যায় মহান হৃদয়গুলোর লেখালেখি থেকে সেই শিক্ষাটি আমরা পাচ্ছি। অনিশ্চিত জীবন নিয়ে উৎকণ্ঠিত না হয়ে দুঃসময়কে কীভাবে স্নিগ্ধতায় পূর্ণ করতে হয় সে ধারণাও পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠেছে তাদের হৃদয়ের আঁচড়ে।

লকডাউন বা কোয়ারিনটাইনের এ স্বপ্ল সময়ে আমরা অস্থির হয়ে পড়ছি। মনে রাখতে হবে, এটি তুলনামূলক নমনীয় বন্দিত্ব। শারীরিক চলাফেরা হয়তো সীমিত কিন্তু ভার্চুয়াল যোগাযোগ তো বন্ধ নেই। তারপরও আমাদের মন উড়ু উড়ু। ঘরে মন থাকতে চায় না। আমরা ঘর উপভোগ করতে পারি না। আসলে নানা কারণে আমাদের ঘরগুলো উপভোগ্য হয়নি। এর যেমন একটি মানসিক দিক রয়েছে, আরেকটি রয়েছে বস্তুগত দিক। গৃহগুলো উপভোগ্য হলে ব্যক্তির বহির্মুখীতা কমে আসতো এটাই স্বাভাবিক। করোনাকালে আবারও বোঝা যাচ্ছে, আমাদের গৃহ বা ঘরগুলো বড়ই ক্লান্তিকর, নিকষ, স্থবির।

আরেকটি দিক হলো, ঘরদর্শন বিষয়ে কোনো দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের মধ্যে গড়ে ওঠেনি। নিজ গৃহকে নিবিড়ভাবে দেখার সুযোগ আমাদের সীমিত (যা আছে বা যতটুকু আছে)। একান্ত সম্পর্কগুলো কী উৎসুখ মন নিয়ে দেখলাম? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক, ছেলে-মেয়েদের সম্পর্ক বা একটি গৃহকোণ। বারান্দায় থাকা গাছ, তাদের নতুন ফোটা ফুল বা পাতা। আমরা স্থূলতায় ভাসতে থাকি। নিবিষ্টভাবে কোনো ক্ষুদ্রকে পরিবীক্ষণ করার মনোভঙ্গি নেই বললেই চলে। পাবলো নেরুদা তার আত্মজীবনীর প্রথম পাতায় কী নিপুণ বিবরণ দিয়েছেন চিলির বনে বসবাসকারী নানারকমের পোকামাকড়ের শরীর কাঠামো ও রং বিন্যাস নিয়ে। এ যে ক্ষুদ্রের প্রতি ভালোবাসা তাই তো সবচেয়ে সুন্দর, যা থাকে গৃহকোণে।

মানুষের গৃহকোণে যে পোকামাকড়গুলো রয়েছে হাজার বছর ধরে, যেমন তেলাপোকা, টিকটিকি, পিঁপড়া সেগুলোর দিকে কজন নিবিষ্ট মনে তাকালাম। তাদের যূথবদ্ধতা, তাদের বেঁচে থাকার কৌশল, বিশেষত পিঁপড়ার বুদ্ধিবৃত্তিক তৎপরতার খোঁজ-খবর নিলাম?

গৃহাভ্যন্তরে থাকা ছোটখাটো পোকামাকড়গুলোর সঙ্গে শিশু সন্তানদের পরিচয় করালাম কী, তাদের শরীররের রং বিন্যাস ও আচরণ নিয়ে কথা বলা হলো কী?।

শিশুদের জন্য এ বন্দিসময় উপভোগ্য করে তুলতে হলে- তাদের স্বাধীনতা প্রয়োজন। পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের পছন্দমতো টেলিভিশন প্রোগ্রাম দেখা, বইপড়া, বারান্দায় যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলা, ছবি আাঁকা, সৃজনশীল কিছু বানাতে উৎসাহিত করতে ভুলে গেলে হবে না। তাদের কড়া পরিবীক্ষণের আওতায় নিয়ে এলে কোনো বিশেষ ফল বয়ে আনবে না। তাদের যোগাযোগ প্যাটার্নে কিছুটা পরিবর্তন আনতে সহায়তা করতে হবে। নতুন নতুন গান, ডকুমেন্টারি, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ফোনালাপ বিশেষত তারা যাদের সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করে।

যারা শিশুর মনস্তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেন তাদের বক্তব্য হলো শিশুরা যাতে অনুভব করতে শিখে কোনটি ভালো-কোনটি মন্দ। অর্থাৎ প্রতিনিয়ত তাদের ভালো-মন্দের প্রেসক্রিপশন না দিয়ে তাদের উপলব্ধি করতে সহায়তা করাটা সবচেয়ে শ্রেয়। কিন্তু বাবা-মায়েরা উপলব্ধি করতে সহায়তা করেন না, তারা রেডিমেট পরামর্শ দিতে ভালোবাসেন। বাবা-মায়েরা নির্দেশনা না মানলে সন্তানদের ওপর রুষ্ট হোন। করোনাকালে ও রুষ্টকরণ প্রবণতা বাড়ছে। ফলে এর বিপরীত ফলাফলও লক্ষ করা যাচ্ছে। শিশুরা ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করছে না, কথা শুনছে না, মোবাইল বা ল্যাপটপের সামনে বসে থাকছে, মেজাজ খিটখিটে, বাইরে যেতে চাচ্ছে না ইত্যাদি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পিতা-মাতা হিসেবে আমরা কি সৃজনশীলতার সঙ্গে বিষয়গুলো দেখভাল করতে পারছি না?

বাবা-মা হলো কর্তৃত্ব ফলানোর সবচেয়ে বড় কর্তৃপক্ষ। সন্তানদের ওপর নির্বিচার কর্তৃত্ব ফলানোর অধিকার তাকে কেউ দেয়নি। পিতা-মাতা হিসেবে তিনি এটি অর্জন করেছেন বলে যে ধারণা পোষণ করেন; এ ধারণার জোরালো কোনো ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। কর্তৃত্ব ফলানোর জন্য কর্তৃত্ববোধ থাকতে হয়।

পিতা-মাতা হিসেবে দায়িত্ববোধ সম্পর্কিত কোনো জ্ঞানকাণ্ড ছাড়াই অনেকে আমরা পিতা-মাতা হই এবং সন্তানদের ওপর তা কর্তৃত্বচর্চা করি। পিতা-মাতা নিজেদের স্বপ্নের আদলে সন্তানদের গড়তে চান। বিবর্তনবাদী জীববিজ্ঞানী রিচার্ড ডাউকিন তার গড ডিলিউশন বইয়ে এ বিষয়ে ঘোরতর আপত্তি তুলেছেন। তার কথা হলো-শিশুদের নিজেদের সৃজনশীলতা নিয়ে বাড়তে দিতে হবে। পিতা-মাতার দায়িত্ব সহায়কের, নিয়ন্ত্রকের নয়। করোনাকালেও এ বাস্তবতা ভুললে হবে না।

অভিজ্ঞতায় দেখছি, করোনাকালে শিশুদের সবচেয়ে বড় উপভোগের বিষয় হলো-পিতা-মাতার সান্নিধ্য। তাই বাসায় যেকোনো ধরনের তিক্ততা এড়িয়ে চলা উত্তম। কারণ, বাসার বৈরী পরিবেশের সবচেয়ে বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শিশুদের ওপর।

পিতা-মাতা নিজে বন্দি ফেসবুকে। যেমনটি ভারতীয় এক যোগী বলেন- আমরা ফেস দেখি না, দেখি ফেসবুক। পরিবারের বড়দের এ অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। সন্তানেরা যে পিতা-মাতার কাছে খুব মূল্যবান এ অনুভব তাদের মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। তাদের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

এ কঠিনসময়ে পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের পারফরমেন্স করতে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে। অভিনয়-গান, গল্প বলা, ছবি আঁকা। তাদের ভালো কাজগুলো ফেসবুকে শেয়ার করা যেতে পারে। শিশুদের কাজ ফেসবুকে ভালো স্বীকৃতি পায়। শিশুদের দেখাতে হবে কতগুলো লাইক আর লাভ সে পেয়েছে। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে। তার মধ্যে অনীহা তৈরি হবে না।

পিতা-মাতাকে কিছুটা পারফরমিং আর্টের দিকে যেতে হবে। বাবা-মায়ের অপ্রচলিত আচরণ শিশুসন্তানেরা বেশ উপভোগ করে। যেমন-আইলারে নয়া দামান আসমানেরই তারা...গানটি ছেড়ে সবাই মিলে একসঙ্গে নাচানাচি করা যেতে পারে। এ সুখকর স্মৃতি শিশুদের মনে অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়।

বাবা-মা স্টোরিটেল হিসেবে নিজের গ্রামের বাড়ির গল্প, শৈশবের গল্প, জয়-পরাজয়ের গল্প শুনিয়ে এক বর্ণিল সময় সহজেই পার করতে পারে।

মজার ব্যাপার হলো শিশুরা খুব নমনীয় তারা দ্রুত অ্যাডপ্ট করে কিন্তু পিতা-মাতার তাদের অবস্থানের পরিবর্তন করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। অনেক সময় তাদের ভেতর সাইনেস বা লজ্জা কাজ করে। পিতা-মাতা হিসেবে নিজেদের প্রচলিত রোল বদলাতে না পারলে এ বন্দিসময়টি শিশুদের জন্য উপভোগ্য করা কঠিন হবে।

লেখক: যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও সমাজ বিশ্লেষক

আরও পড়ুন:
বিশুদ্ধ পৃথিবীর অপেক্ষায়
সামান্য বৃষ্টিতে রাজধানীর জলাবদ্ধতায় ভোগান্তির অবসান চাই
ডিজিটাল আইন: সাংবাদিকরাই কি টার্গেট
আফগানিস্তান কি গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে
প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের সঙ্গে ‘প্রতারক’দের বিচার হবে তো

শেয়ার করুন

মন্তব্য